প্রাচ্যের অক্সফোর্ড: প্রশংসা না ইর্ষা
১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৫৬
সেদিন একটা পুরস্কার পেলাম। স্বয়ং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজের হাত থেকেই পুরস্কারটি হাতে এল। পুরস্কার বিতরণী শেষে উপাচার্য সাহেব, বিশেষ অতিথি অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন (সদ্য জেল হতে মুক্ত) ও আমাদের বিভাগীয় প্রধান তাদের গৎবাঁধা বক্তব্য উপস্থাপন করেন। ভিসি স্যারের বক্তব্যে সুন্দর কিছু কথা ছিল, আনোয়ার স্যার রাজনৈতিক কথা বেশি উল্লেখ করলেও কিছু মনকাড় কথা বলেন। এছাড়া অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন যে খুবই সুন্দর করে কথা বলেন তা তার ছাত্র-ছাত্রী নির্বিশেষে ক্যাম্পাসে অনেকেই জানেন। যাই হোক যা বলছিলাম, সম্মানিত অতিথি উভয়েই তাদের বক্তৃতায় গর্ব ভরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচীন গৌরব ফিরিয়ে এনে একে "প্রাচ্যের অক্সফোর্ড" হিসেবে পুনরায় প্রতিষ্টিত করবার প্রতিজ্ঞা ও উপদেশ ব্যক্ত করলেন। আজকের এই পোস্টের মূল প্রতিপাদ্য এটাই।
ছোট্ট বেলা হতে শুনে আসছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পজিটিভ অর্থে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলা হয়। কখনও শুনতাম এই বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা, যা কিনা বিলেতের অক্সফোর্ড, ক্যাম্ব্রীজের সমতুল্য একারনেই প্রাচ্যের অক্সফোর্ড আখ্যা দেওয়া। কখনও শুনেছি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস টেস্টের ব্যবস্থার জন্য একে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে সম্মানিত করা হয়। খুব সম্ভবত উভয় ব্যাখ্যাতেই খানিকটা গলদ থাকতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে মূলত ঈর্ষা করেই প্রাচ্যের অক্সফোর্ড আখ্যা দেওয়া হত।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের প্রথম দিকের ছাত্র ও শিক্ষকবিশিষ্ট সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ অমলেন্দু বসু তার "স্মৃতির ধূসর সরণিতে" প্রবন্ধে লেখেন, " আমরা যারা আবাসিক ছাত্র ছিলাম না... আমাদের মত ছাত্রদের জন্য ভাইস চান্সেলর স্যার ফিলিপ হার্টগ ব্যবস্থা করেছিলেন, নন রেসিডেন্ট ছাত্রদের কোন না কোন হল -এ সংশ্লিষ্ট থাকতে হবে। পরবর্তীকালে নিজে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হয়ে এই প্রথা দেখেছিলাম। .......... এই প্রথা ক্যাম্ব্রীজে ছিল, ডাবলিনের ট্রিনিটি কলেজেও ছিল। সাধে কি আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে ইর্ষামথিত প্রাণীগন ঢাকাকে ঠাট্টা করতেন অক্সফোর্ড অব দি ইষ্ট বলে!
অমলেন্দু বসু তার "অবিস্মরণীয়" প্রবন্ধে লিখেছেন, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে যেমন "অক্সফোর্ড অব দি ইষ্ট" নামক সংবাদপত্রী আখ্যা দেওয়ায় হয়েছিল তেমনি একই সঙ্গে "মেক্কা অব দি ইষ্ট" অর্থাৎ এটি মূলত মুসলমানদেরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলা হত..... ........ ... ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দু শিক্ষ ও ছাত্রের সংখ্যা দীর্ঘকাল মুসলমানদের অনুপাতে বেশি ছিল।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার কথা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: জ্ঞানীরাতো জ্ঞানী পুস্টই দিবে। এতে আবার বলার কি আছে
ভাঙা চাঁদ বলেছেন:
কিছু জানতে পারলাম।
লেখক বলেছেন: আগে জানতানা তাই না!! আমিও জানতাম না
লেখক বলেছেন: এ কথাটা লিখব বলে প্রায়ই ভাবি, কিন্তু লেখা হয় না। বাংলাদেশের প্রায় সব মানুষের কাছে এই উক্তি করা আর সূর্যে মানুষের পদার্পনের স্বপ্ন দেখা সমতুল্য বলে মনে হয়।
আজ আমরা চিন্তা করতে শুরু করেছি যে একদিন অক্সফোর্ডকে পাশ্চাত্যের ঢাবি বলা হবে। কাল নিশ্চয়ই এর বাস্তবায়ন দেখব।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
অনেক কিছু জানতে পারলাম। পুরস্কারের জন্য অভিনন্দন।দেশে আসার ইচ্ছে আছে তবে ডিসেম্বরে কারণ দুই মাসের জন্য থাকার প্ল্যান করছি সো চাইলেই দৌড় দিতে পারছি না।
ভালো থাকিস।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু!! ![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস
লেখক বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সাইফুর বলেছেন:
অভিনন্দন
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস
জুনায়েদ সাদিক বলেছেন:
পুরস্কারের জন্য অভিনন্দন!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ উত্তরাধিকার।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
অভিনন্দন আপনাকে। কিছু জানতেও পারলাম।
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
কিন্তু পুরস্কারটা কী?
লেখক বলেছেন: একটা ক্রেস্ট!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ও আপনার জন্যও শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। প্রাচ্যে যে অক্সফোর্ডের ছড়াছড়ি তা আগে জানতাম না। তবে ঢাকায় অনেকগুলো অক্সফোর্ড নামের স্কুল কলেজ পাওয়া যাবে।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন বড় ভাই। কিছু দিলে তবেই কিছু পাওয়া যায়। সেদিন সত্যিই নিজেকে বড় আলাদা লাগছিল।
আমি ভালই আছি, আপনি ভাল আছেন জেনে খুশি হলাম।
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
প্রায় দেড় ঘণ্টা ব্লগে ছিলাম, কিন্তু লগ ইন করি নি। আপনার পোস্টটা
পড়ে লগ ইন করলাম।
হুম.....জানা গেল অনেক কিছু।
লেখক বলেছেন: অনেকদিন পরে দেখা হল। কেমন আছেন?
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
ও আচ্ছা, যে জন্য লগ ইন করলাম, সেটা বলতেই ভুলে গেছি।
অনেক অনেক অভিনন্দন!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
কিছুদিন পর আমার জানাযায় শরিক হবার ইনভিটেশন পাবেন...
সত্যি কথা আমি মারা যাবো.........দিনগুলো যদি ৩০ ঘণ্টা করে হত!!
লেখক বলেছেন: হায় হায় কি বলেন!!! দিন যত ছোট হয় জীবনে ঝামেলা তত কম আসবে। আপনার আকাঙ্খা যে উলটো!!!!
পুষ্প বলেছেন:
অনেক অনেক অভিনন্দন!!আমার কাছে ,এই ক্রেস্ট যারা পায় তারা মহাজ্ঞানী।আপনাকেও তাই মনে হচ্ছে।
আবারও অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস।
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
হ্যাঁ, ঠিক......
কিন্তু.....যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন তো ঝামেলাগুলো থেকে নিস্তার নেই। তাই ঝামেলাগুলো যখন সলভ করতেই হবে, তখন সময় বেশি পাওয়াই কি ভালো না?
লেখক বলেছেন: হয়ত ঠিক।
না বলা কথা বলেছেন:
সাবাশ বেটা। অভিনন্দন।আমি আগেও কয়েকবার বলেছিলাম, আমার প্রিয় ব্লগারদের মাঝে তুমি ও একজন , যার মাঝে কোনো আঁতলামি নাই।
সাবাশ, সাবাশ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















