শাশ্বত সত্যকে নিয়ে সারা দেশের অনেকেই অনেক উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিলেন এবং এখনো আছেন। প্রতিনিয়তই আমাদের মনে উঁকি দেয় শাশ্বত এখন কেমন আছে কিংবা তার শারিরীক অবস্থা কোন পর্যায়ে গেছে। শ্রদ্ধেয় আ. আল-মামুন সাহেব তার পোস্টে শাশ্বত'র চিকিৎসা সম্পর্কে আপডেট দিয়েছেন এবং কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিজে নিয়ে ব্লগারদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। Click This Link
আ. আল-মামুন সাহেব বলেছেন শাশ্বত'র চিকিৎসার জন্য বর্তমানে প্রায় ২৫ লাখ টাকা দরকার যেখানে আগে দরকার ছিল ১৬ লাখ টাকা প্রায়। তাছাড়া তিনি আরো উল্লেখ করেছেন ২৫ লাখ টাকা দিয়ে চিকিৎসা করে এসেও প্রতিমাসে আরো কয়েক হাজার টাকা ওষুধ দরকার হবে আজীবন। তাহলে দাঁড়ালো এই-শাশ্বত'র চিকিৎসা বাবদ দরকার হবে আনলিমিটেড টাকা। যা কোনোদিনই কেউ সংগ্রহ করতে পারবেনা। তাহলে আমাদের মানে ব্লগারদের চেষ্টায় আমার ব্লগসহ প্রবাসী বন্ধু এবং ঢাকার বন্ধুরা যে টাকা সংগ্রহ করেছে তার শাশ্বত'র চিকিৎসার জন্য কিছুই না।
আ. আল-মামুন সাহেব আরো উল্লেখ করেছেন-শাশ্বত চিকিৎসা মুলতুবি রেখে দেশে ফিরে আসছে। তার মানে এভাবে আর তার চিকিৎসা হবেনা। তাহলে আমরা যে টাকা সংগ্রহ করে দিচ্ছি তা কি শুধু দেশের হাতুড়ি চিকিৎসাতে ব্যয় হবে, যেখানে শাশ্বত'র বাঁচার নিশ্চয়তা ০%-ও নেই!
সাহায্যের বেশির ভাগ টাকা সংগ্রহ করে দিয়েছেন ঢাকার ব্লগার বন্ধুরা। রাজশাহী ভার্সিটি কিংবা মামুন সাহেবরা কত টাকা কালেক্ট করেছেন তার কোনো নির্দিষ্ট হিসাব দেননি। তথাপি মামুন সাহেব ঢাকার টাকাগুলো কিভাবে হস্তান্তর করা যায় তার চেষ্টায় লিপ্ত আছেন। তিনি বলেছেন রাশাহীতে প্রেস কনফারেন্স ডেকে টাকাগুলো সাংবাদিকদের সামনে শাশ্বত'র বাবা-মার হাতে তুলে দেয়া হবে। তিনি এই সিদ্ধান্ত কিভাবে দেন? টাকা তুলেছে ঢাকার বন্ধুরা। অফিস ফাঁকি দিয়ে কিংবা নিজের প্রিয়জনকে ফাঁকি দিয়ে কষ্ট করে টাকা সংগ্রহ করেছে। আবার নিজের ঘাটের পয়সা খরচ করে রাজশাহীতে গিয়ে স্থানীয় প্রতিনিধি সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে টাকা তুলে দিতে ব্লগার বন্ধুদের রাজশাহী যাবার আমন্ত্রন জানান তিনি কোন আক্কেলে? আমার প্রশ্ন হচ্ছে তিনি কি ঢাকার কোনো ব্লগারের সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? নাকি নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন?
আমার একটি প্রস্তাব হচ্ছে-প্রেস কনফারেন্স ঢাকায় হবে। এবং সেটা হবে প্রেস ক্লাবে। যেহেতু শাশ্বত'র জন্যই সাহায্য সংগ্রহ করা হয়েছে তাই এগুলো সেই প্রাপ্য। ব্লগার বন্ধুরা আলোচনা করে শাশ্বত'র বাবা-মাকে ঢাকায় এনে ঢাকার সাংবাদিকদের সামনে তাদের হাতে টাকা তুলে দিতে প্রস্তাব রাখছি। সেখানে আ. আল-মামুনকে আমন্ত্রন করা যেতে পারে। মামুন সাহেব একবার এসে দেখে যাকনা কতটা কষ্ট করতে হয়েছে টাকা আদায় করতে। তাছাড়া ঢাকায় প্রেস করফারেন্স করলে মিডিয়ায় এর আউটপুটও বেশি বেশি পাওয়া যাবে।
টাকা দেওয়ার আগে আলোচনার জন্য ব্লগারদের একটি মিটিং জরুরি হয়ে পড়েছে। কেউ কি এতে সাড়া দিবেন?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

