আমার প্রিয় পোস্ট
- লিঙ্গাগ্র নয় , ধর্ম ঝুলছে নাকের ডগায় - আরিফ জেবতিক
- ইন্টারনেট ব্যাংকিং এ সুখবর, বাংলাদেশ এখন এলার্ট পে সাপোর্ট করে। - মিতা রহমান
- ফায়ারফক্সে বাংলা প্রবলেম---সমাধান দেওনের চেষ্টা
(সাময়িক) - চিকনমিয়া
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- একটি অফলপ্রসূ মিটিং এ অশ্বডিম্ব প্রসব এবং পরবর্তী খরানুভূতি - মেঘ
- আমার নিরন্তর মুসলমান হয়ে ওঠা - সামী মিয়াদাদ
- আমার প্রিয় কবি ১৭ তারিখে মারা গেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- এক উদ্দাম যৌবনাবতী আফ্রিকান সুন্দরীর গল্প ( শেষ পর্ব ) - আশিক হাসান
- আমরা অন্ধ হবো কেন! - মানবী
- আমার পাথুরে চোখে আলফ্রেড সরেন ঃ ঃ জন্ম জন্মান্তরের এক বীর - হযবরল
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
কান্না পাচ্ছে!
২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ ভোর ৬:২৮
সকাল বেলা খবর পেলাম আমার এক এক্স কলিগ মারা গেছে। প্রেগন্যান্ট ছিল সে, সেকেন্ড ইস্যু অক্টোবরে ডিউ। খিচুনি হচ্ছিল বলে ক্লিনিক থেকে ক্লিনিকে স্থানান্তর। শেষ ক্লিনিকটাতে কোন রকম চেষ্টাই করা হয়নি। এমনকি শুধু বাচ্চাটাকে বাচানোর কথাও তাদের মনে হয়নি। তার গাইনোকলজিষ্ট (খুবই নাম করা একজন) এভেইলেবল ছিলেন না। এই হচ্ছে আমাদের দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা। কার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনবে তার পরিবার?
ছোট একটি ফ্যামিলি ছিল তাদের। স্বামী-স্ত্রী দুজনই চাকুরে। একটি অপুর্ব কন্যা প্রায় আমার মেয়ের বয়সী। আমার পাশের কিউবিকলে বসত সে। প্রায় প্রতিদিনই বাচ্চার খবর আদান প্রদান হতো। বছর আড়াই বাচ্চাটির চেহারা মনে পরলেই কান্না পাচ্ছে।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
১. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১২:৩১
অতিথি বলেছেন:
জানিনা।
অতিথি বলেছেন:
জানিনা।
২. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:১০
অতিথি বলেছেন:
ডাঃ হিসেবে যখন এসব ঘটনা শুনি তখন নিজেকে এত ছোট লাগে !!
অতিথি বলেছেন:
ডাঃ হিসেবে যখন এসব ঘটনা শুনি তখন নিজেকে এত ছোট লাগে !!
৩. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:২৭
কালপুরুষ বলেছেন:
So Sad
কালপুরুষ বলেছেন:
So Sad
৪. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:৩৯
৫. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:৪৩
শুভ বলেছেন:
এ দেশের অধিকাংশ ডাক্তারদের আমার কাছে পশুর চেয়েও অধম মনে হয়!
2 দিনের মধ্যেকার একটা ঘটনা বলি:
অহেতুক খরচের টাকা বাবা মা দিতে পারেননি বলে, একটা ক্লিনিকের ডাক্তার সেই বাচ্চাটার একটা চোখ খুলে ফেলেছে বলে, ওই শিশুটির বাবা মা অভিযোগ করেছেন!!!
শুভ বলেছেন:
এ দেশের অধিকাংশ ডাক্তারদের আমার কাছে পশুর চেয়েও অধম মনে হয়! 2 দিনের মধ্যেকার একটা ঘটনা বলি:
অহেতুক খরচের টাকা বাবা মা দিতে পারেননি বলে, একটা ক্লিনিকের ডাক্তার সেই বাচ্চাটার একটা চোখ খুলে ফেলেছে বলে, ওই শিশুটির বাবা মা অভিযোগ করেছেন!!!
৬. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:৪৭
বকলম বলেছেন:
ডাক্তারদের যদি ডাক্তার বলা না হত...
তাহলে তাদের আর কসাইয়ের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নাই। (সব ডাক্তার না)
বকলম বলেছেন:
ডাক্তারদের যদি ডাক্তার বলা না হত...তাহলে তাদের আর কসাইয়ের মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য নাই। (সব ডাক্তার না)
৭. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:৫০
শুভ বলেছেন:
বকলম,
আমি খারাপ কাউকে কসাইয়ের সঙ্গে তুলনা করি না- কারণটা হচ্ছে, অনেক পেশার মতোই কসাইগিরিও কিন্তু একটা সৎ পেশা!
তাই এঁদের সঙ্গে খারাপ কিছুর উদাহরণ দিলে অজান্তেই একটা অন্যায় করা হয়!!
শুভ বলেছেন:
বকলম,আমি খারাপ কাউকে কসাইয়ের সঙ্গে তুলনা করি না- কারণটা হচ্ছে, অনেক পেশার মতোই কসাইগিরিও কিন্তু একটা সৎ পেশা!
তাই এঁদের সঙ্গে খারাপ কিছুর উদাহরণ দিলে অজান্তেই একটা অন্যায় করা হয়!!
৮. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৩:৪৬
অতিথি বলেছেন:
কোনো একটা নির্দিষ্ট পেশার মানুষদের প্রফেশনাল ইথিকস হঠাৎ করে আর সব পেশার পেশাজীবিদের থেকে খুব খারাপ হতে যেতে পারে, এমন ধারণা করাটা সম্ভবত: যৌক্তিক নয়।
আমার মনে হয়, বাংলাদেশের সবগুলো পেশার ক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের মানটা এরকমই।
যেহেতু ডাক্তারদের কাজের ক্ষেত্রে মানুষের মৃতু্য ঘটে সেহেতু তাদেরকে উদাহরণ হিসেবে পাওয়া যায়। ট্রাক ড্রাইভার বা মিনিবাস চালকদের কথা তখন আমরা ভুলে যাই। ভুলে যাই যে, স্বাস্থ্যসেবার যে দেশটা পিছিয়ে আছে তা নয়, এ দেশ সড়ক দুর্ঘটনায় সবচে এগিয়ে।
ফুলবাড়ির ঘটনার সাথে এবছর ঘটা আরো অন্যান্য ঘটনার কথা মনে করুন। এদেশে জনগণের বন্ধু পুলিশের গুলিতে এবছর কত লোক মারা গেছে। পুলিশ কী সেবা দিয়েছে সে প্রশ্ন নাই তুললাম।
দুর্নীতির মামলায় এরশাদ টপাটপ খালাস পেয়ে যাচ্ছেন। তিনি দুর্নীতি যদি করে নাই থাকেন, তবে মামলা করা হলো কেন? আবার এখন টপাটপ খালাস হয়ই বা কেন? বিচার বিভাগ বা দুর্নীতি দমন বু্যরোর দক্ষতা ও প্রফেশনালিজমের কি অবস্থা তাহলে?
কসাইরা নাকি মাইন্ড করে ডাক্তারদের সাথে তাদের তুলনা করলে। তাদের বক্তব্য তারা ওতটা খারাপ না। রাত 1 বা 2টায় ঢাকা শহরে বেরুলে শত শত মহিষের পাল দেখা যায়, নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কসাইখানায়। সকালে কোনো বাজারেই মহিষের মাংস পাওয়া যায় না।
প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জ থেকে আনতে গিয়ে অজস্র মুরগি মারা যায় পরিবহনের অবৈজ্ঞানিক ব্যবস্থার কারণে। সেগুলো রেস্টুরেন্ট মালিকরা দিব্যি কিনে নিচ্ছেন কম দামে।
বিক্রেতারা পেশাদার না এ হয়তো বুঝা যায়। বড় সমস্যা হচ্ছে টাকা দিয়ে কিনছে যে ক্রেতা সেও সচেতন না।
মোবাইল কোর্ট গিয়ে যে রেস্টুরেন্টকে বিষাক্ত জিনিস খাদ্যদ্রব্যে ব্যবহার করার জন্য জরিমানা করছে, পরদিনই সেই রেস্টুরেন্টে হাসতে হাসতে লাইন ধরে ঢুকছে ক্রেতারা।
কাকে দোষারোপ করবেন?
(বি: দ্র: আমি ডাক্তার নই। সুতরাং আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো চেষ্টা করিনি। একে বরং রেজওয়ানের প্রতি সহমর্মিতা ও আত্মসমালোচনাই বলা যায়।)
অতিথি বলেছেন:
কোনো একটা নির্দিষ্ট পেশার মানুষদের প্রফেশনাল ইথিকস হঠাৎ করে আর সব পেশার পেশাজীবিদের থেকে খুব খারাপ হতে যেতে পারে, এমন ধারণা করাটা সম্ভবত: যৌক্তিক নয়। আমার মনে হয়, বাংলাদেশের সবগুলো পেশার ক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের মানটা এরকমই।
যেহেতু ডাক্তারদের কাজের ক্ষেত্রে মানুষের মৃতু্য ঘটে সেহেতু তাদেরকে উদাহরণ হিসেবে পাওয়া যায়। ট্রাক ড্রাইভার বা মিনিবাস চালকদের কথা তখন আমরা ভুলে যাই। ভুলে যাই যে, স্বাস্থ্যসেবার যে দেশটা পিছিয়ে আছে তা নয়, এ দেশ সড়ক দুর্ঘটনায় সবচে এগিয়ে।
ফুলবাড়ির ঘটনার সাথে এবছর ঘটা আরো অন্যান্য ঘটনার কথা মনে করুন। এদেশে জনগণের বন্ধু পুলিশের গুলিতে এবছর কত লোক মারা গেছে। পুলিশ কী সেবা দিয়েছে সে প্রশ্ন নাই তুললাম।
দুর্নীতির মামলায় এরশাদ টপাটপ খালাস পেয়ে যাচ্ছেন। তিনি দুর্নীতি যদি করে নাই থাকেন, তবে মামলা করা হলো কেন? আবার এখন টপাটপ খালাস হয়ই বা কেন? বিচার বিভাগ বা দুর্নীতি দমন বু্যরোর দক্ষতা ও প্রফেশনালিজমের কি অবস্থা তাহলে?
কসাইরা নাকি মাইন্ড করে ডাক্তারদের সাথে তাদের তুলনা করলে। তাদের বক্তব্য তারা ওতটা খারাপ না। রাত 1 বা 2টায় ঢাকা শহরে বেরুলে শত শত মহিষের পাল দেখা যায়, নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কসাইখানায়। সকালে কোনো বাজারেই মহিষের মাংস পাওয়া যায় না।
প্রত্যন্ত গ্রাম-গঞ্জ থেকে আনতে গিয়ে অজস্র মুরগি মারা যায় পরিবহনের অবৈজ্ঞানিক ব্যবস্থার কারণে। সেগুলো রেস্টুরেন্ট মালিকরা দিব্যি কিনে নিচ্ছেন কম দামে।
বিক্রেতারা পেশাদার না এ হয়তো বুঝা যায়। বড় সমস্যা হচ্ছে টাকা দিয়ে কিনছে যে ক্রেতা সেও সচেতন না।
মোবাইল কোর্ট গিয়ে যে রেস্টুরেন্টকে বিষাক্ত জিনিস খাদ্যদ্রব্যে ব্যবহার করার জন্য জরিমানা করছে, পরদিনই সেই রেস্টুরেন্টে হাসতে হাসতে লাইন ধরে ঢুকছে ক্রেতারা।
কাকে দোষারোপ করবেন?
(বি: দ্র: আমি ডাক্তার নই। সুতরাং আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো চেষ্টা করিনি। একে বরং রেজওয়ানের প্রতি সহমর্মিতা ও আত্মসমালোচনাই বলা যায়।)
৯. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:১০
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে।
আসলে আমি কিন্তু শুধু ডাক্তারদের বিপক্ষে নয় আঙুল তুলেছি গোটা সিষ্টেমের বিরুদ্ধে। এদেশে হেলথ ইনসুরেনস নেই, ক্লিনিকদের মান নেই, আছে চিকিৎসায় টাকার খেলা ও বৈষম্য। অন্য উন্নত দেশের মত ডাক্তারদের ভুলের জন্যে জবাবদিহীতা নেই (অপারেশনের আগে কি সব কাগজে সাইন করিয়ে নেয় )।
কবে যে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে!
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে। আসলে আমি কিন্তু শুধু ডাক্তারদের বিপক্ষে নয় আঙুল তুলেছি গোটা সিষ্টেমের বিরুদ্ধে। এদেশে হেলথ ইনসুরেনস নেই, ক্লিনিকদের মান নেই, আছে চিকিৎসায় টাকার খেলা ও বৈষম্য। অন্য উন্নত দেশের মত ডাক্তারদের ভুলের জন্যে জবাবদিহীতা নেই (অপারেশনের আগে কি সব কাগজে সাইন করিয়ে নেয় )।
কবে যে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে!
১০. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:১৬
অতিথি বলেছেন:
কবে??
অতিথি বলেছেন:
কবে??
১১. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:১৯
অতিথি বলেছেন:
ক্লিনিকের নাম আর ডাক্তারের নামটা জানাইবেন? হুমকি ধামকি দিমু না। খালি জাননের ইচ্ছা।
অতিথি বলেছেন:
ক্লিনিকের নাম আর ডাক্তারের নামটা জানাইবেন? হুমকি ধামকি দিমু না। খালি জাননের ইচ্ছা।
১২. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:২৫
১৩. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৪:৩৭
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ রেজওয়ান কে। ডাঃ হিসৈবে ওনাকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার।উনি অনেক জানেন কিনতু এতো বেশী রোগী দেখেন যে কাউকে অতটা সময় কখনই দেন না।তারপরও রোগীরা ওনাকে দেখানোর জন্য লাইন দিয়ে থাকে।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ রেজওয়ান কে। ডাঃ হিসৈবে ওনাকে খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে আমার।উনি অনেক জানেন কিনতু এতো বেশী রোগী দেখেন যে কাউকে অতটা সময় কখনই দেন না।তারপরও রোগীরা ওনাকে দেখানোর জন্য লাইন দিয়ে থাকে।
১৪. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৫:৫২
ঝরা পাতা বলেছেন:
খুব কষ্ট, খুব।
ঝরা পাতা বলেছেন:
খুব কষ্ট, খুব।
১৫. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৩৬
অতিথি বলেছেন:
লেখাটা পড়ে খুব কষ্ট লাগছে। ওহ
অতিথি বলেছেন:
লেখাটা পড়ে খুব কষ্ট লাগছে। ওহ
১৬. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮
অতিথি বলেছেন:
নিজের পেশার লোকদের এরকম আচরণ এবং ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক লাগছে। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে এটাই চরম সত্য, লজ্জাষ্কর অব্যবস্থা। বিলডিং ধ্বসে মারা যাচ্ছে মানুষ, চিকিৎসকদের অব্যবস্থাপনায়, রাস্তা-ঘাটেও দেদারছে মরছে মানুষ!
দুর্নীতি, কুশাসন গ্রাস করছে দেশটাকে।
অতিথি বলেছেন:
নিজের পেশার লোকদের এরকম আচরণ এবং ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক লাগছে। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে এটাই চরম সত্য, লজ্জাষ্কর অব্যবস্থা। বিলডিং ধ্বসে মারা যাচ্ছে মানুষ, চিকিৎসকদের অব্যবস্থাপনায়, রাস্তা-ঘাটেও দেদারছে মরছে মানুষ!দুর্নীতি, কুশাসন গ্রাস করছে দেশটাকে।
১৭. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ৯:৪৭
১৮. ৩০ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:২২



















