আমার প্রিয় পোস্ট

সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।

হিযবুত নিষিদ্ধ সংগঠন হলে ছাত্রলীগ-যুবলীগ কি হওয়া উচিৎ? প্রফেসর মহিউদ্দিন রিমান্ডে থাকলে সারাদেশের ছাত্রলীগ যুবলীগ ও অন্যান্যলীগের আগাগোড়া সন্ত্রাসী, লুটেরা ও হার্মাদদের কোথায় থাকা উচিৎ?

২১ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২৩

শেয়ারঃ
0 2 0

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক জনাব মহিউদ্দিন স্যারকে পুলিশ পরশু রাত আড়াইটায় গ্রীনরোডের বাসা থেকে গ্রেফতার করেছে। তিনদিনের রিমান্ড চলছে তারঁ। অভিযোগ- তিনি রাস্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে নাশকতার চক্রান্ত করছেন! হিজবুত তাহরীরের অনুসারীরা গোপন ঘাঁটি থেকে তারঁ সাথে যোগাযোগ করেন!! তিনি বা তার দলের প্রচারনা গনতন্ত্র নস্যাৎ করার পায়ঁতারা আটঁছেন!!! তার কতিপয় অনুসারীর দখলে দাহ্য বস্তু পাওয়া গেছে (সরকারি উকিলের টিভি ভাষ্য)!!!!

একটা বিষয় পরিস্কার বলে রাখি- রাস্তাঘাটে বড় বড় হলুদ ব্যাকগ্রাউন্ডের কিছু পোস্টার, লিফলেট আর সাম্প্রতিক পত্রিকার নানাবিধ খবর, তস্যখবর ছাড়া হিযবুত তাহরীর সম্পর্কে আমার বিশেষ কোন ধারনা নাই। তবে মহিউদ্দিনকে আমি চিনি ভালভাবে।

Mohiuddin Ahmed সংক্ষেপে MOA নামেই তিনি আমাদের (আইবিএ স্টুডেন্ট) কাছে পরিচিত। সামনাসামনি স্যার ডাকলেও আইবিএর কালচার অনুযায়ী আড়ালে মোয়ার ক্লাশ, মোয়ার কুইজ বা মোয়ার এক্সাম এভাবেই আমরা বলতাম। এমবিএ সেকেন্ড সেমিস্টারের ম্যানেজম্যান্ট একাউন্টিং কোর্সের টিচার ছিলেন আমাদের ব্যাচে। এর বাইরেও তিনি আইবিএ হোস্টেল-গ্রীনরোডের সহকারী ওয়ার্ডেন ছিলেন কিছুদিন। অনেক ব্যাচমেটের আরো অনেক কোর্সের টিচার ছিলেন বা ইন্টার্নশীপ সুপারভাইজর ছিলেন। কমবেশী আড়াইবছর মহিউদ্দিনকে অবজার্ব করার সুযোগ আমার ও আরো কয়েকশ ছাত্রের হয়েছে।

যথারীতি যথাসময়ে গ্রেড না দেয়া, ক্লাশ রিশিডিউল করার কিছু অভিযোগ মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে করা যাবে। এবং মহিউদ্দিন কোনো ফেরেশতা নয়। তবু এটা বলা যায়- আইবিএর ৩০+ টিচারের মধ্যে তাকে বেস্টদের একজন বলা অতিরন্জন হবেনা। অন্তত: আচার আচরন, সততা, যে বিষয় পড়াচ্ছেন সে বিষয়ক জ্ঞান, বিনয়, বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদির আলোকে। কথায় কথা বাড়ে, আইবিএর শিক্ষকরা কেউ কেউ নিতান্তই উম্মাদ, কারো কারো গলার স্বর প্রথম বেঞ্চের শিক্ষার্থীটার কানেও পৌছায়না, কারো কারো স্বভাব বিবিএর কম বয়সী সুন্দরী মেয়েদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, কোন কোন শিক্ষক পরীক্ষায় এটেন্ড না করা ছাত্রীকেও এ গ্রেড দেন (হয় ছাত্রী অতি সুন্দরী বা তার বাবা বিরাট ব্যবসায়ী/আমলা যেখানে উক্ত শিক্ষক খানিকটা কনসালট্যান্সী ভিক্ষা পাবেন), কোন কোন শিক্ষক কি ক্লাস নিতে আসছেন সেটারই পাত্তা নেই (বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে কিছু প্যাচালঁ পাড়লেন এবং ক্লাশ শেষে বুঝতে পারলেন যে এটা একাউন্টিং ক্লাশ)। এহেন দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে দেশের এক নম্বর বিজনেস স্কুলটিতে হাতে গোনা যে কয়েকজন শিক্ষক খানিকটা হলেও 'মান, সততা ও নিস্ঠা' দিয়ে পাঠদান করার চেস্ঠা করছেন মহিউদ্দিন তাদের একজন।

তার পেশাগত একটি সততা উল্লেখ না করলেই নয়। এ মহিউদ্দিনই যে হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশের সমন্বয়ক তা আমরা বুঝতে পারি অনেক পরে। ক্লাশে, করিডোরে, রাস্তাঘাটে, ক্যান্টিনে, হোস্টেলে কখনো কোন ছাত্র বা অন্যকারো সাথে ঘুনাক্ষরেও তা তিনি উচ্চারন করেননি। সামাজিক রাজনৈতিক এ সংগ্রাম ও দৃস্টিভংগীকে তিনি নেহায়েৎই তারঁ ব্যক্তিগত পরিমন্ডলে সীমাবব্ধ রেখেছেন, ক্যাম্পাসের সাথে ঘোল পাকাননি। যেখানে ঢাকা ও অন্যান্য সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা 'ল্যাংটা' হয়ে আলীগ, বিএনপি, জামাত, বামাদর্শের মিছিল মিটিং করছেন; শিক্ষকতার মহান কাজ অধ্যয়ন, পাটদান, গবেষনা, পাবলিকেশন, ছাত্রদেরকে কাউন্সেলিং ইত্যাদি শিকেয় তোলে শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়ার কথা বাদ (!) তাদের তিন স্তর নীচের নেতা পাতি নেতা বা সিকি নেতার পা চাটছেন; সেখানে মহি্উদ্দিন তো কৃষ্ণপক্ষের বড় কোন নক্ষত্র!

আজ মহিউদ্দিন রিমান্ডে। বলি! তার আগে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, সরকারের সকল আমলা বা সকল মিলিটারী অফিসার রিমান্ডে যাওয়া উচিৎ! এমনকি যে অফিসার তার রিমান্ড প্রার্থনা করেছেন আর যে জজ সাহেব তা মন্জুর করেছেন আর যেসব আইনজীবি তাতে যোগ দিয়েছেন সকলেরই রিমান্ডে যাওয়া উচিৎ! কেননা আমার কমবেশী সবাই মহিউদ্দিনের চেয়ে বেশী অপরাধী!

হিযবুত তাহরীর বস্তুটা আমার কাছে আর ১০টা বামধারার মত পোস্টার লিফলেট সেমিনার সর্বস্ব দলই মনে হয়। বায়তুল মোকাররমের উত্তরগেট থেকে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী কটা মিছিল আর অতিকায় কিছু পোস্টার লাগানো ছাড়া তারা কারো পাকা ধানে মই বা বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছে বলে মনে পড়েনা। গতানুগতিক রাজনীতির হিসেবেও তা আ'লীগের কোন লুটের পাতে ভাগ বসালো তা আমরা বুঝিনা। তাপসের উপর কে বা কারা বোমা মারল। আর তাদের কিছু লোককে ধরা হল। তার পর ধরা হল মেহরীনকে। এরপর মেহরীনের সাথে ব্রিগ্রেডিয়ার বারীর সম্পর্ক নিয়ে পত্রিকায় অনেক রসালো কিস্তি ছাপা হল। এরপর চুপ!

এখন বলা হচ্ছে তাদের দখলে দাহ্য বস্তু পাওয়া গেছে। তা কি কাঠ, কাগজ, কয়লা না গাছের পাতা তা সরকার বলছেনা। বলি! সরকার নিজেই তো একটা দাহ্য বস্তু! শাড়ী, মুজিবকোট, লুংগি সবইতো দাহ্য! গণতন্ত্র নস্যাত তো বাড়ে বাড়ে করেছে আওয়ামীলীগ নামধারী কতিপয় মৃত ও জীবিত ব্যক্তি এবং প্রতিদিনই তারা তা এখনো করছে। হিযবুত তাহরীর তো কারো বাক স্বাধীনতা, ব্যক্তির হক, সম্মান নস্ট করেনি।

হিযবুত নিষিদ্ধ সংগঠন হলে ছাত্রলীগ-যুবলীগ কি হওয়া উচিৎ? প্রফেসর মহিউদ্দিন রিমান্ডে থাকলে সারাদেশের ছাত্রলীগ যুবলীগ ও অন্যান্যলীগের আগাগোড়া সন্ত্রাসী, লুটেরা ও হার্মাদদের কোথায় থাকা উচিৎ?
এ কোন বাংলাদেশ?

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হিযবুত তাহরীর ;
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২৭
মাথা খারাপ বলেছেন: :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P :-P =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ পুসটে পিশাচের বিপোরিট
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৪৩

লেখক বলেছেন: কি কৈলেন

২. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৩৬
কানু বলেছেন: জঙীবাদে মাইনাস
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: জঙ্গিবাদে সবাই মাইনাস, তবে বুইঝা!

২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৪৩
অক্টোপাশ বলেছেন: সত্য বলার সাহস অনেকের নাই। আপনার মধ্যে তা আছে। অনেকে পা চাটতে চাটতে নিজের যা বিশ্বাস তাই বলতে পারে না। আপনি তা পারেন। আপনার প্রতি শ্রদ্ধা।
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ

২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৪৫
ফাতেমা-তুজ-জোহরা বলেছেন: "ছাত্রলীগ-যুবলীগ কি হওয়া উচিৎ" অবশ্যই শাস্তি হওয়া উচিত। কিন্তু তার মানে এই না যে মহিউদ্দিন এর পক্ষে সাফাই গাইতে হবে। এই ধরনের আমলা তান্ত্রিক চিন্তা ভাবনার কিছু মানুষের কারনেই এরা আজ এত শক্তিশালী।

আর আপনাকে বলছি তিনি যে হিজবুত তাহরীরের বিষয়টি প্রকাশ করতেন না এটা তার উদারতা নয়। চোর কখনোই ঘোষনা দিয়ে চুরি করে না এটা মনে রাখতে হবে।
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: হিযবুত তাহরীর কোন সংঘবদ্ধ চোরের বা মলম পাটির দল না! সমাজ পরিবর্তনের ব্যাপারে একদল মানুষের 'চিন্তা' বিশেষ বড় জোর। তার সাথে কেই একমত বা দ্বিমত পোষন করতেই পারে।

জানামতে তারা কোন ক্রিমিনাল অফেন্স করেনি। আইবিএর মত চরম বস্তুবাদী স্বার্থপর পরিবেশের ছাত্র ও শিক্ষক হয়ে মহিউদ্দিনযে অতটুকু চিন্তা করেছেন উপরন্তু তার পরিমিতিবোধও বজায় রেখেছেন তা অনেক বড় কাজ।
কটা টাকা বেতন প্রাপ্ত 'ভাব সর্বস্ব' কোম্পানীর এক্সিকিউটিভদের 'ঝাপসা' মননে তা কুলোবেনা।

২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: প্লাস

৮. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৪৯
মিথুন-১ বলেছেন: েমাহাম্মদ আলী বলেছেন: সত্য বলার সাহস অনেকের নাই। আপনার মধ্যে তা আছে। অনেকে পা চাটতে চাটতে নিজের যা বিশ্বাস তাই বলতে পারে না। আপনি তা পারেন। আপনার প্রতি শ্রদ্ধা।
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৯. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৫২
মেঘবাজি বলেছেন: এই হালায় দেখি হিজবুতের দালাল! মোয়ার লগে এরেও থাপড়ানো দ্রকার
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: থাপড়ানোতো অনেকেরই দরকার। আগে বকেয়াটা সারেন!

১০. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৫৪
আশার আলো বলেছেন:


একমত! সবকিছু আজ দুষিতদের দখলে চলে যাচ্ছে!



২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ

১১. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৫৪
মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন: যারা জঙ্গীবাদের ধোয়া তুলছেন তাদের কাছে আমার প্রশ্ন জঙ্গীবাদ আর সন্ত্রাসবাদের মধ্যে পার্থক্য কি?
যারা জঙ্গীবাদের সাথে জড়িত তারা যেমন ঘ্রীন্ন তেমনি যারা সন্ত্রাসবাদের সাথে জড়িত তারা নিশ্চই পূজনীয় নয়? কি বলেন? তাহলে কি দাড়াল, হিজবুত তাহরীর, জেএমবি ইত্যাদি যদি নিষিদ্ধ হয় তাহলে সন্ত্রাসবাদের সাথে জড়ীত ছাত্রলীগ কোথাকার ধোয়া তুলসীপাতা?

পাললিক মন সাহস করে যে সত্যটা প্রকাশ করেছেন তা সহজভাবে মেনে নেয়ার মত সৎসাহস কজনের আছে?

+
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১২. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:০০
সাগর ঢাকা বলেছেন: লীগ/দল/শিবির খারাপ...এর সাথে হিজবুত এর প্রধানকে ধরার কি সম্পর্ক? আপনার আগের কিছু লেখা পরে ভালো লেগেছিলো, কিন্তু আজ আপনার নিজের জাত টা চিনিয়ে দিলেন,
হিজবুত কি জিনিস সেইটা তাদের পোস্টার দেখলে আচ করা যায়, তাদের আদর্শ কি? সেটা তো পোস্টারে আছে...এই জীবানু গুলারে এখনি বিনাশ করা উচিত, নাকি এইটা দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে , তখন যাবে সরকার ?

সরকার এর নিজের হাজার টা দোষ থাকলেই , হিজবুত গুলার কাজ বৈধ হয়না...
মাইনাস
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: হিজবুত কি কাউকে মেরেছে, কাউকে ধরেছে, কারো টাকা চুরি করেছে, কারো ইজ্জত লুন্ঠন করেছে, কারো জমি দখল করেছে?????
বিশেষ করে মহিউদ্দিন কি করেছে?

১৩. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:০২
বিপরীত স্রোত বলেছেন: হিযবুত তাহিরের কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে ধারনা থাকলে এ ধরনের লেখা দিতেন না হিযুবুত তাহরির ক্ষমতা দখল করতে চায় দেশের দেশের সেনাবাহিনীর সাথে সরকারে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে একটা জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার যদি তাদের নিরাপত্তা সংস্থার মাধ্যমে অবগত হয় যে একটা সংঘ বা চক্র কুদেতা করে ক্ষমতা দখলের জন্য গোপনে চেষ্টা করছে তাহলে আমরা প্রত্যাশা করতে পারি না সরকার আঙুল কানে দিয়ে চুপচাপ বসে থাকবে

২০১১ সালের মধ্যে দেশে নগরকেন্দ্রিক নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে হিযবুত তাহ্রীর। উগ্রপন্থী এ সংগঠনটি ‘খিলাফত প্রতিষ্ঠার’ নামে বিভিন্ন দেশে জিহাদ করতে বাংলাদেশ থেকে কর্মী সংগ্রহ করছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা, একাধিক এনজিও, মানবাধিকার ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা হিযবুত তাহ্রীরকে নানাভাবে উৎসাহ বা সহযোগিতা দিচ্ছে।
নিষিদ্ধ হওয়ার পর সংগঠনটির গোপন তৎপরতার নেতৃত্বদানকারী নেতাদের মধ্যে সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) কর্মকর্তারা এসব তথ্য পেয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, হিযবুত তাহ্রীরকে গোপনে সহযোগিতা বা উৎসাহদাতা এসব পেশাজীবী ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর ইতিমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু হয়েছে।
পুলিশের বিশেষ শাখা—এসবির সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানান, নিষিদ্ধ সংগঠনটির সঙ্গে এখনো যুক্ত আছে, এমন অন্তত ৭০০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এঁদের প্রায় সবাই বয়সে যুবক এবং সচ্ছল পরিবারের সন্তান।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত আড়াই মাসে হিযবুত তাহরীরের অর্ধশত নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর মধ্যে সংগঠনটির এ দেশে প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও নেতা ওয়ায়েস মাহবুব ওরফে বাপ্পী, ফয়সাল খান, মাওলানা আবদুর রাকীব খান, কামরুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। সর্বশেষ গত রোববার ফয়সালকে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করে এসবির একটি দল।
সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল ও ওয়ায়েস মাহবুব পুলিশকে জানিয়েছেন, ২০১১ সালের মধ্যে বাংলাদেশে শহরকেন্দ্রিক গণ-অসন্তোষ সৃষ্টির নামে বড় ধরনের নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করাকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করে তৎপরতা শুরু করে হিযবুত তাহ্রীর। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯০ সালে এরশাদবিরোধী আন্দোলন ও পঁচাত্তারের ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লবসহ দেশি-বিদেশি এ রকম বিভিন্ন ঘটনার ওপর গবেষণা করে বাংলাদেশের উপযোগী পন্থা নির্ধারণ করা হয়। তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক, পেশাজীবী ও সামরিক সদস্যদের সরকারের বিরুদ্ধে উসকে দিতে প্রপাগাণ্ডাকে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। তবে সংগঠনটিকে সরকার নিষিদ্ধ করায় তারা এ ক্ষেত্রে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে বলেও জিজ্ঞাসাবাদে এ দুই নেতা জানান।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, হিযবুত তাহ্রীরকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সন্ত্রাসবাদের ক্ষেত্রে নিকট ভবিষ্যতে সম্ভাব্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাই এই উগ্রপন্থী দলটিকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য এসবির একটি দলকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
দায়িত্বশীল গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, তাঁরা সম্প্রতি গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং সাংগঠনিক বিভিন্ন কাগজপত্র পর্যালোচনা করে হিযবুত তাহরীরের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেয়েছেন। তিনি বলেন, এ সংগঠনটি মূলত শহরকেন্দ্রিক তৎপরতায় বিশ্বাসী। বিশেষ করে রাজধানীকে ঘিরে। তাঁরা সদস্যদের প্রথমে বিভিন্ন পাঠচক্রের মাধ্যমে মগজ ধোলাই করে এবং বিভিন্ন দেশের প্রতিরক্ষানীতি, ব্যবসানীতি ও অর্থনীতির ওপর একটা ধারণা দেয়। হিযবুত তাহরীরের ঘোষণাপত্রে তারা গণতন্ত্র ও প্রচলিত নির্বাচন-ব্যবস্থাকে ‘কুফর’ আখ্যা দিয়ে একে বর্জনের ডাক দেয়। আবার তাদের ভাষায় ‘খিলাফত’ প্রতিষ্ঠা বা ইসলামি শাসন কায়েমের কথা বলে। তবে তারা সশস্ত্র বিপ্লবের কথা বলে না। তাহলে কী করে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করা হবে—এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জবাবে ফয়সাল খান গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বলেছেন, তাঁরা গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার পতন ও খিলাফত প্রতিষ্ঠার কথা বলছেন ঠিকই। তাঁরা চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনে জিহাদ বা সশস্ত্র পন্থা অবলম্বনে পিছ-পা হবেন না। তবে এ কথা এখনই বলতে মানা আছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তার হওয়া নেতারা জানিয়েছেন, হিযবুত তাহরীরের লক্ষ্য শুধু বাংলাদেশ নয়, তাঁরা মূলত তাঁদের ভাষায় ‘বিশ্বব্যাপী জিহাদি আন্দোলনের’ জন্য কর্মী গড়ে তুলছেন। এ জন্য বিশ্বের কোন দেশে জিহাদি আন্দোলনের কী অবস্থা, সে সম্পর্কে পাঠচক্র, বই-পুস্তক ও ভিডিও সিডির মাধ্যমে কর্মীদের ধারণা দেওয়া হয়। এ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, নিষিদ্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ঢাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল, গোলটেবিল আলোচনাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক তৎপরতায় অন্য যেকোনো দলের তুলনায় এগিয়ে ছিল হিযবুত তাহ্রীর। আর তাদের এসব কর্মসূচির ১০ শতাংশ বাংলাদেশ ইস্যুতে। বাকি সবই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে। আর এসব ইস্যু নির্ধারণ করে দেওয়া হয় সংগঠনটির আন্তর্জাতিক কমিটি থেকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব নির্দেশনা সংগঠনের বিভিন্ন ওয়েসসাইটে দেওয়া হয়।
সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া নেতা-কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেও কোথায় থেকে বিশ্বব্যাপী সংগঠনটি নিয়ন্ত্রিত হয়, তা জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হয়, যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন এদের মূল কেন্দ্র। তারা লন্ডনের সাংগঠনিক নাম দিয়েছে লন্ডনিস্তান। আফগানিস্তান, পাকিস্তান, উজবেকিস্তানের নামের আদলে লন্ডনিস্তান বলে তারা। এ ছাড়া সংগঠনটির এ দেশে তৎপরতার জন্য অর্থের উৎস এখনো উদ্ঘাটন করতে পারেনি গোয়েন্দারা। তবে তারা একাধিক তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) ও প্রকাশনা গড়ে তুলেছে, যার কয়েকটি এসবি শনাক্ত করে সিলগালা করে দিয়েছে। এ ছাড়া তাদের একটি কোচিং সেন্টার ও একটি মাদ্রাসা শনাক্ত করা হয়েছে বলে অপর একটি গোয়েন্দা সংস্থার একটি সূত্র জানিয়েছে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, নিষিদ্ধ হওয়ার পর প্রথম সারির নেতারা গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকায় ফয়সালসহ মধ্যম সারির তিনজন নেতা হিযবুত তাহরীরের গোপন কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। এই তিনজনের মধ্যে ওয়ায়েস মাহবুব ওরফে বাপ্পীকে গত মাসে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। অপরজন কাজী মোরশেদুল হক এখনো পলাতক। এ ছাড়া নারী শাখার প্রধানও ভীষণ তৎপর। তাঁকেও গোয়েন্দারা নজরদারিতে রেখেছে। সন্তানসম্ভবা হওয়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।
ঢাকার কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সরাসরি হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে যুক্ত থেকে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংগঠনটির বিভিন্ন গোপন বৈঠক করার সুযোগ করে দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে শিগগিরই শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার এ কে এম শহীদুল হক বলেন, তাঁরা এই বেআইনি সংগঠনের গোপন-প্রকাশ্য সব তৎপরতার ব্যাপারে নজরদারি বাড়িয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযানও অব্যাহত আছে।
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: নিজে কস্ট করে লিখেছেন না প্রথম আলো গং পত্রিকা থেকে পেস্ট করে দিলেন তা নিয়ে ধন্ধে আছি। গোড়াতেই আমি বলেছিযে, বাহ্যিক প্রচার প্রচারনায় যতটুকু চোখে পড়ে ততটুকুই দলটি সম্পর্কে আমি জানি- এর বেশী কিছু না। আপনাকেও সে দলের কর্মী মনে হচ্ছেনা! আবার এমন কেউও না যে শক্রুতা বশত: তাদের ব্যাপার ব্যাপক অনুসন্ধান করেছেন। যা বলেছেন- তা পুলিশ বলেছে প্রথমালুর সাম্বাদিককে আর আপনি তা কোট করলেন!

এত এত দামি কথা পুলিশ খালি প্রথম আলোকে বলে কেন? আর পুলিশতো এও বলে "অমুক সন্ত্রাসীকে ধরে অস্ত্রের সন্ধানে বেরুলে তার চ্যালারা গুলি করে। এতে তমুক ঘটনাস্থলে ক্রসফায়ারে পড়ে মারা যায়।" ক্রসফায়ারে খালি ১জন এবং ঐজন মারা যায় কেন? মারা গেলেও তার লাশপুলিশ হাসপাতাল বা মর্গে না এনে টিভি ক্যামেরা এনে মাছি উড়া পর্যন্ত ফেলে রাখে কেন? আরো মজার ব্যাপার হল- একই প্রথম আলো গং এ খবরটা বিশ্বাস না করে এপোস্টপির মধ্যে ছাপে কেন?

যে পুলিশ নিজেই নিহত হচ্ছে সরকারদলীয় গুন্ডাদের হাতে (আজকের পেপার পড়ুন) সে পুলিশ সব ফেলে কোন এক হিযবুত না কিসে ২০১১ সালে কি করবে তার পরিকল্পনা টের পেয়ে আগাম ব্যবস্থা নিচ্ছে!!!

শুনেন বাংগালরে আর কত হাইকোর্ট দেখাবেন?

১৪. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১০
বিপরীত স্রোত বলেছেন: প্রশ্ন জঙ্গীবাদ আর সন্ত্রাসবাদের মধ্যে পার্থক্য কি? জঙ্গীবাদ আর সন্ত্রাসবাদের মধ্যে পার্থক্য কি?


দুটিই একটা সভ্য সমাজের জন্য হুমকি তবে ছাত্র দল কিংবা ছাত্রলীগের সন্ত্রাস হচ্ছে দেশের চান্দাবাজি , টেন্ডারবাজি অপরাধ কর্মগুলির সাথে জেএমবি হিযবুটের দেশের তালেবানি রাষ্ট্র বানানোর অপচেষ্টাকে একরে দেখলে ভুল হবে
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৫০

লেখক বলেছেন: এত লম্বা ফালতু লেকচার দিয়েননা।

আওয়ামীলীগ মার্কাধারী হাজার হাজার সন্ত্রাসীর উৎপাতে জনজীবন অতিস্ঠ। এটা বন্ধ করেন, তার পর অন্য কথা শুনব।

১৫. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:০৩
পাললিক মন বলেছেন: বি:দ্র: মহিউদ্দিন গত ৬ মাস ধরে গৃহবন্দী। চারপাশে পুলিশ প্রহরা। এরিমধ্যে তিনি নাকি "অনুসারীদের সাথে যোগাযোগ করেছেন।"
১৬. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:০৫
মৃতস্বর বলেছেন: নিজ চোখে দেখা ঘটনাগুলো থেকে বলেছেন বলেই আপনার কথা বিশ্বাস করছি।

তাই +
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৭. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৯
আহমদ বসির বলেছেন: এখন বলা হচ্ছে তাদের দখলে দাহ্য বস্তু পাওয়া গেছে। তা কি কাঠ, কাগজ, কয়লা না গাছের পাতা তা সরকার বলছেনা। বলি! সরকার নিজেই তো একটা দাহ্য বস্তু! শাড়ী, মুজিবকোট, লুংগি সবইতো দাহ্য! গণতন্ত্র নস্যাত তো বাড়ে বাড়ে করেছে আওয়ামীলীগ নামধারী কতিপয় মৃত ও জীবিত ব্যক্তি এবং প্রতিদিনই তারা তা এখনো করছে। হিযবুত তাহরীর তো কারো বাক স্বাধীনতা, ব্যক্তির হক, সম্মান নস্ট করেনি।
১৮. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৪৪
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: হিসবুতি চুনায়াদের মাইনাস
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: খালি মাইনাস দিয়ে বিপ্লব ফুটুস!

১৯. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩১
গরীবের কথা বলেছেন: একটা 'পরিমিতবোধসম্পন্ন' লেখা। ধন্যবাদ আপনাকে লেখক।

শিরোনামে আপনি যে প্রশ্নটা করেছেন, সেটা মানসিকভাবে সুস্থ সব মানুষেরই।
২০. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৪০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার কথা ফেলে দেবার মত নয়.....
২১. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:১৪
কিংবদন্তী বলছি বলেছেন: MOA sir এর মত ভালো, প্লাস subject সম্পর্কে পুরা ধারণা আছে এরকম শিক্ষক IBA তে আসলেই নাই এবং CFA লেভেল ২ পাশ করা অল্প কয়েকদের একজন এটাও সত্যি। উনার বাক্তিগত বিশ্বাস, হিজবুত তাহরীর বা যায় হোক না কেন আমি নিজের মুখে কোনদিন শুনি নাই ২/৩ টা কুর্সে করার পরেও।

আপনার কথা অনেকের ভালো না লাগতেই পারে, তবে তা যা বলেছেন সত্যি বলেছে। আর আমাদের চোখ আর মনন তো তরী করেছে এখন মিডিয়া . ওনারা যেটাকে ভালো বলেন সেটাকে আমরা নাকে ডলা দিয়ে হাঁ বলি আর যেটাকে খারাপ বলেন সেটাকে আমরা আরো জোরে খারাপ বলি।
২২. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৭
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
সরকার নিজেই তো একটা দাহ্য বস্তু! শাড়ী, মুজিবকোট, লুংগি সবইতো দাহ্য! গণতন্ত্র নস্যাত তো বাড়ে বাড়ে করেছে আওয়ামীলীগ নামধারী কতিপয় মৃত ও জীবিত ব্যক্তি এবং প্রতিদিনই তারা তা এখনো করছে।
২৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৪৪
আ হক বলেছেন: অধ্যাপক মহিউদ্দিন সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম। আপনাকে ধন্যবাদ।
২৪. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
পারভেজ আলম বলেছেন: ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হওয়া উচিত।

তবে পোস্ট লেখক হিযবুতএর দালালি করায় মাইনাস।
২৫. ০৩ রা মে, ২০১০ রাত ১২:২২
এস এইচ খান বলেছেন:
গরীবের কথা বলেছেন: একটা 'পরিমিতবোধসম্পন্ন' লেখা। ধন্যবাদ আপনাকে লেখক।

শিরোনামে আপনি যে প্রশ্নটা করেছেন, সেটা মানসিকভাবে সুস্থ সব মানুষেরই।


++++++++++++++++

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৬৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সমাজ ও সময় নিয়ে চাছাঁছোলা লেখনী। স্বার্থান্বেষী বিশেষ করে ক্ষমতাসীন মহল ও নূন-নেমক খাওয়া হরিদাশ পালদের গাত্রদাহ হতে পারে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই