আমার প্রিয় পোস্ট

সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।

এত কি কথা মোবাইলে???

২১ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০২

শেয়ারঃ
0 1 0

হাত, পা, নাক, কানের সাথে নতুন একটি কৃত্রিম অঙ্গ যোগ হয়েছে। মোবাইল ফোন। পুরুষদের জন্য প্যান্টের পকেট অঙ্গটির সাধারন অবস্থানস্থল হলেও পরিস্থিতি ভেদে হাতের মুঠো, সার্ট পান্জাবীর পকেট, লুঙ্গীর কোচা, কোমর এসব স্থানেও পাওয়া যায়। মহিলারা পার্সের সাথে স্যাটেলাইট অঙ্গ হিসেবে, গলায় তাবিজ আকারে, শাড়ির আঁচল বা হাতে বহন করছেন বস্তুটি। ১টি মোবাইলে কারো কারো পোষাচ্ছেনা, ২ বা ততোধিক পিসের ভার বইছেন! ততটাই ভি আই পি! যাহোক, বিরাট বিপ্লব ঘটিয়েছে ক্ষুদ্র যন্ত্রের এ প্রযুক্তি, অন্তত: বাংলাদেশে। যেহেতু দেশবাসী মোটাদাগে বাচাল, নিরক্ষর ও কর্মহীন তাই ফলটাকে দিনের শেষে তেতোই বলতে হবে। তবে যৎসামান্য মিস্ট অংশ নিয়েই আগে আলাপ সারি। যোগাযোগ অনেক সহজ হয়েছে। কাউকে চাইলাম, আর ডায়াল করলাম! বলা হচ্ছে, এটার কারনে অর্থনীতিতে বিরাট উন্নতি সাধিত হয়েছে। খাতে অনেক চাকরী, রিলেটেড শিল্প- এসব হয়েছে। ইত্যাদি ইত্যাদি।
ভেবে দেখি অন্যভাবে। কি কথা বলি মোবাইলে? বিরাট জটিল প্রশ্ন। লোকের প্রোফাইল ভেদে উত্তরে বিস্তর ফারাক থাকবে। শহর-গ্রাম; টিনেজ-তরুন-মধ্যবয়স্ক-বয়স্ক; পুরুষ-মহিলা; ছাত্র-বেকার-চাকুরে-অবসরপ্রাপ্ত; শ্রমিক-কৃষক-দোকানদার-বড় ব্যবসায়ী; হুজুর-রাজনীতিবিদ-চোর-পুলিশ এভাবে নানান ভিত্তিতে ভাগ করলে দেখাযাবে বিচিত্র লোকজন বিচিত্র সব কথা বলছে। আর বিল তুলছে। কথার জোয়ারে প্রকম্পিত ইথার!
তবে একটা সমীকরন পাওয়া গেছে- ব্যস্ততা যত কম ফালতু কথা তত বেশী; শিক্ষা যত কম ফালতু কথা তত বেশী; বয়স যত কম বাজে কথা তত বেশী! বাদবাকী যে কাজের কথাবার্তা হচ্ছে তার বেশীরভাগ ল্যান্ডফোন ও ইমেইলে সারার মত। খুবই ব্যস্তদের জন্য চলমান অবস্থায় ফোন করার সুবিধা হিসেবে মোবাইল এক্সট্রা হেলপ হতে পারে। সুতরাং টেলিফোন বিপ্লব দরকার ছিল তবে তা মোবাইল না হয়ে ফিক্সড ফোন হতে পারত, হলে সেটাই ব্যক্তি-পরিবার-সমাজ-দেশের জন্য ভাল হত।
খতিয়ে দেখি ক্ষতিগুলো।
বেহুদা কথার বিস্তার। নাই কাজ তো খৈ ভাজর মত কথার খৈ ভাজা হচ্ছে। কি কর? ঘুমাই। কেমনে ঘুমাও? কাত হয়ে। রানের ফাঁকে বালিশ আছে? না। তাহলে কি আছে?......চলছে...চলবে।
মিথ্যা কথার মহামারী। রাজাবাজারের গলিতে আটকে থেকেই এইতো ফার্মগেট থেকে তুমি কৈ? কেন অফিসে (থুক্কু, ললিতার বাসায়) নরসিংদীর বেগুন ভাই নিশ্চিন্ত মনে যশোরের খিরা চাচা পরিচয় দিয়ে চট্টগ্রামের শুঁটকি চাচীর সাথে আলাপ চালাতে থাকেন।
ধ্বংসের পথে তারুন্য এমনকি পরিবার। গভীর রাতে স্ত্রী ব্যতীত অন্য নারীর শোবার ঘরে গমন সহজ কাজ না। এমনকি নিজের আত্নীয়/ পরিবারেও এমনটি অগ্রহনযোগ্য। অথচ নিশ্চিন্তমনে এখন তা সম্ভব। মোটামুটি ১০ম শ্রেনীর পাঠ না চুকতেই হাতে মোবাইল উঠেছে। টিনএজের ঘোর লাগা আলাপে পথ হারিয়ে ফেলছে অনেকেই। নি:সঙ্গ গৃহবধুরাও একাকীত্বের যন্ত্রনা লাঘবে বেছে নিচ্ছে অভিনব এ যন্ত্র। পুরোপুরি অচেনা মানুষকে মিসকল দেয়া বা পাওয়া থেকে আলাপের গন্তব্যহীন দিবস, সাঁঝ ও রজনী। ক্ষেত্রবিশেষে ঘরভাংগার হুড়মুড়। ক্লাশমেট বা কলিগের সাথে যোগাযোগের সময়সীমা বেলা ৫টা ছাড়িয়ে রাত ১০, ১১, ১২ অবধি গড়াচ্ছে। মোবাইল পুর্ব যুগে মেহমান হিসেবে সামনের ঘরের সীমানা আর রইলনা, দুর থেকেই শয়নকক্ষে....।
নষ্ঠপ্রায় প্রাইভেসী ও ডেকোরাম। ফোন বেজে উঠছে বাথরুমে, মসজিদে, কবরস্থানে, জানাজায়, মিটিংয়ে। বোধহীন একজনের যৌন সুরের আশিক বানায়া....আপনে ঐদিন বেজে উঠল জনৈক চাচার জানাজায়! উল্লুক ফোন সাইলেন্ট/রিজেক্ট করতেও জানেনা।
জানবে কিভাবে অবকাঠামোর মধ্যে প্রথম স্থান পাওয়া উচিৎ ভাল ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাব্যবস্থা। আমাদের হল অজাগায় কুজায়গায় ব্রীজ বানানো ও অপ্রয়োজনীয় বিল্ডিং বানানো। হালে মোবাইল ও ইন্টারনেট। যে দেশের ৮০ ভাগ মানুষ ইংরেজী পড়তে পারেনা সেখানে ডিজিটাল, তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তার ধাঁচের প্রলাপ বকার কি মানে!
হুমকির মুখে নিরাপত্তা।এমনিতেই সেফটি হচ্ছে বাংলাদেশের লাস্ট বিষয়। মুখোমুখি সংঘর্ষে বা চাপা দিয়ে হত্যা প্রায় বৈধ কাজ। গোদের উপর বিষফোঁড়ার উপর ড্রাইভাররা ঘাড়ে ফোন গুঁজে স্টিয়ারিং হুইল ধরলে কলজেটা ছ্যাঁৎ করে উঠে।
অপচয় আর অপচয়। টেলিনরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী লাস্ট মাসের জিপির এভারেজ ইউজ ২৫ ক্রোনার বা ২৫০টাকা। এ হিসেবে ৪ কোটি লোক মাসে ১০০০কোটি টাকার কথা (বা কিছু কম) বলছে। কি অমন কথা? বাসে করে ১০০ কিমি জার্নি করলে ৫ বার তুমি কোথায়? টাঙ্গাইল। তুমি কোথায়? চন্দ্রা। এভাবেই বেশী দেখি। বড্ড দু:খ লাগে মধ্যপ্রাচ্যর ভাইরা যখন ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলেন- তুমি ভাল আছ। হ্যাঁ। আসমা? ভাল। গাভীটা কি দুধ দিচ্ছে? ভাল আছ? ঔষধ খাবা। এমনকি ডেস্ক থেকে উঠার বা পিএবিএক্সে কলের পরিবর্তেও অনেকে মোবাইল ইউজ করছেন। টি&টিতে ডায়াল করাও বিলুপ্তির পথে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মোবাইল ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৫ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৫

লেখক বলেছেন: ধ>>>>>>>>>>>>>>>দ

২. ২১ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮
রাফাত সাদাত বলেছেন: হুদাই পেচাল পাড়তে বাঙ্গালী জাতির কুনু জুড়ি নাই। এইজন্যেই এরা ব্যবসা করতে পারতেসে এই দেশে। মাঝখান দিয়া আমাগো পোলাপাইন গুলা খারাপ হইতাছে। হায়রে অভাগা জাতি। খাইতে পাস না আবার মোবাইল মারাস!
৪. ২১ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫
অপরাজিতা ০০৭ বলেছেন: আপনার লেখার সাথে একমত তবে মোবাইল ফোনের প্রসারের ফলে এখন প্রত্যন্ত গ্রামে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছি আমরা।
৫. ২১ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭
বজ্রাহত বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
তবে সব কথার এক কথা:
আপ ভালো তো জগৎ ভালো!!
৬. ২১ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:১৫
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ইদানিং আপনার সবগুলোই লেখাই পড়েছি কিন্তু মন্তব্য করা হয়নি।

অন্যগুলোর মতো এইটাই যথারীতি চমৎকার।

কৌতুহল ছিলো মানুষজন ফোনে এত কি কথা বলে?

পরে বুঝেছি, সবাই দেখি ঘুরেফিরে একি কথা বলে।কেমন আছো, কেমন চলে, কোথায়
..........।পুণপৌণিকতা কিংবা একঘেয়েমির ফাঁদে বন্দী সবাই।

কেউ বুঝে, কেউ বুঝেনা!কেউ আবার বুঝেও সেই একঘেয়েমি থেকে বেরুতে চায়না।

জগৎ ভারী অদ্ভুত

৭. ২১ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২১
ফিরোজ-২ বলেছেন: ভাই ভালো লিখছেন, ভালো লাগলো।

অপরাজিতার সাথে আমি একমত।

ভালো থাকুন।
৮. ২১ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:২৪
বিডিআর বলেছেন: কষাইয়্যা +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
৯. ২১ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৫১
তানিয়া কবির লিজা বলেছেন: আপনার প্রত্যেকটা লেখাই অনেক সুন্দর।+
১০. ২১ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
চাঙ্কু বলেছেন: হাত, পা, নাক, কানের সাথে নতুন একটি কৃত্রিম অঙ্গ যোগ হয়েছে। মোবাইল ফোন।

কথা সত্য ।
১১. ২১ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
বন্ধনহীন বলেছেন: নিঃসঙ্গ আর কর্মহীন হলে আর কী করা?
বেশির ভাগ বাঙ্গালির আলাদা কোন হবি নেই যে, অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। দেশে-প্রবাসে বাঙ্গালি একই রকম।
আমরা এখনো ফালতু আড্ডা বাদ দেয়ার মতো (সু)শিক্ষিত হইনি।
১২. ২১ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩
রবিনহুড বলেছেন: ..............তুমি ভাল আছ। হ্যাঁ। আসমা? ভাল। গাভীটা কি দুধ দিচ্ছে? ভাল আছ? ঔষধ খাবা। ................
১৩. ২১ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯
জেরী বলেছেন: পোস্টের ছবিটা দেখে হাসছি:)
১৪. ২১ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১
এন এইচ আর বলেছেন: আপনার অনেক গুলো কথার সাথে আমি স হ অনেকেই একমত তবে আপনি শুধু নেগেটিভ দিক গুলোই তুলে ধরলেন......।



আর দোষ গুলো যেহেতু বাঙালীদের বলে জানালেন তো আপনি নিজেও তো একজন বাঙালী আপনার কথাটা আমরা জানতে পারলাম না। আপনারও নিশ্চই একটা সীম আছে।

২৫ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: পজেটিভ দিক তো বললামই। একটাই। যা ফিক্সডএ হতে পারত।

আমার সীম ২টি। অফিসেরটা চলমান, নিজেরটা অচল। বন্ধুদের সাথে ফাও গ্যাঁজাল ও নারী বিষয়ক সমস্যা- আছে বটে!
হে! হে!

১৫. ২১ শে জুন, ২০০৯ রাত ৮:০৬
অলস ছেলে বলেছেন: পাশের গরুটা অনেক বুদ্ধিমান, মন দিয়া ঘাস খাইতাছে।

প্রবাসী শ্রমিকদের মধ্যে বাংলাদেশীরাই দেশে সবচেয়ে বেশি ফোন করে, অকারণ হাউকাউ করে, বাংলাদেশীদের সংসারেই বেশি সমস্যা, আর সবাই সব সমস্যার সমাধান টেলিফোনেই করার জন্য মরণপণ ব্যস্ত। নেপালী, ইন্ডিয়ান বা পাকিস্তানী শ্রমিকরা এরকম না। একেবারেই ভুদাই বাঙ্গালী। মোবাইল কোম্পানীগুলোর জন্য এমন স্বর্গরাজ্য আর কোথায় পাবেন?

লেখা ভালো লেগেছে।
১৬. ২৩ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আমি এই সেক্টরের সাথে জড়িত, আমার ও একই প্রশ্ন ।
আপনি যা বলেছেন , তার একটা স্ট্যাট দেই। আমার পর্যবেক্ষনে মোবাইলের ৮০% কথাই বেহুদা। আর বাঙালী কথা সংক্ষিপ্ত করতে পারে না ।
কাজকাম নাই তাই কথা কয়। খালি কথা কয়। আর কি।



জানবে কিভাবে অবকাঠামোর মধ্যে প্রথম স্থান পাওয়া উচিৎ ভাল ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাব্যবস্থা।

--- এই কথাটা যদি আমরা সবাই মিল্যা বুঝতাম। খালি বাইরে প্রলেপ মারি, দেয়াল যে ধইসা পড়ার মুখে সেইটা খেয়াল নাই। :(
১৭. ২৩ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
দূর্ভাষী বলেছেন: লেখাটার বিষয়বস্তুর রবশ বড় একটা অংশ নেয়া হয়েছে সাপ্তাহিক ২০০০ থেকে, তথ্যসূত্র উল্লেখ করলে ভালো হত।
মোবাইলের অপব্যবহার বন্ধ করে সঠিক ব্যবহার করলে সবাই উপকৃত হবে।
২৫ শে জুন, ২০০৯ দুপুর ১:১২

লেখক বলেছেন: সাপ্তাহিক ২০০০ কবে শেষ পড়েছি মনে নেই।
এ লেখা একান্ত নিজস্ব ভাবনা। কাকতাল হতে পারে।

মানুষ সম্পর্কে নেগেটিভ কমেন্ট করার আগে হোমওয়ার্ক করলে নিরাপদ। ভালো থাকুন। পাললিক মনের লেখা পড়ুন।

১৮. ৩০ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৫:০৯
অন্যরকম বলেছেন: একটা নতুন মোবাইল কোম্পানরি ইনস্টলেশন পূর্ববর্তী সার্ভের কাজ করতে গেছিলাম প্রত্যন্ত গ্রামে। ময়মনসিংহের ফুলপরের বাউলা গ্রামের এলজিইডি সড়ক হতে আরও প্রায় আড়াই কিলো ভিতরে! কাঁচা রাস্তা, মাইক্রো চলতে খুবই কষ্ট হয়, গত দুই বছরে এই এলাকায় এইটাই প্রথম কোন গাড়ী ঢুকেছে, আমরা সামনে যাই আর গ্রামের লোকজন, ছেলে-বুড়া আমাদের পিছে পিছে দৌড়ায়, পুরা কৃষি এলাকা, বাড়ী ঘরের অবস্থা তথৈবৈচ, ........ লোকজন আমাগোরে বিভিন্ন প্রশ্ন করে, আমরা উত্তর দিই, পরে আমাদেরকে সিম খুলে দেখায় একএক জনের ৩/৪ টা সিম, স্যানিটারী ল্যাটরিন নাই অথচ ৩/৪ টা করে সিম ইউজ করে!
১৯. ০১ লা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: "কি কর? ঘুমাই। কেমনে ঘুমাও? কাত হয়ে। রানের ফাঁকে বালিশ আছে? না। তাহলে কি আছে?......চলছে...চলবে। "
হাসতে হাসতে পইড়া গেলাম। সঠিক পর্যবেক্ষণ।
২০. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: বেশি জোস লেখা !!!!!! এখন মোবাইল বিল দিতে ছেলে মেয়েদের একটা এক্সট্রা টিউশনী লাগে ! রাস্তায় শান্তিতে হাটতে পারিনা...... সাথের সেলফোনটার নিরাপত্তার চিন্তা নিজের চে বেশি লাগে ! কোন বাসা থেকে বের হবার একটু পর আবার হন্ত দন্ত হয়ে "মোবাইলটা ফেলে গেসি !!!"
সেল বন্ধ করে রাখলে, ঘরে -বাইরে ঝারিও খাওয়া লাগে !
ব্যালেন্স না থাকলে এসি ঘরে বসেও নিজেকে সবচে বড় ফকির লাগে !!!!

কি হয়ে গেল .........

২১. ২৩ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: আরে ভাই প্রবাসীদের তো মোবাইলই একমাত্র ভরসা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৯০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই