যাচ্ছে যেমন দিনগুলো
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৪
এই কিছু দিন আগেও ২০১০ এর জায়গায় ভুলে ২০০৯ লিখছিলাম। আর দেখতে দেখতে বছরের প্রথম মাসটি চলে গেল। এইবছরের এটাই প্রথম পোস্ট আমার। সবাইকে তাই পুরানো নেতিয়ে যাওয়া নববর্ষের শুভেচ্ছা। ২০০৭ এর অক্টোবরের কোন একদিনে আমার এই ব্লগে প্রথম আসা। সেই হিসেবে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাবার দ্বিতীয় সুযোগ পেয়েছিলাম। কাজে লাগাতে পারলাম না। ব্লগে যখন আমার পদার্পন তখন আমি অনার্স ফোর্থ ইয়ারের পরীক্ষা শেষ করেছি মাত্র। তখনও ভাইভা বাকি ছিল। তারপর কত দিন গেল অনার্স, মাস্টার্স শেষ করে এখন কর্মজীবনের প্রায় নয় মাস হতে চলল। এর মাঝে ব্লগীয় জীবনের স্বর্ণযুগ অনেক আগেই পেরিয়েছিল। আমি আসলেই সৌভাগ্যবান সেই সময়টায় ব্লগে আমার আসা এবং হাতে খড়ি। এর মাঝেই বাংলা ব্লগ তার তারুন্য শেষ করে কর্পোরেটও হয়ে গেল। সাজি আপুর ব্লগের কবিতাগুলো এখন বইয়ের পাতায়, নুশেরা আপুর অটিজমের পোস্টগুলো এখন বইয়ের মোড়কে শোভা পাবে তাম্রলিপির বইয়ের স্টলে। আবার হারিয়ে গেল কত ব্লগার কেউ বা ব্যস্ততায় কেউ বা ব্যান হয়ে। সামহোয়্যারের অনলাইনে থাকা ব্লগারদের লিস্ট স্ক্রল করতে করতে হাত ব্যাথা হবার উপক্রম হয় অথচ চেনা পরিচিত ব্লগারদের দেখা মেলে কম। চেনা ব্লগার কনসেপ্টকে আমি নিজে তেমন গুরুত্ব দিতাম না আগে, কারন লেখাটাই মুখ্য ছিল। আর এখন হরেক রকম লেখার স্রোতে কচুরিপানার মত কোন চোখ আটকানো কিছু না পেয়ে শুধু চেনা ব্লগারদেরই খুজে বেড়াই। কাউকে পাওয়া গেলে হয়ত লেখা না পড়েই প্রশ্ন করে বসি, ভাই/আপা আছেন কেমন? তাদেরও একই প্রশ্ন। আবার এসব লিখতেও অস্বস্থি লাগে। এমনিতেই পুরানো ব্লগারদের আগের ব্লগের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ অনেকে ফ্যাশন হিসেবে দেখেন। তবে সেই সময় ব্লগিং যারা করে নাই, তারা আসল ব্লগিংএর আনন্দ যে কি তা বুঝবে না কখনই।
কনফিউজড মানুষ হিসেবে (প্রোফাইলের মন্তব্য দ্রষ্টব্য)মনে বিপরীত প্রশ্নও জন্মে। হয়ত ব্যস্ততার চাপে আমিই ধরতে পারছি না ভাল লেখা গুলো। দুই বছর তিন মাস ব্লগজীবনে সব চাইতে বেশি লিখেছিলাম মাস্টার্সের পরীক্ষার সময়। সারাদিন বাসায় থাকা তিন চারদিন পরে পরীক্ষা দিতে যাওয়া। ব্লগিং এর জন্য উত্তম সময় ছিল সেটা। এখন অতীতের অসমাপ্ত কাজ, বর্তমানের দৈনন্দিন দায়িত্ব, ভবিষ্যতের হিসাব নিকাশ নিয়ে দিনের ১৮ ঘন্টা কেটে যায়। বাকি ছয় ঘন্টা নির্ভেজাল ঘুমটা তাই শরীরের দাবি। বেচারা স্বাস্থ্যই যখন সুখের তাই সেটাকে সব কিছু না দিতে পারলেও এই পাচ ছয় ঘন্টা ঘুমটুকু দিতেই হয়।
ডিজিটাল টাইমে সূর্য হবার আগেই ঘুম থেকে উঠতে হত। মন বলে সূর্য উঠুক তারপর উঠি, এলার্ম বাজা মোবাইল বলে ডিজিটাল সূর্য এখনই উঠেছে, তারাতারি উঠ। উঠেই সোজা মাথায় পানি ঢালা এবং গোসল। প্রধান উদ্দেশ্য ঘুমের শেষ বিন্দুটাকে ধ্বংস করা। তারপর মিনিট হিসেবে রেডি হওয়া, চা খাওয়া এবং দুই তিনটা অর্ধেক চাবানো রুটি গিলে খাওয়া। আটটা বাজতে তের মিনিট আগে ঘর থেকে বের হওয়া এবং আটটার মাঝে মতিঝিলে গাজীপুর পরিবহনের কাউন্টারে। এইটা টাইম ফ্রেমে চলতে পারলে বাসে বসে আটটা তেত্রিশ বা চৌত্রিশের মাঝে মহাখালী পৌছানো সম্ভব। কোন কারনে যদি আটটা দশের পরে মতিঝিল পৌছি তবে দেখব গাজীপুর পরিবহনের কাউন্টারে লম্বা লাইন এবং আধ ঘন্টা পরে বাস আসে। তখন নয়টা সতের মিনিটের আগের আর মহাখালী পৌছানো যায় না।
মহাখালী পৌছে কলেরা হাসপাতাল তথা আইসিডিডিয়ার,বিএর প্রবেশ পথে দেখা যায় লম্বা লাইন রুগীদের দর্শনার্থীদের। তাদের এক্সিউজমি এক্সিউজমি বলে সাইড নিয়ে আটটা চল্লিশের মধ্য আমাদের ল্যাবে পৌছে যাওয়া। এরপর আগের দিনের এক্সপেরিমেন্টের রেজাল্ট নেওয়া বা নতুন এক্সপেরিমেন্ট শুরু করা। এর মাঝে দশটায় টি ব্রেক। এই সময় শুধু টিতে চলে না, আলাদা নাস্তা করা বাধ্যতামূলক। তাই চলে যাই নিপসমের ক্যান্টিনে সবাই। আইসিডিডিআর, বিএর ক্যান্টিনে স্বাস্থ্য সম্মত, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে সুলভ মূল্যে স্বাদবিহীন খাবার মেলে। স্বাদবিহীন এই কারনে যে এইখাবারের স্বাদ সবার মুখস্ত। যতটা গুরুত্ব দিয়ে আমরা এক্সপেরিমেন্টের রিয়েজেন্ট মাপি তার চাইতেও বেশি মনোযোগ দিয়ে মনে হয় বাবুর্চি হলুদ মরিচ তেল মাপে।এই নয় মাসে একদিনও দেখলাম না খাবারের স্বাদ এদিক সেদিক হতে। টি থেকে এসে এক্সপেরিমেন্ট এগিয়ে নেওয়া তারপর লাঞ্চ ব্রেক। লাঞ্চ শেষে তেমন কাজ থাকে না, টুকটাক আর কি। দেখতে দেখতেই সাড়ে তিনটায় আবার টি ব্রেক। সবাই ছুটে যায় চা খেতে। চা খেয়ে আসতে আসতে চারটা। তারপর আর কিছু শুরু করা হয়ে উঠে না কারন পাচটায় অফিস ছুটি।
পাচটায় প্রায় অধিকাংশই ল্যাব থেকে চলে যায় সেন্টারের বাসে। থেকে যাই আমরা কয়েকজন। দিনে চলে রুটিন কাজ, আর রাতে আমাদের শুরু হয় নিজেদের ইচ্ছায় করা গবেষণার গবেষণা খেলা। নয়টা পাচটা অফিস করাটা আমার কাছে ভ্যান্দাটাইপের জীবন মনে হয়। তবে ঘরে বৌ-পোলাপান থাকলে হয়ত আমিও বাধ্য হব সেই ভ্যান্দা জীবন বেছে নিতে। বিকেলের পরে যে সময়টা থাকি কিছু না কিছু শেখা হয় প্রতিদিনই। সেই সাথে আমাদের নিজেদের গড়া ফান্ড হতে খাওয়ায় দাওয়াও হয়।আল্লাহর নাম নিয়ে আটটা সাড়ে আটটার দিকে ল্যাব বন্ধ করে আমরা বের হয়ে পড়ি। কখনও ভাইয়ার (বস) গাড়িতে পল্টন অথবা নিজেরা সিএনজি বা বাসে মতিঝিল। তারপর আমি রিক্সায় বাসায়। বাসায় ফিরেই আবার ল্যাপটপ খুলে বসা। প্রথম যে কাজটা করি তা হল মোজিলার এক ট্যাবে ফেসবুক আর এক ট্যাবে সামহোয়্যারইন। আমাদের ল্যাবে ফেসবুকে ঢোকা যায় না। কি এক বারাকুডা ফিল্টার দিয়ে পুরা সেন্টারে ফেসবুক বন্ধ। এতে অবশ্য আমাদের চাইতে আমাদের বসই বেশি বিরক্ত। কারন তার বাসায় নেট স্পিড ভাল না, উনি সেই স্পিডে ফেসবুকে ঢুকে বিরক্ত হন। এরপর মা খাবার দিয়ে ডাক দেয়। রাতের খাবার গিলে আবার ল্যাপটপ এবং তারপরই ঘুম।
এটাই আমাদের সপ্তাহের পাঁচদিনের রুটিন। শুক্রবারে ঘুম থেকে উঠতে চাই একটু দেরীতে অথচ তখন কাকডাকা ভোরে এমনিতেই জেগে যাই। তারপর আবার সেই বিকেলে এক আধটু টিভি দেখতে বসি। যদি কেবল অপারেটরদের চ্যানেলগুলোতে তেমন ভাল কোন সিনেমা থাকে তবে দেখি হয়ত। খবরটবর আর দেখি না এখন। এমনকি পেপারও পড়ি না। বাসে জ্যামে আটকে মাঝে মাঝে দুই তিনটাকার ভোরের ডাক বা আমাদের সময় কিনা হয়। শনিবারও আমাদের ছুটি। সেইদিন যাই ডিপার্টমেন্টে, আগের ফেলে আসা কিছু কাজ শেষ করতে এখনও যেতে হয়। সেই সাথে হবু বৌয়ের সাথে সপ্তাহের দেখা সাক্ষ্যাতও সেখানেই হয়ে যায়। রাতে বাসায় ফিরে মাঝে মাঝে বন্ধুদের ফোন পাই। আগের প্রতি সন্ধ্যার পর বের হতাম। এখন কয়েক সপ্তাহ পর হয়ত বের হওয়া হয়। কারো শনিবারে ছুটি নাই, কারো অন্য কাজ, বা কারো অফিসে এমার্জেন্সি ডিউটি। কিছু না কিছু থাকেই।
লিখি লিখি করে অনেক কিছুই লিখে ফেললাম। কেন জানি না অনেকদিন পরে আজ রাতে ঘুম আসছে না। তারপরও ঘুমাতে হবে, শরীরের দাবি বলে কথা। নইলে কালকে সব উলটা পালটা হবে। নির্ঘুম রাত আমি বড়ই ভয় পাই। শুভ রাত্রী।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার কথা, স্মৃতি কথা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
অনেকদিন পরে দেখলাম মনে অয়।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক দিন পরেই দেখলাম। কেমন আছেন ?
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
প্রথমেই কর্মজীবনে প্রবেশের জন্য অভিনন্দন। ব্লগটাকে আপনি যেই নজরে দেখেন, আমার অবস্থাও তথৈবচ।
হবু ভাবিকে সালাম।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ব্লগটাকে আপনি যেই নজরে দেখেন, আমার অবস্থাও তথৈবচ।
হ!!!
মোহাম্মদ আরজু বলেছেন:
আকাশপাড়া জায়গা হিসাবে খুব খতরনাক। মানুষের মাটির শিকড় আলগা কইরা দেয়। এই যেমন প্রকাশ কিংবা যোগাযোগের মাধ্যব হিসাবে ফেসবুক কিংবা ব্লগ সবই চরম অ-মানবীয় মাধ্যম। মাটিই নাই, মানুষ উড়ে আকাশপাড়ায়!
লেখক বলেছেন: ভালই বলছ আরজু। তবে এইগুলা এখন সময়ের দাবী।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
কতদিন পর তোমাকে দেখলাম।
জীবনের যে দিন গুলো এখন হারাচ্ছো.....এগুলোর জন্যও অনেক মন খারাপ হবে একদিন।
জীবনটা অনেক সুন্দর হোক চাওয়ায় পাওয়ায় ভরিয়ে।
ভালো থেকো।
তোমাদের জন্য অনেক শুভকামনা........
মাঝে মাঝে নির্ঘুম রাত না এলে এমন সব লেখা পাবো কি করে?
লেখক বলেছেন: ভাল বলেছ আপু। তোমার কমেন্টও অনেক অনেক দিন পরে পেলাম। অনেক ভাল থাক
সাহসী বলেছেন:
আইসিডিডিআরবি? গুড।সোয়াইন ফ্লু নিয়ে যে পরিস্থিতির তৈরি করেছিল এই প্রতিষ্ঠানটি, সে বিষয়ে কিছু লিখবেন যেন, যদি জানা থাকে এবং সুযোগ পান।
লেখক বলেছেন: তেমন কোন খারাপ পরিস্থিতিতো সৃষ্টি করেছে বলে মনে হয় না। কিই বা লিখব, যা লেখার তা তো সবাই জানে।
লেখক বলেছেন: ভাল না লেগে উপায় কি? তাই ভাল লাগার সংজ্ঞা মনে হয় পরিবর্তন করে নিতে হবে।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
হুমম
লেখক বলেছেন: হুম্ম
অ্যামাটার বলেছেন:
অনেকদিন পর।যাপিত জীবন আরও কঠিন করে তুলেছে অসহনীয় যানযট। ডিজিটাল বলেন আর অ্যানালগই বলেন, কেবলমাত্র রুটিন কাজকর্মের জন্যই ২৪ঘন্টার ভেতর আরও হিসেবের বাইরে কমপক্ষে ৫-৬ঘন্টা অপচয় হচ্ছে।
এই শহরে বাস করার জন্যই মনেহয় যাপিত জীবন অনেকটা বিস্বাদ হয়ে পরছে।
লেখক বলেছেন: শহরটার অবস্থা দুই তিন বছর পরে কেমন হবে ভাবতে কষ্ট হয়। যার যেখানে কাজ সেখানেই থাকতে হবে ভবিষ্যতে। সপ্তাহ শেষে বাসায় আসতে হবে। নইলে উপায় দেখি না।
রিয়াল লাইফে স্বাগতম!
লেখক বলেছেন: লাইফ আপাতত তেজপাতাই। চা বিরতি না থাকলে গুড়া গুড়াই হতে যেত ![]()
মতিউর রহমান সাগর বলেছেন:
নাজিম উদদীন বলেছেন: বোরিং লাইফের বর্ণনা পড়লাম। গবেষণায় এক্সসাইটিং কিছু থাকলে ভাল, না হলে লাইফ তেজপাতা। এতবার চা-বিরতি নিলে গবেষণাই বা যে কেমনে হয়। রিয়াল লাইফে স্বাগতম! [/si
একই কোরাস গাইতে চাই।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: শুরু করে দিন গান। দুলতে দুলতে ![]()
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
অনেকদিন পর তোমাকে ব্লগে দেখলাম। কেমন আছো? আমিও অনিয়মিত! ব্যস্ততায় আগের মত বসা হয়ে উঠে না। তোমার লেখা পড়লাম অনেক দিন পর। জীবন এরকম। এভাবে একদিন শেষ হবে!
ভালো থেকো সবসময়
শুভকামনা
লেখক বলেছেন: হায় হায় সবে তো শুরু এখনই শেষ হবার কথা। যদিও এটাই সত্য। ব্যস্ততাতেই ভাল থাকা হয়। তুমিও ভাল থাক সবসময়।
জেরী বলেছেন:
ব্যস্ততায়ভরা দিন কাটাচ্ছেন
লেখক বলেছেন: জ্বী
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
ভালো লাগল দিনলিপি। আসলে পুরানো সবাই বিভিন্ন দিকে চলে গেছে, সবাই এক হলে অনেক জমতো।
লেখক বলেছেন: মনে হচ্ছে বিভিন্ন দিকে সবাই অনেকদূর এগিয়ে গেছে। আর হবে না ফেরা সেই দিনগুলির মত।
অপ্সরা বলেছেন:
বাহ !! ভালোই তো আছো বন্ধু!! সব সময় মানুষ আসলে যেভাবেই থাকুক ভালোই থাকে। অনেক অনেক ভালো থাকো সবসময়।
লেখক বলেছেন: হ্যা ঠিক বলেছ, ভালোতো থাকতেই হয়। তাছাড়া উপায় নাই।
মানুষ বলেছেন:
এইতো আছি। এতো সহজে মরবো না।
লেখক বলেছেন: সার্ভাইভাল অফ দ্যা ফিটেস্ট ![]()
নিহন বলেছেন:
সালাম দাদা //
লেখক বলেছেন: ওয়ালাইকুম। কেমন আছ?
আমি ভাল আছি বলেছেন:
কনফিউজড আমিও।
মুনিয়া বলেছেন:
হুমম...চেনা ব্লগার... চেনা মানুষ... চেনা পথঘাট... চেনা জায়গা... মানুষ ঘুরেফিরে কেন যেন আগে ঘুরে যাওয়া পথে আবার হাঁটতে চায়!
আর সেই প্রশ্নই করি-
কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: জীবন চক্রে এই চক্র এড়ানো যায় না।
প্রশ্নের গতানুগতিক উত্তর, ভালই আছি।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
জেনে রেখো ভালো দিন গুলো চলেই যায়.......
ভালো লাগলো তোমার লেখায় তোমার যাপিত জীবন......।
জীবন আরো কত বদলে যাবে দেখো আগামীতে......
খুব ছোট্ট এই জীবনটা লিপু।
মায়ের সাথে কাল ফোনে কথা হচ্ছিল। মা বললেন,"চোখের সামনে জীবনটা চলে গেলো।"
কি সত্যি কথা !
হাত বাড়ালেই মনে হয় ছুঁতে পাবো।
অবাক লাগে......কত বছর দেশটাকে ফেলে আছি!
চোখ ভেসে যায় লিপু।
এক একটা দিন বড় কষ্ট হয়!
ভালো থেকো।
অনেক।
লেখক বলেছেন: জীবনটা আসলেই খুব খুব ছোট্ট আপু। যত ইচ্ছা যত শখ তা এক জীবনে মিটবার নয়। চাওয়ার তালিকা ছোট্ট করা খুব কঠিন। কষ্ট হয়।
অণুজীব বলেছেন:
ভাই দেখি আমাদের ডিপার্টমেন্ট এর
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














