পোস্ট আর্কাইভ
- এপ্রিল,২০১০(২)
- জানুয়ারী,২০১০(১)
- ডিসেম্বর,২০০৯(১)
- নভেম্বর,২০০৯(১)
- জুলাই,২০০৯(১)
- এপ্রিল,২০০৯(২)
- মার্চ,২০০৯(৪)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৯(২)
- জানুয়ারী,২০০৯(৩)
- ডিসেম্বর,২০০৮(৫)
- নভেম্বর,২০০৮(২)
- অক্টোবর,২০০৮(২)
- সেপ্টেম্বর,২০০৮(১)
- আগস্ট,২০০৮(২)
- জুলাই,২০০৮(১)
- জানুয়ারী,২০০৮(২)
- ডিসেম্বর,২০০৭(১)
- নভেম্বর,২০০৭(১)
- অক্টোবর,২০০৭(৬)
- সেপ্টেম্বর,২০০৭(১)
- আগস্ট,২০০৭(৩)
- জুলাই,২০০৭(৩)
- জুন,২০০৭(৪)
- মে,২০০৭(১৫)
- এপ্রিল,২০০৭(১০)
- মার্চ,২০০৭(১৯)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৭(১০)
- জানুয়ারী,২০০৭(১২)
- ডিসেম্বর,২০০৬(৬)
- নভেম্বর,২০০৬(৪)
- অক্টোবর,২০০৬(১৪)
- সেপ্টেম্বর,২০০৬(৮)
- আগস্ট,২০০৬(২৯)
- জুলাই,২০০৬(৩৭)
- জুন,২০০৬(৬)
- মে,২০০৬(৪)
- এপ্রিল,২০০৬(৮)
- জানুয়ারী,২০০৬(১)
- ডিসেম্বর,২০০৫(১)
আমার লিঙ্কস
আমার বিভাগ
আমার প্রিয় পোস্ট
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- ধেয়ে আসছে প্রকৃতির প্রতিশোধের ভয়ংকর ড্রাগন! জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে কোথাও বাঁচার পথ নেই!! - মনজুরুল হক
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- হজ্বের সেই দিনগুলো - ২য় পর্ব - আশিক হাসান
- দেশের সংবাদপত্রগুলোর প্রচার সংখ্যার আপডেট, মার্চ ০৯ - কাঙাল
- একাত্তরের চিঠি সংকলনের টেক্স্ট কন্টেন্ট রিভার্সিং: একটি প্রকল্পের প্রস্তাবনা - তর্পন
- সামহোয়ারইনে স্বাধীনতা দিবস '২০০৯ এর ভাবনা- একটি পোষ্ট সংকলন। - তায়েফ আহমাদ
- ব্লগ কী? - ফাহমিদুল হক
- আলোচিত বই --মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ( মুহম্মদ জাফর ইকবাল) /// ৯-১৬ পৃষ্ঠা। - পথিক!!!!!!!
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- প্রমিত বাংলা বানান রীতি (৩): অনুস্বার (ং) এবং উঁয়ো (ঙ)! - ম্যাভেরিক
- সামহয়ারইন দেখুন আপনার মোবাইল থেকেই!
- দুর্লভ
- বঙ্গোপসাগরে ঘোড়দৌড় : প্রতিযোগিতাতেই নেই বাংলাদেশ! - ফিউশন ফাইভ
- ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের ছয় বছর পূর্তী - আশাবাদী!!
- ~~*~*~দৈনিক সংগ্রাম ১৯৭১ ও ২০০৮:জামাতের রঙ বদলের জ্বলন্ত প্রমান~~*~*~ - এ. এস. এম. রাহাত খান
- এই সব 'আন্দোলনউৎসবের'চোরাগলিতে আমাদের হারানো ভবিষ্যৎ - মনজুরুল হক
- মুছে ফেলুন - কেন লিখে রেখেছেন? - নাফিস ইফতেখার
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কিভাবে বই বের করবন। পর্ব-২ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৩৪ (দোতলার ল্যন্ডিং,মুখোমুখি দু'জন--আহসান হাবীব)] - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি - লাল দরজা
বাহরাইন ও ওমানে বিদেশী শ্রমিকদের জীবন
২২ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৭ |
মধ্যপ্রাচ্যের জনসংখ্যার বিশাল এক অংশ হচ্ছে মূলত: দক্ষিণ এশিয়া থেকে আগত অভিবাসী শ্রমিকরা। এই পোস্টে আমরা তেমন দুই ব্যক্তির কথা শুনব যারা দক্ষিন এশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করার জন্য এসেছেন।
মোহাম্মদ ইকবাল হচ্ছেন ইন্দোনেশিয়ার একজন নাগরিক যিনি বাহরাইনে থাকেন। তিনি বাংলাদেশী একজন শ্রমিকের গল্প বলেছেন (মূল ইংরেজী থেকে অনুবাদ):
আমি সম্প্রতি একজন বাঙ্গালীকে (বাংলাদেশী) দেখেছি যে একটা হোটেলে সাময়িক রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে। সে আসলে হোটেলের পাবলিক এলাকাতে কাজ করে, যেমন কাচের জানালা পরিষ্কার করা, বা লবির মেঝে পরিষ্কার করা। সে অতিথি কক্ষের দায়িত্বে নেই বা কামরা ঠিক করে না। এখানে কোন বিষয়টি ঠিক না? তাকে ১৫০০ বাহরাইনি ডিনার (৩৯৮০ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ৩ লাখ টাকা) ব্যয় করতে হয়েছে বাহরাইনে কাজের ভিসা পাওয়ার জন্য। তার ২ বছর কাজ করার অনুমতি আছে। প্রতিদিন ১০ বাহরাইনি ডিনার (২৬ আমেরিকান ডলার) বেতন দেয়া হয় তাকে, তার মানে সে প্রতিমাসে ২৪০ বাহরাইনি ডিনার (৬৩৬ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ৪৫ হাজার টাকা) আয় করে। এটা কি বেশ ভালো বেতন? দাড়ান...! তাকে তার ফ্লাট, পানি, বিদ্যুত, খাওয়ার জন্য টাকা দিতে হয় আর এরপর অবশ্যই দেশে টাকা পাঠাতে হয়।
আমরা হিসাব করি। বাড়ির জন্য সে অনেকের সাথে একটা ফ্লাটে থাকে যেটার জন্যে ব্যয় মাসে ধরা যাক ৫০ বাহরাইনি ডিনার (১৩২ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ১০ হাজার টাকা)। এরপরে পানি আর বিদ্যুত আরো ১০ বাহরাইনি ডিনার (২৬ আমেরিকান ডলার), আর এরপরে খাওয়া ৪০ বাহরাইনি ডিনার (৬৬ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ৫ হাজার টাকা)। তাহলে বাড়ীতে নেওয়ার জন্যে পুরো অর্থ বাঁচবে বাংলাদেশী টাকায় ১১৫ (৩০৫ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ২১ হাজার টাকা) প্রতি মাসে। এক বছরে (১২ মাসে) সে বাঁচাতে পারবে ১৩৮০ বাহরাইনি ডিনার (৩৬৬০ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় আড়াই লাখ টাকা)। এই অর্থ ভিসা বা ঢোকার ফি হিসাবে দেয়া ১৫০০ বাহরাইনি ডিনার (৩৯৮০ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ৩ লাখ টাকা) শোধ করার জন্যে যথেষ্ট না। আমার কোন ধারণা নেই এই অর্থ সরকার নির্ধারিত কিনা, কিন্তু একটা জিনিষ আমার কাছে পরিষ্কার না যে ২ বছরে সে মাত্র ১২৬০ বাহরাইনি ডিনার (৩৩৪০ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ২ লাখ ৩৩ হাজার টাকা) বাঁচাতে পারে। পরিশেষে সে তার ১৫০০ বাহরাইনি ডিনার (৩৯৮০ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ৩ লাখ টাকা) বিসর্জন দিয়ে আর দুই বছর কঠোর পরিশ্রম করেছে কেবলমাত্র ১২৬০ বাহরাইনি ডিনার (৩৩৪০ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ২ লাখ ৩৩ হাজার টাকা) এর জন্য। আরো দুই বছরের কাজের ভিসা বাড়াতে তাকে আবার ১০০০ বাহরাইনি ডিনার (২৬৫২ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ) বিনিয়োগ করতে হবে। তার মানে দুই বছর পরে, সে পারবে বাঁচাতে ২৬০ বাহরাইনি ডিনার (৬৯০ আমেরিকান ডলার, বাংলাদেশী টাকায় ৪৮ হাজার টাকা) মাত্র আর আমি এখনও জানিনা সে কিভাবে এরপর তার বিমান ভাড়া দেয়। আমি আসলেই বুঝতে পারি না যেহেতু এটা যুক্তিযুক্ত না!
বাহরাইনে অবস্থিত একজন ফরাসী লেখক ফ্রান্সিন বারলেট গত মে মাসে ওমানের মাস্কাট থেকে বাহরাইনে আসার সময়ে ইয়াসমিনা নামে ভারতীয় একজন মহিলার সাথে কথা বলেছেন। এটা ইয়াসমিনার গল্প (মূল ফরাসী থেকে অনুবাদ):
আমার চেন্নাইয়ের (ভারতে) জীবন খুব সহজ ছিল না, জানেন। কলেজে আমার দুই মেয়ে আছে। একদিন তারা ডাক্তার হবে। কিন্তু প্রথমে আমাকে তার ব্যয়ভার বহন করতে হবে, আরো অনেক কিছুর জন্যে টাকার যোগাড় করতে হবে। আপনি জানেন, আমি কেবলমাত্র ওমানের সালালাহতে দুই মাস কাটিয়ে আসলাম। আমি গতকাল সেখানে আমার কাজ ছেড়েছি। আমি একটা ওমানি পরিবারের সাথে ছিলাম। ম্যাডামের দশটা বাচ্চা ছিল- আটটা মেয়ে আর দুইটা ছেলে- আর মে মাসের শেষে তিনি এগারোতম সন্তানের জন্ম দেবেন। আপনি বুঝতে পারছেন? এগারোটা বাচ্চা...সেটা চমৎকার। কিন্তু আমি সেখানে থাকবো না দেখার জন্য যে সেটা ছেলে না মেয়ে। আমাকে যেতে হবে। এটা কঠিন তাকে একা রেখে আসা, জন্মের এতো কাছে কোন সাহায্য ছাড়া রেখে আসা, কিন্তু আমি থাকতে পারবো না।
প্রত্যেকদিন সন্ধ্যায়, তার স্বামী আমার শোয়ার ঘরে আসত। প্রত্যেক সন্ধ্যায় আমি তাকে বলতাম, “আমি আপনার কর্মী, স্ত্রী নই। ফিরে যান, আপনার স্ত্রীর আপনাকে প্রয়োজন। নিজের বিছানায় ফিরে যান। আপনার অধিকার নেই আমার সাথে এমন করার। আমাকে বিশ্রাম নিতে দেন, আমি ক্লান্ত...”। আপনি কল্পনা করতে পারেন? দশটা বাচ্চা, বাড়ির কাজ, রান্না, কাপড় ধোয়া আর কয়েক টন ডিশডাশা আর আবায়া পোশাক ইস্ত্রী করা প্রত্যেক দিন যার সাথে ছিল চাদর, ডায়াপার আর তোয়ালে। কিন্তু আপনি জানেন, আমার কাজ করতে আপত্তি নেই। আমি অন্য কিছু কিভাবে করতে হয় জানিনা। আমি নিবেদিত। আমি কঠিন কাজকে ভয় পাইনা। কিন্তু রাত্রে আমার সাথে এমন করার অধিকার তার ছিল না। আমাকে ছোঁয়া, বিরক্ত করা। আমি তাকে থামাতে পারতাম না। জোর ছিল না... আমাকে কিছু করার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। দ্রুত।
বুঝেছেন, আমাদের মতো কাজের লোক যারা ভারত, শ্রীলঙ্কা, সোমালিয়া বা ফিলিপাইন্স থেকে আসে, তাদের দুই মাসের অর্ন্তবতীকালীন সময় থাকে, আর তার পরে তারা চুক্তি বাতিল করে ফিরে যেতে পারেনা। আমাদের পাসপোর্ট মালিকের হাতে আটক থাকে, আর তারা না চাইলে আমরা যেতে পারি না। আপনাকে আপনার দুই বছরের চুক্তি শেষ করতে হবে, বাড়িতে যেতে পারার আগে। এটাই আইন। আমি তাদেরকে বলেছিলাম আমি আমার অর্ন্তবতীকালীন সময় শেষ হওয়ার আগেই চলে যেতে চাই, এটা আমার অধিকার। তা সত্ত্বেও ওই গৃহস্বামী চায়নি যে আমি যাই।
এর পরে আমি খাওয়া বন্ধ করে দেই। পাঁচ দিন আমি আমার কামরা থেকে বের হইনি, আমি কিছু খাইনি, আমি স্নান করিনি। তারা ডাক্তার ডেকেছিল, আর সে পুলিশ ডেকেছিল। ওই! তারা আমাকে বিমানবন্দরে নিয়ে গেল। স্বামীকে আমার বাড়ী ফেরার প্লেনের টিকিট কিনে দিতে হলো, আর আমার পাসপোর্ট ফেরত দিল। এটা আইন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে খারাপ ছিল, জানেন। আমি পড়তে পারিনা। আমি বুঝতে পারিনি আমার প্লেনের টিকিটে কি লেখা আছে। বোর্ডিং এর সময়ে গালফ এয়ারের এটেন্ডেন্ট বলল যে আমার টিকিট রামানাথাপুরামের , আমার বাড়ী চেন্নাইএর না। আপনি বিশ্বাস করতে পারেন? আমি প্লেনে উঠতে অস্বীকৃতি জানাই। কোথায় যাবো? রামানাথাপুরাম এমন একটা শহর যেটা আমি চিনি না। সাথে কোন টাকাকড়ি নেই, কোনো সাহায্য ছাড়া, আমার বাড়ি থেকে ৬০০ কিমি দুরে কি করব? ভাগ্যক্রমে, রামানাথাপুরাম থেকে চেন্নাই পর্যন্ত পুলিশ আমার টিকিটের টাকা দিয়েছে। সেই স্বামীটা তাদেরকে ফিরত দেবে। পুলিশরা ঠিক কাজ করেছে, জানেন। এটার খরচ পরেছে ৬০ রিয়াল (আমেরিকান ডলার ১৫৫)... আমার জন্য এক মাসের বেতন!
আমি দুবাইতে এর আগে পাঁচ বছর ছিলাম যেখানে আমি ‘লাফ’ দিয়েছিলাম (লাফ দেয়া মানে: মালিককে ছেড়ে দিয়ে, পাসপোর্ট ছেড়ে দিয়ে, অন্য কোথাও ভালো বেতনের একটা কাজ নেয়া, কিন্তু আইনসঙ্গতভাবে নয়)। আগে সৌদি আরবে আমি দুই বছর কাজ করেছি, দুই বছর ওমানে। আমি আবার আসব। এই দেশকে আমার আসলেই ভালো লেগেছে। কিন্তু এখনই না। প্রথমে আমি আমার মেয়েদেরকে দেখতে চাই আর একটু বিশ্রাম নিতে চাই।
প্রথম প্রকাশ: গ্লোবাল ভয়েসেস বাংলায় । আয়েশা সালদানহার রচনা থেকে অনুবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সিটিজি৪বিডি বলেছেন:
প্রবাসীরা অনেক দুঃখে-কষ্টে আছে। একটি ডকুমেন্টারী ফিল্ম বানালে সবাই বুঝতো যে আমরা কতটা আনন্দে আছি। আগামীতে আমিও দুবাই প্রবাসী বাংলাদেশীদের কথা তুলে ধরব। তবে লিখে কোন লাভ নেই। কারন দুতাবাস বা কোন সরকার প্রবাসীদের কল্যানে কোন কাজ করেনা। আপনার পোষ্টটি খুব ভাল লেগেছে। প্রবাসীদের সুখ-দুখ তুলে ধরুন। বিশেষ করে আগামী প্রজন্ম সিদ্ধান্ত নেবে তারা কি প্রবাসী হবে নাকি ভালভাবে পড়াশুনা করে দেশেই চাকরী করবে।
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
সত্যি ... হৃদয় বিদারক ক্যামন আছেন রেজওয়ান ভাই? অনেকদিন পর লিখলেন
এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ এমন লেখাটির জন্য। তবে আমার মনে হয় এসব এখন আর নতুন কিছু নয়, তারপরও আমরা সবাই এখানে আসার জন্য উম্মুখ হয়ে বসে থাকি। আমাদের সরকার - উনাদের তো কোন জবাব নেই। খালেদা বলেন আর হাসিনা বলেন সবাই যেনো মুদ্রার এপিট ওপিট। আমাদের দুঃখ উনার কি দেখবেন উনারা তো নিজেরাই একটা বড় সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে আজ জাতীয় জীবনে। আল্লাহই ভালো জানেন কবে যে আমাদের সরকারের একটু টনক নড়বে এই প্রবাসীদের জন্য। একটি মজার ব্যাপার হলো- যত বড় বড় আদম ব্যাপারী আছে যাদের জন্য আমাদের এই দুর্দশা তারা সবাই আবার সরকারের ছত্রছায়ায় থাকে।
একজন সৈকত বলেছেন:
বাংলাদেশের অর্থনীতি যাদের রক্ত পানি করা অর্থে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের আত্মত্যাগের খবর আমরা কতটুকু রাখি?কত অশ্রুজল, কত বন্চনা- তিতিক্ষায় দেশের তথাকথিত চাকচিক্যের পিছনে ব্যয় হয়, সেটা নেতা-জন গণের জানা উচিৎ।
শুধু বিদেশে কেন, জিয়া এয়ারপোর্টে তাদের সাথে আমাদের কাস্টমস অফিসারদের দুর্ব্যবহার আমি দেখেছি। তুই-তুকারি করে কথা বলে।
তারা ভুলে যায়, তাদের বেতনের টাকা কোথা থেকে আসে, সরকার চলছে কাদের টাকায়!
নেতা -জনগনের জানা উচিৎ, মুষ্টিমেয় দুর্নীতিবাজ আমলা-নেতা- রাজনীতিবিদ বা মুনাফাখোর ব্যবসায়ী কিংবা সুবিধাবাদী আঁতেল বুদ্ধিজীবিরা নয়, এদেশ মার্তৃকার আসল সুসন্তান অগনিত এইসব দেশ বিদেশে ছড়ি্য়ে থাকা সৎ, পরিশ্রমী, ত্যাগী শ্রমজীবি বাঙালী সন্তানেরা।
সরকারের সাথে সাথে আসলে আমাদেরও অনেক সচেতনতা দরকার।
তাই এ নিয়ে আরো লেখালেখিও দরকার।
প্রবাসীদের সুখ-দুঃখ নিয়ে আরো লিখুন।
লেখাটি বেশ লেগেছে!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...













আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।