আমার প্রিয় পোস্ট

(ছাগুর পুটকি) জ্বালাইয়া কালা বানাইয়া লামু

সৌদী টাকায় ইরানী বিপ্লব : জামাতের খিচুরি স্বপ্ন বেচন্তিজ

৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৪

শেয়ারঃ
0 0 0

সৌদি কিং মুসলমানগো মা-বাপ। মুমীনগো আম্মাও লাগে আব্বাও। এই জাহানের বাদশা মাঝে মাঝে ফকির খাওয়ান। আমরা যেমন পবিত্র কোনো উপলক্ষ্যে ফকির খাওয়াই, দুইটা ভালো ব্যাঞ্জন দিয়া মাঝে মাঝে কাপড়চোপড় দিয়া তেমনি। উনি ইমার্জিং মুসলিম দেশগুলার ফকির নেতাগো অতিথি বানান। বাদশার পয়সায় হজ্ব-উমরাহ করেন তারা। তার আতিথ্য নেন প্রাসাদে। ইচ্ছামতো দিন থাকেন। প্রচুর উপঢৌকন নিয়া দেশে ফিরেন। হাসিনা-খালেদা কেউই এর বাইরে না। তয় জামাতি নেতাগো মতো এতটা ফায়দা আর কেউ তুলে নাই। আবুলে আলা মৌদুদী কন আর গোলামে আযম। এখনো বেশ কয়েকজন নেতা সৌদি প্রাসাদে চিকিতসার নামে আতিথ্য নিয়া আশ্রয়ে আছেন। দাওয়াত পায়, মাগার যায় না। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রপতি যায় না, ইন্দোনেশিয়ার যায় না, যায় না ইরানের প্রেসিডেন্ট ও।

এই ইরানরেই আবার মডেল মানে জামাত। ওয়াহাবি কাদিয়ানী বিরোধী আন্দোলন কইরা শিয়া প্রধান একটা দেশের বিপ্লবের রোল মডেল। এবং এক্সট্রিমিস্টগো লগে তাগো এই খানেই বড় ফারাক। ইসলামে ব্যসন বিলাসের কথা বলা হয় নাই, ত্যাগের কথা বলা হইছে। খোদ রসুল ছিলেন তাই। তালেবান- আল কায়েদাগো মূল মন্ত্রো তাই। তারা সৌদি আরবের কর্তৃত্ব স্বীকার করে না। বাদশারে পুছে না। (চলবে)

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৮
কৌশিক বলেছেন: তালেবান- আল কায়েদাগো মূল মন্ত্রো তাই - বিষয়টা এমনভাবে বললে তো উলটা বুঝবো ধোনেসরা! তালেবান-কায়েদারা যে কোটি কোটি টাকার পপি চাষ করে, তাদের ক্ষমতা যে ঐ অর্থের দাপটে ঘোরে, তাও একটু বুঝাইয়া দিয়েন।
৩. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: তালেবানীরা যতই পপির চাষ করুক, লস কিন্তু পশ্চিমাগোই। ওরাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভোক্তা। তয় ইসলামের বড় বারোটা কিন্ত ওরাই ধরাইছে। আর বাংলাদেশের বারোটা বাজাইছে জামাত।
৪. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৭
চোর বলেছেন: সৌদিগো জাকাতের টাকায় অনেক ইসলামী বিপ্লবীর পেট চলে।
৫. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:১৭
অমনিবাস বলেছেন: না সেই টাকায় তারা গাড়ি-বাড়ি করেনা। সন্ত্রাসবাদের অর্থ জোগান দ্যায়। বাট জামাতের থিম আলাদা। অল্প কয়জন মানুষ এক পাগলের বিলাপরে স্টাবলিশ করতে গিয়া কিভাবে তাতে স্টিকড হইল, কিভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে গিয়া ও টিক্যা গ্যালো সেইটা ভাবার বিষয়। জামাত একটা বড় এনজিও। ফায়দাটাই আসল, আর্থিক ফায়দা। ভরমে যাক ইসলামী বিপ্লব, ওইটা সাথী প্রার্থীগো লাইগ্যা
৬. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৯
গরীব বলেছেন: গরীব সাধারণত বড় লোকি আলাপে মন্তব্য করে না। তবে এই বার না করিয়া পারিল না। কারণ শিরোনাম দেখিয়া মনে হইল, সম্পূর্ণ ভুলের মধ্যে আছেন লেখক মশাই। কারণ সৌদির টাকায় ইরানি, এ কথাটা ঠিক না। সৌদি আরব সব সময় ইরানের বিপ্লবের বিরোধিতা করেছে এবং এখনো করছে। আর জামাত, ইরানের নয় সৌদি আরবের অনুসারী,ইরানের নয়। ইরান, ধনী-দাম্ভিক আমেরিকার বিপক্ষে কথা বলে,তাই আমার খুবই পছন্দ। কারণ বুঝবারই পারতাছেন, আমি গরীব।
৭. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৭
শোহেইল মতাহির চৌধুরী বলেছেন: অ.র.পি. জ্বালাইয়া কালা করার জন্য যদি এই পোস্ট হয়ে থাকে তবে ঠিক আছে।
আর নয়, উপরে গরীবের মন্তব্য খেয়াল করতে হবে।

জামাতের নীতি বদলেছে। অনেক কারণে। কাদির কল্লোলের সাথে আমির-ওমরাহদের খাতির আছে। ওর কাছে সর্বশেষ কৌশল ও অবস্থান জানতে পারবেন।

কর্মী লেভেলে ইরানী বিপ্লব আর উপর লেভেলে সৌদি টাকা এইরকম একটা সিস্টেম জামাতে ছিল। এইসব কর্মীরা পরে জামাত ভেঙে আলাদা দল করে। কর্মীরা তরুণ ছিল তাই তারা যুব শিবির পর্যন্ত করেছিল। এরা ছিল ইরানী বিপ্লবের সমর্থক।

জামাতের ইরান বিপ্লব মডেল থেকে সরে আসার একটা কারণ হলো, সৌদি সরকার এইসব মডেল থেকে নিজেদের রাজতন্ত্র রক্ষা করতে মরিয়া। এই রকম কিছু বিপ্লবীরা সম্ভবত: ৭৯-৮০ সালের দিকে কাবার দখল নিয়েছিলো। সুতরাং সৌদি সরকার বিপ্লবের বিষয়ে কড়া। জামাতও এসব বিপ্লবের স্বপ্ন বাদ দিছে।

বিপ্লবের স্বপ্নআলারা যুব শিবির বানালেও ইরানের টাকা পায় নাই। সুতরাং ধীরে ধীরে প্রজেক্ট ধরা।

যাক, খামোখা এতগুলা কথা লিখলাম। আপনার জানা আছে এসব।
জ্বালাচ্ছেন, জ্বালান। কালা কইরা ফালান।
৮. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৪
সাধক শঙ্কু বলেছেন: এই কথাগুলা ওদের মুখ দিয়া বাইর করার জন্য প্রথম থিকাই খোচাইতাছি। এই প্রসঙ্গ উঠলেই টাসকি লাইগা বইয়া থাকে। সৌদি আরবে মৌদুদীবাদ(!) কেমনে বাস্তবায়িত হইছে সেইটাও কয় না। সৌদি টাকা হালাল কিনা তাও না...
৯. ৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৬
সাধক শঙ্কু বলেছেন: ১৯৮৭তে হজ্বের সময় ব্রাশ ফায়ার কইরা ৩০০০ ইরানি হাজি মারছিল সৌদি ঠোলা..মনে আছে কারো?
১১. ০১ লা জুন, ২০০৭ রাত ৩:০১
অমিত বলেছেন: গরীব ভাইজান, শিরোনামের খিচুরি শব্দ খিয়াল কইরা। এইখানে ইরানের কথা কওয়া হ্য় নাই, জামাতকে বোঝানো হইসে..
১২. ০১ লা জুন, ২০০৭ ভোর ৪:১৫
জামায়াত বলেছেন: জামায়াত সৌদি টাকায় চলে এবং ওই টাকায় বাংলাদেশে ইরানের মত বিপ্লব ঘটানোর স্বপ্ন দেখে - ইত্যাদি অবাস্তব দাবী নিয়ে আপনার বিভ্রান্তি ছড়ানোর এই প্রয়াসের নিন্দা জানাচ্ছি।

সৌদি আরব কিংবা অন্য কোন দেশের সরকারের আর্থিক সাহায্যে জামায়াতকে চলতে হয় না। পিয়ালসহ এই ব্লগের সকলের জ্ঞাতার্থে জানানো যাচ্ছে যে কেবল তিনটি উৎস থেকে জামায়াত অর্থ সংগ্রহ করে থাকে:

১. সমর্থক, কর্মী, এবং রুকনদের দেয়া নিয়মিত (মাসিক) চাঁদা।

২. শুভাকাংখীদের দেয়া নিয়মিত বা এককালীন চাঁদা।

৩. জামায়াতের প্রকাশনাসামগ্রী বিক্রয়লব্ধ অর্থ।

এর মাঝে পিয়াল কোথায় সৌদি সরকারের দেয়া অর্থের সন্ধান পেলেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। জামায়াতের আয় ব্যায়ের সকল হিসাব well documented এবং well maintained. জাতীয় প্রয়োজনে এইসব রেকর্ড তদারকির প্রয়োজন হলে কেবলমাত্র উপযুক্ত সংস্থা এবং ব্যাক্তির কাছে তা প্রকাশ করা যেতে পারে।

আতিথেয়তা গ্রহণ করলে মেহমানকে মেজবানের চামচা হতে হবে এমন কোন শর্ত কি আছে? জামায়াতের কোন কার্যক্রমের মাধ্যমে কি এটা প্রকাশ পেয়েছে যে দলটি সৌদি সরকারের এজেন্ডা বাস্তবায়নে তৎপর?

রাজতন্ত্র এবং পরিবারতন্ত্রের কোন স্থান নেই জামায়াতে। এটা জামায়াতের আদর্শের পরিপন্থী। গণতন্ত্রে আস্থাশীল যে কোন রাজনৈতিক দলের অবস্থান হবে স্বভাবতই সৌদিসহ সকল রাজতন্ত্র এবং একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে। কিন্তু কূটনৈতিক সম্পর্কতো যে কারো সাথেই থাকতে পারে! সেটা নিয়ে চটকদার মন্তব্য করে কি ফায়দা হাসিল করতে চান পিয়াল সাহেব?

ইরানের বিপ্লবকে কখনো মডেল মানেনি জামায়াত। মানলে প্রায় ৭০ বছর ধরে নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় মানবতার মুক্তির জন্য কাজ না করে অনেকের মতে "বেহেশতে যাওয়ার শর্টকাট রাস্তা" ধরে এগোনো যেত। জামায়াত সেটা করেনি। কারণ জামায়াত খুব ভালোমতো জানে আপামর জনসাধারণ একটি বিপ্লবের মূল্যায়ন করতে না পারলে তা কোন না কোন সময় ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।

তার অর্থ এই না যে জামায়াত ইরানের ইসলামি বিপ্লবের অবমূল্যায়ণ করে। পরিস্থিতি অনেক সময় অনেক কিছুর সুযোগ করে দিলেও জামায়াত বিশ্বাস করে ওই বিপ্লব ইরানের জনগণের সমর্থন ও আত্মত্যাগের কারণেই সম্ভব হয়েছে।

যে বিপ্লব ইরানে সম্ভব হয়েছে তা একইভাবে বাংলাদেশেও হতে হবে এমন ধারনা পোষণ করার মত আহম্মক জামায়াত না। আশা করি পিয়াল জামায়াত সম্পর্কে তার ভ্রান্ত ধারনাগুলো শুধরে নেবেন।
১৩. ০১ লা জুন, ২০০৭ ভোর ৪:১৮
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ বলেছেন: জামায়াত একজন ভন্ড। উনি আওয়ামী লীগের সমর্থক। বোলোগে এসেছেন জামায়াতে ইসলামীর সুনাম নষ্ট করতে।
১৪. ০১ লা জুন, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৩
অমনিবাস বলেছেন: জামাত এই দেশে রাজনীতি করার সুযোগটা পাইছে কার টাকায়? বাংলাদেশে সব মসজিদ হিন্দুরা ধ্বংস কইরা লাইছে, মুসলমানগো পুনর্বাসন প্রয়োজন বইলা কোটি কোটি ডলার আনছে। সাহায্য দিছে পাকিস্তানও। তারপর আইএসআইয়ের প্রত্যক্ষ তত্বাবধান তো আছেই। জামাত কি বায়তুল মুকাররমে তসবী আর দাত মাজুনী বেইচা টাকা কামাইছে, এহনো কামায়? ভুংভাং ছাড়েন

শোহেইল ভাই, আমি কইছি জামাত টাকা লয় সৌদি, কিন্তু এই পুজিবাদী ইসলামী রাজনীতি গোপন কইরা যায় কর্মীগো কাছে। সুদ হারাম কইয়া গোটা ব্যাংকিং সেক্টরে সুদের কারবার চালাইতে ওগো গায়ে বাজে না।
আশরাফ পুস্ট আছে, কমেন্ট চুদাইলে দিতে পার, তাইলে তোমারে গুয়া মারার একটা উপলক্ষ্য পাইতামা

 

মোট সময় লেগেছে ১.৪৫১৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এবারের সংগ্রাম, ছাগুরাম পোন্দানোর সংগ্রাম
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ