
দিন কাটছে ঝামেলা ছাড়া। সকালে ঘুম থেকে উঠা, নাস্তা করে অফিস যাওয়া, কাজ কর্ম করা, ঠিক পাঁচটায় সবকিছু গুটিয়ে ঘরে ফেরা। ঘরে এসে হালকা খাওয়া দাওয়া, টিভির সামনে খানিক্ষণ বসে থাকা তারপর...... ব্লগ খুলে তাকিয়ে থাকা, এইতো!! হঠাৎ লিখতে মন চায়। নতুন ফাইল খুলে লিখে ফেলি কিছু লাইন। খানিক্ষণ পরে ভাল লাগে না বলে, লেখা গুলো মুছে ফেলা, ব্যস!!! আসলে লিখবার বিষয় আর পাচ্ছি না খুজে। একটা সময় নিজের অনেক কথা লিখতাম। এখন আর সেই ইচ্ছা নাই। অন্যদিকে ব্লগে জ্ঞান ছাড়তে আর আগ্রহ পাই না। ব্লগীয় আলোচনা-বিতর্কের প্রতিও বিতৃষ্ণা এসে গেছে। এগুলোর কোন শুরু নাই, শেষ নাই। সেই আস্তিক-নাস্তিক, আওয়ামী-বিএনপি। একটা কাজ ইদানিং করা হয়। তা হল নিজের পুরানো পোস্ট পড়া, সাথের মন্তব্য পড়া। কিছু ব্লগার আসলেই খুব বিরক্তিকর। তারা সেই ২০০৮ এ যে গায়েব হয়েছে আর খবর নাই। এমনকি মন্তব্যও করে না কোথাও। ভাবতে অবাক লাগে, এভাবে গায়েব কিভাবে হতে পারে ব্লগার ব্লগ হতে। আমিতো যাই যাই করে কত বারই নাটক করলাম, কিন্তু লাভ হল কী? যেতে আর পারলাম কই।
ঘোরাঘুরি তেমন একটা হয় না। বন্ধুবান্ধব সবাই যে যার কাজে ব্যস্ত। অফিস থেকে ফিরে আর আড্ডাবাজির আগ্রহ কারোরই থাকে না। আগে গান শুনতাম। আমি শুধু রবীন্দ্রসংগীতই শুনতাম। এখন আর তাও ভাল লাগে না। কথাবিহীন নানা ইন্সট্রুমেন্টাল মিউজিক ডাউনলোড করে চালিয়ে রাখি। কারন, নিস্তব্ধতায় আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। শুনি না শুনি, আগে গান বাজতে থাকত, এখন থাকে মিউজিক। এখন ডায়েরিতে লিখবার কিছুই থাকে না।
কলেজের সময়টার মত। কলেজে যাওয়া, ক্লাস করা প্রাইভেট পড়া বাসায় ফিরে পড়তে বসা। বোরিং!!!! তবে, জীবনের অধিকাংশ সময়টাই এমন।
একটা গান দিলাম। ঘুরে ফিরে সেই রবীন্দ্রসংগীতই। নিজের ভাবনার সাথে মিলিয়ে গান খুজতে গেলে রবীন্দ্রসংগীত খোজাটাই ভাল। সহজেই কিছু না কিছু মিলে যায়।
এমনি করে যায় যদি দিন যাক না
মন উড়েছে উড়ুক নারে
মেলে দিয়ে গানের পাখনা।
আজকে আমার প্রাণ ফোয়ারার সুর ছুটেছে
দেহের বাধ টুটেছে
মাথার পরে খুলে গেছে
আকাশের ঐ সুনীল ঢাকনা।।
ধরণি আজ মেলেছে তার হৃদয় খানি
সে যেন রে কাহার বানি
কঠিন মাটি মনকে আজি দেয় না বাধা
সে কোন সুরের সাধা।।
বিশ্ব বলে মনের কথা
কাজ পড়ে আজ থাকে থাক না।।
গানের লিংক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


