somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... উপমহাসাগরীয় অঞ্চলে আধুনিক দাসত্ব
এনিয়ে আমরা পত্রপত্রিকাতে পরস্পর-বিরোধী অনেক কথা শুনেছি। কোনটিই কিন্তু এসম্পর্কে সঠিক পরিপ্রক্ষিত দেয় না। বর্তমানে সিটিজেন জার্নালিজম ও ব্লগের যুগে আমি আশা করব আমাদের এইসব নির্যাতিত ভাইবোনেরা ব্লগের মাধ্যমে তাদের দু:খকষ্টের কথা জানাবেন।

আরব দেশগুলোর সরকারী মনোভাব এমন হলেও সাধারণ লোকজন কি ভাবছে সেটা আমাদের জানার তেমন সুযোগ নেই। গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইনে কিছু আরব ব্লগারদের মতামত পড়ে মনে হয়েছে যে তাদের অনেকে হয়ত এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে।

বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী কর্তৃক বাংলাদেশী শ্রমিকদের জন্য কাজের অনুমতি দেয়াতে নিষেধাজ্ঞা জারির পর সে দেশী ব্লগার খালিদ বলেছেন :

সম্প্রতি, বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী একটা ডিক্রি জারি করেছেন বাংলাদেশীদের নতুন কাজের অনুমোদন না দেয়ার জন্য!! এটা একজন বাংলাদেশীর জঘন্য অপরাধ করার কারনে!! এখানে আমি জানতে চাই: এই আইন করার পেছনে মূল উদ্দেশ্য কি? এর আইনী দিক গুলো কি? একটা অপরাধ হলে, তদন্ত হবে আর বিচার ব্যবস্থাও আছে তার জন্য। তাহলে বাংলাদেশের লোকের উপর এই নিষেধাজ্ঞা কেন? আর এই পক্ষপাতিত্ব কেন? আর কোন আইনের আওতায় একজন বা একদলের অপরাধের জন্য একটা গোটা জাতিকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে? আমরা আইনের দেশে আছি না? এই সিদ্ধান্ত কি ঠিক? অবশ্যই না আর এটা একটা গুরুতর ভুল। আজকে সবাই এমন ভাবে বলছে যেন সব বাংলাদেশী অপরাধী আর খুনী, যাদেরকে বের করে দেয়া উচিত।

(বিস্তারিত গ্লোবাল ভয়েসেস বাংলায় )

দুইশোরও বেশী বাংলাদেশী শ্রমিককে কুয়েত থেকে বহিস্কার প্রসঙে সৌদি ব্লগার আহমাদ লিখেছেন :

আমি নিশ্চিত শুধু কুয়েত নয় গাল্ফ অঞ্চলের আমরা সবাই এশিয়ার শ্রমিকদের নীচু করে দেখি। তাদের কোন ধরনের প্রশংসা বা সম্মান তো করিই না, পশুর মত ব্যবহার করি। আমাদের নাগরিকরা তাদের সাথে এমনভাবে ব্যবহার করে যেন তারা মানুষ নয়, আর কোম্পানিরাতো তাদের সাথে আরও খারাপ ব্যবহার করে, কম বেতন দেয়া থেকে শুরু করে। আমি জানি যে ১২০ আমেরিকান ডলার (৪৫০ রিয়াল) হয়ত বাংলাদেশে উঁচু মাসিক বেতন অনেকের জন্যে, কিন্তু এই বেতনে রিয়াদ, দুবাই বা কুয়েতে কোন শ্রমিক জীবনধারণ করতে পারবে না, কোন টাকা জমানো তো দুরে থাক। আমরা যদি দৈনিক তিন বেলা খাবারের কথা চিন্তা করি, শ্রমিকদের কমপক্ষে ১২ রিয়াল ব্যয় করতে হবে প্রতিদিন। এবং তার মানে তাদের ৩৬০ রিয়াল খাবারের পেছনেই ব্যয় হবে, কাপড়, যাতায়াত ও অন্যান্যর কথা বাদই দিলাম।

গাল্ফ অঞ্চলের শ্রম মন্ত্রণালয়রা দেশের নাগরিকদের কাজের ব্যাপারেই শুধু চিন্তা করে এবং এই দুর্বলতাকেই কাজে লাগায় বিভিন্ন কোম্পানি। তারা শ্রমিকদের উপর তাদের শয়তানি চাল চালে কম বেতন, অতিরিক্ত কাজ, নিকৃষ্ট বাসস্থান ইত্যাদি দিয়ে এবং সব ধরণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে। যদিও কাজের সময় নয় ঘন্টার বেশী হবার কথা নয় আমরা দেখছি যে নির্মানশিল্পে এমনকি রেস্টুরেন্টে সারাদিন ধরে শ্রমিকরা কাজ করছে। তারপরেও আমরা রেগে যাই যখন মানবাধিকার সংগঠনগুলো গাল্ফ অঞ্চলে দাসত্বের অভিযোগ তুললে।

সরকারী বড় বড় প্রকল্পের পাওনা যখন পরিশোধ করতে সরকার দেরী করে, অনেক কোম্পানিরাই শ্রমিকদের বেতন দেয়া বন্ধ রাখে। যখন শ্রমিকরা প্রতিবাদ শুরু করে এবং তাদের কণ্ঠ তাদের দেশের কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে, ঐসব কোম্পানীরা তাদের কাছে বলে যে সরকারের কাছ থেকে টাকা পাচ্ছে না বলে তারা দিতে পারছে না। অথচ হয়ত তাদের প্রাপ্যের কিছু পরিমাণই বাকী আছে যা হয়ত সাত-আট মাস পরে পাওয়া যাবে। এর সাথে শ্রমিকদের কোন সম্পর্ক না থাকলেও তারা এ দিয়ে শ্রমিকদের জিম্মি করে রাখে। তাদের আট মাস ধরে বেতন দেয়া হয় না - তারপরেও আমরা রেগে যাই যখন তারা অপরাধ ও চুরি চামারী বেছে নেয়।

যখন আমি শ্রমিকদের দু:খ দুর্দশার আসল ঘটনাগুলো শুনি, আমার এটাই বুঝতে পারি যে তাদের দাসের মতই ব্যবহার করা হচ্ছে। কোন কোন কোম্পানি তাদের রেসিডেন্স পার্মিট নবায়নের জন্যে একমাসের বেতন কাটে, আরেক কোম্পানি শ্রমিকদের সাপ্তাহিক ছুটি থেকে বঞ্চিত করে। তাদের ছুটির জন্যে কোন ওজর শোনা হয় না, এমনকি অসুস্থ অবস্থায়ও তাদের কাজ করতে হয়। একজন শ্রমিক বলেছে যে সে তিন বছর ধরে সৌদি আরবে কাজ করছে কিন্তু একবারও হজ্জ্ব করতে পারেনি কারন তার কোম্পানি তাকে দুদিনেরও ছুটি দেয়নি।

এইসব খারাপ দিকগুলোর প্রভাব বাসার কাজেও পড়েছে। সমস্ত উপমহাসাগরীয় দেশগুলিতে বাসার কাজের লোক বা ড্রাইভার ১৮ ঘন্টা একনাগারে কাজ করে, এবং এদের অনেকেরই ঠিকমত শোয়ার যায়গা নেই। কারও কারও শোয়ার জায়গা মিলে রান্নাঘরে, ফ্রিজ এবং ওভেনের মাঝামাঝি যায়গায়। একদা আমার এক বন্ধু বলেছিল (গর্ব সহকারে) যে সে তার কাজের মেয়েকে উঠান ঝাড়ু দিতে দেয় না কারন সে হয়ত পড়শীর ড্রাইভারের ফোন নম্বর জেনে যেতে পারে। তাই সে কখনও বাড়ীর বাইরে যাবার সুযোগ পায় নি এবং হয়ত কোনদিন সুর্যরশ্মির স্পর্শ পায় নি ছাদে কাপড় শুকানোর সময় ছাড়া। আমার বন্ধুটি বলেছিল যে তাকে পরিবারের সাথে দোকান বা রেস্টুরেন্টেও যেতে বাধা দেয়া হয় অন্যান্য কাজের লোকের সাথে পরিচিত হবে এই ভয়ে। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘সে কি জেলে বন্দী?' সে বলল, ‘কিন্তু এই কাজের মেয়ে তো সুখেই আছে!'

আমাদের সবচয়ে বড় সমস্যা ইসলাম ধর্ম নিয়ে নয়, অবশ্যই; আমরা আমাদের সংস্কৃতি এবং আমাদের ইসলামিক রীতি নিয়ে গর্ব করি কিন্তু সেগুলো পালন করি না। যে কোন দিন একটি নির্মান স্থানের সামনের ট্রাফিক লাইটে থেমে দেখবেন, কিভাবে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরমে, শ্রমিকরা একটি যন্ত্রপাতির (অথবা ভেড়া বহনের) ট্রাকে গাদাগাদি করে আছে। কিন্তু কোম্পানির মালিকের লালসা বড়, তাদের বাসস্থান থেকে কার্যস্থলে আনা নেয়ার জন্যে বাস কেনে না, যা কিনতে হয়ত মাত্র ৪০,০০০ রিয়াল খরচ হত। যদি এই বিষয়টি আমার হাতে থাকত, ট্রাকে করে শ্রমিক বহনকারী কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করতাম, এবং বিচারে রায় হত মালিককে এক সপ্তাহ এভাবে যাতায়াত করতে হবে। (শুধুই আমার স্বপ্নে!)

আপনারাই বলেন, কখন আপনি আপনার ড্রাইভার বা কাজের লোকের জন্যে রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার এনেছেন? এবং আপনি ড্রাইভারকে কি আপনার মোবাইল ফোন দেন তার পরিবারের সাথে কথা বলার জন্যে? আর আপনার কাজের মেয়ের বেলায় কি হয়? সে কি এখনও পরিবারকে চিঠি লিখে পোস্টে পাঠায়?

এটি যে দাসত্ব এ ব্যাপারে আপনার কোন সন্দেহ আছে?


(সূত্র গ্লোবাল ভয়েসেস বাংলা )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28830690 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28830690 2008-08-14 03:45:25
বাংলা ব্লগ ও ব্লগ পলিটিক্স
বাংলা ব্লগের উৎপত্তি ও স্বরুপ বিশ্লেষনে আমাদের একটু পেছনে যেতে হবে। ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জর্ন বার্জার প্রথম ওয়েব্লগ শব্দটি ব্যবহার করেন। ১৯৯৮ সালে আমেরিকায় ওপেন ডায়রি প্রথম ব্লগ প্লাটফর্ম হিসেবে জন্ম নেয়। পরের বছরই লাইভ জার্নাল, ডায়রিল্যান্ড ইত্যাদি চালু হয়। লক্ষণীয় যে এগুলো ছিল বর্তমান বাংলা ব্লগিং প্লাটফর্মগুলোর আদলে অর্থাৎ এদের (হয়ত কিছুটা ভিন্নভাবে) একটি এগ্রেগেটর বা প্রথম পাতা ছিল যেখানে সবার লেখা আসত। পরে এই ডিজাইনের বিবর্তন শুরু হয় এবং মনে হয় ব্লগার (ব্লগস্পট) প্লাটফর্ম থেকেই ব্লগগুলো স্বকীয়তা পাওয়া শুরু করে। পরবর্তী বছরগুলোতে প্রফেশনালরা নিজস্ব ডোমেইন ব্যবহার করা শুরু করে এবং মুভেবল টাইপ ও ওয়ার্ডপ্রেস ইত্যাদি ব্লগিং প্লাটফর্ম করে নিজেরাই একেকটি আইকন হয়ে যায়।

ইংরেজী ব্লগের বিস্ফোরন শুরু হয় ২০০৩ সালে আমেরিকার ইরাক আক্রমণের সময়, ঘটনা চক্রে সে বছরই আমি ইংরেজীতে ব্লগিং শুরু করি। কিন্তু বাংলা ব্লগ তখনও ছিল দুর অস্ত। কারন বাংলা লেখার প্লাটফর্মের সমস্যা। ২০০৪ সালের এপ্রিল মাসে কলকাতার দেবাশীস ও সুকন্যা ব্লগস্পটে বাংলা ব্লগ শুরু করেন ও খুঁজে খুঁজে আগ্রহীদের আমন্ত্রণ জানান ও সাহায্য করেন শুরু করার জন্যে। আমার নিজের ইউনিকোড ও অন্যান্য বাংলা লিখন পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা ছিল না। আমার কম্পিউটারে তখন লেখো নামে একটি ইউনিকোড এডিটার ইনস্টল করে ব্লগে বাংলা লেখার চেষ্টা করলাম কিন্তু সেটি বেশ জটিল ছিল তাই আগানো সম্ভব হয় নি।

২০০৫ সালের ১৬ই ডিসেম্বর প্রথম বাংলা ব্লগিং প্লাটফর্ম বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ (সামহোয়ার ইন) আত্মপ্রকাশ করলে বাংলা ব্লগিংয়ের ক্ষেত্রে নবদিগন্ত রচিত হয়। হাসিন ও এমরান বাংলার প্লাটফর্ম সমস্যার প্রথম বাঁধাটি ভাঙ্গে এমবেডেড এডিটর ব্যবহার করে। অনেকেই বাংলা টাইপিং জ্ঞান ও বাংলা কিবোর্ড ছাড়া ফোনেটিকে সহজে লিখতে সমর্থ হয়। ২০০৬ সালে ব্লগটি ইউনিকোড হলে পূর্নতা পায়। এর সাথে সাথে কিন্তু ব্লগস্পট ও অন্যান্য প্লাটফর্মে অনেকে লেখা শুরু করে ইউনিকোডের মাধ্যমে।

সেসময় বাংলা ব্লগের লেখক সংখ্যা পাঁচশর মত থাকলেও ততদিনে পূরো ব্লগোস্ফিয়ারে বিপ্লব ঘটে গেছে। ২০০৬ এর আগস্টে ডেভিড সিফরি টেকনোরাতির (ব্লগ সার্চ ইন্জিন) এক জরীপে দেখান যে বিশ্বে পাঁচ কোটি ব্লগ রয়েছে।


সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে ব্লগগুলো কোন ভাষায় সেই পরিসংখ্যানটি। এই বিপুল পরিমাণ ব্লগের মধ্যে মাত্র ৩৯% ইংরেজী ভাষায়। জাপানী ভাষা ৩১% নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে এবং চাইনিজ ১২%। এই ভাষা বৈচিত্র দেখায় যে মানুষ তার মাতৃভাষাতে কথোপকথনে বেশী উৎসাহী। কিন্তু বিশ্বের পঞ্চম সবচেয়ে কথিত ভাষা বাংলায় তখন ব্লগ ছিল হাতে গণা।

আমাদের জনসংখ্যার দিকে তাকালে দেখব আমাদের দেশে ইন্টারনেট পেনিট্রেশন ১% এরও কম অথচ এশিয়ার গড়পড়তা পেনিট্রেশন ১৪% (সূত্র )। আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের তুলনায় আমাদের বাংলা ব্লগারদের সংখ্যা খুবই কম।

গত বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ব্লগের সংখ্যা এগারো কোটিতে ঠেকেছিল এবং এবছরে নিশ্চয়ই বিশ কোটির কাছাকাছি হবে। কিন্তু বাংলা ব্লগ কি সেই পরিমানে বেড়েছে?

গত দুই বছরে বাংলা ব্লগ অনেক এগিয়েছে, বেশ কয়েকটি প্লাটফর্ম হয়েছে, ইউজার বাড়ছে এবং স্বাতন্ত্র্য গড়ে উঠেছে এদের মধ্যে। অভ্রের মত ওপেনসোর্স বাংলা ইনপুট সিস্টেমের কারনে বাংলা লেখা এখন অনেক সহজ। তবে কেউ কেউ আশন্কা প্রকাশ করছেন যে হারে বাংলা ব্লগ বাড়ছে তাহলে বাংলা ব্লগের পরিণতি কি হবে ভবিষ্যতে?

যারা এই প্রশ্নটি করছেন এবং যারা বাংলা ব্লগ প্লাটফর্মগুলোর মধ্যে এইসব পলিটিক্সে ব্যস্ত তারা আসলে এর বিশাল চিত্রটি দেখতে পাচ্ছেন না। সরকার ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিটি স্কুলে পিসি ও ইন্টারনেট দেয়া হবে। যখন এই সব স্কুলের ছেলেরা ব্লগিং করা শুরু করবে তখন আমাদের আরও গোটা কুড়ি ব্লগিং প্লাটফর্ম লাগবে।

আর কে কোথায় ব্লগিং করবে সেটা তার নিজস্ব ব্যাপার। ব্লগিংয়ের ব্যাপারটিও বেশ সাম্প্রদায়িক এবং সামাজিক। আমরা ব্যাক্তি জীবনেও নিশ্চয়ই কিছু নির্দিষ্ট লোকের সাথে বন্ধুত্ব করি, কিছু পছন্দের পত্রিকা পড়ি। ব্লগের ক্ষেত্রেও এমনই, বিভিন্ন লোকের বিভিন্ন পছন্দ থাকতে পারে। কাজেই অমুক নাক উঁচু, অমুকের মডারেশন নাই ইত্যাদি অভিযোগের তেমন ভিত্তি নেই বলেই মনে করি। সবাইকে তাদের স্বকীয়তা নিয়ে থাকতে দেয়াই উত্তম।

অনেককেই দেখি অহেতুক অন্য প্লাটফর্মের বিরুদ্ধে লেগে থাকতে, এর ওর বদনাম করতে। মনে রাখতে হবে একটি দুটি প্লাটফর্মই বাংলা ব্লগের সবকিছু নয়। বেশ কটি প্রতিশ্রুতিমুলক প্লাটফর্ম চালু হয়েছে ভবিষ্যতে আরও হবে। অনেকে হয়ত ভবিষ্যতে স্বতন্ত্র ব্লগে লিখতে পছন্দ করবে। লোকে তাদের পছ্ন্দমতই তাদের কমিউনিটি ঠিক করবে। কয়েকদিন পরে ব্লগ এগ্রেগেটর ও বেস্ট অফ ব্লগস এর মত উদ্যোগ জনপ্রিয় হবে।

বাংলা ব্লগের রয়েছে অমিত সম্ভাবনা। এখন দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা পাঁচ লাখের মত। অদুর ভবিষ্যৎে যখন এই হার দশগুণ হবে তখন দেখবেন দেশে বাংলা কন্টেন্ট এর আকাল পড়বে। দেশের বাংলা সংবাদপত্রগুলোর অধিকাংশই ইউনিকোড না তাই গুগল সার্চ ইন্জিনে সেসব আসে না। আপনি যা এই ব্লগে লিখেছেন তার থেকে একটি বাক্য সার্চ দিয়ে দেখেন গুগলে আসে কি না। এটি আজ থেকে দশ বছর পরেও থাকবে (ব্লগ মুছে না ফেললে)। কাজেই কি অমিত শক্তি আপনার লেখায় রয়েছে কল্পনা করতে পারছেন?

কাজেই যে যে ব্লগেই লিখুন না কেন হাত খুলে লিখে যান, আপনার সুখদু:খের কথা, মজার অভিজ্ঞতা ভ্রমণ ইত্যাদি যা ভাল লাগে তাই।

গণতন্ত্রের মূল বিষয় হচ্ছে ব্যক্তি পছন্দ ও মতামত প্রকাশের অধিকার। একে অপরের সাথে কথোপকথনের মাধ্যমে এই মতামতকে জোড়ালো করে সবার কাছে ছড়িয়ে দেয়া যায় যা পরে মেজরিটিতে পরিণত হয়। ব্লগের মাধ্যমে সহজেই এটি করা সম্ভব।

বিদ্যমান ব্লগ পলিটিক্সে জড়ানোর দরকার নেই। আপনারা নিজেরাই নতুন ইতিহাস ও রাজনীতি তৈরি করুন।

গ্রাফ: সিফরি'জ এলার্টসের সৌজন্যে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28829590 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28829590 2008-08-11 06:54:44
বাঙলা গানের বিশ্বজয়
পলবাশা সিদ্দিক হচ্ছে ১৭ বছরের এক বাংলাদেশী তরুণী এবং আমেরিকার মিনিয়াপলিস সাউথওয়েস্ট হাই স্কুলে পড়ে। তার ডাক পড়ল ভিডিও গেইম মেকার ম্যাট হার্ডিংয়ের একটি ভিডিও "ড্যান্সিং ২০০৮" বা "হোয়্যার দ্যা হেল ইজ ম্যাট " এর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকে কন্ঠ দেবার জন্যে। সে আধুনিক স্টাইলে একটি রবীন্দ্রসংগীত গাইল এবং তার পর তো ইতিহাস। তার মায়াবী কন্ঠ ও ভিডিওটির অভিনবত্বের কারনে এটি একটি সফল ইন্টারনেট ভিডিও হিসেবে সবার দ্বারা সমাদৃত হয়েছে।

গত ২০শে জুন এটি প্রকাশের পরে প্রথম দুদিনেই এটি ১ মিলিয়ন হিট পেল। সবাই এত পছন্দ করল যে এটিকে ফেসবুক, মাইস্পেস বা ইমেইলের মাধ্যমে বন্ধুদের কাছে পাঠাতে লাগল। এই ড্যান্সিং ভিডিওটি ইতিমধ্যে ৪ মিলিয়নবার দেখা হয়েছে বিশ্বজুড়ে।

সাড়ে চার মিনিটের এই ভিডিওটি ১৪ মাস ধরে বিশ্বের ৪২টি দেশে শুট করা হয়েছে হাজারেরও অধিক কাস্ট নিয়ে। এই ভিডিওটি সংক্রান্ত কিছু তথ্য পাবেন এখান থেকে । ভিডিওটি দেখুন ও গানটি শুনুন।



পলবাশার আরেকটি গান শুনুন এখানে

[ছবির জন্য কৃতজ্ঞতা: পলবাশা এবং মিনপোস্ট] ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28820179 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28820179 2008-07-14 15:06:39
বাংলায় সিটিজেন মিডিয়ার গাইড সিটিজেন জার্নালিস্ট (নাগরিক সাংবাদিকতা), সিটিজেন মিডিয়া (নাগরিক মাধ্যম), ব্লগ ইত্যাদি শব্দগুলো বিশ্বের ৯৯% লোকের কাছেই অজানা ছিল। আজকে উন্নত বিশ্বে এটি খুবই আলোচিত বিষয়। এ নিয়ে নিত্য নতুন নানা ধরনের রিসার্চ ও উদ্যোগ দেখা যায়।

আমাদের অনেকের কাছেই এখনও এ বিষয়গুলি পরিষ্কার নয় কারন অনেকেরই ভীতি আছে যে জটিল কারিগরী বিষয় এগুলো। আসলে সাধারণ কম্পিউটার পরিচালনা জ্ঞান দিয়েই নাগরিক মাধ্যমের টুলগুলো (ব্লগ, পডকাস্ট, ভিডিও ইত্যাদি) ব্যবহার সম্ভব।

গ্লোবাল ভয়েস অনলাইন হচ্ছে হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট এন্ড সোসাইটিতে (সমাজে ইন্টারনেটের প্রভাব সম্পর্কে একটি গবেষনা প্রতিষ্ঠান) প্রতিষ্ঠিত একটি অলাভজনক আন্তর্জাতিক নাগরিক মাধ্যম (সিটিজেন মিডিয়া) প্রকল্প। এর ব্লগ প্রসার শাখা রাইজিং ভয়েসেস সবার জন্যে সহজ করে একটি সিটিজেন মিডিয়া গাইড প্রকাশ করেছে। এটি বর্তমানে বাংলা, ইংরেজী ও স্প্যানিশ ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে। অচিরেই অন্যান্য ভাষায়ও এটি অনূদিত হবে।

ইংরেজী থেকে এর প্রাথমিক বাংলা অনুবাদ করেছিল রাইজিং ভয়েসেস এর ক্ষুদ্র সহায়তা লাভকারী প্রকল্প নারী জীবন। এরপর আমি এটির সম্পাদনা, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ও পেজমেকিং করেছি। এতে বাধঁ ভাঙ্গার আওয়াজের লিন্কও দেয়া আছে। আশা করছি এটি আপনাদের কাজে আসবে।

এটি পিডিএফ ফরম্যাটে ক্রিয়েটিভ কমন্সের আওতায় প্রকাশিত। এর সূত্র উল্লেখ করে এটিকে বানিজ্যিকভাবেও ব্যবহার করা যাবে। কাজেই ছড়িয়ে দিন এটিকে আপনাদের পরিচিতজনের মাঝে। নাগরিক সাংবাদিকরা বিকশিত হোক দেশ দেশান্তরে।

বাংলায় ডাউনলোড করুন।

ইংরেজীতে ডাউনলোড করুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28762197 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28762197 2008-01-18 21:04:58
উপদেষ্টাদের পদত্যাগ? প্রথম আলো বলছে মইনুল হোসেন, তপন চৌধুরী, মতিউর রহমান ও গীতি আরা সাফিয়া পদত্যাগ করেছেন।

বিডিনিউজ২৪ এ ঢোকা যাচ্ছে না। কেউ কি আপডেট জানাবেন?

এটি কোন মতিউর রহমান কেউ জানেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28758874 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28758874 2008-01-08 16:16:57
এই হচ্ছে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি
২০০৭
"বিজয় দিবস হচ্ছে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার দিন। এ দিবস শুধু দলে দলে ঐক্য করে না, ধর্মে ধর্মে বিশ্বাসে বিশ্বাসেও ঐক্য করে। তাই এই দিনের চেতনায় সবাই মিলে ভেদাভেদ ভুলে দল মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।"

"বাংলাদেশ হচ্ছে আমাদের, আমরা একে চালাবো। সব ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে সহনশীল হতে হবে। আমাদের এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে।" (সুত্র)

১৯৭১

"বাইতুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের ইসলামী ছাত্র সংস্থার বদর দিবসে রেলীতে পাকিস্তানের একাত্বতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দাবী জানানো হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের বক্তারা ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধে অনুপ্রানিত হয়ে ইসলামের জন্যে যুদ্ধ করার জন্যে আহ্বান জানানো হয় এবং ভারতের ষড়যন্ত্রকে রুখার আহ্বান জানানো হয়।

উক্ত সংগঠনের প্রেসিডেন্ট আলী আহসান মুজাহিদ বলেছেন যে এটি শুধু পাকিস্তানের মুসলমানদের জন্যেই যুদ্ধ নয় সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্যেও যুদ্ধ। তিনি বলেছেন বায়তুল মুকাদাদস (?) বিজিত না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে।

জনাব মুজাহিদ বলেন আজ থেকে কোন লাইব্রেরী হিন্দু লেখক বা হিন্দুদের সপক্ষে মুসলিম লেখকদের বই রাখতে পারবে না। তিনি বলেছেন বদর বাহিনীর লোকেরা এই সব বই পুড়িয়ে ফেলবে যাতে মুসলমানরা অমুসলিম ধারনা দ্বারা বিভ্রান্ত না হয়।"

কাজেই একদিকে তিনি সব হিন্দু লেখকদের লেখা বই পূড়িয়ে ফেলতে বলেছেন আর এখন বলছেন সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতির কথা। তিনি ইসলাম ধর্ম গেল বলে ধুয়া তুলেছেন অথচ যারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানেন তারা নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন যে এটি ইসলাম ধর্ম নিয়ে কোন ব্যাপার ছিল না।
একদিকে পাকিস্তান ও ইসলাম অক্ষুন্ন রাখার জন্যে বদরের যুদ্ধের কথা তিনি একাত্তুরে বলেছেন অপর দিকে এখন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বলছেন বিষয়টি সবার গুরুত্বপূর্ন সহকারে ভেবে দেখাই উচিৎ।

আরও কিছু :[link|http://www.nybangla.com/Muktijoddho/Muzahid/Ali]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28752106 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28752106 2007-12-17 06:17:01
রাইজিং ভয়েসেস এর দ্বিতীয় কিস্তির অনুদানের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব আহ্বান করা হচ্ছে
‘রাইজিং ভয়েসেস’ এর লক্ষ্য হচ্ছে নতুন নতুন কমিউনিটি থেকে নতুন কন্ঠগুলোকে ওয়েবের আলাপে (conversational web) নিয়ে আসা।

গত জুলাইতে মাসে প্রথম রাউন্ডে ৬০টা দেশ থেকে যে ১৪২টি দরখাস্ত এসেছিল তার থেকে ৫টি প্রকল্পকে অনুদান দেয়া হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো বাংলাদেশ, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, ভারত আর সিয়েরা লিওনের।

বাংলাদেশের নারী জীবন প্রকল্প রাইজিং ভয়েসেস ক্ষুদ্র অনুদানের সহায়তায় বাংলা, ইংলিশ এবং কম্পিউটার ক্লাসের মাধ্যমে বাংলাদেশী নারীদের ব্লগিং, ফটোগ্রাফী এবং ভিডিওব্লগিং করতে শেখাচ্ছেন। আপনারা ‘বাংলাদেশ ফ্রম আওয়ার ভিউ’ এই ইংরেজী ব্লগে এবং 'আমাদের কথা' নামক বাংলা ব্লগে এইসব নারীদের লেখা দেখতে পারবেন। আমি এদের নিয়ে আগেও লিখেছি।

রাইজিং ভয়েসেস তাদের দ্বিতীয় রাউন্ডের ৫০০০ ইউএস ডলার পর্যন্ত মাইক্রোগ্রান্ট (ক্ষুদ্র অনুদান) সহায়তার জন্যে প্রকল্প প্রস্তাব জমা নিচ্ছে। এই অনুদান অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মূলত: নাগরিক মিডিয়া প্রসারের প্রকল্পগুলোর জন্য। আদর্শ প্রার্থীরা বিস্তারিত আর উদ্ভাবনমূলক প্রস্তাব দেবেন যেখানে তারা সুবিধাবন্চিত জনগনকে নাগরিক মিডিয়ার কলাকৌশল আর ব্লগিং, ভিডিও ব্লগিং পডকাস্টিং ইত্যাদি নতুন মিডিয়া টুল সম্পর্কে জানাবে ও শিক্ষা দেবে এবং তাদের কাছে এই প্রযুক্তিগুলো সহজলভ্য করবে যাতে তারা অন্য সবার মত নিজেদের প্রকাশ করতে পারে বিশ্বের কাছে।

বিস্তারিত গ্লোবাল ভয়েসেস বাংলায় ।

দরখাস্ত জমা দেয়ার শেষ তারিখঃ নভেম্বর ৩০, ২০০৭]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28743581 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28743581 2007-11-08 04:02:15
অন্য নারীদের কথা
বাংলাদেশে ব্লগিংয়ের চিত্রটি পর্যবেক্ষন করলে দেখা যায় সাধারনত: মধ্যবিত্ত -উচ্চ মধ্যবিত্তরাই ব্লগায়। কারন একটাই- ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা ও মুল্য। উচ্চবিত্তদের বিনোদনের অন্যান্য উপায় রয়েছে। নিন্মবিত্তদের নেই কোন উপায়।

সাহিত্য চর্চা ও বইপ্রকাশনার দিকে তাকালে দেখা যায় সেখানে উচ্চ এবং উচ্চ মধ্যবিত্তের দাপট। নিজের গাঁটের পয়সা খরচ করে বই প্রকাশ করে বন্ধুদের মাঝে বিলোতে হয়। অথচ মধ্যবিত্ত অথবা নিন্ম মধ্যবিত্ত অনেক লেখক বছরের পর বছর অপেক্ষা করে একটি বই ছাপানোর সুযোগের জন্যে। ইন্টারনেট তাদের জন্যে হতে পারে একটি অপুর্ব সুযোগ। উদাহরনস্বরুপ আমি সচলায়তনের ই-বুকের কথা বলব।

কিন্তু আমাদের দেশে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রেনী রয়েছেন। তারা হচ্ছেন প্রান্তীক ও কর্মজীবি নারীরা। এদের মধ্যে কাউকে আপনারা দেখেন সকালে টিফিন ক্যারিয়ার হাতে মিছিল করে চলতে। তাদের গতিতেই দেশের গতি, বৈদেশিক মুদ্রা, অথবা মালিকের মার্সিডিজ অফরোড ভেহিকেল।

তাদের কন্ঠ কি আমরা কখনও কেউ শুনতে চেয়েছি? জানতে চেয়েছি তাদের প্রিয় চলচিত্র কি? তাদের মা কি কষ্ট করে তাদের এত বড় করেছেন? তাদের সুখদু:খ, দেশভাবনা, আশা বেদনার কথা?

ইন্টারনেট একটি খুবই উর্বর মাধ্যম। গ্লোবাল ভয়েস অনলাইন হার্ভার্ড ল স্কুলের বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট এন্ড সোসাইটিতে (সমাজে ইন্টারনেটের প্রভাব সম্পর্কে একটি গবেষনা প্রতিষ্ঠান) প্রতিষ্ঠিত একটি অলাভজনক আন্তর্জাতিক নাগরিক মাধ্যম (সিটিজেন মিডিয়া) প্রকল্প। তাদের আরেকটি নুতন প্রকল্প হচ্ছে রাইজিং ভয়েসেস। এটির উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্বব্যাপী ওয়েবে আন্ডার রিপ্রেজেন্টেড কমিউনিটির কন্ঠগুলোকে তুলে ধরা। তাদের ৫০০০ ডলার মূল্যের মাইক্রোগ্র্যান্ট পেয়েছেন পাঁচটি সংগঠন যার মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলাদেশের [wjsK=http://www.narijibon.com/নারী জীবন প্রকল্প]।

কাজী রফিক ইসলাম এবং ক্যাথি ওয়ার্ড হচ্ছেন ঢাকার নারী জীবন প্রকল্পের যথাক্রমে সমন্বয়কারী এবং নির্বাহী পরিচালক। এদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি জানতে পারবেন তারা ঢাকার যুবনারীদের নিয়ে চোখে পড়ার মত কাজ করছেন। রাইজিং ভয়েসেস ক্ষুদ্র অনুদানের সহায়তায় তাদের বর্তমানে সেবাদানরত বাংলা, ইংলিশ এবং কম্পিউটার ক্লাসের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশী নারীদের ব্লগিং, ফটোগ্রাফী এবং ভিডিওব্লগিং করতে শেখাচ্ছেন। আপনারা ‘বাংলাদেশ ফ্রম আওয়ার ভিউ’এই ইংরেজী ব্লগে এবং 'আমাদের কথা' নামক বাংলা ব্লগে এইসব নারীদের লেখা দেখতে পারবেন। এখানে প্রকল্পটির অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত রয়েছে।

ওদের বাংলা ব্লগটি আমার মনযোগ আকর্ষন করেছে। যদিও লেখাগুলো কিছুটা সম্পাদন করা হয়েছে, তবুও এইসব নারীদের গ্রামের বধুর সৌন্দর্য নিয়ে পদ্য, মায়ের মৃত্যু, বা কর্মজীবি মহিলার সংগ্রামের কথা ওগুলো মৌলিক এবং সবই হৃদয় ছুঁয়ে যায়। আমরা হয়ত এরকম কিছু কখনও পত্রিকায় দেখেছি রিপোর্টারের চোখে। কিন্তু এখানে তাদের নিজস্ব কথা তারা নিজেরাই টাইপ করেছে তাদের কম্পিউটার শিক্ষার অংশ হিসেবে। এরকম আরও কত গল্প রয়েছে আপনারা নিজেরা পড়ে দেখুননা।

আমি চিন্তা করছি কোনদিন কি ইন্টারনেট আমাদের সমাজে শ্রেনীভেদ ঘুঁচিয়ে নিজেকে প্রকাশ করার সমান অধিকার দেবে? কোন দিন কি এদের মাঝ থেকে কোন লেখকের বই আমাদের শেল্ফে শোভা পাবে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28736443 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28736443 2007-10-09 14:52:02
কিছু পড়ো না, কিছু শুনো না, কিছু লিখো না.... পারিষদঃ জী আজ্ঞা খোদা বন্দ
রাজাঃ কি নাম যেন পন্ডিতের, তারে বলবে সে পড়িয়েছে ঢের।
পারিষদঃ ইন্টার নেট!
রাজাঃ তুমি কি গবেট?
রাজাঃ আজ থেকে ইন্টারনেট বন্ধ।
পারিষদঃ জী আজ্ঞে
রাজাঃ এরা যত বেশী পড়ে
তত বেশী জানে
তত কম মানে।

ঠিক কিনা?

পারিষদঃ ঠিক। ঠিক। ঠিক।

'হিরক রাজার দেশ' শিরোনাম দিয়ে এই কমেন্টখানি করেছেন লাল দরজা

বাকস্বাধীনতা মানুষের গ্ররুত্বপূর্ণ একটি অধিকার। কথা বলার এবং কথা শোনার অধিকার এবং গোপনীয়তার নিশচ্য়তা দিয়েছে বাংলাদেশ সংবিধান তার ৪৩ ধারার মাধ্যমে। বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তির নতুন নতুন উদ্ভাবনে কথোপকথনের নতুন নতুন টুলগুলোর উদ্ভব হয়েছে যা বাকস্বাধীনতাকে আন্তর্জাতিক মহলে প্রসারিত করেছে।

ইন্টারনেট এমন একটি প্রযুক্তি যা অনেক নতুন মাধ্যম (new media) ও টুল আবিস্কার করেছে যার ফলে তথ্য ও কথোপকথন আর সেইসব লোকের নিয়ন্ত্রনের মধ্যে নেই যারা প্রকাশনা ও বিতরনের মাধ্যমগুলোর মালিক বা দখলদার; সেইসব সরকারের নিয়ন্ত্রনে নেই যারা চিন্তা ও কথোপকথনে বাধা আরোপ করে। এখন যে কেউ প্রেস এর শক্তিকে ব্যবহার করতে পারে (যেমন নিজস্ব ব্লগে সংবাদ, ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করা যায়)। যে কেউ তাদের গল্প পৃথিবী জুড়ে লোকের কাছে বলতে পারে ইমেইল বা অন্য কোন টুল দিয়ে। মানুষের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করতে এসব টুলগুলো ব্যবহারের সার্বজনীন বাধাহীন অধিকার প্রয়োজন।

ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রোটোকল) হচ্ছে সেরকম একটি প্রযুক্তি যার ফলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম খরচে ফোনে কথা বলা যায়। এর সুবিধা হচ্ছে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর দামী সলিউশনগুলোর উপর না নির্ভর করে ছোট উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে সহজলভ্য এই প্রযুক্তির সুবিধা জনগনের কাছে পৌছে দেয়া যায়। আমরা বিগত দশকে যে কলিং কার্ডের উদ্ভব দেখেছি যার মাধ্যমে বিপুল সংখক প্রবাসী বাংলাদেশী দেশের সাথে কম খরচে যোগাযোগ রাখতে পারছেন তা এই ভিওআইপির কল্যানেই। বিশ্বের অনেক দেশে এর আইনগত বৈধতা দেয়া হয়েছে এবং সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে যে কেউ এটি করতে পারে। বাংলাদেশও এ প্রযুক্তির সেবা দিতে পিছিয়ে নেই। কিন্তু এতদিন সময়োপযোগী সরকারী বিধিমালার অনুপস্থিতিতে ছোটখাট অনেক ভিওআইপি অপারেটর গড়ে উঠেছে বিশ্বব্যাপী এইসব ব্যবসার বাংলাদেশের ব্যাকবোন হিসেবে। এগুলোর বেশীরভাগই প্রযুক্তি বিষয়ে জানা যুবক এবং কিছু পূঁজি লগ্নিকারীর ছোটোখাট উদ্যোগ। এই বাজার সৃষ্টি করেছে আন্তর্জাতিক ব্যবসার চাহিদা, কোন অবৈধ উদ্দেশ্য নয়। সুস্পস্ট নিয়ম নীতিমালা না থাকায়ই এরা অনেক সময় বাধ্য হয়েছে অবৈধভাবে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যবসায়িক লেনদেন করতে। কিন্তু এই ব্যবসার পরিসর এত বড় হয়ে গেছে যে অনেকেরই শ্যেনদৃষ্টি পড়েছে এর উপরে।

প্রথম খোঁড়া যুক্তি হচ্ছে যে এই ভিওআইপির জন্যে বিটিটিবির রেভেনিউ কমেছে। এই কারন দেখিয়ে তারা এইসব ছোটখাটো ভিওআইপি উদ্যোগগুলোকে দমন করতে সচেষ্ট হয়েছে। বিটিটিবির রেভেনিউ হয়তো এর ফলে বেশ কয়েকগুন বেড়ে গেছে। কিন্তু তার মানে হচ্ছে সাধারন ভোক্তাদের কলিং কার্ড বাদ দিয়ে সাধারন চ্যানেল ব্যবহার করে কয়েকগুন বেশী মূল্য দিয়ে কথা বলতে হয়েছে। বিশ্বব্যাপী কলিংকার্ডে বাংলাদেশে আগে যে মূল্যে কথা বলা যেত এখন তার থেকে প্রায় দ্বিগুন দিতে হচ্ছে। আর এইসব ছোটখাট উদ্যোক্তাগুলো যারা পুঁজিসহ সর্বশান্ত হয়েছেন কারন তাদের পূনর্বাসনের চিন্তাতো করা হয়নি তাদের বরং তাদের অপরাধী হিসেবেই চিন্হিত করা হয়েছে।

আজকের গ্লোবালাইজেশনের যুগে যে প্রযুক্তি/ব্যবসা কম মূল্যে সেবা দেবে সেটাই তো মানুষ গ্রহন করবে। অন্যান্য দেশের লোকেরা যেখানে এই সুবিধা পাচ্ছে সেখানে এদেশের মানুষকে এ থেকে বন্চিত রাখা হচ্ছে। সরকারের উচিৎ নিজের ব্যবসায়ীক লাভের কথা শুধু না ভেবে সবাইকে প্রযুক্তির সুবিধা এবং আইনগত ব্যবসার সুযোগ সম্প্রসারিত করে দেয়া যেখানে সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকবে এবং যাতে সরকারকে কর দিয়েই এসব ব্যবসা হয়। ফলে লোকসানের প্রশ্ন আসছেনা। ছোট হাজার ভিওআইপি অপারেটরের বদলে বড় চারটি কোম্পানির অলিগোপলী কি ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করবে? সরকারের আয় নিশ্চিত করবে?

প্রযুক্তিকে কেউ থামিয়ে রাখতে পারে না। বাংলাদেশে ফ্যাক্স মেশিন যখন প্রথম আসে তখন বিটিটিবি নাকি দুই বছর ফ্যাক্স মেশিনের ব্যাবহার নিষিদ্ধ করে রেখেছিল কারণ ফ্যাক্সের কারনে নাকি তাদের টেলিগ্রাফের ব্যাবসা ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ৮০’র দশকের শেষের দিকে এবং ৯০এর দশকের প্রথম দিকে বাংলাদেশ দুবার কম খরচে সাবমেরিন কেবল কন্সোর্টিয়ামের সাথে যোগ দিতে পারেনি কারন সেসময় সংশ্লিষ্ট নিয়ম নির্ধারকরা যাদের প্রযুক্তিগত ধারনা ছিলনা সরকারকে বুঝিয়েছিল যে এর ফলে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাইরে পাঁচার হয়ে যাবে। ফলে বিপুল টাকা খরচ করতে হয়েছে গত বছরে পাওয়া সাবমেরিন কেবলের সংযোগের জন্যে। মাঝখান থেকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত গত প্রায় দেড় দশকে এই সাবমেরিন কেবল ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং (বিপিও) এর কাজগুলো দেশ থেকে করে বিপুল এক জনগোস্ঠীর চাকুরীর সুযোগ করে দিয়েছে ও বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে। কাজেই প্রযুক্তিকে জনগনের কাছে সহজলভ্য না করার ফলাফল কখনই লাভজনক হয়না।

বিটিআরসির এইসব হঠকারী নিয়ন্ত্রনকারী পদক্ষেপ বাংলাদেশে প্রযুক্তিকে বাধাগ্রস্ত করে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এবং এই পদক্ষেপগুলো নেয়ার সময় এতে মানুষের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে এই ব্যপারটিও বিবেচনায় রাখা হয়নি। কিন্তু তারা সুযোগটি নিতে পারছে কারন আমরা কি আমাদের নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28736065 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28736065 2007-10-07 18:43:56
বিটিআরসির ইন্টারনেট মনিটরিং সংক্রান্ত চিঠি -একটি আপডেট বাংলাদেশের ইন্টারনেট ইউজারদের প্রোফাইল তৈরি হচ্ছে

বিবিসিতে বাংলাদেশের ইন্টারনেট মনিটর করার খবরের সত্যতা মিলেছে

বিবিসি বাংলার গতকালের প্রভাতী অনুষ্ঠানে দুজন বিশেষজ্ঞের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে। সাক্ষাৎকারগুলো শুনুন:

১) আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ব্রাসেলস ইউনিভার্সিটির আইনের অধ্যাপক আহমেদ জিয়াউদ্দিন:

"এটি বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৩ ধারার সুস্পস্ট লঙ্ঘন"

২) ব্যারিস্টার সুলতানা কামাল, মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ও ভূতপুর্ব এডভাইজার সিটিজি:

"এমনিতেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে টেলিট্যাপিং হয়, বিভিন্ন জনের উপর নজরদারী হয় কিন্তু সেটি করা হয় সৌজন্য রেখে সরাসরি নয় কারন সেটি তাহলে অগনতান্ত্রিক হবে। এখন তো এইভাবে এই সব অগনতান্ত্রিক পদ্ধতিকে ন্যায্যতা দিয়ে দেয়া হচ্ছে।"

আমি এখনো দেশী কোন সংবাদপত্রে এ নিয়ে আলোকপাত করতে দেখিনি। ব্যাপারটি এরকম কেন হচ্ছে কেউ কি বলতে পারেন? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28735747 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28735747 2007-10-06 05:54:51
বিবিসিতে বাংলাদেশের ইন্টারনেট মনিটর করার খবরের সত্যতা মিলেছে গত পোস্টে আপনাদের জানিয়েছিলাম বিটিআরসির মেমোর কথা যেখানে আইএসপিদের কাছ থেকে ইন্টারনেট ইউজারদের ব্যক্তিগত তথ্যাবলী (যেমন নাম-ঠিকানা, ইন্টারনেট ব্যবহার লগ, আইডি-পাসওয়ার্ড) চেয়েছে। গতকাল বিবিসি বাংলায় পরিক্রমায় অনুষ্ঠানেএ খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়। আইএসপি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদকের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয় যে সরকার দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ডাটাবেজ তৈরি এবং আইএসপির মাধ্যমে তাদের ইন্টারনেট ব্যবহার মনিটরের উদ্যোগ নিয়েছে। এখানে শুনুন পরিক্রমার রিপোর্টটির ওই অংশটুকু

বিটিআরসি আ্যাক্ট ২০০১ এর ২০০৬ সালের একটি সংশোধনী (৯৭ ধারা) অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা বাহীনিকে সর্বময় ক্ষমতা দেয়া হয় আড়িপাতার জন্যে। এই সংশোধনীটি অবশ্য বিটিআরসির মুল উদ্দেশ্য টেলিযোগাযোগের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার নিশ্চয়তা প্রদানের অঙীকারকে লঙ্ঘন করে (বিটিআরসি অ্যাক্ট ২০০১ প্যারা ৩০(১)(f))। কিন্তু এজন্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আলাদা সেল না বসিয়ে আইএসপিদের বাধ্য করা হচ্ছে এই মনিটরিংয়ে। ফরে এইসব ব্যক্তিগত তথ্য অন্য কোন তৃতীয় পক্ষের কাছে চলে গিয়ে সাধারন ব্যবহারকারীরা হয়রানীর স্বীকার হবেন কিনা সে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশেই আড়িপাতার আইন রয়েছে কিন্তু সেটি করা হয় সন্দেহভাজন ব্যাক্তিদের ক্ষেত্রে, অনেক সময় কোর্ট অর্ডারের মাধ্যমে। কিন্তু এভাবে ঢালাও ভাবে সবার ব্যাক্তিগত আইডি পাসওয়ার্ড জানতে চাওয়ার পেছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য রয়েছে কিনা সেটি ক্ষতিয়ে দেখার অবকাশ রয়েছে।

বাংলাদেশের সাধারন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে আপনার কি মত বা এ ব্যাপারে আপনি কি অবস্থান নেবেন জানালে ভাল হয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28735605 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28735605 2007-10-05 14:13:56
কেন বাংলাদেশে প্রকাশিত কার্টুন নাইজেরিয়ায় খ্রীস্টানদের মৃত্যুর কারন হয় প্রেস রিলিজের তিন নম্বর দাবীটির দিকে তাকালেই প্রতীয়মান হয় প্রথম দুটি ইস্যু কেন দরকার তাদের। শরীয়া এবং খিলাফত প্রতিষ্ঠাই তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য এবং এজন্যই কার্টুন ইস্যুটি জিইয়ে রাখা তাদের দরকার। ওদিকে সরকার নাকি এইসব আদর্শ মুসলমানদের হাতে আরিফের জীবন হুমকির মুখে পরতে পারে ভেবেই তাকে নিরাপত্তার জন্যে আটকে রেখেছে। এদের নিয়ে সবার এত ভয় কেন?

নাইজেরিয়ার এক সংবাদ রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের এই কার্টুন কন্ট্রোভার্সী নাকি সেদেশে নয়জন খ্রীস্টানের মৃত্যুর কারন হয়েছে। নাইজেরিয়ার খ্রীস্টান এসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারী স্যামুয়েল সালিফু বলেছেন:

"তারা ইন্টারনেটে কার্টুনটি দেখল এবং জানল যে ২০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশী মুসলিম সেটি এঁকেছে তখন তাদের রাগ মেটাতে তারা নিরপরাধ খ্রীস্টান এবং চার্চকে আক্রমন করল"

জানিনা সংবাদটি কতটুকু সত্যি কিন্তু হিজবুত তাহরির এর মত স্বার্থান্বেষী কিছু গোষ্ঠীর কর্মকান্ডই বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের এমন ইমেজ এনে দিচ্ছে। ওরা বাংলাদেশের এলাকায় এলাকায় প্রথম আলো প্রতিরোধ কমিটি তৈরি করছে এখন (সুত্র আমার দেশ)। এই রমজান মাসে দেশ দ্রব্যমুল্য, দুর্নীতি, বন্যা পুনর্বাসন ইত্যাদি নানা ইস্যুতে জর্জরিত থাকতে ওদের কাছে এই কার্টুন ইস্যু কেন বেশী গুরুত্বপুর্ণ হলো আপনারা নিজেই ভেবে দেখুন।

এদের কবল থেকে ইসলামকে রক্ষা করা অতীব জরুরী।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28735438 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28735438 2007-10-04 17:25:12
বাংলাদেশের ইন্টারনেট ইউজারদের প্রোফাইল তৈরি হচ্ছে
আজ ই-বাংলাদেশেএ নিয়ে খবর এসেছে। এমন ঘটনা আরও হয়েছে। সাধারন ইউজারের বাসায় ভিওআইপি সংক্রান্ত কিছু না পেয়ে কম্পিউটার চেক করেছে -এম এস এন মেসেন্জার ও স্কাইপের কন্টাক্ট লিস্ট চেক করেছে। সন্দেহ হচ্ছে তারা নিজেও কি নিশ্চিত কিনা তারা কোথায় কি খুঁজতে এসেছে।

উর্ধতন এক বিটিআরসির কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে বিটিআরসি সাহায্য করছে RAB কে অবৈধ ভিওআইপি অপারেটরদের ধরতে। কিন্তু সাধারন ইউজারদের বাসায় কেন যাচ্ছে তারা তা সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারেন নি।

কিন্তু ব্যাপারটি আসলে এত সহজ কিছু নয়। আসলে ভিওআইপির কথা বলে হয়ত ইন্টারনেট ইউজারদের কার্যকলাপ মনিটর করা হচ্ছে।

বিটিআরসি বাংলাদেশের সব আইএসপির কাছে একটি চিঠি (BTRC/E&O/ISP-Gen.(302)/2007-1697) পাঠিয়েছে যেখানে তারা চেয়েছে:

* তারা কার কাছ থেকে কত ব্যান্ডউইদথ ব্যবহার করছে, চুক্তির কপি সহ সেসব তথ্য।
* কর্পোরেট/ডেডিকেটেড/শেয়ার্ড ক্লায়েন্টদের নাম, ঠিকানা ও আইপি
* পুরো ব্যন্ডউইদথ এবং প্রতিটি ক্লায়েন্টের অনলাইন এমআরটিজি ইউসেজ গ্রাফ (যার মাধ্যমে কে কোন সাইটে ব্রাউজ করেছে সব তথ্য জানা যাবে), ইউআরএল এড্রেস এবং প্রতিটি ইউজারের আইডি এবং পাসওয়ার্ড
* সব ইউজারের জন্যে পরিপূর্ণ সাবস্ক্রিপশন ফর্ম
* আইএসপিকে মানা করা হয়েছে এমন ইউজারদের কানেকশন না দিতে যারা ওই ব্যন্ডউইদ্থ অন্যান্য লোকেশনের ইউজারের কাছে অর্থের বিনিময়ে শেয়ার করে।
* আইএসপিকে বলা হয়েছে প্রতিটি ইউজারদের নাম ঠিকানা সংরক্ষন করতে (স্ক্রাচ কার্ডের ক্ষেত্র কি হবে বলেনি)।

উপরোক্ত বিষয়গুলো ১৫ দিনের মধ্যে না মানলে আইএসপির লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

আশা করি আপনারা বুঝতে পারছেন কি ঘটতে যাচ্ছে। তারা আইএসপির মাধ্যমে প্রতিটি উইজারদের তথ্য সংগ্রহ করবে, এমআরটিজি গ্রাফের ইআরএল, আইডি/পাসওয়ার্ড থাকলে যে কোন স্থান থেকে এইসব ইউজারদের ইন্টারনেট কার্যক্রম মনিটর করা যাবে। আপনার ঠিকানা থাকায় আপনি থাকবেন তাদের মনিটরিং এর মধ্যেই। আপনার ইমেইল পড়ে ব্যবসার গোপন তথ্য অন্যরা জেনে যাবে।

ই-বাংলাদেশে এক আইএসপি প্রভাইডার বলেছে এরকম ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হলে এবং বাসায় সার্চ হলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ভয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ করে দেবে। আইএসপিদের ব্যবসা গুটাতে হবে। ইন্টারনেট ব্যবহার করাটাই যেন একটি অপরাধ হয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষের কাছে।

এটি একটি বড় ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন। আমেরিকা এবং জার্মানীতে ইন্টারনেট সার্ভেইল্যান্স নিয়ে বড় ধরনের বিতর্ক চলছে সংসদে। এটি হতে হলে অবশ্যই গনতান্ত্রিক সরকারের সংসদ থেকে আইন পাশ করে হতে হবে। কিন্তু বিটিআরসি কি ক্ষমতার বলে এই ব্যক্তিগত স্বাধীনতার উপরে হস্তক্ষেপ করছে এ প্রশ্ন নিশ্চয়ই সাধারন নাগরিক হিসেবে আমরা করতে পারি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28735333 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28735333 2007-10-04 01:41:35
বাংলাদেশে আইটি শিক্ষার বর্তমান অবস্থা সাকিবের ব্লগ থেকে আমি উচ্চ মাধ্যমিক টেক্সট বই থেকে দুটো অংশের ছবি তুলে ধরছি। আমি হতভম্ব এইসব ভুলে ভরা বিষয়গুলো আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়তে হচ্ছে এই দেখে। এগুলো নাকি আবার টেক্সটবুক বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত। বইগুলো যারা লিখে তারা মুখস্তবিদ্যা ও গতানুগতিক শিক্ষাপদ্ধতির বাইরে চিন্তা করতে পারেনা। সাকিব লিখেছে যে তার এইচএসসি জীবনে একবারই কম্পিউটার ল্যাবে গিয়েছে এবং শিক্ষক তাকে শিখিয়েছে এমএস ওয়ার্ডে কি করে ফাইল সেভ করতে হয়। প্রাকটিকাল পরীক্ষার নাম্বারের জন্য কোচিং ক্লাস বা বিভিন্ন উপায়ে শিক্ষক কর্তৃক টাকা নেয়া তো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি বা আইটি সাংবাদিকরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন না কেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28729661 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28729661 2007-09-06 03:23:28
ইরানর সংখ্যালঘু কুর্দীদের মানবাধিকার পরিস্থিতি একটি পোস্টে মন্তব্য করায় ব্যর্থতার কারনেই আলাদা করে এই পোস্ট (ব্যান হলাম নাকি?)।

তিনি ইরানে সংখ্যালঘুরা শান্তিতে বা সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের মতো সমান অধিকার নিয়ে স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করছে বলে তথ্য প্রমান দিয়ে পোস্ট করেছেন এবং বলেছেন অ্যসিরিয়দের কথা।

তবে আমি শুনতে চাই কুর্দিদের কথা যারা ইরানী জনসংখ্যার ৭%। ইরাক এবং তুরস্কে অবস্থানরত কুর্দীদের সাথে মিলে তারা এখনও তাদের নিজস্ব মাতৃভুমির স্বপ্ন দেখে। ফলস্বরুপ খোমেনী আগস্ট ১৯৭৯ এ কুর্দীদের বিরুদ্ধে “ধর্মযুদ্ধে” নামে (সুত্র উইকিপিডিয়া)। ইসলামিক রেভলুশনারী গার্ডস কর্পস কুর্দিশ অন্চলে পরবর্তী বছর হত্যাযজ্ঞে নামে। ১০০০০ কুর্দির মৃত্যু হয়। ইরানী প্রতিরক্ষা বাহিনীর হাতে কুর্দিশ রাজনৈতিক নেতা শিভান কাদেরী এবং অন্যান্যদের মৃত্যুর পর মাহাবাদে ২০০৫ সালের জুলাই মাসে দুই সপ্তাহ ব্যাপি রায়ট হয় কুর্দিশদের সাথে। প্রচুর লোক নিহত ও গ্রেফতার হয়। ইরানী সরকার বেশ কয়েকটি কুর্দী সংবাদপত্র বন্ধ করে দেয় এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের আটক করে।

ইরানের সংখ্যালঘু কুর্দী সমস্যা ইরানের খুবই একটি মারাত্মক মানবাধিকার সমস্যা। এসম্পর্কে ওনার পোস্ট আশা করছি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28726839 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28726839 2007-08-21 04:27:38
বিচার: ইরানী স্টাইল
একে একে আসলেন তারকারা। ওরা হাসছিলেন ও জনতার দিকে হাত নাড়াচ্ছিলেন। কি উৎসবমুখর পরিবেশ।

শুরু হল মূল অনুষ্ঠান। একটি ট্রাকের পেছনে বড় একটি ক্রেন তৈরি ক্লাইমেক্সের জন্যে। কিছুক্ষনের মধ্যেই কালো মুখোশ পরা লোকরা মজিদ এবং হোসেন কাভুসিফারকে (চাচা-ভাতিজা) প্রকাশ্য ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিল। উপস্থিত জনতা খুশি হয়ে হাততালি দিল। চতুর্দিকে হাস্যরোল, ছবি তোলা। গ্লাডিয়েটর ছবির কথা মনে করিয়ে দিল -যখন সিংহ ও মানুষের যুদ্ধ দেখার জন্য কলোশিয়াম ভর্তি লোক এমন করত। কিন্তু সেতো কয়েক হাজার বছর আগে।

মজিদ আর কাভুসিফার ২০০৫ সালে একজন জাজকে মারার জন্যে অভিযুক্ত হয়েছিলেন। এই জাজকে তারা দুর্নীতিপরায়ন বলেছে যিনি অনেক ইরানী বিপ্লবীকে সাজা দিয়েছিলেন (এমনকি মৃত্যুদন্ড) সরকারের ধামা ধরে। তাদেরকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেয়ার উদ্দেশ্য সরকারের বিরুদ্ধে যাতে কোনরুপ সমালোচনা না হয় তার জন্যেই। এটি সম্পুর্ন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাধিত।

এখানে আমি বিচারের বিরুদ্ধে বলছি না। বলছি বিচার কার্যকরের পদ্ধতি সম্পর্কে। এই ছোট শিশুটি যে এটি দেখল তার মনে কি অনুভুতি হবে? আর বলিহারি সেইসব লোকদের যারা এটি দেখে আনন্দ করেছেন।

প্রকাশ্যে ফাঁসির মতো বর্বরতা যেন সভ্য সমাজে আর না হয়।

খবর ও ছবি সৌজন্যে : বিবিসি, স্কটসম্যন.কম, ইসনা ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28724364 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28724364 2007-08-05 22:37:53
জলপাই রঙে রাঙা আমাদের ক্রিকেট টিম
আগামী মাসের টোয়েন্টি২০ বিশ্বকাপের জন্যে প্রস্তুতি তাই এবার হবে মিলিটারী কায়দায়। আগামী ১১ আগস্ট থেকে সিলেটে শুরু হবে বিশেষ মিলিটারী ওয়ারফেয়ার ইউনিটের অধীনে 'বিশেষ বুট ক্যাম্প' (খবর)।

বাংলাদেশের অধিনায়ক আশরাফুল বলেছেন তারা মিলিটারী ট্রেনিং পাবেন শুনে খুবই খুশী (খবর )। দেখা যাক স্বঘোষিত "উই আর দি এলিটদের' ডান্ডার নীচে এবার বাঙালীর ঠান্ডা মাথার পারফরমেন্স হয় কি না।

এর মধ্যে নতুন কোচ শন উইলিয়ামসকে ইন্টেরিম কোচ হিসাবে রাখা হয়েছে। নতুন কোচের একটি শর্টলিস্ট করা হয়েছে
(খবর)।
কিন্তু নিয়োগটি আসলে কখন হবে তার কোন ঠিক নেই।

উপরের খবরগুলো পড়ে কেন যেন দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিরই একটি প্রতিলিপি পাওয়া গেল। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28724350 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28724350 2007-08-05 21:26:48
ইরানে আবার মধ্যযুগীয় বর্বরতা: পাথর নিক্ষেপ করে এক ব্যক্তিকে মারা হয়েছে
ভালবেসে পালিয়ে আসা তার সঙ্গিনী মোকারামেহ এব্রাহিমি তাদের দুই ছোট সন্তানসহ ১১ বছর ধরে জেল খাটছে আর এই পাথর মারার লিস্টে তার নাম এবার আসতে পারে। (খবর মূল বিবিসি)

ইরানিয়ান ব্লগার হামিদ তেহরানী বলছেন:

ইরানের সরকার বলছেন প্রধান বিচারপতি পাথর মারার বিপক্ষে ছিলেন কিন্তু গ্রামের বিচারপতি হাইকোর্টের আয়ত্বের বাইরে এবং তিনি এই নির্দেশ দিয়েছেন। ১৯৯০ দশকে ইরানী বুদ্ধিজীবিদের অপহরন ও খুনের সময়ও সরকার বলেছিলেন যে এগুলো এরুপ কিছু স্বাধীন এজেন্টেরই কাজ যারা প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের আওতাভুক্ত নয়। তার মানে এইসব অজানা এজেন্টদের খুন করার ইমিউনিটি দেয়া হচ্ছে।

ইরানী ব্লগগুলোর রিয়াকশন এখানে ।

আরেকজন ইরানিয়ান মহিলার বিরুদ্ধে রায় হয়েছে খ্রীস্টান ধর্মগ্রহন করার অপরাধে পাথর মেরে হত্যা করার। (এ নিয়ে আরও খবর)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28722267 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28722267 2007-07-23 23:13:02
বাংলাদেশে নিউ মিডিয়া এবং সিটিজেন জার্নালিজম
৪০টি ভিন্ন দেশ থেকে মোট ১৪২টি প্রকল্প প্রস্তাব এসেছিল রাইজিং ভয়েসেসে। তার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৫ এর অধিক। আনন্দের সাথে জানাচ্ছি ৫টি সফল প্রকল্প যারা ফান্ড পেয়েছেন তার মধ্য দুটিই বাংলাভাষী এবং একটি বাংলাদেশের। গ্লোবাল ভয়েসেস থেকে:

কাজী রফিক ইসলাম এবং ক্যাথরিন ওয়ার্ড – ঢাকা, বাংলাদেশ:

কাজী রফিক ইসলাম এবং ক্যাথি ওয়ার্ড হচ্ছেন ঢাকার নারী জীবন প্রকল্পের যথাক্রমে সমন্বয়কারী এবং নির্বাহী পরিচালক। এদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি জানতে পারবেন তারা ঢাকার যুবনারীদের নিয়ে চোখে পড়ার মত কাজ করছেন। রাইজিং ভয়েসেস ক্ষুদ্র অনুদানের সহায়তায় তারা তাদের বর্তমানে সেবাদানরত বাংলা, ইংলিশ এবং কম্পিউটার ক্লাসের মাধ্যমে বাংলাদেশী নারীদের ব্লগিং, ফটোগ্রাফী এবং ভিডিওব্লগিং করতে শেখাবেন। আপনারা ‘বাংলাদেশ আমাদের চোখে’এই ব্লগের মাধ্যমে ইতিমধ্যে এইসব নারীদের পোস্ট করা কিছু নমুনা দেখতে পারবেন।

অপর বাংলাভাষী প্রকল্পটি হচ্ছে কোলকাতার 'কলম: মারজিনস রাইট’ - ভারতীয় প্রান্তিক যুবাদের একটি সৃজনশীল লেখার প্রোগ্রাম।

এই শেষ নয়। সিধুলাই স্বনির্ভর সংস্থা নামে একটি সংস্থা দু বছর ধরে ১২টি নৌকার মাধ্যমে বাংলাদেশের উত্তর বঙে ইন্টারনেট ও মোবাইল সেবা দিয়ে আসছে। তারা সম্প্রতি গেটস ফাউন্ডেশনের ১ মিলিয়ন ডলারের সমমানের এক্সেস টু লারনিং এওয়ার্ড পেয়েছেন। (উৎস আরাফাত)

ভয়েস অফ সাউথ ব্লগ জানাচ্ছেনকুমিল্লার চৌরা গ্রামে রিলিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল তার ইন্টারনেট ও টেলিসেন্টার প্রকল্পের খরচ মেটানোর জন্য অর্থের বিনিময়ে ডিজিটাল ফটো সেবা দেয়া শুরু করেছে। ফলে গ্রামের লোকদের আর ১৫ কিমি দুরে গিয়ে ছবি তোলা লাগে না।

কয়েকদিন আগে কৌশিক লিখেছিলেন গ্রামের মানুষ কিভাবে ব্লগিং এর মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে। এগুলো এখন উড়িয়ে দেবার ব্যাপার নয়। আমি অনুমান করছি অচিরেই বাংলাদেশের নিউ মিডিয়ার আরও প্রসার ঘটবে (সরকারী, বেসরকারী দুই ক্ষেত্রেই)। উন্নত বিশ্ব কর্পোরেট ব্লগিং চালু হয়ে গেছে। বাংলাদেশ ফলো করবে। এক্ষত্রে এখানে যারা ব্লগিং করছেন তাদের এক্সপেরিয়েন্সগুলো কর্মজীবনে কাজ লাগবে তাতে কোন সন্দেহ নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28719578 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28719578 2007-07-06 08:40:58
রবীন্দ্র সঙ্গীতে নতুন অনুভব
তরুন বয়সীরা খুব পছন্দ করছে এই এলবামটি। কারন হয়ত শাহানার গায়কী এবং তার স্বামী অর্নবের কম্পোজিশন। দুটোই রবীন্দ্রসঙ্গীতে এক নতুন গতির সন্চার করেছে।

রবীন্দ্র সঙ্গীত নিয়ে এপার বাংলা ওপার বাঙলায় কম গবেষনা হয়নি। অথচ রবীন্দ্রসঙ্গীতের গুরুরা সব সময়ই মৌলবাদী থেকেছেন স্টাইল এবং সুর নিয়ে। স্বাগতালক্ষী দাশগুপ্ত কর্নাটকী এবং স্কটিশ ফোক প্রভাবে দুটি অ্যলবামের জন্য গেয়েছেন। সুমন চৌধুরী অ্যাকুষ্টিক গিটার নিয়ে পুরো অ্যালবামের গান গেয়েছেন। সুদীপ ঘোষ জ্যাজ এফেক্টে ২১টি গান গেয়েছেন। (উৎস) ।

অথচ বাঙলাদেশে তেমন গবেষনার পরিমান কম। ৮ বছর আগে ফিডব্যাকের মাকসুদ রবীন্দ্রসঙ্গীত নতুন ভাবে গেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন ২০১০ সালে ক্লাবের ড্যান্সফ্লোরে রবীন্দ্রসঙ্গীত বাজবে। কিন্তু তিনি খুব সমালোচনার মুখে পরে এ নিয়ে আগে বাড়েননি। তবে এবার শাহানাকে নিয়ে তেমন শোরগোল তোলা হচ্ছেনা। হয়ত শাহানার শান্তিনিকেতনের ব্যাকগ্রাউন্ডের কারনে। কিন্তু আড়ালে অনেকে নাকি বলাবলি করে এটি আসল রবীন্দ্রসঙ্গীত নয়।

শাহানা অবশ্য বলেছেন যে রবীন্দ্রসঙ্গীতের কথা ও সুর নিয়ে গবেষনা করার স্পর্ধা তার নেই। শুধু সুরধ্বণি (soundscape) নিয়েই তার খেলা। (সুত্র)

এখন আপনাদের কাছেই বিচারের ভার আমরা নতুনকে বরন করব না পুরনোকেই আঁকড়ে ধরে বসে থাকব।
(এটি আসিফ সালেহ'র একটি লেখা থেকে অনুপ্রানিত এবং তার থেকে অধিকাংশ তথ্য নেয়া)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28718836 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28718836 2007-07-02 04:34:38
আমি তাকধুম তাকধুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28715136 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28715136 2007-06-08 15:34:21
গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন বাংলা ভার্সনের জন্যে অনুবাদ করুন গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইনের কথা জানেন। গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন চেষ্টা করছে পৃথিবীর যাবতীয় সংলাপকে একত্র করে ধারন করতে এবং এর মধ্যে থেকে গুরুত্বপুর্ন মতামতগুলোকে পৃথিবী জুড়ে প্রচার করতে। এটি পৃথিবীজুড়ে না জানা স্বতন্ত্র কন্ঠগুলোকে (ব্যক্তিগত ব্লগগুলোকে) বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং এর জন্যে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন টুলস উদভাবন করছি; নানাবিধ প্রতিষ্ঠান ও সম্পর্কের উন্নয়ন করে চলেছে।

এর শক্তি হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন অন্চল থেকে শতাধিক সেচ্ছাসেবী ব্রিজ ব্লগার (যারা নির্দিষ্ট কমিউনিটির ব্লগগুলোকে তুলে ধরে)। বাংলাদেশর একজন ব্রিজ ব্লগার হিসেবে আমি ২০০৫ সাল থেকে এখানে সেচ্ছাসেবক হিসেব কন্ট্রিবিউট করছি।

গ্লোবাল ভয়েসেস এখন ইংরেজী ছাড়া আরো ৭টি ভাষায় অনুবাদ হচ্ছে। এই অনুবাদগুলোও করছেন সেচ্ছাসেবী ব্লগার/অনুবাদকরা। ফান্ড পাওয়া সাপেক্ষে ভবিষ্যতে অনুবাদকদের আর্থিক সুবিধা দেয়ার জন্য চিন্তা ভাবনা চলছে।

মুলত: আমার প্রচেষ্টায় আমি গ্লোবাল ভয়েসেস বাংলা শুরু করতে সক্ষম হই। এখন ধীরে ধীরে একে সমৃদ্ধ করা হবে। সেচ্ছাসেবী এই কন্ট্রিবিউশনে কারো বাধ্যবাধকতা নেই ব্লগের প্রতি আবেগ ও আগ্রহই মূল। আগ্রহীরা গ্লোবাল ভয়েসেস বাংলা সাইটে যোগাযোগ করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28714875 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28714875 2007-06-06 16:15:07
ব্লগ প্রসারে বাংলাদেশে কোন উন্নয়ন প্রকল্প নেয়ায় কারো আগ্রহ আছে?
‘রাইজিং ভয়েসেস’ এর লক্ষ্য হচ্ছে নতুন নতুন কমিউনিটি থেকে নতুন কন্ঠগুলোকে ওয়েবের আলাপে (conversational web) নিয়ে আসা। এর জন্য ‘রাইজিং ভয়েসেস’ স্থানীয় ব্যক্তি/গোষ্ঠীকে অর্থ ও অন্যান্য সাহায্য করতে প্রস্তুত যারা এইসব স্বল্প প্রতিনিধিত্বকারী কমিউনিটি নিয়ে কাজ করবে। ‘রাইজিং ভয়েসেস’ ব্লগ প্রসার প্রকল্পের অনুদান হবে ১০০০ -৫০০০ ইউ এস ডলার।

বিস্তারিত জানতে এখান থেকে পড়ুন।

আবেদনের শেষ সময় আগামী ১৫ই জুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28714866 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28714866 2007-06-06 15:43:58
ঘাতকের দিনলিপি এখানে।

কৃতজ্ঞতা: চেতনা ৭১]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28713988 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28713988 2007-06-02 15:02:14
পেজফ্লেইকসের পেজকাস্টস এবং ব্যক্তিগত ওয়েবপেজের এগ্রেগটর পেজফ্লেইকসের নতুন ফিচার হচ্ছে পেজকাস্টস যার মাধ্যমে ইউজাররা তাদের কাস্টমাইজড পেজকে বিশ্বের সবার কাছে উন্মুক্ত করে দিতে পারে। এই এগ্রেগেটরের বিশেষত্ব হচ্ছে ট্যাগিং ফিচার। যেমন বাংলাদেশ ট্যাগ দিয়ে সার্চ করলে বাংলাদেশ সংক্রান্ত পেজগুলো দেখতে পারবেন।

ইতিমধ্যে ১ লাখেরও বেশি ইউজার তাদের পেজকাস্ট শেয়ার করেছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28713265 http://www.somewhereinblog.net/blog/pata/28713265 2007-05-29 15:18:04
একটি গ্রেফতারকৃত ল্যাপটপ এবং তা নিয়ে মুখরোচক কাহিনী
পেপার থেকে ফান্ড রেইজিং পর্বটির উদ্ধৃতি:

"জনৈক আসিফ সালেহ খলিলকে লিখেন, "যে ফান্ড যোগার করেছি তা নিরাপদেই আছে। এখন কিভাবে তোমার হাতে পৌঁছাই তা জানাও। ৮মে তাসনিম লিখেছেন, তুমি ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে নাঈম মো