গত ৫ই জুলাই কাজভিন প্রদেশের তাকেস্তান শহরে ১১ বছর জেল খাটার পর জাফর কিয়ানি নামক এক ব্যক্তিকে পাথর মেরে মেরে ফেলা হয়েছে। তার অপরাধ ব্যভিচার (পরকীয়া প্রেম)। নিরাপত্তা কর্মীরা এই পাথর মারার ঘটনায় যুক্ত ছিল।
ভালবেসে পালিয়ে আসা তার সঙ্গিনী মোকারামেহ এব্রাহিমি তাদের দুই ছোট সন্তানসহ ১১ বছর ধরে জেল খাটছে আর এই পাথর মারার লিস্টে তার নাম এবার আসতে পারে। (খবর মূল বিবিসি)
ইরানিয়ান ব্লগার হামিদ তেহরানী বলছেন:
ইরানের সরকার বলছেন প্রধান বিচারপতি পাথর মারার বিপক্ষে ছিলেন কিন্তু গ্রামের বিচারপতি হাইকোর্টের আয়ত্বের বাইরে এবং তিনি এই নির্দেশ দিয়েছেন। ১৯৯০ দশকে ইরানী বুদ্ধিজীবিদের অপহরন ও খুনের সময়ও সরকার বলেছিলেন যে এগুলো এরুপ কিছু স্বাধীন এজেন্টেরই কাজ যারা প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের আওতাভুক্ত নয়। তার মানে এইসব অজানা এজেন্টদের খুন করার ইমিউনিটি দেয়া হচ্ছে।
ইরানী ব্লগগুলোর রিয়াকশন এখানে ।
আরেকজন ইরানিয়ান মহিলার বিরুদ্ধে রায় হয়েছে খ্রীস্টান ধর্মগ্রহন করার অপরাধে পাথর মেরে হত্যা করার। (এ নিয়ে আরও খবর)
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



