somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... প্রিন্সেস ইলাবতী উপাখ্যান ... ইহা একটি চিরাচরিত রাজা রানীর রুপকথার গল্প, কারো সাথে মিলে গেলে সেটা হবে কাকতালমাত্র, এইজন্যে লেখককে কোনভাবেই দায়ী করা যাইবে না...


রানী ইলাবতীর আগেকার সুখের জীবন আর রহিল না। ইচ্ছেমত ঘুম হইতে উঠা, প্রাতঃভ্রমনে সখাদের সহিত ইতঃস্তত ভ্রমন, রাজপুত্র, কোটালপুত্র, মন্ত্রীপুত্রদিগের সহিত কবুতরের মাধ্যমে পত্র বিনিময়, এইসব নতুন রাজা সহ্য করিবে না বলিয়া প্রজ্ঞাপন জারি হইয়াছে। নতুন রাজার বিষয়টা এইবারে একটু খোলাসা করিতে হয়।

সোমনগর রাজ্যের রাজার দুই কন্যা, ইলাবতী আর কলাবতী। ইলাবতীর রুপে মুগ্ধ হইয়া পার্শ্বদেশের আরেক রাজন ইলাবতীর পানিপ্রার্থী হইবার জন্যে আগ্রহ জ্ঞাপন করিয়াছেন। কিন্তু ইলাবতী এহেন অস্থিতিশীল রাজনকে মানিয়া লইতে নারাজ বিধায় রাজা আক্রমন করিয়া সবাইকে বন্দী করিয়া ইলাবতীকে জোরপুর্বক বিবাহের সিদ্ধান্ত লইয়াছেন। বিবাহের দিন ধার্য হইয়াছে। আসন্ন কোজাগরী পুর্নিমার দুইদিন বাদে ইলাবতীর বিবাহ। যেদিন এর কথা কহিতেছি সেই দিন ছিল কোজাগরী পুর্নিমা। ইলাবতী অনেক কষ্ট পাইয়া ভাবিল, এই অস্থিতিশীল রাজনের সাথে বিবাহের পুর্বে সখীগনের সহিত একবার জলকেলী করিতে পারিলে মন্দ হইত না। ঘড়া ভর্তি করিয়া আড়ং দুধ, মধু, কাচাহলুদ, চন্দন, বসরাই গুলাব, মসলিন আসিল। মসলিন দেখিয়া ইলাবতীর কিঞ্চিত শরম লাগিতে লাগিল, এই পরিধেয় কিভাবে পরিধান করিবে ইলাবতী।

সে যাই হোক, সেই মস্ত দীঘির তলদেশে ছিল কুমির রাজার বসবাস। কুমির রাজা বহুকাল পুর্বে এই রাজ্যের ই রাজা ছিলেন, কোন এক মুনির অভিশাপে অদ্য রাজা কুমির । সেই কুমির রাজ্যের রাজপুত্র সত্যবিক্রম অনিন্দ্যকান্তি পুরুষ, স্তিতিশীল পুরুষ। কিন্তু সমস্যা একটাই, ইহার নিম্নদেশ কুমিরের। স্থিতিশীল হইয়াও কাহারো সহিত কোনরুপ কর্ম সম্পাদন করিতে পারিতেছে না এইটা নিয়া রাজপুত্রের মনে বেজায় কষ্ট, মনের দুঃখে সত্যবিক্রমকে হরহামেশাই দিঘীর জলে সাতার কাটিতে দেখা যায়। আমাদের ইলাবতী যখন মসলিন পরিধান করিয়া জলকেলী করিতে উদ্যত তখনই সত্যবিক্রম ইলাবতীকে দেখে। চন্দ্রের আলো যখন ইলাবতীর অঙ্গে পরিয়া চকচক করতেছিল তখন সত্যবিক্রম ভাবিয়াছিল, ইহা একটি ইলিশ মাছ। সে আনন্দ সহকারে অগ্রসর হইয়া বিস্ফোরিত নেত্রে দেখিল, আরে, ইহা যে মনুষ্যনারী। মনুষ্যনারীর অনেককিছুতেই সত্যবিক্রম বিস্মিত হইল এবং প্রেমযমুনায় পতিত হইল। আরো ভালো করিয়া ইলাবতীকে অবলোকনের উদ্দেশ্যে সত্যবিক্রম সহসা স্বপিঠে ইলাবতীকে লইয়া এক দৌড়ে আপনকক্ষে প্রবেশ করিল। ইলাবতী এতক্ষনে কিছু ঠাহর করিবার অবস্থানে আসিল।

একি! উনি কে! উনি কি স্বর্গের দেবতা? এত স্থিতিশীল পুরুষ এতকাল কোথায় ছিল? ক্বিয়দক্ষন ভালোভাবে নিরিক্ষা করিতেই ইলাবতী বুঝিল ইহার নিম্নদেশ কুমিরের। দেখিয়া ইলাবতী কান্নায় ভাঙ্গিয়া পড়িল, নিম্নদেশ না থাকিলে কেমনে কি হইবে? ইলাবতী ক্রন্দনের হেতু বুঝিতে পারিয়া সত্যবিক্রম ইলাবতীর মসলিন হইতে নেত্র সরাইয়া বলিল, “কন্যা, ইহা কোন সমস্যা নহে, সাত সমুদ্র তের নদীর পাড়ে মুনি আছেন, ঊনার কাছে তোমার এই মসলিন নিয়া যাইতে পারিলেই আমি পুনরায় পরিপুর্ন পুরুষ হইয়া উঠিব।” শুনিয়া এইবার ইলাবতীর নেত্র আনন্দ অশ্রুতে পরিপুর্ন হইল, সে আনন্দ সহকারে মসলিন বিসর্জন দিল। সত্যবিক্রম জীবনে এই প্রথম একটা মিথ্যা কথা বলিল, মুনি মসলিন নিয়া যাইতে বলেন নাই, খালি হাতে গেলেও হইত।

এর পরের কাহিনী সরল, সত্যবিক্রম মুনিদর্শন করিয়া পুর্নাঙ্গ স্থিতিশীল পুরুষ হিসাবে আবির্ভুত হইয়া ইলাবতীকে বগলদাবা করিয়া অত্যাচারী অস্থিতিশীল রাজার নিকট যাইয়া একখান হুঙ্কার দিয়া বলিল, "দূরে যায়া মর!"। অস্থিতিশীল কিছু স্থিতিশীল এর নিকট কখনও টিকিতে পারিয়াছে বলিয়া আপনারা শুনিয়াছেন কখনো?

অতঃপর উহারা সুখে শান্তিতে দিন গুজরান করিতে লাগিল। (Happily ever after)

পরবর্তী উপাখ্যানঃ প্রিন্সেস কলাবতী উপাখ্যান।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29221863 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29221863 2010-08-13 21:39:26
আমার বিশ্বকাপ রঙ্গ ...
যাই হোক, দল তো হইল, এইবার প্লে গ্রাউন্ড ঠিক করতে হইবে। প্রাথমিক ভাবে প্লে গ্রাউণ্ড হিসাবে ফেসবুক আর মোবাইল নির্ধারিত হইল। প্রথমেই যেটা করলাম ফেসবুকে প্রোফাইল পিকচার হিসাবে আপত্তিকর একটা ছবি দিলাম। কার্টুন বাচ্চা আর্জেন্টিনার পতাকা গায়ে দিয়া ব্রাজিলের পতাকার উপর হিসু করতেসে। এইটা দেয়া মাত্র খেলা শুরু হয়া গেল। কয়েকজন তো পতাকার অবমাননা কেন করতাসি সেইটা নিয়া সিরিয়াস আলুচনা শুরু কইরা দিল। এই মধ্যে আমার প্রিয় একজন ব্লগার হামাও আছে। এম্নিতে আমি ফেসবুক খুব একটা ব্যবহার করি না। কিন্তু বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে আমার সহদলের লোকদের সবার স্ট্যাটাসে লাইক দিতে শুরু করলাম। আর ব্রাজিলের পুলাপাইনরে কাটাসম কমেন্ট।ব্যস, খেলা তুঙ্গে ...

এইবার আসি খেলা প্রসঙ্গে। খুব আগ্রহ নিয়া খেলা দেখতে বসলাম। ব্রাজিলের প্রথম খেলা দেইখা ভালই লাগল। আর ম্যারাডোনার লাফালাফি দেইখা বিরক্ত লাগল। এর মধ্যে ব্রাজিলের সেকেন্ড খেলা দেইখা মুগ্ধ হইলাম। কাকা, রবিনহো আর ফ্যাবিয়ানোর সমন্বয় ভালো লাগল, যদিও ফ্যাবিয়ানো পোলাডা বেশী ঢং করে। জার্মানির খেলা ভালো লাগল, কমপ্লিট একটা দল মনে হইল, সাথে স্পেন। ডেভিড ভিয়া রেও জটিল লাগল। কিন্তু সেকেন্ড রাউন্ড শেষে এমন একটা পরিস্থিতি হইল যে আমার বাছাই করা তিনটা দল থেইকা যেকোন একটা ফাইনালে যাইব, একটু দুঃখ পাইলাম, আর ব্রাজিলের নিস্কন্টক রাস্তা দেইখা আমার প্লে গ্রাউন্ডে (ফেসবুক) আক্রমনের ধার বাড়ায়া দিলাম।এইবার জমল মজা। ব্রাজিলিয়ান রা মনে করে ওয়ার্ল্ডকাপ টা তাদের জন্যেই বানানো হইসে। তাদের এই মনোভাব খেলা আরো জমায়া তুলল। অবশেষে আমার খেলার শেষভাগ আসল নেদারল্যান্ড আর ব্রাজিলের খেলার দিন। দুপুর থেইকাই ফেসবুকে তুমুল আক্রমনের উপ্রে রাখলাম। এইডাও কইলাম যে ব্রাজিল হারলে রেডিসন বুফে ডিনার খাওয়ামু। আমি মোটামুটি শিউর আছিলাম যে ব্রাজিল জিতব, তাই এই আক্রমনটা করছিলাম। কিন্তু হায় ঈশ্বর, একি হইল! ব্রাজিল আমার বিশ্বাসের মর্যাদা রাখল না। খেলার জিতার পরে ফেসবুকে ল্যাপ অফ অনার দেয়ার পরে একটু একটু খারাপ লাগতে লাগল। কালকের থিকা আমার খেলা শেষ। পুলাপাইন ঝিমায়া যাইব। ২ মাস পরে আরেকটা বিশ্বকাপের আয়োজন করা হউক, আমি আবার খেলা শুরু করবার চাই।

এর মাঝে মোবাইলেও ছোটখাট খেলা খেলতে শুরু করলাম। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রাজিল গোল খাইবার পরে একজনরে এমএমএস করলাম, “লিখে রেখ, এক ফোটা দিলেম শিশির ...”। সে আমার রিপ্লাই দিল, “সাগরে পেতেছি শয্যা, শিশিরে কি ভয়?” <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

২০১৪ সালে আরেকটা বিশ্বকাপ। আমি সিউর ততদিনে অনেককিছু চেঞ্জ হয়ে যাবে। দুনিয়া যেমনে ঘুরতাসে। আবেগ, সুযোগ, খেলা দেখার সময় হবে কিনা জানি না। সুতরাং অফিসিয়ালি এইবারের ওয়ার্ল্ডকাপেই আমি অবসর নিতাসি।

আর্জেন্টিনা জিন্দাবাদ!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29196449 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29196449 2010-07-10 12:48:56
একটি আলস্যজনিত দ্বিবর্ষপুর্তি পোষ্ট এবং...
আমার ব্লগ জীবনের প্রথম দিক কার কথা বলি। আমার এক বন্ধুকে (কখগঘ ) দেখতাম, বাংলায় কি জানি সব লিখত আর হাসাহাসি করত। আমি জিজ্ঞেস করায় বলল, ব্লগ। আমি ও আচ্ছা বলে রেখে দিলাম। তারপর একদিন হঠাৎ করেই একটা নিক খুলে ফেললাম। নিকটার জন্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুটির প্রতি কৃতজ্ঞতা। তবে বিড়ম্বনাও কম ছিল না, আমার একটা সুক্ষ অনুমান হল, যারা আমার প্রথম পোষ্টটিতে ঘুরে গেছেন তাদের কয়েকজন আমাকে মেয়ে মনে করেই ঘুরে গেছেন। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। প্রথম পোষ্ট এ প্রথম কমেন্টকারী মুহিব ভাই, এই মানুষটাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি এবং অনেক সম্মান করি, কেন করি, সেটার কোন ব্যাখ্যা নেই।

আমি সাধারনত কোন ব্লগ আড্ডায় যাই না। যেতে ইচ্ছেই করে না। আমার কাছে ভার্চুয়াল মানুষগুলোর যে ইমেজ আছে সেটা ভেঙ্গে দিতে ইচ্ছে হয় না। সেজন্যেই এখন পর্যন্ত কোন ব্লগ আড্ডায় যাওয়া হয়ে উঠেনি। আর হয়ত হবেও না।

আমি শুরুতে যে ব্লগার দের পেয়েছিলাম, তাদের দেখতাম মাঝে মাঝে “আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম” ষ্টাইলে মাতম করতেন, তাদের মাতম দেখে আমার আফসোস লাগত, কেন আরো আগে ব্লগে আসলাম না। গত ৭/৮ মাসে আমিও “আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম” ষ্টাইলে মাতম করেছি বিভিন্ন পোষ্ট এ, বিভিন্ন পোষ্টের কমেন্ট । আমার্নিকগুলারে বড়ই মিস করি। ব্লগ জিনিষটাকে কেমন জানি নদীর মত মনে হচ্ছে ইদানিং। শুধু বয়েই চলে। তবে নতুন ব্লগাররাই এই ব্লগের প্রান, এটা সামু এর মডু প্যানেল অনেক আগেই থেকেই মনে হয় জানে।

আরেকটা ব্যাপার, আমি মুলত ব্লগে এসেছিলাম নিজের কিছু কথা বলার জন্যে। আস্তে আস্তে বলার চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু কেন জানি হল না। সাঁঝবাতির রুপকথা নিকের প্রয়োজন মনে হয় ফুরিয়ে এল ...কখনও না দেখেই অনেককে আপন মনে হয়, এটাই মনে হয় বড় পাওয়া।

ভালো থাকবেন সবাই, হ্যাপী ব্লগিং ...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29169089 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29169089 2010-06-03 10:23:48
...তবু মনে রেখো ... যদি পুরাতন প্রেম ঢাকা পড়ে যায় নবপ্রেমজালে ।
যদি থাকি কাছাকাছি,
দেখিতে না পাও ছায়ার মতন আছি না আছি–
তবু মনে রেখ
যদি জল আসে আঁখিপাতে,
এক দিন যদি খেলা থেমে যায় মধুরাতে,
এক দিন যদি বাঁধা পড়ে কাজে শারদ প্রাতে–
তবু মনে রেখো ।।
যদি পড়িয়া মনে
ছলোছলো জল নাই দেখা দেয় নয়নকোণে–
তবু মনে রেখো ।।


প্রিয় একটি গান, প্রিয় একজন ছায়াবতীর জন্যে ...যদিও সে কখনো জানবে না ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29150419 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29150419 2010-05-07 14:19:29
পহেলা বৈশাখ ১৪১৭, মম কথা ...এবং অফটপিক ...

সকাল বেলাটা শুরু হল হালকা টেনশন আর একরাশ বিরক্তি নিয়ে। পোলাপাইনরে ৬টায় আসতে বললে তারা রেডি হওয়া শুরু করব ৬টায়। ফোন দিলে কইব, এইতো দোস্ত, আর ২ মিনিট। সেই ২ মিনিট ২০ মিনিটে যায়া শেষ হইব। যাই হোক, শাহবাগে যায়া হাজির হইলাম সকাল ৭টায়। চারিদিকে এত রঙ। তারমধ্যে ৫ বছরের এক পিচ্চিকে দেইখা, পিচ্চির ছবি তুইলা মনটা ফুরফুরা হয়ে গেল, বেলা ৯টার দিকে সাথের এক বন্ধু হঠাৎ কইরা উধাও, পরে খোজ নিয়া জানতে পারলাম, তার বান্ধবী তারে বুলাইসে। হালকার উপ্রে একটু আপ্সুস খাইলাম। তারপরে দুপুরের খানা খাইলাম বাসায়, ঘুম দিলাম বাসায়। এক্কেরে জেন্টলম্যান এর মত।








পিচ্চির নাম মম ...

যাউজ্ঞা, রিক্সায় উঠছি, উঠতেই রিক্সাওয়ালা জিজ্ঞেস করল, “মামা, পান্তা ভাত কেমন খাইলেন?” আমি জানি না উত্তর দেয়াতে সে বেশ উৎসাহ নিয়ে আমাকে বলল, “জানেন, এক থাল গরম ভাতের মইধ্যে ঠান্ডা পানি মাইরা, ছুডূ একখান ইলিশ মাছ, সাথে একটা হুকনা মরিচ, দাম ২৫০ টেকা...”। শুইনা মনে হইল, বৃথা এ জীবন আমার, চাকরী বাকরি কইরা, ব্লগ লেইখা কি হইব, পান্তা বেচি যায়া। এরি সাথে সাথেই ফকির আলমগীর গানের স্টেজ থেইকা হঠাৎ কইরা শুনলাম, এতক্ষন আপনারা এই গানটি শুনলেন অমুক এর দয়াতে। শুইনা মনে হইল বাঙ্গালীর প্রতিটা দিন পহেলা বৈশাখ হোক। কর্পোরেট পহেলা বৈশাখ।

আরেকটা ব্যাপার আছে, এই যে পহেলা বৈশাখ এ নতুন শাড়ি পাঞ্জাবী কিনতে হইব, এই জিনিষটা মনে হয় ইদানিং দেখতাসি। আমার কেন জানি মনে হয়, এইটাতে ছেলেদের চাইতে মেয়েদের অবদান বেশি। হেতেরা নিজেরা আগে শাড়ী কিনে, অথবা উপহার (!) পায়, পরে পোলাগুলা হেই শাড়ীর সাথে মিলায়া পাঞ্জাবী কিনে। কেউ যদি টেকা খরচ করার জায়গা না পায় তাইলে আমারে নির্দ্বিধায় দিয়া দিতে পারেন। কুনু সমস্যা নাই।

এইবারে কিছু অফটপিক ব্যাপার স্যাপারঃ

পপুলারে ইমার্জেন্সি তে একজনকে নিয়ে গেলাম পা ফ্র্যাকচার হয়ে যাওয়াতে। ইমার্জেন্সির ডাক্তার দেখে বললেন এক্স রে লাগবে। এক্স রের জন্যে বিল পে করতে কাউন্টারে যেয়ে কাউন্টারম্যান দের কি বোর্ডের একটা একটা করে কি চাপা দেখতে দেখতে ২০ মিনিটে একটা বিল তৈরী হল। এক্স রে এনে ডাক্তার কে দেখানোর পরে ডাক্তার বললেন, ‘আপনি আমাদের পাশের কনসাল্টেশন বিল্ডিং এ নিয়ে যান এবং একজন অর্থোপেডিক্স ডাক্তার কে দেখান।’ আমি বোকার মত প্রশ্ন করলাম, ‘তারমানে কি? প্লাষ্টার আপনি করবেন না?’ আর কথা বা বাড়িয়ে ওই ডাক্তারের ফি ৩০০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে বের হয়ে চলে আসলাম।

এবার কনসালটেশন বিল্ডিং এর পালা। ডাক্তারের কথা বার্তা আমার অনেক পছন্দ হইসিল, কিন্তু প্লাষ্টার করা শেষ হইলে উনি প্রায় ৪০০০ টাকার একটা বিল ধরিয়ে দিলেন, যথারীতি এখানেও আমার কিছু বলার নেই, টাকা দিয়ে চুপচাপ চলে আসলাম। রাতে এর ডাক্তার বন্ধুকে জিজ্ঞেস করলাম, “আচ্ছা বল তো, সবচেয়ে ভালো উপাদান দিয়ে প্লাষ্টার করলে কত খরচ হবে?” ডাক্তার বন্ধুটি বলল, “ম্যাক্সিমাম ১০০০ টাকা।”
আমার আর কিছু বলার নাই।

মোস্তফা জব্বার সাহেব বাংলাদেশ এর একজন স্বনামধন্য আইটি বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেছেন অভ্র একটা পাইরেটেড সফটওয়্যার এবং ইউএনডিপি এই পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করেছে। প্রসঙ্গত, আমি গত ৫ বছর ধরে এই অভ্র ব্যবহার করে আসছি, এই ২০১০ এ এসেই উনার এই অভিযোগ তুলতে হল কেন এটা বুঝতে পারছি না।
এইখানে আমার কিছু বলার আছে, জব্বার সাহেবকে একটা মেইল দিয়েছি, দেখি উনি কি রিপ্লাই দেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29138455 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29138455 2010-04-20 14:34:06
মুক্তগদ্য...নৈঃশব্দ্য ছুঁবে তোমাকে ... ...ছায়া ছায়া একটা ব্যাপার আছে ওর মাঝে । অদ্ভুত মোহ জাগানিয়া। ছায়া কে রেখে সামনে যাই, নাকি ছায়া আমার পিছনে পরে যায়, বুঝতে পারি না। কিন্তু সে ধায় আমার পিছে, মাঝে মাঝে সে আমার চেয়েও দীর্ঘ। দীর্ঘশ্বাস আটকাই, পথ চলা শুরু, ছায়ার সাথেই। দীর্ঘ হতে হতেই মিলিয়ে যায়, আস্তে আস্তে ...জানান দিয়ে। মন খারাপ হয় না আমার। শিউলী কুড়াই, তীব্র ভালোবাসার মায়ায়। শিউলী দুহাত ভিজিয়ে দেয়। ছায়ার দু হাত ও ভেজা...আমারি মতন ...আমি জানি ...আমি জানি ...

বসন্তঃ
বাসায় দুটো মেহগনী গাছ আছে। ছোটবেলায় শীতের শেষে গাছ ঝাকিয়ে পাতা ঝরাতাম নতুন পাতা দেখব বলে। বসন্তে হালকা সবুজ রঙ এর কচি পাতা, তাকিয়ে থাকতে থাকতে অজান্তেই হাসতাম। কি যে ভালো লাগত দেখে। আমি কেন মিল পাই আমার নিজের সাথে? ঝাকানো থামে না, চলে অবিরত, নতুন পাতার সন্ধানে, নতুন বসন্তে। গত বসন্তের স্বপ্নগুলো এ বসন্তে নেই, এ বসন্তের গুলো আগামী বসন্তে থাকবে না, এমন কোন এক বসন্তে আমিও থাকব না...আমার স্বপ্নগুলো কি তখন আমাকে মনে করে কাঁদবে একটু?

স্বপ্ন...লাল, বেগুনীঃ
একটা স্বপ্ন সাজাই...টলটলে জলের দীঘি, নৌকাটা ঠিক মাঝখানে, খুব সুন্দর করে সাজানো। কৃষ্ণচূড়া আর জারুল দিয়ে, দূর থেকে দেখে যেন মনে হয় লাল বেগুনীর একে অপরের সাথে মিশে আছে। আচ্ছা, লাল আর বেগুনী মিশালে কি মায়া মায়া মায়াবতী রঙ হবে? ঝিম নেশা ধরা ঝুম দুপুর। নৌকায় শুধু আমি আর আমার স্বপ্ন। আলতো করে স্বপ্নটাকে ছুঁয়ে দিয়ে বলব, "এই মেয়ে, তুই আমার হবি?..."এটুকুই ...আর কিছু ভাবিনা, স্বপ্ন তো স্বপ্নই, জীবনে সব স্বপ্ন পুরন হতে হবে এমন কোন কথা তো নেই ...

কৃষ্ণচূড়াঃ
খুব ইচ্ছে করত একসময়, গাছ থেকে আগুন পাড়ব। দুহাত জ্বলে যাবে, তবুও আনব। মুঠো মুঠো আগুন এনে ছড়িয়ে দেবো। গাছগুলো কষ্ট পাবে? পাক, তাতে আমার কি? আমার হাতে আগুন চাই। লাল লাল আগুন। গাছ ভর্তি স্বপ্নেরা মলিন হবে, এটা সহ্য হবে না আমার। কেউ কেউ অনন্য আমি, সবাই আমি না। অনন্যাকে দেখি না অনেকদিন হলো। কেমন আছে ও? আমাকে মিথ্যে করে হলেও ভালোবাসি বলতে বলেছিল, আমি পারিনি। সবাই সবকিছু পারে না...তুই মর, মরে বৃক্ষ হ! আমার মরতে হবে না বন্ধু, তার আগেই বৃক্ষ হয়ে গেছি। বন্ধু, তুই কেমন আছিস রে?

জোনাকী ভালোবাসাঃ
কতদিন তোকে খোলা মাঠে অন্ধকারে জোনাকী আর ঝিঁ ঝিঁ পোকার অদ্ভুত মায়া দেখাতে চেয়েছি। তুই বলতি, মাঠটাই যেন তোর জন্যে তুলে নিয়ে আসি। আমি জোনাকীর কাছে যাই, ওদের থেকে শক্তি সঞ্চয় করি, যেদিন পুরো মাঠ নিয়ে আসতে পারব, সেদিন আমিও জোনাকী হয়ে যাব। আমি জোনাকী হলে আমাকে ভালোবাসবি? বল না...আমি মরে গেলে ভালোবাসবি?

মেয়ে তুমি স্থির থেকো ...নৈঃশব্দ্য ছুঁবে তোমাকে ...একাকী নৈঃশব্দ্য ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29114197 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29114197 2010-03-11 12:29:46
ইচ্ছে হলে ভালোবাসিস ... একদিন ভোরবেলা লাল সুর্যটাকে দেখে মুগ্ধ দৃষ্টিতে কিছুক্ষন তাকিয়ে ছিলাম। বুকে কেমন জানি অস্থির এক অনুভুতি। ভালোবেসে ফেললাম সুর্যটাকে। তারপর সারাদিন অপেক্ষা...আর কষ্ট...সুর্যটা শুধু আমার কষ্টের প্রহরগুলোকে আরো খাঁটি করে তুলল। দিনান্তে হারিয়েও গেল। অপলক তাকিয়ে আবারো কষ্ট মেশানো মুগ্ধতা। নির্ঘুম সারারাত, কখন ভোর হবে। অতঃপর আবার ভালোবাসা, আবার খাঁটি হওয়া, আবার নির্ঘুম। খুব নিপুন হাতে আকা একটা বৃত্ত। ভাঙ্গার সাধ্যই নেই আমার। আচ্ছা, সুর্য কি বলতে পারে তার কতটুকু কাছে গেলে, তাকে কতটুকু ভালোবাসলে সে বুঝবে আমায়? আগুনরঙ্গা প্রজাপতি চাই আমার, উড়ে যাবো, সুর্যের দিকে ...

গোধুলীঃ
গোধুলীটা আমার সবসময়ই প্রিয়। কেমন জানি একটা মায়া ছড়িয়ে দেয়। মায়া নামে কারো সাথে পরিচয় হবার ইচ্ছে ছিল কোন একসময়। পরে লজ্জায় আর কাউকে বলতে পারতাম না। ছায়ার মায়া যে জোনাকীর আলোর মত অদ্ভুত স্নিগ্ধময়, চোখের পাতা পরে না, ভয় হয় এই বুঝি নিভে গেলো, আসলেই কি জ্বলেছিল আমার জন্যে? নাকি মায়া?

নদীঃ
আমি না হয় শান্ত নদী হব। উত্তাল ঢেঊ অন্য কারো জন্যে তোলা থাক। একজন খুব দরদ দিয়ে গাইত, এই ঝিনুক ফোঁটা সাগর বেলায়... খুব জানতে ইচ্ছে করে, ঝিনুকের আমন্ত্রন উপেক্ষা করার শক্তি সে কোথা থেকে পেল। নদীর তীরে ঝিনিক কুড়ানো হয়নি কখনো, নদীর তীরে মনে হয় ঝিনুকদের থাকতে নেই, তবু আমি শান্ত নদী হব...

সাঁঝবাতির রুপকথাঃ
মা প্রতি সন্ধ্যায় সাঁঝবাতি দিয়ে প্রনাম করতে বলতেন। সেই থেকে শুরু, আজো নত হয়ে আছি। কখন যে সাঁঝবাতিকে জড়িয়ে রুপকথা হলো বিন্দুমাত্র টের পাইনি। রুপকথা নিয়ে আরো রুপকথা। এভাবেই রুপকথারা ...সব কিছুই জীর্ন হয়, সাঁঝবাতি উজ্জল থেকে উজ্জলতর, ধ্রুবতারার মত। রুপকথাগুলোকে রেখে দিব, ছুঁতে দেবনা কাউকে...

শামুক ও নদীঃ
ছোটবেলা থেকেই শামুক দেখে কেমন জানি লাগত। খানিকটা লবন এনে ছড়িয়ে দিলেই ব্যস। ইদানিং কি যা হয়েছে, নিজেকে শামুকের মত মনে হয়, যথারীতি লবন দেয়ার মানুষের অভাব হয়না। আমিও চুপচাপ। আমার তো রক্ত নেই, আমার আবার কিসের ভয়? শামুক আর নদীর মধ্যে একটা মিল আছে, দুটোই শান্ত। আমিও শান্ত ...

মানুষগুলো কেমন জানি অন্যরকম, কোন গভীরতা নেই, সব অস্থির ...

নির্ঝরের মুক্তগদ্য দেখে খুব হিংসা হত, আমি কেন উনার মত লিখতে পারি না, আজ সাহস করে শুরু করে দিলাম। জানি কিছুই হয়নি ...তবু ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29089940 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29089940 2010-02-02 11:14:02
আমার আমি...২০০৯
সবাই বলে আমার নাকি বন্ধুভাগ্য অনেক ভালো। অনেকটা ছায়ার মত আগলে রাখে এরকম একজন বন্ধু পেয়েছি গতবছর। আমার জীবনের উল্লেখ করার মত খুব একটা আনন্দময় সময় কেটেছে তার সাথে। ইদানিং সে আমাকে ভুল বুঝছে। কেন ভুল বুঝছে আমি জানি, আমি যতই সবকিছু ঠিকঠাক করতে চাই সে ততই দূরে সরে যায়। আমি জানি সে আমার প্রতি বিরক্ত, কাউকে বিরক্ত করতে একদম মন সায় দেয় না।

মে মাসে একবার সিলেট গিয়েছিলাম। সাথে আমার ভার্সিটি জীবনের আমার রুমমেট, আমার সাহিত্য পার্টনার, আমার খুব কাছের একজন মানুষ, রনি। ছায়াবন্ধুটিও কোন কারনে সিলেট গিয়েছিল, দুটো দিন পুরো স্বপ্নের মত সময় কেটেছে। ভাবতেই অবাক লাগে আজ দুজনের কেউ আমার সাথে নেই, রনি অষ্ট্রেলিয়া, ছায়াবন্ধুটি নানা কারনে ব্যস্ত। আমার সাথে তার আর আগের মত যোগাযোগ করার সময়, সুযোগ, ইচ্ছে কোনটাই হয়ত হয় না। মেনে নিয়েছি। আমি মেনে নেয়াদের দলে।

আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু এবং কাছের মানুষটার প্রথম জব পাওয়া, আমার মনে হচ্ছিল, আমি হয়ত আবার নতুন করে জব পেয়েছি। প্রথম যেদিন ও স্যালারি তুলল, আমার নিজের প্রথম স্যালারী তোলার দিনটার কথা মনে পড়ে গিয়েছিল। অতঃপর সেলিব্রেট, খাওয়া দাওয়া, আহ!

মানুষ কখনও তার বর্তমান নিয়ে সুখী হয়না, আমিও আমার জব নিয়ে হ্যাপী ছিলাম না, এই নেই , ওই নেই, হেন তেন কতকিছু। খুব করে চাইছিলাম জব টা চেঞ্জ করতে, কিভাবে কিভাবে যেন সুযোগ চলে এল, জবটা চেঞ্জ করে ফেললাম। এখনো পর্যন্ত অভিযোগ খুব একটা নেই, কিন্তু বুঝতে পারছি অভিযোগ গুলো দানা বাধঁছে। আমার পরিচিত এমন কিছু মানুষ আছে যারা অল্পতে খুব হ্যাপী। ওদের থেকে টেকনিক টা শিখতে হবে। খুব জরুরী হয়ে পড়েছে।

বছরের শেষ দিনের আগের দিনে আমার প্রিয় বন্ধুটির বাবা হারানো। দুপুর থেকেই হাসপাতালে ছিলাম, দুপুর থেকেই জানতাম কিছু করার নেই, শুধু তাকিয়ে দেখা। হলোও তাই। সন্ধ্যা ৬ টার দিকে মারা গেলেন উনি। কেন জানি ওইদিন আবার আমার নিজের বাবার কথা খুব মনে হচ্ছিল, কান্না আটকে রাখতে পারিনি।

যা লিখতে চেয়েছি সেটা একান্তই আমার ২০০৯ এর নিজস্ব কথা। এর সাথে কোনরকম কোন বিনোদনের ব্যাপার জড়িয়ে নেই। অবশ্য আমার কোন পোষ্টেই থাকে না। তবু স্বজন ব্লগার রা এসে খোঁজ নিয়ে যায়। এটাই বা কম কি। এই ব্লগে আসার আগে আমার ধারনাই ছিল না যে, কেউ কাউকে না দেখেও এরকম অকৃত্রিম স্বজনে পরিনত হতে পারে।জয়তু সামহোয়ার ইন ব্লগ বলতে পারছি না, সেক্ষেত্রে জয়তু ব্লগের স্বজনরা ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29075070 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29075070 2010-01-09 14:50:48
আজি যে রজনী যায়... ফিরাইব তা কেমনে ...
নয়নের জল ঝরিছে বিফল, নয়নে...

এ বেশ ভুষন, লহ সখি লহ
এ কুসুম মালা হয়েছে অসহ
এমন যামিনী কাটিল বিরহ শয়নে
আজি যে রজনী যায় ...

বৃথা অভিসারে এ যমুনা পাড়ে এসেছি
বহি বৃথা মন আশা, এত ভালোবাসা বেসেছি।
শেষে নিশি শেষে বদন মলিন ক্লান্ত চরন,
মন উদাসীন, ফিরিয়া চলেছি, কোন সুখহীন ভুবনে ...
আজি যে রজনী যায় ...

ভোলা ভাল তবে কাঁদিয়া কি হবে, মিছে আর
যদি যেতে হল হায়,
প্রান কেন চায় পিছে আর।
কুঞ্জদুয়ারে অবোধের মত, রজনী পোহাতে ,
বসে রব কত?
এবারের মত বসন্ত গত জীবনে ...

আজি যে রজনী যায়
ফিরাইব তায় কেমনে ...?,
ফিরাইব তা কেমনে ...
নয়নের জল ঝরিছে বিফল, নয়নে...

এ বেশ ভুষন, লহ সখি লহ
এ কুসুম মালা হয়েছে অসহ
এমন যামিনী কাটিল বিরহ শয়নে
আজি যে রজনী যায় ...

বৃথা অভিসারে এ যমুনা পাড়ে এসেছি
বহি বৃথা মন আশা, এত ভালোবাসা বেসেছি।
শেষে নিশি শেষে বদন মলিন ক্লান্ত চরন,
মন উদাসীন, ফিরিয়া চলেছি, কোন সুখহীন ভুবনে ...
আজি যে রজনী যায় ...

ভোলা ভাল তবে কাঁদিয়া কি হবে, মিছে আর
যদি যেতে হল হায়,
প্রান কেন চায় পিছে আর।
কুঞ্জদুয়ারে অবোধের মত, রজনী পোহাতে ,
বসে রব কত?
এবারের মত বসন্ত গত জীবনে ...

আজি যে রজনী যায়
ফিরাইব তায় কেমনে ...?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29054754 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29054754 2009-12-07 03:41:09
...আহা জীবন!
পৃথিবীর সবাই আমাকে ভালোবাসবে এটা তো চাইনি কখনই। শুধু একজন ভালোবাসবে আমাকে সেটাই চেয়েছি। ইদানিং অধিকারগুলো খুব যন্ত্রনা করছে। না পারি ধরে রাখতে, না পারি একেবারে দূরে সরিয়ে দিতে। কেন যে এরকম হয়? অবশ্য অধিকার গুলোর দাবিদার আমি কিনা সেটাও একটা প্রশ্ন। কেউ দূরে সরিয়ে দিচ্ছে, আর আমি বেহায়ার মত বারবার হাত পেতেই যাচ্ছি, ভাবতেই খুব লজ্জা লাগে মাঝে মাঝে। কিন্তু কিছু করার নেই আসলে। স্বপ্ন দেখতে হলে লজ্জা রাখতে নেই। আমি স্বপ্ন দেখতে চাই। স্বপ্ন পূরন হলে কেমন লাগে সেটা বুঝতে চাই...

হাটতে হাটতে লালমাটিয়া চলে এসেছি কখন যেন। আবার বাসায় ফিরতে হবে ভাবতেই রাস্তায় শুয়ে পরতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু যেতে হবে, আমি যে নিয়মের বাইরে যেতে পারি না। নিয়মের বাইরে যাবার সাহস যেদিন হবে সেদিন পৃথিবীটাকে ভেঙ্গে দুই টুকরা করে ফেলব...

এটাই মনে হয় বেঁচে থাকা ...আহা জীবন!

...আমি তোমার দূরে থাকি, কাছে আসব বলে,
আমি তোমার কাছে আসিনা, চলে যেতে হবে বলে,
তোমাকে ভালোবাসি না, না পাবার ভয়ে...
এ কেমন অনিয়ম, কাঁদায় আমার প্রতিক্ষন...
...আহা জীবন ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29033718 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29033718 2009-10-28 22:50:38
বাবা, এখন আর তোমার চোখে পোকা পড়ে না ...
এবারের পুজায় কেন জানি জাকজমক টা একটু বেশীই হয়েছে, সব কিছুরই আধিক্য, প্রতিমা, পুজা মন্ডপ, লাইটিং সবকিছুই একটু বেশী মাত্রায়। তবে খারাপ লাগেনি, বরং ভালোই লেগেছে। পুরনো বন্ধুদের সাথে রাতের বেলায় রাস্তায় রাস্তায় আড্ডা দেয়া, কে জানে, পরের বছর আবার এই বন্ধুদের পাব কিনা। সবাই একটা নিরাপদ , সুন্দর জীবন চায়, বাংলাদেশে কেউ থাকতে চায় না। সবার মাঝেই জোর তোড়জোর দেশ ছেড়ে যাবার জন্যে । এই সবকিছুই মাঝে পড়ে আমিও দিশেহারা হয়ে যাই, তোড়জোর শুরু করার কথা চিন্তা করি, কিন্তু যখনি প্রিয় মানুষগুলোর কথা মনে পড়ে তখনি কান্না চলে আসে। কতদিন ই আর বাচব? আর বড়জোর ৪০ বছর। এই অল্প সময়টুকুর জন্যে প্রিয়মানুষদের ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করে না। আমারও আর চেষ্টা করা হয় না।

ছোটবেলায় বাবাকে ভয় পেতাম। কিন্তু পুজার সময়টা আসলেই ভয় উড়ে যেত। পুজার সময় বাবা কিছু বলতেন না, বরং অষ্টমীর দিন আমাদের নিয়ে বাইরে যেতেন। অনেক ভিড় যেখানে থাকত সেখানে বাবা কোলে, ঘাড়ে যেভাবে সুবিধা হয় সেভাবেই প্রতিমা দেখার ব্যবস্থা করে দিতেন। পুজার সময় রাস্তায় অনেক লাইট থাকত, আর থাকত ছোট ছোট পোকা, আমার মনে আছে, পুজার প্রায় প্রতিদিন ই বাবার চোখে পোকা পড়ত, বাবা অনেকক্ষন চেষ্টা করে চোখ লাল করে পোকা বের করতেন, তারপরে আমাদের দিকে হাসিমুখ করে বলতেন, চল পরের পুজাটা দেখে আসি ...

এখন পুজার সময় পোকা , লাইট দেখলেই শুধু বাবার কথা মনে হয়, রাস্তার এত লোকজনের ভিড়ে বাবাকে খুজি, বাবার হাসিমুখ খুজি, পাইনা ...ভেতরে কেমন জানি লাগে, মনে হয়, আমার সারাজীবনের সব সুখ বিসর্জন দিয়েও যদি বাবাকে আবার পেতাম, একটিবারের জন্যে ...একটি বারের জন্যে যদি বাবার হাত ছুয়ে বলতে পারতাম , "বাবা, তোমাকে কখনই বলা হয়নি, আমি আসলে তোমাকে অনেক ভালবাসতাম, তোমার এই ভালবাসা উপেক্ষা করে চলে যাওয়া কি উচিৎ হয়েছে? বলো বাবা ..."]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29017945 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/29017945 2009-09-30 10:43:13
এই তবে বন্ধুতা ...
"বন্ধু তো সেইজন, যে ধারন করবে তোমার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর। তাকে দেখেই তোমার চোখে মুখে জাগবে ধ্বণিত ধৈবত। তুমি বুঝতে পারবে আলো, আলো আসছে...। তার নিজস্ব ভুমিতে তুমি শস্য রোপন করবে গভীর ভালোবাসায় আর সঠিক সময়ে শস্য উত্তোলন করবে অবারিত কৃতজ্ঞতায়। সে হবে তোমার ঐশ্বর্য যা তোমাকে দান করবে জীবনের উষ্ণতা। তুমি তোমার দুচোখ তৃষ্ণার মত তুলে ধরবে তার দিকে আর সেই হবে তোমার তৃষ্ণা নিবারনী।

যখন সে তার হৃদয় উন্মুক্ত করবে তোমার কাছে যত অন্ধকারই হোক তা, তুমি ভয় পেয়োনা আর বন্ধুকে কখনো 'না' বলোনা। যখন সে মৌন তখন কিছুটা সময় তাকে একা থাকতে দাও। তার নিজস্বতাকে তুমি তছনছ করোনা। শরতের স্নিগ্ধ আলো হও...বৈশাখের খরতাপ হয়ো না। বন্ধুতা তো সেই স্বর্গীয় অমরাবতী যেখানে অপার্থিব আনন্দের মাঝে পাখি ডাকা নিস্তব্ধতায় জন্ম নেয় স্বপ্ন, ইচ্ছে, আকাংখা।

বন্ধুতায় কখনো দুরত্ব সৃষ্টি হলে ভেঙ্গে পড়ো না। সাময়িক দুরত্বে বরং অনুভুতি আরো স্পষ্ট হয়, যেমন সমতল থেকেই সবচেয়ে ভালো দেখা যায় পাহাড়ের চূড়ো। বন্ধুতায় কখনো প্রাপ্তির প্রত্যাশা রেখো না। ওটা তবে বন্ধুতা নয়। বন্ধুতা তো এক সংজ্ঞাহীন, বেহিসেবী অনূভুতির আশ্চর্য অনুবাদ। তুমি তোমার সবচেয়ে ভালো যা কিছু উতসর্গ করো বন্ধুর জন্যে। সে যদি তোমার আবেগে ভাঁটা দেখে- জানিয়ে দাও এরপরই জোয়ার আসবে।

তাকে কখনো মৃত্যু, হাহাকার ধ্বংস দেখিও না। বন্ধুর ভেজা হাতের আঙ্গুল ছুঁয়ে তুমি বেঁচে উঠো, তোমার হাত বাড়িয়ে তাকে বাচিঁয়ে তোলো। তোমার দুঃসময়ে তাকে সহযোগীতার সুযোগ দাও কিন্তু নিজেকে কখনও মুল্যহীন করোনা। আর দুজন পরস্পর কে আলোকিত করো। যে আলোর ভিতর সব রঙ এর উৎসার ঘটে। সে আলো অনিঃশেষ ও শান্তিকামী। এ সব কিছুই জীবনকে দেয় কোমল সকাল, স্নিগ্ধ সজীবতা -

এসব নিয়েই বন্ধু ...এই তবে বন্ধুতা ...


(Kahlil Gibran এর The Prophet থেকে হাসান মোরশেদ এর অনুবাদ)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28987600 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28987600 2009-08-02 12:25:53
সে যে মন মোর দিল আকুলি ...
মোর ভাবনারে কি হাওয়ায় মাতালো ,
দোলে মন দোলে অকারন হরষে ।
হৃদয়গগনে সজল ঘন নবীন মেঘে
রসের ধারা বরষে।।

তাহারে দেখি না যে দেখি না,
শুধু মনে মনে ক্ষনে ক্ষনে ওই শোনা যায়
বাজে অলখিত তারি চরনে
রুনুরুনু রুনুরুনু নুপুর ধ্বনি।।

গোপন স্বপনে ছাইল
অপরশ আচঁলের নব নীলিমা।

উড়ে যায় বাদলের এই বাতাসে
তার ছায়াময় এলোকেশ আকাশে।
সে যে মন মোর দিল আকুলি
জল-ভেজা কেতকীর দূর সুবাসে।।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28985084 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28985084 2009-07-28 14:52:54
নিজের অজান্তে ... বাতাসে তুলোর মত হারিয়ে যাব
ঘরছাড়া পথিক, হারানোর ভয় কি?
তোমাতেই শুরু অমনটা না বললেও,
তোমাতেই পথিকের সমাপ্তি ...

চলে যেতে তো আসিনি,
তোমাকে মেঘের ভেলায় নিয়ে
স্বপ্নালোকে যেতে এসেছি
হারিয়ে যেওনা কখনো
অচেনা পাতার মত
পুনরায় অচেনাকে জয় করার শক্তি
পথিক তোমাতেই বিসর্জন দিয়েছে
কোন এক স্বপ্নীল মুহুর্তে
তোমার হাত ছুঁয়ে
তোমার ছায়ায়
নিজের অজান্তে ...

অনেকদিন পরে ব্লগে একটা পোষ্ট দিতে খুব ইচ্ছা করল , একটা কবিতা ড্রাফটে পেলাম ..

আরেকটা কথা আছে,
কবিতাটা ব্লগার ঘাস ফুল এর জন্যে উৎসর্গীকৃত ...সে বলেছিল কিছু অংশ কাটাছেড়া করবে অথবা জুড়ে দিবে, কিন্তু মনে হয় ব্যস্ততার জন্যে দিতে পারে নাই ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28980850 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28980850 2009-07-20 12:27:46
চিঠি দিও ... খামে ভরে তুলে দিও
আঙ্গুলের মিহিন সেলাই।
ভুল বানানেও লিখো প্রিয়, বেশী হলে কেটে ফেলো
তাও
একটু সামান্য দাবী চিঠি দিও

তোমার শাড়ির মত
অক্ষরের পাড় বোনা একখানি চিঠি
চুলের মত কোন চিহ্ন দিও,
বিষ্ময় বোঝাতে যদি চাও
সমুদ্র বোঝাতে চাও, মেঘ চাও,
ফুল, পাখি, সবুজ পাহাড়
বর্ননা আলস্য লাগে
তোমার চোখের মত চিহ্ন দিও, কিছু

আজো তো অমল চিঠি চাই,
পথ চেয়ে আছি
আসবেন অচেনা রাজার লোক
তার হাতে চিঠি দিও, বাড়ি পৌছে দেবে।
এককোনে শীতের শিশির দিও একফোঁটা,
সেন্টের শিশির চেয়ে
তৃনমূল থেকে তোলা ঘ্রান
এমন ব্যস্ততা যদি শুদ্ধ করে একটি শব্দেই
লিখো তোমার কুশল।

ওইতো রাজার লোক যায়,
ক্যাম্বিসের জুতো পায়,
কাঁধে ব্যাগ, হাতে কাগজের একগুচ্ছ
সীজন ফ্লাওয়ার ।
কারো কৃষ্ণচূড়া, কারো উদাসীন উইলোর ঝোপ,
কারো নিবিড় বকুল।

ওর কিছুই আমার নয়,
আমি অকারন হাওয়ায় চিৎকার
তুলে বলি,
আমার কি কোন কিছুই নাই?

করুনা করে হলেও চিঠি দিও, ভুলে গিয়ে,
ভুল করে একখানি চিঠি দিও খামে
কিছুই লেখার নেই, তবু লিখো
একটি পাখির শিশ
একটি ফুলের ছোট নাম
টুকিটাকি হয়ত হারিয়ে গেছে কিছু,
হয়ত পাওনি খুঁজে,

সেইসব চুপচাপ কোন দুপুর বেলার গল্প
খুব মেঘ করে এলে,
কখনো কখনো বড় একা লাগে,
তাই লিখো
করুনা করে হলেও চিঠি দিও,
মিথ্যে করে হলেও বলো,
'ভালোবাসি'।
--মহাদেব সাহা



বলেছিলে চিঠি দিও , চিঠি দেই নাই
তোমাকে না- লেখা চিঠি প্রত্যহ পাঠাই!
তুমি কি পাও না তবে , বোঝো না কি ভাষা,
লেখা কি অস্পস্ট খুবই! কিন্তু ভালবাসা?
তাও কি যায় না পড়া? বানাব কি ভুল?
নদী বয় পাখি গায় তবু ফোটে ফুল!


তুমি কি এতোই দূরে এসব স্মৃতি
তোমাকে দেয় না কভু অনন্ত উদ্ধৃতি?
লোকে বলে মৃত তুমি আমি দেখি নাই
আমার না দেখা দিয়ে তোমাকে সাজাই
বন্ধু প্রিয়, জীবনের সংগী প্রতিদিন,
আমাদের কোনো স্মৃতি হয়নি মলিন।


তোমার রুপালি মুদ্রা রেখে গেছো জমা
তাতে যত জল ঢালি জন্ম নেয় ক্ষমা
প্রেম সুরভিত হয়; উদ্যানে উদ্ভিত
মেঘ নামে, র্বষা হয়, ফইরে আসে শীত!


তোমাকে যে চিঠি লিখি রাত্রি তার খাম

আকাশ রঙিন প্যাড তাতে লিখি নাম।

মহাদেব সাহা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28959986 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28959986 2009-06-04 12:03:14
আবারো ছবি ব্লগ ...বৃষ্টির রাত ও দিন ...

২.ঝর ঝর বরিষে বারি ধারা ...


৩.ধারাবাহিকতা ...


৪. সবুজ পাতা ...


৫.প্রতিফলন ...


৬.এক টুকরো আকাশ ...


৭.আমাদের গাছের আম...


৮. নিঃসঙ্গ ...


৯.টুপ...টুপ...


১০.বৃষ্টিস্নাত ...


১১.অপেক্ষা ...


১২.নিঃসঙ্গ অপেক্ষা ...


১২.তিন প্রজন্ম ...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28953651 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28953651 2009-05-21 12:31:36
বুকের ভিতরে একটুকরো মেঘ ...
পরক্ষনেই আমার স্বপ্নফুল গুলো হাসে, আমার দিকে কটাক্ষ করে, আমি নতজানু হয়ে কাকুতি মিনতি করি, ও কৃষ্ণচুড়া, আমার স্বপ্নগুলোকে ছেড়ে যেওনা, ওদের রংগুলোর ফিকে হবার সময়কে ত্বরান্বিত করো না ,ওদেরকে এই পর্নকুটির ছেড়ে চলে যেতে দিও না ...ওরা যতদিন এই কুটির জুড়ে থাকবে ততদিন ই আলো জ্বলবে এই কুটিরে, ছায়া পড়বেনা কোথাও।

আর যদি উপায়ন্তর না পাও, পথ খুঁজে না পাও, ঝরে যেও, নিঃশব্দে...আমি যেন জানতেও না পারি, আমি যেন বুঝতেও না পারি ...প্রতিদিন আবার কুড়িয়ে আনব, আবার ঘর সাজাবো, আবারো ...জানব না কখনও, বুঝবও না কখন স্বপ্নগুলোর মৃত্যু হয়েছে, অনেক আগেই...শুধু খোলস পড়ে আছে ...সেই খোলস জড়িয়ে আমি ক্রমাগত অতলে তলিয়ে যেতে যেতে ভাবি, সবই ঠিক আছে, যেমন ছিল ...শুধু থাকে না ঘুম ভেঙ্গে উঠার মত সাহস, আলস্য আর আলস্য ...আসলেই কি আলস্য, নাকি মৃত্যু ...?সেই ভালো ...সেই ভালো ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28952228 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28952228 2009-05-18 11:37:34
ওরে, আমারে একটা নয়া পোষ্ট লিখে দে কেউ ...
ওরে ওরে, আমারে একটা নয়া পোষ্ট লিখে দে কেউ ...


ব্লগার পরিসংখ্যান

* পোস্ট করেছেন: ৭৫টি
* মন্তব্য করেছেন: ৫৯৩১টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ৪২১৬টি
* ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ১৬ ঘন্টা
* ব্লগটি মোট ৪১৩৩৩ বার দেখা হয়েছে

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28950088 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28950088 2009-05-13 11:18:31
রবীন্দ্রনাথ ও আমার কথা ...
রবীঠাকুরের জন্মদিন গেল, কিছু একটা লেখার ইচ্ছে ছিল ওইদিন ই, কিন্তু আলস্যের কারনে হয়নি। এখন মনে হচ্ছে কাজটা ঠিক হয়নি, সেই জন্যে এখন একটা গান অন্তত লিখে দেয়া যাক...

তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা, তুমি আমার সাধের সাধনা,
মম শুন্য গগনবিহারী।
আমি আপন মনের মাধুরী মিশায়ে তোমারে করেছি রচনা-
তুমি আমারি, তুমি আমারি,
মম অসীম গগন বিহারী।

মম হৃদয়রক্তরাগে তব চরন দিয়েছি রাঙ্গিয়া,
অয়ি সন্ধ্যাস্বপন বিহারী।
তব অধর এঁকেছি সুধাবিষেমিশে মম সুখ দুঃখ ভাঙ্গিয়া-
তুমি আমারি, তুমি আমারি,
মম বিজনজীবন বিহারী।

মম মোহের স্বপন-অঞ্জন তব নয়নে দিয়েছি পরায়ে,
অয়ি মুগ্ধনয়নবিহারী।
মম সংগীত তব অঙ্গে অঙ্গে দিয়েছি জড়ায়ে জড়ায়ে,
তুমি আমারি, তুমি আমারি,
মম জীবনমরনবিহারী।

২.

আমি কখনও কোন কারনে যখনই বিপদে পড়েছি, বা মন খারাপ হয়েছে, রবী ঠাকুরের কাছে আশ্রয় খুঁজেছি, উনিও অকৃপন ভাবে আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন, আমি গানের জগতে হারিয়ে গেছি, কেমন একটা মোহের মধ্যে চলে গেছি, মনে হয়েছে, পৃথিবীতে আর সব অর্থহীন। কেন জানি না, খুব মন খারাপ হলে আমি "আনন্দধারা বহিছে ভুবনে..." এই গানটা লুপে ফেলে শুনতে থাকি, এবং একটা সময় পরে দেখি আমার মন খারাপ ভাবটা নেই হয়ে গেছে, আমি এত অবাক হই ...একজন মানুষের কত ক্ষমতা থাকলে দুটো কথার মাধ্যমে মানুষকে আশ্রয় দিতে পারেন...

৩.

পরশু টিভিতে রবীঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠান দেখছিলাম, বিভিন্ন চ্যানেল ঘুরিয়ে ফিরিয়ে, একটা পুরনো ভিডিও ক্লিপ এর মধ্যে দেখলাম রবীঠাকুর কথা বলছেন। দেখে আমার এত অবাক লাগল, মনে হতে লাগল এটা কি সত্যি? আমি আসলে ভুলেই গিয়েছিলাম, উনি রক্ত মাংসের মানুষ ছিলেন। সে যাই হোক , আমার কাছে উনি আমার আশ্রয়দাতা ...আমার পরম গুরু ...

শেষ কথা, প্রতিবছর রবীঠাকুরের জন্মদিবস, মৃত্যদিবস আসলেই বিভিন্ন চ্যানেল এ নাটক বানানোর প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়, আমি খুব অবাক হয়ে ভাবি, গল্পগুচ্ছে এত এত গল্প থাকতেও নাট্যকার রা প্রতিবছর কেন ছুটি আর হৈমন্তীকেই বেছে নেয়, তাও সুনির্মিত হলে একটা কথা, মেকিং দেখে রাগে গা জ্বলতে থাকে, কিছু করতে না পেরে চ্যানেল চেঞ্জ করে দেই ...

রেদওয়ান রনির একটা নাটক দেখলাম, কাদম্বিনীর গল্প, পুরনো বহুল প্রচলিত গল্প, কিন্তু পরিচালক মুল গল্প ঠিক রেখে নিজের মত বানিয়ে নিয়েছেন, দেখে খুব ভালো লেগেছে। রবীঠাকুরের জন্মদিবস, মৃত্যদিবসে তাঁর লেখা নাটক ই যে বানাতে হবে এই ধারনা থেকে আমাদের পরিচালকেরা কবে বেরিয়ে আসবেন ...?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28948775 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28948775 2009-05-10 11:35:48
একজন গভর্নর আতিউর রহমান, খেটে খাওয়া মানুষের শক্তি ...
আমি জানি না এর কতটুকু সত্য , কতটুকু মিথ্যা, তবে সত্য হবার চান্স ই বেশী, তথ্যসুত্র জানি না, আমার এক স্যার গ্রুপ এ মেইল করেছেন ...





পড়ে দেখুন, ভালো লাগতেও পারে ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28943637 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28943637 2009-04-28 15:42:50
আবোল তাবোল ... ঢিস্কাও... ঢিস্কাও...(৭) মনে ব্যাঘ্র চর্ম ভুতুম,
গরু না চায় ঘাস আগে
ঘাস গরুর পিছে ভাগে ।

ভেগে ভেগে কর্ম সারা
ভাল্লাগেনা তোমায় ছাড়া,
লম্ফ মনের উথাল পাথাল
কাঠের গর্তে ইটের খাঁচা
বাজা রে তুই গিটার বাজা ।

গর্তের ভিতর সাপের পাও
লাড়ালাড়ি সব ই ফাউ ,
নখে তোমার আগুন খেলা
আচঁড় পড়লে জ্বালা জ্বালা।
উড়তে যে চায় সব শালা।

ঘোড়ার পাঙ্খা আমার ঘাড়ে
ভারের চোটে মশা মরে,
মশার ক্ষুদ্র জীবন মরন
আমার তাতে কিসের বেদন?

পুচ্ছে বাতি দুই চাকা
ছোট হাতি বড় মাথা ,
মাথা খানা ঘুরেছে,
চাবুক ছুঁড়ে মেরেছে,
উফ!বড্ড লেগেছে ...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28941148 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28941148 2009-04-22 12:02:36
আমার সময়ের ব্যবচ্ছেদ, সাথে প্রার্থনাদ ..আর শুভ নববর্ষ ...
রাস্তার লাখ লাখ গাড়ির মাঝে একেবেঁকে ছুটে যাওয়া ঘর্মাক্ত রিক্সাওয়ালা কে দেখে ভাবি, আমিও তো এরকম হতে পারতাম, কিন্তু আমি এরকম হইনি, নিজেকে নিজের কাছেই ছোট লাগে, টাকা দিয়ে একটু হলেও বড় সাজার চেষ্টা করি, আবার সেই সাথে একটাকা বেশী চাইলে গলার জোরে বুঝিয়ে দিতে চাই, আমি তার চেয়ে অনেক বড়, না পারলে গায়ে হাত ...এই ভাবেই চলছে, চলবে ...

পহেলা বৈশাখ এলেই নিজের মধ্যে উন্মাদনা লাগে, নিজেকে কিভাবে সাজাব সে চিন্তাই মাথায় আগে আসে, এত ভীড়, গায়ে গা লাগা অবস্থা, তবু ভালো লাগে, সবাই কে খুব আপন মনে হয়, শুধু আপন মনে হয় না শানকি তে পান্তা , ইলিশ খাওয়া মানুষদের, আর সেই ব্যবসা করার মানুষগুলোকে। আমার নিজস্ব একটা ধারনা আছে, যারা সারাজীবনে কখনও পান্তাভাত ছুঁয়েও দেখেনি,যাদের বাসায় আগেরদিন রাতের ভাত ফেলে দেয়া হয়, পানি দিয়ে রাখা তো অনেক দুরের কথা, তারাই পহেলা বৈশাখে পান্তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, ষ্টাইল মনে করেই হয়ত ঝাঁপিয়ে পড়ে, তাদের কে আমার করুনা হয় ...

শপিং মলগুলোতে পা রাখার জায়গা নেই, কে কার আগে ভালোটা বেশী দাম দিয়ে কিনে নিতে পারবে সে প্রতিযোগীতা, হারলে মন খারাপ, কেন পেলাম না? ২০০ টাকা এক্সট্রা খরচ করার সময় শখের দাম লাখ টাকা , এই বাক্যটা মনে করি, মনে করে শান্তি পাই, হায়রে শখ, কারো তো খাবারও নাই ... থাক, এসব চিন্তা করা আমার দায়িত্ব না, মহান, দয়াময় ঈশ্বর আছেন উপরে, তিনি দয়া করবেন ভেবে নিজে ঈশ্বরের হয়ে প্রক্সি দিতে যাই না ...আমার কি ...?আমি ঈশ্বর না, হতেও চাই না ...

ক্লান্ত, অবসন্ন হয়ে সারাদিনের বানিজ্যের হিসাব করতে করতে বাসায় ফিরি, শান্ত মনে ভাত খাই, ৫ টাকা দামের সিগারেট অর্ধেক খেয়ে ফেলে দিই, ঘুমাতে যাওয়ার আগে বুকের ভেতর সুক্ষ ব্যাথা লাগে কোন কোনদিন, কিছু না ভেবে চেপে যাই, সারাদিনে হাজার হাজার ক্ষুধার্ত মানুষের অন্ন কেড়ে নিয়ে যে সুখ পাই, তাদের অভিশাপ সুক্ষ হয়ে আমার কাছে ফিরে আসলে সহ্য করতে পারব, করুনাময় আমাকে অন্তত এটুকু শক্তি দিয়েছেন ...

সবাই আসুন, দীনার্তের সহায় , করুনাময়ের দিকে দু হাত তুলে প্রার্থনা করি, প্রার্থনার সময় আমার চোখে জল থাকবে না, সেটা দীনার্তের জন্যে বরাদ্দকৃত ...

আরেকটি বর্ষ শুভ হোক , সবার জন্যে ...শুভ নববর্ষ ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28937425 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28937425 2009-04-13 11:55:40
ছবি ব্লগ ... আসেন সফট ওয়্যার ইঞ্জিন দের গেঞ্জির ছবি দেখি ...

২। আমি অনেক বিজি ...


৩। কিছুই কমু না ..


৪। হইতেই পারে ...



বিঃদ্রঃ
ছবিগুলো ফা* এন্ড ফা* অনলি গ্রুপ থেকে মারিং কাটিং কৃত, যদিও সেভ করতে অনেক কস্ট হইচে ...আগে দেখে থাকতেই পারেন, সেজন্যে আমাকে কোনরকম দোষারোপ করা যাইবে না ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28934880 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28934880 2009-04-07 16:51:59
ছবি ব্লগ ... বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, আশুলিয়া ...
১। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আম বাগান...

২। একটুকরো ধানী জমিন ...

৩।কচি ধানের শীষ... সাথে নৌকা নাই বলে দুঃখিত ...

৪। আবারো আমবাগান (ডেটিং মিটিং করার জন্যে আদর্শ স্থান )

৫। কোন নাম নাই ...

৬। নিঃসঙ্গ ...

৭। গ্যারেজে যাবার পথ ...

৮। টি এস সি যাবার পথ ...



এইবার আশুলিয়া ...
৯। কনে দেখা আলো ...
১০। কনে দেখা আলো ...

১১। মেন্যু -শীতল রেস্তোরা ...(একটা কিঞ্চিত ধারনা দিবার চেষ্টায় ...)

১২। হাবি জাবি ...

১৩। বাশ ...খালি আইক্ষা বাশ ...
১৪। আরেকটা হাবি জাবি ...



ডাইরেক্ট একশন শেষ ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28932196 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28932196 2009-04-01 13:35:34
কিছুই না ...কিছুই না ... ...(পোষ্ট ঈষৎ আপডেটিত)
এখনও ব্লগে আসি অভ্যাসবশত, খুলেই আগে স্বজনপ্রীতি করি, যাদের আমি পছন্দ করি, যারা আমাকে পছন্দ করে, তাদের খুজি, তাদের লেখা খুজি। তারা কোথায় কোথায় কমেন্ট করলেন সেটা খুজি, আড্ডার একটা পরিবেশ খুজি তাদের সাথে, সবাইকে একসাথে পাই না, খুব একটা আড্ডাও হয়না। তার পরে প্রথম পাতায় যাদের লেখা থাকি সেগুলো দেখি, পড়ি খুব কম, পড়তে খুব আলস্য লাগে ...আমার ব্লগ জীবন মনে হয় বৃদ্ধ হয়ে এলো ...

মাঝে মাঝে মন খারাপ হয়, তখন ব্লগে কিছু একটা লিখতে ইচ্ছে হয়, একটা চারলাইনের কবিতা, নিদেনপক্ষে রবী ঠাকুরের একটা গান, এখন কিছুই করতে ইচ্ছে করছে না, কিছুই না...

কাল রাতে বার বার শুধু এই গানটাই মনে হচ্ছিল ...

"...দিবস রজনী আমি যেন কার আশায় আশায় থাকি,
তাই চমকিত মন চকিত শ্রবন তৃষিত আকুল আখি ...
জাগরনে তারে না দেখিতে পাই,
থাকি স্বপনের আশে,
ঘুমের ঘোরে যদি ধরা দেয়,
বাধিব নয়ন পাশে ..."


পোষ্ট ঈষৎ আপডেটিত হইবে ...
যাদের যাদের ভাল্লাগেনা তাদের লিষ্টি করা হইতেসে, লিষ্টি করা শেষে মিষ্টি বিতরন করা হইবেক ...

যাদের যাদের ভাল্লাগেনা তাদের লিষ্টি ঃ
১। সাঝু
২। ক-খ-গ
৩। চাঙ্কু
৪। কাক ভুষুন্ডি
৫। তায়েফ আহমাদ
৬। অকাটমুর্খ
৭। ঘাস ফুল
৮। শাওন৩৫০৪
৯। কঁাকন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28931256 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28931256 2009-03-30 14:14:23
বন্ধু ... এই আমি ...
নিজেকে কেন নিজেই ঠকাও ...
কেন এমন দুঃখবিলাস...
বন্ধু... আমি আকাশ হবো
নিজেকে মেলে দুহাত বাড়াও ...
বন্ধু ... তুমি রাগ করেছো ?
দুহাত তোলো... কি পেলে?
...বন্ধু ...এই আমি ...


বন্ধু ... এই আমি ...(দ্বিতীয় পর্ব )

...বন্ধু, এই আমি...
তোমার মিহি শাড়ির পাঁড় ছুয়ে
চলে গেছে এই আমাকে ,
চলে গেছো তুমি ...
তোমার বন্ধুতার জন্যে জাগ্রত আমি,
উত্তাল ঢেউ... চলে যায় ...
বসে শুধু এই আমি ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28925136 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28925136 2009-03-16 15:51:54
বসন্ত তোমার হোক ...বর্ষারা আমার ... ফুলগুলি ওই মুখে চেয়ে কি কথা মনে মনে...
কোথায় সোনার নুপুর বাজে,
বুঝি আমার হিয়ার মাঝে
সকল ভাবে সকল কাজে , পাষান-গালা সুধা ঢেলে।
আমার নয়ন ভুলানো এলে ,
আমি কি হেরিলাম হৃদয় মেলে..."

বসন্ত হোক... তোমার, আমার ...

(কোন এক ছায়াবতীর জন্যে...)

-----------------------------------------------


হেরো পুরানো প্রাচীন ধরনী,
হয়েছে শ্যামল বরনী।
যেন যৌবন প্রবাহ ছুটিছে,
কালের শাষন টুটাতে...
পুরানো বিরহ হানিছে, নবীন মিলন আনিছে,
নবীন বসন্ত আইল, নবীন জীবন ফুটাতে ...

(কোন এক ছায়াবতীর সৌজন্যে...)


------------------------------------------------

"...বসন্ত তোমার হোক, বর্ষারা আমার ..."

কার কবিতা জানি না, শুধু এই লাইনটাই মনে আছে ...
কাল থেকে শুধু এই লাইন টাই মাথায় ঘুরছে ...

(কোন এক বিষন্ন বসন্তে, কোন এক রুপকথার জন্যে ...)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28910551 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28910551 2009-02-13 12:00:56
আমার ধর্মবিশ্বাস ...আমার বিশ্বাস...(শেষ পর্ব) Click This Link
আমার ধর্মবিশ্বাস ...আমার বিশ্বাস (২)
Click This Link

যাই হোক,আবার আমার বাবার প্রসঙ্গে ফিরে আসি। উনি অনেক আগে থেকেই ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের ভক্ত ছিলেন, দীক্ষাও নিয়েছেন। উনি আর যাই করতেন দিনে একবার প্রেয়ার টা কখন ও বাদ দিতেন না। আমি যখন কলেজে পড়ি তখন উনি আমাদের তিন ভাইকেই দীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে বলেন। আমরা কেউ নিইনি। এটা নিয়ে হয়ত উনার মনে কোন ক্ষোভ থাকতে পারে, কিন্তু প্রকাশ্যে কখন সেই ক্ষোভ এর প্রকাশ করেন নি। আমার যুক্তি ছিল ক্লিয়ার, আমি যা মনে প্রানে করতে পারব না, বিশ্বাস করতে পারি না, তা করা আমার জন্যে কঠিন। হয়ত করতে পারতাম, আর যদি কখনও তা করতাম তাহলে সেটা শুধু আমার বাবার জন্যেই করা হতো, ধর্মের প্রতি আগ্রহী হয়ে না।

এই বয়সে এসে ধর্মের জিনিষগুলোকে কেমন জানি অবাস্তব মনে হয়। এই দেশের মানুষ এত ধর্ম পরায়ন, সারাদিনে বাংলাদেশের মানুষের থেকে যত প্রেয়ার ঈশ্বরের কাছে পৌছায় পশ্চিমা দেশ থেকেও তো এত পৌছায় না। তাহলে বাংলাদেশের মানুষের, বাংলাদেশের এই অবস্থা কেন? আর পশ্চিমা দেশগুলোই বা এত উন্নত কেন? ধর্মই যদি সবকিছুর মুলে হয় তাহলে আমাকে স্বীকার করে নিতেই হবে যে, অন্য সব ধর্মের ঈশ্বরের এর চেয়ে যীশু খ্রিষ্ট বেশী শক্তিশালী। তা নাহলে পশ্চিমা বিশ্বের উন্নতির আর কোন ব্যাখা নেই।

এই জিনিষটাও একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, সে উত্তরে আমাকে বলেছিল,”এখন কে কি অবস্থায় আছে সেইটা মুখ্য না, মুখ্য হল মরার পর কার কি হয় ?” পুনরায় আমার প্রশ্ন, “মৃত্যর পরে ওদের কি হবে সেটা আপনি জানবেন কিভাবে?” এইবার সে যথেষ্ট বিরক্ত হয়ে বলল,”বিধর্মীদের সবার অবস্থা খুব খারাপ হবে ...”, এইটা বলে সে আমার দিকে খুব করুনার দৃষ্টিতে তাকাল। আমি আর কিছু না বলে মনে মনে ভাবলাম, একজন শিক্ষিত , আধুনিক মনস্ক মানুষ যদি এমন ভাবে ব্রেইন ওয়াশড হতে পারে তাহলে আর সাধারন লোকদের কি দোষ। আমি জানি সেও আমার দিকে তাকিয়ে এটাই ভাবছিল যে আমি এরকম শিক্ষিত মানুষ হয়ে কেন এমন অর্বাচীন এর মত প্রশ্ন করলাম ।

আবার অনেক সময় চিন্তা করি, এই যে মানুষ বলে কপালে নাকি আগে থেকেই লেখা থাকে মানুষের জীবনী। ভালো হোক আর খারাপ হোক সবাই এটা বলতেই পছন্দ করে যে, ভাগ্যে যা আছে তাই হবে, হয়েছে, এখানে আমার তো কিছু করার নেই। এই কথাটা আমার কাছে চরম হাস্যকর একটা কথা মনে হয়। ওই সময়ে যদি ওই ঘটনা না ঘটে উলটা ঘটনাও ঘটত তাও মানুষ একই কথা বলত। হায়রে মানুষ জীবন, সবসময় শুধু সুপেরিয়র দ্বারা ডমিনেট হতে চায়।

তাহলে এই যে পৃথিবীতে এত এত মানুষ ধর্মের বিশ্বাস কে পুজি করে চলছে তারা কি ভুল? আমি কি ঠিক? নিশ্চই ধর্মের বিশ্বাস এর মধ্যে এমন কিছু আছে যে কারনে মানুষ আগ্রহী হয়, কি সেটা? এসব চিন্তা করতে যেয়ে একটা কথাই ঘুরে ফিরে বার বার মনে আসে, যারা এই ধর্ম গুলো প্রচার করেছেন তারা ছিলেন অসম্ভব প্রতিভাবান ব্যক্তি, অসম্ভব ক্ষমতা সম্পন্ন একেকজন নেতা। একটা মতবাদ দিয়ে হাজার হাজার বছর পরে কাউকে প্রভাবিত করা অথবা সেই মতবাদে ধরে রাখা মোটেই সহজ কথা না, খুব সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর অন্যতম।

কিন্তু সমস্যায় পরে যাই তখনই যখন দেখি এই মত বাদ গুলো মডারেট হয়ে ব্যবহার হয়। অবশ্য মডারেট হবে এটাই স্বাভাবিক। হাজার হাজার বছর আগের মতবাদ এখনকার পরিবেশে মানানসই হবে না এটাও স্বাভাবিক, কিন্তু সেই মতবাদগুলো এখনকার পরিবেশে মানানসই করতে যেয়ে একেকজন ধর্ম গুরু একেকভাবে মডারেট করেন। আর আমরা সাধারন লোকজন সেই মডারেট মতবাদ গুলোকে আবার আমাদের নিজেদের মত করে মডারেট করি। এত মডারেশনের পাল্লায় পরে আসল মতবাদগুলোই হয়ত হারিয়ে যায়। আমরা একবার ও ভেবে দেখিনা কেন এই মতবাদ গুলো দেয়া হলো, বর্তমান পরিবেশে এগুলোর আসলেই কোন প্রয়োজন আছে কিনা।

যারা বর্তমান পরিবেশে এগুলোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন তাদেরকেই হয়ত আমরা প্রচলিত ভাষায় নাস্তিক বলি, ধর্ম বিরোধী বলি। মতবাদ গুলো কোন পরিস্থিতি তে দেয়া হয়েছে, কি এগুলোর প্রয়োজনীয়তা, আমি আসলে সেটা চিন্তা করতেই বেশী পছন্দ করি। এজন্যে যদি কেউ আমাকে নাস্তিক বলে, ধর্মবিরোধী বলে, আমার মেনে নিতে কোন আপত্তি নেই ...

যাই হোক, এই পোষ্ট এর শুরু হয়েছিল আমার ধর্ম বিস্বাস কি সেটা জানানোর জন্যে। আমি সত্যি সত্যি কি ভাবি, কি চিন্তা করি সেটাই বলতে চেষ্টা করলাম, হয়ত খুব খাপছাড়া হয়েছে । তবুও বলতে চেষ্টা করেছি। কাউকে কষ্ট দিতে চাইনি, এই পোষ্ট এর কারনে কেউ যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আমি দুঃখিত ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28910138 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28910138 2009-02-12 12:55:05
আমার ধর্মবিশ্বাস ...আমার বিশ্বাস ...(২) আমার ধর্মবিশ্বাস ...আমার বিশ্বাস ...(১)-
Click This Link

দুর্গা পুজা, স্বরস্বতী পুজায় কখন অঞ্জলী দেয়া মিস হয়নি। অঞ্জলী দেবার আগ পর্যন্ত না খেয়ে থাকতে হয়। জল পর্যন্ত খাওয়া যাবে না। ছোটবেলা থেকেই এটা পালন করি। এখনও পালন করি।

এখনও অঞ্জলী দেবার সময় খুব নিবিষ্ট চিত্তে হয়ত কিছু একটা চাই ঈশ্বরের কাছে। চাইবার সময় হয়ত বিশ্বাস করি যে আমি হয়ত এটা পাব। নিজের কাছে অনেক বার প্রশ্ন করেছি, কেন এটা বিশ্বাস করি? তারমানে আমি ঈশ্বরে বিশ্বাসী? অনেকদিন খুজেছি এই প্রশ্নর জবাব। এখনও পাইনি। শেষ পর্যন্ত যেটা মেনে নিয়েছি সেটা হলো আমি ট্রেডিশনটাকে পরিবর্তন করতে পারছি না।

আমি যখন খুব বিপদে পরি তখন কেন জানি না নিজের অজান্তেই সাহায্য চাই ঈশ্বরের কাছে। খুব আকুল হয়েই সাহায্য প্রার্থনা করি। হয়ত তখন নিজের কিছু করার থাকে না বলেই ট্রেডিশনালি সুপেরিওর বলে মানা হয় এমন একজনের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা হয়। তিনি শুনেন কিনা অথবা শুনলেও কিছু করেন কিনা সেটা নিয়ে আমি কখনও ভাবি না। যখন কিছুই করার থাকে না, তখন কিছু একটা করা দরকার ভেবেই হয়ত কাজগুলো করি।

আমি কোন ধর্মই আসলে অন্তর থেকে বিশ্বাস করতে পারি না। কোন ধর্ম বললাম এই কারনে যে আমরা ছোট থেকেই এক টেবিলে বাংলা কোরান, বাইবেন, গীতা দেখে অভ্যস্ত। আমি হিন্দু ধর্মের বই যত না পড়েছি তার চেয়ে বেশী পড়েছি কোরান, বাইবেল। কিন্তু খুব বেশীদিন পড়িনি, পড়ার আগ্রহ হয়নি, ছোটবেলায় সব ধরনের ধর্মগ্রন্থ আমার কাছে রুপকথার গল্প ছাড়া আর কিছু লাগত না। হয়ত কিছু কিছু ব্যাপার সত্যি। কিন্তু পরে মডারেট হতে হতে ,রঙ চড়তে চড়তে এগুলো আর সত্যি কাহিনী বলে বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয় না। অন্তত আমি পারি না। উদাহরন দিতে চাইলে ওনেক দিতে পারব, কিনতু আমি কোন উদাহরন দিতে চাচ্ছি না।

আরেকটা বড় ব্যাপার হচ্ছে, মৃত্যর পরের ব্যাপার টা। আমি কখনই মৃত্যর পরে কিছু আছে এইটাতে বিশ্বাসী না। এই ব্যাপার টা আমি কখনই মানতে পারব না মনে হয় । আমার মতে মৃত্য মানে হচ্ছে পরিপুর্ন ভাবে শেষ। যার পরে আর কোন কিছু থাকা সম্ভব না। স্বর্গ, নরক এগুলো ত অনেক পরের কথা। আমি অনেক জনের সাথে এসব বিষয় নিয়ে আলাপ করতে যেতাম একসময়। কিন্ত হঠাৎ করেই আবিস্কার করলাম, আমার এই বিশ্বাস টা কেউ ই পছন্দ করছে না, আমাকে এমন ও শুনতে হয়েছে ,“তোর বিশ্বাস নিয়ে তুই থাক, আমার ধর্ম নষ্ট করতে আসিস না ।” তাই বহুদিন এসব আর কাউকে বলিনি, আজ আবার হঠাৎ করেই লিখলাম।

যারা এই মৃত্যুর পরের ব্যাপারটায় বিশ্বাস করে তাদের আমি শুধু ২টা প্রশ্ন করতাম।
১। মৃত্যুর পরে কে আবার ফিরে এসে এই স্বর্গ, নরক, বেহেশত এই যায়গাগুলোর বর্ননা দিয়েছিলেন? এইসব স্থানের বর্ননা এত নিখুত ভাবে তৈরী করা হয়েছে যেন কোন সিনেমার সেট। তাহলে এই বর্ননাগুলো কি কোন জীবিত মানুষের ই বানানো?
২। এই যে সবাই এত ‘আমি, আমি’ করে এই আমি জিনিষটা কি? আমি মরে গেলে এই আমি’র কি হবে? আমার অনুভুতি গুলোই যদি না থাকে তাহলে আমার মৃত্যুর পরে আমার শরীর নিয়ে যা ইচ্ছা করা হোক এই আমি নামক অনুভুতি টার কিছু যায় আসে কি?

এই দুটো প্রশ্ন আমি মন্দিরের গুরু, মসজিদের ইমাম সহ অনেকের কাছেই করেছি। কেউ আমার বিশ্বাস ফিরানোর মত কোন উত্তর দিতে পারেননি। বরং মন্দিরের গুরু আমাকে বলেছেন আমি যেন আরেকটু পড়ালেখা করে আসি এই বিষয়ে, আর মসজিদের ইমাম আমার দিকে এমন দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়েছিলেন, সেই দৃষ্টিতে লেখা ছিল, ‘আপনি বিধর্মী, আপনি এসব বুঝবেন না’। কিন্তু উনি সরাসরি আমাকে যেটা বলেছিলেন সেটা হল, ‘এইসব প্রস্নের উত্তর পাবার জন্যে আপনাকে ইসলামের অনুসারী হতে হবে।’

(চলবে ...)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28909560 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28909560 2009-02-11 11:38:03
আমার ধর্মবিশ্বাস ...আমার বিশ্বাস ...(১)
আমরা বাবা, চাচা, আর ফুফু’রা পাশাপাশি বাসায় থাকতাম, এখনও থাকি। আমরা কাজিন রা মিলেই অনেকজন। তাই খেলাধুলার জন্যে বাসার বাইরে যাবার প্রয়োজন পড়ত না। বাইরের ছেলেপেলেদের সাথে খুব কম ই মেশা হয়েছে ছোট বেলায়। কিন্তু একটা জিনিষ খেয়াল করতাম। হিন্দু বলে বাইরের ছেলেপেলেরা মাঝে মাঝেই কটুক্তি করত। বিভিন্ন ধরনের ছড়া ছিল। সেগুলো আজো মনে আছে। ‘মালু’, ‘মালু’ যখন শুনতাম তখন কেন জানি একটা অসহায় বোধ তৈরী হত ভিতরে ভিতরে। কিন্তু কিছু বলার কোন উপায় ছিল না। সবাই যে বলত এরকম না, আমার এখনও মনে আছে অপেক্ষাকৃত কম শিক্ষিত দের মধ্যেই এই জিনিসটা বেশী। সেটা ভেবে নিজের মনে স্বান্তনা পেতাম যে এরা অশিক্ষিত, এদের বলায় কিছু যায় আসে না। কিন্তু অনেক শিক্ষিত লোক ও এই মানসিকতার অধিকারী, সেটা এখন বুঝতে পারি, সেকথা আরেকদিন বলা যাবে।

এভাবেই বড় হতে লাগলাম। ধর্মের নিয়ম কানুন, বিধি নিষেধ মানা হয় না, কিন্তু পুজা পার্বন আসলে খুব মজা লাগে। তখন মনে করতাম এটাই হয়ত ধর্মের একটা বৈশিষ্ট্য। কিন্তু এখন বড় হয়ে বুঝতে পারি যে সেটা ছিল শুধু নিয়মিত পড়ালেখা, স্কুল এইসব থেকে অন্তত কিছুদিন এর জন্যে মুক্তি পাবার আনন্দ।

মা খুব আচার মানতেন। আচার মানে হল কিছু বিধি নিষেধ। যেমন, বিছানায় উঠে ভাত খাওয়া যাবে না, অপবিত্র হয়ে ঠাকুর ঘরে যাওয়া যাবে না, ঠাকুর এর মন্দির স্পর্শ করা যাবে না, চামচ দিয়ে খেলেও হাত ধুতে হবে, খাওয়ার পরে খাবারের যায়গাটা ভালো করে ধুতে হবে, এইসব। তার কাছে এইসব হচ্ছে ধর্মের অঙ্গ। বাবাকে কখনও এইসব নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে দেখিনি। আবার বিরোধীতা ও করতেন না। খুব সম্ভবত পারিবারিক কলহ এড়াতেই উনি এই কাজটা করতেন। আমরা মাঝে মাঝেই এইসব নিয়ম কানুন ভঙ্গ করে মা’কে পালটা যুক্তি দেখাতে যেতাম। যেমন, চামচ দিয়ে খেলে যদি হাত ধুতে হয় তাহলে তো খাওয়ার পরে পুরো ঘর , এমনকি ঠাকুরের আসন পর্যন্ত ধোয়া উচিৎ। কিন্তু মা এইসব শুনবেন না, উনার কাছে উনার বিশ্বাস টাই বড়। শেষে আমরাও এসব মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু ধর্মের অঙ্গ হিসাবে কখনই মানি নি, মেনে নিয়েছিলাম পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অঙ্গ হিসাবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28908667 http://www.somewhereinblog.net/blog/optimist24/28908667 2009-02-09 11:23:48