আমি বুঝতে পারছি না একজন আ-আল মামুনের লেখা নিয়ে এত হৈ-চৈ কেন? তিনিও তো একজন মানুষ। আবার ভেবে নিয়েন না আমি তার তাবেদারি করছি। তিনি ব্লগারদের ধন্যবাদ দেন নি এটা নিয়ে সবার মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে গেছে। আর আমরা অর্থাৎ আমি, সুজন, উজ্জ্বল ভাই প্রতিনিয়ত সবাইকে ধন্যবা দিয়ে যাচ্ছি এটা কি আপনাদের পছন্দ হচ্ছে না? আপনারা একজন শিক্ষকের কাছ থেকেই শুধু ধন্যবাদ আশা করেন? তিনি ধন্যবাদ দিলেই আপনারা খুশি? ভাই আমরাতো আপনাদের অবদান অস্বীকার করছি না। আর কতজনের নাম দেয়া যায় বলুন? আকজনের নাম দিলেতো আরেকজন ঠোট ফুলিয়ে বসে থাকেন।
প্রথম আলোর লেখার কথা বলছেন? তাহলে তো এটা করতে হবে যে সাহায্য তহবিলের মত (প্রথম আলো যেটা করে) সবার নাম তুলে দিতে হবে, তাদের মধ্যে কেউ আবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।
এক কাজ করি। আমরা সবাই মিলে শ্বাশ্বতকে বাঁচানো বাদ দিয়ে আপনাদের সবার নামে একটা করে ধন্যবাদ পোস্ট দেয়া শুরু করি। একটা মানুষকে বাঁচানোর চেয়ে যখন আপনারা ধন্যবাদ আর ভদ্রতা নিয়েই আছেন।
বসুন্ধরা সিটিতে আমি নিজে, উজ্জ্বল ভাইসহ আমাদের কয়েকজন বন্ধুও ছিলাম। তাহলে কি আমরাও দাবি করব ধন্যবাদের জন্য?
এতকিছুর পরেও আমি ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ দিচ্ছি সমস্ত ব্লগারদের যারা আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। ধন্যবাদ দিচ্ছি আমার ব্লগ ডট কমকে। ধন্যবাদ দিচ্ছি তাদের যারা সমালোচনা করছেন। সর্বোপরি ধন্যবাদ দিচ্ছি তাদের যারা টাকা দিয়ে শ্বাশ্বতকে সাহায্য করছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



