আমার প্রিয় পোস্ট

টুকিটাকি ভাবনাগুলো

বিচার: ইরানী স্টাইল

০৫ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৩৭

শেয়ারঃ
0 0 0

একটি সুন্দর রৌদ্রজ্বল সকাল ছিল সেদিন। ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষ জড়ো হয়েছেন সিকিউরিটি ব্যারিকেডের পেছনে। অনেকের হাতেই ক্যামেরা, প্রতীক্ষা কখন এই অনুষ্ঠানের তারকারা আসবেন। ছোট্ট উচ্ছল শিশুটিও দাড়িয়ে। সভ্যতার এক উজ্বল নিদর্শন দেখবে সবাই।

একে একে আসলেন তারকারা। ওরা হাসছিলেন ও জনতার দিকে হাত নাড়াচ্ছিলেন। কি উৎসবমুখর পরিবেশ।

শুরু হল মূল অনুষ্ঠান। একটি ট্রাকের পেছনে বড় একটি ক্রেন তৈরি ক্লাইমেক্সের জন্যে। কিছুক্ষনের মধ্যেই কালো মুখোশ পরা লোকরা মজিদ এবং হোসেন কাভুসিফারকে (চাচা-ভাতিজা) প্রকাশ্য ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিল। উপস্থিত জনতা খুশি হয়ে হাততালি দিল। চতুর্দিকে হাস্যরোল, ছবি তোলা। গ্লাডিয়েটর ছবির কথা মনে করিয়ে দিল -যখন সিংহ ও মানুষের যুদ্ধ দেখার জন্য কলোশিয়াম ভর্তি লোক এমন করত। কিন্তু সেতো কয়েক হাজার বছর আগে।

মজিদ আর কাভুসিফার ২০০৫ সালে একজন জাজকে মারার জন্যে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। এই জাজকে তারা দুর্নীতিপরায়ন বলেছে যিনি অনেক ইরানী বিপ্লবীকে সাজা দিয়েছিলেন (এমনকি মৃত্যুদন্ড) সরকারের ধামা ধরে। তাদেরকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেয়ার উদ্দেশ্য সরকারের বিরুদ্ধে যাতে কোনরুপ সমালোচনা না হয় তার জন্যেই। এটি সম্পুর্ন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাধিত।

এখানে আমি বিচারের বিরুদ্ধে বলছি না। বলছি বিচার কার্যকরের পদ্ধতি সম্পর্কে। এই ছোট শিশুটি যে এটি দেখল তার মনে কি অনুভুতি হবে? আর বলিহারি সেইসব লোকদের যারা এটি দেখে আনন্দ করেছেন।

প্রকাশ্যে ফাঁসির মতো বর্বরতা যেন সভ্য সমাজে আর না হয়।

খবর ও ছবি সৌজন্যে : বিবিসি, স্কটসম্যন.কম, ইসনা

 

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৪০
তুষার ০০৭ বলেছেন: এটা হচ্ছে জানোয়ারদের কর্মকান্ড
২. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৫২
এস্কিমো বলেছেন: ব্লগের ইরান বিশেষজ্ঞের মতে এটা করা হয় অপরাধীরা যে অপরাধ করতে উতসাহ হারায় তার জন্যে...

৩. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৫৬
রেজওয়ান বলেছেন: গত বছর ইরানে ১৭৭টি ফাঁসি হয়েছে। তার পরেও কি অপরাধ কমেছে?
৪. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৫৭
এস্কিমো বলেছেন: এই সংখ্যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুন...(রয়টার)
৫. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৫৮
সেলিম বলেছেন: ঘৃনা জানতেও ঘৃনা হয়
৭. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১১:২০
অবাক বলেছেন: ইরান বিশ্লেষক আশু পাগলা কৈ?এ বিষয়ে টার মতামট কি?
ইছলামি বাংলাদেশের স্বপন দেখা উটু ফজল এখন শুকুর-গুজার করবে না?
নূতন মাল নূরে-আলম কৈ, যে কিনা বাংলাদেশ চেড়ে ইরান যাতে চায়।

ব্লগ ভরিয়া গেল হরিদাস পালে।
৮. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১:৩৫
শাহরীয়ার বলেছেন: ইরান এতো খারাপ জানতাম না.........
৯. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৫:০৮
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন: প্রতিবাদ জানানোর ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।
ধিক্কার এই রাষ্ট্রটিকে।
১০. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৫:৩৬
নিস্পাপ শয়তান বলেছেন: ইসলামিক বাংলাদেশে কবে যে এইরকম ফাঁসি দেওয়া অইবো?
একটা ইসলামী দেশের কুৎসা রটনার জন্য রেজওয়ান মিয়ারে ব্যান করা হউক ।
১১. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:২৬
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: কুরআনে কিন্তু আছে, 'দৃষ্টান্তমূলক' শাস্তি দেয়ার কথা, যেখানে শাস্তি দেওয়ার সময় 'বিশ্বাসীদের' একটা অংশ শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে। আমি যতটুকু বুঝি, যাদের পাপ পূণ্য, ন্যায় অন্যায়ের পার্থক্য বুঝার মত ক্ষমতা আছে, অর্থ্যাৎ প্রাপ্তবয়স্ক, তাদের জন্যই নির্দেশটা। তারা যেন শাস্তিটা দেখে এবং দৃষ্টান্ত হিসেবে নেয়। এখন কোন বাবা যদি নিজের ছোট বাচ্চাকে নিয়ে যায়, মুভ্যির বিকল্প হিসেবে, এতটা সেন্সলেস বাবা হয়, তাহলে মনে হয় রাষ্ট্রের আইন জারি করে শুধু প্রাপ্তবয়স্কদেরই রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
১২. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:৩২
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: আসলেই যা ইরান করে সবকিচুই কোরানে আচে। অষ্ট্রেলিয়াতে তাইকা পাশ্চাত্য পড়াশুনা এইটাও কোরআনে আচে, চীনের যাও বিদ্যার জন্য। বউ পিটানো কোরানে আচে সুরা নিসা আয়াত ৩৪। ইরান অন্যায় করলেও ন্যায় কারন হরিদাসী পাল জানে কোরানে আচে।
১৩. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:৩৬
নিস্পাপ শয়তান বলেছেন: আস্ত আপু এইটা ভালো বলছেন । দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি মান হইলো ,মাইনষের মেলা বসাইয়া সার্কাসের মতোন সকলের চউক্কের সামনে গলায় ফাঁস লাগানো নাইলে কতল করা । সকল মানুষরে এইসব বর্বর দৃশ্য দেখাইয়া ইমান শক্ত করানো ।

ছুবাহানাল্লাহ । আপনে যে কোরানের আয়াত খুব ভালো বুঝছেন তার জন্য পরকালে নিশ্চয় উওত্তম জাঝা পাইবেন ।
১৪. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:৪৭
ডঃ ফচটাচ বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি
সঠিক বলেছেন।
১৫. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:৫৬
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: সূরা নূরের দুই নম্বর আয়াত--
"The woman and the man guilty of fornication, flog each one of them with a hundred stripes - and let not any pity for them restrain you in regard to a matter prescribed by Allah, if you believe in Allah and the Last Day, and let, some of the believers witness the punishment inflicted on them."


এখানে 'দৃষ্টান্তমূলক' শাস্তির প্রক্রিয়া বলা হয়েছে 'লেট সাম অফ দ্যা বিলিভারস উইটনেস দ্যা পানিশমেন্ট ইনফ্লিক্টেড অন দেম', অতএব শাস্তিটা জানলা দরজাহীন ঘরে হওয়ার কথা না, সবার সামনেই হওয়ার কথা। কিন্তু শিশুদের উপস্থিত থাকা আর আনন্দ উৎসবের মত সব কিছু উপভোগ করা, সেটা অবশ্যই ইসলামের স্পিরিট না।
১৬. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৭:০৩
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আউজুদ্দিন,
আমি বউ পিটানোর কথা কুরআনে পাই নাই। তুমি যেই আয়াত দিছো, সেখানে পিটানোর কথা বলা নাই। বরং যেই প্রক্রিয়া বলা আছে, সাদা মনে পড়লে দেখবা, সেটা যদি ইম্প্লিমেন্ট করা হয়, তাইলে বউয়ের গায়ে একটা হাতও কখনও পড়বে না। সিকুয়েনশিয়ালি বলা আছে, প্রথমে কথা বলে সব সর্ট আউট করতে হবে, যদি না হয়, তাহলে আলাদা থাকতে হবে। আলাদা ঘুমানো, কথা না বলা। যদি সম্পর্ক ঠিক থাকে, তাহলে এর মধ্যেই সব সর্ট আউট হয়ে যায়।
যেই ছেলেরা বউ পিটানো টাইপ, তারা যা করে তা হলো, রাগের মাথায় প্রথমেই বউয়ের গায়ে হাত তুলে। এই আয়াতটা তাদের জন্য সেটা করতে কঠোর ভাবে নিষেধ করা আয়াত। সিকুয়েন্সটা স্পষ্ট করে দেয়া। উত্তেজিত হয়ে যেই ছেলেরা বউ পিটায়, তাদের জন্য, তারা হারাম কাজ করছে, কুরআনের আয়াত অমান্য করছে, সেইটা তাদের বুঝতে হবে।

তারপরে যার অনুমতি দেয়া হয়েছে, সেটা মোটেই 'পিটানোর' মধ্যে পড়ে না। গায়ে একটা দাগও পড়তে পারবে না যেখানে বলা হয়েছে, তাকে আর যাই হোক, পিটানো বলা চলে না।

আর সবকিছুর চেয়ে বড় হলো, এটা স্রেফ অনুমতি। ব্যতীক্রমী, খুবই খারাপ সিচুয়েশনে যতটুকু যাওয়া যাবে, তার সর্বশেষ সীমা। খাওয়ার অভাব থাকলে তো হারাম খাবারও খাওয়া যাবে, তাই বলে সেটা নরমাল প্র্যাকটিস না, সেটা হলো, সর্বশেষ যতটুকু যাওয়া যাবে, তার সীমারেখা। নরমাল প্র্যাকটিসের উদাহরণ রাসূলের জীবনে পাওয়া যাবে। তিনি সারা জীবন কোন নারী কিংবা শিশুর গায়ে হাত তুলেন নি। কখনও না।
১৭. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৭:০৫
হুদা ইসলাম বলেছেন: অপরাধী তার শাস্তি পেয়েছে এতে দোষের কি? এটা দেখে আরো অনেকেই অপরাধ করা থেকে বিরত থাকবে। ইরান বুঝেশুনেই এ ব্যবস্থা প্রচলন করেছে। আজকের শিশুটি এ ঘটনা দেখে নিজের পথ তৈরি করতে পারবে। ইসলামে অপরাধী ও অপরাধ সম্পর্কে তার ধারণা বাস্তবমুখী হবে। আপনারা এ নিয়ে অযথাই তর্ক করবেন না।
১৯. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৭:১৭
নিস্পাপ শয়তান বলেছেন: জনসভা ডাইকা ফাঁসি দেওনের নাম হইছে ইসলাম- উজবুক গো এইসব প্রচারনার লাইগগাই দুনিয়ার বাকী মানুষেরা মুসলমান শুনলেই অসভ্য বর্বর মনে করে ।
আল্লাহ এইসব উজবুক গো রে মাগ কইরেন ।
২০. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৮:১৫
অবাক বলেছেন: ধিক্কার এই অপকর্ম সাপোর্টকারী ব্লগারদের।
ব্লগ ভরিয়া গেল হরিদাস পালে
২১. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১:৪০
রবিনহুড বলেছেন: যে কোন অপরাধের শাস্তির বিধান করা হয় ৩টি উদ্দেশ্য সামনে রেখে।

১. নাম মাত্র শাস্তি ।
২. ক্ষতিগ্রস্থের ক্ষতি পূরন করা।
৩. দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

যার ব্যক্ষা দিল দারায়:

১. এটা করা হয় ছোট খাট অপরাধের ক্ষেত্রে। যাতে করে মনে আসে এটা ও একটা অপরাধ। যেমন প্রকাশ্য ধুমপানের শাস্তি ৫০টাকা।

২. ক্ষতি গ্রস্থ ব্যক্তি যে পরিমান ক্ষতির স্বীকার হয়েছে সেটা পুশিয়ে দেয়ার জন্য। যেমন ১০ হাজার টাকা মূল্যমান ক্ষতির জন্য ১০হাজার টাকা জরিমানা।

৩. ভবিষ্যতে যাতে একই অপরাধ করার মনমানসিকতা না জন্মে। পাশাপাশি অন্যান্য মানুষ ও যাতে এই ধরনের অপরাধকে ভয় পয়।

------------------------------------------
১ম ও ২য় পদ্বতি অনেক সময় বিত্তশালীর বা জিদের বশবর্তী হয়ে করে ফেলতে পারে।

কিন্তু ৩য় ব্যপারটা ১ও ২ শাস্তি অগ্রাজ্য কারীদের জন্য সমাধান বার্তা হিসাবে কাজ


-------------------------------------------

ইরানে সব ক্ষত্রে প্রকাশ্য ফাসি দেয়া হয় না। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে দেয়া হয়। এক্ষেতরে ৩নং বিষয়টা বিবেচনা করে তা করা হয়। কারন মানুষ যেটা নিজের চক্ষে দেখেছে সেটা শুনার থেকে অনেক বেশী ইফেক্টিভ। এখানে ইফেক্টটা তৈরি করার জন্য প্রকাশ্যের ব্যবস্থা করা হয়।


মানুষের অপরাধ প্রবনতা কমানেরা জন্য এর থেকে কার্যকারী কোন পদ্বতি আছে কি?


শাস্তির ক্ষেত্রে একটা ব্যপার কাজ করে শাস্তি যত কঠিন হবে সেই অপরাধ করার প্রবনতা তত কমে যাবে। এর প্রকৃষ্ট উদাহরন হল, এসিড নিক্ষেপ।
২২. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৭
রেজওয়ান বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি, আপনি আরেকটি পয়েন্টও ধরতে পারেননি। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির যুক্তি হতে পারে চরম জঘন্য কাজের জন্যে। যেমন ইরানে আমার মনে হয় ২০০৫ সালে একজন সিরিয়াল কিলারকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল যার ২১ জন ভিকটিমের মধ্যে ছোট শিশুরাও ছিল। তার জন্যে লোকের ঘৃনাও থাকবে এবং হয়ত তার এই ধরনের শাস্তির পেছনে কিছুটা যুক্তি দেয়া যায়। এখানে আমি ধর্মে কি বলেছে সেটাতে যাচ্ছিনা। ধর্মের সঠিক বাস্তবায়ন হলে তো আর আমাদের এইসব দেখতে হতো না। ধর্মকে বর্ম হিসেবে রেখেই মতলববাজরা তাদের উদ্দেশ্য সাধন করে।

এই কেসটি তো অন্য। রাস্ট্রের রিপ্রেশনের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নতাবাদী (মানুষ মারা অবশ্যই ভুল) কার্যকলাপ। এখানে রাষ্ট্রযন্ত্রের সমস্যাগুলো না মিটিয়ে, মানুষের উপর ভয়ের রাজত্ব কায়েম করার জন্যেই এই খুনের শাস্তি প্রকাশ্যে দেয়া হলো। মানে বলা হচ্ছে দেখ সরকারের কাজের সমালোচনা করা যাবে না, আমাদের বাঁধা দিলে পরিনতি এই। কাজেই রবিনহুড যেটা বলেছে দৃষ্টান্তমুলক কোনটার জন্য প্রযোজ্য হবে এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কিনা তা বিবেচনায় আনতে হবে।
২৩. ০৬ ই আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:০১
রেজওয়ান বলেছেন: হুদা ইসলাম ইরানী সরকার যে অনেক ইরানীদের কারন ছাড়াই গ্রেফতার করছে, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গুম করে দিচ্ছে তার জন্যে কি প্রকাশ্যে শাস্তি হবেনা তাদের?
২৫. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৪:৫২
রাশেদ বলেছেন: এই ফাসিটা দেয়া হইছে রাজনৈতিক কারনে, এইখানে ইসলামরে টানার কি আছে, আস্তবাতি সব যায়গায় খালি ধর্মের বা হাত ঢুকায়... এইটা কেন ইসলামিক হিসেবে দৃষ্টান্তমূলক বুঝলাম না...
২৬. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৫:০৬
আশরাফ রহমান বলেছেন: রেজওয়ান মাঝে মাঝেই ইরানের বিদ্রোহী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পক্ষে মানবাধিকার লংঘনের কথা বলেন। কিন্তু যখন এই সন্ত্রাসীরা একজন প্রেসিডেন্ট সহ রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ৭২ জন নেতাকে হত্যা করছিল তখন কোথায় ছিল মানবাধিকার? এসব সন্ত্রাসী এখনও ইরানের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতা চালাচ্ছে, কই তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে তো আপনি কিছু লিখেন না ! ইরানের বিদ্রোহী মুজাহিদীনে খালকের পক্ষে কথা বলা আর বাংলাদেশের জঙ্গীদের পক্ষে কথা বলা একই কথা।

আরেকটা কথা। ইরানের প্রকাশ্য ফাসিগুলোর সময় ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে যেতে নিষেধ করা হয়। পাশ্চাত্যের মিডিয়াগুলো ফাসি মঞ্চের অনেক দুরের কোন স্থানের ছবি সরবরাহ করে ফায়দা লুটতে পারে। বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত।
২৭. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:৪৩
রেজওয়ান বলেছেন: বিদ্রোহী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বলছেন কাদের? আপনি ইরানীদের ব্লগ পড়েন? (!@@!1293768 !@@!1293769) লাখ লাখ ব্লগ আছে তাদের। ওগুলো পড়লেই বুঝবেন কে সন্ত্রাসী আর কারা ইসলামের কথা বলে উৎপীঢ়ন চালাচ্ছে।

আপনি তো দেখি ইরানী সরকারেরই চর। (!@@!1293793 !@@!1293794এসব খবর ইরানীরাই দিচ্ছে আপনারই মত ব্লগের মাধ্যমে। কোন পশ্চিমা মিডিয়া দিচ্ছে না।

বলেন এগুলোও পশ্চিমা মিডিয়ার সৃষ্টি।

ইরানী এসব তরুনরা আপনার মতই ধার্মিক এবং পশ্চিমাদের ঘৃনা করে। তারা তাদের দেশে গনতন্ত্রের পক্ষে কথা বলছে বলেই তাদের বিরুদ্ধে প্রচার হচ্ছে।

আর হ্যা আমার দেয়া ছবিগুলোর বেশীরভাগই ইরানী উৎস থেকে দেয়া (ফারসী আমি পড়তে পারিনা আপনি পড়ে নিয়েন)।
২৮. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:৪৯
রেজওয়ান বলেছেন: ছবির নীচে দেখুন উৎস আছেন। ইসনা মানে হচ্ছে ইরানী স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সী। লিন্ক পোস্টে দেয়া আছে। সব কিছুর মধ্যেই পাশ্চাত্য দেখা আপনার রোগে পরিনত হয়েছে। বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত।
২৯. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৭:৩৪
হারাধন. বলেছেন: আশরাফের রজ্জুতে সর্প ভ্রম হচ্চে
৩০. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৪
নিরপরাধ বলেছেন: প্রকাশ্যে ফাসি দেয়া আমার কাছে বর্বরতা মনে হয় না। শিশুরা এই দৃশ্য দেখে ভয় পেতে পারে কিন্তু দেখতে দেখতে অনেক কিছু সহনীয় হয়ে উঠে। আমাদের দেশে কোরবানীর ঈদে প্রকাশ্যে পশু কোরবানী দেয়া হয় এবং আমার মনে হয় এর প্রধান দর্শক সকল বয়সের শিশুরা। যেহেতু সাংস্কৃতিকভাবে আমরা এতে অভ্যস্ত তাই আমাদের শিশুরাও এই দৃশ্য দেখে বিচলিত হয় না। কিন্তু তথাকথিত উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই বিরূপ প্রতিক্রিয়ার কথা চিন্তা করে প্রকাশ্যে পশু বধ নিষিদ্ধ। এটা সভ্যতা বিচারের কোনো মানদণ্ড না, অর্থাৎ পশ্চিমে এটা নিষিদ্ধ বলে তারা আমাদের চেয়ে সভ্য এমনটা ভাবার কারন নেই।
৩১. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: @বাত্তি, বৌ জানি কখন পিটানের জায়েজ আছে, এইটা একটু জানতে চাই? বিবাহ করলে তো বৌরে তো সোজা রাখতে হইবো!

আইচ্ছা, আমার মতো বান্দর স্বামীগো ঠিক রাখার লিগা বৌরা কি করতে পারবো সেরকম কোনো বিধান আছে?
@বাত্তি তুমি তো মাইয়া হুজুর, তুমার টো এইসব জানার কথা!
৩২. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৮
অন্যরকম বলেছেন: কোথায় কোন ইরানে কারে ফাসি দিতাছে আর এখানে সবাই বৌ পিটানো শুরু করছে। শালার বাঙ্গালীর কাজই হল ঘরের খেয়ে বনের মোষ তারানো!!!
৩৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৪
আইকমবাইকম বলেছেন: ভাষা হারিয়ে ফেলেছি! সুধুই আমার বুকের ভেতর থেকে একটাই কথা বেরোবে "ছিঃ" - "আমি হেইট ইউ!!!!!!!!!!"

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৬৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি তোমাদেরই কোন একজন ।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ