somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পটকা হয়ে গেল ককটেল; আর আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা :D

০৩ রা জুলাই, ২০১১ রাত ৯:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি কোন সাংবাদিক নই, শুধু মাত্র ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার দরুন বিষয়টি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ থেকে এই লেখা।

গত ১লা জুলাই ঢাবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেজে উঠে এক অপরূপ সাজে। দুপুরের পর মল চত্বরে এক কনসার্টের আয়োজন করা হয়। চলে প্রায় ৬.৩০ পর্যন্ত। বাপ্পার গান শেষে স্থান ত্যাগ করার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের ঢল নামে। এক আপুকে সিনেট ভবনের গেটের সামনে থেকে বিদায় করে এক বন্ধুকে নিয়ে রওনা হই বাণিজ্য অনুষদের দিকে। প্রায় ৩০-৩৫ গজ দূরে যেতেই হঠাত এক আওয়াজে পিলে চমকে যেয়ে পিছনে তাকাই। দেখি সিনেট ভবনের পিছনের মল চত্বর লাগোয়া গেটের ঠিক বাইরে ধোঁয়া আর ছাত্র-ছাত্রীদের ছুটাছুটি। ভাগ্যিস, অনেক ছাত্র-ছাত্রী আগেই স্থান ত্যাগ করায় ভিড় অনেকটাই কমে গিয়েছিল, নাহলে পদপিষ্ট হয়ে যে কি হত খোদা মালুম। সাথের বন্ধুটি ঘটনাস্থলের আরও কাছে যেতে চাইলে না করেও পড়ে আমি সহ সাহস নিয়ে সামনে গেলাম। কিছু ছাত্র ধাওয়া দিয়েও অবস্থা সৃষ্টিকারীকে ধরতে ব্যর্থ হয়।

গেলাম সামনে......... হতাহতের সংখ্যা ০। বেশ কিছু দূরে রেজিস্টার ভবনের সিনেট ভবনের পাসের গেটে দেখি জটলা। সামনে যেয়ে দেখি আমাদের স্রদ্ধেয় উপাচার্য স্যার বের হয়ে আসছেন। আর তাকে দিকে তাক করা সাংবাদিকদের ডিএসএলআর। তিনি তখনও ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৬০-৭০ গজ দূরে দাঁড়ানো (!)।

ঘটনা স্বাভাবিক মনে করে দোস্তদের সাথে মজা-মাস্তি করে বাসায় ফিরে ১০ টার সংবাদ দেখতে বসলাম।

হায় সেলুকাস............ স্ক্রল বারে পরলাম "ঢাবির উপাচার্যকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ। ককটেল লক্ষ্যভ্রষ্ট।" খবর পড়ে পুরাই োদনা হয়ে গেলাম। সাথে যেই বন্ধুটি ছিল, খবর দেখে ফোন দিল আমাকে। তারও একি অবস্থা। ঘটনার স্বাভাবিকতা কতটা অস্বাভাবিক পর্যায়ে যেতে পারে, তা দেখে সেও বেকুব বনে গেল।

এই অবস্থাদৃষ্টিতে, গত ২ দিনের পত্রিকার কোন খবরেই আর আস্থা রাখতে পারছিনা। সত্যিকারের নেপথ্যের ঘটনা উঠে আসুক আমাদের গণমাধ্যমগুলোতে সেই কামনায় নিয়েই আমার এই পোস্ট।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুলাই, ২০১১ রাত ৯:৩০
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার এম্বিগ্রাম এবং আমার বাংলাভাষা

লিখেছেন এম্বিগ্রামিষ্ট জুলিয়ান, ২৬ শে মে, ২০১৬ বিকাল ৪:২৬

আমি প্রথম এম্বিগ্রাম করা শুরু করি স্বাভাবিকভাবেই ইংরেজিতে। এম্বিগ্রাম কি? ড্যান ব্রাউন এর "এঞ্জেলস এন্ড ডেমনস" পড়েই এর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলাম। তারপর বেশ কিছুদিন ইংরেজিতেই করতে থাকি। এরপর ভাবলাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাগ কন্ট্রোলের ট্রাই করি X#( X#(

লিখেছেন অপ্‌সরা, ২৬ শে মে, ২০১৬ রাত ৮:৪০




১) উলটো দিকে গুনি
(countdown)। ১০,৯,৮,৭,৬,৫,৪,৩…..



২) বালিশকে মারি



৩) একলা চিৎকার করি



৫) রেগে গিয়ে না চাইতেও আমরা উল্টাপাল্টা অনেক কিছুই বলে ফেলি যা পরবর্তীতে আমাদের ক্ষতির... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রিয় ব্লগার ''সাদা মনের মানুষ''

লিখেছেন কি করি আজ ভেবে না পাই, ২৬ শে মে, ২০১৬ রাত ৯:৩২


নয়া তার পোষ্ট পেলে
সাথে সাথে দিল খোশ;
সকলেরি প্রিয় তিনি
সাদা মনের মানুষ

নিকে সাদা,নয় সিধে
আগাগোড়া সে দামাল;
নামেতেই বুঝা যায়
আসলেই সে কামাল।

মজলিশে লোক তিনি
আড্ডাটা চাই-ই চাই;
এ ছুতোয় হলিডেতে
প্রিয় মুখ সবেরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

উড়ন্তকাল

লিখেছেন অরুদ্ধ সকাল, ২৬ শে মে, ২০১৬ রাত ১১:২৫



অপঠিত অনেক অপরিচিত কথাগুলোই
ঘুরে ফিরে মাথায় হুঙ্কার তুলে যায় আজকাল
খুব বেশি স্তব্ধ হবার জন্যই এতকাল অস্থির ছিলাম বোধহয়…
শ্যামল বিকেলে হীরের মতো সময়গুলো যে ভালোবাসার-
বাসগৃহে ফেলে এসেছিলাম,
তা’র সবটুকুই এখন ‘ভুলময়’... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড: ইউনুস অনেকগুলো ভুল করেছেন, বড় ভুল রাজনৈতিক দল গঠন না করা।

লিখেছেন মার্কোপলো, ২৭ শে মে, ২০১৬ রাত ১:৫৬



*** আমার পোস্টগুলোতে ফ্লাডিং করছে কিছু লোক, দেখে ভয় পাবেন না, আমি তাদের দুরে রাখার চেস্টা করছি।

ড: ইউনুসের নাম বিশ্ব অনেকদিন থাকবে; কিন্তু বাংলাদেশ ড: ইউনুসকে ভুলে যাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×