মানুষের পৃথিবী নামের একজন একটি পোস্ট দিয়েছিলেন আল্লাহ এবং দুর্গার মধ্যে ক্ষমতাগত পার্থক্য কি? এই শিরোনামে Click This Link তাকে অনেকেই সাপোর্ট করেছেন আবার অনেকে করেন নি। মাইনাসের পরিমাণ দেখে অবস্থা কল্পনা করা যায় শুধু। আল্লাহ কিংবা দূর্গা বলে কিছু আছে কি নাই এই নিয়ে তর্কে যাবোনা। শুধু একটি গল্প বলবো। গল্পও নয় সত্যি ঘটনা।
কিছুদিন আগে মতিঝিল একটি দোকানের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছি। সামনেই ছিল ছোট একটি গর্ত যেখানে ময়লা পানি জমে আছে। একটি কুকুর এসে নির্বিঘ্নে সেই ময়লা পানি চুক চুক করে পান করলো। এবং কুকুরটি এই জায়গাটিতেই থাকে। তাৎক্ষনিকভাবে দেখলাম কুকুরটি খুব ভালো আছে। এবং পরেরদিনও অবজার্ভেশন করলাম কুকুরটিকে। এবং তাও দেখলাম সে দিব্যি ভালো আছে। মনে একটি প্রশ্ন জাগলো এই ময়লা নর্দমার পানিটুকু কি কোনো মানুষ পান করতে পারবে? উত্তরটা নিজের কাছ থেকেই পেলাম, পারবেনা। কারন ওই পানি দেখলেই বমি আসে। খেলে পেটের পীড়ার কথা বাদই দিলাম। কিন্তু কুকুরটি দিব্যি সুস্থ আছে সেই পানি পান করে।
এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যে পানি পান করলে মানুষের অবস্থা হবে মৃত্যুর সমান সেখানে কুকুরের কিছুই হলোনা। কেন? মানুষকে কে সৃষ্টি করেছে আর কুকুরকে কে সৃষ্টি করেছে? একই পানি পান করলে দুটি প্রানীর অবস্থা দুই রকম হবে কেন? কার ইশারায় এটা হচ্ছে? এখানে আল্লাহ কিংবা দূর্গার কথা বলছিনা। বলছি একজন সুপার পাওয়ারের কথা। একটা সুপার পাওয়ার অবশ্যই আছে যে এই দুটি প্রানীকে কন্ট্রোল করছেন এবং একই পানি পান করলে দুটি প্রানীর অবস্থা দুই রকম হবে তা সে আগেই থেকেই জানে এবং দুটি প্রানীকে অনুকুল এবং প্রতিকুল পরিবেশে কিভাবে বেঁচে থাকতে হবে তাই শিখিয়ে দিয়েছেন।
আল্লাহ কিংবা দূর্গা নিয়ে বিতর্ক নয়, তর্ক হতে পারে আস্তিকতা এবং নাস্তিকতা নিয়ে। প্রথমেই প্রমান করতে হবে, আসলে সুপার পাওয়ার বলেতে কি কিছু আছে? আমার বিশ্বাস আছে। সেটা আল্লাহ কিংবা ভগবান কিংবা ঈশ্বর যেই হোক। যিনি বিশ্ব ভ্রহ্মান্ড কন্ট্রোল করছেন। তার আনুগত্য প্রকাশ করাটাই হচ্ছে আলোচ্য বিষয়। আল্লাহ কিংবা দূর্গা নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


