আমার প্রিয় পোস্ট

কি লিখি তোমায়

সব যুদ্ধ অপরাধীর নয়, শুধুমাত্র শীর্ষ অপরাধীদের বিচার হবে -সৈয়দ আশরাফ

১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:০২

শেয়ারঃ
0 1 0

"সব যুদ্ধ অপরাধীর নয়, শুধুমাত্র শীর্ষ অপরাধীদের বিচার হবে" -সৈয়দ আশরাফ।

উনারা কি শীর্ষ যুদ্ধ অপরাধীর মধ্যে পারে না ???

১.শেখ হাসিনার বর্তমান মন্ত্রীসভার সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ছিলেন ফরিদপুর শান্তি কমিটির প্রধান। তিনি শেখ হাসিনার বেয়াই। উনার গাড়ীতেও যেহেতু বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উড়ানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা।
২. বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের এমপি ডা.আনোয়ার হোসেন একজন যুদ্ধাপরাধী। তার সম্পর্কে সাঈদ বাহাদুর লিখিত ‘গণহত্যা ও বধ্যভূমি ৭১’ গ্রন্থে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ডা. আনোয়ার হোসেন ১৯৭১ সালে তার সহপাঠী ও যশোর বোর্ডের কৃতী সন্তান গণপতি হালদারকে রাজাকারদের হাতে তুলে দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেন।
৩. শেখ হাসিনার আগের মন্ত্রীসভায় ধর্মপ্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মাওলানা নুরুল ইসলাম ছিলেন জামালপুরে শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান। দালাল আইনে ৫ বছরের জেল হয়েছিল তার ।তিনি তিন বছর জেল খেটেছেন।
৪. শেখ হাসিনা পাটমন্ত্রী করেছিলেন একে ফয়জুল হককে। যিনি দালাল আইনে ১ বছর জেল খেটেছেন।
জাতি জানতে চায় প্রশ্নো :-"শীর্ষ অপরাধী " কোন কোন মাপ কাঠিতে মাপা হবে...??? প্রশ্নো :-যারা "সরকারি দলে লুকিয়েছে" তাদের জন্য কি মাপ কাঠি ভিন্ন হবে??

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): যুদ্ধ অপরাধী ;
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১১
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: সোজা কথা ইসলামি বা জাতিয়বাদি পলিটিকস যারা করে তারাই যুদ্ধ অপরাধীর ।
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২৯

লেখক বলেছেন: :(:(:(

২. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১২
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: উনি আসলে বলতে চেয়েছিলে-সব রাজাকার নয় যারা বিএনপি জামতী রাজাকার শুধু তাদের বিচার হবে।
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩০

লেখক বলেছেন: :-/ :-/ :-/

৩. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১৩
যোগী বলেছেন: শেখ হাসিনার বর্তমান মন্ত্রীসভার সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ছিলেন ফরিদপুর শান্তি কমিটির প্রধান .


এব্যাপারে কোন পত্র-পত্রিকা বা বই এর সূত্র কিংবা লিংক দিতে পারবেন, সংগ্রহে রাখার জন্য দরকার।
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: :D :D :D :D

৪. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১৬
novamahdi বলেছেন: যারা জাতীয় আব্বা মানে না
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩৩

লেখক বলেছেন: :-B :-B :-B

৫. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:২৩
প্রেসক্রিপশন বলেছেন: "ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে" অথবা "ছাইড়া দে মা কাইন্দা বাঁছি " অবস্থা বাআলের ।

এ জন্য আশরাফুল কখনো প্রতিকী, কখনো শীর্ষ যুদ্বাপরাধি আবার কখনো টোকেন বিচারের কথা বলছেন।
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: :(( :(( :(( :((

১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: ;) ;) ;) ;)

৭. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩০
বাহারুল ইসলাম বাহার বলেছেন: জেনারেশন৭৫ বলেছেন: সোজা কথা ইসলামি বা জাতিয়বাদি পলিটিকস যারা করে তারাই যুদ্ধ অপরাধীর ।
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: :( :( :(

৮. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩১
হতাশার স্বপ্ন বলেছেন: আপনি আমার বুকে আসে ভাই। আপনাকে বুকে নিতে ইচ্ছা করতাছে :P :P :P :P ;) ;) ;)


পিলাচ তো দিলাম সাথে লেখা খান প্রিয়তে রাখলাম....
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: :P :P :P ;) ;) ;)

৯. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩৬
তীর্যক বলেছেন: বাআল হলো মুক্তিযোদ্বা তৈরীর প্লান্ট।
এখানে একদিক দিয়ে রাজাকার ঢুকাবেন অন্যদিক দিয়ে কালো জার্সি পরা একদম খাঁটি মুক্তিযোদ্বা বের হবে।

সুতারাং মোশারফ, ফায়জুল, নুর ইসলাম, আনোয়ার .... সবাই বীর মুক্তিযোদ্বা।
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: B-)) B-)) B-)) B-))

১০. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩৮
কাজী জেসমিন আরা বলেছেন: প্রথমেই লেখককে ধন্যবাদ, বিষয়টাকে সুন্দরভাবে তুলে ধরার জন্য।

আইনের দৃষ্টিতে অপরাধের হুকুমদাতা আর অপরাধকারী দুজনই সমান অপরাধী। তাহলে শুধু মাত্র শীর্ষ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে জাতীর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা। এটা মেনে নেয়া যায় না।

আর একটা কথা না বলে পারছি না। মুক্তিযোদ্ধা হবার প্রক্রিয়া।

কি ? হতে চান ?

আপনারা যারা সহজে মুক্তিযোদ্ধা হতে চান, তাদের জন্য বলছি।
শুধু মাত্র আ.লী এ যোগ দেন। আপনার বয়স বা নাগরিকত্ব কোন সমস্যা হবেনা।

যেখানে আ.লী করলেই মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যায়, সেখানে লেখক কিভাবে ঐসব লোকদেরকে যুদ্ধাপরাধী বলতে চান।
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪২

লেখক বলেছেন: :(( :(( :(( :(( :(( :((

১১. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪৭
ওসমানজি২ বলেছেন: রেজাকার যেই হোক, তার বিচার চাই।
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: :) :) :) :) :)

১২. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৫০
রোহান বলেছেন: Click This Link

আরও একটু কষ্ট করে একাত্তরের ঘাতক দালালেরা কে কোথায় - এই বইটা খুঁজে নিয়ে পড়ে নেন (আমার কাছে বইটা আছে কিন্তু সফট কপি নেটে কোথাও পেলাম না)। এখানে অনেক ডিটেইলস আছে।

আপনি শীর্ষ অপরাধীর মাপকাঠি কেমন হওয়া উচিত বলে মনে করেন? ধরেন প্রথম ফেজে রাজাকার, আলবদর, শান্তিকমিটি, আলশামস -- এদের কেন্দ্রীয় কমিটির জীবিত সদস্যদের বিচারের আওতায় এনে পরের ফেজে জেলা পর্যায়ের কমিটির সদস্যদের বিচারের আওতায় এনে বিচারকাজ সম্পন্ন করা যেতে পারে। আবার এই সংস্থাগুলোর শুরু থেকে শেষে এর সবার একসাথে বিচার করা যেতে পারে। অথবা প্রথম এবং একমাত্র ফেজেই জেলা পর্যায় পর্যন্ত সবার বিচার করা যেতে পারে।

সেই সময়ের সবগুলো কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের বর্তমান অবস্থান দেখতে গেলে অধিকাংশকেই যদি একটা কমন প্লাটফর্ম ছায়ায় পাওয়া যায় তাহলে কি করা যেতে পারে?
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: ভাই- ডি সরকার এখনো "শীর্ষ অপরাধী যুদ্ধ অপরাধী" মাপার মাপ কাঠি/কোন ফরমূলা দার করে নাই।
তাই ধারণা কারা যায়...
সরকার নিজের ঘরের/খাচার পোসা মুরগি বাদ দিয়া - পাড়া-পড়শীর মুরগী গুলা আগে কিভাবে ধরে জবেহ করবে তারই চিন্তায় ব্যাস্ত...

১৩. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:০৫
অক্টোপাস বলেছেন: আওয়ামী লীগ কুত্তারও অধম। আর তার সাগরেদরা কুত্তা প্রদত্ত আর্শীবাদে জন্মলাভ করিয়াছে!!
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: :(:(:(

১৪. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:০৬
যোগী বলেছেন: শীর্ষ যুদ্ধ অপরাধীদের দিয়েই বিচার শুরু হোক। সবার এক সংগে বিচার করা সময় সাপেক্ষ এবং দুরুহ কাজ। আর বাকিদের বিচার পরের স্টেপে করা যাবে।
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন: ভাই- ডি সরকার এখনো "শীর্ষ অপরাধী যুদ্ধ অপরাধী" মাপার মাপ কাঠি/কোন ফরমূলা দার করে নাই।
তাই ধারণা কারা যায়...
সরকার নিজের ঘরের/খাচার পোসা মুরগি বাদ দিয়া - পাড়া-পড়শীর মুরগী গুলা আগে কিভাবে ধরে জবেহ করবে তারই চিন্তায় ব্যাস্ত...

১৫. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:০৯
তীর্যক বলেছেন: যোগী বলেছেন: শীর্ষ যুদ্ধ অপরাধীদের দিয়েই বিচার শুরু হোক। সবার এক সংগে বিচার করা সময় সাপেক্ষ এবং দুরুহ কাজ। আর বাকিদের বিচার পরের স্টেপে করা যাবে।


নাইলে যুগ যুগ ধরে একটা ইস্যু জিইয়ে রেখে ভন্ড়ামি করবেন কেম্বায় ...... ভাল বুদ্বি ....
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: নাইলে যুগ যুগ ধরে একটা ইস্যু জিইয়ে রেখে ভন্ড়ামি করবেন কেম্বায় ...... ভাল বুদ্বি ....

১৬. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১৩
সেতূ বলেছেন: ভাই- ডি সরকার এখনো "শীর্ষ অপরাধী যুদ্ধ অপরাধী" মাপার মাপ কাঠি/কোন ফরমূলা দার করে নাই।
তাই ধারণা কারা যায়...
সরকার নিজের ঘরের/খাচার পোসা মুরগি বাদ দিয়া - পাড়া-পড়শীর মুরগী গুলা আগে কিভাবে ধরে জবেহ করবে তাই চিন্তায় ব্যাস্ত...
১৭. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১৫
সিউল রায়হান বলেছেন: আগে গোলাম আজম, নিজামী, মুজাহিদ এগুলিরে ঝুলানো হোক.... তারপর বাকিগুলিরে ঝুলানো হোক
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: আগে গোলাম আজম, নিজামী, মুজাহিদ এগুলিরে ঝুলানো হোক.... তারপর বাকিগুলিরে ঝুলানো হোক
++++

১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: সব শীর্ষ অপরাধী যুদ্ধ অপরাধী বিচার হোক। +++

১৯. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১৮
রোহান বলেছেন: @তীর্যক: ইস্যুটা যুগ যুগ ধরে কারা কারা কিভাবে কিভাবে জিইয়ে রেখেছিলো একটু বলবেন? বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় কাদের কাদের কত বছর করে অবদান আর এই ইস্যু কোন কোন বারে কারা করা কত যুগ যুগ ধরে কন্টিনিউ করলো এইসব আরকি....

আর আপনার ধারণা মতে যুদ্ধাপরাধের বিচার একবারে করা উচিত। কোয়ান্টিটি কেমন হতে পারে একটু ধারণা দিবেন?
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: @তীর্যক:???

২০. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:১৯
বায়োস্কোপ বলেছেন: যোগী বলেছেন: শীর্ষ যুদ্ধ অপরাধীদের দিয়েই বিচার শুরু হোক। সবার এক সংগে বিচার করা সময় সাপেক্ষ এবং দুরুহ কাজ। আর বাকিদের বিচার পরের স্টেপে করা যাবে।


নাইলে যুগ যুগ ধরে একটা ইস্যু জিইয়ে রেখে ভন্ড়ামি করবেন কেম্বায় ...... ভাল বুদ্বি ....
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন: @ : যোগী বলেছেন: শীর্ষ যুদ্ধ অপরাধীদের দিয়েই বিচার শুরু হোক। সবার এক সংগে বিচার করা সময় সাপেক্ষ এবং দুরুহ কাজ। আর বাকিদের বিচার পরের স্টেপে করা যাবে।

@তীর্যক বলেছেন
নাইলে যুগ যুগ ধরে একটা ইস্যু জিইয়ে রেখে ভন্ড়ামি করবেন কেম্বায় ...... ভাল বুদ্বি ....

২১. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:২১
রোহান বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভাই- ডি সরকার এখনো "শীর্ষ অপরাধী যুদ্ধ অপরাধী" মাপার মাপ কাঠি/কোন ফরমূলা দার করে নাই।
তাই ধারণা কারা যায়...

-------------------------------------------------------
আমি তো আপনারে কয়টা ফর্মুলা দিলাম... বিশ্বে তো এধরণের বিচার আরও হবার উদাহরণ আছে। সব জেনে শুনে, চারপাশ বিবেচনা করে আপনার কোন ফর্মুলাটা পছন্দ হইলো? কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের বিচার? জেলাপর্যায় পর্যন্ত সকল কর্মী বাহিনীরও বিচার? তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সবার বিচার?
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: ভাই-ডি ফর্মুলা ঠিক আছে..+++ কিন্তু সরকার কি ঠিক থাকবে.. হাকিম নরবে তবে হুকুম নরবে না নাকি- হুকুম নরবে তবে হাকিম নরবে না
;););)

২২. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:২৬
রোহান বলেছেন: @বাহার & জেনারেশন: ৭১ এর টপ কোলাবরেটরদের যে লিষ্ট ওয়ার ক্রাইম ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি প্রকাশ করেছিলো সেই লিষ্ট টা আপনারা মানেন তো? মানে ধরেন আল বদরের কেন্দ্রীয় হাই কমান্ড বলতে যেই ১৭/১৯ জনের কমিটির কথা বলা হয় তাকে সত্যি বলে স্বীকার করেন? যদি হ্যা হয় তাইলে বলেন এই সতেরো জনের মাঝে পরিচিত সবাই যদি কাকাতালীয় ভাবে (কিংবা পড়ুন বিচারের সময় ঢাল হিসাবে) ইসলাম ধর্মের একটা রাজনৈতিক বর্ম পরিধান করেন -- তার মানে তো এই হইলো না যে আমি তাদের বিচার করার কথা বললে আপনারা গোটা প্লাটফর্মরে টাইনা আনবেন।

আর যদি আপনারা ঐ সেন্ট্রাল কমিটিটা ছিলোই না এমন দাবী করেন তাইলে আর কিছু বলার নাই...
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: @রোহান ভাই এতক্ষনে ঠিক পয়েন্টে হাত দিলেন... প্রচুর সন্ভবনা আছে ধর্মের একটা রাজনৈতিক বর্ম হিসাবে ব্যবহার কারার... +++

২৩. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩৪
ডিজিটাল ২০২১ বলেছেন: এর পর আশরাফ বলবেন এবার আর সম্ভব হলনা, আমাদের আর একবার সুজগ দেন আগামী তে যুদ্ধ অপরাধীদের স্বমুলে তুলে ফেলব।
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: :(:(:(

২৪. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৪০
বাউল! বলেছেন: "১.শেখ হাসিনার বর্তমান মন্ত্রীসভার সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ছিলেন ফরিদপুর শান্তি কমিটির প্রধান।" এইটা কই পাইছেন?
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: তিনি শান্তি কমিটিতে গিয়েছিলেন মুলত মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করার জন্য। ;););)

২৫. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৪১
রাজনীতি বলেছেন: আউলালীগের বলার যখন কোন কথা থাকবেনা তখন শুধু এসি করা টয়লেটে কান্নাকাটি করবো আর টয়লেট টিস্যু দ্বারা চোখ মুছবে। অপেক্ষা করুক জাতি। এটাই তাদের কার্যক্রমের পাওনা।
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন: :(:(:(

২৬. ১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:০০
বাউল! বলেছেন: জিগাইছি তথ্যটা কই পাইছেন? শান্তি কমিটিতে কি জন্য গ্যাছে সেইটাতো পরের কথা।
১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: X( X( X(

২৭. ১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:০২
বাউল! বলেছেন: যাই হোক তথ্য সুত্র ও ভিত্তিহীন এইসব কথা এখন ভুরি ভুরি আসবে নিজামী বাপদের বাচানোর লাইগ্যা তাগো সন্তানেরা খাড়াইয়া গেছে! চালাইয়া যান। ;)
১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: সবাই কে নিজের মত ... ভাবেন কেন?? আমার আরো দুটি পোষ্ট দেখুন...প্রতারিত হবেন না। ভিক্ষুকদের চিনে রাখুন..... জনগণ -ব্লগাররা এত অন্ধ কেন....???

এই সকল শকুণে-দল (আওয়ামি লীগ, বিএনপি, জামাত ও জাতিয় পাটি .....)
পার-গাছার মত দেশ কে কুরে-কুরে খাচ্ছে আর দেশ ও দেশের জনগনের সাথে যুগ যুগ ধরে বেইমানি করে আসছে.
কেহ ভোট পায় বাপের নাম বিক্রি করে....
কেহ ভোট পায় স্বামীর নাম বিক্রি করে....
কেহ ভোট পায় ধর্মের নাম বিক্রি করে....
কেহ ভোট কেনে অর্থ দিয়ে ......

২৮. ১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:০২
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: @রোহান: একটা প্রশ্নর উত্তর দেন-ওয়ার ক্রাইম ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা কে যুদ্ধাপরাধিদের লিষ্ট করার? তারা কি রাষ্ট্র দ্বারা গঠিত কোন প্রতিষ্ঠান বা তদন্ত কমিটি না সরকার কতৃক বিচারকদের দ্বারা গঠিত বিচার বিভাগিয় কোন তদন্ত কমিটি। তাদের কি কোন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আছে?

১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: @রোহান:?

২৯. ১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:২৮
মোসাজস বলেছেন: @বাউল! : আপনারা কি নিজামি বা মুজাহিদ ছাড়া আর কোন যুদ্ধাপরাধি কারো বিচার চান না!

১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৫২

লেখক বলেছেন: @বাউল?

৩০. ১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৩৬
টুটুল বরকত বলেছেন:
যে ধরনেরই হোক বিচার শুরু করে না কেন?
সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বলবে আমরা সময় পাইনি ,আমাদের আবার সুযোগ দেন ।
এজন্য আমার মনে হয় যুদ্ধাপরাধ ইস্যু জিইয়ে রাখলে আওয়ামী লীগেরই লাভ ।
১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: :(:(:(

৩১. ১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮
অণুসন্ধানী বলেছেন: নিজামি আম্বালীগে যোগ দিলে সে শুধু শীর্ষ যুদ্ধ অপরাধী থেকেই পরিত্রান পাইব না বরং সে মুক্তিযোদ্ধা হইয়া যাইব।
১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: :):):)

১০ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: :P :P :P :P

৩৩. ১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১৮
জাতি জানতে চায় বলেছেন: বিচার হইলেতো খুবই ভাল, সেটা যাদেরই হোক!! কিন্তু ব্লগের লগি-বৈঠা গ্রুপের কথার সাথে ষেক্টড় খমান্ডার্স ফোরামের লগে মিল্লা যায়, যাগো মূল কথা হইলো আসলে শুধু জামাইত্তাগো বিচার, দেশীয় সকল যুদ্ধাপরাধী না!!! নইলে যে দল স্বাধীনতার পর থেকে এখনও পর্যন্ত শহীদ আর মা-বইনের ইজ্জত হাডুডু খেলার জঘন্য কাজ করে, যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাইয়া নিজেরাই যুদ্ধাপরাধীদের বছরের পর বছর এমপি-মন্ত্রী-বেয়াই বানায় আর এখন নিজেদের পরিশুদ্ধ না কইরা শুধু দল বিশেষের নেতাদের লিস্ট করতাছে, তারা কি যুদ্ধাপরাধীদের থেকেও জঘন্য স্তরের না??!! এইগুলার কি বিচার হওনের দরকার নাই????!!!!

যোগী-বাউল@ হাছিনার বেয়াইর কথা শুইনা কি আপনেগোর কাছে তারে মুক্তিযোদ্ধা মনে হইতেছে, যে কিনা সাংঘাতিকদের বলে যে ৭১ তারা বাংলাদেশের পক্ষেও ছিলো না আবার পাকিস্তানের পক্ষেও ছিলো না???!!! ব্লগে গত ৩/৪ দিনের পোস্ট খুজলে এগুলোর ঐতিহাসিক প্রমাণ পাইবেন! আলীগ করেন কিন্তু হাম্বালীগ কইরেন না!!!
১০ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৭

লেখক বলেছেন: হাছিনার বেয়াইর কথা শুইনা কি আপনেগোর কাছে তারে মুক্তিযোদ্ধা মনে হইতেছে, যে কিনা সাংঘাতিকদের বলে যে ৭১ তারা বাংলাদেশের পক্ষেও ছিলো না আবার পাকিস্তানের পক্ষেও ছিলো না???!!!

;););)

৩৪. ১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১৮
মোবাশ্বের বলেছেন: অণুসন্ধানী বলেছেন: নিজামি আম্বালীগে যোগ দিলে সে শুধু শীর্ষ যুদ্ধ অপরাধী থেকেই পরিত্রান পাইব না বরং সে মুক্তিযোদ্ধা হইয়া যাইব।

ঠিক কথা।
১০ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯

লেখক বলেছেন: :):):)

৩৫. ১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫
রোহান বলেছেন: -ওয়ার ক্রাইম ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা কে যুদ্ধাপরাধিদের লিষ্ট করার? তারা কি রাষ্ট্র দ্বারা গঠিত কোন প্রতিষ্ঠান বা তদন্ত কমিটি না সরকার কতৃক বিচারকদের দ্বারা গঠিত বিচার বিভাগিয় কোন তদন্ত কমিটি।
-------------------------------------------------------------------------------
@জেনারেশন & জাজাচা: আচ্ছা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং এর লিষ্ট তাহলে ভুয়া। আচ্ছা ধরে নিলাম। এখন আপনারা বলেন তো, ৭১ এ এই যে চারটা প্যারামিলিটারী ফোর্স আছিলো, এদের নিশ্চয়ই একটা সেন্ট্রাল কমিটি ছিলো? তার আন্ডারে জেলা ও মাঠ পর্যায়ে নিশ্চয়ই সাব কমিটি ছিলো? সেই কমিটিতে নিশ্চয়ই কিছু লোকজন ছিলো? এরা কারা? আপনাদের কি মত? আর বিচার বিভাগীয় তদন্তের উপরে হটাৎ এতো ভরসা আপনাদের, ডেইলি এমন কতগুলো তদন্ত হয় বলেনতো? সবগুলাই অথেনটিক মনে হয়? আচ্ছা সরকার তো আর ওদের লিষ্ট অনুযায়ী সবাইরে ফাঁষিতে ঝুলাইবো না, বিচারকদের নিয়া তদন্ত কইরাই তো সলিউশন আসবে। তো আপনারা এই কাজের জন্য কাদের সুষ্ঠ লোক বলে মেনে নিবেন?

কারো বাবা, চাচা, মামা যদি যুদ্ধাপরাধী হয় আর আমি তাদের বিচার চাই তার মানে তো সে বলতে পারে না তার সাথে আমার শত্রুতা তাই আমি তার বাবা চাচা মামা কে অপরাধী বলছি... বিভিন্নজনের লেখা (ফিরোজ কামাল বাদ দিয়া) তে তৎকালীন বদর বাহিনীর হাই কমান্দের প্রথম পাঁচটা নাম লিখি।

১। মতিউর রহমান নিজামী
২। আলি আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ (ঢাকা মহানগর / পূর্ব পাকিস্তান প্রধান)
৩। মীর কাশেম আলী (চট্টগ্রাম জেলা প্রধান)
৪। মোহাম্মদ ইউনুস
৫। মোহাম্মদ কামরুজ্জামান (প্রধান সংগঠক)

পাশাপাশি বুদ্ধিজীবি হত্যার মূল হিসাবে দুই জনের নাম আসে।

১। চৌধুরী মইনুদ্দীন (অপারেশনাল ইনচার্জ)
২। আশরাফুজ্জামান (ঢাকা বদর বাহিনীর হাই কমান্ড সদস্য এবং প্রধান জল্লাদ)


এখন এই সাত জনেই কাঁকতালীয় ভাবে একই প্লাটফর্মে আসার পরে আপনি এদের অপরাধী বললে পুরা প্লাটফর্মই যদি নিজেদের অপরাধী ভাবে তাইলে কি করার আছে?

লিষ্টটা ঘাতক দালালরা কে কোথায় বই থেকে নেওয়া। ১৯৮৭ সালের ফেব্রুয়ারীতে বের হওয়া জরাজীর্ণ একটা বই... পুরা বইটা পড়েন, নির্মমতা জানেন... এর পরেও অন্ধের মতো বিচার বিভাগীয় তদন্ত রিপোর্ট ছাড়া এদের অপরাধী বলা যাবে না বলে গোঁ ধরে বসে থাইকেন না।

কখনো কি শুনছেন কোনো বাচ্চা কাচ্চা আগে ডিএনএ রিপোর্ট দেখে কনফার্ম হয় তার পরে বাবা কে বাবা ডাকে? এটা তো আমাদের দেশের জন্ম পরিচয়ের ইতিহাস... এইটা নিয়াও এতো বছরে আমাদের কনফিউশন যায় না... রাষ্ট্র দ্বারা গঠিত কোন প্রতিষ্ঠান বা তদন্ত কমিটির জন্য আমরা হাঁ করে বসে থাকি... কি আফসোস...

আরও আফসোস লাগে কাল জামাত যে সব নয়া নয়া প্রপাগান্ডা নিয়া ধান্দা করে পরেরদিন ব্লগেরই কিছু সাফারী আর গেন্জিওলা লোকজন তার সাথেও তাল মিলিয়ে লাফাতে থাকে... এমনি কি আর দল দুইটা আস্তাকুঁড়ে যায়... আওয়ামী বিরোধীতা খুবই স্বাভাবিক কিন্তু এই বিরোধীতারে দেশের প্রশ্নে টাইনা আনলেই যত সমস্যা... জামাতীরা এই চান্সটারে যে কি জঘন্যভাবে এক্সপ্লয়েট করে....

আম্লীগরে গাইলান, তয় রাজাকারগো বিচার তো আর জামাতে করবো না... সো চারদল আর দশ দলের জোট করেন ভোটের জন্য সেইটা আলাদা কথা, দেশের জন্য আমাদের সবার জোটটা ভাঙ্গনের ধান্দা কইরা হালে পানি পাওয়া মনে হয় যাবে না.... তাইনা?
১০ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রোহান ভাই অনেক গুরুত্তপূর্ন তথ্যের জন্য.. যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার অবশ্যই হতে হবে এই বাংলার বুকে... না হলে এই স্বাধিণতা অপূর্ন রয়ে যাবে... ঘাতকরা বার বার মাথা চারা দিয়ে উঠবে..

৩৬. ১০ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৩
রোহান বলেছেন: জামায়াতে ইসলামীর আমির মনে করেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রহত্যার পর সম্প্রতি সারা দেশে যে অভিযান পরিচালিত হয়, তা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শামিল। তিনি বর্তমান সময়কে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ও সাহাবিদের মক্কি জীবনের শেষ স্তরের কাছাকাছি বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, তখন মহানবী (সা.) ও সাহাবিদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল।

নিজামী কিসের সাথে কিসের তূলনা করতাছে দেখেন.... লোকটার মাথার কি ঠিকাছে বলেন :)

এই টাইপের কমেন্ট আমি কিংবা আপনি কিংবা কোনো কার্টুনিষ্ট আরিফ টাইপের লোকে করলে কি হইতো বলেন তো ;)
১০ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন:
নিজামী কিসের সাথে কিসের তূলনা করতাছে ..... নিজামীরে বিচারের আগে প্রকাশে জুতা দিয়ে পিটানো দারকার... ঐ মন্তব্যর জন্য.. বিচার শুরুর আগেই ব্যাটার পেন্ট খারাপ হইয়া যাইতাছে..

৩৭. ১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০০
জাতি জানতে চায় বলেছেন: রোহান@ কেউ বলছেনা জামাইত্তাদের বিচার করা যাবে না, অন্তত ব্লগে আমি কাউকে এর বিরোধীতা করতে দেখি নাই!! এটা জাতির জন্যে একটা বড় কলঙ্ক যে যুদ্ধাপরাধীরা রাজনীতি করছে, এমপি-মন্ত্রী হচ্ছে!! আমার কথা হলো ৩৮ বছর কেন বিচার হয় নাই আর কারা বিচার করে নাই??!! যারা এর বিহিত না করে এদের সাথে নিয়ে রাজনীতিতে আন্দোলন সংগ্রাম করলো আর শুধু নির্বাচনের আগে বিচারের দাবী তুললো, তাদের অপরাধ কি এদের অপরাধ কি কোন অংশে কম, নাকি আরো বেশি??!! এরা কি হঠাৎ করেই যুদ্ধাপরাধী হয়ে গেছে??!! ৯১ পরবর্তীতে জনতার আদালতে গোআজমের ফাঁসী দাবী করে সারা দেশে আন্দোলন গড়ে তোলার পর ৯৫-৯৬ তে কিভাবে এদের সাথে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলন গড়ে তুলল!! তখনও কি তারা যুদ্ধাপরাধী ছিলেন না??!! তখন ষেক্টর খমান্ডার্সের লোকেরা (যাদের অনেকেই এখন দলীয় নেতা ও সুযোগ-সুবিধা লাভকারী), গনআদালতের সাংস্কৃতিক কর্মীরা আর কথিত বুদ্ধিজীবিরা কি ঘুমাইয়া ছিলেন??!! আর সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধীর লিস্ট অনুযায়ী বিচার হলে লাভতো জামাতের হওয়ার কথা, কারন অন্য দলগুলার যুদ্ধাপরাধীরা থেকে যাচ্ছে!! যেসব যুদ্ধাপরাধী জামাত ছাড়া অন্য দলগুলোতে লুকিয়ে আছে তারা কি কম জঘন্য??!! কারন তারা বড় অপরাধ করেও স্বাধীনতার স্বপক্ষে নিজেদের অবস্থান দেখাচ্ছেন!! এতে তো আমাদের লজ্জা পাওয়ার কথা, কিন্তু আমরা কি আদৌ লজ্জা পাচ্ছি??!! নাকি আমাদের সবারই সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদ হওয়া উচিত!! আমার দল করলে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি আর না করলে বিপক্ষের শক্তি, এরকম চরম সুবিধাবাদের রাজনীতি প্রচলন আরো চরম হতে থাকলে তা কি আমাদের জন্য ভাল হবে??!!

নীজামীরা দলরে চাঙ্গা করার জন্য নিজেদের লোকদের জজবা উঠানোর চেষ্টা করবেই, তাদের দল অনুযায়ী এটা অস্বাভাবিক কিছু না!!! কিন্তু কয়েক হাজার ছাত্র (সমর্থক থেকে নেতা পর্যন্ত) যেভাবে ধরপাকড় করে রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে তাদের সবাই কি হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত??!! এমনকি শিবির সন্দেহে অনেককেই হামলার স্বীকার হয়ে পুলিশের ধরপাকড়ে পড়তে হয়েছে যারা ঐদলের সাথে জড়িত না!! একজন লোককে হত্যা করতে দলের টপ-টু-বটম হাজার হাজার লোক জড়িত থাকবে এটা কি বিশ্বাস করতে বলতেছেন??!! তাহলে যেসব রাজনৈতিক হত্যাকান্ড ঘটছে তার জন্য কি ঐসব দলের টপ-টু-বটম জড়িত ছিলো, যারা কিনা পুলিশের চোখে কখনই ধরা পড়েন নাই!!! এখন ছাত্রাবস্থায় যারা এধরনের ক্ষতির স্বীকার হতে হলো (হয়ত আর্থ-সামাজিক কারনে ক্ষতির পরিমান চরম হওয়ার সুযোগ আছে!), তারা যদি ভবিষ্যতে ভিন্ডিকটিভ কিছু করে থাকে, সেক্ষেত্রে কারো কি কিছু করার থাকবে??!! এই সরকারের আমলে বেশ কয়েকটা হত্যাকান্ড, মারা-মারি হলো, যার একটিরও বিচার হয় নাই, এমনকি মোটিভও পুলিশের পক্ষ থেকে বের হয় নাই!! ঢাকা ভার্সিটিতে ঘটে যাওয়া যে মারামারিকে ছাত্রদলের অন্তঃকোন্দল বলে যে বিচি আরেফীন চালিয়ে দিলেন, পরবর্তিতে দেখা চ্যানেলের ভিডিওতে দেখা গেল যে ছাত্রটি দলের সভাপতির মাথায় আঘাত করলো, সেই ছাত্রই (!!) কয়েক মিনিট পরেই ছাত্রলীগের সহিংসতা বিরোধী মিছিলে স্লোগান তুলছে!!!!! এভাবে যদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা থেকে শুরু করে সবকিছুই যদি সরকারের অঙ্গুলি হেলনে চলে, তাহলে সেখানে সুষ্ঠ বিচার প্রক্রিয়ার আশা কতটুকু??!! যদিও যেকোন উপায়েই যুদ্ধাপরাধীর বিচার করাটা জরুরী!
৩৮. ১১ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:০৪
সেতূ বলেছেন: সহমত- যদিও যেকোন উপায়েই যুদ্ধাপরাধীর বিচার করাটা জরুরী...

এই স্বার্থে কূলেশিত রাজনীতিকে ঘ্বণাকরি.এই সকল শকুণে-দল (আওয়ামি লীগ, বিএনপি, জামাত ও জাতিয় পাটি .....)

পার-গাছার মত দেশ কে কুরে-কুরে খাচ্ছে আর দেশ ও দেশের জনগনের সাথে যুগ যুগ ধরে বেইমানি করে আসছে.

কেহ ভোট পায় বাপের নাম বিক্রি করে....
কেহ ভোট পায় স্বামীর নাম বিক্রি করে....
কেহ ভোট পায় ধর্মের নাম বিক্রি করে....
কেহ ভোট কেনে অর্থ দিয়ে ......
৩৯. ১১ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৫৮
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: @রোহান: যুদ্ধাপরাধিদের (পাকিরা )বা দলালদের(রাজাকার, আলবদর, আলসামস) বিচারর নিয়ে কারো কোন আপত্তি থাকার কথা না। যুদ্ধাপরাধি যেই হোক বা যে দলেরই মধ্যই লুকায়িত থাকুক, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে এটা মানেন তো!

আসলে আমার প্রশ্নটা ছিল, বিশেষ করে আপনার ওয়ার ক্রাইম ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির লিষ্ট টা নিয়ে। অনেক সময় দেখেছিলাম আপনাকে এই লিষ্টা টা একটা অথেনটিক রেফারেন্স লিষ্ট হিসেবে ব্যাবহার করতে, তাই প্রশ্নটা করা। আমার সবাই জানি ঐ কমিটির লোকজন সবাই আওয়ামি রাজনৈতির সাথে জড়িত, এবং অনেকেই আজ আওয়ামি কতৃক পুরস্কৃত।

আচ্ছা বলেনতো সরকার যুদ্ধাপরাধিদের বিচার করবে না দালালদের বিচার করবে? যদিও আমরা জানি সরকারের যুদ্ধাপরাধিদের বিচার না, শুধুমাত্র এদেশীয় দালাদের বিচার করবে, তাতেও আমার কোন আপত্তি নাই। যদি সরকার দালাদের বিচার করে তাহলে এদের ডি এন এ টেষ্ট অনেক আগেই হয়েছে। যুদ্ধের পরেই শেখমুজিব সরকার ৩৬ হাজার দালালের লিষ্ট করা হয়েছিল হত্যা, লুন্ঠন, ধর্ষন ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে। সেই ৩৬ হাজার দালালের লিষ্ট ধরে বিচার করলে তো সমস্যা যায়, নাকি?
১১ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২২

লেখক বলেছেন: মূল্যবান কথা : যুদ্ধের পরেই শেখমুজিব সরকার ৩৬ হাজার দালালের লিষ্ট করা হয়েছিল হত্যা, লুন্ঠন, ধর্ষন ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে। সেই ৩৬ হাজার দালালের লিষ্ট ধরে বিচার করলে তো সমস্যা যায়, নাকি? যে ৪জনের ইসু নিয়ে এই পোষ্ট -তারা হয়তো এই লিষ্টে থকবে উপায় ????? যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার অবশ্যই হতে হবে এই বাংলার বুকে...

৪০. ১৫ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:০৭
রোহান বলেছেন: @জেনারেশন ৭৫: ঐ রিপোর্টের সংশ্লিষ্ট লোকজন কোন দলে আছে সেইটার থেকে ঐ রিপোর্টে কোনো ভুল তথ্য আছে কিনা সেইটা জানতে চাইলাম। ধরেন আমি ঐ লিষ্ট থেকে টপ আলবদর দের নাম লিখলাম, এখন আপনি কি ভিন্ন মত পোষন করেন কি না?

আর ৩৬ হাজার লোকের একসাথে এতোদিন পরে এক আদালতে এক ফেজে বিচার করা একটা অসম্ভবের কাছাকাছি কাজ সেইটা যতোই নাদান আচরণ করেন না কেনো আপনার বোঝার কথা। সো ফেজ ওয়াইজ যদি বিচার করতে চান (যেটা এমন লংটার্ম ডিলের পরে এই ধরণের বিচারে স্বাভাবিক ঘটনা) তবে প্রথমে নিশ্চয়ই আপনার গ্রামের যেই লোক বেতনের লোভে রাজাকারে যোগ দিছিলো তারে বিচার না করে যে ওরে বেতনের লোভ দেখাইছিলো তার বিচারের দাবী করবেন? মানে হইলো এইখানে সিলেক্টিভ বিচার করতে গেলে আগে টপ থেকে শুরু করতে হবে, বটম থেকে না। এখন প্রশ্ন ছিলো টপ বলতে আপনি কতটুকু একবারে ধরা যৌক্তিক মনে করেন?

১. শুধু এই চারটা প্যারামিলিটারি ফোর্সের সেন্ট্রাল কমিটি তথা মেইন থিংক ট্যাংক
২. সেন্ট্রাল কমিটির সাথে সাথে জেলা পর্যায়ের কমিটি
৩. তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত তথা আপনার ৩৬ হাজারের সবাই

আমার সিলেকশন ১... প্রথম ফেজে সেন্ট্রাল কমিটি সাথে অবশ্যই এই চার গ্রুপের বাইরে কিছু দূর্ধর্ষ নাম যেমন শর্ষিনার পীর, পিরোজপুরের দেলু রাজাকার ওরফে সাঈদি, চট্টগ্রামের ফকা - সাকা, মীর কাশেম তো সেন্ট্রাল কমিটিতেই আসবে, শেরে বাংলার নাম বিনষ্টকারী পুত্র ফায়জুল ও কন্যা রইসা বেগম, বিশুনাথনান্দ মহাথেরো (যারা মারা গেছে তাদেরটা প্রতীকি হতে পারে)।

আপনারটা কি?
৪১. ১৫ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৪২
সেতূ বলেছেন: সিলেক্টিভ বিচার করতে গেলে আগে টপ থেকে শুরু করতে হবে, ঠিক...
তবে ছোট গুলোকেও ছাড়া যাবে না....কারণ
১। কিছু কিছু বটম বা মাঝে লেভেলের রাজাকার-রা আরো বেশী ভয়ংকার অপরাধী।
২। এই সকল ভয়ংকার অপরাধী দের স-মূলে উত্পাঠন করতে হবে।
৩। সকলের লিষ্ট জন সন্মক্ষ প্রকাশ করতে হবে এবং সকলের বিচার হওয়া প্রয়োজন।
৪। তা না হলে তারা বিভিন্ন দলে ভিড়ে সুবিধা ভোগ কারবে -
এদের মত...
বর্তমান মন্ত্রীসভার সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন,
সংসদে আওয়ামী লীগের এমপি ডা.আনোয়ার হোসেন
শেখ হাসিনার আগের মন্ত্রীসভায়
ধর্মপ্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মাওলানা নুরুল ইসলাম
পাটমন্ত্রী করেছিলেন একে ফয়জুল হককে।
৪২. ২৪ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৮:২০
বাঙ্গালীই বলেছেন: সব বিচার একবারে করলে তো পরের ইলেকশনে মুন্নী সাহা ভোট চাইতে পারবে না!!!
২৫ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: হুম....তাই ঠিক....।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০০৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
কি লিখি তোমায়
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই