আমার খুব গোপন একজন ঈশ্বর আছেন। আমি তাঁকে সম্মান করি, ভালোবাসি, আঘাত করি, ঘৃণাও। সে মূলত আমার সৃষ্টি, আমি সেখানটায় ঈশ্বরের সৃষ্টিকর্তা। লৌকিক মন্দিরে নির্মোহ পূজা; সান্ধ্যপ্রার্থনার সময় আমি তাঁর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেই। ঈশ্বর মোমবাতির মত পুড়তে থাকেন আর জন্ম দিতে থাকেন কোটি কোটি অগ্নিশিখা। আমার হাতে তখন এক গেলাস জল। জলে ডুবিয়ে অগ্নিশিখা হয় ঋদ্ধ, তারপর পান করি অপার তৃষ্ণায়। এভাবেই রোজ সাঙ্গ হয় আমার পূজা।
একদিন আমার নিজস্ব ঈশ্বর আদেশ করলেন আমাকে ঈশ্বররুপধারণে। তারপর নেমে এলো অপার্থিব অলৌকিক সন্ধ্যা। আমি পুড়ে গেলাম মোমবাতির মত, পুনর্জন্ম নিয়ে আবার পুড়লাম, বার বার পুড়লাম; আমার ঈশ্বরের পূজারীরুপ তবুও ভগ্ন হয়নি। আমি বুঝতে পারলাম, ঈশ্বর মূলত অলৌকিক ও নির্দয়।
কবিতাদের সাথে দেখা হলে মায়া লাগে। পাঠ হয় না; বোধি হয় না। টঙঘরে টুকরো কাগজে সিকিখানিক কবিতা দেখে মায়ায় পড়ে গেলাম। পকেটে নিয়ে নিলাম নিরাপদে। তারপর থেকে অজানা কবির কবিতাখানি যথেষ্ট নিরাপদ কিন্তু আমাকে বইতে হয় পকেট ভর্তি পৃথ্বীভার।
অন্ত্যজানুভূতির কাছে কখনো হাঁটু গেড়ে স্থির
ক্লান্তির কাছে হার মানা রাতে
আগ্রাসে আমায় মায়ার অমোঘ নীর...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


