আমার প্রিয় পোস্ট
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- ধেয়ে আসছে প্রকৃতির প্রতিশোধের ভয়ংকর ড্রাগন! জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে কোথাও বাঁচার পথ নেই!! - মনজুরুল হক
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- হজ্বের সেই দিনগুলো - ২য় পর্ব - আশিক হাসান
- দেশের সংবাদপত্রগুলোর প্রচার সংখ্যার আপডেট, মার্চ ০৯ - কাঙাল
- একাত্তরের চিঠি সংকলনের টেক্স্ট কন্টেন্ট রিভার্সিং: একটি প্রকল্পের প্রস্তাবনা - তর্পন
- সামহোয়ারইনে স্বাধীনতা দিবস '২০০৯ এর ভাবনা- একটি পোষ্ট সংকলন। - তায়েফ আহমাদ
- ব্লগ কী? - ফাহমিদুল হক
- আলোচিত বই --মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ( মুহম্মদ জাফর ইকবাল) /// ৯-১৬ পৃষ্ঠা। - পথিক!!!!!!!
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- প্রমিত বাংলা বানান রীতি (৩): অনুস্বার (ং) এবং উঁয়ো (ঙ)! - ম্যাভেরিক
- সামহয়ারইন দেখুন আপনার মোবাইল থেকেই!
- দুর্লভ
- বঙ্গোপসাগরে ঘোড়দৌড় : প্রতিযোগিতাতেই নেই বাংলাদেশ! - ফিউশন ফাইভ
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের ছয় বছর পূর্তী - আশাবাদী!!
- ~~*~*~দৈনিক সংগ্রাম ১৯৭১ ও ২০০৮:জামাতের রঙ বদলের জ্বলন্ত প্রমান~~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- এই সব 'আন্দোলনউৎসবের'চোরাগলিতে আমাদের হারানো ভবিষ্যৎ - মনজুরুল হক
- মুছে ফেলুন - কেন লিখে রেখেছেন? - নাফিস ইফতেখার
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কিভাবে বই বের করবন। পর্ব-২ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৪ (দোতলার ল্যন্ডিং,মুখোমুখি দু'জন--আহসান হাবীব)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি - লাল দরজা
- ডিভাইস ড্রাইভার (সমাপ্ত) - মাইক্রোকাতার
- বাউলের মূর্তি সরানোয় মুসলমানি সাফল্য: আত্মপরিচয় অনুসন্ধানের পুনর্পাঠ, পর্ব ১ - ফাহমিদুল হক
- বাংলাদেশে এক্টিভিস্ট হওয়া কি আদৌ সম্ভব (চার পর্ব একসঙ্গে) - ফাহমিদুল হক
- বাংলা ব্লগ রাহেলাকে জীবিত রেখেছে - কৌশিক
- স্বনামধন্য লেখক মুহাম্মদ জুবায়ের - সামহোয়ারের প্রথম একজন ব্লগারের মহাপ্রয়ান - কৌশিক
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৭ ( চতুর্দশপদী কবিতাবলী -শক্তি চট্টোপাধ্যায়)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসুন ব্লগ নিয়ে নষ্টালজিক হই
- একরামুল হক শামীম
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- একটি অফলপ্রসূ মিটিং এ অশ্বডিম্ব প্রসব এবং পরবর্তী খরানুভূতি - মেঘ
- আমার নিরন্তর মুসলমান হয়ে ওঠা - সামী মিয়াদাদ
- আমার প্রিয় কবি ১৭ তারিখে মারা গেছেন - মাহবুব মোর্শেদ
- বন্ধু , এপারে ওপারে , পথের পারাপারে ! - রাগ ইমন
- এক উদ্দাম যৌবনাবতী আফ্রিকান সুন্দরীর গল্প ( শেষ পর্ব ) - আশিক হাসান
- আমরা অন্ধ হবো কেন! - মানবী
- আমার পাথুরে চোখে আলফ্রেড সরেন ঃ ঃ জন্ম জন্মান্তরের এক বীর - হযবরল
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
বিচার: ইরানী স্টাইল
০৫ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৩৭
একটি সুন্দর রৌদ্রজ্বল সকাল ছিল সেদিন। ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষ জড়ো হয়েছেন সিকিউরিটি ব্যারিকেডের পেছনে। অনেকের হাতেই ক্যামেরা, প্রতীক্ষা কখন এই অনুষ্ঠানের তারকারা আসবেন। ছোট্ট উচ্ছল শিশুটিও দাড়িয়ে। সভ্যতার এক উজ্বল নিদর্শন দেখবে সবাই।
একে একে আসলেন তারকারা। ওরা হাসছিলেন ও জনতার দিকে হাত নাড়াচ্ছিলেন। কি উৎসবমুখর পরিবেশ।
শুরু হল মূল অনুষ্ঠান। একটি ট্রাকের পেছনে বড় একটি ক্রেন তৈরি ক্লাইমেক্সের জন্যে। কিছুক্ষনের মধ্যেই কালো মুখোশ পরা লোকরা মজিদ এবং হোসেন কাভুসিফারকে (চাচা-ভাতিজা) প্রকাশ্য ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিল। উপস্থিত জনতা খুশি হয়ে হাততালি দিল। চতুর্দিকে হাস্যরোল, ছবি তোলা। গ্লাডিয়েটর ছবির কথা মনে করিয়ে দিল -যখন সিংহ ও মানুষের যুদ্ধ দেখার জন্য কলোশিয়াম ভর্তি লোক এমন করত। কিন্তু সেতো কয়েক হাজার বছর আগে।
মজিদ আর কাভুসিফার ২০০৫ সালে একজন জাজকে মারার জন্যে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। এই জাজকে তারা দুর্নীতিপরায়ন বলেছে যিনি অনেক ইরানী বিপ্লবীকে সাজা দিয়েছিলেন (এমনকি মৃত্যুদন্ড) সরকারের ধামা ধরে। তাদেরকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেয়ার উদ্দেশ্য সরকারের বিরুদ্ধে যাতে কোনরুপ সমালোচনা না হয় তার জন্যেই। এটি সম্পুর্ন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাধিত।
এখানে আমি বিচারের বিরুদ্ধে বলছি না। বলছি বিচার কার্যকরের পদ্ধতি সম্পর্কে। এই ছোট শিশুটি যে এটি দেখল তার মনে কি অনুভুতি হবে? আর বলিহারি সেইসব লোকদের যারা এটি দেখে আনন্দ করেছেন।
প্রকাশ্যে ফাঁসির মতো বর্বরতা যেন সভ্য সমাজে আর না হয়।
খবর ও ছবি সৌজন্যে : বিবিসি, স্কটসম্যন.কম, ইসনা
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ১০:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
তুষার ০০৭ বলেছেন:
এটা হচ্ছে জানোয়ারদের কর্মকান্ড
এস্কিমো বলেছেন:
ব্লগের ইরান বিশেষজ্ঞের মতে এটা করা হয় অপরাধীরা যে অপরাধ করতে উতসাহ হারায় তার জন্যে...
রেজওয়ান বলেছেন:
গত বছর ইরানে ১৭৭টি ফাঁসি হয়েছে। তার পরেও কি অপরাধ কমেছে?
এস্কিমো বলেছেন:
এই সংখ্যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুন...(রয়টার)
সেলিম বলেছেন:
ঘৃনা জানতেও ঘৃনা হয়
প্প্বপ্প্বেষপ্প্ব্ত্রপ্প্বুপ্প্ম্লপ্প্ম্ম....... বলেছেন:
আসলেই ওরা এজিদ এর বংশধর......
অবাক বলেছেন:
ইরান বিশ্লেষক আশু পাগলা কৈ?এ বিষয়ে টার মতামট কি?ইছলামি বাংলাদেশের স্বপন দেখা উটু ফজল এখন শুকুর-গুজার করবে না?
নূতন মাল নূরে-আলম কৈ, যে কিনা বাংলাদেশ চেড়ে ইরান যাতে চায়।
ব্লগ ভরিয়া গেল হরিদাস পালে।
শাহরীয়ার বলেছেন:
ইরান এতো খারাপ জানতাম না.........
নিস্পাপ শয়তান বলেছেন:
ইসলামিক বাংলাদেশে কবে যে এইরকম ফাঁসি দেওয়া অইবো?একটা ইসলামী দেশের কুৎসা রটনার জন্য রেজওয়ান মিয়ারে ব্যান করা হউক ।
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন:
আসলেই যা ইরান করে সবকিচুই কোরানে আচে। অষ্ট্রেলিয়াতে তাইকা পাশ্চাত্য পড়াশুনা এইটাও কোরআনে আচে, চীনের যাও বিদ্যার জন্য। বউ পিটানো কোরানে আচে সুরা নিসা আয়াত ৩৪। ইরান অন্যায় করলেও ন্যায় কারন হরিদাসী পাল জানে কোরানে আচে।
নিস্পাপ শয়তান বলেছেন:
আস্ত আপু এইটা ভালো বলছেন । দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি মান হইলো ,মাইনষের মেলা বসাইয়া সার্কাসের মতোন সকলের চউক্কের সামনে গলায় ফাঁস লাগানো নাইলে কতল করা । সকল মানুষরে এইসব বর্বর দৃশ্য দেখাইয়া ইমান শক্ত করানো ।ছুবাহানাল্লাহ । আপনে যে কোরানের আয়াত খুব ভালো বুঝছেন তার জন্য পরকালে নিশ্চয় উওত্তম জাঝা পাইবেন ।
"The woman and the man guilty of fornication, flog each one of them with a hundred stripes - and let not any pity for them restrain you in regard to a matter prescribed by Allah, if you believe in Allah and the Last Day, and let, some of the believers witness the punishment inflicted on them."
এখানে 'দৃষ্টান্তমূলক' শাস্তির প্রক্রিয়া বলা হয়েছে 'লেট সাম অফ দ্যা বিলিভারস উইটনেস দ্যা পানিশমেন্ট ইনফ্লিক্টেড অন দেম', অতএব শাস্তিটা জানলা দরজাহীন ঘরে হওয়ার কথা না, সবার সামনেই হওয়ার কথা। কিন্তু শিশুদের উপস্থিত থাকা আর আনন্দ উৎসবের মত সব কিছু উপভোগ করা, সেটা অবশ্যই ইসলামের স্পিরিট না।
আমি বউ পিটানোর কথা কুরআনে পাই নাই। তুমি যেই আয়াত দিছো, সেখানে পিটানোর কথা বলা নাই। বরং যেই প্রক্রিয়া বলা আছে, সাদা মনে পড়লে দেখবা, সেটা যদি ইম্প্লিমেন্ট করা হয়, তাইলে বউয়ের গায়ে একটা হাতও কখনও পড়বে না। সিকুয়েনশিয়ালি বলা আছে, প্রথমে কথা বলে সব সর্ট আউট করতে হবে, যদি না হয়, তাহলে আলাদা থাকতে হবে। আলাদা ঘুমানো, কথা না বলা। যদি সম্পর্ক ঠিক থাকে, তাহলে এর মধ্যেই সব সর্ট আউট হয়ে যায়।
যেই ছেলেরা বউ পিটানো টাইপ, তারা যা করে তা হলো, রাগের মাথায় প্রথমেই বউয়ের গায়ে হাত তুলে। এই আয়াতটা তাদের জন্য সেটা করতে কঠোর ভাবে নিষেধ করা আয়াত। সিকুয়েন্সটা স্পষ্ট করে দেয়া। উত্তেজিত হয়ে যেই ছেলেরা বউ পিটায়, তাদের জন্য, তারা হারাম কাজ করছে, কুরআনের আয়াত অমান্য করছে, সেইটা তাদের বুঝতে হবে।
তারপরে যার অনুমতি দেয়া হয়েছে, সেটা মোটেই 'পিটানোর' মধ্যে পড়ে না। গায়ে একটা দাগও পড়তে পারবে না যেখানে বলা হয়েছে, তাকে আর যাই হোক, পিটানো বলা চলে না।
আর সবকিছুর চেয়ে বড় হলো, এটা স্রেফ অনুমতি। ব্যতীক্রমী, খুবই খারাপ সিচুয়েশনে যতটুকু যাওয়া যাবে, তার সর্বশেষ সীমা। খাওয়ার অভাব থাকলে তো হারাম খাবারও খাওয়া যাবে, তাই বলে সেটা নরমাল প্র্যাকটিস না, সেটা হলো, সর্বশেষ যতটুকু যাওয়া যাবে, তার সীমারেখা। নরমাল প্র্যাকটিসের উদাহরণ রাসূলের জীবনে পাওয়া যাবে। তিনি সারা জীবন কোন নারী কিংবা শিশুর গায়ে হাত তুলেন নি। কখনও না।
নিস্পাপ শয়তান বলেছেন:
জনসভা ডাইকা ফাঁসি দেওনের নাম হইছে ইসলাম- উজবুক গো এইসব প্রচারনার লাইগগাই দুনিয়ার বাকী মানুষেরা মুসলমান শুনলেই অসভ্য বর্বর মনে করে ।আল্লাহ এইসব উজবুক গো রে মাগ কইরেন ।
রবিনহুড বলেছেন:
যে কোন অপরাধের শাস্তির বিধান করা হয় ৩টি উদ্দেশ্য সামনে রেখে।১. নাম মাত্র শাস্তি ।
২. ক্ষতিগ্রস্থের ক্ষতি পূরন করা।
৩. দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।
যার ব্যক্ষা দিল দারায়:
১. এটা করা হয় ছোট খাট অপরাধের ক্ষেত্রে। যাতে করে মনে আসে এটা ও একটা অপরাধ। যেমন প্রকাশ্য ধুমপানের শাস্তি ৫০টাকা।
২. ক্ষতি গ্রস্থ ব্যক্তি যে পরিমান ক্ষতির স্বীকার হয়েছে সেটা পুশিয়ে দেয়ার জন্য। যেমন ১০ হাজার টাকা মূল্যমান ক্ষতির জন্য ১০হাজার টাকা জরিমানা।
৩. ভবিষ্যতে যাতে একই অপরাধ করার মনমানসিকতা না জন্মে। পাশাপাশি অন্যান্য মানুষ ও যাতে এই ধরনের অপরাধকে ভয় পয়।
------------------------------------------
১ম ও ২য় পদ্বতি অনেক সময় বিত্তশালীর বা জিদের বশবর্তী হয়ে করে ফেলতে পারে।
কিন্তু ৩য় ব্যপারটা ১ও ২ শাস্তি অগ্রাজ্য কারীদের জন্য সমাধান বার্তা হিসাবে কাজ
-------------------------------------------
ইরানে সব ক্ষত্রে প্রকাশ্য ফাসি দেয়া হয় না। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে দেয়া হয়। এক্ষেতরে ৩নং বিষয়টা বিবেচনা করে তা করা হয়। কারন মানুষ যেটা নিজের চক্ষে দেখেছে সেটা শুনার থেকে অনেক বেশী ইফেক্টিভ। এখানে ইফেক্টটা তৈরি করার জন্য প্রকাশ্যের ব্যবস্থা করা হয়।
মানুষের অপরাধ প্রবনতা কমানেরা জন্য এর থেকে কার্যকারী কোন পদ্বতি আছে কি?
শাস্তির ক্ষেত্রে একটা ব্যপার কাজ করে শাস্তি যত কঠিন হবে সেই অপরাধ করার প্রবনতা তত কমে যাবে। এর প্রকৃষ্ট উদাহরন হল, এসিড নিক্ষেপ।
রেজওয়ান বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি, আপনি আরেকটি পয়েন্টও ধরতে পারেননি। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির যুক্তি হতে পারে চরম জঘন্য কাজের জন্যে। যেমন ইরানে আমার মনে হয় ২০০৫ সালে একজন সিরিয়াল কিলারকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেয়া হয়েছিল যার ২১ জন ভিকটিমের মধ্যে ছোট শিশুরাও ছিল। তার জন্যে লোকের ঘৃনাও থাকবে এবং হয়ত তার এই ধরনের শাস্তির পেছনে কিছুটা যুক্তি দেয়া যায়। এখানে আমি ধর্মে কি বলেছে সেটাতে যাচ্ছিনা। ধর্মের সঠিক বাস্তবায়ন হলে তো আর আমাদের এইসব দেখতে হতো না। ধর্মকে বর্ম হিসেবে রেখেই মতলববাজরা তাদের উদ্দেশ্য সাধন করে।এই কেসটি তো অন্য। রাস্ট্রের রিপ্রেশনের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নতাবাদী (মানুষ মারা অবশ্যই ভুল) কার্যকলাপ। এখানে রাষ্ট্রযন্ত্রের সমস্যাগুলো না মিটিয়ে, মানুষের উপর ভয়ের রাজত্ব কায়েম করার জন্যেই এই খুনের শাস্তি প্রকাশ্যে দেয়া হলো। মানে বলা হচ্ছে দেখ সরকারের কাজের সমালোচনা করা যাবে না, আমাদের বাঁধা দিলে পরিনতি এই। কাজেই রবিনহুড যেটা বলেছে দৃষ্টান্তমুলক কোনটার জন্য প্রযোজ্য হবে এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কিনা তা বিবেচনায় আনতে হবে।
রেজওয়ান বলেছেন:
হুদা ইসলাম ইরানী সরকার যে অনেক ইরানীদের কারন ছাড়াই গ্রেফতার করছে, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গুম করে দিচ্ছে তার জন্যে কি প্রকাশ্যে শাস্তি হবেনা তাদের?
রাশেদ বলেছেন:
ধিক্কার
রাশেদ বলেছেন:
এই ফাসিটা দেয়া হইছে রাজনৈতিক কারনে, এইখানে ইসলামরে টানার কি আছে, আস্তবাতি সব যায়গায় খালি ধর্মের বা হাত ঢুকায়... এইটা কেন ইসলামিক হিসেবে দৃষ্টান্তমূলক বুঝলাম না...
আশরাফ রহমান বলেছেন:
রেজওয়ান মাঝে মাঝেই ইরানের বিদ্রোহী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পক্ষে মানবাধিকার লংঘনের কথা বলেন। কিন্তু যখন এই সন্ত্রাসীরা একজন প্রেসিডেন্ট সহ রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ৭২ জন নেতাকে হত্যা করছিল তখন কোথায় ছিল মানবাধিকার? এসব সন্ত্রাসী এখনও ইরানের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতা চালাচ্ছে, কই তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে তো আপনি কিছু লিখেন না ! ইরানের বিদ্রোহী মুজাহিদীনে খালকের পক্ষে কথা বলা আর বাংলাদেশের জঙ্গীদের পক্ষে কথা বলা একই কথা।আরেকটা কথা। ইরানের প্রকাশ্য ফাসিগুলোর সময় ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে যেতে নিষেধ করা হয়। পাশ্চাত্যের মিডিয়াগুলো ফাসি মঞ্চের অনেক দুরের কোন স্থানের ছবি সরবরাহ করে ফায়দা লুটতে পারে। বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত।
রেজওয়ান বলেছেন:
বিদ্রোহী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বলছেন কাদের? আপনি ইরানীদের ব্লগ পড়েন? (!@@!1293768 !@@!1293769) লাখ লাখ ব্লগ আছে তাদের। ওগুলো পড়লেই বুঝবেন কে সন্ত্রাসী আর কারা ইসলামের কথা বলে উৎপীঢ়ন চালাচ্ছে। আপনি তো দেখি ইরানী সরকারেরই চর। (!@@!1293793 !@@!1293794এসব খবর ইরানীরাই দিচ্ছে আপনারই মত ব্লগের মাধ্যমে। কোন পশ্চিমা মিডিয়া দিচ্ছে না।
বলেন এগুলোও পশ্চিমা মিডিয়ার সৃষ্টি।
ইরানী এসব তরুনরা আপনার মতই ধার্মিক এবং পশ্চিমাদের ঘৃনা করে। তারা তাদের দেশে গনতন্ত্রের পক্ষে কথা বলছে বলেই তাদের বিরুদ্ধে প্রচার হচ্ছে।
আর হ্যা আমার দেয়া ছবিগুলোর বেশীরভাগই ইরানী উৎস থেকে দেয়া (ফারসী আমি পড়তে পারিনা আপনি পড়ে নিয়েন)।
রেজওয়ান বলেছেন:
ছবির নীচে দেখুন উৎস আছেন। ইসনা মানে হচ্ছে ইরানী স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সী। লিন্ক পোস্টে দেয়া আছে। সব কিছুর মধ্যেই পাশ্চাত্য দেখা আপনার রোগে পরিনত হয়েছে। বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত।
নিরপরাধ বলেছেন:
প্রকাশ্যে ফাসি দেয়া আমার কাছে বর্বরতা মনে হয় না। শিশুরা এই দৃশ্য দেখে ভয় পেতে পারে কিন্তু দেখতে দেখতে অনেক কিছু সহনীয় হয়ে উঠে। আমাদের দেশে কোরবানীর ঈদে প্রকাশ্যে পশু কোরবানী দেয়া হয় এবং আমার মনে হয় এর প্রধান দর্শক সকল বয়সের শিশুরা। যেহেতু সাংস্কৃতিকভাবে আমরা এতে অভ্যস্ত তাই আমাদের শিশুরাও এই দৃশ্য দেখে বিচলিত হয় না। কিন্তু তথাকথিত উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই বিরূপ প্রতিক্রিয়ার কথা চিন্তা করে প্রকাশ্যে পশু বধ নিষিদ্ধ। এটা সভ্যতা বিচারের কোনো মানদণ্ড না, অর্থাৎ পশ্চিমে এটা নিষিদ্ধ বলে তারা আমাদের চেয়ে সভ্য এমনটা ভাবার কারন নেই।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
@বাত্তি, বৌ জানি কখন পিটানের জায়েজ আছে, এইটা একটু জানতে চাই? বিবাহ করলে তো বৌরে তো সোজা রাখতে হইবো!আইচ্ছা, আমার মতো বান্দর স্বামীগো ঠিক রাখার লিগা বৌরা কি করতে পারবো সেরকম কোনো বিধান আছে?
@বাত্তি তুমি তো মাইয়া হুজুর, তুমার টো এইসব জানার কথা!
অন্যরকম বলেছেন:
কোথায় কোন ইরানে কারে ফাসি দিতাছে আর এখানে সবাই বৌ পিটানো শুরু করছে। শালার বাঙ্গালীর কাজই হল ঘরের খেয়ে বনের মোষ তারানো!!!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















