somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... যা ঘুরছে মাথায় Hold your tongue and let me love..
...........................John Donne

দোহাই তোদের, একটুকু চুপ কর
ভালোবাসি বারে দে মোরে অবসর।।
........................রবি ঠাকুর]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28751526 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28751526 2007-12-14 16:00:06
সুনামির ঢেউয়ে সর্বশক্তিমান আল্লাহর নাম!!!
ছবিটি কয়েক সেকেন্ড পরে ধারণ করা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731923 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731923 2007-09-18 04:54:04
হবে নাকি আজও!! http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731375 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731375 2007-09-15 17:13:15 ১৮ অক্টোবর ফিরছেন বেনজির ভুট্টো, ছি: পাকিস্হান ছি:!! আমাদের হাসিনা-খালেদার যে সাহসটুকু(অন্তত দেশে থেকে বিচার প্রক্রিয়ার সম্মুখীন হওয়া) আছে তাদের তাও নেই।
এজন্য তাদের লাল সালাম।
হাসিনা যতই উল্টাপাল্টা বলুক বা করুক তাঁর একটা মেরুদন্ড আছে যা পাকিস্হানের কারও কখনো হবে না।এরা পারে শুধু চক্রান্ত আর বেঈমানী করতে।
এজন্যই ঐ দেশে কোনো নূর হোসেন বা ডা: মিলন জন্ম নেবে না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731288 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731288 2007-09-15 10:42:47
সত্যি কি মানুষ গিয়েছিলো চাঁদে নাকি পড়েছিলো আমেরিকার ফাঁদে !!!
ছবি- ২: সামনে ছায়া তার মানে পেছনে আলোক উতস সূর্য তাহলে সামনের অংশের(চিন্হিত) আলোর উতস কি ? (ফ্লাডলাইট!!!) কুচকুচে ছায়ার পাশে উজ্জ্বল আলো কিন্তু সূর্যের কাছাকাছি অন্ধকার!!

ছবি- ৩: চাঁদের উপর তোলা এই ছবিতে চাঁদের আকাশে তারার চিন্হ নেই কিন্তু চাঁদে বাতাস ও মেঘ না থাকায় চাঁদের আকাশে অবশ্যই তারা দেখা যাওয়ার কথা।

ছবি -৪: ছবিতে পায়ের চিন্হটি মনে হচ্ছে নরম ও কর্দমাক্ত মাটিতে তৈরী কিন্তু চাঁদে পানি বাতাস না থাকায় তো মাটি সবসময় শুকনো হওয়ার কথা!!! আর শুকনো মাটিতে এই ঢরনের গভীর পদচিন্হ অসম্ভব।

ছবি -৫: চাঁদের মাটিতে অবতরণ করা অবস্হায় মহাকাশযানের ছবি অবশ্যই চাঁদে দাঁড়িয়ে তুলতে হবে কিন্তু চাঁদে দিনে ১৭০ ও রাতে ১৫৩ ডিগ্রী তাপমাত্ড়ায় কেমনে সম্ভব!!

ছবি -৬: চাঁদের পৃষ্ঠে এই অদ্ভূত ছায়া কিসের ? নাসা বলেছিলো এটা নাকি ৯৫ কি:মি: উপর দিয়ে উড়ন্ত রকেটের ছায়া!!তাহলে তার চেয়ে নিচ দিয়ে গমনকারী উড়োজাহাজের ছায়া ভূ-প্রষ্ঠে পড়ে না কেনো? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731213 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731213 2007-09-14 21:33:26
ড: ইউনুসের সাথে মিলছে ইন্টেল চেয়ারম্যান, গুণফল ০.... কিন্তু পরদিন পত্রিকার প্রথম পাতায় ড: ইউনুস এর সাথে তাঁর ছবি দেখে বুঝলাম কিছুই হবে না।
ড: ইউনুসের সাথে তাঁর সাক্ষাতকার (যদিও কাল্পনিক তবুও নিশ্চত এ ধরনেরই কিছু হয়েছিলো!!!)

ড: ব্যরেট : মি: ইউনুস আমি আপনার দেশের মানুষদের জন্য কিছু করতে চাই।
ড: ইউনুস : ও!!সিউর ডক্টর। আমাদের দেশের গরীব জনগণ আপনাদের অনুগ্রহ প্রার্থী।

ড: ব্যরেট : আমি চাই এদেশের জনগণ বিনা খরচে যেন তথ্য প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত হতে পারে।
ড: ইউনুস : হ্যা হ্যা আমাদের গ্রামীন ব্যাংকও প্রায় বিনা সুধেই(!!) বিশাল একটা লোন গরীব লোকজনদের দিচ্ছে। আমাদের অভিগ্যতা(!!) অবশ্যই আপনার শহায়ক হবে। আপনি চাইলে আমরা আপনাকে আমাদের গ্রামীন শক্তির সাথে সম্পৃক্ত করতে পারি।
ড: ব্যরেট : ওহ! নিশ্চয়ই।

ড: ইউনুস : আর আমাদের কাছ থেকে যেসব গরীব জনগণ লোন নিচ্ছে তাদের আইটির সাথে সম্পৃক্ত করা হবে!!!
আরেকটা কথা মি: ব্যারেট চুপি চুপি কাউকে বলবেন না যেন!!
বিনামূল্যে সাহায্য না করে আপনি ব্যবসাও করতে পারবেন!!।কিন্তু আদতে মনে হবে আপনি সাহায্য করছেন।সেরকম চাইলে আমাকে বলবেন, পলিসি জানা আছে

ড: ব্যরেট : হা হা হা ইউ আর সো ফানি, আই এম থিনকিং থিনকিং..!!

ড: ব্যরেট : আরেকটা কথা মি: ইউনুস আমি চাইছিলাম এই দেশে কিছু ইনভেস্ট......
ড: ইউনুস : আরে ধুর ধুর...এরা খাইতে পারে না আবার ইনভেস্টমেন্ট।এদের কিছু ভিক্ষা দিলেই হবে।এরা খুশি।

বি:দ্র: বিল গেটস ও আসছিলো এই দেশে মাগার আইটির ব্যাপারে কথা না কইয়া ইউনুসরে লইয়া ত্রান বিতরণ করছিলো।





(পোষ্ট টা এর আগে একবার দিছিলাম কিন্তু ছবি পড়ে নাই তাই আবার দিলাম)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731084 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731084 2007-09-13 23:12:25
বাংলাদেশ ডেস্ট্রয়েড ওয়েস্ট ইন্ডিজ (নিডেড রিপেয়ারিং )। http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731071 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28731071 2007-09-13 21:03:08 ড: ইউনুসের সাথে মিলছে ইন্টেল চেয়ারম্যান, গুণফল ০.... কিন্তু পরদিন পত্রিকার প্রথম পাতায় ড: ইউনুস এর সাথে তাঁর ছবি দেখে বুঝলাম কিছুই হবে না।
ড: ইউনুসের সাথে তাঁর সাক্ষাতকার (যদিও কাল্পনিক তবুও নিশ্চত এ ধরনেরই কিছু হয়েছিলো!!!)

ড: ব্যরেট : মি: ইউনুস আমি আপনার দেশের মানুষদের জন্য কিছু করতে চাই।
ড: ইউনুস : ও!!সিউর ডক্টর। আমাদের দেশের গরীব জনগণ আপনাদের অনুগ্রহ প্রার্থী।

ড: ব্যরেট : আমি চাই এদেশের জনগণ বিনা খরচে যেন তথ্য প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত হতে পারে।
ড: ইউনুস : হ্যা হ্যা আমাদের গ্রামীন ব্যাংকও প্রায় বিনা সুধেই(!!) বিশাল একটা লোন গরীব লোকজনদের দিচ্ছে। আমাদের অভিগ্যতা(!!) অবশ্যই আপনার শহায়ক হবে। আপনি চাইলে আমরা আপনাকে আমাদের গ্রামীন শক্তির সাথে সম্পৃক্ত করতে পারি।
ড: ব্যরেট : ওহ! নিশ্চয়ই।

ড: ইউনুস : আর আমাদের কাছ থেকে যেসব গরীব জনগণ লোন নিচ্ছে তাদের আইটির সাথে সম্পৃক্ত করা হবে!!!
আরেকটা কথা মি: ব্যারেট চুপি চুপি কাউকে বলবেন না যেন!!
বিনামূল্যে সাহায্য না করে আপনি ব্যবসাও করতে পারবেন!!।কিন্তু আদতে মনে হবে আপনি সাহায্য করছেন।সেরকম চাইলে আমাকে বলবেন, পলিসি জানা আছে

ড: ব্যরেট : হা হা হা ইউ আর সো ফানি, আই এম থিনকিং থিনকিং..!!

ড: ব্যরেট : আরেকটা কথা মি: ইউনুস আমি চাইছিলাম এই দেশে কিছু ইনভেস্ট......
ড: ইউনুস : আরে ধুর ধুর...এরা খাইতে পারে না আবার ইনভেস্টমেন্ট।এদের কিছু ভিক্ষা দিলেই হবে।এরা খুশি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28730992 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28730992 2007-09-13 16:56:42
আন্টি আপনার কয়দিন ছিলো !!!!! বেচারার খতনা করা হলো। ব্যথায় অস্হির।

আমাদের পাশের বাসায় থাকতো আজাদদের ফ্যামিলি। ফরহাদ ওদের ছোটভাই। উপলের সমবয়সী।তো ফরহাদের আম্মু আসলেন উপলকে দেখতে।

উপল কেঁদে কেঁদে আম্মুকে জিগ্যেস করছে ব্যথা কয়দিন থাকবে। আম্মু বল্লেন, ''বেশীদিন না বাবা এইতো দুই তিন দিন''।
আন্টিও ওকে স্বান্তনা দিতে চাইলেন।
''কাইদো না বাবা, এই ব্যথা বেশীদিন থাকবো না। আমার ফরহাদেরও তিনদিন ব্যথা আছিলো।''

উপল তখন গোংগাতে গোংগাতে আন্টিকে জিগ্যেস করলো,'' আন্টি আপনার কয়দিন ছিলো ?''
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28730139 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28730139 2007-09-08 22:03:30
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আত্বসম্মানবোধ!!!
গত চার বছর যাবত বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে আছি (এফ,এইচ,হল)। দেখেছি তাদের আত্তসম্মানবোধ।

পলিটিক্যাল জুনিয়র ছেলেরা গায়ে হাত তোলে,ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে থাকি।ক্যান্টিনে প্রতিবেলা ৩০ জন ফাও খায়,যার দাম দিতে হয় আমাদের, বেশী দামে অখাদ্য খেয়ে।টিভি রুমে বাংলাদেশের খেলার সময় তিন বছরের জুনিয়র এক ছেলে রিমোট হাতে নিয়ে এম টি ভি তে হিন্দী ভিডিও সং দেখে, কিছুই বলতে পারি না। দেখলে ওরা যা দেখে তাই দেখো,নয়তো নয়।দু একজন প্রতিবাদ করে জুনিয়রদের হাতে অপমান হয়েছে, তাই এখন সবাই চুপ।
হায়রে আত্তসম্মানবোধ!!!

পেপার রুমে আর গেমস রুমে তারা আসলেই সিট ছেড়ে দিতে হবে, হোক না জুনিয়র।আমরা হলাম দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক। এগুলো আসলে তাদের জন্য।আমার সামনে এক নেতা হলের হাউস টিউটরকে বাইনচোত গালি দেয়।আমি স্যারের দিকে তাকাই,চোখাচোখি হলে দুজনেই চোখ নামিয়ে নেই, ব্যর্থতায়,অপমানে।ক্যান্টিনে আমাদের জন্য রাত ৯টার পর ভালো কিছু থাকে না,তাদের জন্য ১১টা পর্যন্ত রুমে খাবার যায়।

প্রথম বর্ষে মিছিলে না গিয়ে ল্যাবে যাওয়ায় থাপ্পড় খেয়েছি নিজের বর্ষের ছেলের হাতে।ঐ ভুল আর করি নি।পলিটিক্স করবো না বলে ৪ জনের রুমে পুরো একবছর ২৪ জন থেকেছি,শুধু রাতে এক পাশ হয়ে ঘুমিয়েছি।আর তারা বহিরাগত ফ্রেন্ড নিয়ে ৪ জনের রুমে দু্ইজন থেকেছে।এগুলো আমাদের আত্তসম্মানে লাগে নি।তাই কখনো প্রতিবাদ করতে পারি নি।মেনে নিয়েছি।

আর এখন তাদের অসময়ে,তাদের ইন্ধনে আমাদের আত্তসম্মানবোধ উপচে পড়েছে।তারা আমাদের একটু মূল্য দিচ্ছে,এতো আমাদের পরম পাওয়া!!!

প্রথম দু দিন মিছিলে গিয়েছি কিছু না বুঝে,আমার ভাইয়ের অপমানের শোধ নিতে।পরে তাদের আনাগোনা দেখে নিজের হাত নিজে কামড়েছি।এ কি করছি আমরা? কাদের পথ সুগোম করছি?যা আশংকা তাই হলো।

এ আন্দোলন কখনই সফল হতো না যদি না দু দলের দু:সময় যেতো।তা না হলে যে দল ক্ষমতায় থাকতো তাদের ছাত্র সংগঠনই পিটিয়ে ঠান্ডা করে দিতো (যেমন,হ্যাপীর মৃত্যুর আন্দোলন) অথবা নিজেদের দেনা পাওনার হিসেব মেটাতো আমাদের ব্যবহার করে (যেমন,আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরীর পদত্যাগ)।

আমি বিশ্বাস করি এই দলগুলো সাধারণ ছাত্রদের মাজা এভাবে ভেংগে দিয়েছে যেন তাদের ছাড়া সাধারণ ছাত্ররা আর কখনই দাড়াতে না পারে।হলে থাকার প্রতিটি (এখনও আছি) মূহুর্তে নিজেকে মনে হয় পরাধীন,নপুংশক।আস্তে আস্তে তাই মেনে নিয়েছি।শুধু আমি না,বেশীরভাগ ছাত্রই।

এ অবস্হার পরিবর্তনের জন্যই দরকার এ সরকারকে।যাতে আমরা নিজেরাই নিজেদের দ্বায়িত্ব নিতে পারি।নিজেদের মেরুদন্ড সোজা করে হাটতে পারি, চোখ তুলে তাকাতে পারি।কারও ইন্ধন ছাড়াই যাতে সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারি।

আর কিছু কথা সংযুক্ত করি : ২৬-০৮-০৭ ১২:৪৪

কেউ কেউ আমার কথার প্রতিবাদ করেছেন গত দুদিনে,আমাকে গালমন্দ করেছেন।আবার কেউ কেউ প্রতিবাদ কারীদেরও ভর্ত্তসনা করেছেন।একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশে এটা খুবই স্বাভাবিক,আমি মেনেও নিয়েছি।
কিন্তু মেনে নিতে পারি না তখন,যখন কেউ কেউ ঐ সব ক্যাডারদের আমার ভাই বানাতে চান(আবার আদরের ছোট ভাই!!!)।
আপনারা এমন কোন ভাতৃত্ববোধ কখনও দেখেছেন,যেখানে গ্রুপিং এর কারণে রাতের অন্ধকারে রড,হকিষ্টিক,চাপাতি দিয়ে হাড় গুড়ো গুড়ো করে কোপানো হয় যতক্ষন না অগ্ঙান হয়?
এমন কোনো ভাই দেখেছেন যে কিনা নিজের স্বার্থের কারণে তার ভাই এর জীবনের দু থেকে তিনটা বছর কেড়ে নেয়?

দেখে থাকলে দয়া করে আমাকে বলবেন,আমার পোষ্ট উইথড্র করবো।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28727736 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28727736 2007-08-25 15:48:55
সেনাবাহিনীকে পুলিশের পাহারা !!!
তাহাদের ত্যাগের মূহু্র্তে সাধারণ ছাত্ররা সেনা ক্যাম্পের সামনে কেক কাটিয়া নিজেদের বিজয় উদযাপন করে।
তবে নিশ্ছিদ্র পুলিশি নিরাপত্তার কারণে তাহারা নিরাপদেই ক্যাম্পাস ত্যাগ করিতে পারে বলে ঘটনায় প্রকাশ।

সেনাবাহিনীর এক জওয়ান নাম প্রকাশ না করিবার শর্তে এই প্রতিবেদককে জানায়,তাহারা বিড়াল ভাবিয়া লেজে মোচড় দিয়াছিল,পরে বাঘের গর্জন শুনিয়া পুলিশের নিরাপত্তা হেফাযতে আশ্রয় নেয়।

খুব বেশীদিন কি পুলিশ বীর জওয়ানদিগকে রক্ষা করিতে পারিবে ?

সময়ের কাছেই ইহার উওর পাওনা রহিল। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726999 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726999 2007-08-21 23:31:47
সুজনপুরের গল্প ও ৩টি নীতিবাক্য যুগ যুগ ধরে নিজেদের মধ্যে চলা যুদ্ধে দুই গ্রামই হারায় অসংখ্য তাজা প্রাণ।

দুই গ্রামের রাজা মিলে তাই একটা সিদ্ধান্ত নিলো।তাদের মধ্যে একটা চূড়ান্ত যুদ্ধ হবে।যুদ্ধে যে দল জয়ী হবে তারাই হবে দুই গ্রামেরই অধিকর্তা।আর বিজিত গ্রামের রাজা হবেন নির্বাসিত এবং ঐ গ্রামের লোকেরা মোটামোটি কৃতদাসের মতো জয়ী গ্রামের অনুগ্রহের উপর বেচে থাকবে।

এদিকে সখীপুরের গোলাম রহমান ও তার কিছু অনুসারী সুজনপুরের রাজার প্ররোচনায় সিদ্ধান্ত নিলো তারা নিজের গ্রামের বিপক্ষে অবস্হান নেবে।তারা যুদ্ধের গোপন সংবাদ সরবরাহ করতে লাগলো সুজনপুরের রাজার কাছে।

যথারীতি চূড়ান্ত যুদ্ধের দিন দুই গ্রামই হাজির হলো ধরলার বুকে।শুরু হলো তুমুল যুদ্ধ।কিন্তু সখীপুরের গ্রামবাসীরা অবাক হয়ে দেখলো তাদের গোপন অনেক কিছুই প্রতিপক্ষ জানে এবং প্রতিপক্ষ ঐভাবেই প্রস্তুতি নিয়ে আসে।এজন্য প্রাথমিক অবস্হায় তারা যুদ্ধে পিছিয়ে পড়লেও পরে নিজেদের কৃতিত্বে ছিনিয়ে নেয় বিজয়।যদিও এজন্য দিতে হয় চরম মূল্য।

এদিকে যুদ্ধ শেষে গোলাম রহমান ও তার অনুসারীরাও মিশে গেলো বিজয়ীদের কাতারে।তারা সিদ্ধান্ত নিলো যেকোনো ভাবেই হোক নিজেদের পরিচয় লুকাতে হবে।এজন্য তারা শুরু করলো ভাল ভাল কাজ।

যুদ্ধ শেষে সখীপুরের রাজা যদিও জানতে পারলেন যে,কিছু লোক বেইমানী করেছিলো কিন্তু তিনি আনন্দের আতিশায্যে ঐ দিকটা খুব একটা না ভেবে মনোযোগ দিলেন বিধ্বস্হ গ্রাম পুনর্গঠনে।তিনি চাইলেন না এ অবস্হায় কোনো ব্যাপার নিয়ে নিজেদের মধ্যে ঝামেলা হোক।

আবার গোলাম রহমান ও তার দলের ভাল ভাল কাজে মুগ্ধ হয়ে রাজা তাদের অতীত সম্পর্কে খুব বেশী খবর না নিয়ে করলেন তাদের পুরস্ক্রিত কারণ রাজার কাছে অতীত নয় বর্তমানই মুখ্য।রাজা গোলাম রহমানকে সুজনপুরের তত্বাবধায়কের দ্বায়িত্ব দিয়ে পাঠালেন।

আর পায় কে ? বেঈমান গোলাম রহমান পরাজিত সুজনপুরের গ্রামবাসীদের একত্রিত করলো।অতর্কিত হামলা করলো সখীপুরের উপর এবং তার পূর্বের ব্যর্থতার প্রায়শ্চিত্ত করলো।

হতবম্ভ রাজা হলো বন্দী, সখীপুর হলো পরাজিত।

নীতিবাক্য :
১। মানুষের অতীতই তার হয়ে সাক্ষ্য দেয়।
২। বিপদের সময়ই কারো আসল চেহারা প্রস্ফূটিত হয়।
৩। বিশ্বাসঘাতক ভালো কাজ করে আরেকবার বিশ্বাসঘাতকতা করার জন্য। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726724 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726724 2007-08-20 12:38:59
নতুন বাংলাদেশের সপ্ন দেখী মডুরা কি মরে টরে গেলো নাকি ?

একদল আছে জাতির জনককে নিয়ে ইচ্ছেমত বলছে।
আরেকদল আছে একটা বৈধ ছাত্র সংগঠনকে এবং একটা বৈধ দলকে (যারা সংসদে ৩০ টা আসন পায়) নিয়ে ইচ্ছেমত বলছে।

আরেক দল আছে ইসলাম ধর্ম নিয়ে বলছে ইছ্ছেমতো।

ব্লগের পরিবেশটাই নষ্ট হয়ে গেলো।

আসুন আমরা সবাই মিলে একজন আরেকজনের ছিদ্রান্বেষন না করে সামনে তাকাই।

নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখী। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726280 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726280 2007-08-17 01:59:31
শিরোনামহীন http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726062 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726062 2007-08-16 02:50:16 বন্ধু ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726061 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726061 2007-08-16 02:43:12 শিরোনামহীন কত ব্যথা ছিলো দেবার
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726060 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726060 2007-08-16 02:38:37
কিরে ভাই!!! http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726059 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726059 2007-08-16 02:33:09 উফফফফফ! http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726057 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726057 2007-08-16 01:49:07 কি লিখব ? তাই তো এই নামকরণ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726056 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726056 2007-08-16 01:45:15 কি লিখব বুঝে পাই না http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726055 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726055 2007-08-16 01:43:21 ব্লগে নতুন http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726052 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726052 2007-08-16 01:31:30 কি লিখব বন্ধু সবে তো শুরু]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726049 http://www.somewhereinblog.net/blog/pioneerblog/28726049 2007-08-16 01:19:35