আমার প্রিয় পোস্ট

আমার এ পথ চাওয়াতেই আনন্দ।

প্রেমিক নজরুলের সাতকাহন ~নার্গিস পর্ব~

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪০

শেয়ার করুন:                   Facebook


কাজী নজরুল ইসলাম বাংলার বিদ্রোহী কবি, প্রেম ও প্রকৃতির কবিও। প্রেম সম্পর্কে প্রত্যেক পুরুষেরই একটা স্বেচ্ছাচারি ধারণা থাকে, যেটা সে নিজে থেকেই আরোপ করে। যখনই তা বাস্তব চাওয়া-পাওয়ার হিসেবে খাপ খায় না, প্রেমিকের তাসের ঘর ভেঙ্গে পড়ে। পুরুষ সেটাকেই বাস্তব ধরে নিয়ে স্রোতের সাথে তার জীবন এলিয়ে দেয়, অথচ সারাজীবন না পাওয়ার আক্ষেপ বয়ে বেড়ায়। ব্যতিক্রম কাজী নজরুল ইসলাম, প্রেমের সাথে তার কোন আপোষ ছিল না। নজরুলের জীবনে নারীর প্রতি প্রেম মূলত তিনবার এসেছিল প্রথম নার্গিস আসার খানম, দ্বিতীয় তার স্ত্রী প্রমিলা দেবী এবং তৃতীয় বেগম ফজিলাতুন্নেসা। এর মাঝে ফজিলাতুন্নেসার প্রতি কবির অনুরাগ কিংবদন্তী তুল্য। প্রেমে মজে থেকে লেখা কবির কবিতা গুলো অনেকেই পড়েছি, কিন্তু এর পেছনের ঘটনাগুলো অজানা। অন্তর্জালের এই বিশাল জগতে নজরুলের প্রেমের ঘটনাগুলো তুলে ধরতেই আজ কী-বোর্ডে আঙুল চালালাম।


নার্গিস পর্ব


নজরুলের প্রথম প্রেম সৈয়দা খানম (নজরুল তাকে নাম দেন নার্গিস, ফার্সি ভাষায় যার অর্থ গুল্ম)। তিনি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার দৌলতপুর গ্রামের মেয়ে ছিলেন। তার মামা আলী আকবর খানের সাথে নজরুলে পরিচয় কলকাতায় ৩২ নং কলেজ স্ট্রিটে। আলী আকবর খান সম্রাট বাবরের জীবনী নিয়ে একটা নাটক লিখেছিলেন এবং টুকটাক পুস্তিকা লিখে নিজেই ফেরি করে বিক্রি করতেন। সেই সব পুস্তিকায় আলী আকবর খান রচিত কিছু কবিতাও থাকত। তার সেসব হাস্যকর কবিতা দেখে নজরুল নিজে “লিচু চোর” কবিতাটি আলী আকবর খানকে লিখে দেন। এতে খুশি হয়ে সে নজরুলকে তার গ্রামের বাড়ি তৎকালীন পূর্ববঙ্গের কুমিল্লাতে দাওয়াত দেন। এই আলী আকবরকে নজরুলের বন্ধুরা তেমন পছন্দ করতেন না এবং সর্বদাই তার থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিতেন। কিন্তু সরল মনা নজরুল কখনই বন্ধুদের উপদেশ গ্রহণ করেন নি। ১৯২১ সালের মার্চে নজরুল আলী আকবর খানের সাথে বন্ধুদের কিছু না জানিয়েই কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। ময়মনসিংহের ত্রিশাল ছাড়ার পর এটাই ছিল নজরুলের প্রথম পূর্ববঙ্গ যাত্রা। যাবার পথে তিনি “নিরুদ্দেশ যাত্রা” কবিতাটি লেখেন।

ট্রেনে কুমিল্লা পৌছে নজরুলকে নিয়ে আলী আকবর খান তার স্কুলের বন্ধু বীরেন্দ্রকুমার সেনগুপ্তের বাসায় উঠেন। বীরেন্দ্রকুমারের মা ছিলেন বিরজা সুন্দরী দেবী। একই বাড়িতে তার বিধবা জেঠিমা গিরিবালা দেবীও থাকতেন তার মেয়ে প্রমীলা সেনগুপ্তা (দোলন) ও আশালতা সেনগুপ্তাকে নিয়ে। চারপাঁচ দিন সেখানে কাটিয়ে কবি রওয়ানা দেন দৌলতপুরের খাঁ বাড়ির উদ্দেশ্যে। তবে সেই চারপাচ দিনেই সেনবাড়ির সবাই বিশেষ করে বিরজাদেবীর সাথে নজরুলের সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। নজরুল তাকে “মা” সম্বোধন করতেন।

দৌলতপুরে নজরুলের জন্য আলী আকবর খানের নির্দেশে উষ্ণ অভ্যর্থনার ব্যবস্থা করা হয়। নির্মান করা হয় তোরন। বাড়ির জ্যেস্ট আত্মীয়-স্বজনদের সাথে নজরুল খুব দ্রুতই ঘনিষ্ট হয়ে উঠেন। তাদের কবিতা শুনিয়ে, অজস্র গান গেয়ে মুগ্ধ করে ফেলেন। দূরদুরান্ত থেকেও লোকেরা আসত কবিকে দেখতে, তার গান শুনতে। আলী আকবর খানের বোন আসমাতুন্নেসার বিয়ে হয়েছিল খাঁ বাড়ির পাশেই। অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ থাকায় আসমাতুন্নেসা তার ভাইয়ের বাড়িতে তেমন সমাদর পেতেন না। আসমাতুন্নেসার স্বামী মুন্‌শী আবদুল খালেক একটি মেয়ে রেখেই মৃত্যুবরণ করেন। সেই মেয়েটিই আমাদের আলোচ্য নার্গিস আসার খানম।


নজরুলের গান, কবিতা, গল্প, বিদ্রোহ প্রভৃতি আমাদের কাছে বিখ্যাত। অথচ নার্গিসের সাথে কবির আলোচনার সূত্রপাত কবির বাঁশি বাজানো নিয়ে। এক রাতে কবি খাঁ বাড়ির দীঘির ঘাটে বসে বাঁশি বাজাচ্ছিলেন, সেই বাঁশি সুরে মুগ্ধ হন নার্গিস। একদিন নজরুলকে এসে শুধান, “গত রাত্রে আপনি কি বাঁশি বাজিয়েছিলেন? আমি শুনেছি”। এই পরিচয়ের পরই নজরুল সেই যুবতি মেয়ের প্রতি আকৃষ্ট হতে লাগলেন। তার আচার আচরণে নার্গিসের প্রতি অনুরাগ প্রকাশ পেতে থাকল।

আলী আকবর খানও ব্যাপারটা খেয়াল করলেন। মূলত নজরুলকে কুমিল্লা আনবার তার উদ্দেশ্য এই ছিল, নিজ পরিবারের কারো সাথে নজরুলের বিয়ে দেওয়া। তার পরামর্শে নার্গিসের খাঁ বাড়িতে আসা যাওয়া বাড়তে থাকে। নার্গিসে মাকে তিনি জানান, “এই ছেলে (নজরুল) একসময় জগৎ বিখ্যাত দার্শনিক কবি হবে। এই কাজীকে কোন রকমে আটকাতেই হবে। তাহলে ভবিষ্যতে অনেক সুবিধা পাওয়া যাবে”। পরবর্তীতে এই সব তথ্য নার্গিসের ভাইয়ের কাছ থেকে পাওয়া যায়। খাঁ বাড়ির মুরব্বীরা নজরুলকে নার্গিসের বর হিসেবে তেমন পছন্দ করতেনা । বাঁধন হারা নজরুলকে তারা ছিন্নমূল বাউডুলে হিসেবেই দেখেছিলেন। কিন্তু গ্রাজুয়েট আলী আকবর খানের চাপে তারা প্রতিবাদ করতেন না। এক পর্যায়ে আলী আকবর খানের কাছে খোদ নজরুল বিয়ের প্রস্তাব উত্থাপন করলেন, যার জন্য তিনি অপেক্ষা করছিলেন। ১৩২৮ খ্রিস্টাব্দের ৩ আষাঢ় বিয়ের দিন ধার্য করা হয়।
এরপর শুরু হয় স্বপ্ন ভঙ্গের খেলা। আলী আকবর খান তার গ্রাম্য ভগিনীকে বিখ্যাত কবি নজরুলের জন্য গড়তে নেমে পড়লেন। অশিক্ষিত নার্গিসকে খুব কম সময়ে শিক্ষিত করে তোলা সম্ভব ছিল না কিন্তু তিনি শরৎচন্দ্র ও অন্যান্য সাহিত্যিকের উপন্যাসের নারী চরিত্র গুলো থেকে নার্গিসকে জ্ঞান দিতে থাকলেন। নজরুলের এইসব ভনিতা একেবারেই পছন্দ ছিল না, তিনি আলী আকবর খানকে তা জানালেও তিনি নজরুলকে পাত্তা দেন না। সেই সাথে খুব দ্রুত বিয়ের প্রস্তুতি নিতে থাকেন, নিমন্ত্রন পত্রও অতিথিদের মাঝে বিলিয়ে ফেলেন। এসব ব্যাপার নজরুলকে পীড়া দেয়, আস্তে আস্তে তার মোহ ভাঙতে থাকে।


এর ফাঁকে আলী আকবর খান আরো একটি কাজ করে যাচ্ছিলেন যা সবারই অগোচরে ছিল। তিনি নজরুলের জন্য কলকাতা থেকে আসা বন্ধুদের সব চিঠিই সরিয়ে ফেলতেন, সেই সাথে নজরুলের বন্ধুদের উদ্দেশ্যে পাঠানো চিঠিও পোস্ট না করে নিজের কাছে রেখে দিতেন। তিনি ভালই জানতেন, নজরুলের বন্ধুরা কেউই কুমিল্লার আলী আকবর খানকে পছন্দ করেননা। সেই সাথে সন্দেহের চোখে দেখেন। এদিকে নজরুল বিয়েতে তার পক্ষের অতিথি হিসেবে বিরাজা সুন্দরী দেবী ও তার পরিবারকে মনোনিত করেন। বিয়ের আগের দিন সবাই দৌলতপুরে এসে উপস্থিত হন। কলকাতায় নজরুলের বন্ধুদের এমন সময় দাওয়াত দেওয়া হয় যেন কেউ আসতে না পারে। কবির অন্যতম ঘনিষ্ট বন্ধু কমরেড মোজাফফর আহমেদ নিমন্ত্রন পত্র পান বিয়ের পরে।


এরপর এল সেই বহু প্রতিক্ষিত ৩ আষাঢ়। যতদূর জানা যায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় এবং আকদ্‌ও সম্পন্ন হয়। কিন্তু কাবিনের শর্ত উল্লেখ করবার সময়ই ঝামেলা বাঁধে। আলী আকবর খান শর্ত জুড়ে দিতে চান, নজরুলকে ঘর জামাই থাকতে হবে। বাঁধন হারা নজরুল এই শর্ত প্রত্যাক্ষান করেন। আকদ্‌ হয়ে যাবার পর আনুষ্ঠানিক অন্যান্য কাজে যখন সবাই ব্যস্ত তখন নজরুল অন্তর্দ্বন্দে বিক্ষুব্ধ। তিনি ছুটে যান বিরজা সুন্দরী দেবীর কাছে। তাকে বলেন, “মা, আমি এখনই চলে যাচ্ছি”। বিরজা সুন্দরী দেবী বুজতে পারেন এই অবস্থায় নজরুলকে ফিরানো সম্ভব না। তিনি তার ছেলে বীরেন্দ্রকুমারকে নজরুলের সাথে দিয়ে দেন। সেই রাতে দৌলত পুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্দমাক্ত (আষাঢ় মাস) রাস্তা পায়ে হেটে নজরুল ও বীরেন্দ্রকুমার কুমিল্লা পৌছেন। পরিশ্রমে ও মানসিক চাপে নজরুল অসুস্থ হয়ে পড়েন। নজরুলের জীবনে নার্গিস পর্ব সেখানেই শেষ।
১৯২১ সালের জুলাই মাসে নজরুল আলী আকবর খানকে চিঠিতে লেখেন,


‘বাবা শশুর,
আপনাদের এই অসুর জামাই পশুর মত ব্যবহার করে এসে যা কিছু কসুর করেছে, তা ক্ষমা করো সকলে, অবশ্য যদি আমার ক্ষমা চাওয়ার অধিকার থাকে। এইটুকু মনে রাখবেন, আম্র অন্তর-দেবতা নেহায়েৎ অসহ্য না হয়ে পড়লে আমি কখনো কাউকে ব্যাথা দিই না। যদিও ঘা খেয়ে খেয়ে আমার হৃদয়টাতে “ঘাটা বুজে’ গেছে, তবুও সেটার অন্তরতম প্রদেশটা এখনো শিরীষ ফুলের পরাগের মতই কোমল আছে। সেখানে খোঁচা লাগলে আর আমি থাকতে পারিনে। তা-ছাড়া আমিও আপনাদের পাঁচজনের মতই মানুষ, আমার গন্ডারের চামড়া নয়; কেবল সহ্য গুনটা একটু বেশি। আমার মান-অপমান সম্বন্ধে কান্ডজ্ঞান ছিল না বা ‘কেয়ার’ করিনি বলে আমি কখনো এত বড় অপমান সহ্য করিনি যাতে আম্র ‘ম্যানলিনেসে’ বা পৌরুষে গিয়ে বাজে- যাতে আমায় কেউ কাপুরুষ, হীন ভাবতে পারে। আমি সাধ করে পথের ভিখারী সেজেছি বলে লোকের পদাঘাত সইবার মতন ‘ক্ষুদ্র আত্মা’ অমানুষ হয়ে যাইনি। আপন জনের কাছ থেকে পাওয়া অপ্রত্যাশিত এই হীন ঘৃণা, অবহেলা আমার বুক ভেঙ্গে দিয়েছে বাবা! আমি মানুষের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছি। দোয়া করবেন আমার এ ভুল যেন দ’দিনেই ভেঙে যায়- এ অভিমান যেন চোখের জলে ভেসেযায়!
বাকী উৎসবের জন্য যত শীগগীর পারি বন্দোবস্ত করবো। বাড়ির সকলকে দস্তুরমত সালাম দোয়া জানাবে। অন্যান্য যাদের কথা রাখতে পারি নি তাদের ক্ষমা করতে বলবেন। তাকেও ক্ষমা করতে বলবেন, যদি এই ক্ষমা চাওয়া ধৃষ্টতা না হয়।
আরজ-ইতি
চিরসত্য স্নেহ-সিক্ত
নূরু।



১৯২১ এর সেপ্টেম্বর মাসে আলী আকবর খান কুমিল্লা হতে আবার কলকাতা পৌছে নজরুলের সাথে দেখা করেন। নজরুলকে তিনি টাকার লোভ দেখান, এতে নজরুল আরো রেগে যান। এরপর দীর্ঘ ১৬ বছর নজরুলের সাথে নার্গিসের আর কোন যোগাযোগও হয় নি। ১৯৩৭ সালে নজরুলকে নার্গিস একটা চিঠি লেখেন। চিঠি প্রাপ্তির সময় সেখানে শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। নজরুল তাকেই চিঠি পড়তে বলেন। চিঠি পড়া শেষে শৈলজানন্দ নজরুলকে উত্তর লিখতে বলেন। নজরুল একটি গান লিখে দেন।

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পার নাই
কেন মনে রাখ তারে
ভুলে যাও তারে ভুলে যাও একেবারে।

আমি গান গাহি আপনার দুখে,
তুমি কেন আসি দাড়াও সুমুখে,
আলেয়ার মত ডাকিও না আর
নিশীথ অন্ধকারে।

দয়া কর, মোরে দয়া কর, আর
আমারে লইয়া খেল না নিঠুর খেলা;
শত কাঁদিলেও ফিরিবে না সেই
শুভ লগনের বেলা।

আমি ফিরি পথে, তাহে কর ক্ষতি,
তব চোখে কেন সজল মিনতি,
আমি কি ভুলেও কোন দিন এসে দাঁড়িয়েছি তব দ্বারে।

ভুলে যাও মোরে ভুলে যাও একেবারে।

১৯৩৭ সালের ১ জুলাই নজরুল নার্গিসকে আর একটি চিঠি লেখেন। এর প্রায় বছর খানেক আগেই শিয়ালদহতে নার্গিস ও নজরুলের উপস্থিতিতে উভয়ের আনুষ্ঠানিক বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে।

বিচ্ছেদের সাত-আট মাসের মাথায় আলী আকবর খানে বই ব্যবসার ম্যানেজার আজিজুল হাকিমের সাথে নার্গিসের বিয়ে হয়। আজিজুল হাকিমও বাংলা সাহিত্যে কবি হিসেবে সমাদৃত। এক সময় তিনিই নার্গিসের কাছ থেকে পাওয়া সেই ১৯২১ সালে আলী আকবর খানের সরিয়ে ফেলা নজরুলের বন্ধুদের ও বন্ধুদের কাছে লেখা চিঠি গুলো প্রকাশ করেন। আলী আকবর খানের মূল চরিত্র জনসম্মুক্ষে প্রকাশিত হয়।









(তথ্য সূত্র: নজরুলের জীবনে নারী ও প্রেম; ড. আবুল আজাদ)


প্রমীলা পর্ব

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কাজী নজরুল ইসলাম; প্রেম; নার্গিস; সৈয়দা খানম ;
প্রকাশ করা হয়েছে: তথ্য সংকলন  বিভাগে ।

 

  • ৪৯ টি মন্তব্য
  • ৩৪৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৯ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৪
comment by: সুখী মানুষ বলেছেন: গোগ্রাসে পড়লাম। সুন্দর লিখেছেন।
আমি নজরুলকে নিয়ে পড়েছি, অনেক পড়েছি। তবু দু'একটি তথ্য নতুন পেলাম, ধন্যবাদ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

পরের পর্বেও সাথে থাকতে হবে। যা যা ঘাটতি থাকবে মন্তব্যে তা পুশিয়ে দিতে হবে। ওকে...........

২. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫৭
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: প্রিয়তে নিয়ে নিলাম কিন্তু................

হুয়াক্কা হুয়া.............. ঢাকাবাসী
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: সুন্দর পোস্ট বিবর্তনবাদী... প্রিয়তে...
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: :)

৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৬
comment by: মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
নজরুল সুন্দর- বাহিরে অন্তরে।

পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ। অনেক অজানা তথ্য জানা গেল।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৮
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: দারুন পোষ্ট...
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।

৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৪০
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: সুন্দর লেখাটার জন্য ধন্যবাদ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৮

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ। আশা রাখি আগামী পর্বগুলোতেও সাথে রইবে।

৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:১৮
comment by: আউলা বলেছেন:
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: :|

৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২৪
comment by: নুশেরা বলেছেন: চমৎকার পোস্ট
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: :)

৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯
comment by: না বলা কথা বলেছেন: ছোটভাই,তোমার এই লিখাডাও ভালো হইছে।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫০

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু

১০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১২
comment by: উন্মাদ ছেলে বলেছেন: তোকে প্রতিদিনই মাইনাস দিতে আসি কিন্তু পারিনা কারণ লেখার বিষয়টার জন্য। আজ তুই কবিকে নিয়ে পোস্ট দিলি সেইদিন দিয়েছিলি এসএসসি/এইচএসসির বাংলা পড়া নিয়ে সেটাই মাইনাস দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমার ১০বছর আগে যখন আমি এইচএসসি পাস করেছিলাম তখনকার কথা মনে পড়ে গেল। তাই ইমোশনাল হয়ে দিতে পারলাম না।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: :|

১১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: আমার অবস্থাও সুখীমানুষের মতন। প্লাস প্লাস প্লাস...
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস থ্যাঙ্কস থ্যাঙ্কস

১২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫১
comment by: মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: ''‘বাবা শশুর,
আপনাদের এই অসুর জামাই পশুর মত ব্যবহার করে এসে যা কিছু কসুর করেছে''

শশুর-অসুর-পশুর-কসুর! এমন অনুপ্রাস কেবল নজরুলের পক্ষেই সম্ভব।
ধন্য বিবর্তনবাদী।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আরজু

১৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪২
comment by: রিজভী বলেছেন: অসাধারণ লিখেছেন।

+
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও +

১৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৮
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: ঢ়িযবিরে দেইখা ভাল্লাগতেছে । একটা লিস্ট কর্বা কৈছিলা সেইটার কদ্দুর ?
১৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৩
comment by: মুকুল বলেছেন: *****
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩০

লেখক বলেছেন: ****************** আপ্নারে।:)

১৬. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:০৩
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট!!! অনেক তথ্য জানতে পারলাম।

শুভেচ্ছা থাকলো।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: আপনার জন্যও শুভেচ্ছা।

১৭. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৫৭
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ভাল্লাগছে ... যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ গানেরল লিঙ্কের জন্য।

১৮. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:০৪
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: সেই চিঠিটা একবার পড়েছিলাম.....খঁুজে পেলে পোষ্ট করব

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: আমার কাছে আছে। সময় পেলে পোস্ট করার চেষ্টা করব।

১৯. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: বাকি পর্ব কই?
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: টাইপ কর্তাছি।

২০. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪১
comment by: আউলা বলেছেন: ওহে বৃদ্ধ এইবার একটি নতুন পোস্ট দিন।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: দিছি

২১. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৬
comment by: অপ্‌সরা বলেছেন: অনেক কিছু জানালে বন্ধু।এত জানা ছিলোনা আমার।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: জানার আছে অনেক কিছু বন্ধু।

২২. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৫৯
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: আরে অনেক কিছুই তো অজানা ছিল।
শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দোস্ত।
আছিস কেমন আজকাল???
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: আজকাল ভালই আছি। দিনের সূর্যকে আর কালো মেঘে ঢাকতে দেই না। আছি একরকম আনন্দে। তোর খবর কি?

২৩. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:৩১
comment by: ফারিহান মাহমুদ বলেছেন: প্রমীলা পড়েই তবে এখানে এলাম। নজরুলকে জানার অশেষ কৌতূহল ছিল স্কুলকলেজে পড়ার সময়ে, পড়েছিও প্রচুর, বিক্ষিপ্তভাবেই বেশিরভাগ। অনেক কাল পরে পড়ে মনে হচ্ছে এ দেখি সবই নতুন! খুব উত্সাহ নিয়ে পড়ছি। আমি খুব ডিটেইলস পড়তে পছণ্দ করি, সম্ভব হলেও আরো বিস্তারিতভাবে লিখতে পারেন; আশা করি নজরুলপিপাসর্তরা তাতে তৃপ্ত হবেন।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়বার জন্য। এরপর থেকে আরো বিস্তারিত করতে চেষ্টা করব। তাই পোস্টের সাইজ ছোট ছোট করছি।

সাথে থাকলে প্রিত হইব।

২৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫
comment by: তারানা_শব্দ বলেছেন: উনেক কিছু জানলাম...ভালো লাগলো লেখনী
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন: ওকে।

২৫. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩১
comment by: হরিণ বলেছেন: এক কথায় অসাধারণ হয়েছে। নার্গিসের কাছে নজরুলের লিখা চিঠিটি কি পড়েছেন ?
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। হ্যা চিঠিটা পড়েছি। রেফারেন্সের বইটিতে অনেকগুলো চিঠিই আছে।

 



 


আপাততঃ আমি একজন কনফিউজড মানুষ। জীবনে বিবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছি। দেখি, বিবর্তনের পর কিসে পরিনত হই... ...


nisshongo_dhakabashi@yahoo.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৮৭৯৯