সীমান্তের ও পার থেকে এই বার্তা এসেছে উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল,দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি,ত্রপুরার তেলিয়ামুড়া,মেঘালয়ের ডাউকি ও শিলঙের বিএসএফ চৌকিতে । মৌখিক ভাবে নয়,রীতিমতো লিখিত আবেদনে বিডিআরের বিদ্রোহীরা জানিয়েছে, '' এ দিকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমাদের গোলাগুলি চলতে পারে । কিন্তু গোলাগুলির শব্দ পেয়ে আপনারা ও দিক থেকে গুলি চালাবেন না ।আমরা শেষ পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়ব। কিন্তু পরিস্থিতি খারাপ হলে আপনাদের কাছে আশ্রয় নিতে হবে।আপনারাই আমাদের শেষ ভরসা । ''
বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকদের হাত দিয়ে ছোট ছোট কাগজে সাহায্য চেয়ে তাঁদের কাছে বার্তা পাঠিয়েছেন বিডিআর জওয়ানরা।
বিডিআরের তরফে জানানো হয়েছে,তাদের বেশির ভাগ পদস্থ কর্তাই বিদ্রোহে মারা গিয়েছেন।আত্মগোপন করেছেন তাঁরা নিজেরাও। বিডিআর জওয়ানদের আশঙ্কা, সে দেশের সেনাবাহিনী তাঁদের মেরে ফেলতে পারে।তাই প্রাণ বাঁচাতে সাদা পোশাকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় চান অনেকেই।সীমান্ত পার হওয়ার সময় যেন তাঁদের উপরে গুলি না চালানো হয়,এমন আবেদনও করা হয়েছে চিরকুটে।
বিডিআরের বিদ্রোহীরা সত্যিই সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকতে চাইলে কী করা হবে, এই প্রশ্নে বিদেশ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মনোভাবে কিন্তু যথেষ্টই নেতিবাচক।
বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসার পরেই তাঁকে স্বাগত জানায় ভারত।এই জয় গোটা দক্ষিণ এশিয়ার পক্ষেই শুভ। এই অবস্থায় হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণাকারীদের আপ্যায়নের কথা আপাতত ভাবছে না দিল্লি ।
তা সত্ত্বেও বিডিআরের বিদ্রোহীরা এ দিকে এলে প্রথমেই তাঁদের নিরস্ত্র করে নিজেদের হেফাজতে নেবে বিএসএফ । পরে তাঁদের বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করাই ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান ।ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেছেন,বিষয়টি একান্ত ভাবেই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ।
( আনন্দবাজার পত্রিকা )

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

