তো বাচ্চালোগ (এইডাই স্টাইল, নাইলে তালিয়া পড়ব না),
১. সর্ববামে সর্বোচ্চ ব্লগারের একটা তালিকা আছে। প্রথম দুইজনের ব্লগ ঘুইরা আসলেই বুঝা যাবে কিভাবে শীর্ষে যাইতে হবে। সেইমতে আগানো যাইতে পারে। পত্রিকার কন্ট্রিবিউটারদের জন্য খুবই কার্যকর পন্থা। অফিসের পিসি থাইক্যা, সেইদিনের নিউজফাইল নিয়া জাস্ট কাটুপেস্টু। তরতর কইরা পোস্ট বাড়বে।
ঝুকি : এতে নজর লাগতে পারে। করণীয় : ইগনোর
২. মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী যে কোনো পোস্ট হইল সামহোয়ারে নজর কাড়ার সর্বশ্রেষ্ঠ উপায়। বড় বড় তালেবর এইভাবেই হিটার ব্লগার হিসেবে নাম কামাইছেন। তাদের ব্লগের হিটসংখ্যা দেইখ্যা ঈর্ষায় মুর্ছা যায় অনেকে। সবচেয়ে ভালো হয় মার্চ মাসে এবং ডিসেম্বর আসলে এই কাজটা করা। মাঝের সময়টা ভারত আর আওয়ামী লিগরে গালি দিয়া পার করতে হবে।
ঝুকি : ত্রিভুজ ও আশরাফ কর্তৃপক্ষের কাছে তাগো পোস্ট চুরি হইছে বইলা বিচার দিতে পারে। করণীয় : রেন্টুর বই ঝাড়া মুখস্ত কইরা এই দুই মানী ব্লগারের আশীর্বাদ চাইয়া প্রতিটি পোস্ট তাদের উৎসর্গ করা। অবশ্য পালনীয় : দুইজন কোনোভাবে যেন না জানে যে এরা দুইজন এক, সেইটা আপনে জানেন
৩. ধর্ম নিয়া লম্বাচওড়া বক্তৃতা দিয়া একটা পোস্ট ঝাড়া। শহীদ মিনার, বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসে মিনার বা স্মৃতিসৌধে পুষ্পাঞ্জলী কিংবা নববর্ষের মতো হিন্দুয়ানী বেদায়াতি শিরকী কারবারের বিরুদ্ধে ফতোয়া দিতে হবে।
ঝুকি : সাদিক এবং চোরার থেইক্যা পাল্টা গুলি চলবে। করণীয় : বায়তুল মোকাররম ( না পাইলে মগবাজার সংগ্রাম অফিসের পাশের লাইব্রেরি থাইক্যা মওদুদীয়া ফতোয়াবাজির একটা বই কিন্যা আনবেন। মনে রাখবেন- কোরান-হাদিস পরে, সাচ্চা ইমানদারের লাইগ্যা এইটাই প্রেরিত পুস্তক।
যারা অনেকদিন থাইক্যাও কিছু করতারেন নাই, তাগো লাইগ্যা একটাই টিপস :
একটা পোস্ট দেন যাতে অশ্লীল কথাবার্তা থাকবে। তারপর আধঘণ্টা অপেক্ষা করেন। যদি দেখেন কেউ মন্তব্য দেয় নাই, নিজেই একটা মন্তব্য দিয়া উপস্থিতি জানান দেন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফা এমন করবেন। মনে রাখবেন- সাম্প্রতিক মন্তব্যের জায়গাটা দখল করাই আসল। আগের সব পোস্টে আবঝাব কমেন্ট দিয়া প্রথম পাতার ডানপাশ দখল করতে হবে। তারপর পাবলিক পইড়াই ছাড়ব। না পড়লে, আরো টিপসের জন্য জিমেইলে মেইল করবেন, বইলা দিবেনে
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


