আমার প্রিয় পোস্ট
- বিশ্বের জননী মিশর। Egypt is the Mother of World. ام الدنيا مصر - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- মিশর, মমি, পিরামিড,ক্লিওপেট্রা, এবং ছয়টি কবর না দেয়া মৃতদেহের কথা - মুরাদ-ইচছামানুষ
- রহস্যময় উত্তর মেরু....... - জর্জিস
- নড়ন-চড়ন সেতু ০৪ - পগলা জগাই
- কালিমপং-লাভা ট্যুর, অক্টোবর, ২০১০ - ছবি ব্লগ -৩ - পয়গম্বর
- আজব বিমানবন্দর - মোঃজাহিদুল ইসলাম মিঠু
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় হীরার খনি
- বল্টু মিয়া
- আমি ছন্দহারা এক নদীর মত চলে যাইঃ মাহমুদুন্নবী - গানচিল
- ছোট্ট বাবুর অদম্য ইচ্ছাশক্তি (না দেখলে মিসাইবেন কইলাম) - আসিফ আহমেদ মামুন
- আজব দ্বীপ ইস্টার - সুমন দি গ্রেট
- পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল কিছু দূর্ঘটনা - hks001
- আড়িয়াল বিলের কান্না শুনুন ।। ১০ লক্ষ মানুষ বনাম সরকার - আমি রোদের ছেলে
- আদ জাতির কিছু বিশাল আকৃতির কংকালের ছবি। - কাকপাখি ২
- এইসব কি ফটোশপ কারুকাজ নাকি সত্যি ! (ছবি ব্লগ) - জাহিদুল হাসান
- যারা জীবনে বড়সড় ব্যবসাদার হতে চান.......... - মুভি পাগল
- শুধু মাত্র বিবাহিতদের জন্য - নিমপাতা১২
- বিজয় দিবসে একটি দেশের গান শুনলাম-আপনারা শুনে মন্তব্য করেন । - কেলকুলাস
- মাওলানা ভাসানী - িনরুপমা.কম
- গাজী ইলিয়াস সমস্ত বিশ্বকে জানান দিলো যে বঙ্গালীরা কতটা কালচার জানে?? - মাসুদ চৌধুরী
- ইন্টারনেটের যে সাইটগুলোতে সারাদিন কাটাই

- অরণ্যচারী
- সহজেই যেকোন ভিডিত্তর প্রিভিউ তৈরি করুন - ইদিপাস
- যুক্তরাষ্ট্র '৫০ এর দশকে উত্তর কোরিয়ায় পরমাণু বোমা ফেলার প্রস্তুতি নিয়েছিল - সুধাসদন
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আত্বসম্মানবোধ!!! - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- .......... প্রসঙ্গ যখন বন্ধুত্ব ......... - আর.এইচ.সুমন
- ছবি নিয়ে মজা করার অসাধারন ২০টি ওয়েব সাইট(Have Fun)
- হাসান জোবায়ের
- বাংলাদেশের যত টাকা.......................... - মোঃ সফিকুল ইসলাম
- ইভটিজিং এর সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণঃ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানী বনাম শেরি রেহমান। (অতিমাত্রায় ১৮+) - স্বল্পজ্ঞানী
- কৌতুক (সংগ্রহ) - তাহমিদ হাসান চৌধুরী
- ইউ টিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড করতে হেল্প করেন।।। - ডাক১৬১
- আবেগ শিহরণ জাগানো একটি বিজ্ঞাপন , হাই ডেফিনেশন ক্যামেরার ঝলসানি নয় - দাসত্ব
- আপনার দেখা সেরা একটি মুভির নাম দিন (ব্লগীয় জরিপ) - বিডি আইডল
- কিছু interview questions.. প্রস্তুতি শুরু হোক এখনি।।

- ওমর হািবব
- যে দেশে প্রবেশে ভিসা লাগে না - পলাশ রহমান
- জানুন আপনার সেল ফোনটি আসল কিনা














- টিপস ম্যান
- বিশ্বের প্রথম ওয়েব সাইটটি ব্রাউজ করেছেন কি...!
- টি. জাহান চৌধুরী
- ওভারলোড (সমগ্র বাংলাদেশ ৫ টনের চেয়েও বেশী)
ফানছবি পোষ্ট - ফজলুল করিম
- মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয় : অবশেষে ভুল স্বীকার এবং কিছু কথা - ফিউশন ফাইভ
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- ঐতিহাসিক কিছু ঘটনার পত্রিকা শিরোনাম - চাররঙা রঙিন-কষ্ট
- আপনি কিভাবে ঘুমান
- ডেলফ
- আমার শোকেজে সাজানো ব্লগ গুলো... - আকাশদেখি
- ভাষা বিজ্ঞানের ধাঁধাঁ-১: বংশ-পরিচয়হীন উত্তর-পূর্ব এশিয় ভাষাটি - পারভেজ রবিন
- মাতা-পিতার ইন্তিকালের পর সন্তানের করণীয় কি ? - সাইদুর রহমান মুন্না
- ৯/১১ ঘটনা: নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করুন - এস. এম. রায়হান
- পুরোনো কিছু বিজ্ঞাপন - সংবাদপত্রে প্রকাশিত ( ২য় পর্ব ) - বল্টু মিয়া
- অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধে করণীয় - ভাইয়া
- আশ্চর্য একটি সংখ্যা 076923 - পগলা জগাই
- মহানবী (স) জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা - সোলজার
- সমুদ্রে জীবন -৭ - মেরিনার
- পদ্মা রিসোর্ট, লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ - আনিসুজ্জামান রাসেল
- “র-মোসাদের সাম্প্রতিক মিতালী : বাংলাদেশে তার প্রভাব - কাপাসিয়া
- সকল ব্লগারের ব্লগের লিংক (বিষয় :ইন্টারনেটে আয় ) - নিলআকাশেরদুঃখ
- গিভ মি ফ্রিডম - আ শী ষ
- ছবি ব্লগঃ বিস্ময়কর লুক্সর - মানব সভ্যতার এক অনন্য সমৃদ্ধ ইতিহাস - সীমন্ত ইসলাম
- দলিল লেখার সময় ক্রেতাকে যে সকল বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে - সৈয়দ আমিরুজ্জামান্
- বাংলাদেশের সেরা খাবারের তালিকাঃ ৩য় আপডেট - মুকুট
- একটি সুন্দর জীবনবৃত্তান্ত (CV) তৈরীর কৌশল
- সঞ্জিব
- বিভিন্ন "গণতান্ত্রিক !" দেশে সাংসদদের সংসদে আচরন - ফেরদাউস আল আমিন
- পুরানো কিছু বিজ্ঞাপন এর নমুনা……..হা হা হা হা হা - উপদেশ গুরু
- চিত্রকল্প - ১ - আবদুল্লাহ আল মনসুর
- ছবি ব্লগ ঃ বিশ্বের ১০টি বিউটিফুল মসজিদ - সিটিজি৪বিডি
- বাংলাদেশী ওয়েব এড্রেস (অনলাইনে প্রতিদিন) - সিটিজি৪বিডি
- এভারেস্ট জয় নিয়ে বিভ্রান্তিঃ আজ না হোক আগামীকাল এভারেস্ট জয় করবেই বাংলাদেশ - রাহা
- ভব্যিষতে মক্কা এবং মদীনা শরীফ কিরকম হতে পারে আসুন দেখে নিই - arifce
- সাতদিন বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগে/ইন্টারনেট বিপর্যয়ের আশঙ্কা। - আমি মদন
- গত কাল বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস উপলক্ষ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে ধাপ্পাবাজির প্রলাপ বকে গেলেন। - আমি মদন
- মা-দিবসে ইরাকী মা-য়েদের 'স্বাধীনতা' ও 'পশ্চিমা গণতন্ত্র'-এর অনুপম উপহার: জেনেটিক্যালি বিকলাঙ্গ শিশু!!! - বিদেশী বাঙালী
- সব মানুষের ছবি গুলো অব্স্যই দেখা উচিৎ...............................এবং ভাবা উচিৎ - মো: মুসফিকুর রহমান (পরাগ)
- ফিউচার কমার্স কলেজ: কোচিং সেন্টার এখন কলেজ!!! [পর্ব-১]


- বিদেশী বাঙালী
- স্ত্রী পেটানো কি ইসলাম সমর্থন করে??? - সাইদুর রহমান মুন্না
- আল কুরআনের অনুবাদ বিভিন্ন ভাষায় !! - সাইদুর রহমান মুন্না
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- কত দিন দেখি না মা'য়ের মুখ - শেখ রফিক
- ***নকল মুসলমান*** - উমর
- USB দিয়ে ভাইরাস ঢুকার রাস্তাটা বন্ধ করে দিন আপনার উইন্ডোস কম্পিউটারে - মঈনউদ্দিন
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর - ২য় পর্ব - রাগ ইমন
- নবী - রাসূলদের সমাধিক্ষেত্র সমূহ এবং অন্যান্য ! - জেমসবন্ড
- ***আসুন জেনে নিইঃ কিভাবে নামাজে মনোযোগ বৃদ্ধি করা যায়*** - উমর
- কতো কিছুই না আমাদের অজানা এক নজরে একটু দেখে নিন। (রিপোষ্ট) - কমান্ডো
- মুসলিম জীবনে 'সময়'-১ - আমি বিপ্লবী
- একটি Converter দিয়ে Convert করুন সব কিছু। - কাজু
- নববর্ষ উদ্যাপন: শরিয়ত কি বলে ما حكم حفلة رأس السنة - এ হাকীম
- এবি পজেটিভ রক্ত প্রয়োজন (জরুরি) !! - হোমিওপ্যাথ
- শেয়ার করার মত কিছু চমৎকার ছবি :: সব পর্ব একসাথে , পোষ্টটি নিয়মিত আপডেট হবে :: - কুঁড়ের বাদশা
- শেয়ার করার মত চমৎকার কিছু ছবি - ৪৩ | দেখেন তো জায়গাগুলো চিনতে পারেন কিনা | - কুঁড়ের বাদশা
- কি ঘটেছিল ১৭ই এপ্রিল? কেন ওসমানী আসেননি আত্নসমর্পন অনুষ্ঠানে? কেন সেনস্ হারিয়েছিলেন সৈয়দ নুজরুল? - হিটলারের সাগরেদ
- বাংলা নববর্ষ মুসলমানদের ঐতিহ্যঃ ইতিহাসের পাতা থেকে - এরশাদুর রহমানা
- সামহয়ারইন ব্লগ সংকলনঃ টপ টেকি পোষ্ট!!
- ইসানুর
- মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা: ঘরের কিছু ছবি - তর্ষ
- ভিডিও ডাউনলোড করার ৫টি জনপ্রিয় ওয়েবটুলস, সম্পূর্ন ফ্রী… - তারেকবিডি
- পোল্যান্ডের বিমান ও রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারকেরা - জাহিদ আহমেদ
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল এবং রাজনীতির ওয়েব সাইটসমূহ - মাসুদ চৌধুরী
- ফেইসবুকের সামাজিক যোগাযোগের পেছনে বেড়ে ওঠা অসামাজিকতার শিকড় - সামী মিয়াদাদ
- ধূমপানবিরোধী ১০টি সৃজনশীল বিজ্ঞাপন - নিরব হাসি
- রাজাকাররা পালাচ্ছে........ - অাল অামীন
- আসুন জেনে নেই বিশ্বের সকল দেশের স্বাধিনতা দিবস। - মাহমুদুল হাসান কায়রো
- এক্সক্লুসিভ!!!! সরকারের মন্ত্রিসভায় স্বাধীনতা বিরোধী রয়েছে: কাদের সিদ্দিকী - রুবেল হাসান
- সমুদ্র তীরবর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থা - গোয়েবলস
- দক্ষিন তালপট্টি :বাংলাদেশের দাবী ও আন্তর্জাতিক আইন - এ. এস. এম. রাহাত খান
- আমরা সাবমেরিন ক্যাবেল সমুদ্রের তলদেশে স্থাপন না করে টেলিযোগাযোগের কর্তা ব্যাক্তিবর্গের পশ্চাদ দেশে ভরি। - আমি মদন
- মহা গ্রন্থ আল-কুরআন মাজীদ ডাউনলোড করতে চাইলে...... - mdamirh
- একটি panasonic ভিডিও ক্যামেরা বিক্রয় হইবে - ফিরোজ আলম
- শেখ মুজিব সম্পর্কে জানতে চান? - ফাহাদ বাপ্পী
- মানবাধিকারের তীর্থ ঘুড়ে এসে, নতুন দীক্ষায় আইনমন্ত্রি ! শেষ রক্ষা হবে তো? - ধীবর
- জৈন্তাপুরে বিএসএফ-এর গুলি : নেপথ্যে ইউরেনিয়াম খনি - সুধাসদন
- সব যুদ্ধ অপরাধীর নয়, শুধুমাত্র শীর্ষ অপরাধীদের বিচার হবে -সৈয়দ আশরাফ - সেতূ
- প্রযুক্তি বিশ্বে সর্বাধিক বেতনপ্রাপ্ত ৬ সিইও - কুঁড়ের বাদশা
- হিজাব মুসলিমের ধর্মীয় অধিকার, হিজাবের পক্ষে ভোট দিন। - বাবু>বাবুয়া>বাবুই
- TEAM WORK - English alphabets in an Amazing View - ফাহাদ বাপ্পী
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- বিলম্বে হলেও ২৬ বিদেশি নাগরিক মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছেন - এ. এস. এম. রাহাত খান
- দাঁড়ি-গোফ ওয়ালা চাচাদের মজার মজার ছবি! - ঈবলিশ
- নপুংসকদের (হিজড়া) সম্বন্ধে জানুন আরো কিছু ........১৮+ পোষ্ট - সুইট
- বিভিন্ন ইসলামিক/ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সংবিধানের শুরুটা কেমন... - নাজনীন১
- পৃথিবীর যেসব দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বিদ্যমান আছে - তালহা তিতুমির
- বিশ্বের ১০ টি বিস্ময়কর ব্রিজ (প্রথম পর্ব) - মুভি পাগল
- বিশ্বের ১০ টি বিস্ময়কর ব্রিজ (পর্ব - ২) - মুভি পাগল
- বিশ্বের ১০টি বিস্ময়কর ব্রিজ!!!!!!!!!! - পর্ব ৩ - মুভি পাগল
- নাটক দেখা ও ডাউনলোড করতে যারা পছন্দ করেন তাদের জন্য কিছু লিঙ্ক দিলাম। - ফিরোজ-২
ইসরাইলের সমরশক্তি
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭
ছয় দিনের আরব ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ১৯৬৭ সালের ৫ জুন। এদিন ইসরাইল আরব রাষ্ট্রগুলোর উপর ভয়াবহ আক্রমণ শুরু করেছিল। মাত্র ছয় দিনের যুদ্ধে ফিলিস্তিনের গাজা, পশ্চিম তীর, জেরুজালেম, মিশরের সাইনাই ও সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে নেয় ইসরাইল। ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মাধ্যমে মিশর ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিলে ইসরাইল সাইনাই এলাকা মিশরের কাছে ফেরত দেয়। কিন্তু বাকি সব এলাকাতেই এখনো চলছে ইসরাইলের অব্যাহত দখলদারিত্ব। ইসরাইলি বর্বরতা ও নির্যাতন থেকে রক্ষার জন্য ফিলিস্তিনীদের প্রতি কোনো পরাশক্তি সাহয্যের হাত বাড়ায়নি। এমনকি বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার দায়িত্বে নিয়োজিত জাতিসংঘও ফিলিস্তিনীদের জন্য তেমন কিছুই করেনি। অধিকন্তু বিশ্বের একক পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও তার বিশ্বস্ত মিত্র বৃটেনসহ পশ্চিমারা ইসরাইলকে তার সব কর্মের জন্য নিঃশর্ত সমর্থন ও সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে চলেছে। তাদেরই প্রত্যক্ষ সাহায্য সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতায় ইসরাইল আজ পৃথিবীর অন্যতম সামরিক শক্তির অধিকারী একটি দেশ। এই সামরিক শক্তি অর্জনে ইসরাইলের যে বাহিনী ভূমিকা পালন করছে সেই বাহিনীর নাম ইসরাইলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)। বাহিনীটির অস্ত্র ও যুদ্ধ কৌশল বিশ্বের সব দেশ থেকে ভিন্ন। সে নিষ্ঠুরতার দিক থেকে হোক আর প্রযুক্তি ও রণকৌশলই হোক। জানা-অজানার এবারের বিষয় ইসরাইলের এই বাহিনী নিয়ে।
ইসরাইল সশস্ত্র বাহিনীর সংগঠন
ইসরাইলের সশস্ত্র বাহিনী (আইডিএফ) তিনটি মিলিটারি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত। সংস্থাগুলো হচ্ছে- গ্রাউন্ড ফোর্সেস, এয়ার ফোর্স ও নেভি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সশস্ত্র বাহিনীতে বেসামরিক লোক নিয়োগ দেয়া হলেও ইসরাইল এ ক্ষেত্রে ভিন্ন। ইসরাইলের সশস্ত্র বাহিনী সে দেশের সামরিক ব্যক্তিত্বরা পরিচালনা করে। এই বাহিনী দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। অবশ্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনেক বেসামরিক লোককে পদস্থ কর্মকর্তা করা হয়। অফিসিয়ালি ইসরাইল সশস্ত্র বাহিনী প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৯৪৮ সালের ২৬ মে কেবিনেটের সিদ্ধান্তক্রমে। এ জন্য লিখিত আদেশ দেয় ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ১৯৪৮ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধের সময় বাধ্যতামূলকভাবে অনেক ইহুদীকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেয়া হয়। এছাড়াও ইহুদীদের তিনটি গোপন সংগঠন হাগানা, ইরগান ও লেহির সদস্যদের নিয়ে প্রাথমিকভাবে এই বাহিনী গঠন করা হয়। যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠা আর নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ের রাখতে অনেকগুলো যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে হয় এই বাহিনীকে।
বিভিন্ন দেশের সাথে এই বাহিনীর অস্ত্র ও প্রযুক্তির বেশ পার্থক্য রয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- মারকাভা মেইন ব্যটল ট্যাঙ্ক, উজি সাবমেরিন গান এবং গালিল ও টাভর অ্যাস্যল্ট রাইফেল। আইডিএফ’র উন্নয়নে বিভিন্ন খাতে অর্থ সহযোগিতা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য খাত হচ্ছে- এফ-১৫১ জেট বিমান, টিএইচইএল লেজার ডিফেন্স সিস্টেম ও এরো মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সশস্ত্র বাহিনীতে মহিলা সদস্যদের স্বেচ্ছায় নিয়োগ দেয়া হলেও ইসরাইলে দেয়া হয় অনেকটা বাধ্যতামূলকভাবে। পুরুষ সদস্যদের উৎসাহ দেয়ার জন্য তিনটি বাহিনীতেই এই নিয়োগ দেয়া হয়।
উদ্দেশ্য ভৌগলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব
আইডিএফ’র লক্ষ্য ইসরাইলের অস্তিত্ব, অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা। এজন্য কয়েকটি বিষয়ে তারা কোনো ছাড় দেয় না। আইডিএফ কোনো ছোট যুদ্ধেও হারতে রাজি নয়। নিজ এলাকার মধ্যে সর্বোচ্চ আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেয় আইডিএফ। রাজনৈতিক সুযোগ থাকলে ভয় দেখিয়ে সমস্যা সমাধান করে। যুদ্ধের তীব্রতা প্রতিরোধ, দ্রুত যুদ্ধের লাভ-ক্ষতি কী হবে তার সিদ্ধান্ত নেয়া। সন্ত্রাস দমনে লড়াই করা। যুদ্ধে যান মালের খুব সামান্য ক্ষতি হতে দেবে। সম্ভব হলে কোনো ক্ষতি হতে দেবে না। অবশ্য এ সবই কাগজের কথা। অমানবিকতা ও নিষ্ঠুরতার দিক থেকে এই বাহিনী সারা বিশ্বে ব্যাপক সমালোচিত।
বার্ষিক ব্যয় গোপন রাখে
১৯৫০-১৯৬৬ সালে ইসরাইল দেশটির জিডিপির ৯% খরচ করেছে প্রতিরক্ষা খাতে। ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ সালের যুদ্ধের পর নাটকীয়ভাবে দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি পায়। ১৯৮০ সালে প্রতিরক্ষা খাতে এই ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ২৪ শতাংশে। কিন্তু জর্দান ও মিশরের সাথে শান্তিচুক্তির পর এই ব্যয় আবার ৯ শতাংশে নেমে আসে এমন কথা বলা হয়ে থাকে। তবে আসল কথা হচ্ছে ইসরাইলের সামরিক ব্যয় বা এই সংস্থা সম্পর্কে নির্ভর করার মতো কোনো তথ্য কখনোই পাওয়া যায় না। যেটুকু জানা যায় তাতে ২০০৯ সালে ইসরাইল সশস্ত্র বাহিনীর বাজেট ১ হাজার ৩৩ কোটি মার্কিন ডলার।
নিয়মিত সার্ভিসে যোগ দেয়া বাধ্যতামূলক
ধর্মীয়, স্বাস্থ্যগত ও মানসিক সমস্যা ছাড়া ১৮ বছরের বেশি ইসরাইল নাগরিকদের মধ্যে ইহুদি ও দ্রুজদের মিলিটারি সার্ভসে যোগ দেয়া বাধ্যতামূলক। পুরুষদের কমপক্ষে তিন বছর ও মহিলাদের কমপক্ষে দুই বছর মিলিটারিতে কাজ করতে হবে। কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রে অংশ নিতে হবে এমন মহিলাদের ট্রেনিংয়ের জন্য তিন বছর থাকতে হয়। মহিলাদের আরো কিছু ট্রেনিং আছে যা শেষ করতে তাকে তিন বছরেরও বেশি সময় মিলিটারিতে থাকতে হয়। মহিলাদের এই সময়দানকে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন বলা হলেও বিশেষ কারণেই এটি করা হয়। কোনো মহিলা মিলিটারি সার্ভিস থেকে অব্যাহতি নিতে চাইলেও তাকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেয়া হয় না। এক্ষেত্রে পুরুষদের বিষয়টা ভিন্ন।
বর্ডার পুলিশ সার্ভিসে আইডিএফ সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়
ইসরাইলের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব বর্ডার পুলিশ সার্ভিসের। আইডিএফ’র কিছু সদস্যকে এই সার্ভিসে বাধ্যতামূলকভাবে কাজ করতে হয়। সাধারণত সামরিকবাহিনীর সদস্যদের কমব্যাট ট্রেনিং শেষে অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ হিসেবে বর্ডার গার্ড ট্রেনিং নিতে হয়। এই প্রশিক্ষণের কারণ হচ্ছে যে কোনো সীমান্ত সমস্যা যেন সহজে আইডিএফ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বর্ডার পুলিশ সার্ভিস ইইডএফ’র নিয়মিত কমব্যাট ইউনিটের পাশাপাশি কাজ করে। সংস্থাটি সী,ান্ত এলাকা ছাড়া জেরুজালেমসহ অন্যান্য উপশহর ও গ্রাম্য এলাকায়ও দায়ত্ব পালন করে। জরুরি মুহূর্তে বর্ডার পুলিশ সার্ভিস সরাসরি আইডিএফ’র নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।
বছরে এক মাস রিজার্ভ সার্ভিসে কাজ করতে হয়
নিয়মিত সার্ভিস ছাড়াও ৪৩ থেকে ৪৫ বছরের কম বয়সী পুরুষদের বার্ষিক অন্তত এক মাস আইডিএফ-এ কাজ করতে হয়। এটি রিজার্ভ সার্ভিস নামে বেশি পরিচিত। সঙ্কটকালে এই সার্ভিসের সদস্যদের নিয়মিত কাজ করার দায়িত্ব দেয়া হয়। ৪৫ বছরের পর এই সার্ভিসে কাজ করা বাধ্যতামূলক নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রিজার্ভ সার্ভিসের সদস্যদের আগের ইউনিটের অধীনেই কাজ করতে দেয়া হয়। মহিলাদেরও এই সার্ভিসে এক মাস সময় দিতে হয়।
অস্ত্রের উন্নত প্রযুক্তি বিশ্বব্যপি স্বীকৃত
ইসরাইল বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত অস্ত্র ও কম্পিউটার পদ্ধতি ব্যবহার করে। এটি বিশ্বের সব দেশই কম বেশি অবগত। আইডিএফ’র মানব বিধ্বংসী অস্ত্র বিশ্বের যে কোনো দেশকে চ্যালেঞ্জ করার মতো। এসব অস্ত্রের কিছু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি। তবে যুক্তরাষ্ট্র যা তৈরি করে তা কোনো না কোনো ভাবে ইহুদিদের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। এসব অস্ত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- এম৪এ১ অ্যাসল্ট রাইফেল, এফ-১৫ ঈগল ও এফ-১৬ ফাইটিং ফ্যালকন, এএইচ-৬৪ অ্যাপেচ, এএইচ-১ কোবরা এটাক হেলিকপ্টার। ইসরাইলের অস্ত্র তৈরির নিজস্ব কারখানা রয়েছে। যেখানে অস্ত্র ও সামরিক যানের উন্নত সংস্কার করা হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- মার্কাভা ব্যটল ট্যাঙ্ক সিরিজ, কেফির ফাইটার এয়াক্রাফট। এছাড়া ছোট ইসরাইলের তৈরি গালিল ও টাভোর অ্যাসল্ট রাইফেলস এবং উজি সাবমেরিন গান বিশ্বের ছোট অস্ত্রের মধ্যে প্রথম সারির।
অস্ত্র তৈরির জন্য আইডিএফ’র আভ্যন্তরীণ বৃহৎ গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগ রয়েছে। এসব বিভাগ নিজ দেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসরাইলি সিকিউরিটি ইন্ডাস্ট্রিজের কাছ থেকে অনেক প্রযুক্তি পণ্য ক্রয় করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- আইএআই, আইএমআই, এলবিট, ইল-ওপি, রাফায়েল, সোলটাম। এছাড়াও অন্তত ডজনখানের প্রতিষ্ঠান থেকে তার প্রযুক্তি পণ্য ক্রয় করে।
ইসরাইলি মিলিটারি প্রযুক্তি বিখ্যাত অনেক কারণে
অনেকগুলো কারণেই ইসরাইলের মিলিটারি প্রযুক্তি বিখ্যাত। ইসরাইলের রিভলভর, বর্মাচ্ছাদিত যুদ্ধযান (ট্যাঙ্ক, ট্যাঙ্ক-কনভার্টার এপিসি, বর্মাচ্ছাদিত বুলডোজার ইত্যাদি), মানুষ্যবিহীন বায়বীয় যান ও রকেট্রি (মিসাইল ও রকেট) ইত্যাদি মারনাস্ত্র বিশ্বখ্যাত। ইসরাইল বিশ্বের একমাত্র দেশ যার রয়েছে অপারেশনাল এন্টি-ব্যালস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। এছাড়া ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যৌথভাবে মধ্যম রেঞ্জের রকেট বিধ্বংসের জন্য উচ্চ প্রযুক্তির লেজার সিস্টেম নিয়ে কাজ করছে। এর নাম দেয়া হয়েছে নটিলাস বা টিএইচইএল। মহাকাশে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইসরাইলের স্বাধীন পরিদর্শন ক্ষমতা রয়েছে। এই ক্ষমতা ইসরাইল ছাড়া রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, চীন, ভারত, জাপান ও ইউক্রেনের রয়েছে। তবে স্যাটেলাইটের উন্নয়ন ইসরাইল নিজেই করে।
পারমানবিক বোমার অফিসিয়াল ঘোষণা নেই
ইসরাইল পারমানবিক বোমার এখনো কোনো পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ করেনি। কতটি বোমা আছে তাও দেশটি প্রকাশ করেনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে দেশটির নিয়ন্ত্রণে ৭৫ থেকে ২০০ পারমানবিক অস্ত্র থাকতে পারে। কেউ কেউ এই সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়ে যাবে বলে অনুমান করছে। অবশ্য আইডিএফ সবসময় বলে আসছে তারা পারমানবিক গবেষণা ব করে দিয়েছে।
ছয় দিনের যুদ্ধে দখল করে নিয়েছিল আরব বিশ্বের বিশাল ভূমি
ফিলিস্তিনের যে মানুষগুলোর বয়স এখন ৪২ তারা জন্মের পর থেকেই ইসরাইলের নির্যাতনকে মোকাবেলা করে আসছে। সে নির্যাতনে নিহত হয়েছে হাজার ফিলিস্তিনী। কারাগারে বছরের পর বছর ধরে দুর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছে কয়েক হাজার ফিলিস্তিনী আর বাকিরা চালিয়ে যাচ্ছে কঠিন ও অসম এক স্বাধীনতা সংগ্রাম। কয়েক লাখ ফিলিস্তিনী জন্ম থেকেই উদ্বাস্তু। এর শুরুূটা হয়েছিল ১৯৬৭ সালের ৫ জুন। এ প্রবরে শুরুতে বলা হয়েছে এদিন ইসরাইল আরব রাষ্ট্রগুলোর উপর ভয়াবহ আক্রমণ শুরু করেছিল। মাত্র ছয় দিনের যুদ্ধে ফিলিস্তিনের গাজা, পশ্চিম তীর, জেরুজালেম, মিশরের সাইনাই ও সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে নেয় ইসরাইল। ১৯৭৮ সালের ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির মাধ্যমে মিশর ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিলে ইসরাইল সাইনাই এলাকা মিশরের কাছে ফেরত দেয়। কিন্তু বাকি সব এলাকাতেই এখনো চলছে ইসরাইলের অব্যাহত দখলদারিত্ব।
আরো একটু পিছনের কথা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২২ সালে ফিলিস্তিন এলাকা বৃটিশ ম্যান্ডেট প্রাপ্ত হয়। ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে ফ্রাংকলিন রুজভেল্ট একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক ইহুদি কমনওয়েলথ গঠনের অনুমোদন দেন। ১৯৪৭ সালে বৃটেন ফিলিস্তিন প্রস্তাবটি জাতিসংঘে উত্থাপন করে। সে বছর ৩১ আগস্ট ফিলিস্তিন বিষয়ক জাতিসংঘ বিশেষ কমিটির রিপোর্টে ফিলিস্তিনকে আরব ও ইহুদি রাষ্ট্রে বিভক্তির সুপারিশ করা হয়। ২৯ নভেম্বর প্রস্তাবটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। এতে ফিলিস্তিনী ভূখণ্ডের ৫৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয় একটি ইহুদি রাষ্ট্রের জন্য এবং আরবদের জন্য রাখা হয় ৪৫ শতাংশ। অথচ তখন ফিলিস্তিনে আরব ছিল ১২ লাখ ৬৯ হাজার আর ইহুদি ছিল ৬ লাখ ৭৮ হাজার।
১৯৪৮ সালের ১৫ মে ফিলিস্তিনের ওপর বৃটিশ ম্যান্ডেট অবসানের তারিখ ঘোষিত হয় এবং এর একদিন আগেই ইসরাইল তার স্বাধীনতা ঘোষণা করে। তৎকালীন সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট স্টালিন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান তাৎক্ষণাৎ ইসরাইলকে স্বীকৃত দেয়। এভাবেই জন্ম হয় ইসরাইল রাষ্ট্রের।
বিভক্তির পরপরই শুরু হয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ। ১৯৪৮ সালের জুলাইয়ের ১০ দিনের ওই যুদ্ধে ইসরাইলের কাছে আরব বাহিনী পরাজিত হয়। অক্টোবরে ইসরাইল চূড়ান্ত হামলা চালায় উত্তর লেবাননের সীমান্ত ও গোলান মালভূমি এবং দক্ষিণ আকাবা উপসাগর ও সাইনাই উপত্যকায়। এতে ফিলিস্তিনের ৭০ শতাংশেরও বেশি ভূখণ্ড ইসরাইরের দখলে চলে যায়। পরে ১৯৬৭ ও ১৯৭৩ সালে ইসরাইল আবারো আরব দেশ আক্রমণ করে তার সীমানাকে বিস্তৃত করে। এভাবেই বছরের পর বছর ধরে ফিলিস্তিনী মুসলমানদের ওপর ইসরাইলের অব্যাহত দখলদারিত্ব, সীমাহীন নির্যাতন, হত্যাকাণ্ড ও বর্বরতা চলে আসছে। আর এই বর্বরতার চলছে যে বাহিনীর মাধ্যমে সেই বাহিনীই হচ্ছে ইসরাইল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)।
শেষ কথা
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ দৃঢ়তার সাথে বলেছেন, ইসরাইল অচিরেই ধ্বংস হয়ে যাবে। দীর্ঘদিন থেকে ধারণা ইসরাইল মধ্যপ্রাচ্যের অপরাজেয় শক্তি। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধে হামাস এবং আরো আগে হিজবুল্লাহ প্রমাণ করেছে ইসরাইলও পরাজয় বরণ করবে। শুধু তাই নয়, যে ইসরাইল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নিজেকে মনে করতো অপ্রতিরোধ্য শক্তি সে ইসরাইল এখন নিজেই পতনের সম্ভাবনায় ভীত। ইসরাইলের উচিত বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে ফিলিস্তিন থেকে এখনই সেনা প্রত্যাহার করা। উচিত আাগ্রাসন ও দখলদারিত্ব ব করে ফিলিস্তিনকে স্বাধীনতা দেয়া। সারা বিশ্বেই সমর শক্তি সমস্যা সমাধানে ধীরে ধীরে ব্যর্থ হচ্ছে।
একনজরে ইসরাইলের সশস্ত্র বাহিনী
শাখাঃ আর্মি, নেভি, এয়ার
সামরিক বয়সঃ ১৮ বছর
অ্যভেইল্যবল ফর মিলিটারি সার্ভিসঃ পুরুষ ১৪,৯৯,১৮৬ জন ও মহিলা ১৪,৬২,০৬৩ জন।
ফিট ফর মিলিটারি সার্ভিসঃ পুরুষ ১,২২,৯০৩ জন ও মহিলা ১১,৯২,৩১৯ জন।
রিচিং মিলিটারি এইজ এনুয়ালিঃ পুরুষ ৫০,৩৪৮ জন ও মহিলা ৪৭,৯৯৬ জন।
অ্যাকটিভ পার্সোনেলঃ ১,৭৬,৫০০ (র্যাঙ্ক-৩১) জন
সমর শক্তি
উচ্চমানের ট্যাঙ্কঃ ৯৭০
মধ্যম ও নিম্নমানের ট্যাঙ্কঃ ১৮৩০
এপিএস, আইএফভি, এআরভি, এলসিভিঃ ৬৯৩০
সেল্ফ-প্রোপেলড আর্টিলারিঃ ১২০৪
কমব্যাট ওয়ারপ্লেনঃ ৮৭৫
ট্রান্সপোর্ট ওয়ারপ্লেনঃ ৮৪
ট্রেনিং ওয়ারপ্লেনঃ ১৭১
মিলিটারি হেলিকপ্টারঃ ২৮৬
হেভি এসএএম ব্যাটারিঃ ২৫ ওয়ারশিপঃ ১৩
সাবমেরিনঃ ৩
পেট্রোল বোটঃ ৫০
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ফেরা বলেছেন:
তথ্যবহুল লেখা, ভালো লাগলো....
লেখক বলেছেন: ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। আপনাকে ধন্যবাদ।
শেরজা তপন বলেছেন:
ধন্যবাদ ভাই- অনেক কিছুই জানলাম
লেখক বলেছেন: আমার মনে হয় আমার চেয়ে আপনি বেশি উপকৃত হননি। মন্তব্য দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
মুকুট বলেছেন:
ভাইরে মোসাদের চোখে আবার পড়ে না যান!
লেখক বলেছেন: মুসলমানরা অনেক আগে থেকেই মোসাদের টার্গেট।
ম্যাকানিক বলেছেন:
খুবই তথ্যবহুল লেখা তবে সাথে আরেকটু যোগ করতে চাই আই ডি এফ রিজার্ভ বা প্রাক্তন প্রশিক্ষন প্রাপ্ত সৈনিকরা দুনিয়ার যেই দেশেই থাকুক না কেনো ইসরাইল যুদ্ধে ডাক দিলেই তারা যেতে বাধ্য থাকবে বা ছুটে যায় নতুবা মোসাদ এর এজেন্টরা ঘারে ধরে নিয়ে যায়।
তবে ইসরাইল এর জন্মের আরেকটা বড় কারন হচ্ছে আরব রা নিজেরা এক হতে না পারা।
আর তারও আগে ১৯৩৬ -৩৯ সালের বৃটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করলে ইহুদিরা কৌশলে বৃটিশ দের সাথে মিলে ফিলিস্তিনিদের রিতিমত নেতৃত্ব শূন্য করে দেয় ।
আর সেই সময়ই বৃটিশ অফিসার চার্লস অর্ডে উইনগেট এর তত্বাবধানে গঠিত হয় ইসরায়েল এর কুখ্যাত হাগানাহ বাহিনী যার কাজই ছিলো ফিলিস্তিনি আর আরব মুসলিম নেতাদের নির্বীচারে হত্যা করা।
আর তারই ফলে পরবর্তীতে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে কথা বলার মত কেউ ছিলো না।
তবে আরবরাও কম যায় না
শুরুতে জর্ডান চাইছিলো ফিলিস্তিন তাদের সাথে যোগ দেক আর তাদের রাজা আব্দুল্লাহ এর ইসরাইল এর স্বীকৃতী নিয়ে ও কোন আপত্তি ছিলো না।
১৯৭৮ এ মিশর যখন তার ভাগ পেয়ে গেলো সাথে ক্যাম্প ডেভিড এ গিয়ে চুক্তি করে বসল।
আরব লীগে জর্ডান আর ইরাক একদিকে আর সিরিয়া লেবানন মিশর সউদি আরব এক পক্ষে থেকে ক্রমাগত একে অপরকে অবিশ্বাস করে গেছে আর ইহুদিরা এই সুযোগ টাকেই বেশী কাজে লাগিয়েছে।
আমাদের বিভক্তি
ওদের শক্তি
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য আমার খুবই ভালো লেগেছে। মোসাদ নিয়ে আমার একটি লেখা আছে। তাতে আরো কিছু তথ্য দেয়া হয়েছে।
চন্দন বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম
পাভেল০৮১ বলেছেন:
আমরা অনেকেই জানিনাযে এই বাহীনিতে অনেক মুসলিম বেকার তরুন নিরুপায় হয়ে যোগ দেয়। এদের অনেকে আবার পরে গণহত্যার বিভিষীদকা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে। বিবিসি রেডিওতে এই বিষয়ে একটা ডকুমেন্টারি শুনেছিলাম
লেখক বলেছেন: সমরশক্তি নিয়ে আমার কয়েকটি লেখা ব্লগে দেয়া আছে। সবগুলো পড়বেন আশা করি।
আবুল কাসেম রুবেল বলেছেন:
আসসালামু আলাইকুমভাইসব একটা কথা সবাই মনে রাখবেন ইসরাঈল কখনই ইরানকে আক্রমন করবে না।কারণ মনে রাখবেন ইরান কিন্তু শিয়া প্রধান দেশ।১৯৭৯ সালে সেখানে ইসলামি বিপ্লব ঘটেনি, ঘটেছে শিয়া বিপ্লব।তারা বিপ্লবের পর সুন্নিদের উপর অনেক অত্যাচার করেছে।সুন্নিদের মসজিদও বন্ধ করে দিয়েছে।ইরানের সাথে ইসরাঈলের
গোপন সম্পর্ক রয়েছে।
মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন:
জনাব আবুল কাসেম রুবেল, আমার নিচের লিংকটি একটু পড়ে নিবেন।View this link
লেখক বলেছেন: পোস্ট করার অনেক দিন পরেও আপনি লেখাটি পড়ে মন্তব্য করেছেন এজন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
জামীর রাসেল বলেছেন:
++++++++++++++
লেখক বলেছেন: আপনি আমার সবগুলো লেখায়ই মন্তব্য করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
টেকি মামুন বলেছেন:
জটিল লেখেছেন প্লাস+প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: জটিল বললেন কেন? মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সেই সাম্য বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার জন্য শুভ কামনা।
লেখক বলেছেন: একমত।
বরফ গলা পািন বলেছেন:
প্লাস+প্রিয়তে
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















