আমার প্রিয় পোস্ট

আমার এ পথ চাওয়াতেই আনন্দ।

বাংলাদেশে গবেষণার হালচাল-৩

২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:০৮

শেয়ার করুন:                   Facebook


(গত পোস্ট)

এর আগের পোস্টগুলোতে আমার চোখে বাংলাদেশে সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও নানা বিদেশী প্রোজেক্টে বিজ্ঞান গবেষনার হালহাকিকত লিখেছিলাম। আজ লিখব বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে চলা গবেষণার হালচাল নিয়ে।

সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে গবেষণা চালান শিক্ষকরা ও তা করে তাদের ছাত্রছাত্রীরা। কথা হচ্ছে, এসব গবেষণার ক্ষেত্র ও উদ্দেশ্য কি? কিছু অনিয়মের কথা বাদ দিলে আমাদের দেশে মূলত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক বলতে তাদেরই ধরা হয়, যারা অনার্স ও মাস্টার্সে খুব ভাল রেজাল্ট করেন। অনার্স পর্যায়ে ছাত্র ছাত্রীরা একেবারেই গবেষণার ধারে কাছে আসতে পারে না। মাস্টাসের একটি ভাল ছাত্র সেই ক্ষেত্রেই গবেষণা করে, যে ক্ষেত্রে তার সুপারভাইজর অভিজ্ঞ। অনেকে ভাবতে পারেন, সুপারভাইজর বাছাইয়ের সময় হয়ত ছাত্রটি তার আগ্রহের গবেষণা-ক্ষেত্রে যিনি অভিজ্ঞ তাকেই বেছে নেয়। সারা বিশ্বে এই ব্যাপারটা সত্য হলেও বাংলাদেশে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাংলাদেশে একজন ছাত্র তার মাস্টার্স সুপারভাইজর বাছাইয়ের সময় যে সকল বিষয় দেখে তার মাঝে প্রধান প্রধান কারন গুলো অনেকটা নিম্নরূপ:

১. সুপারভাইজর কতটা প্রভাবশালী। প্রভাবের পরিমাপ করা হয় সুপারভাইজরের ফোনে চাকরি পাওয়া, তার হাত ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়া, তার সুপারিশে বিদেশে উচ্চ শিক্ষার্থে কত সহজে যাওয়া সম্ভব ইত্যাদি।

২. সুপারভাইজরের গবেষণার ফ্যাসিলিটিজ কিরূপ (তা যে ক্ষেত্রেই হোক না কেন)। আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর প্রতি বিভাগে দুই একটি ল্যাব মোটামুটি স্বয়ং সম্পূর্ণ থাকে। বিধায় ছাত্র ছাত্রীদের মূল টার্গেট থাকে ঐ সব সুপারভাইজর বেছে নেওয়া। যেমন ধরূন, কোন ছাত্রের ইমিউনলজি খুব ভাল লাগে, সে চায় ভবিষ্যতে এই ক্ষেত্রে কাজ করবার । কিন্তু সে যদি ডিপার্টমেন্টে এমন একজন সুপারভাইজর পায় যে কিনা বায়োটেকনলজির গবেষণা করেন, এবং তার ল্যাব স্বয়ং সম্পূর্ণ তখন সেই ছাত্রটি বায়োটেকনলজির ক্ষেত্রেই যাবে।

৩. সুপারভাইজর ছাত্রের ব্যাপারে কতটা অমনোযোগি। কিছু ছাত্রের মাস্টার্স করার উদ্দেশ্য থাকে শুধু একটা ডিগ্রির জন্য। বিধায় অহেতুক, ফলাফলহীন গবেষণার পেছনে সময় নষ্ট করবার চাইতে একজন নিস্তেজ সুপারভাইজরের অধীনে নামে মাত্র থিসিস করে যদি একটা সার্টিফিকেট পাওয়া যায় তবে ক্ষতি কি?


যেহেতু, আলোচনা আমরা গবেষণায় আগ্রহি ছাত্রটির দিকেই রাখব (যে কিনা শিক্ষক হবে) বিধায় খারাপ ছাত্রের কথা বাদ। তা সেই ভাল ছাত্রটি তার অনাগ্রহের বিষয়ে মাস্টার্স শেষ করে শিক্ষক হিসেবে ঢোকে। এরপর, সে স্কলারশীপ যোগাড় করে। পিএইচডির ক্ষেত্রে তার আগ্রহ থাকে কোন নামি দামি বিশ্ববিদ্যালয়। যেখানে ডাক পাওয়া যায়, সেখানেই সে উড়ে যায় এবং ডিগ্রি নিয়ে দেশে আসে (যদিও অনেকেই আসেন না)। দেশে ফিরে উক্ত শিক্ষক তার পিএইচডির ক্ষেত্রেই গবেষণা পরিচালনা করেন (বর্তমানে বাংলাদেশে ঐ সব গবেষণার দরকার থাকুক আর নাই থাকুক), তার ছাত্র-ছাত্রীদেরও সেই সবই করতে হয়।

এই সব গবেষণার সাথে দেশের সমস্যার কোন যোগসূত্র থাকে না। এগুলোর উদ্দেশ্য শুধু ডিগ্রি প্রদান ও নামে মাত্র রিসার্চ পেপার (গবেষণাপত্র) পাবলিশ করা। রিসার্চ পেপারগুলোর বেশির ভাগই আমাদের দেশী এবং এর এডিটর মূলত আমাদের শিক্ষকরা নিজেরাই হয়ে থাকেন। এ যেন নিজের ডায়েরীতে নিজে লেখার মত। একই ধরণের নামেমাত্র গবেষণা টাইটেল এদিক সেদিক করে বছরের পর বছর ধরে পাবলিশ হতে থাকে। এডিটর সাহেবের একাধিক পেপার পাবলিশ হয়। দেখা যায় একজনের (ছাত্র, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক) তুচ্ছ কোন গবেষণার পেপারে সংশ্লিষ্ট গবেষক ও তার সুপারভাইজরের প্রিয় কয়েকজনের নামই থাকে। তারা গবেষণার সাথে সংশ্লিষ্ট থাকুক আর নাই থাকুক। ছাত্রদের লাভ তারা সিভিকে সমৃদ্ধ করে অন্যদিকে শিক্ষকরা তাদের প্রোমোশনের পথ পরিস্কার করে। এমনও অনেক শিক্ষক আছেন যাদের কোন ল্যাবরেটরি নেই, না আছে যোগ্য ছাত্র কিন্তু ওনাদের রিসার্চ পেপারের সংখ্যা প্রচুর। একবার ঢাবির এক অধ্যাপক ঠাট্টা করে বলেছিলেন, “ঢাবিতে অধ্যাপক হবার জন্য পাবলিশড্‌ পেপার দরকার, সেটা নেচারে (বিশ্বের অন্যতম নামকরা জার্ণাল) পাবলিশ হল নাকি ইত্তেফাকে তা বড় কথা নয়!!”


বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশির ভাগ গবেষণা শুধু থিসিস জমা দেওয়ার সাথেই শেষ হয়ে যায়। ঐ সব নিয়ে পরে আর কেউ মূলত কাজ করে না। করলেও একই কাজ করে এবং একই থিসিসের কপি-পেস্ট করে অনেকে। বিভিন্ন বিভাগের থিসিসগুলো ভাল করে ঘাটলে দেখা যাবে একই ভুল একই পাতায় বছরের পর বছর ধরে বিদ্যমান। এর একমাত্র কারন কপি-পেস্ট।
আমাদের প্রিয় শিক্ষকরা তাদের অক্ষমতা গুলোকে সম্পদের অপ্রতুলতা দিয়ে ঢাকবার চেষ্টা করেন। কিন্তু আমি আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা দিয়ে বলতে পারি শুধু মাত্র শিক্ষদের অমনোযোগিতা ও অনাগ্রহের কারনে নামে মাত্র থিসিসের কাজ করতে গিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা যে সব উপকরণের অপচয় করে শুধু তা দিয়েই অনেক অনেক ভাল গবেষণা সম্ভব, যা কিনা দেশের মানুষের সমস্যার উদ্ঘাটন বা সমাধান করতে পারবে।


এত সমস্যার মাঝেও এদেশে কিছু শিক্ষক আসলেই খুব ভাল গবেষণা করছেন, শুধু দেশের মানুষের জন্য। কিন্তু, তাদের সংখ্যা হাতে গোনা যায়। খোঁজ করলে দেখা যাবে, বিদেশে গবেষণা করে বাংলাদেশের যারা বিখ্যাত হয়েছেন তাদের বেশির ভাগই ঐ কয়েকজন শিক্ষক দ্বারা অনুপ্রাণিত। সেই অনুপ্রেরণা বিদেশে প্রতিষ্ঠিত সেই সব বিজ্ঞানীদের কবে যে দেশে ফিরে কাজ করতে আগ্রহি করে তুলবে তার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আরো কয়েক বছর। হয়ত, একদিন তারা ফিরবেন তাদের জ্ঞানের আলো নিয়ে।





(শেষ)






লেখাটা এখানেই শেষ করলাম। আমার জানা, বোঝায় অনেক ভুল থাকতে পারে। ব্লগার বন্ধুদের অনেকেই এইসব নিজ চোখে দেখেছেন। অনেকেই দেশের পর্ব শেষ করে বিদেশে উচ্চ শিক্ষার্থে আছেন, আছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরাও। তাদের সবাইকে আহ্ববান জানাচ্ছি আলোচনার জন্য, সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজবার জন্য। অন্তত আর কিছু না হলেও, আমাকে যদি তারা কিছু দিকনির্দেশনা দিতে পারেন, যা বাংলাদেশে গবেষক হিসেবে জীবনকে অর্থপূর্ণ করতে সাহায্য করবে তবে কৃতজ্ঞ থাকব। অনেক লেখাপড়াই করেছি এ পর্যন্ত ভাল রেজাল্ট করবার জন্য, ভাল বিজ্ঞানী হবার জন্য, এখন সব অর্থহীন লাগে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশ গবেষণা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার কথা  বিভাগে ।

 

  • ১৯ টি মন্তব্য
  • ২০৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:১২
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: "বিভিন্ন বিভাগের থিসিসগুলো ভাল করে ঘাটলে দেখা যাবে একই ভুল একই পাতায় বছরের পর বছর ধরে বিদ্যমান।"
কথা এইটাও ১০০ ভাগ সত্যি।
২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: হুম

২. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২০
comment by: হরিসূধন বলেছেন:

খুব ভালো লিখেছেন।


হতাশ হবেন না। অর্থহীন হবে কেন? চেষ্টা করে যান
আশকরি্ সফল হবেন সে প্রার্থনাই করি।

ভালো থাকবেন।
২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: এখনতো মনে হয় গবেষণা টবেষনার চাইতে প্রার্থনাই উত্তম পন্থা। বাপ-মা একটু পরহেজগারি করে মাদ্রাসায় দিলে প্রার্থনা করেই জীবনের অর্থ খুঁজে পাওয়া যেত। এখন ইউনিভার্সিটিতে পড়ে, আজাইরা অর্থ খুঁজে মরছি।

৩. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩২
comment by: আহসান মোহাম্মদ ক বলেছেন: খুব ভালো হয়েছে।
৪. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
comment by: কানা বাবা বলেছেন:
হুমম...
মাদ্রাসা জায়গাটা একেবারে মন্দ না... এই আখড়ায় নিয়মিত আল্লাখোদার নামটা অন্তত জপ করা হয়...

ব্লগার নোবেলজয়ী'র একটা পোস্ট আছে, সাইফুল্লাহ হুজুরের বিশেষ শাস্তি বা এইধরনের কোনো শিরোনামে; দ্বিতীয়বার মাদ্রাসার জন্য আফসোস করার আগে সেটা পড়ে দেখতে পারেন...
@বিবর্তনবাদী
২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: ওকে গুরু। অনেক দিন পরে আইলেন আমার ব্লগে...... দিলে শান্তি পাইলাম।

৫. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৪৫
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন। আশাহত না হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যান।

ভালো থাকুন
শুভেচ্ছা থাকলো।
২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:১৫
comment by: নির্বাসিত বলেছেন: আপনার লেখাটি আমি মনোযোগের সাথে পড়লাম। নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে দু চারটে কথা বলি তাহলে।
প্রথমেই বলে নেয়া ভাল যে আর্টস এর ছাত্ররা কি ধরণের রিসার্চ করে তা নিয়ে আমার কোনই ধারণা নেই। আমি কঠিন বিজ্ঞানের ছাত্র, তাই সে বিষয়েই বলছি।
একটা কথা খুবই সত্যি যে বিজ্ঞানের গবেষণা করার জন্য যে ধরণের ল্যাবসুবিধা এবং রিএজেন্ট লাগে তার কিছুই ছিলনা আমাদের। তাই মাথার মধ্যে অনেক আইডিয়া থাকলেও, তার বাস্তব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব ছিলনা। আমার নিজের থিসিসের সময় একটি এনজাইম এর উপর কাজ করতে করতে চেয়েছিলাম, যে কাজটি করতে ন'টি কেমিক্যাল রিএজেন্ট দরকার ছিল। আমাদের ডিপার্টমেন্টের স্টোরে আটটি রিএজেন্ট ছিল। ঐ একটি রিএজেন্ট না থাকার কারণে কাজটি করতে পারিনি আমি।
আমার শিক্ষকদের কাছে যদিও আমি ভয়ানক ঋণী, তারপরেও আমার থিসিসগুরু (আমি তাকে ভীষণ শ্রদ্ধা করি,এবং তাকে নিয়ে একটি লেখাও লিখেছিলাম) কিন্তু আমাকে তেমন খুব একটা গাইডেন্স দেননি গবেষণার ব্যাপারে। নিজে নিজে যতটুকু পারি করেছিলাম।
আমার মনে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার ক্ষেত্রে আরো অনেক পয়সা খরচ করা দরকার। দরকার শিক্ষকদের গবেষণার সঠিক মূল্যায়ন। পাব্লিশ করার ব্যাপারেও ধানাই-পানাই যেন না হয়।
আর একটা ব্যাপারও খুব প্রয়োজন। ইন্ডাস্ট্রীকেও এগিয়ে আসতে হবে সহায়তার হাত বাড়িয়ে।
এ বছর ডিসেম্বরের প্রথম দিকে ঢাকাতে একটি বায়োটেকনোলজী সিম্পোজিয়ম হবে দেখলাম যেখানে কিছু কিছু কোম্পানীও অংশগ্রহন করছে। আমার নিজেরও সেখানে একটি পেপার পড়বার কথা। যদি যাওয়া হয় শেষ পর্যন্ত, তাহলে হয়তো বা আরো ভাল করে জানতে পারবো এ ব্যাপারে।

আপনার লেখাটির জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: আমার নিজের জন্য কিছু বলবেন কি প্লিজ

৭. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৫
comment by: সাঈফ শেরিফ বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট.সোজা প্রিয়তে......সাথে কিছু যোগ করছি....

১. গবেষণায় পছন্দের বিষয়ে ফান্ড না হলে অপছন্দের বিষয় বদহজম করে ডিগ্রি পেতে দেখা যায় বাঙালিদের।

২. বিদেশে বাঙালিরা অহরহ সুপারভাইজার পরিবর্তন করে আরামে ডিগ্রি পাবার জন্য, জানিনা অন্য জাতিরা এ কাজ করে কিনা।

৩. যুক্তরাস্ট্রে মাস্টার্সের পর যে উচ্চ বেতনের চাকুরি জোটে সেখানে পিএইচ ডি করে উল্টো অর্থ, সময়, শান্তি নষ্ট করতে চায়না অনেকেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার স্বপ্ন থাকলেই কেবল একজনকে কাজ করে ডিগ্রি পেতে দেখা যায়।

৪. চাকুরির বাজার ছাত্রদের স্বাভাবিকভাবে তাদের পছন্দের গবেষণার পথ বাছাইকে ভীষণ ভাবে প্রভাবিত করছে। অথচ মন থেকে বিষয়ের প্রতি ভালবাসা না থাকলে যে ডেডিকেশন, মোটিভেশন শব্দগুলো গবেষণায় আসেনা, সেটা বোধ করার মানুষ কম। ফান্ড দিলে পদার্থের ছেলে রসায়নে গবেষণা করে দিবে, এমন ভাব।

৫ সংসারি ও অতিরিক্ত সামাজিক বাঙালি পনা। কাজই ধর্ম, কাজেই মুক্তি , কাজই স্বর্গ এসব মন্ত্র না জানলে সেই মানের আত্মনিয়োগী ঝানু গবেষক হওয়া যায়ন। দেশে বা ঘরে বউ রেখে মানুষ পিএইচডির গবেষণা কীভাবে সারে জানা নেই। আমার দেখা বাঙালিদের সেরা আবিষ্কার গুলো "ঘর ছাড়া, ঘর নাই" মানুষের ল্যাবে বসে থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল।

৬. গবেষণায় বাঙালিদের দুর্নীতির কথা লিখলে আরেকটা পোস্ট হবে। কাজের মাঝেই মুক্তি না খুজতে পারলে এ থেকে বেরিয়ে আসা অসম্ভব।
২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:২৮
comment by: হোঁদল কুঁত কুঁত বলেছেন: ভাল লাগছে লেখা। আগের পর্বগুলি পড়ুমনে।
৯. ২১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
comment by: নির্বাসিত বলেছেন: সাঈদ শেরিফ-আপনার কথাগুলো খুবই সত্যি। কাজকে ঠিকমতো ভাল না বাসলে ভাল কাজ করতে পারাটা প্রায় অসম্ভব। আপনার ৫ নাম্বার পয়েন্ট টি খুবই এ্যাকুরেইট। তবে দেশে বসে কাজ করতে হলে রিসোর্সের ব্যাপারটিও ভাবতে হবে।

বিবর্তনবাদী-আপনাকে ভাবতে হবে যে আপনি কি করতে চান আপনার জীবনে। যদি রিসার্চে থাকতে চান, তাহলে বিদেশে চলে আসা উচিৎ কিছুকালের জন্যে। তারপর নাহয় ফিরে গেলেন। দেশে বসে যারা কাজ করেন তাদেরকে কিন্তু অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।
২২ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১০. ২২ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: এ বিষয়ে আমার তেমন জানা ছিল না। তবে অনেক কিছু জানতে পারলাম এখন। আপাতত পিএইচডি করার কোন খায়েস নেই। সিএ করে এফসিএ করতে পারলেই হয়। এটা করে দেশের জন্য কি করতে পারি সেটাই আসল বিষয়। দেখি এই অধমকে দিয়ে কি হয়।
সবগুলো পর্বই ভালো লাগছে।
ভালো থাকিস দোস্ত।
১১. ৩১ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৬:৫২
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: সহজ কথা বললেন কত সহজে।
আসলেই সুপারভাইজর বাছার সময় শুরু হয় খেলা। হাহা।

ভালো লাগলো আপনার তিনটা পর্বই।

ভালো থাকবেন।
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

 



 


আপাততঃ আমি একজন কনফিউজড মানুষ। জীবনে বিবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছি। দেখি, বিবর্তনের পর কিসে পরিনত হই... ...


nisshongo_dhakabashi@yahoo.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৮৮০৫