somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... যেভাবে বেড়ে উঠি
না, এই কথা শুনে ভাবার কারণ নাই যে পরিবেশ খারাপ মানে পরিবেশ নোংরা! আমরা যারা ঢাকার বাইরে শৈশব-কৈশর পার করেছি তারা এই ব্যাপারটা ভালো বুঝতে পারি!! আমি ছোটবেলায় প্রতিদিন খেলেছি আমার নানিবাড়ীর ধানের খোলায়, আজকের ঢাকা শহরের বাচ্চারা আমার মনে হয় ধানের খোলা কি এই ব্যাপারটাই জানে না!! আমার মনে পড়ে না যে জীবনে কোনদিন ব্যাগ ভর্তি বই-খাতা নিয়ে স্কুলে গেছি! আর এখনকার ২য় বা ৩য় শ্রেণীতে পড়া বাচ্চা যে পরিমাণ বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যায় দেখলে অবাক লাগে!! এরা এদের জীবনের শুরুতেই পরিচিত হচ্ছে “চাপ” নামক এক ভয়ানক জিনিসের সাথে যা তাদের বাকি জীবন বয়ে বেড়াতে হবে! তারা নিজেরাও জানে না কি ভয়ংকরভাবেই না তাদের শৈশব-কৈশরের সরলতাগুলো হারিয়ে যাচ্ছে এই বই-খাতার স্তুপের মধ্যে!!! <img src=" style="border:0;" />

আমার এই লেখার উদ্দেশ্য কোনভাবেই মহৎ কিছু নয়, কোনভাবেই এটি কাউকে খোচা দেয়া বা উদ্দেশ্যপ্রণিত নয়। এইটা পুরোপুরিই আমার নিজের কথা! তবে এই কথাগুলো পড়ে যদি কেউ একটুও বোঝে যে আসলেই আমরা না জেনে অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলছি আমাদের নতুন প্রজন্মের, তাহলেই সান্তনা!! আসলে আমার এই বাচ্চাগুলাকে দেখলে ইদানিং খুব মন খারাপ হয়!! এরা মনে হয় জীবনে কোনদিন মাঠে গিয়ে ক্রিকেট বা ফুটবল খেলতে পারবে না, এরা হয়তো কোনদিনই আম গাছ থেকে আম চুরি করে খেতে পারার আনন্দটাও পাবে না!! এদের জীবন কেটে যাবে কম্পিউটারে বসে ফিফা/ক্রিকেট খেলতে খেলতে, বন্ধুর স্কুল ব্যাগ থেকে ক্যাডবেরি চুরি করে খাওয়ার আনন্দই সম্বল হবে এদের!!

সেদিন এক বাচ্চাকে দেখলাম, ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে। সে তার মা’কে বলতেছে, মাম্মি তুমিতো জানো আমি ব্যানানা(Banana) খেতে পছন্দ করি না, দ্যান(then) কেনো বারবার পোক(poke) করছো!!! পোক শব্দটা বলতেই মনে পড়লো ফেসবুকের কথা! ফেসবুকের কল্যাণে এখন সারা দুনিয়া জুড়ে আমাদের ফ্রেন্ড(বন্ধু না বলে ফ্রেন্ড বলায় মনে হয় ভালো!!)। আমরা এখন ইচ্ছা করলেই একজন আরেকজনকে গুতা(পোক’এর খাস বাংলাতো গুতা টাইপেরই কিছু হওয়ার কথা!!) মারতে পারি, সে আমাদের খুব কাছের কেউ হউক আর না হউক। এখন ৭/৮ বছরের অনেকেও বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহার করে। কেউ কেউ এখন ফেসবুকে হিন্দীতে ষ্ট্যাটাস দেয়, সালমান-শাহরুখ’কে নিয়ে তাদের ভালবাসা ভার্চুয়ালি জানিয়ে দেয় পৃথিবীকে!! এদের আমরা বলি “ইচড়ে-পাকা”!!

এই শ্রেণীর অন্তর্গত শিশু(বয়স বিবেচনায়)-কিশোরদের বড় অংশ(সিংহভাগই বলা যায়) ঢাকার ছেলে-মেয়ে!! আচ্ছা আমরা যে এই জেনারেশনকে দোষ দেয় ঢালাওভাবে যে এরা বেয়াদব হয়ে বড় হচ্ছে, এরা দেশের কৃষ্টি-কালচার ভুলে গেছে, অপসংস্কৃতিতে গা ভাসাচ্ছে এটার জন্য কি আমরা, আমাদের শহুরে শ্রেণীই সবচেয়ে বেশি দায়ী না!!!

আজ আমরা নতুন প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের কাছ থেকে বড়দের সম্মান করার প্রবণতা আশা করি কিন্তু যারা এইগুলা আশা করে তাদের কয়জনের বাবা-মা’কে(সন্তানের নানা-নানি,দাদা-দাদি) তাদের সন্তানের সান্নিধ্য আসার সুযোগ দেয়া হয়েছে!!! আমাদের ঢাকা শহরের এখন কয়টা পরিবারে নানা-নানি, দাদা-দাদি থাকেন স্থায়ীভাবে!! একটা বাচ্চা নানা-নানি বা দাদা-দাদির কাছে থাকলে মূল্যবোধের যে শিক্ষাটা পায় তা অনেক সময় হয়তো বাবা-মার পক্ষেও দেয়া সম্ভব হয় না আর এখনতো অধিকাংশ পরিবারেই মা’ও চাকরি করে তাহলে কিভাবে বাসার পরিচারিকার কাছে রেখে যাওয়া সন্তানের কাছ থেকে আদব-কায়দা আশা করে!! আদব-কায়দাতো মানুষ পরিবেশ থেকে পাই, যে বাচ্চাটার পুরা পরিবেশ হলো ছয়’তলা দালানের কোন এক ফ্লোরের এক অংশের চার দেয়াল, সে কিভাবে এর চেয়ে বেশি পরিবেশ চিনবে, কিভাবে পরিবেশ থেকে শিক্ষা নিবে!! এদের কাছ থেকে আমরা “শিলা কি জাওয়ানি” বা “ইউ ফাইন্ড মি ইন দা ক্লাব!” ছাড়া আর কি আশা করতে পারি!!

আমাদের শহর কি পেরেছে এই বাচ্চাগুলোকে বিকেল খেলার মাঠ দিতে, আমরা কি এমন কিছু অনুষ্ঠান তৈরী করতে পেরেছি যেগুলো আসলেই এই বস্তাপচা হিন্দী সিরিয়ালগুলোর সাথে পাল্লা দিতে পারবে, আমাদের চলচিত্র শিল্পকে আমরা এখনো এমন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারিনি যেখানে একজন শাহরুখ খান বা সালমান খানের মতো ষ্টার তৈরী হবে!! আমাদের কিশোরদেরতো এখন ফেসবুক ছাড়া সময় কাটানোর মতো তেমন কোনো উপকরণ নাই যেগুলা ফেসবুকের রিপ্লেসমেন্ট হবে!! তাহলে আমাদের বাচ্চারা এই গ্লোবালাইজেশনের যুগে এইভাবেই গ্লোবালাইজড হবে এইটাই স্বাভাবিক!! আজ আমরা যদি এই জিনিসগুলোর বিকল্প তৈরী করে দিতে পারতাম এবং তারপরেও আমাদের ছেলে-মেয়েরা এই অপসংস্কৃতিগুলোকে গ্রহন করতো তাহলে আমরা বলতে পারতাম যে এরা আসলেই ইচড়ে পাকা হইছে, আসলেই বেয়াদব হইছে!!! আমরাতো পারিনাই, আর পারিনাই বলেই এই আগ্রাসন সহ্য করতে হবে, উপায় নাই!! বাংলালিংক’তো কয়েক বছর আগেই আমাদের সেই নির্মম সত্যটা বলে দিয়েছে: “দিন বদলাইছে না! সেই দিন কি আর আছে!!!” না নাই, আসলেই আর নাই; কথাটা শুনতে খুব খারাপ লাগলেও এইটাই সত্যি, খুব নির্মম সত্য!!

আমাদের শিক্ষিত বাবা-মা’রা না জেনেই তাদের সন্তানদের শৈশব-কৈশবকে নষ্ট করে দিচ্ছেন। বেশি ভালো করতে যেয়ে, বেশি ভালো রাখতে যেয়ে আমরা আমাদের সন্তানদের যে ক্ষতি করছি, তার ফল এরা সারা জীবন বয়ে বেড়াবে, যে বইয়ের বোঝা ওদের কাধে চাপছে ৪/৫ বছর বয়স থেকে, সেই বোঝা বাকি জীবন তারা বহন করবে!! একটা সুন্দর শৈশব-কৈশরের হাহাকার এদের সারাজীবনই থাকবে, থাকতেই হবে!! বৃষ্টি ভেজা মাঠে ফুটবল খেলার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হওয়ার দুঃখ এদের সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে!! গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে যাওয়ার জন্য বাসে-ট্রেনে কষ্ট করে যাওয়ার আনন্দও এরা পাবে না কোনদিন!!! <img src=" style="border:0;" />

এই লেখাটি যখন লিখতে বসেছিলাম তখন মনে হয় নাই এতো কিছু লিখবো!! আসলে মনটা খুবই খারাপ হইছে একটা ঘটনায়!! কাল সন্ধ্যায় বাসায় আসার পথে প্রাইভেট কারের জানালা দিয়ে ছোট্ট একটা বাচ্চা আমাকে হাত নেড়ে দেখালো, প্রত্যুত্তরে আমিও হাত দেখালাম! বাচ্চাটার মা সাথে সাথে গাড়ির জানালাটা বন্ধ করে দিলো!! খালি বাচ্চার পাশের জানালাটা না, ড্রাইভারের জানালাও বন্ধ করা হলো!! এইটা এক ধরনের অপমান হলেও আমার কাছে সেটা খুব বেশি লাগে নাই। আপনার গাড়ি আছে, আপনি জানালা ইচ্ছামতো খুলবেন, ইচ্ছামতো লাগাবেন, আমার কি!! কিন্তু এইভাবে আমরা যে আমাদের বাচ্চাদের শৈশব-কৈশরের সহজাত উচ্ছলতাগুলো নিজের হাতে নষ্ট করে দিচ্ছি, তা কি আপনারা জানেন!!

এদের শৈশব-কৈশরের সাবলীলতা হয়তো এই যান্ত্রিক শহরে আর সম্ভব না কিন্তু এই বাচ্চাগুলোকে দয়া করে একটু স্বাভাবিক হয়ে বাচতে দিন!! ওদের একটু স্বাভাবিক হতে দেন, বেশি ভালো করতে যেয়ে শেষ পর্যন্ত যা হবে তাহলো বাচ্চাটা মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে বড় হবে!! <img src=" style="border:0;" />

জগতের সকল প্রাণি সুখী হউক <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29359208 http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29359208 2011-04-08 14:20:41
উবুন্টুতে বিজয় : জনাব মুস্তাফা জব্বার সাহেবের নতুন চুরি <img src="http://cdn1.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /> <img src="http://cdn1.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /> <img src="http://cdn1.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /> <img src="http://cdn1.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /> এ সম্পর্কিত পোস্টটি দেওয়া হয়েছে বিজয়একুশে ডট নেট এ,
উবুন্টুর জন্য বিজয়

আনন্দ কম্পিউটার্স উবুন্টুর জন্য বিজয় বাংলা সফটওয়্যার প্রস্তুত করেছে। এই সফটওয়্যারটি দিয়ে বিজয় কীবোর্ড ব্যবহার করে ইউনিকোড পদ্ধতিতে বাংলা লেখা যায়। তবে উইন্ডোজ এবং ম্যাক ও.এস-এ বিজয় যে পদ্ধতিতে বিজয় কীবোর্ড ব্যবহার করা হয় উবুন্টুতে তার ব্যতিক্রম রয়েছে। উবুন্টুর বিজয়-এ বাংলা লিখতে হলে ,ি ,ে াে, ,ৈ ৗে কার চিহ্নগুলো বর্ণের পরে টাইপ করতে হয়। এছাড়া বিজয় কীবোর্ড একটিভ করার জন্য কন্ট্রোল ভি ব্যবহার করতে হয়।যারা উবুন্টুর জন্য বিজয় ব্যবহার করতে চান তারা মেইলে
(mustafajabbar@gmail.com">mustafajabbar@gmail.com">mustafajabbar@gmail.com">mustafajabbar@gmail.com) যোগাযোগ করুন।
ডাউনলোড করুন
স্বভাবতই ডাউনলোড করলাম। ডাউনলোড করার পরেই হতবাক হওয়ার পালা। দেখলাম ডাউনলোডকৃত আর্কাইভটির ভিতরে দুইটি ওয়ার্ডডকুমেন্ট, কয়েকটি ফন্ট এবং একটি .mim ফাইল ও বিজয়ের লোগো সম্বলিত একটি png চিত্রফাইল।
ইন্সটলেশন ইন্সটলক্রাকশন পড়ে দেখলাম উক্ত ফাইলগুলি দ্বারা Ibus এর মাধ্যমে বিজয় লেখা যাবে।
কিন্তু উল্লেখিত আছে ,
উবুন্টুর বিজয়-এ বাংলা লিখতে হলে ,ি ,ে াে, ,ৈ ৗে কার চিহ্নগুলো বর্ণের পরে টাইপ করতে হয়।
এখানে উল্লেখিত যে,
১) বিজয় লেওয়াউট যেটি জনাব জব্বারের সম্পত্তি সেটিতে উক্ত কার চিহ্ন গুলি বর্ণের আগে টাইপ করতে হয়। কিন্তু উবুন্টু বিজয়ে শব্দ গুলি আগে লিখতে হয়।
২) বিজয় লেওয়াউটে X বাটন দ্বারা যথাক্রমে "ও" এবং " ৗ" লিখিত হয়, কিন্তু উবুন্টুর বিজয় দ্বারা লিখলে X দ্বারা যথাক্রমে "ো" এবং "ৌ" লিখিত হচ্ছে।
এবার আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই ইউনিজয় লেওয়াউটের কথা, যেটি "একুশে" কতৃক প্রবর্তিত "স্বাধীনতা" প্রকল্পের অন্তগত একটি বাংলা লেখার ইউনিকোড ভিত্তিক লেওয়াউট এবং যেটি অনেক আগে থেকেই উইন্ডোজ,লিনাক্স এবং ম্যাকে ব্যবহার করা যায়। প্রায় সকল লিনাক্স ডিসট্রোর সাথেই এটি সংযুক্ত থাকে।
লক্ষ্য করুন,
১) ইউনিজয় লেওয়াউট একটি সম্পুর্ন ইউনিকোড ভিত্তিক লেওয়াউট, তাই এতে উক্ত কার গুলা ইউনিকোড নিয়মে অর্থাৎ শব্দের পরে দিতে হয়।
২) ইউনিজয় লেওয়াউটে X বাটন দ্বারা যথাক্রমে "ো" এবং "ৌ" লিখিত হয়।
এবার আসুন দেখা যাক ইউনিজয় লেওয়াউটটি লিনাক্স / উবুন্টুর সাথে কিভাবে সংযুক্ত হয়।
এটি m17n-db প্রকল্পের অন্তগত একটি লেওয়াউট হিসেবে কাজ করে।
উবুন্টু ইনপুট মেথড ফ্রেমওয়ার্ক (সহজ ভাবে বলতে গেলে "লেখার সফটওয়ার") এই m17n-db'র সকল লেওয়াউট সাপোর্ট করে এবং Ibus এ m17n-db'র লেওয়াউট দ্বারাই "ইউনিজয়" এবং "প্রভাত" এবং "ইন্সক্রিপ্ট" বাংলা লেওয়াউট সহ বিভিন্ন ভাষার শতাধিক লেওয়াউট দ্বারা লেখা যায়।
Ibus এবং m17n-db সম্পর্কে জানতে নিচের লিংকগুলি দেখুন।
Click This Link
Click This Link
এখন আসুন দেখা যাক এই m17n-db তে ইউনিজয় লেওয়াউট টি কিভাবে থাকে। m17n-db তে লেওয়াউট গুলির ফরম্যাট হচ্ছে .mim ফাইল।
উবুন্টুতে ইন্সটলড থাকা ইউনিজয় টি থাকে /usr/share/m17n/bn-unijoy.mim এই ঠিকানাতে।
এছাড়া সরাসরি উবুন্টুর ডেভেলমেন্ট সাইট থেকে ডাউনলোড করুন এখানে।
bn-unijoy.mim ফাইলটির শুরুতেই এর লাইসেন্স সম্পর্কে পরিস্কার করে বলা আছে,
;; bn-unijoy.mim -- Bengali input method simulating Unijoy keyboard.
;; Copyright (C) 2005
;; National Institute of Advanced Industrial Science and Technology (AIST)
;; Registration Number H15PRO112

;; This file is part of the m17n database; a sub-part of the m17n
;; library.

;; The m17n library is free software; you can redistribute it and/or
;; modify it under the terms of the GNU Lesser General Public License
;; as published by the Free Software Foundation; either version 2.1 of
;; the License, or (at your option) any later version.

;; The m17n library is distributed in the hope that it will be useful,
;; but WITHOUT ANY WARRANTY; without even the implied warranty of
;; MERCHANTABILITY or FITNESS FOR A PARTICULAR PURPOSE. See the GNU
;; Lesser General Public License for more details.

;; You should have received a copy of the GNU Lesser General Public
;; License along with the m17n library; if not, write to the Free
;; Software Foundation, Inc., 51 Franklin Street, Fifth Floor,
;; Boston, MA 02110-1301, USA.

(input-method bn unijoy)

(description "Bengali input method simulating Unijoy keyboard layout.

")
এটি m17n'র অন্তগত যা এলজিপিএল পাবলিক লাইসেন্সের অধিনে বিনামূল্যে ব্যবহার ও বিতরনের যোগ্য।
এই লাইব্রেরিটিতে এলজিপিএল ২.১ ব্যাবহার করা হয়েছে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এর পরবর্তী সংস্করন ব্যাবহার করতে বলা হয়েছে। এলজিপিএল ২.১ লাইসেন্স ঘাটলে দেখা যায় এখানে পরিস্কার বলা আছে এই লাইসেন্স এর অন্তর্গত যে কোন কোড বা সফটওয়্যার যে কেউ বিনামুল্যে ব্যবহার, সরবরাহ ও বিতরন করতে পারবে। কিন্তু সকল ক্ষেত্রেই মূল ডকুমেন্ট অক্ষত রাখতে হবে।
যদি কেউ এই লাইসেন্স এর অওতায় থাকা কোন ডকুমেন্ট (কোড বা সফটওয়্যার) সম্পাদনা বা পরিবর্তন করতে চান তাহলে তাকে কিছু শর্ত মানতে হবে, এগুলো হল,
১। মডিফাইড কাজটিও একটি সফটওয়্যার লাইব্রেরি হতে হবে।
২। মডিফাইড ফাইলে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে মূল ফাইলের কোন কোন যায়গায় পরিবর্তন করা হয়েছে এবং কোন তারিখে পরিবর্তন করা হয়েছে।
৩। মডিফাইড কাজের পুরোটাতেই কোন তৃতীয় পক্ষকে লাইসেন্স এর অধিকার দেয়া যাবে না।
৪। মডিফাইড প্রোগ্রামে যদি একই লাইসেন্স এর আওতায় থাকা অন্য কোন লাইব্রেরি ব্যাবহার করা হয় তবে তার লাইসেন্স উল্লেখ করতে হবে, এং নৈতিকভাবে এই নিশ্চয়তা দিতে হবে যে ব্যাবহৃত লাইব্রেরি শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই ব্যাবহার করা হচ্ছে, এবং মূল লাইব্রেরি অক্ষত রাখা হচ্ছে।
এই শর্তগুলো মেনে মডিফাইড কাজটিও একই লাইসেন্স এর আওতায় প্রকাশিত হতে হবে। মডিফাইড কাজে যদি সম্পুর্ন নতুন কিছু থেকে থাকে যা পূর্বের লাইব্রেরিতে নাই, সেটাকে এই লাইসেন্স এর বাইরে রখা যেতা পারে, তবে সেটি শুধুমাত্র স্বাধীনভাবে ঐ নির্দিষ্ট অংশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এই লাইসেন্স এ প্রকাশিত কাজের সাথে ব্যবহার করতে হলে সম্পুর্ন কাজটিই একই লাইসেন্স এ প্রকাশিত হতে হবে।
মূল লাইসেন্স পাওয়া যাবে এখানে
এই লাইসেন্স এ বলা আছে bn-unijoy.mim -- Bengali input method simulating Unijoy keyboard কাজটি National Institute of Advanced Industrial Science and Technology (AIST) কর্তৃক লাইসেন্সকৃত। যার রেজিস্ট্রেশন নাম্বার H15PRO112।
এবং বলা আছে এই ফাইলটি m17n database library এর একটি অংশ। m17n একটি ফ্রি সফটওয়্যার হলেও এটি এলজিপিএল ২.১ লাইসেন্স এর আওতায় প্রকাশিত এবং এটি ব্যবহার,বিতরন, পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এই লাইসেন্স এর নীতিমালা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
এবার দেখা যাক জনাব জব্বারের প্রবর্তিত উবুন্টু বিজয় bn-bijoy.mim এ,
;; bn-bijoy.mim -- Bengali input method simulating Bijoy keyboard.


(input-method bn bijoy)

(description "Bengali input method simulating Bijoy keyboard layout.")

(title "বিজয়")
এখানে দেখুন ইউনিজয়ে থাকা জিপিএল লাইসেন্সের সম্পুর্ন চিহ্নই গায়েব করে ইউনিজয়ের জায়গায় বিজয় নামটি লিখে দেওয়া হয়েছে।
এরপর দেখা যাক ফাইলটির ভিতরে কী ম্যাপিং এর কি অবস্থা,
diff এবং Kompare সফটওয়ার দুটি দিয়ে স্ক্যান করে পাওয়া যাচ্ছে,
- ("\\" "ৎ") ;; BENGALI SIGN KHANDATA < bn-bijoy.mim - 34
+ ("|" "ৎ") ;; BENGALI SIGN KHANDATA < bn-unijoy.mim - 56
- ("|" "ঃ") ;; BENGALI SIGN VISARGA < bn-bijoy.mim - 69
+ ("\\" "ঃ") ;; BENGALI SIGN VISARGA < bn-unijoy.mim - 91
অর্থাৎ "খন্ডত-ৎ" এর জায়গায় "বিসর্ঘ-ঃ" এই একটি বর্ণ শুধু পরিবর্তন করা হয়েছে।
এ থেকে উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটিই প্রতিয়মান হয় যে উবুন্টুর ইউনিজয় কে কপি করে একটি বর্ণ পরিবর্তন করে এবং বিজয় নাম দিয়ে লাইসেন্স পরিবর্তন করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন এটি যে ইউনিজয়ের চুরি করা কপি সেটার প্রমান কী?
তার উত্তরে আলোচনার সারসংক্ষেপ,
১) উপরোক্ত কার গুলি বর্ণের আগে লিখতে হয় বিজয়ে, ইউনিজয়ে বর্ণর পরে লিখতে হয়, কিন্তু ইউনিজয় চুরি করে বিজয় বানানোর কারনে উক্ত কারগুলি তথাকতিথ উবুন্টু বিজয়ে বর্ণের পরে লিখতে হয়।
২) যদি জনাব জব্বার ইউনিজয় থেকে চুরি না করে নিজে যদি তৈরী করতেন তাহলে শুধু মাত্র একটা বর্ণ ছাড়া সম্পুর্ন লেওয়াউট mim ফাইল হুবোহু এক হত কিভাবে ?
যদি শুধু দেখতে একই রকম হত তাহলে নাহয় একটা কথা থাকত, কিন্তু সফটওয়ার দিয়ে স্ক্যান করেও পার্থক্য পাওয়া গেল মাত্র একটি বর্ণ।
এই লেওয়াউটের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে বিজয়ের নয় বরং ইউনিজয়ের বৈশিষ্ট্যগুলি দেখা যাচ্ছে। (X কী, কার পরে ....)
প্রশ্নঃ জনাব জব্বার ইউনিজয় থেকে বিজয় বানাক তাতে আপনার কি ?
উত্তরঃ ইউনিজয় তথা m17n-db সহ সম্পুর্ন লিনাক্স / উবুন্টু ফ্রি এবং ওপেন সোর্স। এখানে কারো তৈরী কোনকিছু ব্যবহার করার আগে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার পুর্বক অনুমতি নিতে হবে এবং তৈরীকৃত প্রডাক্টে মূল স্রষ্টার নাম উল্লেখ করতে হবে। কিন্তু জনাব জব্বার তা করেন নি এবং এলজিপিএল লাইসেন্সের একটি প্রডাক্টকে নিজে নামে প্রপারেটরি ভাবে ছেড়ে দিয়েছেন। লিনাক্স এবং ওপেনসোর্স একজন একনিষ্ঠ সেবক হিসাবে এটি আমি কিছুতেই হতে দিতে পারি না।
জনাব জব্বার এলজিপিএল লাইসেন্স ভংগ করেছেন এবং এর ফলে তিনি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
আশা করছি এবিষয়ে m17n-db কতৃপক্ষ যথাযথ ভাবে আন্তজাতিক ভাবে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
পরিশিষ্ঠঃ
কিছুদিন আগে আমি ইউনিকোড র এ য-ফলা লিখা নিয়ে গবেষনা করেছিলাম। ফলে m17n-db , ibus , scim ইত্যাদি লেওয়াউট এন্জিন ও ইনপুট মেথড ফ্রেমওয়ার্ক সম্পর্কে আমার ভালো ধারনা আছে। আমি আমার গবেষনার কার্যপ্রনালী ও ফলাফল সহ সবকিছু বাংলা ফোরাম সমুহে উন্মুক্ত ভাবে প্রকাশ করেছিলাম এই উদ্দেশ্যে যে হয়ত এগুলো দ্বারা ধারনা পেয়ে আরো অনেকে বাংলা ভাষা লিখনের উন্নতি করবে, কিন্তু আজকে অত্যন্ত দুঃখ , ক্ষোভ , লজ্জার সংগে প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে একটি m17n-db লেওয়াউট চুরি করার মত লজ্জাজনক ঘটনা কে। ধিক বাঙালি, ধিক আমাদের। নিজের স্বার্থে যে মায়ের ভাষার জন্য বরকত,সালাম ... শহীদ হয়েছিলেন সেই ভাষা কে ব্যবসার জন্য নির্লজ্জ ভাবে চুরি করে কাচামালে পরিনত করতে ভাষা ব্যবসায়ীদের একটুও বিবেকে বাধল না!
উপরোক্ত পোস্টটি মূল লৈখকের নাম উল্লেখপুর্বক সকল জায়গায় শেয়ার করতে অনুরোধ করছি। এছাড়া বিনীত অনুরোধ করছি সাময়িক উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে জনাব জব্বারের নাম বিকৃতকরন ও গালাগালি না করতে। এতে জব্বার সাহেবের কোন ক্ষতি তো হয়ই না বরং নিজের ক্ষতি হয়।
মূল লেখাটি এখান থেকে পাওয়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29278927 http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29278927 2010-11-27 15:45:45
আমাদের সালমান খান " style="border:0;" /> । এই লেখাটা যাকে নিয়ে লেখা তার নাম আমি শুনছি ২/৩দিন আগে Google এর একটা লিঙ্ক থেকে। তো আজ বলিউডের সালমান ভাইয়ের “দাবাং” মুভিটা দেখার পরে আমাদের সেই সালমান ভাইয়ের কথা মনে পড়ে গেলো এবং সেই লিঙ্কে গেলাম ব্যাপক আগ্রহ নিয়ে এবং যা দেখলাম তাতে মোটামুটি আমি থ হয়ে গেলাম <img src=" style="border:0;" />।
কি দেইখা থ হইলাম সেটা পরে বলি আগে এই নায়ক সালমান খানের কথা কিছু বইলা নেয়। এই ভদ্রলোকের জন্ম আমেরিকার লুসিয়ানা অঙ্গরাজ়্যের নিউ অরলিনসে। উনি লেখাপড়া করেছেন পৃথিবীর সেরা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এমআইটি(MIT)’তে।তার স্নাতকের বিষয় ছিলো তিনটি(আমেরিকাতে একই সাথে একাধিক বিষয়ের উপর স্নাতক করা যায়)-গণিত,ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কম্পিউটার সায়েন্সে;স্নাতোকোত্তরের বিষয় ছিলো ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কম্পিউটার সায়েন্স এবং তার একটি এমবিএ ডিগ্রী আছে এবং সেটি হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে সম্পন্ন করা। এইটুকু পড়ে যদি মনে করেন যে আমি এই ব্যাটার লেখাপড়ার ইতিহাস নিয়া সামনে বিশাল কাহিনী শুরু করতে যাচ্ছি তাইলে আপনার লাইগা একখান খুশির খবর আছে,সেইটা হইলো উনার লেহাপড়ার কাহিনী এইখানেই শেষ,এরপর আর বেশি(!!!!) পড়েন নাই তিনি <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> ।
তো লেখাপড়া শেষ কইরা এই ভদ্রলোক যথারীরতি বড় চাকরি করতে গেলেন। সেই সময় তার এক খালাতো বোনের অঙ্ক নিয়ে কিছু সমস্যা হচ্ছিলো তাই তার খালা তাকে অনুরোধ করলেন অঙ্ক দেখিয়ে দেবার জন্য। এই পর্যন্ত পইড়া যদি কাহিনী বুইজা ফেলান তাইলে বাকিটুকু কষ্ট কইরা পড়েন কারণ কাহিনী আরো জটিল হইবো সামনে।
আমেরিকার সালমান ভাইজান যে প্রদেশে থাকতেন তার বোন সেই প্রদেশে থাকতেন না তাই ইন্টারনেটের মাধ্যমে তিনি Yahooএর Doodle Notepadএর সাহয্যে বোনকে পড়ানো শুরু করলেন এবং তার গাধা টাইপের বোন তার কাছে পড়ে পরীক্ষায় ফাটাই ফেললো(নাটক সিনেমার কাহিনীতে যেমন হয় আর কি,শালার নিজের কপালেই কিছু জুটলো না খালি <img src=(" style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" /> )।
এই ঘটনার পরে আমরা হইলে যা করতাম সেটা হইলো মাইয়ার মন পাওয়ার টেরাই করতাম এবং পাইয়াও যাইতাম যেহেতু মাইয়া আমাগো হেল্প নিয়াই কোপাইছে পরীক্ষাতে। তো আমাগো সালমান ভাই সেই লাইনে গেলেন না,উনি চিন্তা করলেন যে এইভাবে যদি তার ছোট ছোট মাস্টারিগুলারে অনলাইনে দিয়ে দেয়া যাই তাইলে হয়তো আরো অনেকেরই উপকার হবে। এই চিন্তা থেকে তিনি নিজেই কিছু খুব ছোট ছোট ভিডিও বানায়ে ইউটিউবে আপলোড করলেন। কাহিনি হইলো কিছুদিন পর থেকে। আশ্চর্যজনকভাবে দেখা গেলো যে,ভিডিওগুলাতে হিটের সংখ্যা অনেক অনেক বেশি এবং এর একটা বড় অংশ হলো আমেরিকার স্কুলপড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী আর সারা পৃথিবী থেকে তো আছেই। এই ঘটনা দেইখা নায়ক সাহেব একটা দুঃসাহসী সিদ্ধান্ত নিয়া ফেললেন,সেটা হলো তিনি তার চাকরি ছেড়ে দিলেন এবং ফুল টাইম কাজ করা শুরু করলেন এইসব ছোট ছোট ভিডিও নির্মাণের।
এইবার কিছু কাহিনী বলি ভিডিওগুলার। ভিডিওগুলা তেমন আহামরি কিছু না,একজন মানুষ একটা জিনিস নিয়ে কথা বলছেন এবং স্ক্রিনে একটা বোর্ডের মতো আছে সেখানে দরকার হলে প্রয়োজনীয় আকিবুকি করা হচ্ছে। যে এই জিনিসগুলা নিয়ে কথা বলছেন তাকে স্ক্রিনে কখনো দেখা যায়না খালি তার কন্ঠ শোনা যায়। এখন কথা হইলো যে এই অতি সাধারণ ভিডিওগুলার তাইলে বিশেষত্ব কি!!! বিশেষত্ব হইলো যে এই জিনিসগুলা হইতো আপনার আমার মতো বয়সের মানুষের জন্য তেমন দরকারি না কিন্তু যে ছেলে/মেয়েটি জীবনে প্রথম ক্যালকুলাস করতেছে এখন সে যদি একটা ভিডিও দেখেই বুঝতে পারে যে আসলে d/dx(ln x) = 1/x(আমি জানি আপনি হয়তো বলবেন এইগুলাতো বইয়েও করে দেয়া থাকে!!আসলে বইয়েতো করে দেয়া থাকে,কেউতো বুঝায় দেয়না <img src=" style="border:0;" />) কেমনে আসলো অথবা L’Hopital Rules দিয়ে কেমনে অনেক জটিল জটিল লিমিটের অঙ্ক পানির মতো করে ফেলা যায় খালি উপর নিচে ডিফারেন্সিয়েসন করে তাহলে ব্যাপারটা কেমন হবে ভাবুনতো একবার। এইটা কি অনেকটা ছোটবেলার সেই রঙ্গিন বই দেখে অ আ ক খ অথবা A B C D শেখার মতো না যেখানে আমরা আসলে পড়তে শিখছি ছবিগুলা দেখে!! আর এইখানেই হলো কেরামতি!!! মনে করেন,আপনি এখন পড়েন ক্লাস ৭’এ কিন্তু আপনে চান যে আস্তে আস্তে Linear Algebra অথবা Physics এর বড় ব্যাপারগুলা আপনাকে কেউ বুঝায় দিক(বিদেশে এমন ঘটনা অনেক হয় যেখানে একজন ছাত্র অনেক সময় ১০/১২ বছর বয়সেই বুঝে যায় যে আসলে তার কোন বিষয়ে লেখাপড়া করা উচিত,আমাদের দেশের মতো সবাই ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাইনা ওইখানে) কিন্তু এমন কাউকে আপনি খুজে পাচ্ছেন না তখন কিছু এই জিনিসটা আপনাকে একজন সত্যিকারের গাইডের মতোই হেল্প করবে। আর ভিডিওগুলার আরেকটা মজার ব্যাপার হলো এইগুলা খুব ছোট সাইজের তাই আপনার কখনোই পড়তে বোরিং লাগবে না আর যেহেতু যিনি কথা বলছেন ভিডিওতে,তার কথা বলার স্টাইল অনেকটা পাড়ার ভাই অথবা পাশের বাসার বড় ভাইয়ের মতো তাই মানুষটাকে খুব বড়ো অথবা ভয়ের কিছু মনে হচ্ছে না তাই শেখাটাও হয় অনেক আরামে। আর একটা বড়ো সুবিধা হলো এই ভিডিওগুলা ফ্রী ডাউনলোড করা যায় তাই যে কেউ ভিডিওগুলা ডাউনলোড করে প্রয়োজনমতো দেখতে পারবেন যে কোন সময়।
এই ভিডিওগুলার ব্যাপক জনপ্রিয়তার জন্য এখন সালমান ভাই এখন নিজেই একটা সাইট খুলে সেখানে ভিডিও আপলোড করে যাচ্ছেন এবং এখন পর্যন্ত তার সাইটে প্রায় ১৯০০ ভিডিও আছে গণিত,বিজ্ঞান,সমাজবিজ্ঞান এবং বিভিন্ন পরীক্ষার প্রিপারেশনের নানা বিষয়ের উপর। এই সাইটের নাম খান একাডেমী । এই সাইটটি মাইক্রোসফটের এডুকেশন এওয়ার্ড পেয়েছে বেশ আগেই। সবচেয়ে বড়ো ব্যাপার হলো গুগল ২০০৮ সালে প্রোজেক্ট চালু করে ১০ টুদিপাওয়ার ১০০ নামে যেটিতে বদলে দিতে পারে এমন আইডিয়া চাওয়া হয় । সেখানে প্রায় ১৫,০০০ আইডিয়া জমা পড়ে সারা পৃথিবী থেকে। সেখান থেকে যাচাই বাছাই করে ১৬ টি পরিকল্পনা ঠিক করা হয়, সেখান থেকে ভোটাভুটির মাধ্যমে ৫ টি ভিন্ন ভিন্ন খাতের আইডিয়াকে গুগলের পক্ষ থেকে ২ মিলিয়ন ডলার করে দেয়া হয়। শিক্ষা খাতে পৃথিবীর সেরা প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হয় এই খান একাডেমী। খান একাডেমী কিভাবে এই অর্থ ব্যায় করবে তারও একটা আইডিয়া দিয়ে দেয়া হয় গুগল থেকে,সেটি হলো এই অর্থ দেয়া হবে আরো অনেক বেশী ভিডিও আরো বেশী ভাষায় যেন অনুবাদ করা যায় সেই জন্য। মজার ব্যাপার আছে আরো একটা,সেটা হলো বিল গেটস এই সাইটের ফ্যান হিসাবে নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিতে গর্ববোধ করেন <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />। আর সালমান খান এখন আমেরিকার অন্যতম সেরা সেলেব্রেটি শিক্ষকের মর্যাদা পেয়েছেন <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> ।
এই প্রকল্প যখন থেকে তুঙ্গস্পর্সী জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে তখন অনেকেই এটিকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহারের কথা বলেছিলেন এবং অনেক বড় বড় প্রস্তাবও সালমান খানকে দেয়া হয়েছিলো যেগুলোর যে কোন একটা গ্রহণ করলেই তিনি আজ বিলিয়নার হতে পারতেন কিন্তু তিনি সেগুলোর কোনোটাই গ্রহণ করেননি বরং এই মহান শিক্ষক ভিডিওগুলোকে “ওপেন সোর্স লাইসেন্সের” আওতায় সাইটে ছেড়েছেন তাই এটি একেবারে বিনামূল্যে দেখা এবং ডাউনলোড করা যায়।
সবচেয়ে বড়ো কাহিনী এখনো শেষ হয়নাই। সেটা হলো এই ভদ্রলোকের ব্যাপারে একটু খোজ-খবর নিতে গেছিলাম। ভদ্রলোকের নাম শুনে অবশ্য আগেই পাকিস্তানি মনে হয়েছিলো তো উইকিতে খোজ নিয়ে যেয়ে যা দেখলাম তাতে মাথা তো পুরাই আওলায় গেলো আমার। এই নায়ক ভাইয়ের জন্ম যদিও আমেরিকায়,নায়ক বাবাজীর আসল বাড়ি বাংলাদেশের বরিশালে,এইটা দেইখা সত্যিই চোখে পানি চলে আসছিলো। আরো একবার মনে হলো যে এতো সমস্যা থাকা সত্যেও বাংলাদেশের এমন কিছু মানুষ এখনো আছেন যারা আমাদের জন্য সত্যিই মাঝে মাঝে অনেক অনেক বড় আনন্দের এবং গর্বের উপলক্ষ এনে দেন।
ভিডিওগুলো এখন বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করা শুরু হয়েছে,যদি বাংলায় অনুবাদ করা যেতো তাহলে আমার মনে হয় সাম্প্রতিককালে বিজ্ঞান পড়ার প্রতি নতুন শিক্ষার্থীদের যে অনাগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে তা কিছুটা হলেও হইতো কমতো।
জয়তু সালমান ভাই। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29247036 http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29247036 2010-09-29 14:56:18
আমার খুবি তাড়াতাড়ি একটা এভারেস্ট জয়ের সার্টিফিকেট দরকার,কেউ কি সাহায্য করতে পারেন!!! <img src="http://cdn1.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> <img src="http://cdn1.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> <img src="http://cdn1.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> <img src="http://cdn1.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> http://www.sachalayatan.com/himu/33405
http://www.sachalayatan.com/himu/34263
লেখকের লেখা এবং উপাত্তগুলো দেখলেই বোঝা যাই যে এই লেখাটা মুসা ইব্রাহীমকে ফাসানো/মিথ্যা অপপ্রচার টাইপের কিছু না। লেখকের দেয়া লিঙ্কগুলো তার কথার যথার্থতা প্রমাণ করেছে।
কিন্তু আসল কথা সেটা না।এইটা যদি সত্যি হয় তাহলে কি জাতি হিসাবে আমাদের নীচতাকেই আমরা আরো একবার প্রমাণ করলাম না!!! <img src=(" style="border:0;" />
কিন্তু এইটা যদি সত্যি হয় তাহলে পুরা জাতিকে অপমান করার জন্য বাংলাদেশের মানুষের উচিত মুসা ইব্রাহীম এবং “প্রথম আলো”র **** দিয়ে একটা এভারেস্ট ঢুকায় দেয়া <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29224167 http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29224167 2010-08-16 21:26:08
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে খোলা চিঠি আপনাকে খোলা চিঠি,বন্ধ চিঠি কোনোটাই লিখতে চাই নাই,লিখতে বাধ্য হলাম। আপনি ক্ষমতায় আসছেন ১ বছর ও হয় নাই এখনো কিন্তু যা শুরু হইছে তাতে আপনার ক্ষমতার আরো ৪ বছর সামনে আছে ভাবতেই রাতে ঘুম আসে না <img src=" style="border:0;" />
আপনি এইবার আপনার নির্বাচনের ইশতেহারে বলেছিলেন "ডিজিটাল বাংলাদেশ" বলে একটা দেশ গড়বেন। আপনার এই কথায় আমার মতো অনেক তরুণ তাদের মহামূল্যবান ভোটটি আপনাকে দিয়ে আসছিলো যাদের মধ্যে অনেকে জীবনে প্রথমবার ভোট দিছে এইবার। যাই হোক,ভোট হইলো, আপনি ২০০র উপরে আসন নিয়ে বিজয়ী হলেন। আমরা মহাখুশী। জীবনের প্রথম দেয়া ভোট তাইলে বৃথা যায় নাই।
ঘটনা এই পর্যন্ত ভালোই ছিলো কিন্ত এর পর থেকে যা হচ্ছে তার কোনোকিছুই আমরা চাইনি,ভাবিওনি যে এমন হবে। আপনার দল ক্ষমতায় আসার পর দলের ছাত্র সংগঠন যা শুরু করলো তা বলার বাইরে। বাংলাদেশে তো আপনার দলই প্রথম দল না যারা ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসছে কিন্তু আপনার দলের ছাত্র সংগঠনকে দেখে মনে হলো যে জীবনে এই প্রথম এই দেশে কোনো দল ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসলো। তারা যা শুরু করলো তার সোজা অর্থ দাঁড়ায় এই যে, দেশের মানুষ তাদের ভোট দিছে যেন তারা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় সন্ত্রাস(!!!!)মুক্ত করে। এই লক্ষ্যে তারা দিন-রাত কি অক্লান্ত পরিশ্রমই না করছে। ইশ, তাদের জন্য দিলের ভেতর থেকে ভাতের বলক ওঠার মতো দুঃখের বলক উঠতেছে <img src=(" style="border:0;" />
যাই হোক,শেষপর্যন্ত আপনি বাধ্য হলেন আপনার দলের ছাত্র সংগঠনটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করতে।কিন্তু তারপরও অবশ্য ঝামেলা এমন কিছু কমে নাই,সমস্যার ও কোনো সমাধান হয়নাই,মাঝে আমাদের আবু বকরের মতো কিছু মেধাবীকে হারাতে হয়েছে।
এই ধরনের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে প্রথম না কিন্তু আপনি কি একবার ও ভেবে দেখেছেন যে এই জাতি আপনাকে এই নির্বাচনে কতো বেশি বিশ্বাস করে ভোট দিয়েছিলো! নির্বাচনের আগে এমন জাগরণ,এতো বেশি প্রচারণা,এতো বেশি জঙ্গণকে সচেতন করার চেষ্টা মনে হয় না অতীতে কোনোদিন হয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসে,এতো বেশি মানুষ মনে হয় কোনোদিন এর আগে একটা দলকে এতো বিপুল ভোটে জয়ী করে নি স্বাধীনতার পর। তাদের আশা-ভরশা আপনি এইভাবে নষ্ট করে দিচ্ছেন এইটা কি ঠিক বলুন!! আপনিতো নিজে শিক্ষিত একজন মানুষ,দেশের বাইরে থেকে লেখাপড়া করে আসছেন,অনেকদিন দেশের বাইরে ছিলেন ও। আপনার কাছথেকে এমন কিছু পাওয়ার জন্যতো জাতি প্রস্তুত ছিলো না।আপনি কি একবার ও ভেবেছেন যে আপনি আসলে দেশের কোটি কোটি মানুষকে অপমান করলেন আপনার দলের এই কাজগুলা দিয়ে!!!
রাজনীতি আমার আলোচনার বিষয় না,তাই আর আগাতে চাইনা ওই ব্যাপারটা নিয়ে। এখন আসি আপনার স্বপ্নের "ডিজিটাল বাংলাদেশে'। এখন তথ্য-প্রযুক্তির যুগ,এই যুগে যুব সমাজ়ের একটা বড়ো অংশ তথ্য-প্রযুক্তি সম্পর্কে অবগত তাই আপনি যখন "ডিজিটাল বাংলাদেশ"এর কথা বলেছিলেন,তরুণ প্রজন্ম অনেক বেশি আশাবাদী হয়েছিলো আর তাই নির্বাচনে দেশের তরূণ সমাজের ভোটের একটি বড়ো অংশ(বলতে গেলে প্রায় পুরাটাই) আপনি পেয়েছেন। কিন্তু গত সপ্তাহে আপনার সরকার একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা আসলে আমাদের সবাইকে আরো একবার ভাবতে বাধ্য করেছে যে আমরা নির্বাচনে আসলে একটা বড়ো ধরনের ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আপনি গত সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট "ফেসবুক" বন্ধ করে দিয়েছেন। কারণ হিসাবে বলেছেন যে একজন আপনার এবং আপনার মন্ত্রীদের নিয়ে কিছু ছবি ফেসবুকে ছেড়েছে। আপনার জ্ঞান কতোদূর জানিনা কিন্তু আপনি এইটা জেনে অবাক হবেন যে পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের অনেক ছবি ফেসবুকে আছে যা তার দেশের কেউই ইন্টারনেটে ছেড়েছে। এই জন্য তাকে জেলেও যেতে হয়নি,আমেরিকাতে ফেসবুক ও বন্ধ হয়ে যায়নি। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ওবামাকে নিয়েও ফেসবুকে কম রং-তামাশা হয়না।
কিন্তু আপনি আমাদের দেশে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। আপনি ফেসবুক বন্ধ করে দিয়েছেন তাও অনির্দিষ্টকালের জন্য। যে আপনি বলেছিলেন ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা সেই আপনিই কিভাবে এমন "অ্যানালগ" টাইপের একটা সিদ্ধান্ত নিলেন তা খালি আমার না,অনেকেরই বোধগম্য না। ব্যক্তি-স্বাধীনতা,তথ্য-স্বাধীনতার এই যুগে আপনার এই সিদ্ধান্ত যেন অনেকটা বিনা মেঘে বজ্রপতের মতো। আপনি আসলে ফেসবুক বন্ধ করে কি প্রমাণ করতে চান!! যে ফেসবুক বন্ধ করলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে!!! যদি এমন মনে করেন তাহলে বলতেই হয় যে ম্যাডাম আপনি আসলে এখনো অনেক অন্ধকারেই আছেন। এইযূগে কোনো সামাজিক কার্যক্রম বন্ধ করে কখনোই কোনো অপরাধ বন্ধ করা সম্ভব না,যদি তাই হতো তাহলে ওসামা বিন লাদেনের ফেসবুক এ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিলেই পৃথিবী থেকে সন্ত্রাসবাদ উবে যেতো।
অনেক কথা বলে ফেললাম,আপনি অনেক ব্যস্ত মানুষ,সারা দেশের অনেক কাজ আপনাকে করতে হয় তাই বেশি সময় আপনার নষ্ট করবো না। শেষে একটা কথায় বলতে চায় যে ম্যাডাম এই দেশের যে মানুষগুলা আপনাকে এতো ভালবেসে,এতো বিশ্বাস করে এতো ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসার সুযোগ দিলো, আপনি দয়া করে তাদের এই বিশ্বাস,ভালোবাসা নষ্ট করবেন না। দয়া করে ফেসবুক যতো দ্রুত সম্ভব চালু করে দিন নাহলে জনগণের ক্ষোভ বাড়বে বই কমবে না। ডিজিটাল বাংলাদেশের দোহায় দিয়ে ক্ষমতায় এসে যা দেখালেন তাতে জানটা ভরে গেছে,আর দেখতে চাইনা।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন। ভালো থাকবেন আর দয়া করে দেশের মানুষকে ভাল রাখার চেষ্টা করবেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29170390 http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29170390 2010-06-05 00:47:34
হুমায়ুন আহমেদ এবং জোছনা ও জননীর গল্প.......................... হুমায়ুন আহমেদ নিঃশন্দেহে এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক। প্রতিবার একুশের বইমেলায় তার লেখা বই কেনার ভীড় দেখেই সে কথা বোঝা যায়(আমি নিজেও বহু কষ্ট করে ভীড়ের মদ্ধে প্রতি বছর তার বই কিনি<img src=" style="border:0;" />)। হুমায়ুন আহমেদ সস্তা প্রেমের উপন্যাস লিখে অনেক টাকা কামান বলে তার নিন্দুকেরা তার প্রতি বিষেদাগারও করে। এই কথাটার সাথে অবশ্য আমি কিছুটা একমত কিন্তু সরাসরি সেইভাবে না,একটু অন্যভাবে।
হুমায়ুন আহমেদ অসম্ভব প্রতিভাবান একজন মানুষ এইটা নিয়ে মনে হয় তার কোনো গোড়া নিন্দুকেরও আপত্তি থাকার কথা না। তার জ্ঞান এবং মেধা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই,থাকার কথাও না। কিন্তু হুমায়ুন আহমেদের সেই মেধার কতোটুকু আমরা আসলে তার লেখায় প্রতিফলিত হতে দেখি?? তিনি বছরের পর বছর পাঠকের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের সেরা লেখক কিন্তু তার লেখা অনেকটা একই ছকে বাধা। ছকে বাধা লেখা খারাপ না,সব লেখকই তাদের নিজেদের মতো করে লেখেন এবং লেখক যেভাবে লেখেন সেটিই তার নিজের ছক হয়ে যায়। একজন লেখকের ৩/৪টা বই পর পর পড়লে বোঝা যায় যে সেই লেখকের লেখার কমন ফরমেট কেমন। আমার এই উপলব্ধি হয়েছে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কয়েকটি বই পর পর পড়ে। পরে আমি সমরেশ মজুমদার এবং অন্যান্য কিছু লেখকের বই পড়েও একই অভিজ্ঞতার সম্মুক্ষীন হয়েছি।
হুমায়ুন আহমেদও এর ব্যতিক্রম না। কিন্তু আমার কথা হলো হুমায়ুন বছরের পর বছর যে প্রেমের উপন্যাসগুলো লিখছেন তারে আসলে তেমন কোনো বৈচিত্র নেই। সেই একই কথা ঘুরে ফিরে ঘুরে ফিরে লেখেন তিনি। তার গল্পের চরিত্রের নামগুলোও একই-মুহিব,আসমানী,মৃন্ময়ী,শাহেদ,ছদরুল ইত্যাদি। কেউ যদি হুমায়ুন আহমেদের ৩/৪টি উপন্যাস একবারে পড়েন তাহলে একটি হলেও নাম কমন পরে যাওয়ার সম্ভাবনা ১০০% <img src=" style="border:0;" />
কিন্তু "জোছনা ও জননীর গল্প"(একুশে বইমেলা ২০০৪ এ প্রকাশিত) উপন্যাস দিয়ে হুমায়ুন আহমেদ আবারো আমার দুঃখটাকে বড়ো করে দিলেন। যদিও ২০০৪সালের উপন্যাস কিন্তু আমি এটি পড়েছি ২ দিন আগে,অনেক দিন ধরে পড়ার ইচ্ছা থাকলেও পড়া হয়ে ওঠেনি কিন্তু এইবার সেই সুযোগ হয়েছে আর এর ফলে আমার সেই আগের কথাটায় আবার নতূন করে মনে হয়েছে যে, "আহারে,প্রতিভার কি অপচয়ই না করেছেন এই মানুষটি" <img src=(" style="border:0;" />
"জোছনা ও জননীর গল্প" দিয়ে হুমায়ুন আরো একবার দেখিয়েছেন তিনি কোন শ্রেণীর লেখক। সাথে সাথে এই কথাটাও প্রমাণ করে দিয়েছেন যে তিনি যদি তার মেধার সামান্য অংশও বাংলা সাহিত্যকে দিতেন তাহলে বাংলা সাহিত্য আরো অনেক বেশি সমৃদ্ধ হতো।
হুমায়ুনের অন্যান্য গতানুগতিক উপন্যাসগুলোর চেয়ে "জোছনা ও জননীর গল্প" একেবারেই অন্যরকম তা নয়। "জোছনা ও জননীর গল্প" মূলত মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে উপন্যাস হলেও এতে প্রেম,ভালোবাসা সবই আছে। হুমায়ুন তার স্বভাবসুলভ গল্প বলার ভঙ্গিতে ৭১'এর সেই ভয়াল ৯ মাসের কথা বলেছেন পাঠকদের।
উপন্যাসের শুরু হয়েছে নীলগঞ্জ স্কুলের আরবি শিক্ষক মাওলানা ইরতাজুদ্দীন কাশেমপূরীকে দিয়ে যিনি ঢাকায় তার ভাইয়ের সাথে দেখা করতে আসেন। এইখান থেকেই আমরা নানা ঘটনার মাধ্যমে আস্তে আস্তে পরিচিত হয় শাহেদ,আসমানী,নাইমুল,মরিয়মসহ উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রের সাথে। এই চরিত্রগুলোর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গল্প নিয়েই মূলত এই উপন্যাস কিন্তু লেখক এই গল্পগুলোর মধ্য দিয়েই ফুটিয়ে তুলেছেন ৭১'এর সেই ৯মাসের ভয়াবহতা।
লেখকের বর্ণনায় উঠে এসেছে ২৫মার্চের সেই কালরাত্রির কথা। খুব সংক্ষেপে তিনি বর্ণনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং হলের ছাত্রদের উপর চালানো বর্বরতার কথা। যদিও খুব বেশি বিষদ বিবরণ নেই কোনো ঘটনার কিন্তু তাতে যুদ্ধের ভয়াবহতার কোনো কমতি ছিলো না। খুব সহজ ভাষায় হানাদারদের ৯ মাসের বিভৎষতার বর্ণনা দিয়েছেন সাথে সাথে "বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের দলিলপত্র" থেকে অনেক প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনাও তুলে ধরেছেন। সাথে সাথে কিছু কিছু জায়গায় রয়েছে লেখকের নিজের স্মৃতির বর্ণনা।
গল্প বলতে বলতেই বর্ণনা করেছেন যুদ্ধের ভয়াল দিনগুলোতে দেশের লাখ লাখ মা বোনের প্রতীক হয়ে ওঠা মরিয়ম,আসমানী,কংকনদের কথা। যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে শাহেদ-আসমানীর পুনঃমিলন যেমন পাঠকের চোখে পানি আনে তেমনি যুদ্ধের ২৫/৩০ বছর পর লেখকের সাথে দেখা হওয়া কংকনের কান্না শুনে লেখের যখন মনে হয়েছিল যে কংকন কাদছে না,কাদছে তার বাংলাদেশ তখনো পাঠক সমানভাবেই আপ্লুত হয়। নাইমুলের হাসতে হাসতে হানাদার ও তার দোসরদের হত্যার কাহিনী;কাদের সিদ্দিকী,হেমায়েতউল্লাহর সাহসিকতার কাহিনী পড়তে পড়তে যেমন শরীরের রক্ত গরম হয় তেমনি প্রথমে শান্তিবাহিনীর প্রধান হউয়ার পর বোধোদয় হওয়া অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ মানুষ মাওলানা ইরতাজুদ্দীন কাশেমপূরীর মৃত্যু গভীরভাবে নাড়া দেয় পাঠককে। শেখ মুজিব সম্পর্কে ইয়াহিয়া খানকে জুলফিকার আলী ভুট্টোর বলা "আপনার হাতে মৃত্যুর চেয়ে সে অনেক বড় মাপের মানুষ" কথাটা যেমন পাক বাহিনীর মুজিব ও তার জনগণের প্রতি ভয়কে (এইটা আসলে একধরনের শ্রদ্ধাও,মুজিব যেটি পাওয়ার যোগ্য ছিলেন) প্রকাশ করে তেমনি নিয়াজী যখন কাদের সিদ্দিকীকের করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দেবার পর কাদের সিদ্দিকী বলেন যে তিনি নারী ও শিশু হত্যাকারীদের সাথে হাত মেলান না তখন পাকিস্তানিদের প্রতি সমগ্র বাঙ্গালির ঘৃণাও চমৎকারভাবে ফুটে ওঠে।
মুক্তিযুদ্ধের অনেক উপন্যাস/লেখাই রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত না(ছোট মুখে বড় কথা বলতে বাধ্য হলাম<img src=" style="border:0;" />)। কিছু লেখায় বঙ্গবন্ধুকে যেমন অনেক বড় করা হয়েছে,জিয়াউর রহমানের নামও নাই তেমনি কিছু কিছু জায়গায় বলা হয়েছে যে মুজিবতো কিছুই করেন নাই,৯মাস জেলের ভেতর আরামে দিন পার করছেন,যা করার সবইতো করছেন মেজর জিয়া এমনও বলা হয়েছে। কিন্তু "জোছনা ও জননীর গল্প"যে রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়াই লিখেছেন তা পরিষ্কারভাবেই বোঝা যায়। লেখক যুদ্ধকালীন সময়ে মুজিব পরিবারের চরম ভোগান্তির কথা বলেছেন,অন্তঃসত্বা হাসিনার কষ্টের কথা বলেছেন তেমনি মেজর জিয়ার স্ত্রী খালেদা জিয়া যে হয়রানির স্বীকার হয়েছিলেন তাও বলেছেন। আবার এই যুদ্ধ নিয়ে যে বৈশ্বয়িক রাজনীতি হয়েছিল সে সময় তাও বলেছেন কোনো ধরনের রাখঢাক ছাড়াই।
উপন্যাসের প্রতিটি কথারই সত্যতা আছে তার প্রমাণ হুমায়ুন দিয়েছেন বিভিন্ন রেফারেন্স ব্যবহার করে। এটি যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এর একটি অনন্য দলিলস্বরূপ তা বলতে দ্বিধা নেই। হুমায়ুন আহমেদ প্রমাণ করেছেন যে আসলেই তিনি কতো বড় লেখক। অবশ্য গত কয়েক বছরে তিনি "মধ্যাহ্ন ১","মধ্যাহ্ন ২","মাতাল হাওয়া" লিখেও তার লেখনী সক্তির প্রমাণ দিয়েছেন।
সবশেষে বইটি পড়ে একটা কথায় মনে হয়েছে বার বার যে আসলেই বাঙ্গালী যে সাহস নিয়ে কোনো ধরনের পূর্বপ্রস্তুতি ছাড়াই অসীম শক্তিধর পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল,সেই সাহস আমাদের মধ্যে নেই। সেই সাহসে সামান্যতম কিছু থাক্লেও আমার মনে হয় আজ আমরা এতো বেশি দূর্নীতিপরায়ণ জাতি হিসাবে পরিচিত হতাম না।
স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ সকল বীরদের প্রতি রইলো অসীম শ্রদ্ধা।
মুক্তির মন্দির সোপানতলে
কতো প্রাণ হলো বলিদান
লেখা আছে অশ্রুজলে।
কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা,
বন্দিশালার ঐ শিকলভাঙা
তার কি ফিরিবে আর সুপ্রভাতে?
যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29158523 http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29158523 2010-05-20 00:07:52
মেটাল গানের সবচেয়ে বড় কিংবদন্তি..................................
১৯৪২ সালের ১০ই জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারে বসবাসরত এক ইটালিয়ান পরিবারে জম্নগ্রহন করেন রনি জেমস পাডাভোনা । ছোটোবেলা থেকেই তার মিউজিকের প্রতি প্রচন্ড ঝোক ছিলো। মাত্র ১৩ বছর বয়সেই তিনি The Vegas King নামের ১টি ব্যান্ডে যোগ দেন বেস গিটারিস্ট হিসাবে যখন তিনি কেবল স্কুলে যাওয়া শুরু করেছেন। ওই ব্যান্ডের তখনকার লাইনআপে বেস গিটারে ছিলেন রনি পাডাভোনা,ভোকাল বিলি ডি’ওলফ,লড গিটারে নিক পানটাস,ড্রামে টম রজারস এবং স্যাক্সোফোনে জ্যাক মুসকি। কয়েকদিনের মদ্ধেই তিনি ওই ব্যান্ডের মূল ভোকাল হয়ে যান এবং ব্যান্ডটির নাম পরিবর্তন হয়ে হয়ে যায় Ronnie & The Rumblers এবং পরবর্তীতে Ronnie & The Red Caps. এই Ronnie & The Red Caps ব্যান্ড থেকেই ১৯৫৮সালে বেরোয় তার জীবনের প্রথম অ্যালবাম 7-inch Single। ১৯৬১ সালে বের হয় এই ব্যান্ডের ২য় অ্যালবাম।
রনি ইতিমদ্ধে তার নামের “পাডাভোনা” অংশটুকু বাদ দিয়ে “ডিও” নাম ধারণ করেন যা তিনি নিয়েছিলেন একজন কুখ্যাত মাফিয়া “জনি ডিও”র নাম থেকে। এরপর তার ব্যান্ডের নাম পরিবর্তিত হয়ে হয় Ronnie Dio & The Prophets। এই ব্যান্ডের আরো কিছু অ্যালবাম বের হয় ১৯৬২-১৯৬৬ সালের মদ্ধে এরপর ব্যান্ডটি ভেঙ্গে যায় এবং ১৯৬৭ সালে তিনি এবং গিটারিস্ট নিক পানটাস ১৯৬৯ সালে গড়ে তোলেন “Electronic Elves” নামের নতূন ব্যান্ড যেটি পরবর্তীতে সংক্ষেপে Elf নামে পরিচিতি পায়। ডিও অতি অল্প সময়ের মদ্ধেই পরিচিত হয়ে যান মিউজিক অ্যারেনাতে এবং বিখ্যাত ব্যান্ড Deep Purpleএর লিড গিটারিস্ট রিচি ব্ল্যাকমোরের নজরে পড়েন। এর ফলশ্রুতিতে ব্ল্যাকমোর Deep Purple ছেড়ে দেন এবং তারা দুইজন মিলে গড়ে তোলেন রক ব্যান্ড “রেইনবো” (Rainbow)। রেইনবো তাদের প্রথম অ্যালবাম বাজারে ছাড়ে ১৯৭৫ সালে। এরপর রেইনবো থেকে আরো ৩টি অ্যালবাম ছাড়া হয় কিন্তু ব্ল্যাকমোরের অতি বাণিজ্যিক চিন্তা-ভাবনার সাথে মিল না হওয়ায় ডিও ১৯৭৯ সালে রেইনবো ছেড়ে দেন।
১৯৭৯ সালে ডিও যোগ দেন কিংবদন্তি রক ব্যান্ড ব্ল্যাক স্যাবাথে (Black Sabbath) যখন ওজি অসর্বোন (Ozzy Osborne) “Black Sabbath” ছেড়ে দেন। “Black Sabbath”এর অবস্থান তখন হুমকির মুখে কিন্তু ব্যান্ডে জয়েন করার পর তার ১ম অ্যালবাম Heaven and Hell দিয়েই তিনি বাজিমাত করে দেন এবং সেই সাথে ব্ল্যাক স্যাবাথ আবার ভালো অবস্থানে চলে যায়। ১৯৮০ সালে ডিও Kerry Livgrenএর সলো অ্যালবাম Seeds of Changeএ ডিও "To Live for the King" এবং "Mask of the Great Deceiver" নামের ২টি গানে কন্ঠ দেন। কিন্তু একসময়ের রেইনবো এবং ব্ল্যাক স্যাবাথের ভোকাল ডিওকে Kerry Livgren এর গোড়া খ্রীষ্টান ফ্যানরা ভালোভাবে প্রহণ করেনি। তারা ডিও এবং ওজি অসর্বোনকে “শয়তান” বলে সম্বোধন করে। পরে এক ইন্টারভিউতে ডিও বলেন যে তিনি Livgren এর জন্য তার গানে পারফর্ম করেছিলেন,খ্রীষ্টানদের জন্য না।
১৯৮২ সালে ব্ল্যাক স্যাবাথের "Live Evil" অ্যালবামটি প্রকাশের পরে ডিও এবং ড্রামার ভিনি অ্যাপিস (Vinny Appice) মিলে গড়ে তোলেন নতূন ব্যান্ড যার নাম ছিলো Dio। ১৯৯৭ সালে ডিও প্যাট বুনের (Pat Boone)এর সাথে “In a Metal Mood: No More Mr. Nice Guy” নামের একটি অ্যালবাম রিলিজ করেন যেটি বিগ ব্যাণ্ড (Big Band) স্টাইলের হেভি মেটাল গানের অ্যালবাম হিসাবে খুবি বিখ্যাত।
২০০০ সালে সেঞ্চুরি মিডিয়া থেকে বের হয় “Holy Dio: Tribute to Ronnie James Dio” নামের ১টি অ্যালবাম যেটিতে ছিলো মূলত বিভিন্ন পাওয়ার মেটাল ব্যান্ডের কাভার করা ডিও’র গান। ২০০৫ সালে তিনি “Operation: Mindcrime II” নামের একটি অ্যালবামে ডঃ এক্স(Dr. X) এর সাথে ব্যাকাপ ভোকাল দেন যেটি ছিলো কুইন্সরিক (Queensrÿche) নামের একটি ব্যান্ডের “Operation: Mindcrime” নামের অ্যালবামের সিক্যুয়াল।
২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে ডিও পুনরায় ভিনি অ্যাপিসের সাথে ব্ল্যাক স্যাবাথের ২ সদস্য টমি আয়োমি ও গিজ়ার বাল্টারের সাথে একত্রিত হন Heaven and Hell নামের একটি ওয়ার্ল্ড ট্যুরের জন্য,প্রসঙ্গত “Heaven and Hell” ছিলো ব্ল্যাক স্যাবাথে ডিও'র প্রথম অ্যালবাম। ২০০৮ সালে তারা ৯৮ দিনের ওয়ার্ল্ড ট্যুর শেষ করেন।
ডিও ১৯৬০ সালে কোর্টল্যান্ড সিটি কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে ডিও ২বার বিয়ে করেন। তার প্রথম স্ত্রীর নাম লরেটা বেরার্ডি (Loretta Berardi)। তারা ড্যান পাডাভোনা নামের একটি শিশূকে দত্তক নেন। বেরার্ডিকে ডিভোর্সের পরে তিনি ওয়েন্ডি গ্যালাক্সিওলা (Wendy Galaxiola) নামের একজনকে বিয়ে করেন যিনি ছিলেন তার ম্যানেজার। ওয়েন্ডি গ্যালাক্সিওলা ১৯৮০এর দশকে ক্যালিফোর্নিয়াতে Rough Cutt এবং Hellion নামের ২টি ব্যান্ডের ম্যানেজার ছিলেন এবং “Children of the Night” নামের একটি সংস্থারও চেয়ারম্যান ছিলেন।
ডিও তার সংগীত ক্যারিয়ার ছিলো প্রায় ৬ দশকের(১৯৫৭-২০১০)। তিনি জীবনে অনেক সম্মাননা পেয়েছেন তার মদ্ধে উল্লেখযোগ্য হলো- ১৯৮৪ সালে তার নিজের শহর কোর্টল্যান্ড সিটির একটি রাস্তার নাম “Dio Way” নামে নামকরণ করা,২০০৪ সালে কোর্টল্যান্ড সিটির “Hall of Fame”এ অন্তর্ভূক্ত হওয়া,২০০৬ সালে ক্লাসিক রক ম্যাগাজিন কর্তৃক প্রদত্ত বার্ষিক “Roll of Honor”এ “Metal Guru Award” পাওয়া,২০০৭ সালে অক্টোবরে গিটার সেন্টারের “Rock Walk of Fame”এ স্থান পাওয়া ইত্যাদি।
২০১০ সালের এপ্রিলে রিভলভার গোল্ডেন গডস অ্যাওয়ার্ডে (Revolver Golden Gods Awards) তাকে “Best Metal Sইnger” এর স্বীকৃতি দেয়া হয়। এর মাত্র ১মাস পর ২০১০ সালের ১৬ই মার্চ ডিও টেক্সাসের হোস্টনে পাকস্থলীর ক্যান্সারে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মেটাল ব্যান্ডের ইতিহাসের কিংবদন্তি এই গায়ক। দৈহিক মৃত্যু হলেও তিনি ঠিকই বেচে থাকবেন পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে – ছিটিয়ে থাকা লাখো কোটি ভক্তের মনে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29157904 http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29157904 2010-05-19 01:53:00
মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনের জনক রিচার্ড ম্যাথু স্টলম্যান(Richard Matthew Stallman) জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৩ সালের ১৬ই মার্চ,নিউইয়র্কে। তার বাবার নাম ড্যানিয়েল স্টলম্যান এবং মায়ের নাম এলিস লিপম্যান। ছোটবেলা থেকেই দারুণ মেধাবী স্টলম্যানের প্রথম কম্পিউটারের সাথে পরিচয় হয় আই বি এম এর নিউইয়র্ক সায়েন্টিফিক সেন্টারে যখন সে হাইস্কুলে পড়তো। সেখানে সে ফরট্রানে ১টা নাম্বার আনাল্যসিসের প্রগ্রাম লেখার জন্য ডাক পেয়েছিলো। এর কিছুদিন পরে স্টলম্যান ১টি প্রি-প্রসেসরের কোড লেখেন PL/Iprogramming language যেটি চলতো আই বি এম এর System/360 মেশিনে। ১৯৭১ সালের জুন মাসে স্টলম্যান যখন MITএর Artificial Intelligence Laboratory এর হ্যাকার হিসাবে যোগদান করেন,তখন তিনি কেবল হার্ভাড ইউনিভার্সিটির প্রথম বর্ষের ছাত্র। এরপর তিনি তার নামের সংক্ষিপ্তরুপে তথা rms নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন। ১৯৭৪ সালে তিনি হার্ভাড থেকে পদার্থবিদ্যায় বি এ ডিগ্রী নেন। এরপর তিনি MITতে গ্রাজুযেট ছাত্র হিসাবে ভর্তি হন কিন্তু প্রথম বর্ষ শেষে তিনি এক দূর্ঘটনায় হাটুর ইনজ়ুরিতে পড়েন এবং প্রোগ্রামিং এর প্রতি ভালোবাসার জন্য তিনি MITতে পদার্থবিদ্যায় PhD নেয়া থেকে বিরত থাকেন। MITতে হ্যাকার হিসাবে থাকার সময় স্টলম্যান TECO, Emacs প্রভিতি প্রজেক্ট এবং Lisp Machine নামক অপারেটিং সিস্টেম বানানোর কাজ করেন।

১৯৭০-৮০এর দশকে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের সফটওয়্যার অন্য কোম্পানিকে ব্যাভার করতে না দেয়ার জন্য প্রোগ্রামিং সংকেত সরবরাহ বন্ধ করে দেয় এবং এর প্রেক্ষিতে ১৯৭৬ সালে U.S. Copyright Act এর সূচনা হয়। ১৯৭৯ সালে যখন ব্রায়ান রেইড (Brian Reid) যখন লাইসেন্সবিহীন সফটওয়্যার ব্যাবহারের বিরুদ্দে কথা বলেন তখন স্টলম্যান এটিকে একটি “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ” বলে মন্তব্য করেন। ১৯৮০ সালে স্টলম্যান এবং তার সহকর্মী কিছু হ্যাকারকে পৃথিবীর প্রথম লেজার প্রিন্টারের প্রোগ্রামিং সংকেত দেখা থেকে বিরত রাখা হয় এবং এই ঘটনায় তিনি উপলব্ধি করেন যে ব্যাবহারকারীকে তার সফটওয়্যারের মানন্নোয়োন করার স্বাধীনতা দেয়া দরকার। এর কিছুদিন পর ১৯৮২ সালে তিনি MIT’র হ্যাকারের চাকরি ছেড়ে দেন এবং সফটওয়্যারের স্বাধীনতার জন্য তিনি ১৯৮৩সালের সেপ্টেম্বরে তিনি তার বহুল আলোচিত GNU project চালু করেন।

স্টলম্যান মনে করেন যে সফটওয়্যার হবে উন্মুক্ত যাতে সে তার প্রতিবেশীর(সমগোত্রীয় সফটওয়্যার) সাথে শেয়ার করতে পারে ("share with their neighbor") এবং ব্যাবহারকারী সফটওয়্যারের মানন্নোয়োন করতে পারবে। এই চিন্তাধারা থেকেই তিনি “সফটওয়্যারকে মুক্ত হতে হবে”("software wants to be free") কথাটির প্রচলন করেন যেটির অনেক সময় ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হয়। তিনি মনে করেন যে সফটওয়্যারকে ভোক্তাদের হাতে ছেড়ে দেয়াটা “অসামাজিক” অথবা “অনৈতিক” না বরং ভোক্তাদের কাছে এর উন্নয়নের ভার দেয়াটায় বেশি যৌক্তিক।
স্টলম্যান ১৯৮৫ সালে GNU operating system এর পরিকল্পনা ঘোষণা করেন এবং GNU Manifesto প্রকাশ করেন যাতে তিনি GNU operating system এর কথা বলেন যেটি Unix নামক operating system এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হবে। GNU নামের পূর্ণ অর্থ হলো "GNU's Not Unix"। এরপর খুব শীঘ্রই তিনি Free Software Foundation নামক একটি অলাভজনক ফাউন্ডেশন তৈরী করেন মুক্ত সফটওয়্যার প্রকৌশলী এবং মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনকে ১টি পূর্ণ রূপদানের জন্য। স্টলম্যান আদ্যবধি এই ফাউল্ডেশনের অবৈতনিক প্রেসিডেন্ট। স্টলম্যান “copyleft” যেটি আসলে “copyright” বিপরীত। ১৯৮৯ সালে তিনি GNU General Public License (GPL) প্রকাশ করেন যার পর থেকে বেশিরভাগ GNU System তৈরী হয়েছে। স্টলম্যান GNU এর জন্য অনেক টুলস তৈরি করে দেন যার মদ্ধে text editor (Emacs), compiler (GCC), debugger (gdb), এবং ১টি build automator (gmake) উল্লেখযোগ্য।

১৯৯১ সালে লিনাস টরভাল্ড(Linus Torvalds) নামক এক ফিনিশ ছাত্র GNU এর টুলসগুলো দিয়ে লিনাক্সের একটি কার্নেল তৈরী করেন এবং GNUএর তৈরী করা প্রোগ্রামগুলো সব এই কার্নেলে ব্যাবহারের জন্য দেয়া হয় লিনাক্সের নামে যার ফলে সৃষ্টি হয় মুক্ত সফটওয়্যার কমিউনিটির মদ্ধে নাম বিষয়ক জটিলতা। স্টলম্যান ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন যে GNUএর নাম ব্যাবহার না করার ফলে GNU project এর দর্শনের ক্ষতি হয়েছে যা মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনের জন্য ক্ষতিকর।

ব্যক্তিগত জীবনে স্টলম্যান খুবি সাদাসিধা একজন মানুষ। তিনি খুবি সাধারণ জীবনযাপন করেন। MITতে কাজ করাকালীন সময়ে তিনি তার অফিসেই রাতে থাকতেন,তার কোন অন্য বাসস্থান ছিলো না। তিনি গবেষক হিসাবে MIT থেকে কোনদিন একটি পয়সাও বেতন নেননি। ১৯৯৯ সালে লেখা তার একটি ফুটনোটে তিনি বলেন যে, “যদিও একজন নাস্তিক হিসাবে আমি কোন ধর্মীয় নেতাকে ফলো করি না কিন্তু অনেক সময় তাদের বলা কথা শুনে অবিভূত হই”("As an atheist, I don't follow any religious leaders, but I sometimes find I admire something one of them has said.")। স্টলম্যান মহাত্বা গান্ধী,মার্টিন লুথার কিং,নেলসন ম্যান্ডেলা,অং সান সু কি প্রভৃতি ব্যক্তিত্বদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছেন। তিনি খ্রীষ্টানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব “বড়দিন” পালন করেন না,২৫শে ডিসেম্বর তিনি পালন করেন "Grav-mass” যেটি এসেছে পুরাতন ক্যালেন্ডারে বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের জন্মদিন থেকে। তিনি মোবাইল ফোন ব্যবহারকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নষ্টের সবচেয়ে বড় উপকরণ মনে করেম এবং মোবাইল ব্যাবহার করেন না। তিনি তার অফিসে কার্ড ব্যবহার করে গেট খুলে যাওয়া-আসাও করেন না। স্টলম্যান বিভিন্ন ধরনের ফোক মিউজিক পছন্দ করেন। স্টলম্যান তার মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনের গানটি নিয়েছেন “সাদি মোনা” নামক একটি ফোক ব্যান্ডের গান থেকে। তার পছন্দের মিউজিকাল ব্যান্ড হলো Bela Flack and the Flecktones এবং Weird Al Yankovic । সম্প্রতি তিনি গুয়ানতানামো কারাগারের বন্দিদের নিয়ে একটি গানও রচনে করেছেন। স্টলম্যান গ্রেগ ইগানের সায়েন্স ফিকশনের ভক্ত। তিনি নিজেও ২টি সায়েন্স ফিকশন লিখেছেন যার নাম “The Right to Head” এবং “Jinnetic Engineering”। স্টলম্যান নেটিভ ইংলিশ স্পীকার হলেও তিনি খুব ভালো ফ্রেঞ্জ,স্প্যানিশ এবং ইন্দোনেশিয়ান ভাষা জানেন।

যদিও স্টলম্যান কিছুটা একরোখা স্বভাবের কিন্তু তিনি কিছু কারণে খুব জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত। হার-জিত যাই হোক না কেন তিনি কখনো আশাহত হননা। তিনি হলেন শেষবিন্দু দিয়ে লড়াই করে যাওয়ার মানসিকতা সম্পন্ন একজন মানুষ। যে যাই বলুক না কেন,তার এই একরোখা স্বভাব,দৃঢতা এবং কঠোর সততা বিশ্বের বিলিওন ডলার সফটওয়্যার বাজারের প্রতি একপ্রকার কটাক্ষসরূপ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29156191 http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29156191 2010-05-16 19:04:57
আর কতো মৃত্য দেখতে হবে!!!!! প্রথমেই বলব ঢাকা ইউনিভর্সিটি এর ছাত্র আবু বকর এর কথা। এই ছেলে নাকি তার বিভাগের ফার্স্ট বয় ছিল । শেষ বর্ষের পরীক্ষাও দিয়েছিলো ফলাফল প্রকাশের বাকি ছিল শুধু (পরে ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে এবং সেখানে দেখা যায় সে যুগ্মভাবে প্রথম হয়েছে পুরা বিভাগে)। এই ছেলেটি মারা যায় ঢাকা ইউনিভর্সিটি এর রাজনৈতিক কোন্দলের শিকার হয়ে,যদিও প্রায় সব পত্রিকায় এটি আসছে যে সে কোনো ছাত্র সংগঠন/পলিটিকাল পার্টি এর সাথে জড়িত ছিল না। এই আবু বকর এর মৃত্যুর সময় তার রুমে নোট খাতা পাওয়া সেটাই নাকি ১টি প্রশ্নের অর্ধেক উত্তর লেখা ছিল (সুত্র --প্রথম আলো), তার মানে সে ওই সময় ওই খাতায় লিখছিল .এমন ১টি ছেলের মৃত্যু আমরা চোখের সামনে দেখলাম, পত্রিকায় এর খবর পড়লাম কিন্তু এর বিচার কি ?যারা আবু বকর এর মত ছাত্র কে মারলো তারা তো এই দেশে দিব্বি ঘুরে বেড়াচ্ছে,কিন্তু এই গরিব ঘরের ছেলেটার জন্য কি সরকার এর কিছু করার নেই, নাকি গরিব বলে সরকার এর এত দাম দেবার সময় নাই? আজ যদি কোনো মন্ত্রী এর ছেলের এমন মৃত্যু হত তাহলে কি আমাদের সরকার এত চুপ থাকত,এত নির্বিকার ভাবে মনে হই না কোনো দেশে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছােএর মৃত্যু কে মেনে নেয়া হয়।
আর ২য়্ঃত যার কথা বলব সে হলো হামিম । আবু বকর উনিভ এর ছাত্র ছিল কিন্তু এই হামিম ছিল স্কুলের ছাত্র.এই ছেলেটিকে মেরে ফেলা হয় কাকরাইল মোড় এর কাছেই উইন্স লিটিল ফ্লাওয়ার স্কুলের সামনে যে বাস এর কাউন্টার গুলা আছে সেখানে তার মা কেও প্রায় মেরেই ফেলছিল,মহিলে বেচে যান কিন্তু নিজের জীবন এর বিনিময় এ তাকে তার ১মাত্র ছেলে কে হারাতে হয়। এই ঘটনার পর ও কিছু দিন পত্রপত্রিকায় এ নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়। এই বিষয়ে তারপর যথারীতি সবাই চুপ,সরকার বিব্বৃতি দেয় আর পুলিশ বলে যে পরবর্তী সময় থেকে এইগুলা যেন না হয় ব্যবস্থা নেয়া হবে /<img src=" style="border:0;" />
আজ আমরা হামিম এর মৃত্যু দেখলাম,আবু বকর এর মৃত্যু দেখলাম,আমরা চুপ ছিলাম,আমরা চুপ আছি,আমাদের চুপ থাকতে হই কারণ আমরা সাধারণ পাবলিক.আমাদের এত ক্ষমতা নেই যে আমরা দুনিয়া/দেশ বদলায় দিতে পারব,আমাদের সরকারী দলগুলো বরাবরই অনেক ক্ষমতাবান,তারা আমাদের হাত এ,পায়ে এ শিকল দিয়ে রেখেছে যে শিকল আমরা ইচ্ছে করলেই ভেঙ্গে ফেলতে পারি কিন্তু ভাঙ্গি না কারণ আমরা ঝামেলা এড়িয়ে চলতে পছন্দ করি। কে যাই এত ঝামেলা করতে!!!!!হমমম,আসলেই তো তাই,কে যায়!! যার কাছের মানুষ যায় সেই বোঝে হারানোর কষ্ট কি রকম,আমরা বুঝি না,আমরা পত্রিকায় পড়ি ,খারাপ লাগে তারপর আবার আগের মত স্বাভাবিক হয়ে যাই ,আমাদের তো এখন দিনে ৪/৫টা খুন এর খবর না পড়লে ভালো লাগেনা, মনে হই ইসস আজকে তো দেশে তেমন ইম্পর্টান্ট কিছু হই ই নাই /<img src=" style="border:0;" />

কোনো ১ অলস দুপুরে বা মন খারাপ করা সময়ে যখন এইগুলা মাথায় আসে তখন কষ্টে বুকটা ফাকা হয়ে যাই.হামিম,আবু বকর তোমরা ভালো থেকো এই দেশ যা তোমাদের দিতে পারেনি, এই দেশ তোমাদের হত্যার যে বিচার করতে পারেনি সেই বিচার হয়তো পরকাল এ কেউ করবেন.

স্রষ্টা তুমি কি অনেক ব্যাস্ত??এই সাধারণ মানুষ গুলার দুঃখ কি তুমি দেখো না???স্রষ্টা তোমাকে ইদানিং বিবর্ণ মনে হই,অনেক বেশি বিবর্ণ মনে হই.......................<img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29119591 http://www.somewhereinblog.net/blog/oparthiibo/29119591 2010-03-19 16:12:08