আমার প্রিয় পোস্ট

টুকিটাকি ভাবনাগুলো

নেগেটিভ প্রপাগান্ডা এবং একটি মানুষের স্বপ্ন

০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৬:১৫

শেয়ারঃ
0 0 0

বোর্ড অফ ইনভেস্টমেন্টের নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং এনার্জী এডভাইজার মাহমুদুর রহমান সম্প্রতি সিপিডির [link|http://www.bangladesh-web.com/view.php?hidDate=2006-08-07&hidType=TOP&hidRecord=0000000000000000121447|

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ওয়েবলগ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৬:১৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:২৭
অতিথি বলেছেন: জানি আমিও কিছু কিছু
তবে বোকা মানুষ তো কেন যেন মনে হয়
উনাক টিভিতে একটু বেশী দেখাইয়া ফেলায় আজকাল।
সন্দেহবাতিক দেশে বাস করি তো/..........................
২. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:২৮
অতিথি বলেছেন: আমি এই লোকটাকে ভীষণ পছন্দ করি। কয়েকদিন আগে তারেক জিয়ার সাক্ষাতকার দেখলাম এনটিভিতে। সেখানে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল - আপনি দেশের জন্য নতুন কি করার কথা ভাবছেন; তার কথা শুনেও খুব ভাল লাগলো। তিনি বলেছিলেন

1. নদী ভাঙন রোধ করার জন্য উন্নত প্রযুক্তি ও এর ব্যবহার নিশ্চিত করবেন।
2. বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলাবদ্ধতা নিয়ে কাজ করবেন
3. বাংলাদেশের সীমানা বাড়াবেন
4. ক্লাস্টার গ্রাম করবেন। যেখানে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় বাড়ীঘর গুলো না থেকে একটা জাগাতে থাকবে -ফলে বিদু্যত, গ্যাস, অন্যান্য নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় সুবিধা প্রদান সহজ ও কম খরচে করা যাবে।
5. ইন্টারন্যাশনাল বড় বড় কোম্পানীগুলোর সিস্টার প্লান্ট করার জন্য এদেশে উন্মুক্ত সুবিধা দেবেন।
6. টু্যরিস্ট ভেনু্য / বিশ্বমানের এমিউজমেন্ট পার্ক তৈরী করবেন - বিশালভাবে যেটা বিদেশী পর্যটক আকর্ষণ করবে।

এমন সব কথা যা একজন দক্ষ রাজনীতিবিদের আগমনী বার্তা শুনিয়েছে। এবং আমার কাছে নতুও মনে হলো। সব প্রতিষ্ঠিত নেতাদের কথা থেকে একটু ভিন্ন লাগলো। এখন অপেক্ষায় আছি জয়ের কথা শোনার জন্য।
৩. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৭
অতিথি বলেছেন: একটু আগেই প্রথম আলোতে এই সংবাদটাই পড়ছিলাম। রেজওয়ানের মত লেখাটি পড়ে আমারও প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে লিখি না বলে কিছু লিখিনি। রেজওয়ানকে ধন্যবাদ। বিষয়টি সামনে আনায়। তবে ব্যক্তি মাহমুদুর রহমানকে না এনে, থিংক ট্যাংকদের কার্যক্রমও এ লেখার বিষয়বস্তু হতে পারতো।

মাহমুদুর রহমানের পক্ষে এই প্রথম কোনো লেখা পড়লাম। তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না তবে তার বালকসুলভ বিবৃতিতে বুঝি তিনি একগুঁয়ে ধরনের লোক। তার সততার পক্ষে আমি দাঁড়াতে পারবো না কারণ তিনি সরকারী দায়িত্ব পাওয়ার পরও সাইনপুকুর থেকে মাসোহারা নিচ্ছিলেন যা বেআইনি ও অপেশাদারসুলভ।

তার মত যোগ্য লোক বাংলাদেশে আছে কিনা এই প্রশ্ন করাটা তাকে একটু অসাধারণ গুরুত্ব দেয়ার সমান। যোগ্যতা বিষয়টা আপেক্ষিক। ড. কামাল হোসেন মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তারিতে খুব একটা যোগ্য হবেন না। বেসরকারী মুনাফামুখী প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা আর সরকারী অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রশাসন এক নয়। সংস্কৃতিই ভিন্ন। একটি ব্যবস্থাপনা অন্যটি প্রশাসন।

সরকার যদি তাকে একটি সিরামিক ইন্ডাস্ট্রি স্থাপন করে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের দায়িত্ব দিতেন তবে হয়তো তিনি অনেক বেশি দক্ষতা দেখাতে পারতেন।

সাদ্দাম যেদেশের শাসনভার চালাতে যতটুকু রক্তক্ষয় করেছে বুশ সেদেশের শাসনভার চালাতে তার চেয়ে বেশি রক্তক্ষয় করছে।

বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে মুনাফাই মূল লক্ষ। স্টেকহোলডার কম। সরকারী প্রতিষ্ঠানে বিচিত্র ধরনের স্টেকহোলডারদের বিরোধ নিষ্পত্তি করে সবার সন্তুষ্টি বজায় রাখাটাই মূল লক্ষ। এরজন্য ভালো নিগোসিয়েটর ও এ্যাডমিনিস্ট্রেটর হতে হয়।

মাহমুদুর রহমান যে এক্ষেত্রে কতটা ব্যর্থ তা সিপিডি'র নির্বাহী পরিচালকের বক্তব্য দেখে কিছুটা অনুমান করা যায়। প্রশাসনে সবার কাছে মর্যাদা বজায় রেখে কথাবার্তা বলা ও সিদ্ধান্ত দেয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাহমুদুর রহমান তার কথাবার্তায় নিজেকে খেলো করে তুলেছেন। সাইফুর রহমানের মন্তব্যগুলো রসময়, ওতে সারবত্তা আছে; মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য ও বক্তব্য হাস্যকর। আস্ফালন ও উল্লম্ফন বেশি।

ভরা কলসি এতটা বাজে না।
৪. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৯
অতিথি বলেছেন: (নয়া বোকাই ও কৌশিকের মন্তব্য পড়ার আগেই এটা লিখেছি)

একটু আগেই প্রথম আলোতে এই সংবাদটাই পড়ছিলাম। রেজওয়ানের মত লেখাটি পড়ে আমারও প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে লিখি না বলে কিছু লিখিনি। রেজওয়ানকে ধন্যবাদ। বিষয়টি সামনে আনায়। তবে ব্যক্তি মাহমুদুর রহমানকে না এনে, থিংক ট্যাংকদের কার্যক্রমও এ লেখার বিষয়বস্তু হতে পারতো।

মাহমুদুর রহমানের পক্ষে এই প্রথম কোনো লেখা পড়লাম। তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি না তবে তার বালকসুলভ বিবৃতিতে বুঝি তিনি একগুঁয়ে ধরনের লোক। তার সততার পক্ষে আমি দাঁড়াতে পারবো না কারণ তিনি সরকারী দায়িত্ব পাওয়ার পরও সাইনপুকুর থেকে মাসোহারা নিচ্ছিলেন যা বেআইনি ও অপেশাদারসুলভ।

তার মত যোগ্য লোক বাংলাদেশে আছে কিনা এই প্রশ্ন করাটা তাকে একটু অসাধারণ গুরুত্ব দেয়ার সমান। যোগ্যতা বিষয়টা আপেক্ষিক। ড. কামাল হোসেন মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তারিতে খুব একটা যোগ্য হবেন না। বেসরকারী মুনাফামুখী প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপনা আর সরকারী অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের প্রশাসন এক নয়। সংস্কৃতিই ভিন্ন। একটি ব্যবস্থাপনা অন্যটি প্রশাসন।

সরকার যদি তাকে একটি সিরামিক ইন্ডাস্ট্রি স্থাপন করে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের দায়িত্ব দিতেন তবে হয়তো তিনি অনেক বেশি দক্ষতা দেখাতে পারতেন।

সাদ্দাম যেদেশের শাসনভার চালাতে যতটুকু রক্তক্ষয় করেছে বুশ সেদেশের শাসনভার চালাতে তার চেয়ে বেশি রক্তক্ষয় করছে।

বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে মুনাফাই মূল লক্ষ। স্টেকহোলডার কম। সরকারী প্রতিষ্ঠানে বিচিত্র ধরনের স্টেকহোলডারদের বিরোধ নিষ্পত্তি করে সবার সন্তুষ্টি বজায় রাখাটাই মূল লক্ষ। এরজন্য ভালো নিগোসিয়েটর ও এ্যাডমিনিস্ট্রেটর হতে হয়।

মাহমুদুর রহমান যে এক্ষেত্রে কতটা ব্যর্থ তা সিপিডি'র নির্বাহী পরিচালকের বক্তব্য দেখে কিছুটা অনুমান করা যায়। প্রশাসনে সবার কাছে মর্যাদা বজায় রেখে কথাবার্তা বলা ও সিদ্ধান্ত দেয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাহমুদুর রহমান তার কথাবার্তায় নিজেকে খেলো করে তুলেছেন। সাইফুর রহমানের মন্তব্যগুলো রসময়, ওতে সারবত্তা আছে; মাহমুদুর রহমানের মন্তব্য ও বক্তব্য হাস্যকর। আস্ফালন ও উল্লম্ফন বেশি।

ভরা কলসি এতটা বাজে না।
৬. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৫
হিমু বলেছেন: শ্রদ্ধেয় মাহমুদুর রহমান কিন্তু দেশের প্রায় সব অর্থনীতিবিদের ওপরেই খ্যাপা। তিনি দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, আবুল বারাকাত, আতিউর রহমান, আনু মুহাম্মদ কাউকেই মৌখিক ধোলাই করতে বাকি রাখছেন না।

বিনিয়োগ, বিশেষ করে টাটার বিনিয়োগ প্রশ্নে এই ক্ষোভ একটু সশব্দে প্রকাশিত হচ্ছে। সিপিডির বিরুদ্ধে অভিযোগের পেছনেও বোধহয় আছে এই ক্রমবর্ধমান ক্ষোভের একটি ওভারশুট। সিপিডি যদি কোন ত্রুটিপূর্ণ রিপোর্ট করে, তাহলে সেই ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে একটি রিপোর্ট মিডিয়ায় প্রকাশ করলে সবার সংশয় দূর হতো। ধমকাধমকি করা ভদ্রলোকের কাজ নয়। বিশেষ করে ক্রিকেট খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আমরা আরো বেশি স্পোর্টসম্যানশিপ প্রত্যাশা করি।

আর বিনিয়োগ নিয়েও আমাদের রাজনীতিবিদদের মাইন্ডসেট সংকীর্ণতায় পূর্ণ। বিনিয়োগ কি রাজনীতির একটি হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে? [ইটালিক] আমাদের আমলে দেশে এত বিনিয়োগ এসেছে [/ইটালিক] বলে একটি সাংখ্যিক সূচক সবাইকে খিলানোই কি বিনিয়োগ আকর্ষণের মূল উদ্দেশ্য? নাকি এই বিনিয়োগ দেশের কল্যাণে আসবে এবং বিনিয়োগের সুদূরপ্রসারী প্রভাব দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ধনাত্মক প্রভাব রাখবে, সে বিবেচনাই জরুরি?
৭. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:০৭
অতিথি বলেছেন: আমি কিন্তু তার মত যোগ্য লোক আছে কিনা সেই প্রসঙে যাইনি কারন এমন খোজাটা অবান্তর । তার সাইনপুকুরের কাছ থেকে মাসোহারা পাবার ব্যাপারটায় একটা ব্যাখ্যা আমি পেয়েছি সেটা হলো যে উনাকে ছাড়া সাইনপুকুরের চলছিলনা । কিন্তু ওনাকে ছাড়তেও হয়েছে তাদের তাই ওরপ ওনার সার্ভিস কিছুদিন নিচ্ছিলেন । তার বিনিময়ে কিছু মাসোহারা দেয়া হচ্ছিল তার শ্রমের বিপক্ষে। এখন সততার ব্যাখ্যা অনেক ভাবেই দেয়া যায়। কিন্তু প্রাকটিকালী মাসিক 5 লাখ টাকার সুবিধার ছেড়ে দেশের জন্যে শুধু 50 হাজার টাকা আয় কতজন লোক দিনের পর দিন এক্সেপ্ট করবে?

আর দেশের মন্ত্রী লেভেলে কতজন এডমিনিস্ট্রেটর ও নেগোসিয়েটর আছেন ?
৮. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:১৫
অতিথি বলেছেন: হিমু আপনার বক্তব্যকে সমর্থন করছি । উনি এই টোনে কথা না বললেও পারতেন । আসলে হয়ত ওনার বক্তব্য বিশেষ রাজনৈতিক প্রভাব যুক্ত। আমি কিন্তু হাইলাইট করেছিলাম কোন কিছু দেশের বিপক্ষে যাচ্ছে কিনা । সিপিডির মত নামকরা প্রতিষ্ঠান তাদের কার্যক্রমে দেশকে প্রমোট করবেন এটিই কিন্তু সাধারন মানুষের কাম্য ।
৯. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:২২
অতিথি বলেছেন: সাঈদীর বাসার গাড়ীর ড্রাইভের সাথে কোন এক কারনে আমার পরিচয় হয়েছিলো। সেও সাঈদী সমর্্পকে খুব ভাল ধারণা রাখে আমি তাকে বললাম এই কাজগুলো (জামাতী টাইপ) সে করে কেন সে বললো এগুলো প্রপাগান্ডা!

কাছের মানুষরা জানে তা নিশ্চয় ঠিক মনে করা যায়!
১০. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:২২
অতিথি বলেছেন: হায় হিমু, আপনার মত করে কেন লিখতে পারিনা।

যাতে সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙে।
১১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:৫৩
রাকিব হাসনাত সুমন বলেছেন: শোহেইল মতাহির চৌধুরীর সঙ্গে আমিও একমত। উপদেষ্টা হয়েও যিনি প্রতিমন্ত্রীর সুবিধা নিতে কোন ভুল করেননা তার বক্তব্য নিয়ে আলোচনা করে সময় নষ্ট করা ঠিক না।
তবে সমস্যা হলো গণতন্ত্রকে বিকশিত করার জন্য কিছু ওয়াচডগ প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন। আমাদের ভঙ্গুর গণতন্ত্র যখন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও এগিয়ে যাচ্ছে তখন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না করে দায়িত্বশীল পদে থেকে নাগরিক সমাজের প্রতিষ্ঠানকে অশালীণ ভাষায় আক্রমন করা হয় তখন বুঝতে ই হবে ডাল মে কুছ কালা হ্যায়...।
তবে প্রমান না পাওয়া পর্যন্ত বলা যাবেনা যে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির নতুন টেন্ডার দেয়ার ঘটনা ফাস করা এবং টাটার কমিশন থেকে বঞ্চিত করাতেই কর্মঠ, মেধাবী, পরিশ্রমী, বিশ্বের একমাত্র দেশপ্রেমিক শ্রদ্ধেয় মাহমুদুররহমান সাহেবএতো ক্ষুদ্ধ কিনা ।
১২. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৫:৫৫
হযবরল বলেছেন: এখানে একটা বিষয় খেয়াল করতে হবে মাহমুদুর রহমান যোগ্য লোক এবং সৎ লোক,এর মানে এই নয় যে উনি যা করেন সেটাই খুব চমৎকার কাজ। বিনিয়োগ শব্দটার এখন ভুল ব্যভার আছে। তৃতীয় বিশ্বের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ মানে একবিংশ শতকের কলোনাইজেশন। এই বিষয়টা মাথায় রেখে ব্যক্তির র্কমকান্ড বিবেচনায় আনতে হবে। বিনিয়োগ বের্াড চলে মূলত দাতা গোষ্ঠির অঙ্গুলি হেলনে, সেরকম একটা সংস্থার প্রধান ব্যক্তি মানুষ হিসেবে যেরকমই হোন না কেন তাকে চলতে হবে অপরের র্নিদেশিত পথে। খুব বেশী কিছু আশা করা ভুল হবে ।
১৩. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ৯:৩৭
অতিথি বলেছেন: রেজওয়ান,
মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে আপনার ব্যক্তিগত মুল্যায়ন--কিচ্ছু বলার নেই ।
তবে দেশকে প্রমোট করা শুধু সিপিডি কেনো, আপনার আমার সবারই তো দায়িত্ব ।
আমাদের সিলেট অঞ্চলের কয়েক লক্ষ লোক জন ইংল্যান্ডে থাকে । বাংলাদেশের মানদন্ডে এরা বেশ ধনী(যদি ও ইংল্যান্ডের মানদন্ডে ফুককা!) । এরা সিলেটের অজ পাড়া গাঁয়ে কোটি টাকার বাড়ী বানায় ।
তো দেশে থাকতে আমি ও এদের গালি দিতাম । শালারা এই সব বাড়ী না বানিয়ে একটা ফ্যাক্টরী বানালে দেশের কতো উপকার হতো । নাহ দেশের প্রতি এদের কোনো কমিটমেন্ট নেই ।
দেশ থেকে বের হয়ে এলাম যখন, অনেক কিছুবোঝার সুযোগ হলো যখন- বোঝলাম অভিযোগটা কত ঠুনকো!
মানুষ তার কষ্টের টাকা বিনিয়োগ করবে, তার পর একটা টেলিফোন বা গ্যাস সংযোগ পাবার জন্য জেরবার হবে- স্থানীয় মাস্তান, সরকারী দল, পুলিশকে ঘুষ দিতে দিতে মুলধনে টান পড়বে --- কার এতো ঠেকা লাগে রে ভাই এতো হ্যপা সামলানোর?
বলতে পারেন একমাত্র সস্তা শ্রম ছাড়া বিনিয়োগ আকর্ষনের জন্য বাংলাদেশের কি প্রমোট করার আছে?
আগে তো প্রমোট করার পরিবেশ তৈরী করতে হবে । তারপর যদি কেউ নিজের দেশকে প্রমোট না করে তখন তার সমালোচনা করা যায় ।
মাহমুদুর রহমান কিছু অপ্রিয় সত্য কে স্বীকার করার সাহস দেখাতে পারেননি, যেমন পারেননা কোনো সরকারই ।
১৪. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:৩৮
অতিথি বলেছেন: সিপিডি যে গর্দভরা চালায় এইটা মাহমুদুর রহমান অবশ্য আগেও প্রমান করছেন অংক দিয়া। জ্বালানি তেলের দাম লাস্ট যখন বাড়ানো হইলো তখন মোজাফ্ফর আহমেদ না দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য কে যেন বলছিলো কেরোসিন ডিজেলের দাম না বাড়ায়া পেট্রোল অকটেনের দাম বেশী বাড়াইতে। তাদের মতে এতে জিনিসপত্রের দাম স্থিতিশীল থাকবে, চাপটা গরীবদের চাইতে অপেক্ষাকৃত ধনীদের উপর পড়বে। কিন্তু মাহমুদুর রহমানের তথ্য অনুযায়ী দেখা গেল পেট্রোল অকটেনের ব্যবহারের মাত্রা টোটাল কনজাম্পশনের মাত্র 10%। সিপিডির বাঘা বাঘা অর্থনীতিবিদরা ক্যামেরা আর মাইক্রোফোন পাইলেই যে এইসব তথ্য উপাত্ত না দেইখা মন্তব্য করেন এইটা দু:খজনক।
১৫. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:৪২
হযবরল বলেছেন: আপনে কেমনে জানলেন মাহমুদুর রহমানের তথ্যটা সঠিক।
১৬. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:৫২
অতিথি বলেছেন: হুমম। বিদ্রোহী ভাই ঠিকই ধরেছেন। সিপিডির ট্রাস্টি বোর্ডের সবাই গর্দভ। সবচেয়ে বড় গর্দভটার নাম ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস। উনি আবার গাধামি করে অনেক নাম করে ফেলেছেন। তাছাড়া ড. মোজাফফর আহমদ, দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য্য, এনারাও বিশাল বিশাল গর্দভ। গাধা না হলে কেউ অর্থনীতি পড়ে? বুদ্ধিমান লোকে তো মাহমুদুর রহমানের মতো এনজিনিয়ারিং পড়ে এমবিএ করে, তারপর জ্বালানি উপদেষ্টা হয়।

আবার পেট্রোল অকটেনের কথাই ধরেন। এগুলি মনে হয় মোটামুটি পয়সাওয়ালা লোকেরাই কিনে। ডিজেল তো লাগে বড় বড় বাস ট্রাক লঞ্চে, যেগুলি পাবলিক আর মফিজ পরিবহনে নিযুক্ত। তারপর ধরেন ডিজেল লাগে চাষীদের সেচের মৌসুমে লোলিফট পাম্প আর ডিপ টিউবওয়েলে। যেহেতু 90% ভোগ করে এই ছোটলোকের বাচ্চারা, দে এগুলির দাম বাড়ায়ে। পেট্রোল অকটেন তো নিরীহ ধনীদের ব্যবহারের জিনিস, মোটে 10%।

তারপর ধরেন তথ্য উপাত্ত না দেইখাই ইকোনোমেট্রিক হিসাব কিতাব করা। এগুলিও এই গাধা অর্থনীতিবিদগো একটা বদভ্যাস। যেমন ধরেন বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের সাথেও বিনিয়োগ বোর্ডের উপাত্ত নিয়ে ঝামেলা আছে। ব্যাঙ্ক বলেন একটা, আর রহমান সাহেব বলেন আরেকটা। কোটি কোটি ডলারের গরমিল। তবেআমরা ব্যাঙ্কের কথা বিশ্বাস করবো না। রহমান স্যার যা বলেন সেটাই সই।
১৭. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১০:৫৪
অতিথি বলেছেন: কারণ ওই ব্যাটারা পাল্টা উত্তর দেয় নাই। আর রহমানে এই সেক্টরের এডভাইজার হয়া ভুল তথ্য দিবো ক্যান? ভুল তথ্য দিলে সারা বাংলাদেশে ওইটা নিয়া আলোচনা হইতো।
১৮. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:০২
অতিথি বলেছেন: হে ... হে ... মুখফোড়! রহমানে আমার আইডল না। আমি সিপিডিরে পচাইতে চাইছি। আপনে রহমানরে পচান। আর আপনের অনেক নাম করে ফেলা ড. মোহাম্মদ ইউনুসরে আমি ইহুদী সুদখোরের চেয়ে বেশি মর্যাদা দেই না।
১৯. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:০৪
অতিথি বলেছেন: আরে রহমান স্যার আবার ভুল তথ্য দেয় ক্যামনে। ভুল তথ্য তো দেয় ঐ গাধা অর্থনীতিবিদরা। তিনকাল গিয়া এককালে ঠেকছে ব্যাটাগো। অরা পারবো রহমান স্যারের মতো ক্রিকেট খেলতে? পারবো না। আর পারলেই কি, অরা তো আর সিইও না, যে কর্মচারীরা পাত্তা দিবে। অরা বড়জোর অর্থনীতিবিদ। একটু লেখাপড়া করছে, দেশের বাইরে গিয়া কোনমতে ডক্টরেট বাগাইছে, শিক্ষকতা করে, মস্তান পালার ক্ষ্যামতা নাই ... অগো পোঁছে কে? বাদ দ্যান বিদ্রোহী ভাই এই অর্থনীতিবিদগো কথা।

উন্নয়নের আলু খাইতে চান তো রহমান স্যারের কথা শোনেন। স্যার কত হাতেপায়ে ধইরা রতন টাটারে আনছে দেশে। কইছে গ্যাস কয়লা গোবর যা লাগে দিমু, বিনিয়োগ করো দাদারা। এখন এই ব্যাটা অর্থনীতিবিদরা কী না কী হিসাব কইরা দেখছে ঐ বিনিয়োগ করলে নাকি বাংলাদেশের লস। টাটারে এখন ভাগায় দেয়। এইটা একটা কামের কাম হইলো বলেন? কোথায় গেলো আমাগো ভদ্রতা, অতিথিবাৎসল্য? দাওয়াত দিয়া জুতা মারা! আরে লস কি আমরা নতুন খাইতাছি নাকি? সেই সিমিটারের আমল থিকা শুরু কইরা এই যে মাগুরছড়া, টেংরাটিলা বড়পুকুরিয়া কাফকো ... সব জায়গাতেই তো আমরা লস খাইতাছি। আর টাটায় লস খাওয়ালেই আপনেরা কান্দেন। এইটা একটা ন্যায্য কথা, কন? মেহমানদারিও পারেন না আপনারা। আপনেগো উচিত স্যামুয়েলসনের বইখান চাবায়া খাইয়া ফেলন। কচুর অর্থনীতি শিখছেন।

আসেন ভাইসব উন্নয়নের জোয়ারে ভাসি। অর্থনীতিবিদগুলি সব মিছা কথা কয়। জয় রহমান, সে তারেক হোক, সাইফুর হোক, বা মাহমুদুর!
২০. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:১০
অতিথি বলেছেন: হ বিদ্রোহী ভাই, এইটাই তো ঐ ব্যাটার দুঃখ। একদিন হালকা দেখা সাক্ষাৎ হইছিলো। আমি আছিলাম নগণ্য ভলান্টিয়ার, আর উনি চাঁই গেস্ট। আমারে কইলো, বাজান একটু পানি খিলাও। আমি পানি আইনা দিলাম, সাথে দুইটা বাতাসা। শুধু পানি নাকি খাইতে দিতে নাই। তো, উনি বাতাসা খাইয়া পানি পিইয়া গামছা চেকের পাঞ্জাবির হাতা দিয়া মুখ মুইছা বললেন, সবই তো পাইলা জীবনেম একটা জিনিস ছাড়া। আমি কইলাম, ওস্তাদ বইলা ফালান কী পান নাই। কয়, বিদ্রোহীর স্বীকৃতি। অয় তো আমারে ইহুদি সুদখোরের চেয়ে বেশি মযর্াদা দিলো না। আমার এত চেষ্টা এত খাটনি এত দৌড়াদৌড়ি, সব বুঝি বিফলে গেলো। আমি তো ডরাইলাম। ব্যাটা বামন হয়া চান্দে আঙ্গুল দ্যায়! বিদ্রোহীর স্বীকৃতি পাওন কি এতো সোজা! কইলাম, ওস্তাদ জামাতে ঢুইকা পড়েন, দেখবেন বিদ্রোহী আপনের নামে লম্বা লম্বা গজল লিখতাছে বোলোগে। উনি বললেন, ভাইস্তা কথা মন্দ বলো নাই, তয় একটু ঝামেলা আছে। আমি বললাম, না ওস্তাদ এইটাই বিদ্রোহীর কাছ থিকা স্বীকৃতি পাওনের একমাত্র সহিহ তরিকা। নাইলে সারাজীবন আপনে ইহুদি সুদখোরই থাইকা যাইবেন, তারচে বেশি কিছু হইতে পারবেন না।
২১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১১:১৭
অতিথি বলেছেন: ঝাক্কাস হইছে মুখফোড়! ঠিক বলেছেন, বিদ্রোহীর স্বীকৃতি পাওয়া আসলেই কঠিন। দুইটা একটা মুক্তি খতম না করলে কি ওই স্বীকৃতি পাওয়া যায় বলেন?
২২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১২:৪২
অতিথি বলেছেন: সিপিডির বিরুদ্ধে মাহমুদুর রহমানের ঢালাও অভিযোগের প্রতিবাদের সাংবাদিক সম্মেলন ডেকেছিল সিপিডি আজ।
মাহমুুদুর রহমানের সব বক্তব্যের জবাব সেখানে দেয়া হয়। পড়ুন আজকের প্রথম আলোয়।

Click This Link
২৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১:১২
হিমু বলেছেন: ইয়ে, আজকে টিভিতে দেখলাম, সিপিডির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন। উনাদের দেখে কিন্তু গর্দভ মনে হয়নি। এম সাইদুজ্জামান একসময় অর্থমন্ত্রী ছিলেন, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহি ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা। উনাদের [গাঢ়] শেমলেস লায়ার [/গাঢ়] বলেছেন মাননীয় জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান। ওনারা বলেছেন, এটা খুব একটা রুচির পরিচায়ক না। মান নিয়ে মামলা মোকদ্দমাও হতে পারে। তখন আম্পায়ার কী ডিসিশন দ্যান কে জানে?
২৫. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:০৯
অতিথি বলেছেন: কোন জানি এক মন্ত্রি কইছিলো 'সিপিডি কি বাপ লাগে নাকি?'

ছুটকুট পইড়া খালি ক্যামেরার সামনে হাজির হওয়া। ফালতু।
২৬. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ৯:০৬
উৎস বলেছেন: ক্রিকেটারের স্পোর্টসম্যানশীপ - !@!11064
২৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১:৩৪
অরূপ বলেছেন: দীক্ষক আংকেল
ফাল না পাইড়া রেজওয়ান ভাইরে জাম্বাক আইনা দেন..
২৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ৩:৪৭
অতিথি বলেছেন: টাইগার বাম হইলে চলবো?
ব্যাপার টা খুবি জটিল হয়ে যাচ্ছে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫৩৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি তোমাদেরই কোন একজন ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ