আমার প্রিয় পোস্ট

সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।

Anatomy of জামাতে ইসলামী ও কিছু সোজা-সাপটা কথা

০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

শেয়ারঃ
0 4 0

বিরুদ্ধবাদীরা প্রধান যে অভিযোগটি করে তা হল 'রাজাকার' আর নিজেরা প্রধান যে গুনটি প্রচার করে তা হল 'ইসলামি আন্দোলনের অগ্রদূত।' মজার ব্যাপার হল এ দুটি বিষয়ের কোনটারই জামায়াত সুস্ঠু সমাধান করতে পারেনি। পূন: পূন: ব্যাখ্যা, ব্যাকাঁত্যাড়া নানান কথাবার্তার পাহাড় স্তুপ হয়েছে মাত্র। খেসারতটা দিতে হচ্ছে নবীনদের, যারা ঘটনার সময় পর্যন্ত মর্ত্যলোকেই আসেনি। উদাহরন দেয়ার মত সাংগঠনিক শৃংখলা, উচুঁ মানের নৈতিকতা সম্পন্ন ভালো একটি সংখ্যক মানুষকে দলে ভেড়াতে পারাটাও শেষ পর্যন্ত বিফলে যাচ্ছে। প্রথম বিষয়টা আসলে ভৌগলিক আর পরেরটা রাজনৈতিক। চলুন আরেকটু গভীরে যাই।
যত রকম সাফাই গাওয়াই হোকনা কেন- ২৫মার্চ১৯৭১ সালের রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যে হীন অপকর্ম করেছে তারপর পক্ষ থাকে ২টি- একদল জালেম আরেক দল মজলুম। পক্ষদ্বয়ের ভাষা, ধর্ম, বর্ন, জেলা, গোত্র নিয়ে এনালাইসিস করার কিছু নাই। সাধারন মুসলিম মাত্রই মজলুমের পক্ষ নিয়ে জালেমের বিরুদ্ধে হয় অস্ত্রধারন করবে, নয় শারীরিক ভাবে প্রতিহত করবে, নয় মৌখিক/লিখিত ভাবে প্রকাশ্যে নিন্দা করবে অথবা মনে মনে ঘৃনাপোষন করবে, অবশ্য সেটা ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর। মহানবীর(স) এ সাধারন শিক্ষাটা না নিয়ে জামাতের বিশিস্ট ইসলামি চিন্তাবিদরা যা করেছেন তা ঘোরতর অন্যায়। এটুকু জ্ঞান তাদের থাকা উচিত, না থাকলে জ্ঞান অর্জন না করার ফরজ লংঘনের দোষে দোষী। ১৯৭১- চার অংকের এই সংখ্যাটা বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডের প্রতিটা ইঞ্চিতে গভীর ভাবে প্রোথিত, প্রোথিত প্রতিটা নাগরিকের হৃদয়ে। গ্রামের মানুষেরা এই সন দিয়ে বয়স হিসেব করে- বলে 'যুদ্ধের এত বছর আগে আমার জন্ম, বলে যুদ্ধের সময় আমি অমুক ক্লাসে পড়তাম, সুতরাং এখন বয়স এত।' শত, হাজার বছর পরও '১৯৭১' মোছার নয়। তেমনি ঐতিহাসিক বিষয়ের সাথে 'ভিলেন' হিসেবে নেগেটিভ ব্র্যান্ড ইমেজ দাড়ঁ করিয়ে কখনোই গরিস্ট সংখ্যক মানুষের সমর্থন পাওয়া বা নিজেদের সরকার গঠন করা সম্পূর্ন অসম্ভব। কেননা বিরুদ্ধবাদীরা সবসময়ই এটা নিয়ে প্রচারণা চালাতে থাকবে, মসলাপাতি তো থাকবেই!
আসি ইসলামী আন্দোলন ইস্যুতে। ইহা ফরজে আইন। মুসলিম মাত্রেরই কর্তব্য- যেমনটা নামাজ। আল্লাহ তা'আলাও ব্যক্তিগত ভাবে গোটা মানবজাতিকে প্রশ্ন করবে শেষ বিচারের মাঠে, দলগতভাবে নয়। সুতরাং বাংলাদেশ ইসলামের খনি হইয়া গেল আর আমি দোযখে চলিয়া গেলাম- তা হলে কি লাভ হইল! বরং চেস্টা স্বত্তেও যদি দেশটা গোল্লায় যাওয়া থেকে রক্ষা না পায় কিন্তু আমি হিসাবে বাচিয়া যাই- তাহলে তো ল্যাটা চুখে গেল। আর কে না জানে যে, শুধু দল বিশেযে নাম লেখানো, পীর বিশেষের মুরীদ হওয়া নয় বরং টোটাল লাইফের টোটাল সময়ে স্রস্টা ও সৃস্টির সাথে আমার আচরনই এ ফলাফল নির্ধারন করবে। যেমন- গৃহভৃত্যর সাথে আচরণ। যাহোক, ব্যক্তি বা পারিবারিক পর্যায়ে ইসলাম মানাতে বাংলাদেশে কোন বাধা আছে বলে আমি দেখিনা। রাস্ট্র পরিচালনায় দুস্ট লোকের সমাহার ও কিছু অনৈসলামিক আইন উন্নত মুসলিম সমাজ হবার পথে বাধা। সত্য। সুতরাং তা নির্মুলকরার জন্য সংঘবদ্ধভাবে চেস্টা করা সবারই দায়িত্ব। আর এটা যেদিন বেশীরভাগ মানুষ চাইবে, সেদিন হইবে। না চাইলে হবেনা। কিন্তু জামাতের ঘাড়ে এত বড় বোঝা আল্লাহ কোনদিন চাপালেনযে যে কোন উপায়ে, ছলে বলে কলা কৌশলে, এর সাথে ওর সাথে রাতে বিরাতে মিটিং করে বঙ্গদেশে ইসলাম কায়েম করে ফেলতে হবে! এত পলিটিক্স তো মুহাম্মদ (স) নিজেও করেননি- আর নিশ্চয়ই তার অনুসারীদের ততোধিক ক্রিটিকাল হবার প্রয়োজন নেই। ইসলামি পলিটিক্স তো সোজা, সিরাতুল মুস্তাকিম। ডাক, তোমার প্রভুর দিকে। প্রজ্ঞা, জ্ঞান, ভালো কথার মাধ্যমে। কিন্তু সো ফার, দেশের বৃহত্তম ইসলামি দল জামায়াত মানুষের কাছে এখনো দুর্বোধ্যই রয়ে গেল, জন্মের ৬৮ বছর পরও!
হাসিনার আচঁলে মাথা গুঁজে কেয়ারটেকার মিছিল আবার খালেদার পদতলে আওয়াম খেদাও সমাবেশের মধ্যে কি অমন 'ইসলামি আন্দোলন' রহস্যাবৃত থাকতে পারে। জামায়াত পুরুদস্তুর পেশাদার রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। তাই 'ইসলামী আন্দোলনের' পাইওনিয়ার ও বৃহত্তম দল হয়ে বাংলার জনমানুষের 'অন্তত: বিকল্প' হিসেবে যে ব্র্যান্ড ইমেজে এত দিনে দাড় হবার কথা সে 'লাস্ট ট্রেনটি'ও তারা মিস করেছে। এখন যুদ্ধাপরাধের গদা ঘাড়ের উপর। প্রচুর মিটিং, প্রচুর এনালাইসিস, প্রচুর কূটচাল, জোট-মহাজোট নয় শুধুমাত্র সুরা ফাতেহাকে নিজেদের স্ট্রাটেজিক গাইডবুক হিসেবে নিলেও পদে পদে এত আকাম কুকাম কেউ করতে পারেনা। যেখানে বলা হয়েছে- অতি ক্ষমাশীল রবই দুনিয়া আখেরাতের মালিক। বিচার তিনিই করবেন। সুতরাং ফাইনালি সাকসেসফুল (দুনিয়াতে হতে পারে, নাও হতে পারে) লোকদেরকে ফলো করাই বেটার। বাকাত্যাঁড়া নয়, সোজা সাপটা মত ও পথ অবলম্বন করাই বুদ্ধিমানের কাজ। আ...মী..ন।

 

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষন
তবে একটা যায়গায় একটু আপত্তি আছে -

"আসি ইসলামী আন্দোলন ইস্যুতে। ইহা ফরজে আইন। মুসলিম মাত্রেরই কর্তব্য- যেমনটা নামাজ। "

এই কথার মাধ্যমে যেটাকে ফরজ বলাহল

"ব্যক্তি বা পারিবারিক পর্যায়ে ইসলাম মানাতে বাংলাদেশে কোন বাধা আছে বলে আমি দেখিনা। রাস্ট্র পরিচালনায় দুস্ট লোকের সমাহার ও কিছু অনৈসলামিক আইন উন্নত মুসলিম সমাজ হবার পথে বাধা। সত্য। সুতরাং তা নির্মুলকরার জন্য সংঘবদ্ধভাবে চেস্টা করা সবারই দায়িত্ব। আর এটা যেদিন বেশীরভাগ মানুষ চাইবে, সেদিন হইবে। না চাইলে হবেনা।"

এ'খানে এসে সেই ব্যাপারটাকেই ঐচ্ছিক এবং সবার চাওয়ার উপর নির্ভরশীল করা কি ঠিক হল?

আমার মতে প্রথমটি ঠিক আছে। ব্যক্তির ব্যাক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে সমাজ ও রাস্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামী ন্যয়বিচারের বিধান প্রতিস্ঠার মাধ্যমে উন্নত সমাজ গঠনে ভুমিকা রাখা প্রতিটি মুমিনের ফরজ দ্বায়িত্ব। কিন্তু সমস্যা হয়েছে এই কাজে জামাত(দাবিকৃত আদর্শ হিসেবে) ছাড়া অন্য কোন বড় সংগঠন নাই। জামাত মুলত এই শুন্যতার সুযোগই নিচ্ছে। সেই সাথে আছে আমাদের মেরুদন্ডহীন রাজনৈতিক নেতৃত্ব। সুতরাং জামাতকে প্রতিহত করতে হলে সত্যিকারের মুমিনদের নিয়ে সত্যিকারের ইসলামী সংগঠন তৈরী করতে হবে। আপনি যতদিন বিকল্প পথ না দেবেন ততদিন এ'দেশের ইসলামপ্রিয় মানুষের সহানুভুতিকে জামাত কাজে লাগাতে থাকবে। আসুন আমরা সবাই মিলে সেরকম একটি সত্যিকারের ইসলামী সংগঠন গড়েতুলি।
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩১

লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বেশীরভাগ মানুষ না চাইলে তো গায়ের জোরে কারো উপর ইসলাম চাপানো যাবেনা। আর এ দেশের বেশীর ভাগ মানুষ তো অমুসলিম নয় যে জামায়াত কে নতুন করে ধর্মপ্রচার করতে হবে! বরং কাজের বড় অংশ অলরেডি করা আছে। বিদ্যমান সংবিধান ও আইন যদি পুরুপুরি বাস্তবায়িত থাকত তাহলেও অনেক ভাল হতো। এবং, বাজে আইন যে কটি আছে তা তুলে দিলে বেস্ট সিসুয়েশন।
আর এ দুটি বস্তু করতে গেলেই আপনাকে পার্লামেন্টে মেজরিটি পেতে হবে, রাস্ট্রযন্ত্রের অন্য অংশে সাপোর্টার লাগবে। মোট কথা জাতির প্রতি আপনার একটি পরিস্কার বক্তব্য থাকতে হবে।
মহানবী(স) কে নানার দেশ মদীনার মেজরিটি মানুষ সাদরে আমন্ত্রন জানানোর পরই কেবলমাত্র তিনি সেখানে যান।

২. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩
ফালতু মিয়া বলেছেন: আসুন আমরা সবাই মিলে সেরকম একটি সত্যিকারের ইসলামী সংগঠন গড়ে তুলি@ ভাল প্রস্তাব কাঙ্গাল মুরশিদ। আমি শিওর ১০০ ভাগ যে যে দলই ইসলামী নাম দিয়ে শুরু করেন না কেন, মৌলবাদী আখ্যা আপনাকে নিতেই হবে। ভাগ্য ভাল থাকলে রাজাকার তকমাও পাবেন। সন্দেহ নাই।
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: মৌলবাদকে গাল মনে করার কোন কারন নাই। এটা একটা বিরাট অর্জন এ সময়ে যেকারো জন্য। কিন্তু ঠেলেঠুলে সিকি বা আধা মৌলবাদি লোক বা দল হওয়াও অনেক কঠিন।
ইসলামি নাম নিয়ে দল গঠন এত জরুরি হৈল কেন? ১৪ কোটি মুসলিমের দেশে কোন একটি দলের নাম ইসলামি......রাখার অর্থ বাকিরা অ-ইসলামি। তো শুরুতেই তো ক্যাচালঁ বাধায়া দিলেন!!!

০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: কিছুই তো কইলেন না।

৪. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তুরুক একটা লেখা পড়লাম। প্রিয় পোস্টে এড দিলাম
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্য....

৫. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯
ঊন্মাদ বলেছেন: ব্যাস্ততার কারণে লেখাটা পুরো পড়তে পারলাম না, যতটুকু পড়লাম ভাল লেগেছে। প্রিয়তে রাখলাম বাকীটুকু পরে পড়ব বলে।
৬. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৯
অলস ছেলে বলেছেন: পুরোপুরি একমত। ধন্যবাদ।
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: আপনাকে ও

৭. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:০৫
মোহাইমেন বলেছেন: কাঙ্গাল মুরশিদ ভাইয়ের যুক্তির সাথে সহমত।

পোস্ট ভালো লেগেছে। +
৮. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:১৯
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন: ইসলামী আইন সম্পর্কে আপনার অগাধ নলেজ দেইখযা মাইনাস দিলাম
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: যাহোক একমাত্র মাইনাসটা তাইলে আপনিই দিছেন! হে:হে:। ত্বয় একটা কথা কই "ইসলামী আইনের পাশাপাশি স্বাধীন বাংলাদেশের আইন গুলানও পইরা নিয়েন।'' কাজ দিব!

৯. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:৩১
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:

@বুড়া ছাগয়রিয়ার, তোমার কথা কিছু কওনা।
১০. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:০৭
ভালো বলেছেন: ১. আসি ইসলামী আন্দোলন ইস্যুতে। ইহা ফরজে আইন ------- তারপর ?

২. -------------------সুতরাং ফাইনালি সাকসেসফুল (দুনিয়াতে হতে পারে, নাও হতে পারে) লোকদেরকে ফলো করাই বেটার। বাকাত্যাঁড়া নয়, সোজা সাপটা মত ও পথ অবলম্বন করাই বুদ্ধিমানের কাজ----------------


শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনি কোন পথের দিশা তো দিতে পারলেন না ? "সাকসেসফুল" লোক কারা ? জামাত সমর্থকেরা জামাত ছেড়ে দিয়ে কোথায় যাবে ? সেটা বলে দিবেন ।

পোষ্টে প্লাস দিয়েছি ।
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: ১। ভালো মুসলিমের জীবনযাপন কৌশল ৩টি অক্ষরেখায় চালিত হতে পারে - এক- মানুষের অধিকার নিয়ে চরম সচেতনতা (মা, বাবা, স্পাউস, বাচ্চা, প্রতিবেশী, কলিগ, অচেনা পথিক..) দুই- হারাম থেকে বাচা, তিন- আল্লাহর আদেশ গুলা পালন করা (নামাজ, জাকাত, রোজা, ইসলাম প্রচার ও প্রতিস্ঠার কাজে অংশগ্রহন.....)। জুমার নামাযের মত আন্দোলনও একা একা হতে পারেনা। কোথাও জামাত চলছে দেখলে কাতারে সামিল হবেন, অথবা ডাকাডাকি কইরা জামাত বানাইবেন, চরম ক্ষেত্রে একা একা জোহরের নামাজ পড়বেন। তবে কৈয়া দিই সব কাজ বাদ দিয়ে খালি জুমা পড়লেই হইবনা।

২। এ-প্রবন্ধে পথের দিশা ছিলনা। ঐটা খুজতেঁ গেলেন ক্যান? ছিল- মাড়িয়ে আসা পথের সালতামামি।
সকল নবী-রাসুল সাকসেসফুল। তবে সবাই সরকার গঠন করতে পারে নাই। কেহ কেহ পেরেছে। তাদের আহবানে ছিলেন অবিচল। ৯০০ বছরেও তারা কেউ সোজা রাস্তা ছাড়্বেন নাই!

জামাতের সমর্থকদের জন্য প্রথমেই সহানুভূতি। ২/৪টা ফালতু ছাড়া লোকগুলান যে ব্যক্তিগতভাবে খুবই ভাল তা আমি ক্লিয়ার। কিন্তু টপ ম্যানেজমেন্ট একটা কূপ-মন্ডুকতার মায়োপিয়াতে আড়স্ঠ। যেভাবে চলছে তাতে কচ্ছপের মত শত বৎসর টিকে থাকা যাবে কিন্তু সিংহ হওয়া যাবেনা। ক্ষয় হবে মেধা, তারুন্য, সময় ও শ্রমের!

আপনার এই প্রশ্নটা সবচেয়ে কঠিন। আমার নলেজে কস্ট হচ্ছে রেসপন্স করতে। যতদূর মনে হয়-
যুদ্ধাপরাধীদের একটা ন্যায় বিচার হয়ে গেলে ভালো হত। কিন্তু আওয়ামীলিগ ঐটা করবেনা। করলে ওদেরই লস। 'রাজাকার' ভূতের গল্প বলে বলে জাতিকে ঘুম পাড়াবে ক্যামনে!
তবে ১৯৭১ এর ব্যাচকে বাদ দিয়ে, নাম পরিবর্তন করে রি-ব্র্যান্ডিং করে, শুধু ইসলাম ইসলাম বলে মুখে ফেনা তোলা নয় বরং বিদ্যমান বহুমুখি জাতীয় সমস্যা ও সমাধানের রূপরেখা দিয়ে, ক্যাডার ভিত্তিক গোপন বৈঠক কেন্দ্রিক নয় বরং মানুষের জন্য সহজবোধ্যভাবে আধুনিক স্টাইলে মাঠে নামলে ভিন্ন ফল আসতে পারে।
কালেক্টিভ উইসডম বলে একটা কথা আছে। সেটা বিবেচনা করতে পারেন।

১১. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১২:০৯
জানজাবিদ বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তুরুক একটা লেখা পড়লাম। প্রিয় পোস্টে এড দিলাম।

বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী জামাত ছাড়া আর কোন শক্তিশালী ইসলামী দল যদি থাকতো.......। তুরস্কে দেখেন, প্রায় ইউরোপীয় একটা দেশ অথচ একটি ইসলামী দল বছরের পর বছর ধরে ক্ষমতায়। বাংলাদেশেও এরকম হতে পারতো, এদেশে ইসলামী এলিমেন্ট তুরস্কের চেয়ে বেশীই আছে কম নাই। কিন্তু শালার জামাতে ইসলাম........সব শেষ করে দিয়েছে। অনেক মানুষ শুধু জামাতের কারণেই ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা নিচ্ছে।

বিচার হোক, কঠিন শাস্তি হোক। ওরা শুধু দেশের ক্ষতি করেনি, ইসলামেরও ক্ষতি করেছে।
০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: ঠি....ক...।

০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: ধধধধ

১৩. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩
যীশূ বলেছেন: ভালো বলেছেন।
১৪. ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮
ভালো বলেছেন: কোথাও জামাত চলছে দেখলে কাতারে সামিল হবেন, অথবা ডাকাডাকি কইরা জামাত বানাইবেন, চরম ক্ষেত্রে একা একা জোহরের নামাজ পড়বেন।
____

আপনার এই কথাটার মানে বুঝতে কষ্ট হচ্ছে ! আপনি কি বলতে চাইছেন কেন্দ্রীয় একটা "জামায়াত=সংগঠন" ছেড়ে দিয়ে ছন্নছাড়ার মত এলোমেলো "পথে পথে" ঘুরবো আর কোথাও কোন "জামাত" দেখলেই সেখানে যোগ দিবো ? তাহলেই কি "বুনিয়ানুম মারসুস" এর হক আদায় হয়ে যাবে ? এভাবে কি সীসাঢালা প্রাচীর গড়ে তোলা সম্ভব ?
__________

জামায়াতের ওপর আপনার মূল অভিযোগটা-যা মনে হলো, জামায়াত; এই ভুখন্ডে ইসলামের চুড়ান্ত বিজয়ের কোন রূপরেখা বা টার্গেট আপনার-আমার সামনে উপস্থাপন করতে পারছেনা , সুস্পষ্ট কর্মপদ্ধতি নেই, যেটা তারা ফলো করছে সেটা তাদের সংগঠনের প্রত্যেকটা কর্মী-সমর্থকের সামনে স্পষ্ট হলেও সাধারন মানুষ বা এই সংগঠনের বাইরের মানুষের কাছে স্পষ্ট নয় । আপনার ধারনা এভাবে শত শত বছর কেটে গেলেও ইসলাম বিজয়ী হবেনা ............................অথচ আপনি নিজেই মুসা আ: এর সাড়ে নয়শত বছরের আন্দোলনের উদাহরন দিয়েছেন ।

আমি যেটা জানি, আল্লাহ মানুষকে তার জমীনে তার আইন/পদ্ধতি/নিয়ম চালু করে এই জমীনের প্রত্যেকটি প্রাণীর অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য "সর্বোচ্চ চেষ্টা-সাধনা" করার নির্দেশ দিয়েছেন । ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে ফেলতেই হবে, এই বাধ্যবাধকতা করে দেন নাই । তাহলে কুরআনে মুসা আ: এর উদাহরন অন্তত থাকার কথা ছিলোনা । আল্লাহ মুসা আ: এর উপর অবশ্যই সন্তুষ্ট ।

জামায়াতকে আরো অনেক আধুনিক এবং যুগোপযোগী পদ্ধতির সাথে পরিচিত হতে হবে - বর্তমান সময়কে ধারন করার মত যোগ্যতা অর্জন করতে হবে, এটা অবশ্যই ঠিক ।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:১৬

লেখক বলেছেন: পরের পর্ব অন্য কোন দল কে নিয়ে লিখার প্লান ছিল, আপনার সুবিধার্থে এটারই ২য় খন্ড লিখতে হল। ভালো থাকুন।

১৫. ০৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:০০
প্রগতিশীল বলেছেন:
অসাধারণ।
এই পোস্ট জামায়াত ও শিবিরের সকল পর্যায়ের
নেতাদের মধ্যে বিলি করা হোক।
তাতে যদি তাদের কিছুটা হুশ হয়।

'জামাতের সমর্থকদের জন্য প্রথমেই সহানুভূতি। ২/৪টা ফালতু ছাড়া লোকগুলান যে ব্যক্তিগতভাবে খুবই ভাল তা আমি ক্লিয়ার। কিন্তু টপ ম্যানেজমেন্ট একটা কূপ-মন্ডুকতার মায়োপিয়াতে আড়স্ঠ। যেভাবে চলছে তাতে কচ্ছপের মত শত বৎসর টিকে থাকা যাবে কিন্তু সিংহ হওয়া যাবেনা। ক্ষয় হবে মেধা, তারুন্য, সময় ও শ্রমের!'

সহমত
১৬. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯
ভাইটামিন বদি বলেছেন: চমৎকার ব্যাবচ্ছেদ করেছেন.....
কিন্তু ঐ যে...পথের তো কোন দিশা দিলেন না???অবশ্য আপনি একজনের কমেন্টের জবাবে বলেছেনও সেটা...

আসলে আমরা মনে হয় অপেক্ষা করছি একটি বিকল্পের...জানিনা কখন বা কারা সেটা নিয়ে জাতির সামনে আসবে।।।

তবে বর্তমান সময়ের কোন দল বা নেতারা যে নয়; তা বোধহয় হলফ করে বলা যায়।।।

চালিয়ে যান....শুভেচ্ছা এবং শুভ কামনা রইল আপনার পথচলায়।।
১৭. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
কার্ল মার্কস বলেছেন: ভালা কইছেন। তয় জামায়াতের লগে বান্দর প্রাণীটার ভালো মিল আছে, বিশেষ কইরা বাংলাদেশ জামায়াতের লগে...
১৮. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯
মদন বলেছেন: দারুন বিশ্লেষন... +
১৯. ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:০৯
সমাজ্ঞী বলেছেন: দল বা আন্দোলনটা ইসলামী হইতে হইবে ক্যান?
আবার কারা এর শত্রু, কারা মিত্র হবে?

কিছুই স্পষ্ট হইল না।

তয় জানজাবিদের কথার তালে যে উত্তর দেলেন তাতে মনে হইলো, একটা সৌদি লাইনের জামাত বা ইসলামী দল বাদ দিয়া হান্নান সাবের কারযাভি লাইনের একটা তুরস্ক-জামাতের প্রেসক্রিপশন - আপনাদের বাসনা। সৌদি টাকায় ব্যবসা করুম, পার্টি চালামু আর কারযাভি ইসলামের রাজনীতি নিয়া মাঠে নামুম। আমেরিকাও খুশি, সৌদিও হাতে থাকলো - কী মজা! রাজনীতি কত আরামের জিনিষ!

খালি বুঝবার পারলাম না আমাদের শত্রুটা কে? অবশ্য আমেরিকা যার বন্ধু তার আবার শত্রুর দরকার কী?

ভুল কইলাম নি? হইলে আওয়াজ দিয়েন।

২০. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭
শান্ত কুটির বলেছেন: "তেমনি ঐতিহাসিক বিষয়ের সাথে 'ভিলেন' হিসেবে নেগেটিভ ব্র্যান্ড ইমেজ দাড়ঁ করিয়ে কখনোই গরিস্ট সংখ্যক মানুষের সমর্থন পাওয়া বা নিজেদের সরকার গঠন করা সম্পূর্ন অসম্ভব"

'ইসলামি নাম নিয়ে দল গঠন এত জরুরি হৈল কেন? ১৪ কোটি মুসলিমের দেশে কোন একটি দলের নাম ইসলামি......রাখার অর্থ বাকিরা অ-ইসলামি। তো শুরুতেই তো ক্যাচালঁ বাধায়া দিলেন!!!'

খুব সহজ সরল অভিব্যক্তি। খুব ভাল লাগলো। আরও লেখার অপেক্ষায় থাকলাম।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৪৪৮৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই