আমার প্রিয় পোস্ট

টুকিটাকি ভাবনাগুলো

আমাদের বাংলাদেশ ফিরিয়ে দাও: নিরব প্রতিবাদ

২১ শে নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৪৮

শেয়ারঃ
0 0 0

একটি সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনে অংশগ্রহনের অধিকার বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের রয়েছে। একদিকে নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমের উপর জনগন আস্থা হারিয়েছেন অপরদিকে 14 দলের বর্তমান অবরোধ কার্যক্রমে জনগন অতিষ্ট। 4 দলের ক্রমাগত উস্কানিমুলক মনোভাবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি সংঘাতময় হয়ে উঠেছে। কেউই জনগনের জন্য কিছু ছাড় দিতে ইচ্ছুক নয়। সবাই নিজের তালগাছ অাঁকড়ে ধরে আছে।

এ অবস্থায় সাধারন জনগনের কি করবার আছে? আমাদের চুপ করে থাকলে চলবেনা। সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমাদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

1969-71 সালের সেই দিনগুলোতে বুকে বা হাতে একটি আয়তাকার কালো ব্যাজ ধারন করা পাকিস্তানী বৈষম্যমুলক শাষন ও নিপীঢ়নের বিপক্ষে একটি বলিষ্ঠ প্রতিবাদ ছিল। রাজনৈতিক অরাজনৈতিক প্রায় সবাই এটি পড়ত এবং তখন এটি বাঙালীদের অধিকার আদায়ের একটি প্রতীকি প্রতিবাদ হয়ে গিয়েছিল।

আসুন আমরা সবাই এরকম একটি কালো ব্যাজ পড়া শুরু করি। প্রদর্শন করুন আপনার কালো ব্যাজ বুকে বা হাতে, অথবা উঠান কালো ফ্লাগ বাড়ীর ছাদে। প্রতিরোধ করুন প্রহসনমুলক নির্বাচনের প্রচেষ্টা এবং প্রতিবাদ করুন আপনার নামে জায়েজ করতে চাওয়া সহিংসা ও অবরোধের ডাক। দেখান দলমত নির্বিশেষে আমরা সবাই এতে একমত।

বাংলাদেশের ভবিষ্যতে আপনিও ভুমিকা রাখুন। সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করুন।

 

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১:১৫
অতিথি বলেছেন: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারণাটা এসেছিলো যাতে ক্ষমতায় থেকে কেউ নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে না পারে।
বাংলাদেশের ক্ষমতাসীনরা, (মূলত: ক্যান্টনমেন্ট থেকে জন্ম নেয়া দলগুলো এই রীতির স্রষ্টা) কিভাবে বিভিন্ন চাতুরীর সাথে নির্বাচন করা যায় সে বিষয়ে বিশ্বব্যাপী সুনাম অর্জন করেছেন।

এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরও নির্বাচনে যদি সেই অশুভ প্রক্রিয়া বহাল থাকে তবে সে নির্বাচন হয়েই বা কি লাভ? এমনিতেই আমাদের দেশে নির্বাচন পদ্ধতির নানা ত্রুটির কারণে মাফিয়া আর গডফাদাররাই বিজয়ী হয়ে বের হয়ে আসেন। সুতরাং নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সঠিক না করে, চারদলের সাজানো ছক থেকে বের না হয়ে, নির্বাচনে যাওয়ার কোনো মানে হয় না।
গত সরকারের আমলে দেশের মানুষ এক অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে সময় কাটিয়েছে। অবরোধে দিন দিন উল্লসিত জনগণের অংশগ্রহণ তাই প্রকাশ করে।
গত সরকারের মন্ত্রীরা পর্যন্ত দল ত্যাগ করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।
রাজনৈতিক পদ্ধতিকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সংশোধন করার সুযোগ করে দিতে হবে। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে আপাত: দৃষ্টিতে যে নৈরাজ্য হয়েছে বলে মনে হয়েছে তার বিনিময়ে আমরা একটি বিষয় নিশ্চিত করতে পেরেছি যে সরকারী ক্ষমতা সশস্ত্রবাহিনীর কোনো সম্পত্তি না। এবারের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া তেও আমরা অনেক অনেক কিছু অর্জন করবো। যা ভবিষ্যতে আমাদের শাসনব্যবস্থার জন্য সুফল বয়ে আনবে।

তবে প্রসববেদনায় ভয় পেলে সন্তানের জন্ম হবে কি করে?
২. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ২:১৮
অতিথি বলেছেন: শুভ উদ্যোগ রিজওয়ান ।
যদি ও অবস্থান গত ব্যর্থতায় ব্যক্তি আমি অথর্ব-- কিছুই করতে পারছিনা ।

স হমত@শোমচৌ...
[গাঢ়]
বিপ্লব মানে ধ্বংস নয়, সৃষ্টির প্রসব বেদনা মাত্র :)
[/গাঢ়]
৩. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ২:৩৮
অতিথি বলেছেন: নীরবের সাথে সরব প্রতিবাদও প্রয়োজন। সরব বললেই আবার অনেকে অসভ্য প্রতিবাদ বুঝে ফেলেন, কারন সেটাই আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি।

কিন্তু সভ্য সরব প্রতিবাদ আসতে পারে অরাজনৈতিক, সচেতন এ্যাক্টিভিস্টদের কাছ থেকে। নতুন প্রজন্মের মাধ্যমে খুব ক্ষুদ্র আকারে হলেও সচেতনতা মূলক সিটিজেন গ্রুপ করা যেতে পারে। যারা সত্যিকারের পিপলস ভয়েস হিসেবে কাজ করবে।

এখন একজন সাধারন রিক্সাচালকেও রাজনৈতিক সচেতনতা অনেক বেশি। সেইখানে স্কুল, কলেজ বা ইউনিতে পড়া মানুষগুলোর সচেতনতা থেকে বেশ বড় সড় রিপল তৈরী করা সম্ভব।

অন্তত এতে কেবল রাজনৈতিকের বিপরীতে পালটা রাজনৈতিক না; রাজনৈতিক কুৎসিত আচরনের বিপরীতে সভ্য অরাজনৈতিক ভাষার একটা ধারা তৈরী হলেও হতে পারে।
৪. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৩০
অতিথি বলেছেন: ....বৃষ্টি নামুক বঙ্গভবনে, নির্বাচন কমিশনে....
৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৪২
অতিথি বলেছেন: কালো ব্যাজ পরিধান করলাম। কিন্তু - বাংলাদেশে যে যত বড় পজিশনে যায় - সে তত ছোটলোক হয় এটা প্রমানিত হচ্ছে দিনদিন। কোন পার্টি জনগনের জন্য রাজনীতি করে না। এরা স্রেফ নিজেদের জন্য বেঁচে থাকে।
এরশাদের মত একটা বিশ্ববেহায়া
খালেদা জিয়ার মত একটা কাজের বুয়া হবার অনুপযুক্ত মহিলা
শেখহাসিনার মত বদ্ধ মাতাল
নিজামীর মত আস্তগোয়ার
এই আমাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত, যাদের মুখে বাঙালী এখন প্রতিদিন গ্যালন গ্যালন পেশাব করছে, তাও কি মহানন্দে পান করে যাচ্ছে!
৬. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৫৮
অতিথি বলেছেন: আমি তো পোষ্ট দিয়ে ঘৃনা প্রকাশ করছি ... দেশটার মধ্যে কি যে শুরু হইলো ...
৭. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৩৯
সুর বাংলা বলেছেন: "আলীগ" 2001এর ইলেকসনে তসপ্র, প্রনিক ও অন্যান্য হাজার হাজার পদে দলীয় সমর্থক ও সহমর্মীদের কিভাবে বসিয়েচিলো হেইডা কি আবালেরা ভুইলঅ গেচে @ শোমো ?

কোন সুময়ের বালাদেশ ফেরত চাই? 1971, 1972,1973,..........................? @ রেজু
৮. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:২২
অতিথি বলেছেন: আমি কয়েকদিন যাবৎ পোষ্ট লেইখা প্রতিবাদ জানাচ্ছি ... আর অপেক্ষায় আছি সুদিনের।
৯. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৪৯
পথিক!!!!!!! বলেছেন: আমার সবাই তো সুন্দর বুঝি, সুন্দর মন্তব্য দেই....দেশের অধিকাংশ ও তাই মনে হয়। ...তারপরও অন্যায় ই জয়ী ...
কি যে করি ?
১০. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:১৬
মদন বলেছেন: নির্বাচনে হারলে কয় কারচুপি আর জিতলে ফেয়ার।
অবরোধে বৈঠা দিয়ে পিঠিয়ে খুচিয়ে মানুষ মারাকে বলে জনগনের প্রতিবাদ।
অফিস ফেরত নিরিহ জনগনের উপর বোমা মেরে বলে গনআন্দোলন।

রাজনৈতিক দলগুলো দেশকে মনে করে নিজেদের সম্পত্তি। আর তাই বারবার হুংকার দেয় দেশ অচল করে দেবার।

জনগনের পাছায় বাশ দিয়ে বলে জনগন আমাদের সাথে আছে।

কিছু জ্ঞান পাপী আছে যারা এদেরই লেজুড়বৃত্তি করে অপর দলের সমালোচনা করে।

মানুষের মল আপনি যেদিক থেকেই দেখুন- একই।

রাজনৈতক দল যেই হোক না কেন, একই।

বিএনপিতে ভর করেছে জামায়াত রাজাকার আর আওয়ামীলীগে ভর করেছে ইসলামী ঐক্যজোট, ইনকিলাবসহ হাজারো রাজাকার।

বেজন্মা রাজনৈতিক দল আর জারজ বাংলাদেশের রাজনীতি।
(রুঢ় ভাষার জন্য ক্ষমা প্রার্থী)
১১. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:১৭
অতিথি বলেছেন: সুর বাংলা, 16ই ডিসেম্বর 1971 হলে কেমন হয়? যখন আর যাই হোক ভিন্ন মতের জন্যে লোকজন অপরের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রকাশ করত না আর নাম বিকৃত করত না।

১২. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:১৮
অতিথি বলেছেন: মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন...
১৩. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৩৯
মিথিলা তালুকদার বলেছেন: আমরা আম জনতা............... আমাদের কথা কেউ শুনবে না................
১৪. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৪৭
নাজিরুল হক বলেছেন: 2001সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনা ভোট প্রদান করে এসে বলেছিলেন, নির্বাচন সুষ্ট হয়েছে।
যখন হেরে গেল বললো সুক্ষ কারচুপি হয়েছে।
আসলে এমনই এই নির্বাচনে যেই জয়ী হোক পরাজিতরা বলবে নির্বাচনে কারপুপি হয়েছে।

কালো পতাকা লাগালে রাচনৈতিক নেতাদের কিছু আসবে বা যাবে না।
১৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৫৫
মদন বলেছেন: নেতারা আমজনতাকে ভাবে অবুঝ। তাদের যা খুশি তাই করে। আর ভাবে জনগন তো কিছুই বুঝছে না।

নিজের স্বার্থে জনগনকে ব্যবহার করে এখন চাপাই এর গোলাম রব্বানী আওয়ামীলীগের নমিনেশন প্রার্থী।
2টা মন্ত্রী সরকারে থেকে জামায়াত মনে করছিল তারা দেশ কিনে নিয়েছে।
সব কিছুর একটা চুড়ান্ত রুপ আছে।
১৬. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৫৮
মদন বলেছেন: গনতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে কলংকিত করারজন্য তত্তাবধায়কের আমদানী।
এ যেন মাথা ব্যথা তাই মাথা কেটে ফেলা। গনতান্ত্রিক দেশে গনতন্ত্রের উন্নয়ন দরকার তত্তাবধায়কের মতো অগনতান্ত্রিক পদ্ধতি দিয়ে কখনও গনতান্ত্রিক নির্বাচন হয়না।

মদের মধ্যে গোলাবজল মিশালেই মদ হালাল হয়না।
১৭. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০২
এফ আই দীপু বলেছেন: দেশের সাধারন জনগন আছে নাকি আবার? সবাইতো আ'লীগ, বিএনপি, জামায়াত কিংবা জাপা। এরা অসাধারন লোক। জনগন এদেশে নাই। আর কোনোদিন এদেশে জনগনের জন্ম হইবোনা।
১৮. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৬
নাজিরুল হক বলেছেন: যেসব দেশে তত্তাবধায়ক সরকার ব্যাবস্তা নেই সে সব দেশে যখন রোলিং পার্টির অধিনেই নির্বাচন হয় তখন ও তো এত নিরপেক্ষতার প্রশ্ন উঠে না।
১৯. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৮
এফ আই দীপু বলেছেন: ক্ষমতা, রাজপথ দখল, দেশ দখল, লাঠি বৈঠা, পিস্তল, অবরোধ, চেয়ার দখল ................ আচ্ছা মলের রং কেমন?

সকাল থেকে হিসাব কষছি রিক্সা ভাড়া, দর কষাকষি, অফিসের তাড়া, বসের কড়া কথা, অফিস শেষে বাসায় ফেরা, আবার রিক্সা, দরকাষাকষি, পারিবারিক কাজ, পরের দিনের প্ল্যানিং ....... আজিজ কিংবা রাজনীতি নিয়ে ভাববো কখন?

আচ্ছা, আমি কী জীবন নিয়ে বাসায় ফিরতে পারবো??
২০. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৮
অতিথি বলেছেন: সব শোষকের এক রং।
আজিজের বিদায় জরুরী,

তারপরও আওয়ামী লীগের কাছে ভাল কিছুর প্রতা্যাশা বৃথা। আমরা রয়ে যাব সেই তিমিরেই, যেখানে এতোদিন ছিলাম।

সহমত রেজওয়ান....
২১. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৮
মদন বলেছেন: গনতান্ত্রিক দেশে অগন্তান্ত্রিক সরকারের হাতে নির্বাচন কিভাবে গনতান্ত্রিক হয়?
২২. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১৩
নাজিরুল হক বলেছেন: এভাবে বিতর্কিত হলে এ নিরপেক্ষ নামের তত্তাবধায়ক সরকার ব্যাবস্তার প্রয়োজন নেই।

তঅরন্দাজ সাথে সহমত।
২৩. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১৪
নাজিরুল হক বলেছেন: সরি বানান ভুল হয়েছে< হবে তীরন্দাজ।
২৪. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১৬
মদন বলেছেন: আজিজ গেলে লাভ কি????????
অনেক আজিজ লাইন ধরে আছে
আমার মনে হয় বিএনপি আবার আওয়ামীলীগকে কুটচালে হারিয়ে দিল। মাঝে থেকে আমাদের মাথায় হাত
২৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:২৯
অতিথি বলেছেন: রাজনৈতিক দলগুলোর নিজেদের যে কোন দাবিকে জনগনের দাবি বলে চালিয়ে দেয় । আর আমরা এই দলগুলোকে নিয়ে নাচানাচি করি । এমনকি এক দলের লোককে অন্য দলের লোকেরা মেরে ফেললেও আমরা যুক্তি এনে দাড়া করাই । সত্যিই দুঃখজনক । এসব হতে মুক্ত না হতে পারলে সত্যিকারের গনতন্ত্র আসবে না কোনদিনও, দূর্নীতিমুক্ততো হবেই না ।
এটা আমার বিশ্বাস ।
২৬. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৭
অতিথি বলেছেন: রেজওয়ান আপনি বলছেন "ইসির কার্যক্রমে জনগন আস্থা হারিয়েছে"। দয়া করে কি আমাকে কি জানাতে পারেন কত ভাগ জনগন আস্থা হারিয়েছে? নাকি আপনি বলতে চাচ্ছেন যারা আওয়ামী লীগ করে তারাই একমাত্র জনগন! আবার বলেছেন "প্রহসনমূলক নির্বাচন প্রতিহত করতে" আপনার কাছে কেন এটা প্রহসনমূলক নির্বাচন মনে হচ্ছে? একজনের অপসারনের একটি অযৌক্তিক দাবিকে সম্বলিত করে আপনি এটাকে প্রহসনমূলক বলছেন নাকি বুঝতে পারছেন আওয়ামী লীগের পাসের সম্ভবনা কম তাই?

মুজিবুর রহমান সাহেবর কথা মতো (71 এ) সবাই লাঠিশোঠা নিয়ে মানুষ বেড়িয়ে এসেছিলো যুদ্ধের জন্য কথাটি একেবারে মিথ্যা নয় কিন্তু তার কন্যার কথায় লগি বৌঠা নিয়ে মানুষের মাঝে আতংক তৈরী করে যুদ্ধ করবেন এটার কি কোন যৌক্তিক ব্যাখ্যা আছে?

কোন মানুষটা নিরপেক্ষ? এর কি কোন জবাব আছে? আওয়ামী লীগের মনের মতো মানুষ কি নিরপেক্ষ? স্বংয় তোফায়েল আহমেদকেও যদি তত্তাবধায়ক সরকার প্রধান করা হয় পরের দিনি বঙ্গবন্ধু কণ্যা বলবেন "বেটা নিরপেক্ষ না, আমার কথা মতো চলে না"।

সেলফ কন্ট্রাডিকশন পাচ্ছি আপনার লেখায়। আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে নিজেদের চিন্তা জনগনের নামে চালানো। অথচ আপনি বলতে পারতেন আওয়ামী বা 14 দলের রাজনীতিবীদদের আস্থা হারিয়েছেন। ধরলাম ইসি পরিবর্তন করা হলো এবং আওয়ামী লীগের নির্দেশিত ব্যাক্তিকে অধিষ্ঠিত করা হলো, তখন কি 4 দল বলার রাইট থাকেনা যে ইসি নিরপেক্ষ নয় বা প্রহসনমূলক নির্বাচন হতে দিবো না। তারাতো এখন ক্ষমতায়া নেই, ঠিকনা? ভোটকি শুধুমাত্র তত্তাবধায়ক সরকার তার উপদেশটা এবং ইসিই দিবেন নাকি জনগন দিবেন? আর যদি বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের বরাত দিয়ে কথা বলেন যে তারাও মনে করছেন এই ইসির আন্ডারে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভবন নয়। তবে বলতে হয় তারা বাংলাদেশকে বটম ল্যাস বাসকেটও বলেছিলো।

তবে এবার আওয়ামী লীগ দ্্বারা যেভাবে তত্তাবধায়ক সরকারকে বির্তকিত করা হলো তাতে কোন ব্যাক্তিত্ব্য সম্বলিত কেউ তত্তাবধায়ক সরকার হতে চাবেন না। আর এটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে ডেমোক্রেসি প্র্যাকটিসের জন্য কতো বড় বাধা সৃষ্টি করলো বুঝতে পারছেন?

আমার মনে হয় সেনাবাহিনীর চেয়ে নিরপেক্ষ কেউ হতে পারবেনা। নতুন আইন যদি করতেই হয় তবে সেনাবাহিনী প্রধানকে তত্তাবধায়ক সরকার প্রধান করা হোক। আশা করি আপনি আওয়ামী লীগের মতো অবুঝ বা অযৌক্তিক নন।

পোষ্টের বক্তব্য কি বলছে বা কি বোঝাতে চাওয়া হচ্ছে তা সকলে যে বুঝতে পারে এতোটুকুতো আপনি বুঝতে পারেন? নাকি আমি আমি ভুল বললাম।
২৭. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৮
অতিথি বলেছেন: রেজওয়ান আপনি বলছেন "ইসির কার্যক্রমে জনগন আস্থা হারিয়েছে"। দয়া করে কি আমাকে কি জানাতে পারেন কত ভাগ জনগন আস্থা হারিয়েছে? নাকি আপনি বলতে চাচ্ছেন যারা আওয়ামী লীগ করে তারাই একমাত্র জনগন! আবার বলেছেন "প্রহসনমূলক নির্বাচন প্রতিহত করতে" আপনার কাছে কেন এটা প্রহসনমূলক নির্বাচন মনে হচ্ছে? একজনের অপসারনের একটি অযৌক্তিক দাবিকে সম্বলিত করে আপনি এটাকে প্রহসনমূলক বলছেন নাকি বুঝতে পারছেন আওয়ামী লীগের পাসের সম্ভবনা কম তাই?

মুজিবুর রহমান সাহেবর কথা মতো (71 এ) সবাই লাঠিশোঠা নিয়ে মানুষ বেড়িয়ে এসেছিলো যুদ্ধের জন্য কথাটি একেবারে মিথ্যা নয় কিন্তু তার কন্যার কথায় লগি বৌঠা নিয়ে মানুষের মাঝে আতংক তৈরী করে যুদ্ধ করবেন এটার কি কোন যৌক্তিক ব্যাখ্যা আছে?

কোন মানুষটা নিরপেক্ষ? এর কি কোন জবাব আছে? আওয়ামী লীগের মনের মতো মানুষ কি নিরপেক্ষ? স্বংয় তোফায়েল আহমেদকেও যদি তত্তাবধায়ক সরকার প্রধান করা হয় পরের দিনি বঙ্গবন্ধু কণ্যা বলবেন "বেটা নিরপেক্ষ না, আমার কথা মতো চলে না"।

সেলফ কন্ট্রাডিকশন পাচ্ছি আপনার লেখায়। আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে নিজেদের চিন্তা জনগনের নামে চালানো। অথচ আপনি বলতে পারতেন আওয়ামী বা 14 দলের রাজনীতিবীদদের আস্থা হারিয়েছেন। ধরলাম ইসি পরিবর্তন করা হলো এবং আওয়ামী লীগের নির্দেশিত ব্যাক্তিকে অধিষ্ঠিত করা হলো, তখন কি 4 দল বলার রাইট থাকেনা যে ইসি নিরপেক্ষ নয় বা প্রহসনমূলক নির্বাচন হতে দিবো না। তারাতো এখন ক্ষমতায়া নেই, ঠিকনা? ভোটকি শুধুমাত্র তত্তাবধায়ক সরকার তার উপদেশটা এবং ইসিই দিবেন নাকি জনগন দিবেন? আর যদি বিদেশী রাষ্ট্রদূতদের বরাত দিয়ে কথা বলেন যে তারাও মনে করছেন এই ইসির আন্ডারে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভবন নয়। তবে বলতে হয় তারা বাংলাদেশকে বটম ল্যাস বাসকেটও বলেছিলো।

তবে এবার আওয়ামী লীগ দ্্বারা যেভাবে তত্তাবধায়ক সরকারকে বির্তকিত করা হলো তাতে কোন ব্যাক্তিত্ব্য সম্বলিত কেউ তত্তাবধায়ক সরকার হতে চাবেন না। আর এটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে ডেমোক্রেসি প্র্যাকটিসের জন্য কতো বড় বাধা সৃষ্টি করলো বুঝতে পারছেন?

আমার মনে হয় সেনাবাহিনীর চেয়ে নিরপেক্ষ কেউ হতে পারবেনা। নতুন আইন যদি করতেই হয় তবে সেনাবাহিনী প্রধানকে তত্তাবধায়ক সরকার প্রধান করা হোক। আশা করি আপনি আওয়ামী লীগের মতো অবুঝ বা অযৌক্তিক নন।

পোষ্টের বক্তব্য কি বলছে বা কি বোঝাতে চাওয়া হচ্ছে তা সকলে যে বুঝতে পারে এতোটুকুতো আপনি বুঝতে পারেন? নাকি আমি আমি ভুল বললাম।
২৮. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০০
অতিথি বলেছেন: আবার জিগায় !!!
২৯. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৬
অতিথি বলেছেন: রেজওয়ান,
দুঃখিত আপনাকে ধন্যবাদ দিতে ভুলে গিয়েছিলাম । আমরা সত্যিই ফেয়ার ইলেকশান চাই, সেজন্য ফেয়ার প্রর্থী চাই, ফেয়ার ভোটার চাই, ফেয়ার নির্বাচনী ব্যবস্থা চাই । আমাদের কি তা আছে ? অসৎ ব্যবসায়ী , অসৎ উকিল, অসৎ অবঃ, অসৎ আমলা, অসৎ সাংবাদিকরা পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাকে নষ্ট করে ফেলেছে ।
আমরা অবস্থার থেকে মুক্তি চাই ।
ব্যলট পেপারে না ভোট দিবার অপশান চাই ।
৩০. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৩৭
অতিথি বলেছেন: বাসার ভাই, আমাকে চাওয়ার জন্য আপনাকে অভিনন্দন!!! ; )
৩১. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:১৫
অতিথি বলেছেন: দীপু ভাই:
এত সহজে হাল ছেড়ে দিলে হবে? আপনি আপনার অধিকার ছাড়বেন কেন?

মিথিলা:
আপনি বলা শুরু করেন দেখেন আরও দশজনের একই মত। দলমত যাই সমর্থন করি আমরাতো এক দেশেরই না? এবং যখন সেটা দশের মত হবে তখন অবশ্যই গর্জন শোনা যাবে।


মুক্তি:
আপনি ঠিকই বলেছেন "আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে নিজের চিন্তা জনগনের নামে চালানো"।

এই যেমন ইসির লক্ষ লক্ষ ভুয়া ভোটার অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নিস্ক্রিয়তা অথবা আজিজকে বসানোর জন্যে বিচারকদের বয়স বাড়ানো। ইলেকশন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ আপনি ফু দিয়ে উড়িয়ে দিচ্ছেন। আপনি তো প্রমান করছেন আওয়ামী লীগের মত আপনার পছন্দের দল(রা)ও এতই মরিয়া যে ক্ষমতার জন্যে যে যে কোন ভাবে ইলেকশন ইনিজনিয়ারিং করতে তারা বদ্ধ পরিকর।

কেন জনগনকে এত ভয় আপনাদের। আমি বিশ্বাস করি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে এবং মার্কা না দেখে লোক দেখে (যে দলেরই হোক) ভোট দেয়ার পরিবেশ হলে জনগন কখনও ভুল করবে না।

আপনি হয়ত নিস্ক্রিয় থাকতে চান। কিন্তু জনগনকে জাগতে দিন। একদিন সময় আসবে রাজণীতিবিদদের এইসব ভন্ডামি জনগন পাই পাই করে মেটাবে।

আর সেনাবাহীনির শাষন কখনও দেশের জন্যে কল্যান বয়ে আনে না।

মদন: এই জন্যেই দাবী হচ্ছে আমাদের ভোটের অধিকার এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন। এইবার আমরা নির্বাচন করব পছন্দসই লোক। আর মার্কা দেখে ভোট নয়। এবং হারলেই কারচুপি হয়েছে এমন মনোভাবের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

বাসার:
এইত আসল স্পিরিট।
৩২. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:২৪
সাদাত শাহরিয়ার বলেছেন: কি আর করা! আমাদের রাজনীতিতে যে কোন নীতিই নেই!
৩৩. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৩৩
অতিথি বলেছেন: কাল ব্যাজ ধারণ করে নিরব প্রতিবাদ করে কি এই দেশে কোন দাবী কখনো আদায় হয়েছে? অন্তত একটা উদাহরণ দিতে পারবেন কেউ? প্রয়াত শামস কিবরিয়ার স্ত্রী যে শান্তির পক্ষে নিলীমা আন্দোলন চালাচ্ছেন কিবরিয়ার খুনীদের বিচারের দাবীতে - আমারতো মনে হয় এরকম নীরব প্রতিবাদে এই দাবী কেয়ামত পর্যন্তও কেউ শোনবে না।

আর মুক্তি জানতে চেয়েছেন - বর্তমান ইসি কতভাগ মানুষের আস্থা হারিয়েছে। আপনার কথায় মনে হচ্ছে - ইসি গঠনের জন্যও একটা ভোটের দরকার। কিন্তু আপনি ভুলে যাবেন না যে নির্বাচন পরিচালনায় ইসি'র ভুমিকা রেফারীর মতো। দুদলের বাইশ জন খেলোয়ারের মধ্যে একজন খেলোয়ারও যদি রেফারীর প্রতি অনাস্থা জানায়, তা হলে সে রেফারীর দায়িত্ব পালন করার নৈতিক অধিকার আর থাকে না।
৩৪. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৩৫
অতিথি বলেছেন: হে আল্লাহ আমাদের সাহায্য কর............
এই সব রাজনীতি থেকে..........
যা আমাদের জন্য কল্যান না........
৩৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৫৪
অতিথি বলেছেন: প্যাচাইল্যা: আপনি মুক্তির প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। আপনি বলতে চাচ্ছেন আমাদের কি প্রতিবাদ করারও অধিকার নেই? আর কতকাল আমরা কিছু অগনতান্ত্রিক দলের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকব?
৩৬. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:১০
অতিথি বলেছেন: মোঃ খায়রুল বাসার,নির্বাচনি ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব কার ছিল ? তারা পারলেন না কেন?
৩৭. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭
অতিথি বলেছেন: প্যচাইলা এবং রেজওয়ান আপনারা মনে হয় জানেন গনতন্ত্র বলে একটি শব্দ আছে আর উন্নত বিশ্বসহ বাংলাদেশও এটার ধ্বজাধারী! এই সিস্টেমে 51%/ 49% হলেও 49% ধারী ভ্যালুল্যাস হয়। গত 5 বছরে সংসদ বাদ দিয়ে রাজপথে কাটালেতো ভ্যালু ল্যাস শব্দটাই ব্যবহার করা যায়, ঠিকনা। যাক সে কথা। তাই বলে সংবিধান পরিবর্তনের প্রয়োজন আদৌ অযৌক্তিক। দয়া করে আমার কথা বোঝার চেষ্টা করূণ। আমি বলেছি আপনারা "জনগন" শব্দটি ব্যবহার করছেন। সেখানে যদি বলতেন একটি বিশেষ গোষ্ঠী তাহলে কিন্তু সমস্যা থাকে না। আর গোষ্ঠী হচ্ছে যে সকল জনগন একই আদর্শ বা নীতিতে বিশ্বাসী। তারচেয়ে আরো ভাল হতো যদি বলতেন কিছু রাজনীতিবীদদের ধারনা বর্তমান ইসির আন্ডারে সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয়। এটা আপনারাও ভাল করে জানেন অন্তত বাংলাদেশের গনতন্ত্রে জনগন মূখ্য নয়। জনগনকে যারা ভয় পায় তারাই নির্বাচনে সময়ক্ষেপন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

প্রার্থী দেখে কোন কালে ভোট দেয়নি মানুষ। দুই একটা ব্যাতিক্রম থাকতে পারে। খালেদা- হাসিনাকে বলুন না ভিন্ন প্রতীকে নির্বাচন করার জন্য। তাহলে বোঝা যাবে কার আচলে কি আছে!

প্রতিবাদ করার জন্য রাজনীতি অংশগ্রহণ করতে হবে। সেটা আরো ভাল হবে যদি কোন প্রতিষ্ঠিত দলে যোগ দিয়ে ভেতর থেকে পরিবর্তন করা যায়। শিক্ষিত সমাজ রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়েছে বলে আজ এই অবস্থা। আগামীতে তত্তাবধায়ক সরকার করা হবে কোন বাটপারকে কারণ বর্তমানে যে পরিস্থিতি গেল তাতে কোন সম্মানী ব্যাক্তি এই দায়িত্ব নিতে চাইবেন না।
৩৮. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৫২
অতিথি বলেছেন: প্যচাইলা এবং রেজওয়ান আপনারা মনে হয় জানেন গনতন্ত্র বলে একটি শব্দ আছে আর উন্নত বিশ্বসহ বাংলাদেশও এটার ধ্বজাধারী! এই সিস্টেমে 51%/ 49% হলেও 49% ধারী ভ্যালুল্যাস হয়। গত 5 বছরে সংসদ বাদ দিয়ে রাজপথে কাটালেতো ভ্যালু ল্যাস শব্দটাই ব্যবহার করা যায়, ঠিকনা। যাক সে কথা। তাই বলে সংবিধান পরিবর্তনের প্রয়োজন আদৌ অযৌক্তিক। দয়া করে আমার কথা বোঝার চেষ্টা করূণ। আমি বলেছি আপনারা "জনগন" শব্দটি ব্যবহার করছেন। সেখানে যদি বলতেন একটি বিশেষ গোষ্ঠী তাহলে কিন্তু সমস্যা থাকে না। আর গোষ্ঠী হচ্ছে যে সকল জনগন একই আদর্শ বা নীতিতে বিশ্বাসী। তারচেয়ে আরো ভাল হতো যদি বলতেন কিছু রাজনীতিবীদদের ধারনা বর্তমান ইসির আন্ডারে সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয়। এটা আপনারাও ভাল করে জানেন অন্তত বাংলাদেশের গনতন্ত্রে জনগন মূখ্য নয়। জনগনকে যারা ভয় পায় তারাই নির্বাচনে সময়ক্ষেপন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

প্রার্থী দেখে কোন কালে ভোট দেয়নি মানুষ। দুই একটা ব্যাতিক্রম থাকতে পারে। খালেদা- হাসিনাকে বলুন না ভিন্ন প্রতীকে নির্বাচন করার জন্য। তাহলে বোঝা যাবে কার আচলে কি আছে!

প্রতিবাদ করার জন্য রাজনীতি অংশগ্রহণ করতে হবে। সেটা আরো ভাল হবে যদি কোন প্রতিষ্ঠিত দলে যোগ দিয়ে ভেতর থেকে পরিবর্তন করা যায়। শিক্ষিত সমাজ রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়েছে বলে আজ এই অবস্থা। আগামীতে তত্তাবধায়ক সরকার করা হবে কোন বাটপারকে কারণ বর্তমানে যে পরিস্থিতি গেল তাতে কোন সম্মানী ব্যাক্তি এই দায়িত্ব নিতে চাইবেন না।
৩৯. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:২২
অতিথি বলেছেন: আমাগো দরকার রাজা বাদশাহ। গণতন্ত্র আমাগো মতো আবালদের জন্য না।
৪০. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯
অতিথি বলেছেন: রেজওয়ান, আপনার বক্তব্য ঠিক কিন্তু বায়াস্ড। যদ্দুর মনে পড়ে আজিজ না, মাহমুদুল আমিন এর সুপারিশে 2বছর মেয়াদ বাড়ানো হয় বিচারকদের, যা 14দল হাসানের জন্য ইনজিনিয়ারিং করা হয়েছে বলে দাবি করেছিল। একটা প্রশ্ন, যদি বয়স না বাড়িয়ে বর্তমান প্র.বি মোদাচ্ছিরের অধিনে নির্বাচন হতো তা কি 14 দল মানতো?

মুক্তি আপনার সাথেও অনেকাংশে সহমত; তবে আপনিও বায়াস্ড! আজিজ অবশ্যই বিতর্কিত, তার আচরণ ও কর্মকান্ডে।

একটে কথাঃ প্রত্যেকেই সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন ও ডিসেন্সি চান। এখানকার অনেকেই তা বলেছেন অনেকটা তালগাছটা আমার স্টাইলে। যদি আমরা গণতন্ত্র চাই, তবে আমাদের মিনমিনে (হিডেন) সাপোর্ট বন্ধ করতে হবে। নয়তো 15 বছর পরে আমরাই আবার এরকম কমেন্ট দেবো, পরিস্থিতি হবে জামায়াত কুর্সি ছাড়ছে না আর আ. লিগ ও বি.এন.পি একসাথে আন9দোলন করছে!
৪১. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৪৮
সুর বাংলা বলেছেন: হা হা হা হা
তাইলে হেই ুদন কি আইতাচে!
৪২. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৫৯
অতিথি বলেছেন: বাঙ্গালীদের জন্য গনতন্ত্রের দরকার নাই (অনেক দু:খে কইলাম)
৪৩. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:০১
সুর বাংলা বলেছেন: তয় বাঁশ দরকার, আইক্যাঅলা
হালায় যারা পইড়া পইড়া অবরোধের বাঁশড়ায় হ্যাগো লাইগা বাশই বালা

(মুই দুক্কে কই নাই)
৪৪. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:০৫
অতিথি বলেছেন: হা হা হা....

বাইদ্যাওয়ে রেজওয়ান ভাই.. আপনার পোষ্টে একটু আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগ গন্ধ আছে.... পোষ্টটিকে সম্ভবত স্টিকি করা হয়েছে.. এরকম দলীয় গন্ধওয়ালা একটি পোষ্টকে কিভাবে স্টাইকি করা হলো বুঝলাম না....
৪৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:০৫
অতিথি বলেছেন: হা হা হা....

বাইদ্যাওয়ে রেজওয়ান ভাই.. আপনার পোষ্টে একটু আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগ গন্ধ আছে.... পোষ্টটিকে সম্ভবত স্টিকি করা হয়েছে.. এরকম দলীয় গন্ধওয়ালা একটি পোষ্টকে কিভাবে স্টাইকি করা হলো বুঝলাম না....
৪৬. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৫৬
অতিথি বলেছেন: শাহেনশাহ আমার বক্তব্যে হয়ত তথ্যগত ত্রুটি থাকতে পারে তবে বায়াসড বলতে চাচ্ছেন মানে? আপনি বোধহয় মাইন্ড করেছেন আপনার পছন্দসই কোন দলের ধামা ধরিনি বলে। আমি কোন দলের গুন এখানে গেয়েছি দেখান।

আর ত্রিভুজতো আমার গায়ে আওয়ামী লীগের গন্ধ পাচ্ছেন। গন্ধান্বেষী লোকের কাছে নিজের গন্ধ ছাড়া অন্য যে কোন গন্ধই খারাপ লাগে।
৪৭. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:১০
অতিথি বলেছেন: আওয়ামী লীগের অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত দেশকে আরও অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের মনে রাখা উচিৎ বন্দুক ঠেকিয়ে একবার হয়ত কাজ আদায় করা যায় কিন্তু বারে বারে নয়। বন্দুকের নল তাদের দিকে ফেরাতে জনগনের সময় লাগবে না। এই জন্যেই আমাদের কালো ব্যাজের কর্মসুচী চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের সবাইকে এর প্রতিবাদ করতে হবে।
৪৮. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৫১
অতিথি বলেছেন: রেজওয়ান ভাইতো গায়ের জোরে বলে ফেললেন আমি গন্ধান্বেষী...
আপনি আমার ব্লগে দেখুন আমি কোন দলের পক্ষে কোনদিন কোন লিখা পোষ্ট করেছি কিনা...
আপনার মূল টপিকে লিখেছেন 4 দলের উস্কানীমূলক আচরন... অথচ আমি দেখছি সকল দলেরই আচরন খারাপ... সবচেয়ে বেশী খারাপ 14 দলের.. লগি বৈঠা নিয়ে জনগনকে আইন হাতে তুলে নিতে বলে তারা.. আপনার চোখে সেটি পড়েনি 4দলের উস্কানী পড়েছে... তাই বলেছিলাম আওয়ামী গন্ধ রয়েছে...

বাইদ্যাওয়ে... আপনার উদ্যোগটা খুবই ভাল... তবে কোন দলের পক্ষ নিয়ে কিছু বলতে গেলে আমি নেই .... এটাই খুব সর্টকাটে বলে ফেলেছিলাম আগের মন্তেব্যে...
৪৯. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১২:১০
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ আপনি হয়ত আজকের নিউজ দেখেননি। 4 দলের লোকজন লাঠি নিয়ে জাতীয় পার্টির লোকজনকে পেটাচ্ছে। আওয়ামী লগি বৈঠা সন্ত্রাসের থেকে ওইটা কম কিসে। আপনার লাগলো মনে হয়! আপনি খোকা আর আব্বাসের বক্তুতাগুলো শুনলে বুঝতেন উস্কানি কাকে বলে। যাইহোক আমাদের উভয়েরই চাওয়াটা বোধ হয় একই। কাজেই আমাদের সর্বশক্তি ওইদিকেই ধাবিত করি। ধন্যবাদ।
৫০. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ রাত ১২:২৫
অতিথি বলেছেন: আমার লাগবে কেন? আমি যখন বলেছি সবার কথাই বলেছি.. [link|http://www.somewhereinblog.net/trivuzblog/post/24935|Avgvi
৫১. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩৬
মদন বলেছেন: আওয়ামীলীগের বড় ক্রেডিট হলো বিগত পাচ বছরে কোন আন্দোলন জমাতে না পারলেও সিইসি ইস্যূতে পেরেছে।

আমারতো ভয় হচ্ছে বিএনপি হয়তো এটাই চেয়েছিল। কেননা, বিএনপি তত্তাবধায়ক সরকার পদ্ধতির ঘোর বিরোধী। তারা আওয়ামীলীগের আমদানী এই পদ্ধতিটিকে আওয়ামীলীগের মাধ্যমেই বিতর্কিতই না একেবারে পচিয়ে দিয়েছে। কোন সম্মানওয়ালা লোক আর প্রধান উপদেষ্টা হতে চাইবে না।

আর সিইসি ইস্যুতে আওয়ামীলীগকে ব্যস্ত রেখে আওয়ামীলীগের 11দফা থেকে তাদের দুরে রেখেছে। কালক্ষেপন করে সময় নষ্ট করে মুলত আওয়ামীলীগকে নির্বাচনী প্রস্তুতি হতে দুরে খেছে।
৫২. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩৯
মদন বলেছেন: সিইসি ইস্যূ লোকজনরা বুঝছে যে সিইসি গেলেই বুঝি সব সমস্যার সমাধান, আর তাই সবার মুখে সিইসি কবে যাবে, এই লোক যায়না কেন ইত্যাদি কথা। কিন্তু...
এখন যদি নতুন সিইসি আওয়ামীলীগের পছন্দ না হয় তাহলে কি অবরোধ চলবে? এটা কি জনগন আর মানবে?
৫৩. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪৭
অতিথি বলেছেন: ভাল একটা পদক্ষেপ হবে , কিন্তু স্টার্টিং হবে কিভাবে ? আমার মাথায় একবার চিন্তা আসছিল যে আমরা আম-জনতা একত্রে লাইনে মৌন মিছিল করব >>>>>> সবার চোখ আর হাত বাধাঁ থাকবে ,(অবশ্যই কালো রং এর কাপড় দিয়ে ) । >>>>>>>>> কিন্তু এই কাজ এর নেতৃত্ব দিবে কে ??????
৫৪. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫০
মদন বলেছেন: কৌশিকদা যদি সামনে থাকে কাইলে আমি পিছনে আছি।
সামহোয়ার উদ্যোগ নিক,,,
৫৫. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৯
আনিকা বলেছেন: আমিও আছি সবার সাথে..... আর সহ্য করবো না....
৫৬. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:২৩
মদন বলেছেন: কি করা যায়??????????????????
৫৭. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:২৫
অতিথি বলেছেন: কি আর করা যায় , প্রথম কাজ সাংবাদিক গুলারে একত্রে করেন >>> এর পর তাদের দারায় দেশের মানুষরে একত্রে করা লাগবে । এরপরেই আমরা রাস্তায় নামতে পারি । সবার চোখ কাল কাপর দিয়া বাধা থাকব , আর হাত কাল কাপর দিয়া বান্ধা থাকব ।
৫৮. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৩৯
অতিথি বলেছেন: পাবলিক যার নাম। ক্ষেপলে কোন ব্যাজ বু্যজ না..সোজা মাইর ।
৫৯. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৪০
মদন বলেছেন: এইগুলা কইরা লাভ নাই। আওয়ামীলীগ মানবো না।
৬০. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:১১
অতিথি বলেছেন: এমন একটি পোষ্টকে কেন স্টিক করা হলো সেটা একটা প্রশ্ন হতে পারে কারণ পোষ্ট প্রসূত মন্তব্যসহ গোটা বিষয়টা খুব ন্যাকামি টাইপ লাগছে।

আইডেন্টিটি বা ইমেজ সংকট কিনা সে দিকে আমি আঙ্গুলি নির্দেশ নাই করলাম।

পারলে আমার মন্তব্যগুলো মুছে দিয়েন দয়া করে।
৬১. ২৩ শে নভেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:১৪
শাওন বলেছেন: সেটাই তো , আওয়ামী লীগ মানবে না মানেই দেশের জনগন মানবে না । তারা তো মনে করে আওয়ামী লীগই দেশের জন গন ।
৬৩. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৩৮
অতিথি বলেছেন: যদি আলাদিনের দৈত্যটা পাইতাম, তয় বলতাম- ধর হ্যাসিনারে, ন্যাংটা কইরা ততক্ষন পর্যন্ত মার, যতক্ষন পর্যন্ত এই কয়দিনে আমার ফার্মগেইট যাবার রিক্সা ভাড়া দিতে রাজি না হয়।

কেউ হাসিনার দোষ দেখেনা। আদালত কতর্ৃক পাগলী হিসাবে দিক্ষীত হবার পর থেকেই সবাই ওর কোনো ভুলই দেখছে না। ভুল আর কি, সবইতো পাগলামী।

আজিজ্যা আমার মতে এহেন কোনো কর্মকান্ড ঘটাই নাই যে জনগণের আস্থা হরণ হইবো। তয়, চারদলের একটা জ্বীনের আশ্রয় ছিল বৈকি। স্বয়ং প্রেসিডেন্ট যেখানে চারদলের কুটুম্ব, সেখানে টাকলা আজিজ্যা কিছুইনা। দেখলাম, হিরক লস্কর, অপবাক আর আড্ডাবাজরা পুরনো সেই আওয়ামীলীগের ভাষাতে এখনো কতা কয়, অথচ এনারা মুক্তিমনা ছিলেন; আওয়ামীলীগের কোন দোষত্রুটি এনাদের চোখে পড়েই না। নিদারুন দুঃখে আছি।

28 তারিখের ঘটনার ব্যক্তিটি যদি আওয়ামীলীগ (মুক্তিযোদ্ধা! এখনকার ট্রেডিশন আওয়ামীলীগ মানেই মুক্তিযোদ্ধা!) হতো তয়, দেশের অবস্থা মুই কইলাম খারাপ ছিল...
৬৪. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:৫৬
অতিথি বলেছেন: মুক্তির কাছে হয়ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কাম্য নয় এবং সহিংসতার প্রতিবাদ করা অন্যায় তাই এই পোষ্টের ভিতরেও রহস্য খুজতে চাচ্ছেন। দুনিয়ার সব বাংলাদেশি কি আওয়ামী- ননআওয়ামী বলয়ে বিভক্ত? নাকি মানুষের অন্য নিজস্বতা বলতেও কিছু থাকবে?

তেলাপোকা আপনি যেমন আপনার মত প্রকাশ করছেন তারাও তা করছে। কেউ যদি কোন কিছু দেখতে না পায় তবে আপনার ব্লগে সেটা দেখান। অসুবিধার কিছু নাই।

আপনার ভয়ের কিছু নাই পাবলিক চুপ কইরা থাকলেও যে কোন রাজনৈতিক ভন্ডামি একসময় ধরা খাইব। দরকার আমাদের এক হওয়া।

আমাদের সবার কি কোন একটি ইস্যুতে এক হওয়া যায়না? দেশকে কি আমরা ব্যক্তি বা দলের উর্দ্ধে দেখতে পারিনা?
৬৬. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:১০
অতিথি বলেছেন: রেজওয়ান ভাই, ইসু্যতে এক হতে চাচ্ছেন না আওয়ামী সাপোর্টে এক হতে চাচ্ছেন? সেটা পরিষ্কার করুন আগে !

এক কাজ করুন, পোষ্টের হেডিং পরিবর্তন করে লিখে দিন "আওয়ামী লীগে'র ক্ষমতা ফিরিয়ে দাও"
তাহলে আর এত গ্যাঞ্জাম করতে আইবো না কেউ
৬৭. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:১৭
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ আপনি পরিস্কার করূন আপনি সুষঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন চান কিনা। আমি তো আওয়ামী সহিংস অবরোধের বিরুদ্ধে আমার অবস্থান পরিস্কার করেছি।
৬৮. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:২৩
অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ মনটাকে ট্র্যাকের বাইরে নিন । তাহলে অনেকের বক্তব্যই বুঝতে পারবেন। না হলে রিফাতের মত বাংলা বোঝার আসর বসাতে হবে।
৬৯. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৩০
অতিথি বলেছেন: রেজওয়ান ভাই, সুষ্ঠু নিরােপক্ষ নির্বাচন বলতে কি বুঝেন আপনি? আওয়ামী লীগ তো গতবার নিজেদের পছন্দের লোক দিয়ে নির্বাচন করিয়েও হেরে গিয়ে বলেছিল বেড়ায় ক্ষেত খেয়েছে তাদের... আসলে কি নিরপেক্ষতা কাম্য না ক্ষমতা কাম্য?

মন ট্রাকের বাইরেই আছে ভাই... ভোটই হয়তে দেব না এবার! কাকে দেব? তবে আওয়ামী লীগের কাজ কর্মে অতিষ্ট ভাই.. অন্তত আওয়ামী লীগ যাতে ক্ষমতায় না আসতে পারে তাই ভোট দেব।
কয়েকদিন অবরোধে আমাদের ব্যাবসার কত ক্ষতি হয়েছে সেটা তো আমি নিজেই ভাল জানি... আপনার নিজের উপর না পড়লে বুঝবেন না আমার ক্ষোভের কারনটা।
৭০. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:২৫
অমি আজাদ বলেছেন: দুই নেত্রী শুনুন: পাগলে কি-না বলে ছাগলে কি-না খায়, তাতে কার বা কি এসে যায়!!

সুতরাং উপরের কথাগুলিতে কিছু মনে করবেন না...
৭১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৪৯
মদন বলেছেন: আজাদের সাথে সহমত
৭২. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৪১
অতিথি বলেছেন: তরা কেডায় কেডায় কাল ব্যাজ পড়চো মোনো? নিতিকতা কইলে রেজওয়াননার পোষ্ট ষ্টিকি করচে। রেজওয়াননা নিটিকতা কপচায়ে সাদিককার লগে মডুরাম হবো। তরা কাল ব্যাজ না পড়লে বাশ খাবি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৬৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি তোমাদেরই কোন একজন ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ