আমার প্রিয় পোস্ট
- Search Engine Optimization – এ হাতেখড়ি (পর্ব ১) - হাসান
- শাবানা আজমির দুঃখ - আলফাজ আনাম - আহসান মোহাম্মদ ক
- উড়ে যায় পাখি,ফেলে যায় পালক তার, একটা সাদা এবং একটা কালো - সুলতানা শিরীন সাজি
- অনলাইনে টাকা কামানো সর্ম্পকিত ব্লগ - হাসান
- সামহোয়্যারের ব্লগার ও পোস্ট - কত প্রকার ও কি কি (সবিস্তারে বর্ননা - অবশ্যই দেখুন)
- নাফিস ইফতেখার
- সৌখিন আলোকচিত্রীদের জন্য সুখবর। - অরণ্য আনাম
- বাবা আলাউদ্দীন - ইমন জুবায়ের
- ভেবে দেখুনতো ইন্টানেটে নিজের ছবি দেয়াটা উচিৎ কি-না। - লুলুপাগলা
- ভালবাসাবাসি করেন
.... তয় In Ishtyle!!!!
(অনুবাদ পোস্ট) - এম্নিতেই
- পোস্টের সাথে সম্পর্কহীন আলোচনার জন্য। - বিবর্তনবাদী
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- আস্তিক-নাস্তিক-সংশয়ী এবং তাদের ঈশ্বর - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
- The Jewel of Medina(Freedom of speach এবং artistic license নামে মিথ্যার বেসাতি) - আশিক হাসান
- শিউলী তোকে চিঠি - সুলতানা শিরীন সাজি
- বাংলাদেশে এক্টিভিস্ট হওয়া কি আদৌ সম্ভব (চার পর্ব একসঙ্গে) - ফাহমিদুল হক
- চির উন্নত শির(আজ আমাদের জাতীয় কবির ১০৯তম জন্মবার্ষিকী,বাংলা ১১ই জৈষ্ঠ হিসেবে আগামী কাল-ও){ছবি ব্লগ} . - অ্যামাটার
- আজ ১৯ আগষ্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামানের ৪৬ তম জন্মদিবস - কবি হেলাল রশিদ
- লুকোচুরি গল্প


- শিরোনামহীন
- মুঠোফোন-সফটওয়ার'জ - চিলে কোঠার সেপাই
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- আমার প্রিয় পোস্টগুলো - বিবর্তনবাদী
বাকশাল, বঙ্গবন্ধু ও আমার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৮
আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৮। আজ হতে ৩৪ বৎসর পূর্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশে সকল গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া স্থগিত করে বাকশাল কায়েম করেন। বাকশাল এমনই এক ভয়ংকর একনায়কতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতি যে, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট বাঘা বাঘা আওয়ামী লীগ নেতারাও এর দায়িত্ব নিতে আগ্রহি নন। তোফায়েল আহমদের মত নেতাকেও চ্যানেল আইয়ের তৃতীয় মাত্রায় বলতে শুনেছি, “বাকশাল পুরোটাই বঙ্গবন্ধুর নিজস্ব সিদ্ধান্তের ফসল”। অনেক আওয়ামী লীগ সমর্থক নেতা যেমন বাকশালের বিরোধীতা করেছেন, তেমনি বর্তমানে গনতন্ত্রের গান গাওয়া অনেক বড় বড় নেতা, সাংবাদিক, কালামিস্ট, বুদ্ধিজীবি সেদিন বাকশালে যোগ দিয়েছিলেন। যদিও পক্ষ বিপক্ষের সকলেই আজ নির্দ্বিধায় বঙ্গবন্ধুর উপর বাকশালের সব দায়িত্ব চাপিয়ে দেন। বাকশাল কেন এত ভয়ংকর শাসন ব্যবস্থা ছিল? বাকশাল ব্যবস্থা সম্পর্কে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বাংলাদেশ ওয়াকর্স পার্টির এলিট ব্যুরোর সদস্য হায়দার আকবর খান রনোর রাজনীতির কথা প্রসঙ্গে গ্রন্থ হতে উল্লেখ করছি:
বাকশাল ব্যবস্থাটা কি? এক কথায় এক ব্যক্তি নির্ভর এক দলীয় একনায়কত্বমূলক ব্যবস্থা। এর দ্বিতীয় কোন আর মানে থাকতে পারে না। এই ব্যবস্থার অধীনে এক ব্যক্তিবাদে আর কারো কোন গনতান্ত্রিক অধিকার নেই, না পার্টির অভ্যন্তরে, না দেশ পরিচালনের ক্ষেত্রে, সে কেন্দ্রীয় পর্যায়েই হোক আর স্থানীয় পর্যায়েই হোক। প্রথমে পার্টির ক্ষেত্রেই দেখা যাক। বাকশালের গঠনতন্ত্র পাঠ করলে এটা সুস্পষ্ট যে, এখানে অভ্যন্তরীন গনতন্ত্র বলতে কিছুই নেই। গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতার নামে শুধু মাত্র কেন্দ্রিকতাই আছে। দলের চেয়ারম্যানই সর্ব ক্ষমতার অধিকারী। তবে মজার ব্যাপারে এই দলের চেয়ারম্যান কিভাবে নির্বাচিত হবেন, গোটা গঠনতন্ত্রের কোথাও সেটা উল্লেখ নেই। শেখ মুজিব হবেন দলের চেয়ারম্যান ও সর্বক্ষমতার অধিকারী, এটাই মোদ্দা কথা। শেখ মুজিব নেই, তার দলের (বাকশাল) অস্তিত্বও নেই। ... ... ... ... ... ...
.. ... ... চেয়ারম্যানের পরেই সবচেয়ে ক্ষমতা সম্পন্ন হচ্ছে, একজন সাধারণ সম্পাদক সহ ১৫ জন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি। চেয়ারম্যান সাধারণ সম্পাদক সহ ১৫ জনকেই মনোনীত করবেন। ( বাকশাল গঠনতন্ত্রের দশম ধারার ২ উপধারা)।কেন্দ্রীয় কমিটির এক তৃতীয়াংশ চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত হবেন ( দ্বাদশ ধারার ৪ (ঙ) উপধারা)। কোন সংগঠন, সংস্থা বা কমিটির কোন সদস্য পদ শুন্য হলে, তদস্থলে চেয়ারম্যান নতুন সদস্য নিয়োগ করবেন (চতুর্বিংশ ধারা ২ উপধারা)। দলীয় কাউন্সিলে চেয়ারম্যান ৫০ জন পর্যন্ত মনোনয়ন করতে পারবেন (দ্বাদশ ধারার ১ (চ) উপধারা)। কাউন্সিলে প্রতিনিধি প্রেরণের ব্যাপারে বিভিন্ন জেলা ও অঙ্গ সংগঠনের কোটা চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কার্যনির্বাহী কমিটি ঠিক করবে (দ্বাদশ ধারার ১ (গ) উপধারা)। তাছাড়া বিভিন্ন সরকারী বা আধাসরকারি দফতর বা প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেশন, স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা এবং সামরিক ও বেসামরিক বাহিনীসমূহের প্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যাপারে দলের চেয়ারম্যানের ইচ্ছাই প্রধান (দশম ধারার ১০ উপধারা ও ষোড়শ ধারার ২ (খ) উপধারা)। চেয়ারম্যান ইচ্ছা করলে গঠনতন্ত্রের যে কোন ধারা পরিবর্তন, সংশোধন ও পরিবর্ধন করতে পারবেন এবং একমাত্র চেয়ারম্যানই গঠনতন্ত্রের ব্যাখ্যা দান করতে পারবেন (দ্বাবিংশতি ধারার ১ ও ২ উপধারা)। ... .
.. ... বাকশাল ব্যবস্থায় দলের সদস্য প্রাপ্তির ব্যাপারটিও দলের চেয়ারম্যানের ইচ্ছাধীন। কারণ কার্যনির্বাহী কমিটির হাতেই সদস্যপদ প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। (ষষ্ঠ ধারা ৫ (গ) উপধারা)। এই ব্যবস্থায় সরকারী ও আধাসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীবৃন্দ এবং পুলিশ মিলিটারি সদস্যরাও দলের সদস্য হতে পারবেন। কিন্তু কে সদস্য হতে পারবেন আরে কে পারবেন না তা সম্পূর্ণ রূপে চেয়ারম্যানের ইচ্ছাধীন (দশম ধারার ১০ উপধারা)। এইসব ক্ষেত্রে কোথায় প্রাথমিক ইউনিট করার অধিকার দেওয়া হবে এবং প্রাথমিক ইউনিটের সদস্য সংখ্যা কত হতে পারবে, তা ঠিক করবে চেয়ারম্যান কর্তৃক মনোনীত কার্যনির্বাহী কমিটি
অতএব, বোঝাই যাচ্ছে বাকশাল নিতান্তই একনায়কতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতির অপর নাম। কিন্তু প্রশ্ন হল কেন বাকশাল হল? আমার বিশ্বাস, শেখ মুজিব যতদিন বেঁচে ছিলেন ততদিনে এই দেশে তার সমকক্ষ কেউ ছিল না। তার জনসমর্থন এমনই বিশাল ছিল, যে তার সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করা নগন্য সংখ্যাক ব্যক্তির পক্ষেই হয়ত সম্ভব ছিল। তবে কেন তার এরূপ এক রাজনৈতিক কাঠামোর প্রয়োজন পড়ল? স্বাধীনতার ঠিক এক যুগ পরে আমার জন্ম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার বাকশালকে আমি নিজের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিশ্লেষণ করবার চেষ্টা করছি।
----------------------------------------------->>>
ভৌগলিক দিক দিয়ে জালের মত ছড়িয়ে থাকা নদী নালা আমাদের এক অঞ্চলকে পৃথক করেছে অন্য অঞ্চল হতে। গ্রাম, গঞ্জের গন্ডি পেরিয়ে বৃহৎ সমাজ ব্যবস্থার সাথেও আমরা পরিচিত নই। ছোট্ট জগতের মাঝে নিজেকে প্রত্যেকেই রাজা মনে করি। সামগ্রিক ভাবে আমরা বাঙালিরা কেউই নিজেকে অন্যের থেকে কোন অংশে ছোট ভাবতে রাজি নই। বিধায় কোন ক্ষেত্রেই অন্যের মতামতকে গুরুত্ব দেবার প্রয়োজন বোধও করি না। ব্যতিক্রম শুধু একজন; শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালির হাজার বছরের জাতীয় ইতিহাসে শেখ মুজিবের মত ব্যক্তিত্ব একটাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। কারন আমরা একজনকেই নিজের থেকে বড় ভেবেছি, একজনের মতামতকেউ হুকুম জেনেছি। অধীর আগ্রহে বাঙালি প্রখর সূর্যালোকে ঘন্টা ব্যাপি দাঁড়িয়ে রয়েছে, শুধু একজনের মুখে স্বাধীনতার ঘোষণা শুনবার জন্যে। তিনি শেখ মুজিবুর রহমান।
বাংলাদেশ এককালে পূর্ব পাকিস্তান থাকলেও মনস্তাত্বিক ভাবে আমরা কখনই পাকিস্তানি ছিলাম না। ফলাফল যে মুসলিম লীগের আহ্ববনের সাড়া দিয়ে, আমরা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেমেছিলাম, ভারত বিভাগের দুই বৎসর পূর্ণ না হতেই, সেই মুসলিম লীগ হতে সৃষ্টি হয় আওয়ামী মুসলিম লীগ। সাধারন বাঙালি যেমন মন থেকে নিজেকে পাকিস্তানি মানতে পারেনি, শেখ মুজিবও তেমনি নিজেকে কখনই সমগ্র পাকিস্তানের নেতা বলে চিন্তা করতে পেরেছিলেন বলে মনে হয় না। তবে শেখ মুজিব নিজে যেমন কোন বিপ্লবী ছিলেন না, তেমনি তার দল আওয়ামী লীগও কোন বিপ্লবী দল ছিল না। শেখ মুজিব প্রথম সারির রাজনীতির মাঠে খেলা শুরু করেন, তার রাজনৈতিক গুরু সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পরে। ছয়দফা তাকে জনপ্রিয় করে তোলে এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার পরে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি জনসাধারণের মাঝে নিজেকে এক অবিংসবাদিত নেতা হিসেবে দেখতে পান।
শেখ মুজিব ছিলেন নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতিবিদ। তিনি কোন গেরিলা নেতা ছিলেন না কখনই। নির্বাচন, আন্দোলন, হরতাল, ধর্মঘট, মিছিল, মিটিং, এগুলোকেই কেন্দ্র করে ছিল তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড। তার সবথেকে বড় অস্ত্র ছিল বিশাল জনসমর্থন। জনগনের মাঝে তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দি। বিধায় ব্যাপক জনসমর্থনের অস্ত্র নিয়ে, একটা রাজনৈতিক পদ্ধতিতে তিনি হয়ত চেয়েছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে। এজন্যই হয়তো সাতই মার্চের ভাষণে, “এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” ঘোষণা দেবার পরও আমরা তাকে দেখতে পাই গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিতে। শেখ মুজিব যদি তার রাজনৈতিক পথে চলতে সক্ষম হতেন তবে হয়ত সমগ্র পাকিস্তানের শাসক রূপে তিনি অবলীলায় ছয় দফা বাস্তবায়ন করতে পারতেন, যার ফলশ্রুতি হত রক্তপাতহীন স্বাধীন বাংলাদেশ। আর এই ছোট্ট বিষয়টা পাকিস্তানি সামরিক শাসকদের আঁচ করতে কোন সমস্যাই হয়নি। ফলে আমাদের উপর নেমে আসে ২৫ মার্চের কালরাত্রি। শেখ মুজিব ও সমগ্র বাংলাদেশীর সামনে একটাই রাস্তা খোলা ছিল, আর তা হল যুদ্ধের।
শেখ মুজিব গ্রেফতার হলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হল। নয় মাস যুদ্ধের পরে স্বাধীন হল বাংলাদেশ। দেশে ফিরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন শেখ মুজিব। মাত্র নয় মাস পরেই যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশ চালাতে হবে এমন ধারণা হয়ত তখন শুধু শেখ মুজিব কেন, কোন বাংলাদেশীরই ছিল না। বিধায় ছিল না কোন প্রস্তুতি। প্রশাসন, শিক্ষা, পুলিশ, সেনাবাহিনী সর্বত্রই ছিল যোগ্য লোকের অভাব। বেশির ভাগ ব্যক্তিই তার যোগ্যতার চাইতে বড় দায়িত্ব কাঁধে পেলেন। ফলাফলে, ভেঙ্গে পড়ল সমগ্র ব্যবস্থা। আইন-শৃঙ্খলা, দ্রব্যমুল্য সব কিছুর অবস্থা তখন নাজেহাল। সেই সাথে তিনি আভাস পেলেন বিদেশী ষড়যন্ত্রের।
এহেন পরিস্থিতিতে শেখ মুজিবের শুরু করতে হয় আর একটি যুদ্ধ। সেটা হল দেশ চালাবার যুদ্ধ। আর যুদ্ধে যেটা একেবারেই অচল, তা হল গনতন্ত্র। আমরা চিন্তা করতে পারি কি, যুদ্ধ ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে সেনাপ্রধান সৈন্যদের থেকে ভোট নিচ্ছেন আক্রমন করা হবে কি হবে না! এহেন পরিস্থিতি যেমন হাস্যকর, তেমনি ভয়ংকর। বিধায় গনতন্ত্র স্থগিত করা ছাড়া, শেখ মুজিবের আর কোন উপায় ছিল বলে মনে হয় না। হয়ত, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এলে তিনি আবার দেশকে ফিরিয়ে নিতেন গনতান্ত্রিক ব্যবস্থায়। কিন্তু সে কথা বলে আর লাভ কি? ইতিহাস তাকে সে সুযোগ দেয় নি। সেই সাথে তার ভুলও ছিল। একাত্তর পরবর্তী শেখ মুজিবের সব থেকে বড় ভুল ছিল তার চারিদিকে গড়ে উঠা কুচক্রি মহলকে চিনতে না পারা। তাজউদ্দিন আহমদ মন্ত্রী সভার বাইরে এবং খন্দকার মোশতাক মন্ত্রী সভায় থাকাটাই এর সবথেকে বড় প্রমান।
দুঃখের বিষয় আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে এখনও শিখলাম না। ইতিহাসের ঘটনাগুলোকে ব্যবহার করে সাময়িক সুবিধা লাভই আমাদের বর্তমান রাজনৈতিক দল ও তাদের নেতাদের মূল লক্ষ্য। যার ফলশ্রুতিতে আজ রাজনীতিবিহীন এক আজব ও অস্থির পদ্ধতিতে আমাদের দেশ পরিচালিত হচ্ছে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রাজনীতি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার কথা বিভাগে ।
মিরাজ বলেছেন:
যেহেতু আপনার নিজস্ব বিশ্লেষণ তাই দ্বিমত করছিনা কিছু কিছু ক্ষেত্রে । তবে বাকশাল গঠনের প্রেক্ষাপটটি আরেকটু বিস্তৃত করলে বিশ্লেষণটি পূর্নতা পেত । লেখক বলেছেন: আসলে আমাদের হাজার বছরের ইতিহাসে জাতীয় পর্যায়ের কখনই এমন এক হতে পারি নি, যেটা সম্ভব হয়েছিল একাত্তরে। আর তার একমাত্র কারন ছিল শেখ মুজিবুর রহমানের অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। এমন ব্যক্তিত্ব আমাদের জাতীয় ইতিহাসে আর একটিও নেই। এই কারনে শেখ মুজিবের প্রতি আমার একটা একরোখা মোহ আছে। যদিও তার রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আমার এমন কিছু প্রশ্ন আছে, যেগুলো নিয়ে এই ব্লগে অন্তত্য আলোচনা সম্ভব নয়। আমি যতটুকু লিখেছি, তা সম্পূর্ণটার ভিত্তি সেই মোহ। বিধায় ইতিহাস বর্ণনা করবার ইচ্ছা ছিল না।
ফেলুদা বলেছেন:
ভালো বিশ্লেষণ , তয় বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লিগ গঠন কইরা জাতীয়তাবাদী সমাজতন্ত্রের নামে নৈরাজ্য ঠেকানো কতখানি সফল হইতো তাতে সন্দো থাইকাই যায়।
লেখক বলেছেন: শুধু আপনার না, সন্দেহ আমাদের সকলেরই আছে। স্বীকার করি আর না করি। সন্দেহ যেহেতু থাকে, বিধায় প্রয়োজন নৈরাজ্য বাস্তবে কেমনে ঠেকানো সম্ভব তা নিয়া বিস্তারিত আলোচনা ও গবেষণা। কিন্তু লোকে সেটা না করে কাঁদা ছোঁড়াছুড়িতেই ব্যস্ত থাকে।
মুকুল বলেছেন:
আপনার নিজস্ব বিশ্লেষণ ভালো লাগলো। বিস্তারিত মন্তব্য করার জন্য এ বিষয়ে আমার যথেষ্ট জ্ঞান নেই।
লেখক বলেছেন: মুকুল ভাইরে ধন্যবাদ/
হলদে ডানা বলেছেন:
খুবই চমৎকার এবং মেধাবী বিশ্লেষণ। +তবে দেশ বাঁচানোর জন্য একনায়কী শাসন চালুর সিদ্ধান্ত কখোনোই সমর্থনযোগ্য নয়। বাকশাল করে যে তিনি দেশের বিপর্যস্ত অবস্থাকে উত্তরণের পথ দেখাতে পেরেছিলেন তাও প্রমাণিত নয়। বরং যদি তার বাকশাল কায়েমের অন্যতম উদ্দেশ্য হয়ে থাকে দলীয় বিশৃঙ্খল নেতাদের দৌরাত্ম কমানো, তাহলে সে উদ্দেশ্যও ব্যার্থ হয়েছে। কেননা, বাকশাল থেকে তার নিয়ন্ত্রণহীন নেতা-কর্মীরাই একতরফা ফায়দা লুটেছেন।
তাৎক্ষণিক বিচারে হয়তো বাকশালকে সমর্থন দেয়া যায় এই উদ্দেশ্যে যে উপস্থিত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এড়াতে তার জন্য এ ছাড়া গত্যন্তর ছিলনা --- কিন্তু তাহলে আরও পেছনে ফিরতে হয়।
শেখ মুজিব আপদমস্তক একজন জননেতা ছিলেন এ হিসেবে যে সাধারণ মানুষের উপর তার ছিল অসাধারণ এবং মোহগ্রস্থ করার ক্ষমতা।
কিন্তু একজন সংগঠক হিসেবে তিনি ছিলেন চুড়ান্তরূপে ব্যার্থ। প্রথমত তার সংগঠনের আদর্শিক ভিত্তি গড়তে ব্যর্থ হয়েছিলেন। কিছু গুন্ডা, রাস্তা ব্লক করা, দেশ অচল করে দেয়ার মত কিছু কর্মী, আন্দোলন সংগ্রাম, গলাবাজী,-- এ জাতীয় লোকদের এক ভান্ডার গড়ে উঠেছিল তার দলে। এরা ছিল রাজপথ কাপানোর জন্য যতটাই উৎকৃষ্ট, দেশ পরিচালনার জন্য ততটাই নিকৃষ্ট। তাইতো দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে রিলিফ চোর, আর কম্বলচোরদের খনি দেখে বঙ্গবন্ধুর আক্ষেপ করা ছাড়া কোন পথ ছিলনা। একটি আদর্শহীনতার আদর্শ দিয়ে শেখ মুজিবের এর থেকে উত্তম আর কিছূ করার ছিলনা। শেষ মেশ বাকশাল দিয়ে পতন ঠেকানোর চেষ্টাও সফল হলোনা। হওয়ার কথাও না।
বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় শেখ মুজিবের অসামান্য অবদান যেমন জাতিকে ঋণী করেছে। তার প্রতিষ্ঠিত আদর্শহীন আদর্শের বোঝা জাতি আজো বহন করছে। তার গড়া গলাবাজ, হিংস্র, পেটোয়া কর্মীবাহীনির তান্ডব আজও জাতিকে সইতে হয়। তার উত্তরসুরীরা বিরোধীদল হিসেবে যতটাই যোগ্য, শাসক হিসেবে ততটাই . . ।
তার অবদান যেমন জাতি ভুলবেনা, তার অপরাধের এবং ব্যার্থতার দায়ভারও তেমনি তাকেই নিতে হবে।
লেখক বলেছেন: প্রথমত, আপনাকে একটা প্রশ্ন করব। আপনি একজন স্বঘোষিত শিবির কর্মী। বাংলাদেশ স্বাধীন করায় শেখ মুজিবের অবদানের জন্য আপনি ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে কি তার কাছে ঋণী মনে করে? মুক্তিযুদ্ধকালীন জামাত, আলবদর, আলশামস, রাজাকার বাহিনীর হিংস্র তান্ডব ঐ নয় মাসে জাতীকে যে সহ্য করতে হয়েছে সে ব্যাপারে আপনার মতামত কি? যদি উত্তর দেন তবে, আশা করব সরাসরি উত্তর দিবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
আকাশচুরি বলেছেন:
বিশ্লেষনটি ভাল লেগেছে।
নিবেদীতা বলেছেন:
এ বিষয়ে আমার যথেষ্ট জ্ঞান নেই তবে বিশ্লেষনটি ভাল লেগেছে।
লেখক বলেছেন: আপনার ভাল লেগেছে ব্যাপারটা আমার ভাল লাগল। ধন্যবাদ।
সর্বনাশা বলেছেন:
আপনি আমার কথাগুলো কিভাবে লিখলেন ? খুব ভাল লাগলো বিশ্লেষণটি। প্রায় সহমত। প্রিয়তে রাখছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
হলদে ডানা বলেছেন:
দেখুন আমি এ জাতির অন্তর্ভুক্ত। এ জাতি শেখ মুজিবের নিকট ঋণী থাকবে তার অবদানের জন্য- এ কথা আমি বলেছি। অতএব, আমিও তার অবদানের জন্য পূর্ণরূপে তার ঋণ স্বীকার করি এবং করবো। এখন একাত্তরে ওইসব বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আপনি আমার মূল্যায়ন চেয়েছেন। সে বিষয়ে যদি কথা বলতে চাই তবে আপনার পোস্টের মোড় সম্পূর্ণ অন্যদিকে ঘুরে যাবে। এবং দেখবেন ঝাকে ঝাকে উৎপাতকারীর দল হাজির হয়ে যাবে।
আমি আমার পোস্ট 'একজন শিবির কর্মীর কথা'-তে ওই বিষয়ে রাগ ইমন, মেহরাব শাহরীয়ার, অমি রহমান পিয়ালসহ বেশ কজন গুরুত্বপূর্ণ ব্লগারের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। আপনাকে অনুরোধ করবো কষ্ট করে তা পড়ে নেয়ার জন্য। তার পরও যদি কোন কথা থাকে সেখানে বললে ভাল হয়। এখানে বললে নতুন করে শুরু করতে হবে। আর আমি যা বলি চেষ্টা করি স্পষ্ট করেই বলার।
এখন, আপনার এ পোস্টে আমার মন্তব্যের জবাবে পাল্টা প্রশ্ন করার অর্থ এ দাড়ায় যে আপনি আমার মন্তব্য মেনে নিতে পারেননি। একজন শিবির কর্মী হবার 'অপরাধে'ই যদি আমার কোন কথা আপনার মূল্যায়ন না পায় তবে বলার কি আছে 'আফসোস' ছাড়া। আপনি ঢাবির ছাত্র, আমিও তাই। আপনার ক্লাসের শিবির কর্মীর ব্যাপারেও আপনার একই মনোভাব কিনা জানিনা। হয়তো না।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার মূল্যায়ন না হয় নাই চাইলাম। কারন আপনি স্কুল থেকেই শিবিরের সাথে জড়িত। আপনার মূল্যায়ন কি হবে বোঝা সহজ।
যাইহোক, আমার ক্লাসেও শিবির কর্মী আছে। আমি খুব ভাল করেই জানি, তার সমূহ বিপদের সম্ভবনা থাকলে আমি তাকে রক্ষা করতে চেষ্টা করব বন্ধু হিসেবে। কিন্তু ,যদি তার সংগঠন আমার পেছনে রগ কাটতে আসে, তখন বন্ধু আমার সাথে না থেকে সংগঠনের রগকাটা বাহিনীর সাথেই থাকবে।
লেখক বলেছেন: একই ভাবে ছাত্রলীগের আপনার বন্ধু হয়ত আপনাকে পেটাবে না। কিন্ত আপনার সংগঠন যখন ছাত্রলীগের বন্ধুটির রগ কাটতে ছুটবে তখন আপনি কার পক্ষে থাকবেন।
হলদে ডানা,
যুদ্ধাপরাধীগো বিচার এই দেশে এই কারনেই হইতে হইবো...তাগো অপরাধের দায়ভারও তেমনি তাগো নিতে হইবো...
বিবর্তনবাদী
আপনের ব্যক্তিগত অভিমতের ধরন পছন্দ হইলো...তথ্য প্রমানের চাইতে এই অনুভূতি আর যুক্তির প্রকাশ অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়...
হলদে ডানা বলেছেন:
ধন্যবাদ।তবে জানিয়ে রাখি- বিবেক বন্ধক রেখে শিবির করিনা। আমার গন্তব্য অনেক দূরে, এ পৃথিবীর সীমানা ছাড়িয়ে আরো দূরে। শিবিরকে শুধু সে গন্তব্যের বাহন হিসেবে নিয়েছি। তবে চোখ বন্ধ করে রইনি। সজাগ দৃষ্টি রাখি সর্বদা। কেননা গন্তব্যের মোহ ছাড়িয়ে বাহনের মায়ায় জড়ানোর মত নির্বোধ আমি নই।
আর রগ কাটার বিষয়ে আপনার মত সচেতন লোকের এ ধারণা দেখে দুঃখ করা ছাড়া আর কিছু্ই করার নেই। জানিনা মানুষ কেন এখনও এতটাই শোনা কথার উপর নির্ভর করে।
দুঃখ যখন পেলামই, একটি আফসোসের গল্প শোনাই। কদিন আগে গিয়েছিলাম পাশের এলাকায়। কথা বললাম, এক স্কুল ছাত্রের সাথে। বললাম কেন তুমি শিবির করতে চাও তোমার পিতামাতা আওয়ামী লীগ করে জেনেও?
বললো, আমিও আগে বিরোধিতা করতাম। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসার পরে আমি দেখলাম, সব দলের লোক ধরা পরে, কিন্তু শিবিরের কেউ ধরা পড়েনা। বুঝলাম অবশ্যই তারা ভালো। আর আপনাদেরকে সেই কবে থেকেই তো দেখছি। আমি চাই একদল ভালো লোকের সাথে থাকতে।
আমি অবাক হয়ে তাকিয়েছিলাম সেই স্কুল ছাত্রের দিকে। আর দোয়া করেছি- আল্লাহ যেন চিরদিন তাকে এভাবে বিবেক আর বিচক্ষণতার সাথেই সিদ্ধান্ত নেয়ার তাওফিক দেন। (ছেলেটিকে আজও কর্মী বানাতে পারিনি তার ব্যাপক নামাজ ক্বাজার জন্য।)
আপনার জন্য শুভ কামনা।
লেখক বলেছেন: আমার প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিলেন না যে। আর কি বলব ভাই। শিবির যারা করে তারা নিজেরাও তাদের মাথাটা পচায়, সমাজটাকেও পচায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন তাই হয়ত সংগঠনের বাইরের দুনিয়ার খবর রাখেন না। শাহাজালাল ইউনিভার্সিটি বা রাজশাহি চট্টগ্রাম সর্বত্রই আপনার বাহিনীর অত্যাচার চলে। আমি শাহজালাল ভার্সিটির হলে কিছু দিন বেড়াতে গিয়ে দেখেছি, ওখানে শিবিরের খেলা কেমন। আপনার সংগটন মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতা কে স্বীকার করে না।
হলদে ডানা বলেছেন:
আপনি শাহজালালে গিয়েছেন। আমিও গিয়েছিলাম। চবিতে গিয়ে হলে থেকেছি, রাবিতে হলে থেকেছি, ইবিতেও হলে থেকেছি। কাছ থেকে দেখেছি। মানুষকে জিজ্ঞেস করেছি। জেনেছি। শুধু একটি উদাহরণ দেই। ঢাবির হলের টিভি রুম কেমন বলুন তো। কিছু জুনিয়র ক্যাডারের উদ্ধত আচরণ, প্রথম সারির সিটের দলীয়করণ, মাঝে মাঝে রিমোটের নিয়ন্ত্রন নিয়ে মারামারি পর্যন্ত।
চবির হলে গিয়ে অবাক হয়েছি। প্রথম সারি মাস্টার্সের ছাত্রদের জন্য নির্ধারিত। পরের সারিগুলো তেমনি সিনিয়রদের জন্য।
আসলে দৃষ্টি থাকলেই তো দর্শন সম্ভব নয়, প্রয়োজন বিবেকের সংমিশ্রণ।
আপনার প্রশ্ন কেবল দেখলাম। উত্তর দেব ইনশাআল্লাহ। আজ অনেক রাত হয়েছে।
লেখক বলেছেন: শুভ রাত্রী।
সুন্দর বলেছেন, আসলে দৃষ্টি থাকলেই তো দর্শন সম্ভব নয়, প্রয়োজন বিবেকের সংমিশ্রণ। যথার্থ কথা। ভাল থাকুন ।
মাহমুদ মামূন বলেছেন:
বিশ্লেষনধর্মী পোষ্টের জন্য প্লাস (+)কিছু কিছু ক্ষেত্রবাদে অধিকাংশক্ষেত্রেই লেখকের সাথে একমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ইয়র্কার বলেছেন:
বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে শিবির ক্যাডারকে মন্তব্য করতে অ্যালাউয়ের জন্য মাইনাস।
লেখক বলেছেন: হুম. . . .
সোনার বাংলা বলেছেন:
ভাই আমি মনে হয় মন্তব্য করে ছিলাম মুছে দিয়েছেন? না কি বাঘে
খাইয়া পালাইছে?........
সোনার বাংলা বলেছেন:
আবার দিলাম...........................ভালো বিশ্লেষন......+
তবে এইটা স্বীকার করতে হবে যে বঙ্গবন্ধুর মহৎ উদ্দেশ্য ছিলো যদি ও
তিনি ব্যর্থ, আর ব্যর্থ নায়কেরা ইতিহাসে জায়গা ঠিকমত পায় না। হিটলার যদি ব্যর্থ না হইতো তাহলে সে বিশ্বের এক নাম্বার মহা নায়ক
হতো। সফল নায়কের ক্ষমতার কাছে সব কিছুই নত হয় আর সেটাই
মানুষ গ্রহণ করে......
স্বাধীনতার পরের আওয়ামীলীগ আর স্বাধীনতার পূর্বের আওয়ামীলীগের পার্থক্য যে হাজার হাজার মাইল তা হাসিনা জানে কি
না জানি, কাগজের মুখে এখনো সব আছে, তবে সে আর্দশ যে গুটি কয়েক লোক বাদে কারো বুকের মধ্যই ছিলো না তার প্রমান ৩৬ বছের ইতিহাসে আছে। আজকাল অনেকের ভাষন তাষন শুনে শুধু হাসি না মাঝে আগুন ও জ্বলে যার কারনে মাঝে সাঝে গলা গলি করি....
চোখে দেখে ছিলেন ভন্ডদের..... কিছু ভুল আছে যার কোন সংশোধনের সূত্র নাই! তেমনই এক ভুলের স্বীকার তাজউদ্দিন আহমেদ। একটি নতুন স্বাধীন দেশের জন্য গনতন্ত্র বা বাকশাল বা অন্য কোন তন্ত্রই গুরুত্বপূর্ন্য না, প্রয়োজন নির্লোভ দেশ প্রেম আর বিশ্বাস। যা তখনকার নব্য দল জাসদ নামের ভূতীয়দলের মধ্যে ছিলো না, আমি অবাক হই এই সব শুয়োর জাসদীয় নেতাদের চোখের পানি দেখলে এখন , তাদের আর্দশ বলতে কিছুই ছিলো না ভূতীয় দিবা স্বপ্ন ছাড়া।
লেখক বলেছেন: এখানে আমি শেখ মুজিবকে আওয়ামী লীগের উর্ধে রেখে চিন্তা করেছি। আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন ব্যক্তি শেখ মুজিব।
মন্তব্যের শেষ অংশের সাথে সহমত। ধন্যবাদ।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
চমৎকার লিখেছেন। অনেক সুন্দর ভাবে বিশ্লষণ করেছেন।+
ভালো থাকুন।
আশা করি আপানর কাছ থেকে সামনে আরো পোষ্ট পাব।
লেখক বলেছেন: আপনিও ভাল থাকুন। ধন্যবাদ।
তারিক টুকু বলেছেন:
অনেক বড় নেতা শেখ মুজিব। সেই সাথে অনেক বড় মাপের মানুষও তিনি। রাজনীতিবিদদের জীবনে ভুল হয়, মানুষইতো তাঁরা।
কিন্তু তার কারন বিশ্লেষণ করতে হয়, শিক্ষা নিতে হয়।
যাক, আপনার পোষ্ট, বিশ্লেষণ ভালো লেগেছে। প্রিয় তে যোগ করে নিলাম।
লেখক বলেছেন: রাজনীতিবিদদের জীবনে ভুল হয়, মানুষইতো তাঁরা। কিন্তু তার কারন বিশ্লেষণ করতে হয়, শিক্ষা নিতে হয়।
এই মন্ত্যবের জন্যে ধন্যবাদ। আপনি ভাই এই মন্তব্য না করলে, আমার পোস্টের মন্তব্য গুলো দেখলে মনে হত, কি যেন নাই!!
রাশেদ বলেছেন:
ভালো বিশ্লেষন। ভাল্লাগছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাশেদ ভাই।
চে বলেছেন:
এত পরিনত চিন্তা এই ব্লগে খুব কম দেখেছি। আপনার বিশ্লেষনের সাথে অনেকটাই একমত।মাঠ গরম করার জন্য কিছু ফাকা আওয়াজ ছাড়া বর্তমান আওয়ামি লীগের রাজনৈতিক আদর্শ বলে আসলে আর কিছু নাই আর ৭১ এর বিষয়টা ছিল ঐতিহাসিক বাস্তবতা। কেউ সেটা বুঝে নি, কেউ বুঝেও চুপ ছিল আর কেউ সরাসরি ইতিহাসকে উল্টে দিতে চেয়েছিল।
কিন্তু ব্যাক্তি শেখ মুজিব যে অতুলনীয় মেধা, শ্রম এবং ভালবাসা দিয়ে গন মানুষের চাওয়াকে চুড়ান্ত রুপ দিয়েছেন তা এ জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করবে। যথার্থই তিনি বঙ্গবন্ধু।
আপনার বাকশাল সংক্রান্ত মুল্যায়নে আমি শুধু একটা বিষয়ে আপনার এবং যারা পড়ছেন সবার মনোযোগ আকর্ষন করছি:
যদি সম্ভব হয় জাতীয় সংসদের যে অধিবেশনে বাকশাল উথথাপন করা হয় সেখনে দেয়া বঙ্গবন্ধুর ভাষনটা শুনে নিবেন (পিয়াল কি হেল্প করবেন?)। যেখানে পরিস্কারে ভাবে তিনি বলেছিলেন তিনি নিজেও এটি পছন্দ করছেন না কিন্তু পরিস্হিতি (যাকে আপনি যুদ্ধ বলেছেন) বাধ্য করেছে এবং এই ব্যবস্হাটা সাময়িক। এই নতুন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফলাফল কি হত বলা যায় না তবে পরবর্তিতে পরাজিত পাকিস্তানি এবং সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকানদের কাপুরষোচিত বর্বর হত্যাকান্ড প্রমান করে আর কয়েকটা বছর বাচতে পারলে যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশের একটা শক্ত ভিত তিনি নির্মান করে দিতে পারতেন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
অচেনা বাঙালি বলেছেন:
অসাধারণ লাগল আপনার বিশ্লেষণ। মনে হল আমার নিজের কাথাই বলছেন। অনেক দিন পর ভাললাগা ও তৃপ্তি নিয়ে এই ব্লগে একটা লেখা পড়লাম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ভাল থাকুন। আপনার বীর বাঙালি থামিয়ে দিয়েছিল আলেকজান্ডারকে এই লেখাটি অপরবাস্তব-২ এ না থাকায় মন খারাপ হয়েছিল। আশা করি সামনের বারে থাকবে।
লেখক বলেছেন: তোফায়েল আহমদের মত নেতাকেও চ্যানেল আইয়ের তৃতীয় মাত্রায় বলতে শুনেছি
চামচামির উপর আছে বলেইতো এখনও বাবুল হত্যার মামলাটা খুলেনি।
লেখক বলেছেন: হুম. . . . . এইভাবে আর কত দিন চলবে এদেশ। আসলে হয়তো এটাই নিয়ম।।
অনেক ধৈর্য ধরে আপনার পোষ্টটা পড়লাম।
প্রথমত, বাকশালের কারনে শেখ মুজিবের মৃত্যু ঘটেনি, এটা আন্তর্জাতিক রাজনীতির ষড়যন্ত্রের অজুহাত ছিল মাত্র। পরবর্তীতে বাকসালের কারণ দেখিয়ে অপপ্রচার করা হয়েছিল, যাতে তার মৃত্যুর সাথে যারা জড়িত তাদেরকে দেশের জনগণের রোষানল থেকে মুক্ত রাখা যায় তার প্রক্রিয়া হিসাবে।
দ্বিতীয়ত, বাকাশাল আওয়ামী লীগের ছিল না, বরং আওয়ামী লীগ বাকসালের একটি অংশ ছিল মাত্র। কারণ বাকশালে আওয়ামী লীগ ছাড়াও আরও অনেক দল সেটাতে অংশ গ্রহন করেছিল, শুধু মাত্র জাসদ ছাড়া।
তৃতীয়ত, বাকসালের গঠনতন্ত্র তৈরী করা হয়েছিল অনেকটা সোভিয়েত কমিউনিষ্ট পার্টির অনুকরনে। সেখানেও পলিটব্যূরোর সর্বময় ক্ষমতা থাকতো জেনারেল সেক্রেটারীর কাছে। আর কমিউনিষ্ট পার্টির পরিভাষায় ডেমোক্রেটিক সেন্ট্রালিজম বলতে যা বুঝায় তা হলো জেনারেল সেক্রেটারীর ডিকটেটরশীপ। যা বাকশালেও আমরা দেখতে পাই।
পাকিস্তানের হাত থেকে পূর্ব পাকিস্তান হাতছাড়া হয়ে যাওয়াতে সবচেয়ে বেকাদায় পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কারণ এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র ঘনিষ্ট বন্ধু বলতে ছিল পাকিস্তান। পূর্ব-পশ্চিম পকিস্তান মিলিয়ে এশিয়ার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের ভৌগলিক অবস্থান ছিল অত্যন্ত সুবিধাজনক অবস্থানে। তখন ভিয়েতনামে যুদ্ধ চলছিল, সেখানেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খুব খারপ অবস্থা চলছিল। হঠাৎ আবার পাকিস্তানের হাত থেকে পূর্ব পাকিস্তান ছুটে যাওয়াতে তাদের মাথায় যেন বজ্রপাতের মত ঘটনা ঘটলো। কারণ পশ্চিম পাকিস্তান থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তেমন সুবিধা গ্রহন করতে পারছিল না ভৌগলিক অবস্থানের কারনে। পশ্চিম পাকিস্তানেন এক দিকে আফগানিস্তান অন্যদিকে ভারত, দুটিই তখন সোভিয়েত রাশিয়ার হাতের মুঠোয় এবং ইরান তখন দোটানার মধ্যে। ফলে বাংলাদেশের জন্মই ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি চক্ষুশূলের কারণ। তার উপর মুজিবের বাকশাল ঘোষনা। এটাতো কোনভাবেই মেনে নেয়ার বিষয় নয়। কারণ তখন সময়টা ছিল দুই পরাশক্তির স্নায়ুযুদ্ধের চরম একটি পর্যায়। তবে ব্রেজনেভের মৃত্যু যদি মুজিবের আগে হতো তাহলে বলা যেত না মুজিবের পরিনতি কি হতো।
লেখক বলেছেন: প্রথমত, ধৈর্য ধরে পড়বার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
দ্বিতীয়ত, বাকশালের কারনে শেখ মুজিবের মৃত্যু হয়েছে এমনটা আমি বলি নাই। বলেছি, বাকশালের পরে অন্য কিছু করবার সুযোগ শেখ মুজিব পান নাই।
তৃতীয়ত, বাকি তথ্যের জন্যে ধন্যবাদ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
হমপজদ বাজে ভাবে মন্তব্য করে আপনি রাশেদ ভাইয়ের গালি খেয়েছেন । বিধায় আপনার মন্তব্য ও প্রতিউত্তরের গালি উভয় মন্তব্য মুছে দিলাম। এর সাথে সংশ্লিষ্ট পরবর্তী মন্তব্যটিও মুছতে হল। যদি মনে কষ্ট পান তবে দুঃখিত
লেখক বলেছেন: বলেন যা বলার, তবে রক্ত গরম করে নয়, মাথা ঠান্ডা রেখে। নইলে ইতিহাস নিয়ে কথা বলে শুধু সময়ই নষ্ট করা হবে, শিক্ষা নেওয়া হবে না। আর শিক্ষা না নিলে, একই ভুল বারবার হবে। আশা রাখি বুঝাতে সক্ষম হলাম।
বাই দ্যা বাই, হমপজদ মানে কি??
হমপজদ বলেছেন: শেখ মুজিব দুধে ধোয়া তুলসি পাতা না যে তাকে কিছু বলা যাবে না। মানুস খুন করে দম্ভ ভরে সংসদে বলবে কোথায় আজ সিরাজ সিকদার। আর টাকে কিছু বললেই আপনাদের গায়ে লাগবে। এটা ঠিক না............।
হমপজদ, এমন একজনের নাম বললেন সত্যিই লজ্জা লাগলো। খোঁজ নিয়ে দেখেন যে এই সিরাজ সিকদার তৎকালীন সময়ে কত যুবকের ভবিষ্যত নষ্ট করেছিল মিথ্যা সাম্যবাদের স্বপ্ন দেখিয়ে,। ঐসব যুবকদেরকে ডাকাত বনিয়েছিল, অনেক পরীক্ষিত সৎ রাজনীতিবিদের হত্যা করেছিল সে, কারণ তার পথকে সহজতর করার জন্য। সেদিন যদি এই সিরাজ সিকদারকে না রুখা যেত, তাহলে রাজাকার, আলবদর, আলশামস কজন বুদ্ধিজীবিকে হত্যা করেছিল, আজ একজন বুদ্ধিজীবি বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া যেত কিনা সন্দেহ আছে।
লেখক বলেছেন: বাই দ্যা বাই, হমপজদ মানে কি??
আমার মনে হয় হমপজদ মানে "হারামী মানুষের পয়দা জারজ দল"
লেখক বলেছেন: সিরাজ শিকদার সম্পর্কে আমি বিশদ জানি না। তবে যতটুকু জানি তিনি একজন ভাল ছাত্র, বিপ্লবি ও প্রথম সারির মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।
রাজাকার, আলবদর, বা আলশামসের মত ঘৃনিত সংগঠনের সাথে একজন মুক্তিযোদ্ধার কর্মকান্ডকে তুলনা করা ভাল লাগল না। তবুও, এ নিয়ে বেশি কথা বলব না, কারন আমি সিরাজ শিকদার নিয়ে বিশদ জানি না।
আহমদ বলেছেন:
শেখ মুজিব ও আওয়ামীলীগ সম্বন্ধে তথ্যবহুল সুন্দর একটি পোষ্ট করায় লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ । একথা সত্য শেখ মুজিবের জম্ম না হলে দেশ স্বাধীন হত কিনা যথেষ্ঠ সন্দেহ হয় । পরবর্তিতে বাকশাল গঠন অবশ্যই তার একটি বড় ভূল । যে ভূলের মাশুল তাকে দিতে হয়েছে । আশাকরি রাজণীতিবিদরা এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে যথানিয়মে সুন্দর ভাবে দেশ চালাতে সক্ষম হবে ।তবে তার আগে সব দলগুলোর উচিত হবে গণতান্ত্রিক ভাবে নিজস্ব দল পরিচালনা করা । নিজের দলেই যদি গণতন্ত্র না থাকে তবে দেশে১০০ ভাগ গণতন্ত্র চালু করা সম্ভব নয় । প্রধান প্রধান সকল রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দ্রুত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জোরালো দাবী উপস্থাপন করছি ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: না ব্লক কেন করুম? কিন্তু সে তো আর আইল না!!!
একে ৪৭ বলেছেন:
আচ্ছা হাত পায়ের রগ কাটা র উপরে একটা সচিত্র ব্লগ লিখেন। আমি ৪ বছর রাজশাহী ভার্সিটি তে ছিলাম। আমার ফ্রেন্ড রা কইতো শিবির রগ কাটে। কিন্তু আমি নীজ চোখে কখন দেখি নি।আপনি দেখে থাকলে একটা পস্ট দেন।
এটো পলাপাইন এর রগ কাটল আর একটা ফটো দেখতেপাইলাম না এইটা কেমুন কথা।
লেখক বলেছেন: আমি ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এইখানে ছিবির সক্রিয় না। তলে তলে খেলে। বিধায় ছবি আমার কাছে নাই ক্যা। তয় যদি পাই তবে অবশ্যই শেয়ার করুম।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
একে তোর মুখের দুই পাশে ঘা আছে 















