যাকগে সেসব কথা। যাকগে ৪.৯০ র নীচের লক্ষ লক্ষ তারুন্য। গুনাগুনতি করি শুধুই ৬৮০০০ সোনার টুকরাকে। কি আছে এদের কপালে? কোথায় যেতে পারে বাছাধনরা? ধরি আজ থেকে গড়ে ৭ বছর পর ২০১৬ সালে তারা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করবে। কেমন হবে ২০১৬ সালের সোনার বাংলা তাদের জন্য? কেমন হবে চাকরীর বাজার? কেমন হবে ব্যবসার বাজার? সরকারী খাত ২/৩ বছরে বিসিএস হয় একবার। ধরলাম বছরে ১০০০। ব্যাংকের নিয়োগের হার অব্যাহত থাকলে আরো ১০০০। বহুজাতিক কোম্পানীতে ধরলাম ১০০০। দেশীয় কোম্পানিগুলোতে ভালমানের ২০০০। সব মিলিয়ে ৫০০০ জনের গতি হল, উদারভাবে হিসেব করে। বাপের ব্যবসায় যোগ দিল ১০০০। ডাক্তার ও উকিলরা স্বাধীনভাবে চেম্বার খুলে কাজ করতে পারে। সেখানে দিলাম ৩০০০। বিবিধ ১০০০। কায়ক্লেশে ১০হাজার অত্যন্ত মেধাবী যুবকের একটাকিছু বন্দোবস্ত করলাম। বাকিদের কি হবে? উপরন্তু ইংলিশ মিডিয়াম ও কওমী মিডিয়ামের হিসেব এখানে আনাই হলনা। তারাওতো ভীড় করবে।
তবুও নির্লিপ্ত সরকার। নির্লিপ্ত বিরোধীদল। চুলে জেল মেখে, মুখমন্ডল বিকৃত করে, গন্তব্যহীন চাপাবাজি চলছেই, চলবেই। কর্মসংস্থান বর্তমান ও আগামীর বাংলাদেশের প্রধান চ্যালেন্জ। এই সরল সোজা সাপটা কথাটা পর্যায়ক্রমিক রাস্ট্রপরিচালকদের বুঝতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


