somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: মানুষ যেখানে একেবারেই ফেলনা! ১৩৫০ একরের বিশাল সবুজ পাহাড়ী ক্যাম্পাস। আয়তনে দেশের বৃহত্তম বিদ্যাপীট। তবে অন্যান্য ছোট বড় কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে চবির বৈচিত্র্য অন্য যায়গায়। চিরহরিৎ- পত্রমোচী, অতিথি -দেশী, বেনথাম হুকারের শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী বিচিত্র সব উদ্ভিদে ঠাসা। আছে মেছোবাঘ, মায়া হরিণ, সজারু, ভালুক, খরগোশ, অজগর, অসংখ্য পাখি, সাপ ইত্যাদি। শেয়ালদের কথা নাইবা বললাম। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে এখানে জন্ম, বেড়ে উঠা, খাবার, বংশবৃদ্ধি করার সুব্যবস্থা থাকায় হুমকির মুখে থাকা অনেক বন্যপ্রাণির জন্যও চবি এক নিরাপদ আশ্রম।

তবে বোবা প্রাণিদের জন্য নিরাপদ আশ্রম হলেও বাকশক্তিসম্পন্ন মানুষ নামক ম্যামেলিয়া পরিবারের দ্বিপদী জন্তুটির জন্য এ ক্যাম্পাস চরম বৈরী। মনে আছে, হলে আমার জানালার পাশে প্রায়ই একজোড়া সাদা রংয়ের খরগোশ আসত। দুপুর ২ টা থেকে ৪ টা এরকম সময়ে। কুটকুট করে কচি ঘাস খেয়ে আবার পলায়ন! খালি পেলেই ডাইনিং এর চেয়ার, টেবিল, টিভি রুম, পেপার রুমে শালিক পাখির জমজমাট আড্ডা! বিস্ঠার অত্যাচার স্বত্তেও ওদেরকে কেউ কিছু বলতনা।

ফেলনা শুধু মানুষ!

আমরা ভর্তি হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরই সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ সালের কোন একদিন সা-কা চৌধুরী ছাত্রদলের প্রোগ্রামে অতিথি হয়ে আসেন। যথারীতি ছাত্রলীগ ও বামদল গুলো তা 'প্রতিহত' করতে মাঠে নামে। সন্ধ্যা নামার ঠিক আগে আগে অজ্ঞাতকারণে বিষয়টা লীগ-শিবির মারামারিতে গড়ায়। শিবির ১নং গেটের কাছে কটেজগুলোতে হামলা করে। গুলিতে মারা যায় আমিনুল ইসলাম বকুল (গণিত, ১ম বর্ষ)। ফলাফল- অনির্দিস্ট কাল বন্ধ, হলত্যাগ। ডিসেম্বরের শেষে আবার ক্যাম্পাস চালু হয়। ক্ষমতায় লীগ থাকলেও হলে তারা সেভাবে পজিশন নিতে পারেনি। তাই ফোঁসফাঁস চলছিল ভেতরে ভেতরে। এদিকে শিবিরেরও 'ছেড়ে দিব নাহি সুচাগ্র মেদিনী...' অবস্থান। এপ্রিল ১৯৯৮ র কোন এক প্রহরে শাটল ট্রেন, ট্রাক ভর্তি করে ২-৩ শ ভাড়া করা সন্ত্রাসী নিয়ে ক্যাম্পাস আক্রমন করে ছাত্রলীগ। অতর্কিত এ হামলায় কেউ মারা না গেলেও শিবির ভালো রকম মার খায়। তাদের সেক্রেটারী সহ অনেকেই মারাত্মক জখম হয়। বিতাড়িত হয় শাহজালাল ও শাহআমানত হল থেকে। পরদিন থেকেই এ ২টি হল, ১নং গেট তথা রেলস্টশন ও সংলগ্ন এলাকা এবং কটেজগুলো সহ সমগ্র দক্ষিন ক্যাম্পাস হয়ে যায় 'লীগের এলাকা।' আর সোহরাওয়ার্দী হলের পাশ্বস্থ খাল থেকে এফরহমান, আলাওল হল, ল'ফ্যাকাল্টি, রব হল, ২নং গেট তথা উত্তর ক্যাম্পাস হয়ে যায় 'শিবিরের এলাকা।' সাইন্স, আর্টস, লাইব্রেরী ও রেজিস্টার ভবন 'সবার' এলাকা। তবে এ এলাকার কর্মতৎপরতা সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা। তারপর পদার্থ বা রসায়নের 'ব্যবহারিকে'র চিপায় না পড়লে কেউ ওখানে থাকত না। এ এলাকাতেও ইন্টারেস্টিং একটা সীমানা ছিল। শিবিরের 'টহল' মূলত: রেজিস্টার বিল্ডিংয়ের সামনের মাঠ আর লীগের টহল ঝুপড়ি, চাকসু ক্যাফেটিরিয়া। শামসুন্নাহার, প্রীতিলতা হল এলাকা সংগত কারণেই ছাত্রলীগ অধ্যুষিত। ক্যাম্পাসের বাইরে ষোলশহর রেলস্টেশন এবং শাটল ট্রেনও ছিল লীগের দখলে। কিছু মাইনর চেন্জ ছাড়া ২০০১ সালের অক্টোবর পর্যন্ত টানা সাড়ে ৩ বছর এ সীমানা নীতিমালা চবিতে বহাল ছিল!

১৯৯৮-২০০০। শিবির অবরোধ ডাকে। অবরোধ লংঘন করে ক্যাম্পাসের শিক্ষক বাস শহরে যাবার পথে শিবিরের বোমা বা গুলির শিকার হয়। মারা যায় অধ্যাপক নুরুন্নবীর ছেলে মুশফিক (চমেক ছাত্র)। শাহআমানত হলে নিহত হয় জনৈক বহিরাগত যুবক আইয়ুব আলী (ধারনা করা হয় সে ছাত্রলীগের হয়ে হল দখল বজায় রাখতে এখানে আসে)। ছাত্রলীগের বেপরোয়া গুলিবর্ষনে নিহত হয় শিবিরের রহিম (জুলজি) ও মাহমুদ (ইংরেজী)। এর আগে বা পরে অপহরনের পর খুন করা হয় শিবিরের জুবায়ের (অর্থনীতি)কে। ক্যাম্পাসের বাইরে বটতলী রেলস্টেশনে ছাত্রলীগ শাটল ট্রেনের বডিতে মাথা থেতঁলিয়ে শিবির সন্দেহে হত্যা করে ছাত্রইউনিয়নের সন্জয় তলাপাত্রকে (চারুকলা)। এছাড়াও চবি সংক্রান্ত ঘটনায় ছাত্রলীগের জনৈক ঠিকাদার খুন হয় নিকটস্থ মদনহাটে।

৪-বছর মেয়াদী স্নাতক কোর্স পাশ করতে করতে আমাদের চেনাজানা পরিমন্ডলে খুন হয় ৮ জন মানুষ! কি তুচ্ছ এক প্রাণি ছিলাম আমরা!! জানামতে মামলা হয়েছে অনেক। কিন্তু কোন ক্রিমিনালের ১ দিনের জেলও হয়নি। ইনফ্যাক্ট মামলাগুলো অতদুর গড়াওনি হয়তবা!

সময় থেমে থাকেনি। সতীর্থদের লাশের উপর পা মাড়িয়ে আমাদের ডিগ্রী অর্জন, চাকুরী, প্রমোশন সবই হয়েছে। ছাত্রশিবির, ছাত্রলীগ, সাদা বা হলুদ শিক্ষক, ভিসি, প্রোভিসি, প্রক্টর সবারই জীবন এগিয়ে গেছে যার যার তালে। শুধু অপেক্ষায় অপেক্ষায় সেসব মা'দের চোখ ধূসর হয়ে গিয়েছে- যার বুকের ধন এতকাল পরও স্নাতক হতে পারেনি। সেসব বাবা যারা হয়ত: আত্নভোলা মনে এখনো কৌতুহলী হন- আচ্ছা এতদিন ধরে খোকা টাকা চেয়ে পত্র পাঠায়না কেন?

বি:দ্র: গতকালও চবিতে ২জন ছাত্র নিহত হয়েছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29537398 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29537398 2012-02-08 21:35:35
বাংলা বাংলা সাবান- নিকৃস্ট মানের কাপড় কাচার সাবান। ১৩৪৯ ইত্যাদি।
বাংলা সিনেমা- এক থাল মাংসের নর্তন-কুর্দন ও চিৎকা। খাইছি তোরে ইত্যাদি।
বাংলা সেমাই- গরীবের সেমাই। বোম্বাই সেমাই ইত্যাদি
বাংলা ভাই- ভয়াবহসন্ত্রাসী। ফাঁসিতে মৃত।
বাংলা ব্যকরণ- ছাত্রজীবনের দু:খ
বাংলা কলেজ- কদাচিৎ ক্লাশ
বাংলা হুজুর- তাবিজ, তুমারে দক্ষ এমন হুজুর
বাংলা একাডেমি- প্রায় নিষ্কর্মা ১১ মাস
বাংলাদেশ টেলিভিশন- অধীনের বিনীত খবরাখবর
বাংলা কদু- লাউ
বাংলা মাধ্যমে পড়ালেখা- শহুরে ননীর জাত গেল, জাত গেল
বাংলা পিডিয়া- কাজের জিনিস
বাংলা বিভাগ (বিশ্ববিদ্যালয়ে)- নারীদের ভিড়
বাংলা ব্লগ- সামহয়ারইন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29535009 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29535009 2012-02-04 19:53:08
বহুজাতিক কোম্পানী, ব্যাংক ও দেখাদেখি অন্য অনেক কর্পোরেটের CSR নামক গালভরা বুলি ও তাদের অফিসের হাড়কঙ্কাল পিয়ন, ক্লিনার, ড্রাইভার ও...
প্রচারের জন্য 'মোক্ষম' ও 'ব্যতিক্রম' সিএসআর উপাদান বের করা প্রথমসারির কোম্পানিগুলোর রিলেটেড স্টাফদের অন্যতম কাজ। তাই তালু কাটা রোগী, শিক্ষাবৃত্তি, গাছের চারা, সেলাই মেশিন, গাভী বিতরন, নৌ-হাসপাতাল, কম্বল, মিঠাপানি সরবরাহ নানান ব্যতিক্রমধর্মী প্রোগ্রাম এ তালিকায় দেখা যাচ্ছে। গ্রামীনফোন, এক্সিয়াটা, লিভার, বিএটেবি, ডাচবাংলা ব্যাংক ইত্যাদি প্রতিস্টান সিএসআর কাজে মোটামুটি নেতৃস্থানীয় পর্যায়ে অবস্থান নিয়েছে। তবে কমবেশী সকল ব্যাংক, আর্থিক প্রতিস্টান, বড় কোম্পানি কিছু না কিছু খয়রাতি কাজ করে।

দু:খ থাকত না যদি এসব প্রতিস্টান সবার আগে তাদের ঘরের বাসিন্দান্দের দিকে নজর দিত। এসব অফিসের সদর দরজায় ২৪ ঘন্টা যে লোকগুলো দাড়িয়ে থাকে তারা থার্ড পার্টি ডেপ্লয়েড সিক্যুরিটি। মাসে বেতন ৪ থেকে ৭ হাজার টাকা (স্বাস্থ্য ও চেহারা ভেদে); অফিসে সবার আগে আসে ক্লিনার- সে ও থার্ড পার্টি। বেতন ৪-৫ হাজার। যায় সবার পরে। পিয়নও বেশীরভাগ থার্ড পার্টি। বেতন ৪-৬ হাজার। এদের মানব জীবন মোদ্দাকথায় নিম্নরূপ:

যা বেতন পায় তা অতিতুচ্ছ
পেট ভরে ভাত খেতে পায়না
অস্বাস্থ্যকর বস্তির মেসে রাতে ঘুমায়
প্রস্রাব পায়খানা করার কোন স্থান নেই
কেউ তাদের ভালো সম্বোধন করেনা
কারণে-অকারণে গালিগালাজ খেতে হয়
অসুখ হলে চিকিৎসা পায়না
২/১ দিন অনুপস্থিত থাকলে চাকরি নট
পেনশন, গ্র্যাচুইটি, পিএফ, ইন্সুরেন্স কিছুই নাই
তাদের আসল এমপ্লয়ার 'থার্ড পার্টি' তাদের কোন খবর নেয়না
কর্মরত কোম্পানি ২৫ তারিখ পেমেন্ট করে দিলেও তারা ৭/৮ এমনকি ১০ তারিখে বেতন পায়
কস্ট কাটিং এর রব উঠলে এরাই প্রথম হতভাগ্য হয়
তাদের জীবনে আছে শুধুই অতীত- নেই কোন বর্তমান বা ভবিষ্যৎ।

অথচ- তাদের কর্মস্থল কতইনা ঢাকঢোল পিটিয়ে সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি পালন করছে। হায়রে বাংলাদেশ!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29531600 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29531600 2012-01-29 21:10:52
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার আনাড়িপনা ও আমজনতার ভোগান্তি- মিঠা কথা ও তেতো ঔষধ এটা সাধারনভাবে কাম্য যে, কোন পরিবারে ৬ জন সদস্য থাকলে তাদের মধ্যে পার্থক্য থাকে, থাকবে। কিন্তু তাদের কেউ খেতে পাবেনা আর কারো পেছনে খাবার নিয়ে দৌড়ানো হবে তা চরম অন্যায্য। এটা কাম্য যে তারা সবাই সমান বেতনে চাকরি করবে না। কিন্তু এটা অন্যায্য যে কেউ লাখ টাকা কামাবে আর কেউ স্যান্ডেল ছিড়ে গেলেও একটা পেটে-ভাতে কাজ পাবেনা। লজ্জার, হতাশার, ঘৃণার বিষয় হল সার্বিক রাজনৈতিক আনাড়িপনা ও বদ উদ্দ্যশ্যপ্রসুত নানান কু-অর্থনীতির বিষফল হিসেবে এদেশে এখন মুস্টিমেয় স্থুল বাচ্চার পেছনে মা'রা খাবার নিয়ে ছুটছেন (জিঙ্গেল বাজবে হু তু তু হু তু তু......! এটা টি??) আর লাখ লাখ শীর্নকায় বাচ্চা একমুঠো ভাত পাচ্ছেনা। ২ টি দৃশ্যই পাঠকরা টিভিতে বা সরেজমিনে দেখতে পাবেন।

গলাকাটা ট্যাক্স পলিসি
বক্ষ্যমান প্রবন্ধে আমি সরকারি লোকের চুরি ও দুর্নীতি নিয়ে কিছু বলবনা। বলব শুধু পলিসি নিয়ে। পলিসি গুলোই গণবিরোধী। মোটাদাগে বাণিজ্যিক প্রতিস্টানের গ্রস লাভের উপর ট্যাক্স ৩৭.৫%। ক্ষেত্র বিশেষে তা ৪৫%। এটার উপর ভোক্তা পর্যায়ে আবার ১.৫ থেকে ১৫% অবধি ভ্যাট কালেকশনের 'অবৈতনিক চাকরি'ও 'উদ্যোক্তা'র উপর বর্তায়। মোদ্দা কথা সারা বছর মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, অনেক রিস্ক নিয়ে, চৌদ্দগুস্টির টিপ্পনী খেয়ে চাকরি ছেড়ে আপনি একটা হালাল ব্যবসা দাড় করিয়েছেন, বেকারত্বের অবসান ঘটিয়েছেন আরও ২/৪ জন কর্মী, সাপ্লাইয়ার বা রিটেইলারের। ১০০ টাকা লাভ করেছেন ১ বছরে/ এখন সরকার বলছে আমাকে ৩৭.৫ টাকা দিয়ে দাও! এহেন নিশ্চিৎ ডাকাতির কথা জানলে কে 'উদ্যোক্তা' হওয়ার রিস্ক নিবে? আল্টিমেট কুফল হিসেবে পটেনশিয়াল অনুযায়ী আমাদের দেশে সে পরিমান ব্যবসায়ী গড়ে উঠেনি। মোটা দাগে চাকুরের জাত হতে বাধ্য!

১৬ কোটি নাগরিকের দেশে টিন আছে ২২ লাখ ; আর কম বেশী ট্যাক্স দেয় ১০ লাখ, প্রতি ১০ হাজারে ১! দেশের বেশীরভাগ জেলা সদরে এনবিআর অফিস আছে কিনা সেটাই কেউ জানেনা। উপজেলার কথা বাদ!! কিছু নামকরা কোম্পানী, ব্যাংক ইত্যাদির বেতনভুক্ত কর্মচারীদের কাছ থেকে ২৫% গলাকাটা ট্যাক্সই আমাদের দেশে ব্যক্তি পর্যায়ে বড় ট্যাক্স খাত। আর গলা কাটা এ ২৫% অংকটাই লক্ষ লক্ষ সক্ষম ব্যক্তিকে এন বি আর থেকে পালাতে বাধ্য করেছে। অংকটা ১০% করে নেটওয়ার্কটা অন্তত: হাজারে ১ জন করতে পারলে এদেশের টোটাল রেভিনু্ চিত্রই ভিন্ন হত।

উজবুক বিদেশী বিনিয়োগনীতি
আপনি নামকাওয়াস্তে কিছু পূঁজি নিয়ে এদেশে এসে প্রায় মাগনা জমি, গ্যাস, বিদ্যুত, শ্রমিক-নিম্ন পর্যায়ের কর্তা সবই খাটিয়ে বিপুল পরিমান লাভ সহ স্বদেশে মাসে মাসে ফেরৎ পাঠাবেন- তা বাংলাদেশেই সম্ভব! এদেশের ইপিজেড গুলোতে বা বাইরেও ম্যানেজমেন্ট লেভেল অকারণে গিজগিজ করছে ভারতীয়, পাকিস্তানী, শ্রীলংকান। অতিতুচ্ছ সাধারন কাজেই তারা ওয়ার্ক পারমিট পায়। বিদেশী বিনিয়োগের ২ ফজিলত- ডলারের আগমন ও কর্মসংস্থান খানিকটা হলেও এর ১০ গুন উপকার থেকে আমরা বন্চিৎই রইলাম। ঠিকমত টাইট দিলে এগুলোতে কয়েক লাখ হোয়াইট কলার চাকুরী হতে পারে।

ঢালাও আমদানী
চিপস, খেলনা, কলম, ব্রাশ, বিস্কুট, কুক, বিউটিশিয়ান, শিক্ষক কি আমদানী করি না আমরা? অতি-সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক বিলাস ও তুচ্ছ পণ্যের এলসি খোলায় বার দিয়েছে। অনেক দেরীতে। এহেন ঢালাও আমদানি ২ ভাবে আমাদের ধবংস করেছে। বৈদিশিক মুদ্রার তহবিল নাশ ও স্থানীয় শিল্পকে পথে বসানো। এসবেই হয়েছে আইন বা বিধি করে!

তথাকথিত এসএমই/কৃষি, চলতি পুঁজি ঋন
রানিং গভর্নর প্রায় পাগলের প্রলাপ বকার মত এসএমই ও কৃষি নিয়ে কথা বলেন। বুঝাই যায়, না বুঝে বলেন- এসব। গত ৩/৪ বছরে এসএমইর নামে যা লোন গিয়েছে তা অফিসিয়ালীই ৮০% ট্রেডে গিয়েছে। লোনের পারপাস হিসেবে উদ্যোক্তারা মোস্টলি ওয়ার্কিং ক্যাপিটালকে উল্লেখ করেছেন। তলে তলে আসলে এসব লোন হয় জমি কেনার কাজে নয় মাত্রাতিরিক্ত স্টক করা বা ইউনিপে-টু ইউ বা শেয়ার বাজার বা ভিন্ন কোন অনুৎপাদশীল কাজেই লেগেছে। আতিউর সাহেবের কথা মত লাখ লাখ কলকারখানা হয় নি। বড়জোর কিছু মুদি দোকান বেড়েছে, যাতে প্রচুর চাইনিজ, থাই ও ভারতীয় মাল বেচা হয়!

এতিম ক্যাপিটাল মার্কেট
হাতে গোনা ৩০/৩৫ টি ভাল শেয়ারের বাজারে ২০০ শর উপর ব্রোকারেজ হাউজ। গ্রামে গন্জেও অনেকের শাখা আছে! 'আসেন আসেন বলে ২০ লাখের উপর মানুষকে দাওয়াত দিয়েছে এসইসি/ডিএসই। কারো টাকা না থাকলেও সমস্যা নেই। ১ টাকায় ১.৫ টাকা পর্যন্ত লোন!! বাপরে বাপ! বেক্সিমকোর ২৮ টাকার শেয়ার ৪০০ পেরিয়েছে ২ বছরে! এখন ধপাস। ন্যায্যভাবে বলতে গেলে বেশীরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম এখনো ন্যায্যতার অনেক উপরে!!!!!!!!!!! বাংলাদেশের মত অগোছালো দেশে শেয়ারবাজারের মত জটিল জিনিস যত আস্তে গ্রো করা ভাল। তা হয় নি।

টাকা সবচেয়ে সস্তা
সরকারী হিসেবে ইনফ্ল্যাশন ১১%+ । তবে আমার মতে নিত্য অনেক পণ্যে তা ২০% এখন। যেমন- বাটা স্যান্ডেল। ৩ বছর আগে ছিল ৫০ টাকা এখন ৮০ টাকা। জমির দামে তা কমছে কম ৩০%। মুরগীর ডিমে ৩০%। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক লোকদেরকে বাধ্য করছে ১৩% এর মধ্যে বড় বড় ব্যবসায়ীকে লোন দিতে। মহিলাদেরকে ১০%। সংগত কারনে সাধারন মানুষ বাধ্য হচ্ছে ৪-৫% সেভিং রেট পেতে, টার্ম ডিপোজিট হলে নেট ১০%। টাকাও ১ টি পন্য। এরও দাম আছে। অথচ আমরা এটাকে জোর করে সস্তা বানিয়ে ফেলছি। আবার মূল্যস্ফীতি নিয়ে তড়পাচ্ছি। বাংলাদেশের যা হাল হকিকত তাতে ডিপোজিট রেট কমছে কম ২০% আর লোন রেট ২৫% হওয়া উচিৎ। তাতে টোটাল ইকনমী ধীরে ধীরে বৈষম্যমুক্ত হবে।

৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট
যে দেশে নুন্যতম বেতন ৩০০০ টাকা সে দেশে ১০০০ টাকার নোটের দরকার কি? ১০০ টাকা হলেই বা অসুবিধা কি? জাল জালিয়তী ও পাচারের দেশে এত বড় নোট কি যথেস্ট রিস্কি নয়। শোনা যাচ্ছে, নানান খাতে গত ২/৩ বছরে যেসব লোক বড় অংকের দাও মেরেছে (যার পরিমান কয়েক হাজার কোটি থেকে ১ লাখ কোটি টাকা) তারা তা ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোটে কনভার্ট করে বালিশের তলায় রেখে দিয়েছে। তাই এ ২ টি নোট অবিলম্বে রিকল করা যেতে পারে

সবাইকে ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29529754 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29529754 2012-01-26 17:03:45
বাঙ্গালীর নব্য বিদেশপ্রেম: কর্মক্ষেত্রে অঘা বিদেশী নিয়োগ বা মঘা ট্রেইনার হাজার হাজার আইটি, একাউন্টিং, কৃষি, চিকিৎসা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য স্নাতকের দেশে তবুও নানান খাতে এখন গিজগিজ করছে বিদেশী। অতীতেও এ নিয়ে অনেক রিপোর্ট হয়েছে, আজও করেছে ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস Click This Link
তবে সরকারের কনসার্ন এজেন্সীর লোকদের লোভের মাত্রা এত কম যে যৎসামান্য ধরিয়ে দিলেই এসব ড্রাইভ হার্ড ব্রেক কষে! দেখা যাক এবার কি হয়?

বিদেশী ও আমার অভিজ্ঞতা
গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম ইপিজেড-এ একটি অফিসে যাই। কানাডিয়ান কোম্পানী বলে জানতাম। কিন্তু তলে তলে সব পাকিস্তানী। আমার কন্টাক্ট পার্সন একজন পাকিস্তানী, ডেপুটি ম্যানেজার, একাউন্টস। বোধগম্য হলনা এ কাজের জন্য কোন আক্কেলে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু করা হল? তার জব রেসপনসিবিলিটি দেখে আমার মনে হল বাংলাদেশে এ কাজ করার জন্য এ মুহুর্তে অন্তত: ১ লক্ষ বেকার আছে। বেতনও তার এক-পণ্চমাংশ চাইবে।

চট্টগ্রাম শহরে খুলশী মার্ট নামে একটা সুপার স্টোরে প্রায়ই বাজার করি। প্রথম প্রথম খেয়াল করিনি। আজকাল লক্ষ্য করছি এ দোকানে আমি সংখ্যালঘু! পশ্চিমবাংলা, তামিল, কেরালা, পান্জাব, শ্রীলংকা, কোরিয়া, পাকিস্তানী মানুষের কিচির মিচির আর স্টাফদের সাথে 'সে রকম' ইংরেজী! আহা এ দেশের কি উন্নতি! কি এক বিদেশী বিনিয়োগ নীতি!!

গ্রামীনফোনে চাকরি করতাম এক সময়। এরিক অস, এন্ডারস জেনসেন আর ওডভার হেশজেদালকে কমবেশী দেখি সি ই ও হিসেবে! তম্মোধ্যে এরিকের বিরুদ্ধে ভিওআইপির সম্প্বক্ততার সুস্পস্ট অভিযোগ আছে। তার আমলেই তাকে ধোনপোন বুঝিয়ে স্থানীয় মাতবররা উল্টাপাল্টা অনেক কাজ করেছে, গাঁজাখুরি অর্গানোগ্রাম বানিয়েছে। এন্ডারস এসে প্রথম প্রথম পুরা বাংলা রচনা মার্কা ইমেইল দিলেও ৬ মাসের মাথায় চাকরি ছেড়ে দেয়! অডভারের ২ মাসের মাথায় আমিই ছাড়ি কোম্পানি। শুনেছি আরেকদফা দিনকে রাত করা হয়েছে। এ তিন স্ক্যান্ডিনেভিয়ান সিইও কোম্পানীকে নেতৃত্ব দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। বাঙ্গালীর কূটচাল, নিজের স্বার্থ আদায়ে তৈলাক্ত পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন, রাজনীতি ইত্যাদির দুর্ভেদ্য দেয়াল ফুটো করে এসব শ্বেতাংগ ভিনভাষী লোক কখনই ৭০০০ মানুষের বিশাল টিম ও রিয়ালিটি দেখতে পাননি। লাজলো বার্তা নামক আরেক হাংগেরীয়ান ছিলেন আমার সেকেন্ডারী সুপারভাইজর। সেলস ডিপার্টমেন্ট থেকে শেষতক তাকে এক ধরনের খেদানোই হয়েছে। মোদ্দাকথা এসব লোক এমন কোন রসগোল্লা পার্ফম করেননি বা তাদের স্কিল এমন কিছু না যা বাংলাদেশে বিরল!!!

সম্প্রতি একটা একদিনের ওয়ার্কশপ করি গুলশানের ১টা হোটেলে। বিষয়: আধুনিক ব্যবস্থাপকদের গুনাবলী.............। লিডারশীপ। জনৈক শ্রীলংকান এ ট্রেনিং কন্ডাক করেন। তার ছেলে নামকরা ক্রিকেটার। এক কথায় বলা যায়, টাকাটা আমার কোম্পানী জলেই ফেলল।

হতে পারে চিকিৎসা, এরোনটিক্যাল বা পারমানবিক বিজ্ঞানের কোন কোন শাখায় আমাদেরকে বিদেশী দাওয়াত দেয়া লাগতে পারে। কিন্তু লিডারশীপ কাকে বলে, চিঠি কেমনে লেখতে হয়, ডেবিট ক্রেডিট করা ইত্যকার কাজে কোন দু:খে আমরা বিদেশী নিচ্ছি। আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত করুক।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29524998 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29524998 2012-01-19 11:52:09
বাংলা সিনেমার নামে যেসব কাওরান বাজারি রসগোল্লা দেখিয়া কৈশোর নস্ট করিয়াছি ও ভারতীয় ছবির শুভাগমনে অধমের প্রতিক্রিয়া সম্প্রতি ভারতীয় বংশোদ্ভুত ও ভারতের লক্ষ্য, উদ্দ্যেশ্য ও কর্মসূচী বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ অথচ বাংলাদেশে বসবাস, আয়, আহার ও মলমূত্রত্যাগরত: আমাদের সুপরিচিত আওয়ামীলীগ সরকার আরেকটি কর্ম করিয়াছে। চাল, ডাল, আলু, পেয়াজ, মরিচ, ফেনসিডিল, মদ, মাগী, চটি, গরুর পাশাপাশি সেদেশী সিনেমার জন্যও এদেশের দরজা উম্মুক্ত করিয়া দিয়াছেন। তাহাতে কিছু লোকের বাড়া ভাতে ছাই পড়েছে, কিছু লোক না বুঝেই ম্যাৎকার করছে। আর কিছু বগল বাজাচ্ছে। এহেন জটিল জাতীয় প্রেক্ষাপটে কিছু না বলে থাকতে পারছি না!<img src=" style="border:0;" />

"বাংলা সিনেমা" নামক বস্তুটা কবে কখন কিভাবে দেখা শুরু করেছি তা পরিস্কার মনে নাই। তবে ৩য় শ্রেনীতে পড়ি এমন বয়সে চাচা-চাচীর সাথে চট্টগ্রামের বনানী কমপ্লেক্সে (এখন আর নাই! থাকার কথাও না!! ভেঙে চুড়ে অফিস কমপ্লেক্স) 'সন্ধি' নামক ১ টা সিনেমা দেখি। কাহিনীর আগা মাথা কিছুই মনে নেই। তবে সুবীর নন্দীর গাওয়া 'এই যে দুনিয়া, কিসের লাগিয়া.....এত কস্টে বানাইয়াছেন সাঁই..........." গানটা যে এ ছবির তা মনে পড়ছে। কাছাকাছি সময়ে 'চোর' নামে ১ টা ছবি দেখি ফেনীর কানন সিনেমা হলে (হাজারীর বাড়ির ঘাটায়, হলটা আছে কি নেই জানিনা)। এ ছবিতে প্রচুর মারপিট, রক্ত, জেলখানা, খুন আছে। এর বাইরে কিছুই মনে নেই। মুরুব্বিদের সাথে ছবি দেখার পালা এখানেই শেষ। শুরু হয় ক্লাশমেট ও সমবয়সী পর্ব। হলে গিয়ে সিনেমা দেখা তখনো (বা গ্রামাঞ্চলে এখনো!) গর্হিত অপরাধ। তাই এ ছুঁতোয় ঐ ছুঁতোয় সময় বের করতে হত। ৪/৫ জনের টিম হলেই স্কুল ফাঁকি দিয়ে বাসে করে জেলা সদর-ফেনী। ৪ টি সিনেমা হল ছিল- বিলাসী, কানন, সুরত ও দুলাল। বিষের বাঁশি, ভয়ংকর সাতদিন, আখেরী হামলা, চাঁদনী, শিমুল পারুল, কেয়ামত থেকে কেয়ামত ইত্যাদি নাম মনে পড়া বা না পড়া অসংখ্য ছবি। রুবেল, ইলিয়াস কাঞ্চন, অমিত হাসান, চম্পা, দিতি, মৌসুমী ও শেষের দিকে শাবনুর প্রমুখ ছিলেন নায়ক নায়িকা। যথারীতি ছবির প্রথম দিকে বাবা-মার চরিত্রে রাজ্জাক, আনোয়ার হোসেন, ডলি জহুর, আনোয়ারা খানিকক্ষন অভিনয় করেই মারা যেতেন। পুরো ২ ঘন্টা পর্দা দাপিয়ে বেড়ান রাজিব, জাম্বু, খলিল, ফরিদী ও তাদের ক্যাডাররা। শেষের ১৫ মিনিটে তাদের পতন ও পুলিশের আগমন। 'আইন হাতে তুলে নেবেননা..................' ইন্সপেক্টরের ম্যাৎকার ও নায়কের "কোথায় ছিল আইন, যখন.......................।" ছবি শেষ। ফাঁকে ফাঁকে দিলদার, টেলিসামাদের কুতকুত ও সফিপুর আনসার একাডেমি পার্কে নায়ক-নায়িকার নৃত্য ও সংগীত কসরত। অবশ্যই এন্ড্রু কিশোর ও রুনা লায়লার কন্ঠে ....সস্তা.... 'পিরীতি পিরীতি, ভিষন পিরীতি..।"

এসব সিনেমার কমন প্রযোজক- এসএস প্রোডাকশন, পরিচালক- দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, চিত্রনাট্য- আনোয়ার জাহান নান্টু, সংলাপ- ছটকু আহমেদ (এটা কে?), ফাইট- আরমান, সংগীত- আলম খান, ক্যামেরা- বুলু ইত্যাদি ইত্যাদি। খুছরা খাছরা রোলে- মাস্টার স্বপন (পিচ্চি), কবিতা, ছন্দ, মিশা সওদাগর আরো অনেকে!

অতীব পরিতাপের বিষয় এসব ছিনেমার কোনটিরই কাহিনী এখন আর মনে নাই, আর মনে রাখার মত কোন কাহিনী ছিলও না! সার সংক্ষেপ এরকম- বাবা কে হারিয়ে এতিম ইলিয়াস বড় হয় জালেম খলিলের ঘরে। মা ও জানি কোথায় হারিয়ে যায়। তার প্রেমে পড়ে বড়লোক রাজিবের মেয়ে চম্পা। এদিকে রাজিবের হবু বেয়াই খলিল। খলিলের একমাত্র অপদার্থ ছেলে মিশা সওদাগরের সাথে চম্পার বিয়ে ঠিক হয়। লেগে যায় প্যাঁচকী! চলতে থাকে বাংলা ছবি ...............!
শাবনুর- সালমান অভিনীত 'তোমাকে চাই(১৯৯৩ বা ৯৪)'য়ের পর অনেকদিন আর কোন বাংলা ছবি হলে গিয়ে দেখা হয়নি। পরের অধ্যায় আরো ন্যক্কারজনক। ময়ুরী, ডিপজল, নীল কাটপিস, খামু, ফাটামু সংস্কৃতিতে সয়লাব হয়ে যায় এফ ডি সি থেকে সরকারী সহায়তায় উৎপাদিত ও সরকারের মদদে বাংলাদেশের মনোপলি মার্কেটে প্রদর্শিত এসব সরস বস্তু! স্বল্পরুচির, স্বল্পশিক্ষার, স্বল্পআয়ের রিকশাওয়ালা, গার্মেন্টস শ্রমিকরা ঘামঝরা টাকা দিয়ে তাদের রুচি বিকৃতির টিকেট কিনতে থাকেন!

নানান মহলের চিৎকার চেচামেচিতে হালে বাংলাছবি তার পুবেকার মডেলে ফেরৎ গেছে বলে শুনেছি! সেসব রসগোল্লার অন্তত: ২টি আমি হলে গিয়ে দেখেছি। আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা (রিয়াজ ও পুর্ণিমা) ও মেঘের পরে মেঘ (রিয়াজ ও কে যেন!)। প্রথমটা নিয়ে বলি, আকাশ হল রিয়াজ আর ছোঁয়া হল পুর্ণিমা। তারা সম্পর্কে কাজিন হয়। তাদের প্রেম হয়। ছোঁয়ার অন্য কারো সাথে বিয়ে ঠিক হয়। তবে তা আর হতে হয় না। শেষতক আকাশের সাথেই .................। তারা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাকে। ২য় টা বেশ কয়েকবছর আগের। বিখ্যাত কৃষক (যিনি কোন কৃষি কাজ করেন না) চাষী নজরুল ইসলামের পরিচালনায় মুক্তিযুদ্ধের ছবি মেঘের পরে মেঘ। কোনো কাহিনী নেই। মুক্তিযুদ্ধে ছিটে ফোটাও এ ছবির প্লটে নেই কিছু পুরানা কামান দাগানোর দৃশ্য ছাড়া। যুদ্ধে 'মৃত' রিয়াজ 'জীবিত' ফিরে আসলে তার স্ত্রীর স্বাভাবিক বিব্রতবোধ ও রাজাকারদের আস্ফালন।

মূলধারার বাংলা ছবি বর্তমানে 'ব্যবসা', 'শিল্প' বা 'শখ' কোনোটার কাতারেই নেই। কোরামিন দিয়ে কিছু ৫ম শ্রেনী পাশ লোকের বেকারত্ব ঠেকানোর জন্য 'মনোপলি'র নাম দেশপ্রেম হতে পারেনা। প্রয়োজনে এফ ডি সি রিলেটেড সবাইকে পাটকল বা গার্মেন্টসে চাকুরীর ব্যবস্থা করা হোক!<img src=" style="border:0;" />

ভারতের পদলেহী কুকুর আওয়ামী সরকারের কাছে একটাই শেষ ইচ্ছা, বাংলাদেশের সকল সিনেমা হলের পর্দা ভারত, শ্রীলংকা, ইরান, আমেরিকা, কোরিয়া পৃথিবীর সকল দেশের সিনেমার জন্য উম্মুক্ত করা হোক। তাহলেই চাষা নজরুলরা কিছু শিখতে পারবে। কিছু বানাতে পারবে।

আমরা স্বল্প আয় ও স্বল্প শিক্ষার জাতি হতে পারি- স্বল্প রুচির হতে পারব না!!<img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29514836 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29514836 2012-01-02 16:28:36
পার্সোনাল ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট ২০১২
কথা হোক আয় নিয়ে-
যাদের ঘুষ, চুরি, দুর্নীতি, রাজনৈতিক মদদপুস্ট ব্যবসা, কমিশন বা চাঁদা এ ধরনের আয় আছে তারা আলোচনায় বাদ। জাহান্নামে যাক। কথা বাকিদের নিয়ে। কস্টার্জিত, ঘর্ম নিস্রীত অর্থকে মায়া করুন। এ ধরনের লোকের প্রচুর অলস টাকা জমার কথা না। যৎসামান্য যা জমে তার চরম সতর্কতামূলক ব্যবস্থাপনা বান্চনীয়।

আসুন ব্যয় নিয়ে ভাবি-
না অপচয়, না কৃপণতা। এ নীতিমালার কোন বিকল্প নেই। সুসময়ে ভাবতে পারেন দু:সময়ের কথা। বা হতভাগ্য স্বজন, পরিজনের কথা। আপনার এক জোড়া দামি জুতায় হয়ত কোন দরিদ্র মানুষের জীবন রক্ষা পেতে পারে।

আসলাম মূল কথায়- সঞ্চয় নিয়ে কি করি?

১। আপনার টাকা আপনি বালিশের তলায় বা মাইট্যা ব্যাংকে রেখে দিতে পারেন। মুল্যস্ফীতি জনিত অবচয় হবে বছরে ১১%! এক্স্ট্রা রিস্ক- চুরি, পোকায় কাটা, হারিয়ে যাওয়া, পোকায় খাওয়া বা ঘরের কেউ মেরে দেয়া।

২। ব্যাংকের সেভিংস একাউন্টে রাখতে পারেন। ৫% কমবেশী সুদ দেয়। ইসলামী ব্যাংক গুলো দিবে 'লাভ!' যখন যা দরকার তুলে খরছ করুন। এক্ষেত্রে ভিসা ডেবিট কার্ডওয়ালা একাউন্ট হলে সুবিধা হয়।

৩। ১১ থেকে ১৩% পর্যন্ত সুদ পাবেন ফিক্সড ডিপোজিট (৬ মাস থেকে ৩ বছর) করলে বা সরকারী সঞ্চয়পত্র (৩ থেকে ৫ বছর) কিনলে। তবে মেয়াদের আগে ভাংগালে তেমন লাভ পাবেন না! তাই আমার পরামর্শ কম মেয়াদের (৬ মাস) একাউন্ট করুন। তাতে অবশ্য লসও আছে। সরকার একাউন্ট প্রতি প্রতি বছর ২৫০ থেকে ১০০০ টাকা আবগারী শুল্ক কাটে। আর সব ধরনের সুদের উপর ১০% এডভান্স ইনকাম ট্যাক্সের কথা মাথায় রাখতেই হবে!

৪। চাকুরিজীবীদের জনপ্রিয় সেভিংস টুল ডিপিএস। ৫০০ থেকে ২০ হাজার টাকা প্রতি মাসে ৩,৪,৫,১০,১৫... বছরের জন্য। উদাহরন: ৫০০ টাকা করে ১০ বছর জমালে ১ লাখ টাকা পাবেন। অনেকেই বেকায়দায় পড়ে ম্যাচুরিটির আগে ডিপিএস ভাংগিয়ে ফেলেন। তারা ৩ বছরে যান। উ: ২৪০০ টাকা মাসে ৩ বছর জমালে ১ লাখ টাকা পাবেন। ইত্যাদি...

৫। প্রচুর লোকেরই ইন্সুরেন্স কোম্পানীর দালালের খপ্পরে পড়ার অভিজ্ঞতা আছে। ধোন পোন বুঝিয়ে আপনাকে একটা প্রিমিয়াম ধরিয়ে দিবে। তার পর হাওয়া। ১০, ১২, ১৫, ২০, ২৫ বছর ধরে কিস্তির ঘানি টানুন। কখন মরবেন (!) তারপর আপনার পরিবার...............। আসলে ততদিন ধৈর্য্য অনেকেরই থাকেনা। তাই লোকেরা ক্ষান্ত দেয়। প্রদেয় টাকা মাইর। আর এটাই আলিকোদের আসল ব্যবসা!
তাহলে উপায়। উটকো টাকা নয়, নির্ভর করুন অর্জিত টাকার উপর। ডিপিএস খুলুন। লাভ হলে হল। না হলে বিপদের সময় মহাজন ফেরৎ।

৬। আই পি ও/ আর পি ও তে শেয়ার কিনতে পারেন। এখনো সে ধরনের লসের রিপোর্ট নাই।

৭। সেকেন্ডারী শেয়ার মার্কেট: অতি অবশ্যই নিজের সন্চয়ের সব টাকা এখানে আনবেন না। আমি বলি, প্রাথমিক ভাবে সঞ্চয়ের ১০-১৫% বিনিয়োগ করুন। মার্জিন লোন থেকে ১০০ হাত দুরে থাকুন। দুরে থাকুন হাত-কর্জ করা থেকেও।

আজ এখানেই ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29514244 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29514244 2012-01-01 18:22:34
সুশীল আওয়ামী কিংবা ইসলামী জাতীয়তাবাদী ২টি পরিত্যাজ্য আরবী, ফার্সি, উর্দু ও বাংলাদেশ প্রেমিক সাদা অধ্যাপকরাও কম যান না! ন্যায়, ইনসাফ, ইসলাম, সুবিচার, সততার অভিসন্দর্ভ রচনার পর চুপিসারে আলসেমি সহকারে ধানের শীষে দাসখত দিয়ে মুখের লালা ঝরাতে থাকেন। লালু, ফালু, গ্যাস, খাম্বা সর্বস্ব ইসলামী-জাতীয়তাবাদীদের লেজেগুবরে দুর্নীতি দেখে বোবা বনে। অপ্রকৃতিস্থ হয়ে সব বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কবিতা লিখাই শ্রেয় মনে করেন!

বোধ সম্পন্ন লোকদের যেখানে এ অবস্থা বাকিদের নিয়ে কি কথা আর বাকি থাকতে পারে! যাদের পেটের ভাত, পরনের কাপড় যোগাড় করতেই সূর্য অস্তমিত হয়ে যায় তাদের নিয়ে কি নিন্দা করা যায়?

মূলত: নৃতাত্ত্বিক ও আইনগতভাবেই বাংলাদেশ 'হাসিনা' ও 'খালেদা' নামক ২ জন বয়োবৃদ্ধ, বিধবা, মানসিক বৈকল্য জর্জরিত মহিলা এবং 'নৌকা' ও 'ধানের শীষ' নামক ২টি 'ব্র্যান্ড প্রতীকের' মায়োপিয়ার কবলে পড়েছে। ব্যাপারটা আরেকটু খোলাসা করি। যে যত কথাই বলুক রাস্ট্র চলছে কিছু 'আইন' ও সেসব আইনের আওতায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত 'প্রাতিস্ঠানিক পদবীর' নির্দেশনায়। আর মোটামুটি ৫ বছর পরপর আমরা সেসব পদে হাসিনা, খালেদা গং দেরকে ঠেলেঠুলে পাঠাচ্ছি।
আরো খোলাসা করি। আপনি রিটায়ার্ড কোন ওসি, ডিসি, এস পি বা মন্ত্রীর পি এস কে দেখেছেন? আপনি স্মরন করে দেখতে পারেন তাদের কর্মকালীন হাঁক ডাক? সুতরাং অভিনেতা ও ভূমিকার মাঝে যে ফারাক সেটাই আমাদের আলোচ্য বিষয় এখানে।

বলা হয়, জনগনের ভোটে এম পি। খুবই বাজে কথা। বিদ্যমান ৩০০ জন সাংসদকে পাঠানতো এলাকায়। শর্ত একটাই নৌকা/শীষ ছাড়া ভিন্ন মার্কা নিয়ে ও স্বতন্ত্রভাবে ভোট করে আসতে হবে। দেখি কয় জন ফিরে আসে? হাতে গোনা ২/৪ জন ছাড়া বাকি ৩০০ জনকে হাসিনার ভাষায় 'রাস্তা থেকে তুলেই সাংসদ' বানানো হয়েছে (কৃতজ্ঞতা: গো মা রনি, এমপি)। সুতরাং আধা-সাংসদ সেদিনই রনিরা হয়ে যান যেদিন হাসিনা বা খালেদার আশীর্বাদ তাদের উপর বর্ষিত হয়।

আইন ও তাফসীর: নৌকা ও ধানের শীষ যথাক্রমে আ'লীগ ও বিএনপির প্রতীক। আর আ'লীগ ও বিএনপির এখন পর্যন্ত আল্টিমেট অথরিটি তাদের সভানেত্রী/ চেয়ারপার্সন। তথা হাসিনা/খালেদা।
নৃতত্ত্ব: জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোনো কারণে বাংগালী (বাংলাদেশীরা) পাইকারিহারে নৌকা/শীষ প্রেমিক হয়ে গিয়েছে। সুতরাং ......।

ফলাফল: হাসিনা/খালেদাই তাদের আল্টিমেট অথরিটি!!

সমাধান: ২ টি পরিত্যাজ্য ও নতুন কিছু............]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29511443 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29511443 2011-12-28 12:36:45
এই লোকটি কে? তার হঠাৎ গজিয়ে উঠার কি কারণ?
কাহানীটা কি? টিভির ক্যাপশনে প্রায়:শই ওনার নাম ও লেজ হিসেবে বেসরকারী বা একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক দেয়া থাকে। আমাদের দেশের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে সবার ভাসুর হয়! তাই প্রায়শ:ই "একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়" এভাবে পরিচয়ে কোট করা হয়। এমনকি অনেক ছেলেমেয়েকে একটি প্রাইভেটে পড়ছি/পড়াচ্ছি ধাঁচের বাক্যমালায় পরিচিতি দিতে দেখা যায়! এগুলোর নাম নিতে কেন তারা লজ্জা পান সেটা বিস্ময়ের!

যাহোক উক্ত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তবে জাতে উঠার জন্য সবাই এক আধটু যা করে নাম নিয়ে, উনিও তা করেছেন। আলীর পরিবর্তে আ./এ্যা./এ. এসব লিখে বিলেতী ভাব নিয়ে মোহাম্মদ এ. আরাফাত হয়েছেন! বর্তমানে ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্কুলের প্রভাষক। উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইট অনুযায়ী প্রিন্সিপাল অব ম্যানেজমেন্ট, এন্ট্রারপ্রেনারশীপ ও স্ট্রাটেজিক ম্যান... নামক ৩ টি কোর্স পড়ান।ঊনি ২ বার বি এ পাশ করেন। বিশদ মন্তব্যে না গিয়ে বলা যায় মাঝারী মানের ব্যাচেলর ডিগ্রী করার পর অখ্যাত ১টি ইউ এস ভার্সিটি থেকে এম বি এ ডিগ্রী নিয়ে বর্তমানের চাকরিটা উনি পেয়েছেন ও করেছেন। এটুকু নিয়ে আমার আপত্তি বা মন্তব্য নেই।

আপত্তি ও মন্তব্যের বিষয় হল রাজনীতি, অর্থনীতি, সংসদ, শেয়ারবাজার, চিত্রকলা হেন কোন বিষয় নেই যেখানে টিভি চ্যানেলগুলোতে ওনার নাদুসনুদুস চেহারা চোখে পড়ছেনা। এর আগে যেমন ছিল নাঈমুর রহমান। বাটপার এ সাংবাদিকের জ্ঞানের ভান্ডার অসীম! মামলা মোকদ্দমা খেয়ে, ২টাকার পত্রিকা থেকে বিতাড়িত হয়ে এখন কোথায় নতুন ধান্ধাবাজি করছে তা সময়ই বলে দিবে।

আমরা টিভি চ্যানেলগুলোকে সবিনয়ে অনুরোধ জানাতে চাই। ১ টি বিষয়ে ১ জনকেই এক্সপার্ট ভাবুন। সব বিষয়ে যারা এক্সপার্ট তারা আসলেই ভেতরে খালি কলসী। <img src=(" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29492822 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29492822 2011-11-29 15:00:21
অবশেষে বহুল কাংখিত মূলা বা কলার দেখা পেলেন ওবায়দুর ও সুরন্জিত অ-আওয়ামীলীগ বা পাতীলীগের ভীড়ে ঠাঁসা পূঁচকেদের মন্ত্রি সভায় অবশেষে ঠাই পেলেন দাদা সুরন্জিত ও চাচা ওবায়েদ। হালুয়ারুটির ভাগ না পেয়ে তাদের ঘেউ ঘেউ রব শেষতক হাসিনা আপার কানে পৌঁছেচে। এবার কেস্ট মিলল বলে! হরি ওঁ! হরি ওঁ!!

জাতি বুঝল ঘেউ ঘেউ কেউ এমনে করেনা। করলে লাভ হয়!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29492394 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29492394 2011-11-28 21:34:10
ভুক্তভোগীরা প্রতারক রোজলীনকে পেনাল কোড ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনের আওতায় আনতে পারেন। দ্য পেনাল কোড ১৮৬০ অনুযায়ী
অপরাধ: ধারা 405. Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".

শাস্তি: ধারা 406. Whoever commits criminal breach of trust shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

আরো, ধারা 420. Whoever cheats and thereby dishonestly induces the person deceived to deliver any property to any person, or to make, alter or destroy the whole or any part of a valuable security, or anything which is signed or sealed, and which is capable to being converted into a valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

ডিটেইলস: Click This Link

তার ব্লগপোস্ট সমুহ, সাহায্যের আবেদন, টাকা প্রেরণ, ব্যাংকের লেনদেন এক্ষেত্রে স্বাক্ষ্য হিসেবে কাজ করবে।

তথ্য প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এধরনের কালপ্রিটকে ধরিয়ে দিতে আরো সাহায্য করবে। দেখুন-
ধারা- ৬: আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে কোন তথ্য বা অন্য কোন বিষয় হস্তাক্ষর, মুদ্রাক্ষর বা অন্য কোনভাবে লিখিত বা মুদ্রিত আকারে লিপিবদ্ধ করিবার শর্ত থাকিলে, উক্ত আইনে অনুরূপ বিধান থাকা সত্ত্বেও উক্ত তথ্য বা বিষয় ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে লিপিবদ্ধ করা যাইেবঃ
তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত তথ্য বা বিষয়ে অভিগম্যতা থাকিতে হইবে, যাহাতে উহা বরাত হিসাবে পরবর্তীতে ব্যবহার করা যায়৷

খুব কাছাকাছি ধারা
ইলেক্ট্রনিক ফরমে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড
৫৭৷ (১) কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসত্ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানী প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ৷

(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দশ বত্সর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন৷
সুত্র: Click This Link

এছাড়াও আরো অনেক আইনের লেজ রয়েছে যাতে ভুয়া রোজলীনকে উচিৎ শাস্তি দেয়া যায়। ধন্যবাদ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29488352 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29488352 2011-11-22 18:33:10
জমির মালিকানা রাস্ট্রের হাতে না নিলে দেশের ৯০% মানুষই নিকট ভবিষ্যতে আভ্যন্তরীন উদ্বাস্তু হবে বাংলাদেশ। কমবেশী ১৬ কোটি মানুষের গাদাগাদী বসত বাড়ী। আয়তন ১ লাখ ৪৪ হাজার বর্গ কিমি। এর মধ্যে স্থলভাগ বা জমি ১ লাখ ৩০ হাজার আর জলভাগ ১৪ হাজার। তবে আবাদী জমির পরিমান আরো অনেক কম। ৮৪ হাজার বর্গ কিমি। বা, ৮৪ লাখ হেক্টর (১০০ হে = ১ বকিমি)। এর মধ্যে জমির মানের ফারাক আছে, ১, ২, ৩ ফসলী আছে। অকৃষি খাতে প্রতিদিনই কৃষি জমি চলে যাচ্ছে। যাহোক, মাথাপিছু আবাদী জমির পরিমান ০.০৫২৫ হেক্টর (= ৫৬৫০ বর্গফুট), আর মাথাপিছু স্থলভূমি ৮৭৪০ বর্গফুট। এর মধ্যে আমাদেরকে থাকতে হয়, গাছপালা লাগাতে হয়, ধান, পাট, সব্জি, পুকুর, গরু চড়ানো সব করতে হয়। মারা গেলে কবর দিতে হয়। দু:খ ছিলনা এ এভারেজটা যদি আসলেই এভারেজ হত। তা হয় নি। জমির মালিকানায় আকাশ পাতাল ফারাক। কারো শত শত কাঠা/বিঘা। আর কারো বসতিও পরের ভিটায়! আর ৫০০ বছরের বৈষম্যমূলক ভূমি ব্যবস্থাপনার অনিবার্য কুফল হিসেবে এ 'তথাকথিত গড়' দিনকে দিন আরো 'স্কিউড' হচ্ছে। লক্ষ্য করে দেখা যাচ্ছে, হাতে গোনা কয়েক হাজার ধনপতি লোকের হাতে ধীরে ধীরে দেশের সমস্ত মহামূল্যবান জমি চলে যাচ্ছে। বিশেষ করে বৈধ/আধা-বৈধ/অবৈধ নানান কারবার করে এদের হাতে কিছু টাকা আসা মাত্রই চড়া দামে তারা চিলের মত ছোঁ মেরে জমি কিনে ফেলছে। আর কোটি কোটি শ্রমজীবি, কৃষিজীবি, সৎ সরকারী চাকুরে, বেসরকারী চাকুরে ঘাড় গুঁজে ভাড়া বাসায় দিনাতিপাত করে, সরকারী রাস্তায় হেঁটে গোটা ইহকাল লান্ছনা গন্ছনা সহ্য করে শেষতক সামাজিক কবরাস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হচ্ছেন। অনেকের ভাগ্যে শেষ নিদ্রাও বেশীদিন জুটছে না। বুলডোজার দিয়ে দাফনের ৪০/৫০ দিন পর পুন: উৎখাত করা হচ্ছে! হায়রে মানব জীবন!!

আমাদের মাথাপিছু ৮৭৪০ ব:ফু: স্থলভাগের তুলনায় অন্য ক'টি দেশের মাথাপিছু জমি (ব:ফু:/জন):
বার্মা ১,৩০,০০০
চীন ৭৭,৫০০
ভারত ২৬,৯০৯
পাকিস্তান ৪৬,২০০
থাইল্যান্ড ৮২,৮০০
ভিয়েতনাম ৩৬,৫৯৭
কানাডা, রাশিয়া, সৌদি আরবের মত বিরাট দেশের হিসেব না হয় বাদই দিলাম। মোদ্দাকথা সিঙ্গাপুর বা এ ধরনের ১/২ টি এক শহর এক দেশ ব্যতীত সাধারন বিবেচনায় বাংলাদেশেই পৃথিবীর এক নম্বর রাস্ট্র - যেখানে জমি দুর্লভতম প্রাকৃতিক সম্পদ। এবং কোনোরকম নীতি বা আইনহীনভাবে যেভাবে চলছে তাতে অচিরেই-

>কৃষির জন্য কোনো জমি থাকবে না।
>মোটামুটি ১০% মানুষের হাতে ৯০% জমি চলে যাবে
> বাকী ৯০% মানুষ ভাড়াটিয়া/বস্তিবাসী/উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে
>দেশের দেওয়ানী মামলা মোকদ্দমার বর্তমান ৮০% ই জমি নিয়ে, আর ফৌজদারী মাথা ফাটা কেসেরও অন্তর্নিহীত বেশীরভাগ কারণ জমি। তা আরও ভয়ংকর রূপ ধারন করবে।

সীমিত এ জমি কতিপয়ের হাতে যেসব অর্থনৈতিক কারণে চলে যাচ্ছে
১. রানিং ব্যবসার নামে সহজে লোন নিয়ে জমি ক্রয়, ব্যবসার টাকা থেকে কিস্তি পরিশোধ। ব্যাংকের দুর্বল ক্রেডিট এসেসমেন্ট।
২. রেমিট্যান্স
৩. সরকারী কর্মচারীর ঘুষ, চুরির টাকার হিমায়ীতকরন
৪. ব্যবসার আড়ালে আগাগোড়া স্মাগলিং জনিত বিরাট মুনাফা
৫. পলিটিক্যাল টেন্ডারবাজির বখরার বিরাট আয়
৬। অন্যান্য দু' নম্বরী আয়কে দ্রুত 'সেফ' করা

পরিস্থিতি যা তাতে, জমিজমার মালিকানা সরকারের হাতে নিয়ে নেয়া ছাড়া আর কোন উপায় নাই। নচেৎ জাতির বৃহত্তম অংশই উদ্বাস্তু হবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29488123 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29488123 2011-11-22 13:08:43
বনেদী, সাধারন, ব্লগীয়, টেকি নানান ধরনের ফেইক ভিক্ষুকে দেশ ছেয়ে গেছে। যথাযথ তদন্ত ব্যতীত সাহায্য না করাই শ্রেয়: ইহজগতে ভিক্ষাবৃত্তিই সর্বনিকৃস্ট পেশা। দু মুঠো ভাত জোগাড়ের আর কোন রাস্তা না থাকলে, কাজ করার মত কায়িক বা মানসিক আর কোন সক্ষমতা না থাকলেই এককালে নিরুপায় মানুষ এটা বেছে নিত। তবে সে কাল আর নাই। এটা এখন পুরোদস্তুর পেশা, এটা একটা ইন্ডাস্ট্রি, এর পেছনে বিরাট রাজনীতিবিদ, পুলিশ, স্থানীয় টাউট। ফার্মগেট, পান্থপথ বা অন্যান্য সিগনালের দলবদ্ধ ও অতি চেনা ভিক্ষুকদের অনেকেই যে টাউট সে নিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে। আজ আমরা ভিন্ন ধাঁচের কতিপয় ভিক্ষুক সম্পর্কে জানব।

পথ হারিয়ে ফেলেছি ভিক্ষুক
সাধারনত মহিলা, বা ফ্যামিলি, বা বাচ্চাকোলে টাইপ চিত্র। মুক্তাগাছা বা পটুয়াখালী থেকে এসে পথ/টাকা পয়সা হারিয়ে ফেলেছে। যাবার ভাড়া নাই। এ ধরনের বা কাছাকাছি ফিরিস্তি। বছরখানেক আগে একদিন বাচ্চা কোলে এক মহিলা এ বয়ান দিয়ে সাহায্য চাইলে আমি সিএনজিতে করে নিজেই মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে পৌছে দেয়ার প্রস্তাব দিই। সে সটকে পড়ে!

বোবা, লিভার নস্ট, হাতে চেয়ারম্যান সনদ ভিক্ষুক
লেমিনেটিং করা সনদ। এলাকার চেয়ারম্যানের সুপারিশ। তার লিভার নস্ট ইত্যাদি ইত্যাদি। মাইলের পর মাইল এ ধরনের রোগী কটকটে রোদের মধ্যে হাঁটে! তবু লিভার নস্ট, হার্টের বাল্ব ফাটা ইত্যাদি! সাধারনত: প্রেসক্রিপশনও সাথে রাখে তারা।

মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, হেফজখানা
তাগড়া শরীরের হুজুর, সাথে ম্যাড়ম্যাড়ে ১/২ পিস ছাত্র নিয়ে ওনারা কালেকশনে বেরুয়। রমজান ও ঈদুল আজহার পরদিন এদের বেশী দেখা যায়। অবশ্যই রশিদ বই সাথে থাকে। অমুক জেলার তমুক প্রতিস্টানের জন্য....। কালেকশনের টাকা হক হালালী ভাবেই ওনারা ২৫-৫০% পায়! আর হারামী করার রাস্তাও অসংখ্য!! সুতরাং এসব ভ্রাম্যমান কালেকশন এজেন্টের কাছে পরকালে বেহেস্তের খোয়াবে সরলমনে কিছু না দেয়াই ভাল।

ক্যাম্পাস ভিক্ষুক
পোলাপাইন নিজেই বেকার! বা বাপের পাঠানো টাকায় কায়ক্লেশে চলে। তবু ক্যাম্পাসই যেন একশ্রেনীর ভিক্ষুকের আখড়া। এদের উৎপাতের মূলে রয়ে গেছে ছাত্র/ছাত্রীদের অতি কোমল মন। জানামতে শিক্ষক ও কর্মচারীরা চার আনাও দেয়না। ক্যাম্পাস ভিক্ষুকরা অতি চতুর হয়। নানান গল্প ফাঁদে। বলাবাহুল্য এসব মিথ্যা, মোস্টলি।

বাসের চকলেট ভিক্ষুক
কথা নাই বার্তা নাই। সিটের মধ্য, কোলের উপর ১টা করে চকলেট ও ধেঁতলা চিরকুট দিয়ে যাবে। ওখানে নানান গীত লেখা আছে। সারাংশ, ভিক্ষার চেয়ে কর্মকে প্রেফার করে! তাই এ হেন ব্যবসা কর্ম!

পত্রিকা/টিভি বিজ্ঞাপন ভিক্ষুক
সাহায্য চাই শিরোনামে পেপার এড। ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। ১ কোটি টাকা হলে সেরে যাবে। আছে ২ লাখ। লাগবে আরো ৯৮ লাখ। ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার.....। প্লিজ সরেজমিন তদন্ত না করে কানাকড়িও দিবেন না। প্রচুর ভুয়া।

ফেসবুক, টুইটার, সামু বা অন্যান্য ব্লগ ভিক্ষুক
এটা অতি সাম্প্রতিক। এবং বলাবাহুল্য লেখাপড়া জানা, টেকি প্রতারকগোস্টীর মাধ্যম। বাপ, মা, স্বামী, ভাই, বন্ধু, মুক্তিযোদ্ধা, কবি নানান ধরনের লোকের জন্য চিকিৎসার বাহানায় সাহায্য চাইবে। আর চাওয়া মাত্রই একশ্রেনীর বোকচোদ ব্লগার (বা সিন্ডিকেটের অন্য চালাক নিক) হাত বাড়িয়ে দাও টাইপের বিলাপ তুলতে থাকবে। পোস্ট স্টিকি করার দাবি। কালেকশনের স্বেচ্ছাসেবা, পোস্টার, জিকির.....। তারপর মাঝেমধ্যে গোমর ফাঁকও হয় বা হচ্ছে।

হেরোইন, ফেন্সিডিল, ইয়াবাখোর বন্ধু
এরা কাছের মানুষের কাছে হাতপাতে। বড় ফিগার দিয়ে শুরু করে। নামতে নামতে ১০/২০ টাকায়ও নেমে আসে। তবে কালকেই দিয়ে দেব এ ধরনের কথা দিয়ে ধার নেয়াই তাদের ভিক্ষাবৃত্তির বৈশিস্ট্য! আমার জনৈক ক্লাশমেট শাহবাগ থেকে উত্তরা যাওয়ার জন্য মানিব্যাগ হারিয়ে ফেলেছে উছিলায় ৫০০ টাকা (??) ধার চাইলে গভীর তদন্তে গিয়ে এ ধরনের কেইস ধরি।

সুতরাং সবাই কেয়ারফুল হয়ে ভিক্ষা দিন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29486565 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29486565 2011-11-19 22:48:46
শহর চট্টগ্রাম: ঠিকমত কাজ করলে সিঙ্গাপুর হতে পারত, হতে চলেছে গলি, উপগলি, কানাগলি আর বস্তি। আমার অভিজ্ঞতা ১৯৮৬-২০১১।
ভারত মহাসাগরের কোলে ছোট্ট এ শহর (বা দেশটি)। আয়তন ৬৯৪ বর্গ কিমি। আর সম্প্রসারনের সুযোগ নাই। লোকসংখ্যা যথেস্ট। ৫২ লাখ প্রায়। সমুদ্র বন্দর ছাড়া আর কিছু নাই। পানি, চাল, আটা, সবজি, কাপড় সবই আনতে হয় মালেয়েশিয়া থেকে।

এবার দেখুন চট্টগ্রাম

ভারত মহাসাগরের উপভাগ বঙ্গোপসাগরের কোলে ছোট্ট এ শহর। আয়তন ১৬৮ বর্গ কিমি। তবে চারপাশে তা সম্প্রসারনের অবারিত সুযোগ রয়েছে। জনসংখ্যা ৩৮ লাখ প্রায়। সমুদ্র বন্দরের পাশাপাশি আশেপাশের এলাকায় প্রচুর কৃষি ও খনিজ সম্পদ রয়েছে।

প্রাকৃতিক ভাবে প্রায় সমান একটা পরিস্থিতি ধারন করলেও 'মানুষের' হাতে পড়ে আজ সিঙ্গাপুর ও চট্টগ্রামের মধ্যে যোজন যোজন ফারাক। দিন যত যাচ্ছে চট্টগ্রাম ততই গলি ও বস্তির শহরে পরিণত হচ্ছে।

১৯৮৬ সালে এ শহরটিতে আমি প্রথমবার আসি। ১৯৯৪-২০০৩ একটানা ছিলাম। ২০১১ সালে আবার এসেছি। পরিবর্তন হয়েছে একটি জায়গায়। একতলা দোতলা বাড়িগুলো ভেঙ্গে 'এপার্টমেন্ট' হয়ে গেছে। কোথাও ৬তলা কোথাও ১৫তলা! বাদবাকী সবই আগের মত। আর এ বিল্ডিংগুলোর মালিকরা ১ ইঞ্চি জমিও ছাড় দেননি। নিজেদের মৃতদেহ কিভাবে বাসা থেকে বেরুবে সে চিন্তাও কারো মাথায় আসেনি। আন্দরকিল্লা থেকে প্যারেড মাঠ, এ কে খান থেকে জি ই সি, বড়পোল থেকে বাদামতলী এ তিনটি চওড়া রাস্তা ছাড়া আর কোন চোখে লাগার মত অবকাঠামো উন্নয়ন এ শহরে ২৫ বছরেও হল না!

নামে আন্তর্জাতিক হলেও চট্টগ্রাম বিমানবন্দর কাজে ঠনঠন। একটা পেপার ম্যাগাজিনের স্টল পর্যন্ত নাই। টয়লেট পানি শূন্য থাকছে প্রায়ই। মোটাদাগে একটা ভুতুড়ে বন্দর। যাহোক, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ড্রাইভার গাড়ী নিয়ে অপেক্ষারত না থাকলে এখানে নেমেই পড়তে হবে চরম ফাঁপড়ে। ২২ কিলোমিটার দুরের সিটি সেন্টারে যাওয়ার কোন 'সভ্য' ট্রেন, বাস, ক্যাব কিছুই নেই। ভাঙ্গাচোরা প্রাইভেট কারের রেন্ট এ কারের গাড়ীই ১ম ভরসা। এয়ারপোর্ট থেকে আগ্রাবাদ (১৫ কিমি) ১২০০ টাকা!! একদাম!!! সমিতি নির্ধারিত রেট!!! ২য় অপশন সিএনজি নামক মুরগীর খাঁচা। ২০০ থেকে ৫০০ টাকা। তা ও আপনার ভালো লাগল না। তা হলে গাট্টী বোচকা নিয়ে হাঁটা দিন। ১ কিমি হাঁটলে লোকাল বাসের স্টপেজ। পৃথিবীর নিকৃস্টতম বাসসার্ভিস গুলোর একটি এটি।

মাঝারি আকারের এ বাস গুলোই চট্টগ্রামের প্রধান গণপরিবহন। নোংরা, সিটভাংগা, হাঁটু ঢুকেনা, রংচটা, বেপরোয়া গতি, হিরিঞ্চি কিসিমের ড্রাইভার, কন্ডাকটর ও হেলপার, কোন নির্ধারীত স্টপেজ নেই, ভাড়া গাড়ীর ভেতর। কিছুটা সাশ্রয়ী ও বিকল্প না থাকার কারনে এতেই গাদাগাদি। বিকল্প যা যা আছে- রাইডার (বাসের চেয়ে ছোট, টেম্পোর চেয়ে বড়), টেম্পু, সিএনসি টেম্পু, লেগুনা, সি এন জি, রিকশা ও হাঁটা। কালো, সবুজ, হলুদ কোনো ক্যাবই চট্টগ্রামে এখন নাই। অল্প কয়েকটা আছে নাসিরাবাদ বয়েজ স্কুলের সামনে আড্ডা মারে, কিন্তু কোথাও যেতে বললে যায়না!!!

সিঙ্গাপুরের চেঙ্গী বিমানবন্দর একটি আলাদা দুনিয়া। ১০০ হাত অন্তর মাগনা ইন্টারনেটের কিয়স্ক আছে। বয়স্ক/প্যারালাইজদেরদের জন্য আলাদা টয়লেট। ৫/৬ ঘন্টার ট্রানজিট চোখের পলকে কেটে যাবে। আর টার্মিনালের ভেতর থেকেই এমআরটি (ট্রেন), এসবিএস (বড় বাস)। শহরের কেন্দ্রে, ধরা যাক নিউটন স্টেশন, যেতে ২.৫ থেকে ৩ ডলার লাগবে মাত্র। ক্যাবে গেলে ১৪-১৫ ডলার।
সেমি পাতাল সম্পূর্ন অটোমেটিক ও নেটওয়ার্কড এ রেলব্যবস্থা শহরটির প্রধান গণমাধ্যম। ভাড়া ২ থেকে ৪ ডলারের মধ্যে। টিকেট ফেরৎ দিলে ১ ডলার ফেরৎ!! ১৫/২০ মিনিটের মধ্যেই যে যার গন্তব্যে। ২য় ব্যবস্থাও খুব সুন্দর। বড় আকারের বাস। ৩য় ক্যাব। প্রচুর এবং যে কোনো গন্তব্যে যে কোন সময়। এর বাইরে প্রাইভেট কার। এতদ্ভিন্ন অন্য কোন যানবাহন সিঙ্গাপুরের রাস্তায় নেই বললেই চলে। (চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29484468 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29484468 2011-11-16 16:45:51
Evening MBA, Executive MBA, Masters in Development Studies, Masters in Population Studies etc ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঙ্গাল শিক্ষকদের ধান্ধাবাজি ও ভেজাল... প্রথমেই এক্সিকিউটিভ এমবিএ। দেশের শীর্ষস্থানীয় বিজনেস স্কুল আইবিএ তথাকথিত এ ডিগ্রী মতান্তরে ডিপ্লোমাটা চালু করেছে বছর ৩/৪ আগে। এটা চালুর কানাঘুষা চলাকালীন আমি ছিলাম সেখানকার ছাত্র। দেয়ালে কান পেতে যা বুঝেছি তা হল-
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকরা সরকারী সুবিধাই পান। তাদের যোগ্যতাও সরকারী মাপকাঠিতে নির্নীত! এবং বলাবাহুল্য বিদ্যমান বাজারে তা নিতান্তই অপ্রতুল। রীতিমত খেয়ে না খেয়ে দিন পার করার অবস্থা। তো কি করা যায়? প্রাইভেটের খ্যাপ আর কনসালটেন্সীর ভিক্ষেতো সবসময় সমান জোটেনা। পার্মানেন্ট কিছু করা চাই!

পার্মানেন্ট ব্যবস্থাটা হল ২ সেকশন বিবিএ, দিনের এমবিএ, রাতের এমবিএ থাকার পরও 'বেসরকারী' ধাঁচে সেখানে আরেকটি ডিগ্রী চালু করা- এক্সিকিউটিভ এমবিএ। বিল্ডিং, জমি, চেয়ার টেবিল, লাইট, এসি, ফ্যান, বই, লাইব্রেরী ও সর্বোপরি ব্র্যান্ড ভ্যালু সবই সরকারী। শুধু ডিগ্রীটার 'টিউশন ফি' এর সাইজ 'বেসরকারী।' আর এ বেসরকারী টাকার কিছু রয়ালটি আইবিএকে দিয়ে বাকীটা 'টিচাররাই' ভাগ বাটোয়ারা!! আহা! কি আনন্দ আকাশে বাতাসে!! দখল করার কস্ট ছাড়াই রীতিমত জমিদারী!

এবার পার্থ্যকটা জানা যাক-
২ বছরের সাধারন এমবিএ:
চার্জ কমবেশী ৩০,০০০ টাকা
কোর্স: ২০ টি
সিট: ১৫০
গড় প্রার্থী: ৬০০০+
অভিজ্ঞতা: দরকার নেই
প্রার্থীদের ধরন: বুয়েট, অন্যান্য য়েট, ঢাবি, এগ্রি, আই ইউটি, এনএস ইউ, জাবি, চবির কিছু বিভাগ, মেডিক্যাল, মিলিটারী ইত্যাদি গ্র্যাজুয়েট। মোস্টলি ফ্রেশ
একাডেমিক স্টাইল: রিগুরাস - কন্টিনিউয়াস - দৌড়ের উপর
ছিটকে পড়ার হার: ২০%
পিছিয়ে পড়ার হার: ২০%

১৮ মাসের এক্সি এমবিএ:
চার্জ: ১৫০,০০০ টাকা
কোর্স: ১৫ টি
সিট: জানিনা
গড় প্রার্থী: জানিনা। তবে টাকার ভয়ে সিংহভাগ পা মাড়ানোর কথা না
অভিজ্ঞতা: ৩ বছর। বেকাররা প্যাডসর্বস্ব এনজিওর নাম চালিয়ে দিন!
প্রার্থীদের ধরন: বিয়ে, প্রমোশন নানান কারণে এমবিএ সনদ আবশ্যক। তবে লেখাপড়া করার টাইম নাই এমনরা।
একাডেমিক স্টাইল: শ্বশুরালয় বা মামাবাড়ী! চা নাস্তার ব্যবস্থাও আছে।
ছিটকে পড়া: শুনিনি
পিছিয়ে পড়া: বাড়তি টাকার ভয়ে.......নো।

তবে আইবিএ কুকর্মটি করেছে কমার্স ফ্যাকাল্টি থেকে নকল করে। সেখানে 'ইভিনিং এমবিএ' নামে হাস্যকর নামের একটি মাস্টার্স ডিগ্রী বা ডিপ্লোমা বেচা শুরু হয়েছে আরো ৩/৪ বছর আগ থেকে। এভিনিং এ পড়াশোনায় কারো আপত্তি নাই। কিন্তু তা ডিগ্রীর নামের প্রিফিক্স ক্যামনে হয়?? এ ব্যবসাটার মডেলও উপরেরটার মত।

দেখাদেখি পলিটিক্যাল সাইন্স, পরিসংখ্যানের মত 'ভাত' না পাওয়া বিভাগের পন্ডিৎরাও থেমে থাকেনি। সরকারী গাভীর ঘাস খাওয়ানোর দায়িত্ব 'জনগনের' হাতে দিয়ে ওনারা 'বালতি' 'সরিষার তৈল' হাতে 'দুধ দোহনে' লিপ্ত হুয়েছেন! বিচিত্র এ দেশ! সত্যি সেলুকাস!!
আর পোলাপাইনও 'ফাঁক তালে' টাকার বিনিময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ভেজাল সার্টিফিকেটের' জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ছে!! ব্যবসাটা জমেছে ভালো। দে মামু কল্কিতে এক টান!!!!<img src=" style="border:0;" /> ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29481977 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29481977 2011-11-12 19:32:54
জ্বালানীর জ্বলুনীতে জ্বলছে বাংলাদেশ গত ৭ নভেম্বর ২০১১ এর বাজার দর অনুযায়ী যুক্তরাস্ট্রের হাইওয়ে পাশ্বস্থ পেট্রোলপাম্প গুলো অকটেন বেচেছে গড়ে ৩.৪৫ ডলার/গ্যালন দরে। আমাদের কালচারে অনুবাদ করে বললে দাড়ায় ৬৮ টাকা/লিটার (১ গ্যা = ৩.৭৮ লি ও ১ ড=৭৬ টা)। Udfইউএসডিই এর খরছাপাতির এনালাইসিস নিম্নরূপ:
অশোধিত জ্বালানী ৬৩%
রিফাইনিং ১৪%
ডিস্ট্রিবিউশন ও মার্কেটিং ১২%
ট্যাক্স ১১%
মোট ১০০%
জ্বালানী তেলের ব্যাপারে যেহেতু বাংলাদেশ পুরোপুরিই আমদানী নির্ভর তাই এ হিসাব আমাদের জন্যও প্রায় একই। বা হওয়া উচিৎ। উপরন্তু গরীব দেশের সংশ্লিস্ঠ স্টাফদের বেতন, ভাতা ও ওভারহেড বাবদ আমেরিকার চেয়ে অনেক কম খরছ হওয়ার কথা। সরকার নো ট্যাক্স নো সাবসিডিতে ছেড়ে দিলে বাংলাদেশে এ মুহুর্তে কমবেশী ৫৫ টাকায় অকটেন পাওয়া উচিত সাধারন ভোক্তাদের। কিন্তু দিতে হচ্ছে ৮৯ টাকা। অর্থাৎ পুরোপুরি 'মার্কেটের' হাতে ছেড়ে দিলে আমি আপনি এখন ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় অকটেন পেতাম কিন্তু সরকার গায়ের জোরে তা দখল করে রেখে ৮৯ টাকায় বিক্রি করছে। গলায় ছুরি ধরে ডাকাতি করা হচ্ছে বাকি ৩৪ টাকা (প্রতি লিটারে)।

ডাকাতির এ টাকা বৈধ ও অবৈধ ভাবে বাটোয়ারা করা হচ্ছে এদের মধ্যে:

প্রধানমন্ত্রীর অফিস (ভায়া জ্বালানী উপদেস্টা)
জ্বালানী মন্ত্রনালয়
পেট্রোবাংলা
বিপিসি
ইস্টার্ন রিফাইনারী
পদ্মা, মেঘনা, যমুনা
তেল ট্যাংকার- নৌ, রেল, সড়ক
পাম্প মালিক
বেসরকারী বিদ্যুৎ
অন্যান্য জড়িতরা

জ্বালানী খাতের প্রতিটি পয়সা যখন সোনাতুল্য তখন বেহুদা কোম্পানী গঠন করে মোটা বেতনের কর্তা, কর্মচারী পুসছে সরকার। তেল আনছে বিপিসি, রিটেইল করছে পাম্প মালিক ও অন্যান্য ডিলাররা আর ভোক্তারা পয়সা দিচ্ছে। অথচ দুর্বোধ্য কারনে পদ্মা। মেঘনা ও যমুনা নামের ৩ টি বাহারী মধ্যস্বত্বভোগী কোম্পানী দাড়িয়ে আছে। রাস্তার এ পাশে পদ্মার ডিলার ও পাশে মেঘনার! এসব কোম্পানীর কাজকারবারে বিজনেসের 'ব' না থাকলেও ভর্তুকির ক্যান্টিনে ২ টাকা ৫০ পয়সায় খাসির পায়া পাওয়া যায়!!!

জ্বালানীর বাকি কথা আরেকদিন!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29481719 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29481719 2011-11-12 11:57:31
শেয়ার বাজার ঠিকই আছে, অর্থমন্ত্রীই ও তাবৎ চোষারাই পিকুলিয়ার!
সরকারের মন্ত্রী-উপদেস্টারা চুরি চামারি করবে এটাই স্বাভাবিক। কমসে কম পেয়ারের লোকজনকে ব্যবসা পাইয়ে দিয়ে কমিশন খাবে এটা দুরাশা নয়। আর দেশটা পশ্চিম ইউরোপের কোন রাস্ট্র নয় যে আইন আইনের মত চলবে! বরং দক্ষিন এশিয়া বা আফ্রিকার মজ্জাগত দুর্বলতা নিয়েই আমাদের সরকার। আমাদের অর্থনীতি। কিন্তু এটা খুব পিকুলিয়ার যে বাংলাদেশের দু'জন অর্থ কান্ডারী বলতে গেলে মেয়াদকালের ৩ বছরই পার করে দিলেন ভিন্নরাস্ট্র ভারতকে মাগনা করিডোর দেয়ার ওয়াজ নসিহত করে করে!! মাইক্রো ও ম্যক্রো ২ অর্থনীতিই যে পুরোপুরি লাঠে উঠেছে তাদের রা নেই! এহেন পিকুলিয়ার, এহেন রাজাকার, এহেন আত্নঘাতী, এহেন বলদ, এহেন স্বদেশ স্বজাতী বিরোধী রাস্ট্রপরিচালনার সিনিয়র মেম্বার পৃথিবী নামক গ্রহ আগে দেখেছে কিনা আমার সন্দেহ! বিশ্বাস নাহলে দেখুন-

টাকার হাল

আভ্যন্তরীন বেসরকারীখাতে ঋনmedia

রপ্তানী আয়

রেমিট্যান্স

উপরের কোন সূচক সরাসরি আপনাকে আঘাত না করলেও। এটি আপনাকে ভোগাবে-
মুদ্রা স্ফীতি

গ্রাফগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নেয়া। কোন যুদ্ধাপরাধী বা তার রক্ষাকারীর নয়!! যে গতিতে ও গন্তব্যে রাস্ট্র আগাচ্ছে তাতে সমাজের পিরামিডের উপরতলার কিছু মানুষ ছাড়া বাকিদের প্রাণ ওস্টাগত। যে যা আয় করছেন তা দিয়ে ২ বছর পর এই দিনে জাস্ট অর্ধেক বাজার করতে পারবেন। তার ২ বছর পর সিকি এর পর খালি হাতে বাজার থেকে..। সম্ভবত: দুর্ভিক্ষের নীরব পদধ্বনি আমি শুনতে পাচ্ছি। হে মালু মুহিত ও মশিউর! তোমরাই পিকুলিয়ার! কারণ দেশটা এতটা খারাপ ছিলনা।<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29474575 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29474575 2011-10-29 21:09:27
কেমন স্যালারী আপনি এক্সপেক্ট করছেন এ জবে? জেনে নিন প্রচলিত ফাঁকফোঁক! সম্ভবত: ইন্টারভিউর সবচেয়ে ট্রিকি পার্ট যা আমরা প্রায়শ: ফেইস করি। তবে যথাযথ হোমওয়ার্ক না থাকায় অনেক সময়ই ভ্যাবাচেকা খেয়ে ইম্যাচুড় উত্তর দিই। খেসারত- চাকরিটা ফসকে যাওয়া, বা খামাকা কম বেতন পাওয়া! <img src=(" style="border:0;" />
বেতন শব্দটার ভেতরে যাবতীয় ভাতা, বেনিফিটও অন্তর্ভুক্ত থাকে। আবার ট্যাক্স, লং টার্ম ফান্ডে চাঁদা এসব বাদেরও ব্যাপার আছে। তাই স্যালারী বলতে সচরাসর আমরা মাসিক বেতন বুঝলেও আখেরী বেনিফিট হিসেবে (!) বছরে কি পাচ্ছেন তাকে ১২ দিয়ে ভাগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ!<img src=" style="border:0;" />

চলুন জানা যাক কমন কিছু স্যালারী স্ট্রাকচার:

বেসিক
বাসা ভাড়া : ৪৫% - ৫০% * বেসিক
মেডিক্যাল ভাতা: ০ - ২/৩ হাজার
যাতায়ত: ০ - ২/৩ হাজার বা মাগনা/রিবেটেড ট্রান্সপোর্ট বা কার লোন স্কীম বা ফুলটাইম কার
টেলিফোন: ০ - ৫ হাজার
ইউটিলিটি: ০-৫ হাজার
অন্যন্য/স্পেশাল ভাতা: ক্ষেত্র বিশেষে

---সাধারনত: মাসিক পর্ব এখানেই শেষ হওয়ার কথা।

উৎসব বোনাস: ২-৪ বেসিক বা গ্রস /বছর (কোথাও কোথাও ২ ঈদে ২ টা বোনাস দিয়ে বাকি ২ টাকে ১২ ভাগ করে মাসের স্যালারী ফুলিয়ে দেয়!)

লিভ ফেয়ার এসিসট্যান্স (এল এফ এ): ২-৪ টা বেসিক। সাধারনত: বছরে ১ বার ছুটি নেয়া সাপেক্ষে ক্যাশ হওয়ার কথা। কিন্তু কোন কোন জায়গায় এটাকেও ১২ ভাগ করে মাসের সাথে দিয়ে দেয়। আরো ফুলা!

বাৎসরিক বোনাস: কোম্পানির লাভের পরিমান ও নানাবিধ ফ্যাক্টর সাপেক্ষে। তবে আপনার হিস্যা নির্ভর করে আগের বছরের শেষের দিকে বসের ও দাদা বসের দেয়া গ্রেডের ভিত্তিতে। এটা ২ থেকে ১৮ বেসিক পর্যন্ত শুনেছি। পাওয়া যাবে কোম্পানির হিসেব বছর শেষ হওয়ার ৩ থেকে ৬ মাস পর।

সেলস বোনাস: কিছু কিছু কোম্পানির সেলস ডিভিশনের লোকজন এ বোনাস পায়। সাধারনত ত্রৈমাসিক টার্গেট ও এচিভমেন্ট এ বোনাসের পরিমান নির্ভর করে। তবে ৮০% এর কম এচিভ হলে এসব পয়সা আশা করা বৃথা!

--- আমার জানা মতে বাৎসরিক প্রাপ্তির হিসেব এখানেই শেষ। সুতরাং আপনার প্রেক্ষাপটে ১২ মাসে 'গ্যারান্টেড' কি পাচ্ছেন আর 'সম্ভাব্য কি পেতে পারেন' তার সাইজ বুঝেই উত্তরটা দিতে পারেন।

প্রভিড্যান্ট ফান্ড: বেসিকের ৫-১৫% প্রতিমাসে আপনি জমা রাখবেন। কোম্পানিও সমপরিমান টাকা জমা দিবে। তবে এ ধরনের টাকা ৩-৫ বছর চাকরি না করলে পাওয়া যায় না।

গ্র্যাচুইটি: ৫ বছর চাকরি করলে ৫/১০ বছর চাকরি করলে থোক টাকা। সাধারনত এমন হয়: বছর * লেটেস্ট বেসিক

হেলথ ইন্সু্রেন্স: মাইনর থেকে লাইফ কাভারেজ। সাধারনত: স্ত্রী ও সন্তান অন্তর্ভুক্ত থাকে।

লিভ এনক্যাশমেন্ট: অর্জিত ছুটি ভোগ না করলে চাকরি ছাড়ার সময় প্রোরেটা বেসিসে বেতন।

এডুকেশন লিভ ও এলাউন্স:

হাউজিং লোন স্কিম: ৫/১০/১৫ বছর চাকরি করলে। বেসিকের ৬০ থেকে ১২০ গুন পর্যন্ত লোন বাড়ী তৈরি বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের জন্য।

চাইল্ড এলাউন্স: বাচ্চা প্রতি ১/২/৩ হাজার টাকা (অনূর্ধ ২ পিস!)

হোম ডেকোরেশন এলাউন্স: ২/৩ বছরে একবার। ১-৩ লাখ টাকা।

সবেতন ছুটি: বছরে ২০ থেকে ৩০ দিন।
ট্যাক্স: পরিমান ভেদে ১০%, ১৫%, ২০%, ২৫% টাকা কাটা যাবে।

---- মোটামুটি লম্বা সময়ের বিবেচনায় এগুলোই। খাইসটা কোম্পানিগুলোতে এর কোনটাই নেই আর হাতেম তাঈ কোম্পানিতে প্রায় সব ক'টিই! সুতরাং হোমওয়ার্ক করে নিন আপনার চাহিদা।


সবাইকে ধন্যবাদ। গুড লাক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29466803 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29466803 2011-10-15 21:28:27
সৌদি আরব, ইরান, পাকিস্তান আর ইসলাম এক কথা নয়। তাদের দেশীয় আইন মানেই ইসলামী বা শরীয়া আইন নয়। আমি ঘোরতর ধার্মিক গোছের মুসলিম নই। কিছু পালন করি, কিছু করি না এ অবস্থা। বোধ করি পৃথিবী গ্রহের বেশীরভাগ মানুষেরই এখন এ অবস্থা। মুসলিম, হিন্দু, খ্রীস্টান, বৌদ্ধ, শিখ বা অন্য সবার। অতি কা'মেল 'নাস্তিক' ও সে মাত্রার 'ধার্মিক' দুটোরই বিশ্বব্যাপী আকাল! আর জানামতে বেশীরভাগ মানুষই 'অন্যান্য' ধারার মানুষদের অনুভূতির কথা মাথায় রেখে কথা বলেন। ব্যতিক্রম কতিপয় পাঁড় 'ধার্মিক' বা সে মাত্রার 'মানবিক নাস্তিক।' তারা অন্যদের কস্ট দিয়ে লাগামহীন কথাবার্তা বলে আর বলা শেষে তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে থাকে 'মানবিকতা' কায়েমের মহান দায়িত্ব পালন করেছে এ ধারণা পোষন করে। সামহয়্যারইন ব্লগও সমাজের আরেকটি অংশ। এবং ব্যাপারটা এখানেও ঘটছে।

বাংলাদেশের আমজনতার ইসলাম জ্ঞান পাড়ার মৌলভীর ওয়াজ নসিহত থেকে অর্জিত। আর বেশীরভাগ মৌলভী মানুষ হিসেবে অত্যন্ত সীমিত জানাশোনার। এরা প্রধানত গরীব। মাদ্রাসা থেকে দাখিল, ফাজিল বা কামিল পাশ। একটা বড় অংশ আবার ক্বওমী ধারার। আরবি ভাষায়ও বেশীরভাগ মৌলভী তেমন পারংগম নন। তার প্রমান প্রায় ৯০% মসজিদে ছাপানো খোৎবার বই দেখে ওনারা শুক্রবার পার করেন! অর্থাৎ পড়া, লেখা, বলা ও শোনার মত ভাষা দক্ষতা (আরবি) ওনাদের নেই। আর ভালো বক্তব্য তৈরীর মত রেফারেন্স জ্ঞানও লক্ষ লক্ষ 'খতীব'দের নেই। ফলে ১২ চাঁদের ৫১ জুম্মাবারই ওনারা নবীরাসুলদের কিসসা, নফল রোজার হাকীকত, কুরবানীর ইতিহাস ইত্যাদি বিষয়ে চর্বিতচর্বন কথন অব্যহত রাখেন। খেসারত হিসেবে মুসলিমদের ইসলাম জ্ঞানও তথৈবচ!

আরবি একটি ভাষা, ধর্ম নয়। এ ভাষাভাষি খ্রীস্টান, ইহুদী বা অন্যন্য মতের মানুষও ঢের আছে। আর 'মুসলিম আরব' মানেই রসগোল্লা নয়, যেমনটি আমরা বাংলাদেশীরা 'বিশ্বাস করে থাকি' আর বিশ্বাসের ভিত্তিতে তিক্ত ক্ষেত্রে পাইকারী হারে ইসলামকে গালমন্দ করে থাকি। একই ভাবে ফার্সি, উর্দু, তুর্কি ও ভাষামাত্র। ধর্ম নয়।
এক ভাষার আরব জাহানে বহু দেশ রয়েছে। আমিরাত, লিবিয়া, ইরাক, ইয়েমেন বা সৌদি আরব। এসব দেশের পৃথক কালো/সাদা নানান আইন রয়েছে। এগুলো শরীয়া, রোমান, আঞ্চলিক নানান উৎস থেকে গৃহীত ও সময়ে সময়ে পরিবর্তিত। শতভাগ 'ইসলামী শরীয়া' মোতাবেক এ অঞ্চলের কোনো একটি দেশও পরিচালিত হচ্ছেনা। সৌদি আরবও তেমনি কিছু শরীয়া কিছু গোমরাহীর মিশ্রনে চলছে।

সৌদি আরব, পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা ইরানের কোন 'অন্যায্য' কান্ডের কারণে 'ইসলামের' মুন্ডুপাত করা আহাম্মকি ছাড়া কিছু না। একই ভাবে আমেরিকা, ইসরাইল, ভারত ও চীনের বেইনসাফীকে খ্রীস্টধর্ম, ইহুদীধর্ম, হিন্দুধর্ম বা বৌদ্ধধর্মের 'কসাই'রূপ বলে চিহ্নিত করা ভুল।

হত্যাকান্ডকে প্রায় সবধর্ম অত্যন্ত কঠোর অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছে। আর এ জন্য নানান শাস্তির বিধান করেছে, যার কোনটিই 'কল্লাকাটা'র চেয়ে 'মৃদুতর' কিছু নয়। বরং কিছু কিছু ধর্ম/উপজাতীতে তা আরও নৃশংস ক্ষেত্রবিশেষে বৈষম্যমূলক। বাংলাদেশে এটা ফাঁস দিয়ে মারা। ফাঁস দিয়ে মারা তুলনামূলক আরামদায়ক নাকি কস্টদায়ক এটা ভুক্তভোগীই নিশ্চিৎ করে বুঝতে পারেন, তবে বলতে পারেন না!
সাধারন বিজ্ঞানের আলোকে বলতে পারি ঘাড় কর্তনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের সাথে মাথার সংযোগ মূহুর্তেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে প্রায় মূহুর্তের মধ্যেই মৃত্যু হয়ে যায়। বলা যেতে পারে স্বল্পতম যন্ত্রনার মৃত্যু।

সেক্যুলার অনেক দেশেই মৃত্যুদন্ড আছে। আর কিছু কিছু দেশে জেল। যত বছরই হোক জেল কি করে হত্যাকান্ডের ন্যায্য বিচার হতে পারে তা আমার বোধগম্য না। সেটা সমর্থকরাই বলতে পারেন।

যাহোক, আসুন সবাই ভেবেচিন্তে মত পেশ করি। ভালো থাকুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29465482 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29465482 2011-10-13 22:39:49
স্টিভের মৃত্যু আবারো জানান দিয়ে গেল এক অমোঘ সত্য। কর্পোরেট কুহেলিকায় মায়াচ্ছন এ আমাদেরকে একটি পদাঘাত। হে প্রভু! তুমি... স্টিভ জবস কে কখনো দেখিনি, কথাও হয়নি। রক্ত, আত্নীয়তা বা সামাজিক সুত্রেও সে আমার কাছের কেউ না। তাঁর কোম্পানী অ্যাপলের কোনো পণ্যও ব্যবহার করিনা। তবু ও মন খারাপ। অনেক খারাপ। মনে হচ্ছে কাছের কারো মৃত্যু হয়েছে। এ অনুভুতি চেনাজানা প্রযুক্তি সচেতন অনেকেরই। সম্ভবত: এ অনুভুতি সারাবিশ্বে। ভিনদেশী, ভিনভাষী কোনো এক মরহুম স্টিভের জন্য নরওয়ে থেকে দক্ষিন আফ্রিকা, চিলি থেকে জাপান সমগ্র বিশ্ববাসীর মন খারাপ। বিশেষ করে তরুন সমাজের। নিকট অতীতে অনেকে পরাক্রমশালী শাসক, সাহিত্যিক, বণিকের বিদায় হয়েছে। তবে এরকম অন্তরের গহীন থেকে গণশোক বিরল।
এ শোক রাস্ট্রীয় আচার নয়। নয় নিছক কর্পোরেট প্রেস রিলিজ। শিক্ষিত মানুষের মেকি বিবৃতি ও নয়। সত্যিসত্যি হারানোর বেদনা। শোকার্ত হিন্দু, শোকার্ত মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রীস্টান বা উপাসক মানেন না এমন মানুষ। শোকার্ত সাদা, কালো ও মিশ্র মানুষ। শোকার্ত মার্কিনী, বাংগালী, চীনা।
তবে স্টিভের মৃত্যু আবারো জানান দিয়ে গেল এক অমোঘ সত্য। কর্পোরেট কুহেলিকায় মায়াচ্ছন এ আমাদেরকে একটি পদাঘাত। কত কিছু করলেন জবস। বাবা-মার পরিচয়হীন ভাবে বেড়ে উঠা। এ একটা চ্যালেন্জ ক'জন মানুষ সইতে পারে। তিনি পেরেছেন। হতে পেরেছেন সফল ব্যবসায়ী, সফল আবিষ্কারক, সফল ব্যবস্থাপক। অখ্যাত অজ্ঞাত থেকে বিশ্বখ্যাত। পারলেন না শুধু একটা অগ্ন্যাশয় মেরামত করতে বা বানাতে আরেকটা।
জবস একটি ধুমকেতু হলে তার পুচ্ছদেশের যৎসামান্য ধুঁয়ার মুল্যেরও নয় যার পেছনে আমরা দিবারাত্র ছুটছি। আরেকটা প্রমোশন পাওয়া, অমুক কোম্পানীতে চাকরি পাওয়া বা তমুক ডিগ্রীটা করা। আমরা সূর্য দেখিনা, হন্যে হয়ে গোলামী করতে ছুটি; আমরা চন্দ্র দেখিনা, দেখি স্টার প্লাস; আমাদের জোহর, আসর, মাগরিব চলে যায় কর্পোরেট স্বল্প ও দুরপাল্লায়; মাইক্রোসফট কম্পানীর ক'টি অফিসস্যুট, কেতাবী পোষাক, ঢং, উপরে তৈলমর্দন ও অধ:স্তনের উপর স্টিমরোলার চালিয়ে ২ পয়সা অধিক উপার্জন করা আমাদের ফিতরাত হয়ে গিয়েছে। আমরা ভুলে গিয়েছি দরিদ্র প্রতিবেশীর কথা, কলেজ না পেরুতে পারা বন্ধুটার কথা; পিতামহের কথা; দিনান্ত খাটুনি করা গৃহকর্মীটার কথা; সিলেবাসে না থাকা গল্পের বইয়ের কথা সর্বোপরি আমাদের সৃস্টিকর্তার কথা।
আমরা পুরোপুরিই ভুলে গিয়েছি যে, আমাদেরও ১টি অগ্ন্যাশয় আছে। যা নস্ট হলে আমরা রিপ্লেস করতে পারবনা। আমাদেরকেও চলে যেতে হবে এতসব আয়োজন ছেড়ে। এত প্লান ভেস্তে দিয়ে। দাঁড়াতে হবে মহান এক স্রস্টার কাছে।
স্টিভ জবসের ধর্ম আমার জানা নেই। বিশেষ কোন ধর্মের অনুসারী না ও হতে পারেন। তিনি মানুষ ছিলেন। ভালো মানুষ। অনেক জ্ঞানী মানুষ। তার জ্ঞান ও বুদ্ধি মানব সভ্যতার অনেক উন্নতি সাধন করেছে। বিকশিত হয়েছে আমাদের জীবন মান। হে প্রভু! তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও। তাকে ভালো রেখো!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29461725 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29461725 2011-10-07 20:32:10
কোনটা বেশী স্পর্শকাতর- জমির দলিলে সাইন করা নাকি ব্যালট পেপারে সিল মারা?
দলিলে অসতর্ক সইয়ের কারণে বড়জোর দু'চার গন্ডা জমি বেশী হাতছাড়া হতে পারে। কিন্তু অপাত্রে সিল মারার কারনে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, আর্থিক, সামাজিক, শারীরিকভাবে আপনি আমি কমপক্ষে ৫ বছর চরম দুর্ভাগ্যের কাছে আমাদের ভাগ্যকে সঁপে দিচ্ছি। মোটামুটি ১৯৫৪ সাল থেকে ৪/৫ বছর পরপর আমরা 'ক্যালাস' ভাবে এ রকম মহা-গুরুত্বপূর্ন কাজটি করে আসছি। আর ফলও ভোগ করছি সে রকম। বেশী পেছনের কথা না বলি। ১৯৯১ সাল থেকে মোট ৪ বার আমরা একই ধরনের কাজ করে আসছি। অনেকটা হেসে খেলে মেলায় যাওয়ার মত 'আজেবাজে' লোক ও তাদের দলের মার্কামারা 'মার্কা'য় নিজের মহামূল্যবান ভোটটা দিয়ে ফেলেছি। আসুন আরো খোলাসা করি-

ভোটের দিন। সারা বাংলাদেশ উৎসবমুখর। দলে দলে নারী পুরুষ স্থানীয় ভোটকেন্দ্রের পানে সকাল থেকেই ভীড় করে। কিন্তু কদাচিৎই তারা প্রার্থী, দল, মার্কা সম্পর্কে বিশদ গবেষনা করে ভোট দেয়। বরং ভোটাররা-

জন্মগতভাবেই শৈশব/কৈশোর থেকে কোননা কোন মার্কার পন্থী হয়ে থাকেন। তার পেয়ারের দলটা যত নিকৃস্ঠই হোক, কিংবা মনোনীত প্রার্থী নামকরা চোর-ডাকাত হলেও তিনি 'সে' মার্কাতেই ভোটটা গছিয়ে দেন।
অথবা, স্বামী, ভাই, বাবার চাপে (গ্রামীন নিরক্ষর মহিলা) বা নির্দেশনায় আদিস্ট মার্কায় সিল মেরে দেন।
অথবা, স্থানীয় সমাজপতি, গ্রাম্য টাউটদের বেড়াজালে পড়ে বাধ্য হন কোননা কোন মার্কায় ভোট দিতে।
বা, আগের রাতে যে মার্কার পক্ষে নগদ টাকা/শাড়ি/লুঙ্গি পাওয়া গেছে।
বা, যে মার্কার দালালের রিকশায় চড়ে কেন্দ্র পর্যন্ত এসেছেন
বা, যে ধনী প্রার্থীর কলকারখানায় তিনি কাজ করেন, যাকাত পান তাকে
বা, যাকে ভোট দিলে রাস্তা, পুল, স্কুল হবে বলে মনে হয়
অথবা, কোন এক নরাধম দল বা লোককে নির্বাচিত হওয়া থেকে ঠেকাতে হলে গাণিতিকভাবে যাকে ভোট দিলে মোক্ষম দাওয়াই হয়!
অথবা, নিজের পেয়ারের দল যে দলের সাথে গাঁটছড়া বেধেছে ইত্যাদি বেসিসেই গরিস্টসংখ্যক মানুষ ভোটটা গছিয়ে দেন।
খুব কম সংখ্যক মানুষই যথাযথ বিশ্লেষন করেন। অনিবার্য কূফল হিসেবে নানান মন্দ ফল ভোগ করা আরম্ভ করেন। যেমন-

ভোটের পরদিনই বিজয়ীদলের অ বা অর্ধশিক্ষিত দখলবাজ, লুটেরা, বেহায়া, সন্ত্রাসী তথাকথিত রাজনৈতিক কর্মীদের কাছে জিম্মি হয়ে যান।
আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যালান্স খুঁজে পাননা। বাজারে নানান জিনিসের দাম বাড়তেই থাকে। বেকাররা চাকরি পাননা। রাস্তায় বেঘোরে মারা পড়েন........ইত্যাদি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29447354 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29447354 2011-09-13 14:51:02
আওয়ামীলীগ সরকারের আন্ডারগ্রাউন্ড মন্ত্রী প্রবররা! সাম্বাদিকদের সুনজর যে কবে নাজিল হবে! প্রমোদ মানকিন, সংস্কৃতি

মোতাহের হোসাইন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা

মোস্তাফিজুর রহমান, ভূমি

মাহবুবুর রহমান, পানিসম্পদ

ড: শিরিন শারমীন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক

দায়িত্বপালনের প্রায় ৩ বছর হতে চললেও এ 'হতভাগ্য' আধামন্ত্রীরা অজ্ঞাত কারণে সংবাদমাধ্যমের নজরে আসতে পারেননি। আহারে কি দু:খ! উপদেস্টাদের দাপটে এদের অনেকে নিজের মন্ত্রণালয়ে ঢুকতে পারেন কিনা সেটা নেয়াই সন্দেহ। তাছাড়া আবুল হোসেনের ননস্টপ হাসি, বটতলার কাকরোল উকিলের দিনভর প্রলাপ ইত্যাদির ভীড়ে তারা আসলেই ম্লান। চামে কেউ কেউ হয়ত টাকা কামাচ্ছেন আর কেউ কেউ হা পিত্যেশ, শুধু পতাকা আর গাড়ীতে...।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29446260 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29446260 2011-09-11 16:35:57
প্রতিবেশীর পোন মারাই ভারতের কূটনীতি ভারত। হাজার বছর ধরে উপমহাদেশীয় বৈশিস্ট্য ধারন করলেও ১৯৪৭ সালের পর থেকে এটি একটি দেশে পরিণত হয়। আর তারপর থেকে এক বিশেষ ধরনের 'সংকীর্ণমনা' কুটনৈতিক চরিত্র ধারন করে। কংগ্রেস, বিজেপি, বামপন্থী, নানাবিধ জোট; নেহেরু, ইন্দিরা, বাজপেয়ী, মনমোহন নানান জাতের নানান দল ও লোক ভারত শাসনে এসেছে ও বিদায় হয়েছে কিন্তু রাস্ট্রভারতের কূটনীতি পাল্টায়নি।

এ নীতিকে ভদ্রভাষায় এক বাক্যে প্রতিবেশীর পোনমারা কূটনীতি বলাই শ্রেয়:। চিরশক্র পাকিস্তান, দক্ষিনের শ্রীলংকা, পূবে বাংলাদেশ, উত্তরের কাশ্মীর, নেপাল, ভুটান ও সিকিম কারো পোনই ভারত মারতে বাকি রাখেনি। সুবিধা করতে পারেনি শুধু চীনাদের সাথে। বরং স্বল্পদৈর্ঘ্যের চীনাদের কাছে অরুনাচলে নিজেরাই দৌড়ের উপর আছে। মার খাচ্ছে বাণিজ্যেও।

অন্যদের কথা তোলা থাক নিজেদের ক্ষতের দিকে নজর দেয়া যাক। কথাবার্তা ছাড়াই ভারত সীমান্তে নিরীহ মানুষকে হত্যা করছে। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের বাড়ি ঘরে ডাকাতি, গরু ছাগল মাছ ধান লুট তাদের নিত্যনৈমিত্তিক কারবার। এত্তবড় দেশ হওয়া স্বত্তেও ক্ষুদ্র বাংলাদেশের সাথে পায়ে পা বাধিয়ে ঝগড়া করে এখানে ওখানে ২/৪শ একর করে করে জমি জবরদখল করার ধান্ধায় লিপ্ত। সম্ভবত: রাস্ট্রের আয়তন বৃদ্ধির কূটকৌশল হিসেবেই এ কূটনীতি!

অববাহিকার সকল দেশের সম্মতি ছাড়া কমন নদীর উপর যেকোন বাঁধ নির্মান জাতিসংঘের নদীনীতিমালা (যাতে ভারত সিগনেটরীও বটে!)র সুস্পস্ট লংঘন হলেও ভারত এটার থোড়াই কেয়ার করে। তবে নিজেদের আঁতে ঘা লাগাতে চীনের ব্রম্মপুত্র বাঁধ পরিকল্পনার ব্যাপারে কাউকাউ করতে 'লজ্জা' করেনা। পদ্মা, তিস্তা, গোমতী, মুহুরী সব নদীর উপরই ভারত অলরেডি পাকা বা কাঁচা বাঁধ নির্মান করেছে। বছরের ৯ মাসই এদেশের প্রায় সকল নদী শুকিয়ে মরা জলধারা বা মরুভূমিতে পরিণত হয়।

মুখে মুক্তবাজার হেন তেন এসব বললেও ভারত চরম বদ্ধবাজার পলিসীতে চলে। রাজ্যসরকার, কেন্দ্র, কোয়ালিটী, ডাম্পিং ও নানাবিধ অ-শুল্ক ছলছাতুরীর মাধ্যমে আমদানীকে তারা যতদুর পারে ঠেকিয়ে রাখে। এমনকি রপ্তানীর ক্ষেত্রেও তারা মওকামত নানান আইন জারি করতে কসুর করেনা। বাংলাদেশী গ্র্যাজুয়াটরা দিল্লী বা মুম্বাইতে চাকরির কথা কল্পনা করতে না পারলেও লাখের উপর ভারতীয় (বেশীর ভাগ অবৈধভাবে ট্যুরিস্ট ভিসায়) ঢাকা বা চট্টগ্রামে চাকরী করে! এবং বেতনের টাকা স্বদেশে হুন্ডিতে পাঠায়।

দয়া, দাক্ষিণ্য, দান, আথিতেয়তা, সৌজন্যতা এগুলো ভারতীয় কূটনীতিতে পরিত্যাজ্য। হিন্দুদের মজ্জাগত কৃপণতার ছোঁয়া তাদের দেশীয় কূটনীতিতে লাগবেনা তাও কি হয়? মনে পড়ে দক্ষিনান্চলের মারাত্নক ঘুর্নিঝড়ের পর ভারত একটা গ্রাম পূনর্গঠন ও কিছু চাল রপ্তানী (ভিক্ষা না!)র প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বছর চারেক আগে। আজও তা আলোর মুখ দেখেনি!!

তবে মৌখিক বেঈমানীর পাশাপাশি কাগজে কলমে বেঈমানিও ভারতের কূটনীতির আরেক বৈশিস্ট্য। বেরুবাড়ি বনাম তিনবিঘা তার জ্বলন্ত প্রমান।

সবমিলিয়ে এটাই ভারত, সো ফার। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29443823 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29443823 2011-09-06 15:40:36
খরগোশ কচ্ছপ কোনোটাই না, জামায়াত একটি তেলাপোকা মার্কিন কূটনীতিক জেমস এফ মরিয়াটি কচ্ছপ হিসেবে বাংলাদেশ জামাতে ইসলামীকে মুল্যায়ন করলেও আমি তার সাথে একমত নই। বরং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জামাতকে তেলাপোকা জ্ঞান করাই শ্রেয়:! কেননা তেলাপোকা টিকে থাকে। শুধু টিকে থাকার জন্যই। জামায়াতও এদেশে টিকে আছে, টিকে থাকবে তেমনটি। যেমন আছে নানা নামের সমাজতান্ত্রিক ও ধর্মতান্ত্রিক দলগুলো। বড়জোর তেলাপোকাদের মধ্যে খানিকটা বপু ও তৈল সর্বস্ব বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী।

দুর অতীতে (১৯৪১) একটি মহান উদ্দ্যেশ্যের পানে নিখিল ভারত জামায়াতের অভ্যুদয় হলেও কালের বিবর্তনে দফায় দফায় চরিত্র ও কথার খেলাফের কারণে উপমহাদেশবাসীর কাছে দলটি গ্রহনযোগ্যতা হারিয়েছে। হিন্দুপ্রধান ভারতে এটার কোনো ভবিষ্যত নাই এবং তা আলোচনা নিস্প্রয়োজন। কিন্তু মুসলিম প্রধান বাংলাদেশ ও পাকিস্তানেও তাদের জনসমর্থন কমবেশী মাত্র ৫%। বিদ্যমান পলিটিক্যাল সিস্টেমে কমসে কম ৩৫% সাপোর্ট না থাকলে হালে পানি পাওয়া কঠিন! আর জামায়াতের সাপোর্টার গ্রোথও এমন আহামরি কিছু না যে সহসা দিল্লী পদানত করে ফেলবে!
জামায়াত ১৯৪১ সালে প্রতিস্টিত হয়। তাদের বহু জুনিয়র দল যেমন- আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি, পিপিপি, এমকিউএম, বিজেপি, তৃনমূলকংগ্রেস, সমাজবাদী দল ও উপমহাদেশের আরো বহু ছোটবড় দল ইতোমধ্যে শক্ত জনভিত গড়তে পারলেও বাহ্যত অতি বুদ্ধিমান জামায়াত তাদের লেজের কাছেও যেতে পারেনি। এমনকি তাদের সমমনা মুসলিম ব্রাদারহুড, হামাস, এ কে ইত্যাদি পার্টি মিশর, আলজেরিয়া, ফিলিস্তিন বা তুরস্কে যতটা এগিয়েছে জামাতের অর্জন তার তুলনায় নস্যি!
অনেকে মনে করেন ভোটের বাক্সে জামাতের ওজন হালকা হলেও প্রশাসন, আর্মি, ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবি মহলে তাদের ওজন বেশ! আমি বলি- এটাও একটা ফালতু ধারনা। উপরমহলে জামায়াতের সাপোর্ট যা কিছু তা কর্মচারী লেবেলে। কর্মকর্তা পর্যায়ে তা অতি নগন্য। লক্ষ্যকরলে দেখা যাবে জামায়াতের বুদ্ধিজীবি মানে একা শাহ আব্দুল হান্নান, সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান। পেশাগত বিশ্লেষনে ডাক্তারদের মাঝেই তাদের সমর্থন বেশী। তবে তাও ১০% এর বেশী না। মাদ্রাসা ও হাইস্কুল শিক্ষকদের মাঝে উল্লেখযোগ্য জামাত সমর্থক থাকলেও সমাজে তাদের গুরুত্ব নেই বললেই চলে। বিশ্ববিদ্যালয় টিচারদের ৫-৭ % সাপোর্ট থাকলেও তা ইসলামী জাতীয়তাবাদের পরগাছা দর্শনের হালুয়া রুটির মিশ্রনে দূষিত। আর্মিতে অফিসার লেভেলে বড়জোর ২-৩% জামাত থাকতে পারে এর বেশী না। তবে আর্মি ও বিডিআরের জোয়ান লেভেলে ১০-১৫ জামাত সাপোর্টার থাকা বিচিত্র কিছু না। কোচিং সেন্টার, ক্লিনিক, রিয়েল এস্টেট, কিন্ডারগার্টেন স্কুল, কো-অপারেটিভ ব্যবসা ও ইন্সুরেন্স লাইনে এসএমই পর্যায়ে ও আন্চলিকভাবে তারা ব্যাপক সাফল্য লাভ করলেও দেশব্যাপী ও বৃহদাকারের কোনো ব্যবসা প্রতিস্টান তারা দাড় করাতে পারেনি (ব্যতিক্রম- ইসলামী ব্যাংক)। এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ এ ধরনের ট্রেড বডিতে ব্যক্তিগতভাবে দু একজন জামাত থাকলেও দলগত ভাবে এখনো কাউন্ট করার মত না। ইন্টারেস্টিং বিষয় হল- ব্যবসায় সফল সাবেক ছাত্রশিবিররা কদাচিৎই আগের মত জামাতের কাজে সময় দেন!! টেলিভিশন, পত্রিকা, মিডিয়া, নাটক, নাচ, গান, সিনেমায় ধর্মীয় গ্রাউন্ডেই তারা সংখ্যালঘু। সুতরাং দল, ভোট, অর্থ, কূটকৌশল ও পেশীতান্ত্রিক হালফ্যাশনের চলমান রাস্ট্রব্যবস্থায় গদিনশীন হওয়ার কোনো উপকরনই জামাতের ভান্ডারে নাই বা তারা জোগাড় করতে পারেনি। বিএনপির পাছা চেটে 'পিঠ বাচানো' অথবা 'বাকশালী চাবুক' বাধ্যতামূলক এ ২ টি অপশনের মধ্যে জামাতের দাবার রাজা চেক পড়ে গেছে!!!
কচ্ছপের গতিতে একদিন তারা খরগোশের আগেই গন্তব্যে পৌছে যাবে বললে অত্যুক্তি হয়! বরং তারা তেলাপোকার মত 'যাহা পাওয়া যায় খেয়ে' হেঁসেলে ও স্নানঘরের চিপায় যুগযুগ থেকে যেতে পারে!!!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29442884 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29442884 2011-09-04 16:05:04
র‌্যাডিসন, সোনারগাঁ, শেরাটন; দুবৃত্ত রাজনৈতিক-আমলা-বেনিয়া-সুশীলদের সংঘবদ্ধ ইফতার জৌলুশ; কোটি ভুখা নাংগা বাংলাদেশী রোজাদারের আফসোস
বাধ্য হয়ে গত কয়েকবছরে কিছু ইফতার পার্টিতে/মাহফিলে আমাকে যোগ দিতে হয়েছে। এগুলোর প্রতিটির বাজেট পার হেড ৩০০ টাকার কম ছিলনা আর জানামতে ১৭৫০ টাকারও একটি ছিল গুলশানের কোন এক রেস্টুরেন্টে। র‌্যডিসনের একটি দাওয়াতে যাইনি, দাম সংগত কারনেই আরো বেশী। এসব ইফতার পার্টিতে খাবারের যে অপচয় হয় তা মেজাজ বিগড়ে যাবার জন্য যথেস্ট। আর একজনের বিলের টাকায় কোনো কোনো দরিদ্র পরিবারের পুরোমাসের ইফতারীর জোগাড় হয়ে যেতে পারে।

অথচ শুয়োরের বাচ্চা পলিটিশিয়ান ও মেকি জীবনযাপনের জন্য কুখ্যাত কর্পোরেটরা 'রোজা' ও 'ইফতারের' মহান নৈতিক তাৎপর্যের অনুসরন করে দরিদ্রদের মাঝে ইফতার বিলানোর পরিবর্তে নিজেরা শামিয়ানা টাংগিয়ে সংঘবদ্ধ ভাবে তা ভক্ষন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ধিক! ধিক!! মানুষের ক্ষুধা উপলব্ধি করা ও ক্ষুধার্ত মানবেরে যৎসামান্য হলেও খাবার দানের কালচার চাংগে তুলে সে শামিয়ানার তলায় তারা যথারীতি ভিনমতের রাজনীতির গীবত গাওয়ার মচ্ছবে পরিণত করেছে! জামাতে ইসলামীর মত মৌলবাদি দলও এহেন পুঁজিবাদি ও ভোগবাদি তান্ত্রিকতার ভন্ডামীতে লিপ্ত হয়েছে। ছি! ছি!!

দেশে প্রতিদিন কয়টি ইফতার মাহফিল ঠিক কি মানে হচ্ছে, তার খরছ কত এ ব্যাপারে আমাদের কাছে সুনির্দিস্ট কোনো ডাটা নেই। তবে শুধুমাত্র র‌্যডিসন, সোনারগাঁ ও শেরাটনকে ২০ দিনের জন্য ১০০০ লোক দিয়ে ১০০০ টাকা পারহেড কাউন্ট করলে যে অংক দাড়াঁয় তা নিম্নরূপ:
২০*১০০০*১০০০ = ২,০০,০০,০০০ অর্থাৎ ২ কোটি টাকা। ৩০০০ টাকা বেতনের একজন গার্মেন্টস কর্মীর তা ৫৫৬ বছরের বেতন!

অন্যভাবে হিসেব করি:
নিম্ন আয়ের ৫ সদস্যের পরিবারে ১ মাসের ইফতারীতে যা যা লাগে-
ছোলা ৩ কেজি ২১০ টাকা
চিনি ৫ কেজি ৪০০ টাকা
মুড়ি ২ কেজি ১০০ টাকা
খেজুর ২ কেজি ৪০০ টাকা
ডাল ১ কেজি ১০০ টাকা
মসলা ১০০ টাকা
কলা ১৫০ টি ৪৫০ টাকা
অন্যান্য ২৪০ টাকা
মোট ২০০০ টাকা

অর্থাৎ এ তিনটি হোটেলের 'অপচয় ও জৌলুস' এর বিনিময়ে গোটা রোজার মাস ১০,০০০ পরিবারের ভদ্রস্থ ইফতারের ব্যবস্থা হয়ে যায়। এ দেশের আনাচে কানাচে সমস্ত ইফতার পার্টিকে খাতায় আনলে একটি দরিদ্র পরিবারও যে অন্নকস্টে ভুগবেনা, নিছক পানি দিয়ে বা বাসি ভাত দিয়ে ইফতার করতে বাধ্য হবে না তা বলাই বাহুল্য।

টিভি ক্যামেরায় দু:খগাঁথা প্রচার নয় আমরা চাই কার্যকর একটা কিছু। আসুন ইফতার পার্টি বর্জন করি। সে টাকায় অনাথের ইফতারে ব্যয় করি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29429878 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29429878 2011-08-11 16:10:19
২৯ রমজান সরকারী ছুটি চাই, কারণ- এদিন চাঁদ দেখা গেলে পরদিন ঈদ হয়। অফিস শেষ করে লক্ষ লক্ষ মানুষ একসাথে বাড়ি যেতে চাইলে দেখা দেয় চরম ভোগান্তি। জাতীয় উৎসব পরিনত হয় জাতীয় পেইনে। রেল, সড়ক, আকাশ, নদী সবই অনিয়মের মহোৎসবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। নিজের ভোগান্তি খানিকটা লাঘব করতে অনেকে বেছে নেয় ২ নম্বরী কায়দা- সকালে হাজিরা খাতায় সই দিয়ে অফিস থেকে গায়েব বা আগের দিনই গায়েব পরদিন পেটের ব্যাথা/মাথার খাউজানি ধাঁচের অজুহাতে ক্যাজুয়াল লিভ এপ্লিকেশন।
যাহোক বাংলাদেশের সরকারী বা প্রাইভেট কোনো অফিসে ২৯ রমজান তারিখ কাজকর্মের এমন কোন জোয়ার বয়ে যায়না যে ঐদিন অফিস বন্ধ রাখলে জাতি তলিয়ে যাবে। বরং ভদ্রতা ও নিয়মের মধ্যে লোকজনকে শান্তিতে উৎসব করতে দিলে আগে পরে সবাই বেটার পারফর্ম করে।

তাই, ২৯রমজান সরকারী ছুটি চাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29428416 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29428416 2011-08-09 11:46:30
হে অপদার্থ আওয়ামী সরকার! অন্তত: একটি ভালো কাজ করুন। মহাসড়কে মৃত্যু ও পঙ্গুত্বের মিছিল বন্ধ করুন। প্লিজ! পুরোপুরি মৃত্যু ও পঙ্গু হবার মিছিল চলছে দেশের প্রধান মহাসড়ক গুলোয়। প্রতিদিন, প্রতিঘন্টা এমনকি প্রতি মিনিটে দুর্ঘটনার নামে রাস্ট্রীয় ব্যর্থতা ও দুর্নীতিজনিত হত্যাকান্ডের রক্তাক্ত হোলিখেলা চলছে সেখানে। বিশেষ করে ঢাকা টু কক্সবাজার, সিলেট, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল এ ৬ টি মহাসড়ক পুরোপুরিই মৃত্যুফাঁদে পরিনত হয়েছে। কমবেশী ৮০ কি/ঘন্টা বেগে ধাবমান বাস, ট্রাক, জিপ, ভ্যান, কার, মাইক্রোবাস প্রায়শই: মুখোমুখি, পেছন থেকে, পাশাপাশি সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে। কারো যেন কিছু করার নেই। বেওকুফের মত কথা বলতে সিদ্ধ সকল যোগাযোগমন্ত্রী এটা হবে, ওটা করব বলেই যুগের পর যুগ পার করে দিচ্ছেন। মরা বাড়িতে অনুদান, চাকরির গালভরা শ্লোগান দিয়ে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিচ্ছেন!

প্লিজ শ্লোগান, শোকবার্তা, শোকসভা, সেমিনার, দান-অনুদান, হাতিঘোড়া পরিকল্পনা বন্ধ করে কার্যকর একটি কাজ করুন। যা যে অবস্থায় আছে তা দিয়ে মহাসড়কগুলোতে গণহত্যা বন্ধ করুন। আর সইতে পারছিনা। দরকার হলে ৫ ঘন্টার দুরত্ব মানুষ ১০ ঘন্টায় পৌছুঁক! তবু স্বজনের লাশ বা পঙ্গু দেহ নয়, গোটা জীবন্ত মানুষটা আপনজনের কাছে ফিরে যাক!! এটুক দয়া রাস্ট্রের কাছে আমরা ভিক্ষা চাইছি!!!

দুর্ঘটনা সবধরনের সড়কে সারাবিশ্বের একটি বাস্তবতা হলেও উপরোক্ত ৬ টি মহাসড়ক তথা বাংলাদেশের এন ক্যাটেগরির প্রধান হাইওয়েগুলোতে তা এখন মহামারীতে রূপ নিয়েছে। এখনি তা ঠেকান। আজই। রুটগুলোর যাত্রী হিসেবে নিচে কয়েকটা পরামর্শ<img src=" style="border:0;" />br />
র‌্যাকলেস ড্রাইভ করে ৯ টা গাড়ীকে ওভারটেক করলেও ১০ম গাড়ীটার সময় বিপরীতমুখী গাড়ী এমনভাবে এসে পড়ে যে, ৮০-১০০ কি/ঘ স্পিডে আর কিছু করার থাকেনা। এ একটা কারণে সবচে বড় হত্যাকান্ডগুলো ঘটছে। দায়ী অন্তত: ১ জন ড্রাইভারের ডান পা কেটে দিন!

হাইওয়ের দু'পাশে বড় ডালপালাওয়ালা (কড়ই, রেইনট্রি) গাছ লাগানোর কথা না। মূর্খ বনবিভাগ ও সওজ এ দেশে তা করেছে। এসব গাছের শিকড় রাস্তাকে ভেতর থেকে অসমতল করে, পাতা পড়ে পিচ নস্ট হয় ও আঁকাবাঁকা স্থানে দৃস্টি প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করে। রাস্তার আদর্শ গাছ হল- দেবদারু, পাইন বা ঝোপজাতীয় গাছ। এখনি আঁকাবাঁকা মোড়ের ভেতরের অংশ পরিস্কার করুন। দৃস্টিসীমা বৃদ্ধি করুন। জীবন বাঁচান।

সবুজ রংয়ের সিএনজি গুলো তথা এসবের ড্রাইভার এ মুহুর্তে নাম্বার ওয়ান ক্রিমিনাল। এ গাড়ী গুলোর সর্ব্বোচ্চ বেগ ৫০ কি/ঘ। কিন্তু বেয়াদ্দপ ড্রাইভার গুলা প্রায়শ:ই সাইড দেয়না, বা হুট করে মাঝ রাস্তায় চলে আসে! ব্যাপক সংখ্যক দুর্ঘটনা এদের কারনে ঘটছে। মহাসড়কে সিএনজি, ভ্যান, রিকশা, ভটভটি, টমটম ইত্যাদি হরেক রকমের ও হরেক গতির বাহন আজই ব্যান চাই। তারা শাখা রাস্তায় চলাচল করবে, হাইওয়েতে নয়। নেভার। নেহায়েৎ দরকার হলে পাশে একটা লেনে। চলনবিলের রাস্তার মত।

ভুয়া, বিনা লাইসেন্সের কোনো ড্রাইভারের কারনে কেউ মারা গেলে তা মোটরযান আইন নয় সাধারন হত্যাকান্ড হিসেবে মামলা দিন। আহত হলে এটেম্ট টু মার্ডার।

এদেশে রেজিস্টার্ড গাড়ী প্রায় ১৫লাখ, আর ড্রাইভার লাইসেন্স ইস্যুড ৭ লাখের মত!!! তার মানে বাকী গাড়ী হরিদাশ পালেরা চালায়। অপরদিকে লাইসেন্স দেয়ার ফার্ম বিআরটিএ চোর হিসেবে সমাজে খ্যাতি লাভ করেছে। এ বাস্তবতায় ভোটার লিস্টি বা আদমশুমারীর ন্যায় বিশেষ প্রোগ্রাম নিয়ে অন্তত: ২৫ লাখ লোককে প্রোপার টেস্ট নিয়ে লাইসেন্স দিন।

হাইওয়ের পাশে ট্রমা সেন্টার নয়, হাইওয়ে জেল তৈরী করুন। যেখানে ট্রাফিক রুল ভায়োলেটের জন্য তাৎক্ষনিক জেল হবে। মানুষ দেখুক যে ট্রাফিক আইন ভায়োলেশন একটি অপরাধ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29421592 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29421592 2011-07-28 17:04:36
এক পরিমল কারাগারে, লক্ষ পরিমল ঘরে ঘরে লজিং মাস্টার রাখা হল লায়লাকে পড়ানোর জন্য। স্থানীয় মাদ্রাসার আলিম পর্যায়ের তালিবআলেম। নিখাদ চরিত্র! ক'দিন পড়েই লায়লা মা'কে বলে বসল এ হুজুরের কাছে আর পড়বেনা। কারণও বলেনা। মায়ের অনেক টেপাটেপির পর মুখ খুলল লায়লা। 'হুজুরে পায়ে পা লাগায় খালি।' যা বুঝার গৃহকত্রী বুঝলেন। বিদায় হল হুজুর।
তবে অত সহজ হয়নি উক্ত হুজুরের বড় ভাইয়ের বিদায়। স্থানীয় মসজিদের ইমাম ছিলেন। মাদ্রাসার মোদারেসীর পাশাপাশি ইমামতির বেতন, ফাতেহা, কবর জেয়ারত, মিলাদ, তাবিজ, তুমার করে ভালই চলছিল ব্যাচেলর কামিল পাশ মাওলানার দুনিয়াবী কায়কারবার। কপালে বেশী সুখ সয়না। মাতবর কিসিমের এক মহল্লাবাসীর ঘরে বেশী বেশী যাতায়ত করেন। এ নিয়ে কোনো কোনো মুসল্লীর খেদ। অনেকে নাকি তাকে পাক ঘরে মাতবরের বউয়ের লগে হা হা হি হি করতে দেখেছে। শেষতক অন্য একদিন.. । জুমাবার। হুজুর এবসেন্ট। কারণ উদঘাটিত হল- মাতবরের বৌ হাসপাতালে। উনি দেখতে গেছেন! ঐদিন ব্যাপক হৈ চৈ এর মধ্যদিয়ে হুজুরের চাকরি নট।
তুচ্ছ গ্রাম্য মৌলভীর 'ঝাপসা' কারণে চাকরি নট হলেও চাকরি আরো পাকাপোক্ত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক লুচ্চা প্রভাষকের। তখন তিনি নব্য প্রভাষক। আর ছাত্রীটি শেষবর্ষে। ঘুরিয়ে, পেঁচিয়ে, ইনিয়ে, বিনিয়ে ক্লাশে, ক্লাশের ফাঁকে সরল কিসিমের মেয়েটিকে চুড়ান্ত উত্যক্ত করে ছাড়ছেন। সাইন্স সাবজেক্ট। প্র্যাকটিকেল, ভাইবা, ফিল্ডট্যুর, রিসার্চ পেপার অনেক কিছুতে 'হাওয়াই' মার্কস আছে। তাই শক্ত প্রতিবাদও করা সম্ভব হয়নি। শেষতক মুষলধারে বৃস্টি হয় এমন একদিন তিনি ছাত্রীটিকে নিজ কক্ষে জড়িয়েই ধরেন!
এক পরিমল কারাগারে। লক্ষ পরিমল ঘরে ঘরে। স্কুল, মক্তব, মাদ্রাসা, কলেজ, কোচিং কোথায় নেই পরিমল বাবু। পরিমলরা আছে অফিসে, স্যুটিং স্পটে, কারখানায়, বাসে, ট্রেনে, লঞ্চে সবখানে। সুযোগের অভাবে অনেকে সাধুর গেরুয়া বেশ ধারন করে বসে থাকলেও কায়দামত পরিমলের চরিত্রে মঞ্চে নেমে পড়েন। পরিমল আছে আওয়ামীলীগে, আছে বি এন পি তে এমনকি জামায়াতের রোকন পদেও! তারা ছাত্রলীগ, তারা ছাত্রফ্রন্ট, তারা ছাত্রশিবির ও অ-ছাত্র। আর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানইতো বড় পরিমল। পরিমল হিন্দু, পরিমল মুসলিম, পরিমল অগ্নি উপাসক, পরিমল নাস্তিক। পরিমল সাহিত্যিক, পরিমল নাট্যকার, পরিমল পরিচালক, পরিমল শাসক, পরিমল অর্থনীতিবিদ, পরিমল বাসের কন্ডাকটর!
কোচিং সেন্টার বন্ধ হলে পরিমলরা পালিয়ে যাবে এমনটা ভাবা বোকামী। তারা ওৎ পেতে থাকবে ক্লাশরুমে, ব্ল্যাকবোর্ডের পেছনে, বেন্চির তলায়, স্কুলের টয়লেটে। সদ্যযৌবনা ছাত্রী বা যুবতী সহকর্মী বা গতযৌবনা আয়া দেখলেও তড়াক করে লাফ দিয়ে উঠতে পারে কোনো এক হিংস্র পরিমল।
তাহলে উপায় কি?
উপায় আছে-
গেরুয়ার ভেতরের পরিমলকে মানুষ করা; অন্তত: মেকি সাধু বানিয়ে রাখা; যতদুর সম্ভব পরিমল অ-বান্ধব কর্মস্থল তৈরী; যার যার মত পরিমলের খপ্পড়ে না পড়ার ব্যবস্থা; কোনোরূপ লুকোছাপা নয় ঘটনা ঘটামাত্র পরিমল উৎখাতে নেমে পড়া; ধরাপড়া পরিমলদের প্রকাশ্য শাস্তি।
আশা করা যায় যারযার অবস্থান থেকে শক্ত পদক্ষেপ নিলে পরিমলের সংখ্যা হ্রাস পাবে। পুরো লুপ্ত না হোক! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29417889 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29417889 2011-07-22 16:57:19
বাংলাদেশের ডমেস্টিক এয়ারলাইন্স বিজনেস গোত্তা খাওয়ার কারণ ও প্রতিকার আবারো গোত্তা খেয়েছে বাংলাদেশের ডমেস্টিক এভিয়েশন বিজনেস। এর আগে এরোবেংগল, এয়ারপারাবত, বেস্ট এয়ার বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে ব্যবসাটা শুরু করলেও মূর্খতা, সরকারী প্যাঁচ এবং নানাবিধ কারনে তা ভেস্তে যায়। এ দফায় ইউনাইটেড, জিএমজি ও রিজেন্ট এয়ার ভাল একটা সাড়া ফেললেও গত কয়েকমাসে তা ক্রমেই ধবংসের দিকে যাচ্ছে বলে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশ। অনুমান করি এভাবে এগুলে কিছুদিন পর এভিয়েশন আবারো বাংলাদেশ বিমানের করালগ্রাসে পরিণত হবে!

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বেশ কিছু ট্রাভেলের অভিজ্ঞতার আলোকেই বলি। হন্তদন্ত হয়ে সেনাকল্যান ভবনের ১২/১৩ তলায় যাই একদিন জিএমজির পরদিনের টিকেট কাটতে। সন্ধ্যা ৭-০০ টা প্রায়। কেতাদুরস্ত লেডী এক্সিকিউটিভ টিকেট দিতে সম্মত হলেও বুকিং দিতে পারবেন না! (তার টিকেট ধুয়ে পানি খাব<img src=" style="border:0;" />)। গেলাম দৌড়ে সোনারগাঁ হোটেল। ৮ টা বাজে বাজে অবস্থায় প্রায় রিকোয়েস্ট করে ঐদিনের মত রক্ষে! অথচ তারাই বলছিলেন সিট খালি!!<img src=" style="border:0;" />
প্রশ্ন হল- এসব টিকেট কাউন্টার রাস্তার ধারে না হয়ে সেনাকল্যান বা সোনারগাঁর চিপার মধ্যে কেন? আর এত ভাব নিয়ে কাউন্টারের মাইয়া (ও পোলা) গুলা কথা বলে ক্যান? <img src=(" style="border:0;" />

আসি আরেকদিনের কথায়। এয়ারপোর্ট কাউন্টার। রিজেন্টএয়ার। বললাম- পরদিন ১০-০০ টার দিকের টিকেট দেন। কয়- আছে ৫৮০০ টাকা! আমি কৈলাম, ক্যান ৪০০০ টাকাই তো জানি। ওরা কয় ঐ টিকেট নাই!<img src=" style="border:0;" /> পাঠকদেরকে বলে রাখি ড্যাশ বা সেশনা ৪০/৫০ সিটের এসব প্লেনের সামনের সিট যা পেছনেও তা!! ফাস্ট ক্লাশ বা সেকেন্ড ক্লাশ বলতে কিছু নাই। বাসের মত। তবে হারামজাদা এয়ারলাইন্সগুলা ফেরৎযোগ্য অফেরৎযোগ্য এসবের ভিত্তিতে টিকেটের ৩ রকম দাম করে রেখেছে। অর্থাৎ, আপনি ৫৮০০ টাকা দিয়ে টিকেট কেটে ফেরৎ দিয়ে যাবেন আরেকজন ৪০০০ টাকায় অফেরৎযোগ্য শর্তেও তা পাবেনা!<img src=" style="border:0;" /> মাঝখানে সিটটা ফাঁকা গেল। তেল খরছ কিন্তু সমান!

ছাগলের বাচ্চাদের আরেকটা ব্যবসায়িক মূর্খতা ৪০ মিনিটের এসব ফ্লাইটে কেক, স্যান্ডউইচ, চকলেট, পানি, কোক, বাদাম দিয়ে ফালতু পয়সার অপচয় করা ও ২ জন কন্ডাকটর (বালা!!!) রাখা। ১ জন স্টুয়ার্ড ও আপ্যায়ন বাদ দিয়ে টাকাটা ডিসকাউন্ট দিলেই কাস্টমার বাড়বে।

এদেশের এভিয়েশনের প্রতি আমজনতার বড় অভিযোগ দাম বেশী। আর কোম্পানি গুলার কথা প্যাসেন্জার কম। পোষায় না এর কমে। সুতরাং গুটিকয়েক কাস্টমার ও গলাকাটা প্রাইসের টেকনিকই তাদের সম্বল। গাধার বাচ্চারা সমস্যার গোড়ায় হাত দেয়না। তা হল-

কাস্টমার বেজ বাড়াও

সিটি সেন্টার থেকে এয়ারপোর্ট গুলাতে যাওয়াই বিরাট সমস্যা। আমি রিজেন্টের কাউন্টারম্যানকে একদিন বললাম, আপনারা একটা মিনিবাস শাটল দিলেতো অনেক উপকার হত। আরো কাস্টমার পেতেন। ও বলে, লাগবে না- আমাদের মালিকের ফ্যামিলির লোকই বেশী চড়ে। ওদের গাড়ী আছে। আর এরকমটা করলে সবাই লেট করবে!!!<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29412843 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29412843 2011-07-14 15:50:07
গাড়ী কেনার ঝুট ঝামেলা কথায় বলে হাতী আর মোটরগাড়ী কেনা নাকি একই কথা। হাতীর প্রশস্ত ও নিরাপদ আরামদায়ক পিঠে চড়া বা বড় বড় গাছের গুড়িঁ টানিয়ে সূখ অনুভব করলেও পর্বত প্রমান খোরাক জোগাড় করতে মালিকের ত্রাহিদশা হয়।
তেমনি দশা চারচাকার প্রাইভেট কারেরও। কেনার ২/১ মাস আগ থেকেই জোগাড় করতে হবে গ্যারেজ। গ্যারেজ ভাড়া ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা। বড় কথা হল বর্তমান বাসায় গ্যারেজ নাও থাকতে পারে। সুতরাং খোজো টু-লেট। ছোট ফ্যামিলির জন্য গ্যারেজওয়ালা বাসা পাওয়া যেন হাতে চাঁদ পাওয়া। যান তথাকথিত এপার্টমেন্টে। এখানে আপনি নিশ্চিৎই বাসা পাবেন তবে তা অপ্রয়োজনীয় বড় এবং ভাড়া-কাম-সার্ভিস চার্জ ২৫০০০ টাকার কম না!
যাহোক, গাড়ী রাখার বন্দোবস্ত হল। এবং তা কিনলেন। আর তখনিই আপনি নিম্মোক্ত খরছাগুলায় ঝাপ দিলেন:

রহিমআফরোজ/নাভানার টেস্ট ফি: ১০০০ টাকা
এক টাংকী (৫০লি) অকটেন: ৪০০০ টাকা
স্টিয়ারিং কাভার: ৫০০ টাকা
প্লাস্টিক ম্যাট: ৮০০ টাকা
সিট কভার: ৫০০০ টাকা
বোরকা: ১০০০ টাকা
ঝাড়ু: ২০০ টাকা
বালতি: ২০০ টাকা
ব্রাশ: ১৫০ টাকা
ট্রিক্স: ১৫০ টাকা
মার্টগার্ড: ৬০০ টাকা
গামছা: ৫০ টাকা
রেজিস্ট্রেশন: ৬৮০০০ টাকা
ইন্সুরেন্স: ৩০০০০ টাকা

ঐচ্ছিক-
সি এন জি: ৭০০০০ টাকা
বাম্পার (অবৈধ): ১০০০০ টাকা

উপরোক্ত প্রাইসগুলো মিনিমাম। আরো বেশীও আছে/হতে পারে। প্রাথমিক এসব খরছের পর শুরু হবে আপনার যান্ত্রিক হাতীর মাসিক খরছ

তেল (৮ কিলো/লি ও ৩২ কি/দিন ধরে, ১২০ লি): ৯৬০০ টাকা
মবিল (৩ মাসে একবার): ২০০০ টাকা
ইন্সুরেন্স প্রিমিয়াম (বছরের টা ১২ ভাগ করে): ২৫০০ টাকা
চাকা (বছরে এক জোড়া): ১০০০ টাকা
বিভিন্ন লুব্রিকেশন: ৫০০ টাকা
টুকটাক মেরামতী: ৫০০ টাকা
ওয়াশ (মাসে ৪ বার): ১২০০ টাকা
গ্যারেজ ভাড়া: ১৫০০ টাকা
গানের সিডি: ২০০ টাকা
মোট: ১৯০০০ টাকা

ঐচ্ছিক
লং ট্রিপ, চুরিচামারি, এক্সিডেন্ট-জাত পরিমানমত খরছ

সুতরাং, বুঝে শুনে হাতী কিনুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29412824 http://www.somewhereinblog.net/blog/palalikman/29412824 2011-07-14 15:03:07