somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সামহোয়ার ইন ব্লগের নীতিমালা, নিয়ে কিছু নৈতিক প্রশ্ন প্রারম্ভেই সকলকে দাশুর সাষ্টাঙ্গ পেন্নাম,

বিশ্বকর্মার কৃপায় সকলেই ঈষদোষ্ণ আছেন আশা করি। ব্লগোমন্ডলের উত্তাপ দেখিয়াই সেটা বেশ উপলব্ধি করা যায়। আপনাদিগের ব্যস্ত সময় নষ্ট না করিয়া সরাসরি গোড়াতে ঝাঁপ মারি। বেশ কিছু বৈশ্বিক ব্লগসাইট এবং উম্মুক্ত মঞ্চের নীতিমালা কষিয়া একটা মজার তথ্য আবিষ্কার করিয়াছি। তাবৎ ধরণীর কোন ব্লগসাইট কিম্বা উম্মুক্ত মঞ্চ সাইটের ব্যবহারকারী কর্তৃক এবং দ্বারা প্রকাশিত, উম্মোচিত, ঘোষিত কোন প্রকার তথ্যের দায়িত্ব নেয়না। ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রকাশিত যেকোন ধরণের বক্তব্যের তথ্য, তত্ত্ব, উপমা, পরিসংখ্যান এবং মতামমতের জন্য ব্যবহারকারীই দায়ী থাকিবেন। সামহোয়ার ইন ব্লগ ও এই একই নিয়ম দিয়াছে। কিন্তু সামহোয়্যার একটা অত্যাশ্চর্য নিয়ম আরোপ করিয়াছে যেটা এই তাবৎ ভূ-ভাগের কোথাও নাই। মহাসাগর কিম্বা আপনাদিগের পাড়ার ডোবার অতলে থাকিলে ও থাকিতে পারে, যাহা দাশুর জানা নাই। সেই অত্যাশ্চর্য বিধান টির নাম কপিরাইট। যদিও কপি করিতে রাইট-লেফটের মাযুয্য আমি বুঝিনা। কিন্তু মজার ব্যাপার হইলো ব্লগে প্রকাশিত যে কোন কনটেন্ট(এর বাংলা কি হবে কাকুরা ?) এর স্বত্ত্ব দাবী করিয়া বসিছে আমাদের সামহোয়্যার ব্লগ। এ এক বিচিত্র দ্বি-মুখো সাপের নীতি। প্রকাশিত তত্ত্ব এবং তথ্যের দায়িত্ব তাহারা নিবেনা কিন্তু সেটার প্রকাশনা অধিকার একমেবাদ্বিতীয়ম তাহারাই সংরক্ষণ করিবে।

এই ভূ-মন্ডলের আর কোথাও এই নিয়ম নাই। তবে হ্যাঁ প্রকাশিত দ্রব্যে (কনটেন্ট এর দেশোয়ালী বাংলা) কর্তৃপক্ষ নিজ বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহার করিবার এক্তিয়ার রাখে।
কিন্তু ব্যবহার করিবার অনুমতি লাভ কিংবা প্রচলিত শব্দে লাইসেন্স লাভ, এবং স্বত্ত্ব অধিকার দুইটি পুরোপুরি ভিন্ন বিষয়।

এইখানেই আসিয়াই দেশো একটু বেচাল হইয়া পড়িল। সামহোয়্যার ব্লগ অশ্লীলতার বিরুদ্ধে সোচ্চার, নোংরামীর বিরুদ্ধে সোচ্চার কিন্তু ব্যক্তি অধিকার হরণে সামহোয়্যার দক্ষ, সম্মিলিত রাজনৈতিক নষ্টামীর প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে সামহোয়্যার নিবেদিত।

এই নীতিমালা নামক গলার কাঁটাটি নিয়া সামহোয়্যারের আরো একটু ভাবিবার সময় আসিয়াছে। বাংলা ভাষার প্রথম ব্লগ হিসেবে সামহোয়্যার ইতিহাসের পাতায় স্থান নিবে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু মনে রাখা দরকার ইতিহাস সবাইকেই বুকে টানিয়া নেয় হিটলার থেকে সালভাদোর আয়েন্দে সকলকেই। এইখানেই বিচক্ষণ ব্যক্তি ঠিক করেন তিনি ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াইতে চান না কি, ব্যালকনি তে।


মহান এবং মহৎ সৃষ্টির যে অভিলাষ তাহা আপনাদের সকলের মধ্যে দিয়া প্রকাশিত হোক।

এই কামনায়,
দাশু।






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28774153 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28774153 2008-02-26 04:55:05
জলপাই বনে, মোল্লা হাঁকে পাগলা এখনো আছে, বাঁচিয়া আছে এবং বহাল তবিয়তে আছে।
কেঁদো বাঘের লেজ দিয়ে কান খুঁচানো বন্ধ করুন কর্তারা। বাঘ কেঁদো নামেই, কম্মে কিন্তু একেবারে হুঁ বাবা। জলপুই বাগানের ছায়ায় বসে হাড়গিলেদের রাজাও, বহোৎ ফ্যাঁচ ফ্যাঁচ করে। কিন্তু ওই যে ডোবার ধারে জলপিপি'র সারি দেখলে, ভালো ছেলেটির মত সুসু করে, বাক বাকুম করতে থাকে।

তবে এবার একটা কিছু পাকাচ্ছে এটা পাঁচ কেলাস পাস দাশু'ও আগাম বলতে পারে। মইয়ের ধাপের মত, একজনের পর একজনের, জবান দেখলি বুঝা যায়। এই কাদের মোল্লা যে যেটা বল্লো এটা স্রিফ ব্যারিস্টার মঈনের দোয়া এবং দয়ায় বল্লি। মোল্লা এটাও নিশ্চিত ওর জীবদ্দশায় জলপাই বনের কিছু হবেনা। কারণ ও ছেনালের পো জানে, খাল-বিলের দেশটা যতই কর্পোরেট হোক, গ্রামীন-সিটি ব্যাংক দিয়া ভরিয়া যাক; ওর থোতা মুখ ভোঁতা করতি এই দেশে যোয়ানের অভাব নিই। সুতরাং যা বলবার জলপাই বনে বসি একটা আলপটকা বলে দিলো আর কী যা মনে লাগে।

তবি হ্যাঁ সেই সাথে মোল্লা আবার একটা কথা স্পষ্ট করি দিলো। সেটা হলো যুদ্ধের সুযোগে মোল্লা এবং ওর মত আরো অনেক খানকীর ছাওয়াল সুন্দরী রমনী ভোগের জন্যি পাক সেনাদের সাথে হাত মিলিয়েছিল।

কাদের মোল্লার লাগি আমার ভুলুর এক কাঁঠা পুরিষ উপহার রইলো। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28742793 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28742793 2007-11-05 08:35:23
গণধোলাইঃ একটি ঈশপীয় ঘরানার গল্প সিদ্ধেশ্বরী মনোয়ারা হসপিটাল পার হইইয়া হাঁইটে যাইতাছি একদিন। উদ্দেশ্য মিন্টো রোডের ফাঁকা রাস্তা হইয়া শাহবাগ মোড় ধরব। ভিকি স্কুলের গেটে জটলা। বেদম মাইর খাওয়া এক, সিপাই খুব খেইপে গ্যাছে। কে বা কারা মাইরেছে এইটা বুঝা যাইতাছে না। সে একবার হেলমেট চ্যাগায়, তো আরেকবার পাছা ঝাঁকায়।

হু বাবা, আমি সিপাই। ফুলিশ ভাইয়েরা খানিকটা সন্ত্রস্ত। সিপাই ভাইয়ের বুট শক্ত, কহন চাইপে দ্যায়। রমনা থানার ও.সি সাব কইলো, 'কন স্যার, অপরাধী কারা?'। সাব ইন্সপেক্টর একজন পাশে লিখপার জন্যি তৈরি।

সিপাই ভাইটি জটলার দিকে তাকায়ে একটা হুংকার দিয়ে, বইল্লেন, '' এই এই ক্ষাংকী'র পুলারা সব, সবাই মারছে। সব বহিঃশত্রু''।

আমি ভেবেছিলাম, কোন হালায় আশিক দিওয়ানা ওরে মারছে, ওর বালিকার দিকে নজর নজরানা করছিলো সিপাই ভাই। পরে বুঝলাম, হেয় ভিকির গেইটে দাঁড়ান অভিভাবক হগল্লের কাছে গণ খাইছে।

হাঁটতাছি, আর কানে ভাইসা আসতাছে,' সব, সব ছাত্রী, ওগের অভিভাবক, ওগো বন্ধু-বান্ধবী, শিক্ষক-শিক্ষয়ত্রী, বুয়া, টেইলর, রিকশাওয়ালা, ভ্যানচালক, ড্রাইভার, গেইটের ঝালমুড়িঅলা, লেইস-ফিতার হকার, সব সবতের বিরুদ্ধে মামলা, ছাড়াছাড়ি নাই''।

এর লাইগেই আমাগো ছিদ্দীক কাকা কইতো, '' হাঁটু দিয়ে তুই করিসনে বিশ্ব জয়, আড়ালে তার হিটলু হাসে''।।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28728153 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28728153 2007-08-28 03:15:52
ভাদাইম্যা ইস্যু অমনিবাস একটা ছবি দিছে। হেইয়া কি ছবি আমি দেহি নাই। গাবতলীর সব ম্যাঁৎ করিয়া কইলো এইটা রাসূলের কার্টুন। অমনিবাস ভালা কাম করে নাই, ওরে ব্যান করা হউক। অমনিবাস হইছে আরেক ভুদাই। হেই ছবি পল্টাইয়া ফালাইছে। আরে বাল রাসূলরে কি অমনিবাস দেখছে না হের ফাদার ফিগার অমি রহমান পিয়াল দেখছে। কিম্বা তিন লম্বর বাইচ্ছা সকল দেখছে। দেহে নাই , কেউ দেহে নাই। ড্যানিশরা দেখছে রাসূলরে ? দেহে নাই। তিন লম্বর সকল দেখছো রাসূলরে ? দেহো নাই। তাইলে ভুদাই চরণরা এত ফালাও ক্যানে? ওইডা উসামা ও হইতে পারে, কিম্বা মাইকেল য্যাকশন ভি হইবার পারে, এমনকী খয়ের খাঁ ভুদাইচাঁদ ভি হইবার পারে। নবাব স্রেজাদৌল্লা ও হইবার পারে, এমন কী এই দাশু ও হইবার পারে।

ফালানোর লাইগা আর ইস্যু পায় না, হালার গোর হালা।


* প্রত্যেইকবার রাসূল এর লগে ব্রাকেটে আমি সম্মানসূচক সম্মাননা উচ্চারণ করছি। তিন লম্বর বাইচ্চা সকল, সেইটা না দেখলে ও চলবে, এরপরে ফালাইতে ইচ্ছা হইলে দুদু খাইয়া ফালাও। না খাইয়া অনেককাল ফালাইছো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28722268 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28722268 2007-07-23 23:17:38
সারে জাঁহা সে আচ্ছা


এই গানখানা আল্লামা ইকবালের লিখা। পাকিস্তানের জাতীয় কবি। তিনি অবিভক্ত ভারতের স্বপ্ন দেখতেন বলিয়াই গানখানা লিখিয়াছিলেন। পরবর্তীতে মুসলিম জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হইয়া তিনি ' হিন্দুস্তান' পরিবর্তন করিয়া 'সারা দুনিয়া' করিয়া দেন। এতদসত্ত্বেও ভারতীয়রা এই গানকে আনঅফিসিয়াল জাতীয় সংগীতের মর্যাদা দিয়াছে। ইন্ডিয়ান সেনাবাহিনীর মার্চপাস্ট সংগীত হিসেবে নিয়াছে।

এই বিষয়ে আমাদের জ্যামিতিক ঘরানার বুদ্ধিজীবের মত কি। কারণ তারা মনে করেন রবি ঠাকুর অবিভক্ত বাংলা চাহিয়াছিলেন সুতরাং তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী। আল্লামা ইকবাল সম্পর্কে তার কি মত?



sāre jahān se acchā hindostān hamārā
ham bulbulain hai is ki, yeh gulsitān hamārā

ghurbat men hon agar ham, rahta hai dil vatan men
samjho vahīn hamen bhī, dil hain jahān hamārā

parbat voh sab se ūnchā, hamsāya āsmān ka
voh santari hamārā, voh pāsbān hamārā

godi men kheltī hain is ki hazāron nadiyā
gulshan hai jin ke dam se, rashk-e-janān hamārā

aye āb, raud, ganga, voh din hen yād tujhko
utarā tere kināre, jab kārvān hamārā

maz'hab nahīn sikhātā āpas men bayr rakhnā
hindi hai ham, vatan hai hindostān hamārā

yūnān-o-misr-o-romā, sab miṭ gaye jahān se
ab tak magar hai bāqi, nām-o-nishān hamārā

kuch bāt hai keh hastī, miṭati nahīn hamārī
sadiyon rahā hai dushman, daur-e-zamān hamārā

iqbal ko'ī meharam, apnā nahīn jahān men
m'alūm kya kisī ko, dard-e-nihān hamārā

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28715480 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28715480 2007-06-10 23:29:07
এসো হাবু, ফিরে এসো
ব্লগ এখন হিরোর অভাবে ভুগতাছে। এইটা অবশ্য ব্লগের আদি সমস্যা। এই ব্লগ শুধু সত্যিকার হিরোরেই হিরো কয়।

সেই যে আদিতে হাবিব মহাজন আসছিলো এর পর আর কেউ আইলো না। জাঝা'রা আসে আর যায়। এদের লুব অয়েল বড় দ্রুত লিক করে। খৈয়া'তে জাল মাইরলে দেখবেন জালের চাইরধারে কিছু কুচো চিংড়ি পিটির পিটির ফালায়। জালের বাইরে থাইকা অকারণে ফালায়, একসময় বেকুবের দল ফালাইতে ফালাইতে জালে আটকা পড়ে। এগুলি সিজনাল জাঝা। কিন্তু নতুন কোন মহাজন আজতক পাইলো না এই অভাগী ব্লগ।

হোসেইন, শমশের, দ্রোহী বেশ জমায়া ফেলছে। কিন্তু এরা হইলো গিয়া এ্যান্টি হিরো টাইপ। হিরোর যজমান ক্যারিশমা নাই।

এর জন্যি আমি একটা বোনাস প্যাকেজ অফার করতিছি ব্লগের তরফ থেইকে,

কেউ হাবিব মহাজন নিক নিয়া আইলে তারে পোস্টানোর ট্যাক্স মওকুফ।

বিঃদ্রঃ কারো মাথাব্যাথা করলে সোজা নিকারাগুয়া পাঠায়া দেওয়া হবে। নো ফাইজলামি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28711488 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28711488 2007-05-19 19:16:01
ফাল্লুবাজ ব্যারিস্টার এবং গর্দভরাগীনি
ভাল জিনিস খাইতে সবার ভালো লাগে, দেখতেও ভাল লাগে। কিন্তুক মনে রাখা দরকার ভাল জিনিস আসে ধীরে ধীরে লাফ দিয়া আসে না। আমাদের জলপাই মামারা যখন ক্ষমতার পিছনের উৎস হইয়া গেল তখন এক শ্রেনীর ভাগিনা এবং ভাগীনেয় সকল খুব ফালাইল। দেশ এইবার এদ্দম সাফ করিয়া, পুরোনো সব ইরেজার দিয়া মুছিয়া নতুন করিয়া লিখবে। এই শ্রেনীর পালের গোদা কিংবা ফাদার ফিগার হইতেছেন ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন।

উনার লারে লাপ্পা মার্কা লাফ এবং হম্বিতম্বি দেখিলে মনে হয় উনি ইত্তেফাকের মালিকানা নিয়া কি করিয়াছেন সেইটা লোকে জানে না। ক্ষমতা পাইয়া একদিন বলেন এমন আইন করিব যাহাতে কোন দূর্নীতিবাজ ইলেকশন করিতে পারিবেনা। দুইদিন বাদে বলিলেন ঋণ খেলাপীদিগকে টাইট দিব, এখন দেখিলাম এক ঋণ খেলাপী ঋণ শোধ করিতে পারিতেছে না বিধায় উহার ঋণের সুদ মওকুফ করিয়া নতুন ঋণ দেওয়া হইতেছে, তাও আবার উনার নাকের ডগায় বসিয়া।

ভালো কিছু করিবার ইচ্ছা থাকা খারাপ না, খুবই ভাল। কিন্তু কাম করিবার আগে খালি ফাল পাড়া ভালো না। আপা-ভাবীকে নিয়া সরকার যা দেখাইল, তাতে আপা-ভাবীর অবস্থান আরো শক্ত হইলো।

এই ব্লগে সেই একই অবস্থা। একজন আছেন উনি মিটার স্কেল দিয়া ঢাকা-নারায়নগঞ্জ দূরত্ব মাপেন। যুদ্ধোপূর্ব এবং পরবর্তী অপরাধের তালিকা করেন। কথায় কথায় মুক্তিযুদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্পদ বানাইয়া দেন। আওয়ামী লীগ দাবী করতে পারে তাই বইলা আমরা জনগণ কি আওয়ামী লীগরে মুক্তিযুদ্ধ প্যাটেন্ট কইরা দিছি? আমরা দিই নাই, কখনো দিই নাই এবং দিমু ও না। কিন্তু উনি প্রতি সোম-বুধবার কইরা একটা ফাল পাড়েন আওয়ামী লীগ কইইয়া কইয়া। কিন্তু ব্লগে ইতর কিছু ব্লগারের রাজাকার প্রেমে উনি মজনু হয়া যান। তহন উনার আ** চোপা বন্ধ হয়া যায়। এই গুলি্রে কয় **** । সব বুইঝা শুইনা ভান ধরার গুরু।

উনার প্রধান রোগ হইতাছে আওয়ামী সিনড্রোম। তারেক ভায়েরা
কাৎলা মাছের মত টাকা খাইয়া , দেশটারে পুলিশি সরকার বানায়া, দুই নম্বরি ইলেকশন করতে গিয়া উনার জলপাই মামাগো নিয়া আইছে , এইটা নিয়া উনার কোন বিশ্লেষনী প্রাথমিক লেভেলের চিন্তা নাই, আওয়ামী লীগ ২৮ শে অক্টোবর মানুষ পিটাইয়া মারছে সেইটা নিয়া আহাজারি কিন্তু সেইদিন বায়তুল মোকাররমের দুই নম্বর গেটে শিবির সমর্থকরা বন্দুক-সন্দুক লইয়া মিনি ক্যান্টনমেন্ট কেন বানাইছিল সেইটা নিয়া উনার ফেটাস লেভেলের চিন্তাও নাই, তিন বছর আগে শিবির বন্দর নগরীতে ব্রাশ ফায়ার করিয়া আটজন এক সাথে মারিয়া ফেললো সেইটা উনি মনে হয় জানেন না। জামায়তের ছত্রছায়ায় দক্ষিণ চট্টগ্রামে রোহিঙাদের ট্রেনিং দেওয়ার খবর উনি উনার মাসিক মদিনায় পান নাই।

এই ব্লগে এত কিসিমের নিক আছে কিন্তু আজতক আওয়ামী লীগ
কিম্বা বিএনপি নিক দেখি নাই। তদাপি উনি ব্লগ আওয়ামী লীগারে ভর্তি এই নিয়া বিচলিত। কিন্তুক বিচালী খাওয়া জামায়াতে ব্লগ থই থই এইটা উনার মহান মস্তিষ্কে স্থান পায়না।

ব্লগে উনি আর সরকারে মঈনুল হোসেন এই দুই জন একই কাতারের ফাল্লু বাজ(যে ফাল পাড়ে)। এইসব ফাল্লু বাজের গলাবাজি পাগল বানায়া দিল পুর ব্লগ।

জনাব ফাল পাড়ানি দয়া করিয়া আমাদিগকে কম্পুটার জ্ঞান দেন , গুগুল জ্ঞান দেন, হাদিস জ্ঞান দেন কিন্তু দয়া করিয়া আপনার
প্রাথমিক লেভেলের ইতিহাস বর্ণন ছাড়েন। এই উপলক্ষ্যে শ্রদ্ধেয় বদরুদ্দীন উমরের একটা কথা উল্লেখ করি, সেই সাথে এও বলিয়া রাখি উনি ভাষা আন্দোলনের সর্বস্বীকৃত সেরা ইতিহাসবিদ।

'' ইতিহাস একটি বিজ্ঞান। গর্দভ দিয়ে গর্দভরাগিনী হয়, ইতিহাস
হয় না। '' ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28708299 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28708299 2007-04-29 08:13:44
ভালো ছেলে আমার এক দোস্ত আছিলো।খুব ভাল পোলা। ও খালি ভাল হইতি চাইত। পাড়ার মা-খালা, ব্যংকের কেপ্পন কেরানী থেকে শুরু করি নুলো ফকির ও বলিত, '' বড় ভালো ছেলে''। কিন্তু সেদিকে ওর মন নিই। ওকে আরো ভালো হতি হবে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলি, ও খালি ভালো হতিই থাকে, ভালো থেকে ভালো, আরো ভালো। একদিন সামনি দেখলো ও বড় একটা দিয়াল, বড় করি লিখা আছে,
''এখানে ভালোর সীমানা শেষ, এরপরে খারাপের রাজ্যি'' ।।

ভালোর রাজ্যে জয় শেষে, পোলাটা কেমন উদ্দেশ্যহীন হয়ি
গেল। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28704140 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28704140 2007-03-29 22:12:54
দুগ্ধ ৃআমাগের এক সিনিয়র দুস্ত আছিলো। শিল্পচর্চা করতো। হের বিয়া কাঁইচে যাওয়ার পর একদিন গেছি অর লগে দিখা করতে। লগে আরেক দুস্ত। হবে নাস্তা খাইতে বইছে সকালের। সামনে রুটি, ডিম, এক গিলাস দুধ। আমার বিয়াক্কেল দোস্ত ফট কইরা কইয়া বইল,

'' তুই দুধ খাস ''
মুখ কালা কইরা সিনিয়র দুস্ত কইল ,
'' অভ্যাস হয়া গেছে ''।। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28704136 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28704136 2007-03-29 21:34:47
আমার দোস্ত চালাকচুদা আবু মুস্তাফিজ স্মরণে

একদা এক যুদ্ধের ময়দানে তিন সৈন্য হাঁটিতেছে এবং আগের বার ছুটিতে গিয়া কি কি করিয়াছিল সেই গল্প করিতেছে।

প্রথম সৈন্য বলিল,
''এর আগেরবার ফিল্ডে আসার আগে, দেখি আমার গিন্নী
One at a time পড়িতেছে। ছুটিতে বাড়ী গিয়া দেখি, ওর কোল আলো করিয়া এক সন্তান আসিয়াছে। বড়ই মজার ঘটনা, তাই না।

দ্বিতীয় সৈন্য কিয়ৎ লাফ মারিয়া কহিল,
''আরে রাখ। আমি আসার আগে দেখিয়াছিলাম আমার গিন্নী Three musketeers পড়িতেছে। হে হে, গিয়া দেখি একসাথে তিনটা বাবু হইয়াছে।''

তৃতীয়জনের দিকে এতক্ষণ কেহ তাকায় নাই। এই বেচারার চোয়াল ঝুলিয়া মাটি ছুঁই ছুঁই। চোখ দুই খানা পাঁচ টনী ট্রাকের হেডলাইটের মত বাহির হইয়া আসিতেছে। একটা ঢোক গিলিয়া বলিল, '' আমি আসার আগে আমার গিন্নী Birth of a nation পড়িতেছিল। এখন কি হইবে ? '' ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28703475 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28703475 2007-03-24 21:13:40
চোখ বন্ধ করিয়া রাখিবার সময় নাই না, আর ঘুমাইয়া থাকিবার সময় নাই। এবার আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাকে কোমরে ঘুনসি বাঁধিয়া নামিতে হইবে, আইসিসি নামক ঘেয়ো কুকুরের ঘা সারাইতে। অবশ্য এই বড় বড় সংস্থা গুলিও বড় মাপের ঘা বহন করে। সেটা আমরা গত ফুটবল বিশ্বকাপেই দেখিয়াছি এবং হরদম দেখি রেফারীর ব্রাজিল প্রীতির মধ্যে। একটা দেশের লীগের খেলা হয়, ভাই ভাই খেলা। ওরাই আবার বিশ্বকাপ লইয়া যায়।

এর চাইতে বিশু আর নরেন'রে লইয়া মুৎসুদ্দিদের বাগানে
আমরা যে ডাংগুলি খেলিতাম সেটাই ভাল। ওইখানে বিশু খানিক কাঁদিয়া কাটিয়া খেলায় কায়দা করিতো, নরেনরে নাড়ুর লোভ দেখাইয়া মাঝে মাঝে জিতিয়া যাইতাম। কিন্তু দলেবলে কখনো মুৎসুদ্দি কাকুর ঘাড়ে উঠিয়া বসি নাই।

এরকম ক্ষণজন্মা শিল্পীকে যে বা যাহারা পথের কাঁটা ভাবিয়াছে, সেইসব নাটকীর ছাওয়ালদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হইবে। অনেক কাল ধরিয়া ওরা সাদা, তাই আমরা সব এশিয়ান এক জোট ছিলাম। এই সব করিবার সময় আর নাই। প্রয়োজনে যেই সব দেশ সাংগঠনিক পৃষ্ঠপোষকতা দিয়াছে এই দুষ্কর্মের, সেইসব দেশের বিরুদ্ধে খেলা বন্ধ রাখিতে হইবে।

এখনই সতর্ক হইবার সময় পাশ্ববর্তী ভাই-বেরাদরদের দেখিয়া আমাদের দেশীয় নটীর ছাওয়ালেরা এই অপকর্মে জড়ানোর আগেই সবার স্ক্রু টাইট দিতে হইবে। টাইটে না হইলে, ঘেয়ো কুকুরের পাছা বলিয়া বঙ্গোপসাগরে ফালাইয়া দিতে হইবে। কিন্তু কোনোভাবেই নতুন বীজাণু আমাদের বিশাল বীজাণুগারে প্রবেশ করিতে দেওয়া যাইবে না।

বব উলমার, একজন ক্ষণজন্মা শিল্পীর প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা জানাই। বড় কষ্ট হয়, ভালবাসিয়া ও মানুষকে প্রাণ দিতে হয়, পোয়াতী শূকরের পিশাবের সমগোত্রীয় মানুষের হাতে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28703166 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28703166 2007-03-22 18:45:55
তুই কি পারিবি
একবারও দেখা না দিয়া,
একবারও কাছে না আসিয়া
পারিবি কি তুই
হারাইতে আমার মাঝে রে
হারাইতে এই চঞ্চল হাওরে,
যেথা মাছগুলি সব ড্রইংরুমে বসিয়া শলা করে
তুই কি পারিবি সব দোর ছাড়িয়া এই কড়িকাঠের চড়াইয়ের মত খড়ের গাদা দিয়া বাড়ী বানাইতে
তুই কি পারিবি সুলতানের ছবির রং হইতে
পারিবি কি তুই আমার সব স্বপ্নের চিত্রগ্রাহক হইতে

ভাবতেই পারিস যা ইচ্ছা
কিন্তু আমার ইচ্ছেরা সব তোর বাস্তবতার ফুটনোট
হইয়া গেছে গা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28702468 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28702468 2007-03-17 02:59:51
জিকিরে আসকার, জিকিরে জলপাই
তিনি ফরমাইলেন '' চমেৎকার, চমেৎকার '',
আমরা সমস্বরে আওয়াজ তুলিলাম, '' হুজুরের মতে অমত কার '' -----

একটি নন-পলিটিক্যাল জিকিরে আসকার।
নিজ নিজ দায়িত্বে আমেন বলিবেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28701721 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28701721 2007-03-11 00:17:25
মেছুয়ার ডাগদর ভ্রমণ
ডাগদর সাব চেম্বারে বসিয়া আছেন।

রিভলভিং চেয়ারের পিছনেই, এক্ষানি ১১ বাই ৮ ছবি। হিলারী খালামণির সাথে, হাস্যেজ্জ্বল অবস্থায় করমর্দনরত।

পেট চাপিয়া ধরিয়া কোঁকাইতে কোঁকাইতে এক মৎসজীবি আসিয়াছে।
ডাগদর পুছিলেন, ''কি হইয়াছে''
আমাগের নদীতে মাছ নাই, মাছ নাই তো আমি নাই, আমি এখন কি করিব।

ডাগদর একটা অট্টহাস্য দিয়া বলিলেন, '' ওরে মেছুয়া, নদীতে মাছ নাই তো কি হইয়াছে, বাজারে আছে। তোরা এখনো কিছু শিখিলি না।''

মেছুয়া একটু ভচকাইইয়া গেল, '' সে কি বলেন, কত্তা। বাজারে জাল ফেলিয়া মাছ কেমনে ধরিব। বেপারী'রা আমার টেংরি কাটিয়া ফেলিবে''

ডাগদর সাব এইবার আকর্ণ বিস্তৃত একখানা হাসি দিলেন। তোদের জন্যেই তো এইখানে বসিয়াছি হাটবারে, নতুন দাওয়াই লইয়া। একবার এই দাওয়াই লইবি, ব্যাস কেল্লাফতে। তোকে আর কোমরে লেংগুট পরিয়া হাঁটুজলে খালে বিলে মাছ ধরিতে হইবে না। তোকে আর কেহ মেছুয়াও বলিবে না। নদীতে মাছ না থাকিলে, বাজার হইতে মাছ কিনিবি। এক বাজারে কিনিয়া, আরেক বাজারে বিক্রি করিয়া দিবি। খালি মুনাফাই মুনাফা। তোকে তখন আর কে পাইবে।

এক পুরিয়া মাইক্রোদেনা লইয়া রাস্তা জাঁকাইয়া মেছুয়া চলিতে লাগিল।
মনের মধ্যে একটা বেপারী বেপারী ভাব চলিয়া আসায় মেছুয়ার বেশ ভালই লাগিতেছিল। ঘরে গিয়া জাল বিক্রি করিয়া একখানা ভাল তহবন কিনিতে হইবে ভাবিল। কারণ তহবন ছাড়া বেপারীদের মানায় না।

ডাগদর সাব, পুরিয়া গণিত তার হালখাতায় উঠাইতে ব্যস্ত তখন। মুখে একখানা নির্মল হাসি। এই দেশকে কেহ আর তলাবিহীন ঝুড়ি বলিবে না। ইন ফ্যাক্ট বেপারীদেশ(!) হিসেবেই, পরিচিত হইবে একদিন এই দেশ।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28700908 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28700908 2007-03-04 11:02:29
চেরাগের দৈত্য একদা একজন রমনী একটি চেরাগ পাইয়াছিল, আজ তাহার গল্প বলিব।

চেরাগের গায়ে আলতো রমনীয় ঘষা দিবা মাত্র এক বিশালকায় দৈত্য বাহির হইয়া আসিল।

রমণী জিজ্ঞাসিল ''এখন তুমি নিশ্চয়ই আমার তিনটি ইচ্ছা পূরণ করিবে?''

দৈত্য কহিল, '' আমি শুধু একটা ইচ্ছাই পূরণ করি, ম্যাডাম। বেশী খাই খাই স্বভাব থাকিলে রাস্তা মাপেন''

রমনী কহিলেন, '' এই মানচিত্র খানার দিকে দেখ। দেখো
এই আর্মোরিকা, বসুনিয়া, চেশুনিয়া, এরাক, এরান, এসরায়েল ইহারা বছরের পর বছর ধরিয়া খালি কাইজ্জা করিতেছে। ইহাদের যুদ্ধ থামাও। বিশ্বশান্তি আসুক।

দৈত্য ভাবিয়াছিল, রমনী মানুষ হয়তো একখানা দামী বাড়ী, কিম্বা হিরের নেকলেস চাহিবে, কিম্বা তাহার সোয়ামী কে প্যাঁদানি দিয়া আসিতে বলিবে। চায় কি না বিশ্বশান্তি। তাহারাই যে বিশ্বে অশান্তির মূল এইটা যেন জানেনা । মনে মনে দাঁত চাপিয়া একবার '' বাল '' বলিল।

তারপর কহিল '' ম্যাডাম আমার সামর্থ্যে অত বড়ো না, এই কাজ আমি পারিব না, আপনি অন্য কোন ফরমায়েশ করুন''।

রমণী কিয়ৎক্ষণ ভাবিয়া বলিলেন, '' আমি একজন পুরুষ চাই, যে আমাকে ভালবাসিবে, সহানুভূতিশীল হইবে, বাচ্চাদের ভালবাসিবে, রান্না-বান্না করিবে এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন দিনমান ভরিয়া টিভিতে খেলা দেখিবে না।''

দৈত্য এবার দীর্ঘকায় একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলিয়া বলিল,
'' দিন ম্যাপটা আগাইয়া দিন, একটু দেখিতে দিন এবং দেশগুলির নাম বলুন; দেখি একবার চেষ্টা করিয়া।''

''বিশ্বশান্তি এবং আদর্শ পুরুষ এই দুইয়ের খোঁজে আসিয়াছেন'',
দাঁতে দাঁত চাপিয়া, দৈত্য মনে মনে বলিল '' বাল'' ।।

* সংগৃহীতঃ তবে বিপুল পরিমাণ রং-চং লাগানো হইয়াছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28700805 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28700805 2007-03-03 09:42:20
সোনাচালান ''এরশাদের সোনা চোরাচালান মামলার রায় ৬ই ফেব্রুয়ারী '' খবরটা
পড়বার পর দাশু একটু হোঁচট খাইল। এই জিনিস ও চোরাচালান করছে।
এর পরেও কি খেলাটাই না খেললো। পাওয়ার টিলার কোম্পানী গুলি
যোগাযোগ করিলেই পারে। এত অশ্বশক্তি, কই রাখছিলো?

এরেই বলে লাখে একটা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28694952 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28694952 2007-01-22 22:22:30
পয়মাল ব্লগার রোধে, দাশুর ধন্বন্তরি বটিকা সকালে কেলাসে আসিয়া দাশু দেখিল সবাই ঘুশ ঘুশ এবং ফিস ফুস করিতেছে। নোটিশবোর্ড কে মিহিদানা ঘুষ দেওয়া সাপেক্ষে জানিয়াছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ ভোট হইবে।

কে বা কাহারা, নিতান্তই পাজীর পা ঝাড়া গুষ্ঠি ব্লগ পয়মাল করিতেছে প্রতি রাত্তিরে। দাশু মনে মনে একটা পাকা হাসি দিয়া ভাবিল এ আর এমন কি। বোকারামদের নচ্ছার কুকুরটিও এই কাজ করিত। প্রতি সকালে পিপলের শান বাঁধানো গোড়ায় (যেখানটায় বসিলে দাশুর কাব্যভাব জাগ্রত হয়) মল ত্যগ করিত। বৈকালিক আহারের সময় দাশু ছাতুর সহিত মুঠোখানেক গুড়া মরিচ মিশাইয়া দিয়াছিল। এখন একেবারে লক্ষীটি হইয়া গিয়াছে, দাশুর কাব্যভাবে আর উৎপাত ঘটাইতে আসে না।

ব্লগের হাঁস মুখো ছুঁচোদের জন্যিও এরকম একটা কিছু লাগিবে। রাত্তিরে সিঁদ কাটা চোরের মত যেগুলো বেরোয়।

যদিও দাশুর মাথায় বুদ্ধি গিজ গিজ করে, তদাপি আজিকা দাশু শুধু একখানা বুদ্ধি'র বেশী দিবেনা বলিয়া মনস্থির করিয়াছে। ইনটেলেকচুয়াল রাইট বলিয়া কথা। আর লোকজন মিনি-মাগনার বুদ্ধি বেশী পাইলে কদর করে না , সেটা দাশু ভালই জানে।

শর্তসাপেক্ষ একখানা জাল(প্রোগ্রাম) বিছাইতে হবেঃ

১। প্রথম পাতায় তিনটির বেশী পোস্ট আছে কিনা ?
২। পোস্টের কোড ভেরিফাই করিয়া দেখিতে হইবে, আসলে একই পোস্ট বার বার হইতেছে কি না?
৩। ঐ ব্লগারের বিরুদ্ধে পাঁচ এর অধিক ভিন্ন ভিন্ন রিপোর্ট আসিয়াছে কি না ?
৪। ব্লগার এই পোস্টানোর কচিৎ পূর্বেই জন্মাইয়াছে কি না ?

এই চারটি শর্তের, প্রথম তিনটির মধ্যে যে কোন দুইটি মিলিলে, সামিয়ক ব্যান খাওয়ানো হউক। সকালে মডারেটর দিদি কিংবা দাদা আসিয়া পরিস্থিতি বিবেচনায়
ডিলিট ও খাওয়াইয়া দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে চার নম্বর শর্তটি সাময়িক ব্যান দিবার সময় অনুঘটক হিসেবে কাজ করিবে। যদিও দাশু নিজেই জানেনা ব্লগে কতদিন পূর্বে জন্মাইলে তাহাকে বিবেচক ব্লগার বলা যায়।

--- কৃতার্থে দাশু এবং কপিরাইট দাশু ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28691765 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28691765 2006-12-23 17:24:55
জীবন বটি কাবাব কণা শব্দটি বেশ শ্রুতিমধুর, বটিকা শব্দটির মধ্যে
বটি কাবাব ভাব আছে। এক র্অথে এটা ভাল ই। কারো
সাথে কারো সমস্যা হলেই বটি কাবাব বানানো, তাতে
সব পক্ষেরই লাভ। কার উদরপর্ূতি তো কারো
মনের সুখ লাভ। কিন্তু এই পাঞ্জেরী গাইড মানের
বটিকা/কণিকা দিয়ে জীবন আমূল বদলে দেওয়া
কি সম্ভব?

যা হোক দাশুর এসব ভাবিয়া কাজ নাই। দাশুঅদ্য সকালে
প্রাতকালীন খবরের কাগজে দেখিয়াছে, বংশবদ বদমায়েশ
এরশাদ ভাবীর আঁচল ছাড়িয়া , আপামণির আঁচলতলে
আশ্রয় লইয়াছে। উনার বিবি দুইজন দুইদিকে কাঁহা কাঁহা
রব তুলিয়াছে। একটা বিষয় আপনারা লক্ষ্য করিলে দেখবেন
এই ব-দ্্বীপের সমস্ত বেজন্মা র্নিবাচন আসিলেই
দলে দলে ভাগ হইয়া হজ্জ্ব করিতে যায়, জোট গঠন করে এবং
মুখে নতুন আট আনার চাকচিক্য সম্বলিত একখানা হাসি
ঝুলাইয়া রাখে।

প্রতিবারই কিছু নতুন দলের উম্মেষ হয় এই দেশকে আমূলে
পালটাইয়া দেওয়ার জন্য, তবে যারা এই নিমকহারামী খেলায় জেতেন
তারা দেশকে বরং সমূলে পালটাইয়া দেন।



আরো হাস্যরসের ব্যাপার হইল , এই বি. এন. পি , আওয়ামী লীগ,
জামায়াত, জাতীয় পর্াটি এই চারটি ভ্যাবদা শুয়োরের
কোনটির পাছা র্সবাপেক্ষা মোটা কে কার অপেক্ষা কতখানি
কম ঘোঁৎ ঘোঁৎ করে সেটাই মূখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28685 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/28685 2006-12-20 19:18:15
পেন্নাম
দাশুর পেন্নাম আপনাদিগকে। র্সবব্যস্ত
ব্লগচঞ্চুর উষ্ণ অবগাহন এই দাশুর কিঞ্চিৎকায় কপোলে ঘটেনি। ব্লগ র্সবদাই এক উত্তেজক কালের মধ্যে যাপন করে। বিচক্ষণ বলিতে হইবে কর্াবনের এক্সাইটেড স্টেইটের ন্যায়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/27357 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/27357 2006-12-07 17:15:09
ভ্রাত আলী আপনাকে বলছি ভ্রাত আলী আপনি বোধ করি সমকালে আছেন। কি করিয়া সমকালের কোন একটি লিখা ইউনিকোডে পরির্বতিত করিয়া সংরক্ষণ করা যায় বলিবেন। আমি চেষ্টা করিয়াছিলাম , অরুপ-সুমনের পরির্বতক ব্যবহার করিয়া। কিন্তু সফলকাম হই নাই। কিছু শব্দ ভুল আসে। আপনি এই বিষয়ে নিশ্চিতভাবেই আমা অপেক্ষা অধিক জ্ঞান রাখেন। আপন ঔদর্াযে এই দাশুরে সহায়তা করিলে বড় উপকৃত হইব।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/27356 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/27356 2006-12-07 17:00:33 ভারবাহী শব্দগুলো বহুল প্রচলিত শব্দের ভারে নেতিয়ে গেছে
মানবিক বোধগুলো; ভলভো বাসের টিকিটের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা নিপাট জনগোষ্ঠীর মত, সার বেঁধে দাড়িয়ে আছে এখন মনের অলিন্দে।

নৃশংসতা ভারবাহী গাধার চাইতে অধম একটা শব্দ এখন। কিছুই বোঝা যায় না, শব্দটা দিয়ে। কেউ কারও গায়ে মুতে দিলো, কেউ একটা গ্রাম উইপোকার ঢিবির মত পায়ে মাড়িয়ে দিল, কেউ কারও মুখখানা ঝলসে দিল, কেউবা পুরো একটা জাতিকে উলংগ করে মজা পেল। সব কিছু এখন ঐ একটা শব্দের ব্রাকেটে বন্দী।

সারাদিন শুনি গান গেয়ে যায় লোকে কি হবে মনে রেখে এইসব পুরোনো কথা। হায়রে ঘোঁচু নিজের পুরোনো জিন্সের মায়া ছাড়তে পারিস না, ইতিহাসের মায়া ছেড়ে দিস।

সেই কবে জন্ম দিয়েছে মা তোকে সেটাও মনে রাখিস। কবে প্রথম হাত ধরেছিলি, চোখে চোখ সব থাকে মনে।

21 দিন আগে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের প্রথম 19 দিন কি ভুলে গেছিস? 49 বছর আগে জন্ম নেওয়া জারজের প্রৌঢ় ত্ব এসে গেল পারিস কিছু ভুলতে।

কেন তবে এত অনীহা 35 বছর আগের কথায়, কেন এত তিক্ততা। কিসের এত পাপবোধ কুরে খায়
অন্তর। কেন আগে মনের বাঘ মোকাবেলা না করে বনের বাঘের পিছনে ছুটিস।

সব তোমরেই দিলাম, রাখিনু তবে মম এই অশ্রদ্ধা টুকু আপন অলিন্দে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/15231 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/15231 2006-08-02 12:23:42
আজো হৃদয়ে জানে আলম প্রস্তর র্নিমিত ভাবলেশহীন অভিব্যক্তি খানা
যেন ঝুলে আছে আমাদের আকাশে
টপ টপ করে কেঁদে বলে
'' আমরা সবাই অসভ্য বুনো
বৃথা রক্তের শোধ নেবো দুনো''

কাদা মাটির মত নরম মন আমার
পলির আদ্্রতায় তোমার শরীরে জাগায় শিহরণ
কি অসম্ভব জীবনিশক্তি নিয়ে এসেছিলে ওগো
ভেঙ্গে পড়া দালানের তীব্র আক্রোশ
তোমাকে ন্যুজ্ব করতে পারেনি।

আজ আবারো মনে পড়ে দারার ইব্রাহীমের কথা। বার বছরের চঞ্চল খুলিতে, নিয়ে নিয়েছিল বুলেট। মনে পড়ে জানে আলমের পাগল করে দেওয়া হাসি। শুধুএকটি লেবঞ্চুস কিনলেই, পেতে পারো ওর মায়া ভরা ডাক।

কিভাবে আমরা ক্ষত-বিক্ষত হই নিজের বানানো ক্রুশে। ঠুকে যাই বাম হাতে পেরেক অনবরত, ডান হাতের চেটোয়। ধ্বংস করে দিই বরাদ্দ ভাগ্য।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/15176 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/15176 2006-08-01 23:49:40
শিরোনামহীন এমনি বরষা ছিল সেদিন
হৃদয়ে প্রদীপ ছিল মলিন
তব হাতে ছিল পরশ বীণ
মনে কি পড়ে প্রিয় ।।
;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;;

স্পোক হুইলে ঘুরতে থাকে বন বন করে
টুটো ফাটা , ঘষা মাজা,
দলা পাকা, ভেজা ঠাসা
অনামিকার প্রতি কনিষ্ঠার তীব্রর্ঈষা।

নারিকেলের পাতা চুইয়ে পড়ে
দ্্রবীভূত রোদ,
ভুলতে বসা আবদার চড়ে বসে
দুষ্টু মগডালে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/14807 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/14807 2006-07-28 22:46:00
আইসা পড়লাম শাহবাগের কোনাথন পাগলের সঙ্গে যাবি, প াগল হবি
বুঝবি শেষে
ওরে মন বুঝবি শেষে
তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/14465 http://www.somewhereinblog.net/blog/pagladashublog/14465 2006-07-24 22:16:25