আমার ভিতর তুমি থাকো আমি কোথায় রই, আমি না থাকিলে তোমার থাকার জায়গা কই?

আমার ধর্ম জিজ্ঞাসা : আমি আস্তিক নাকি নাস্তিক? (পর্ব-২)

১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

১ম পর্ব- Click This Link
ধর্মের সঙ্গে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সম্পর্ক এবং সংগঠনের সহাবস্থান

ধর্মের রূপ বৈচিত্রের পাশাপাশি প্রায় সব ধর্মের কেন্দ্রেই কতকগুলি স্বকীয় প্রত্যয় বর্তমান এবং প্রত্যেক বিশেষ বিশেষ ধর্মের অনুরাগিরা দাবী করে থাকেন যে, তাদের ধর্মের স্বকীয় প্রত্যয়গুলি অপ্রত্যর্ক, অনপেক্ষ, সর্বজনীন এবং স্বয়ংসিদ্ধ। আমি দেখেছি এই দাবীর সমর্থনে কোনো যুক্তি প্রমান মেলেনা; যখন কেউ কেউ যুক্তি খাড়া করাবার চেষ্টা করেন তখন বিশ্লেষন করলেই চোখে পড়ে তা যুক্তি নয়, যুক্তাভ্যাস মাত্র। তথ্য সংগ্রহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, আবিস্কার, উদ্ভাবনের সূত্রে আমাদের জ্ঞান গত ৩/৪ হাজার বছরের মধ্যে অনেক পরিবর্তিত এবং পরিস্রুত হয়েছে। কিন্তু এই বিশ্ব জগতের আড়ালে তার স্রষ্টা, শাসক বা নিয়ামক হিসাবে ঈশ্বর, আল্লাহ বা যিহোবা নামে যাকে বিভিন্ন ধর্মে কল্পনা করা হয়েছে তার সম্পর্কে ধর্ম বিশ্বাসীদের প্রধান নির্ভর আপ্তবাক্য। শুধু বিনা বিচারে ঈশ্র, আল্লা বা যিহোবার অস্তিত্ব মেনে নেওয়াই যথেষ্ট নয়; তারি সঙ্গে ধার্মিকেরা দাবী করেন যে বেদ অভ্রান্ত, বা গীতা কৃষ্ণরুপী ঈশ্বরের নিজস্ব বানী, বা যিহোবা মোজেসকে অথবা আল্লাহ মুহাম্ম (সঃ) কে বেছে নিয়েছিলেন তার নির্দেশ প্রচারের জন্য; বা যীশু ঈশ্বরের একমাত্র পুত্র, বা চৈতন্য, রামকৃষ্ণ প্রভৃতি ব্যক্তি এক-একটি আবতার পুরুষ ইত্যাদি, ইত্যাদি। এমনকি ঈশ্বর, আল্লাহ বা যিহোবা জাতীয় কাউকে যিনি আত্মসমর্পনে টানেন নি, সেই বুদ্ধ এমন পূন্যজ্ঞান অর্জন করেছেন বলে দাবী করা হয়ে থাকে যে জ্ঞান প্রশ্নাতীত এবং প্রমানাতীত।

এখন এই ধরনের দাবী মেনে নিলে তারই অনুসিদ্ধান্ত হিসাবে আরো অনেক দাবী স্বীকার করতে হয়। ধর্মের যারা প্রবর্তক এবং প্রচারক প্রমান নিরপেক্ষ প্রাধিকারের সূত্রে অতিপ্রাকৃত যে কোনো ঘটনাই তাদের ক্ষেত্রে সম্ভব। লে ভক্তদের কাছে বুদ্ধ হয়ে উঠেন রহস্যাবৃত এক জাদুকর, মোজেস অনুচরদের নিয়ে হেঁটে সাগর পাড়ি দেন, কৌমার্য অক্ষত রেখেই মেরী জন্ম দেন যীশুকে, মুহাম্মদ (সাঃ) স্বশরীরে বেহেশত ঘুরে আসেন, কৃষ্ণ একই সঙ্গে বহু নারীতে উপগত হন, রামকৃষ্ণ ভক্তকে বিশ্বরূপ দর্শন করান, অরবিন্দ মৃত্যুর পর তার নাভী থেকে অলৌকিক জ্যোতি উৎসারিত হতে থাকে, সাঁইবাবা হাত ঘুরিয়ে আংটি, ঘড়ি জাতীয় নাড়ু দেখান। অতিপ্রাকৃত আর আপ্তবাক্যকে মেনে নিলে তখন আর আভ্যন্তরীন সংগতি কিংবা প্রতিসঙ্গের প্রশ্ন তোলা চলেনা। এটাই ধর্ম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে নাস্তিকের প্রধান দার্শনিক আপত্তি নয়; সম্ভবত তার প্রধান আপত্তি ধর্ম বিশ্বাসে প্রশ্নোর্ধ্বতার দাবী সম্পর্কে। জিজ্ঞাসার সূত্রে বিজ্ঞানের উদ্ভব ও বিকাশ; সেই জিজ্ঞাসাকে ধর্ম বিশ্বাস রুদ্ধ করে বলেই নাস্তিকের বিচারে ধর্ম ক্ষতিকর। প্রকৃত বস্তু বা ঘটনায় অপ্রকৃতের আরোপ বা উৎপ্রেক্ষন ধর্ম মাত্রেরই বৃত্তি। এর ফলে সত্য-অসত্যের ভেদ অস্পষ্ট হয়ে আসে। প্রকল্পের বিচার ও পরীক্ষা নিস্প্রয়োজন হয়ে পড়ে। জ্ঞানের বিকাশ ব্যাহত হয়। অন্তত গোঁড়া নাস্তিকেরা তাই বিশ্বাস করে।

ধর্ম যদি শুধুমাত্র অতিপ্রাকৃত এবং আপ্তবাক্যের প্রশ্নোর্ধ্বতা দাবী করতো তাহলে মানুষের ইতিহাসে তার প্রভাব হয়তো এতটা মারাত্মক হতোনা। দাবীকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য ক্ষমতা প্রয়োজন এবং এই ক্ষমতার অন্যতম প্রধান সূত্র হচ্ছে সংগঠন। কোনো একটি ধর্মের মুল প্রত্যয়গুলি যখন আকার পায় তিনি যখন লোকালয়ে সেই প্রত্যয়গুলি প্রচারে উদ্যোগি হন তখন তার কিছু ভক্ত এবং অনুরাগি জোটে এবং স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায় তাদের নিয়ে একটি ধর্মীয় সংগঠন গড়ে উঠে। এই সংগঠন নানা ধরণের হতে পারে। সেই ধর্মের প্রভাব ব্যাপক হবে কি হবেনা এবং তা হতে কতটা সময় লাগবে; তার হিসেব নিকেশ করতে গেলেও তথ্য জানা দরকার। কিন্তু মোটামুটি বলাচলে যেসব প্রত্যয়ীরা সম্প্রচারে সম্পূর্ণ বীতস্পৃহ এবং সেকারণে পর্বতে, গহবরে বা অরণ্যে অথবা মরুভুমিতে স্বেচ্ছায় বাস করেন, তাদের ধর্ম ব্যাপক কোনো প্রভাব ফেলতে পারে কিনা সন্দেহ। অন্যদিকে অধিকাংশ প্রভাবশীল ধর্মের প্রচার প্রতিপত্তির ভিত্তি হচ্ছে সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠাতা যদি নিজে সংগঠক না হন তাহলে তার অন্তত কয়েকটি তেমন ভক্তের প্রয়োজন ঘটে যারা তাকে ওজস্বী ভাষায় বহুজনের সামনে উপস্থাপিত করবেন এবং যাদের সংগঠনের সামর্থ অসামান্য।

ধর্ম যখনই সংগঠনভিত্তিক হয়ে উঠে তাতে কতগুলি লক্ষন ফুপতে থাকে যাদের কোনো যুক্তিতেই সমর্থন করা কঠিন। যে ব্যীক্তর অভিজ্ঞতা, কল্পনা এবং প্রত্যয় সমষ্টির উপাদানে একটি বিশেষ ধর্ম রচিত হয়েছিল তার প্রাধিকারকে বিচারবোধ করবার প্রয়োজনে তার উপর দেবত্বারোপ অবশ্যম্ভাবী। ধর্মের সঙ্গে দর্শনের এটাই অন্যতম পার্থক্য। বুদ্ধ নিজে নির্বাণের কথা বললেও চেলারা ধর্মের সঙ্গে তার এবং সংঘের শরণ নিয়েছেন। তার জীবনে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সমাবেশ মুখ্যত ভক্তদের প্রয়োজনেই কল্পিত। অপরপক্ষে, সক্রেটিসের ক্ষেত্রে দেবত্বারোপ বা তার জীবনে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সমারোহ প্রয়োজন হয়নি। কারণ তিনি কোনো ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা নন এবং প্লোটো তার গুরুর প্রাধিকারের ভিত্তিতে কোনো ধর্মীয় সংগঠন গড়ে তোলার ব্যাপারে উদ্যোগী ছিলেন না। উপমহাদেশে ব্রাহ্মধর্ম যে বিশেষ জন সমর্থন পায়নি তার অন্তত একটি কারণ রামমোহন মহাব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষ হয়েও কোনো অতিপ্রাকৃত শক্তি দাবী করেন নি এবং তার প্রতি সুগভীর শ্রদ্ধা ও অনুরাগ সত্ত্বেও তার ভক্তরা কোনো সংগঠন গড়ে তোলায় ব্যতিব্যস্ত ছিলেন না। অন্যদিকে রামকৃষ্ণে দেবত্বারোপ করে বিবেকানন্দ, মুহাম্মদ (সঃ) কে দেবত্বারোপ করে অনেক পীর-আউলিয়া ইতিহাস প্রসিদ্ধ হয়ে গেছেন এবং সংগঠন তৈরি করে বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে দিয়েছেন নিজ নিজ ধর্মের বার্তা। অর্থাৎ ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত করতে নিজেরা স্বঘোষিত বিশ্লেষক হিসাবে ধর্মের শাখা প্রশাখা বের করেছেন এবং সেটা ছড়াচ্ছেন বিশ্বব্যাপি; যা মানব কল্যানে হিত নয় বৈপরীত্য ডেকে আনছে।

 

 

  • ৩২ টি মন্তব্য
  • ২৩৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ১২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪১
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন: কমেন্ট ছাড়াই ৬ মাইনাস । আফনে কে আসলে ?
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৪

লেখক বলেছেন: বলেন তো আমি কে!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

২. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭
comment by: মহারাজা বলেছেন: বাবারে আমাদের দীপু তো ড. হয়ে গেল।
ড. দীপু নায়েক
মারহাবা । মারহাবা ।
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৪

লেখক বলেছেন: ওস্তাদ, হাবা মারলে ফাইট্টা যাইবো। হে. হে, হে.
ফোনে কথা হবে।

৩. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪
comment by: টনি বলেছেন: আপনি কোন ধর্মের তা বুঝতে পারছি না। কেননা আপনার নামটা পর্যন্ত ব্লগে ব্যবহার করা হয়নি। তবে আপনি যা বলেছেন তাতে আপনি কাকে কি বোঝাতে চান সেটাও স্পষ্ট নয়।তবে আপনি যা বলতে চেয়েছেন এবং জানতে চেয়েছেন তাতে আমার অবশ্যই কিছু বলতে ইচ্ছা করছে-
মুহাম্মদ (সঃ) কে দেবত্বারোপ করে অনেক পীর-আউলিয়া ইতিহাস প্রসিদ্ধ হয়ে গেছেন এবং সংগঠন তৈরি করে বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে দিয়েছেন নিজ নিজ ধর্মের বার্তা। অর্থাৎ ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত করতে নিজেরা স্বঘোষিত বিশ্লেষক হিসাবে ধর্মের শাখা প্রশাখা বের করেছেন এবং সেটা ছড়াচ্ছেন বিশ্বব্যাপি; যা মানব কল্যানে হিত নয় বৈপরীত্য ডেকে আনছে।
আমার বক্তব্য ধর্মপ্রচার মানব কল্যানে কী বৈপরীত্য ডেকে এনেছে সেটা পরিস্কার করে বলুন। যদি বলতে না পারেন তাহলে আপনি অবশ্যই নাস্তিক। আমি বিশ্বাস করি- ধর্ম প্রচার হয়েছিল বলে মানুষ আজ অনেক বেশি জ্ঞানী। কোরআনের আলোকে মানুষ নতুনকে জেনেছে, শিখেছে। ভবিষ্যতেও জানবে, শিখবে।
স্রষ্ঠা মানব জাতিকে হেদায়েত করতে যুগে যুগে নবী-রাসুল পাঠিয়েছেন। তাদের উপর বিভিন্ন কেতাব নাজিল করেছে। সময়ের প্রয়োজনে নতুন নতুন কিতাব এসেছে। সবাইকে নতুন কিতাব মেনে চলতে বলা হয়েছে। কেউ মেনেছে কেউ মানেনি। কোরআন সর্বশেষ কিতাব। এরআগে যেসব কিতাব এসছে তাও স্রষ্টা প্রদত্ত। তবে তা বাতিল করা হয়েছে। সুতারাং যারা আপডেট হতে পারেনি তাদের সর্ম্পকে কোন মন্তব্য নাই করলাম।
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: আনপার প্রথম পশ্নের উত্তর শিগগিরই পেয়ে যাবেন। কারণ এটি ধারাবাহিকভাবে আসবে।

কোরআনের আলোকে মানুষ নতুনকে জেনেছে, শিখেছে। ভবিষ্যতেও জানবে, শিখবে-
আপনার এই মন্তব্যে খাতিরে বলতে ইচ্ছা করছে, আপনি যে মাধ্যমটি ব্যবহার করে আমার সঙ্গে এই মুহুর্তে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেণ তা কোরানের কোন কোনায় লেখা আছে। উল্টো এটা আবিস্কার করেছে ইসলামের ভাষায় বিধর্মীরা। কোনো ব্যাখ্যা আছে। অবশ্যই দিতে পারবেন তবে অপব্যাখ্যাই হবে সেটা।

৪. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৬
comment by: টনি বলেছেন: দুঃখিত । আপনার নামটা দেখতে পারেনি বলে। তবে নামটা জানলেও একই কথা লিখতাম।
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: নামটা দেয়াই আছে।

৫. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭
comment by: সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: আপনার লেখার ধরণ ভালো।
তবে আমি স্বীকার করি আমি কোন যুক্তি তর্ক ছাড়াই আস্তিক।
খোদাকে বিশ্বাস করে আমি শান্তি পাই তাই আস্তিক।
লেখা চলুক।
প্লাস দিলাম।
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার বিশ্বাসের প্রতি আমিও সম্মান জানালাম।

৬. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: ডা. দিপু নায়েক আবার কে?
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: খুইজা লন। পাইলে দেহাই দিমু। হে. হে. হে.

ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ

৭. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন: কমেন্ট মুছেন কেন ?
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন: ইচ্ছা হইতাছে তাই। যুক্তি চাই যুক্তি, বুঝলেন। পারলে নিয়া আসেন। সাদরে গ্রহন করিব। অযথা প্যান প্যান ভালো লাগেনা।

ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।



৮. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮
comment by: টনি বলেছেন: হাসির খোড়াক জোটালেন। বিজ্ঞানের ছোট একটি আবিস্কার দিয়ে আপনি কি বোঝাতে চান। সমগ্র বিজ্ঞানের উৎপত্তি কোরআনকে ভিত্তি করে। ধরুন- বিজ্ঞানের কল্যানে মহাকাশ সর্ম্পকে ব্যাপক জানতে বুঝতে পারছি। মহাকাশ সর্ম্পকে কোরআনে এর ইঙ্গিত আছে। নবীজির মিরাজ গমন দিয়ে স্রষ্ঠা ইঙ্গিত দিয়েছেন পৃথিবীর বাইরে মানুষের গমন সম্ভব। দবোরাকের নামে দ্রুত গতির যান সর্ম্পকেও ইঙ্গিত দেয় হয়েছে। চিকিৎসা শাস্ত্রের উৎপত্তি সর্ম্পকে ভাল করে একটু খোঁজ নিবেন। আর কিছু বলার ইচ্ছা থাকলেও রুচি হচ্ছে না।
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৯

লেখক বলেছেন: মন খুলে হাসতে থাকুন। হাসি শরীরের জন্য ভালো। আমার কথা না, ডাক্তার মশাইরা কয় আর কি।

মানুষ যখন আগুন আবিস্কার করে তখন কোরান নাযেল হয় নাই, বুঝলেন মশাই। একটার কথা বললাম-এমন হাজারো আছে।

বিজ্ঞানের এই আবিস্কারগুলি ইসলাম ধর্মের মহাজ্ঞানীরা আবিস্কার করতে পারেনা কেন? সব কিছুর জন্য ইহুদি কিংবা ইসলামের ভাষায় বিধর্মীদের উপর নির্ভর করতে হয় কেন?

৯. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৯
comment by: সাগর সরকার বলেছেন: ঘুরতে থাকুন ফুয়েল থাকা পর্যন্ত। তারপর ও শুভ কামনা যাতে বুঝতে পারেন আপনি কি
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: প্রথমে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। তারপরে কই, ফুয়েল না থাকলে আপনার কাছে যামু। কি ভাই, দেবেন না ধার?

১০. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭
comment by: কঁাকন বলেছেন: @ টনি এখানে লেখক উস্কানিমুলক কোন লিখা লিখেনি আপনি উস্কানিমুলক বক্তব্য কেন দিতেছেন?

আমি আস্তিক তবে আমারো এরকম চিন্তা হয়
আপনার লিখা ভালো লাগসে

আমার একটা কথা খুব মনে হয় সেটা হচ্ছে ধর্ম সৃষ্টি হইসে আসলে ক্ষমতা ধরে রাখার হাতিয়ার হিসেবে
যাই হোক ভালো থাকেন
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: পিপড়া মাইনষের কামুড় খায়নাইতো তাই পুচ পুচ করতাছে।

ধন্যবাদ কাঁকন।

১১. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ইচ্ছা হইতাছে তাই। যুক্তি চাই যুক্তি, বুঝলেন।

-->> যুক্তির ক্যাতা পুড়ি । এইখানে কুন জিনিষটা যুক্তির পুটকি দিয়া হইতেছে ? আপনে নিশ্চই কানা না । দেখেন ই ত সব কিছু । ইয়ার পরেও কেন যুক্তির কথা কন ?
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: লাল পিপড়া বলেছেন: এইখানে কুন জিনিষটা যুক্তির পুটকি দিয়া হইতেছে ?

আমারে গালাগাল কইরা কি কুনো লাভ অইবো? ভাইটু, আপনে আমারে চিনেন না!!!

১২. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫১
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন: চিনি । মোল্লার আইওডিন লবনের ব্যবসা করেন ।
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪

লেখক বলেছেন: অভাব আছে নাহি? ওই দেশেরই মনে হৈতাছে।

১৩. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০০
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: হা হা টনি ভাই হাসালেন,আমি নাস্তিক না ....অনেকটা সীমান্ত আহমেদের মত কারনে।
কিন্তু যখন বিজ্ঞান সম্পর্কে ধর্মান্ধরা প্যাচে পরে যান তখন মজা লাগে।

পদার্থবিজ্ঞানের বর্তমান সীমা সম্পর্কে কোনো ধারনা আছে?

আপনাদের স্টাইল হল কোনো বিজ্ঞানের তত্ব আসার পর সেটা কে কোনো অংশের সাথে মিলিয়ে দেবার চেষ্টা একটু এদিক সেদিক ব্যাখ্যা করে ।

এখন কার তত্ব রিলেটিভিটি আর কোয়ান্টাম মেকানিক্স একে অন্যকে স্বীকার করে না।অথচ আপনারা এগুলো কিভাবে কিভাবে হাস্যকর স্টাইলে খুজে পাচ্ছেন ।
যখন একীভুত তত্ব আবিস্কার হয়ে যাবে(স্ট্রীং থিওরীর জোরদার সম্ভাবনা আছে) তখন জেনারেল রিলেটিভিটি আর কোয়ান্টাম মেকানিক্স অসম্পূর্ন প্রমানিত হবে এবং তাদের ভবিষ্যদ্বানী সমুহ ।স্ট্রীং থিওরীতে মহাবিশ্বের উতপত্তি প্রচলিত থেকে অন্যরকম ।তখন কি আপনার আবার একটি আয়াত আবিষ্কার করবেন যেখনে স্ট্রীং থিওরীর কথা লেখা আছে?তাহলে আপনারা যে অসম্পূর্ন তত্বগুলো পেয়েছিলেন তার কি হবে?একই scripture একই সাথে দুই রকম তত্ব সমর্থন করবে?

আর মেরাজ নিয়ে জানতে এটা পড়বেন
Click This Link
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: টনিদের এটাই আসল সমস্যা। সবকিছুকে কোরানের সাথে ব্যাখ্যা দেয়ার অপচেষ্টা। এটাতে বরং কোরানের অপমান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

১৪. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন: আমি করি চিনির ব্যবসা । কুট্টুস মানে মাইনাস আমারে না চিনার জইন্য ।
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: ভেজাল আছে হেইডা বুঝবার পারছি অনেক আগেই।

১৫. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৫
comment by: রাজিব ফেরদৌস বলেছেন: লেখক বলেছেন: অভাব আছে নাহি? ওই দেশেরই মনে হৈতাছে।

না, আমার জানা মতে পিপড়া কুমিল্লা থেকে এসেছে। মানে বিএনসিসির লোক আর কি।
১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: আ.রে.খা-র ক্লোন তুমি। বুঝছি তোমার ডিএনএ-তে সমস্যা আছে। তোমার মায়েরটা টেস্ট করতে হৈবে।

১৬. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২
comment by: অচেনা আগন্তুক বলেছেন: ধর্মের সঙ্গে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সম্পর্ক কিছু যুক্তিহীন অবিশ্বাসীদের জন্যই। তাদের যুক্তি যখন পরাজিত হয়েছে সত্যের কাছে তখন তারা দাবী করেছে উদ্ভট কিছূ, এই বিশ্বাসে তা কখনো সম্ভব নয়। কিন্তু সেই অসম্ভবও যখন সম্ভব হয়েছে তারা বলেছে যাদু। বলে কেটে পড়েছে...
কিছু এসেছে আপদকালীন উদ্ধারে.. সহায়তা.. কিছু মানুষের বোধকে তাড়িত করতে....

এবং এটা কখনোই ধর্মের মূখ্য বিষয় নয়।আগে জানুন ধর্ম কি ?
ধর্মের মূলে জ্ঞান এবং সাধনার এত ব্যাপ্তি যা বিস্ময়কর।
সমস্য অন্য জায়গায়।
আমরা ধার্মিকের আচরনে বিভ্রান্ত হয়ে ধর্মকেই গুলিয়ে ফেলি..
বিষয়টা খুব সরল ভাষায় বললে... কোন এক অপারেটর এমএস ওয়ার্ডে ভাল ভাবে কাজ করতে পারছে না, এবং তার দোষ ডাকতে শটতা করে সফটওয়্যারে এর দোষ দিচ্ছে আর তখন মালিক বিল গেটস বা মাইক্রোসফটকেই ফালতু বলে গাল দেওয়ার মতোন

আপনাদের দাবী।
ভেবে দেখূন। ধর্মের অতলান্তে আপনি কোন যে কোন একটার কতটুকু গভীরে যেতে পেরেছেন।

উদাহরনে সামান্য বলি...
কৃষ্ণ শিষ্যদের ..বললো লক্ষ বধ করো।
শিষ্যরা পরদিন এক লক্ষ বলি দিয়ে এসে বললো প্রভু আমরা লক্ষ বধ করে এসেছি।
তিনি বললেন-- তোমরা প্রাণী হত্যার দোষে অভিযুক্ত হলে।

তবেই বুঝুন। লক্ষ বধে ছিল অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছানোর ইংগিত আর বুঝের ভুলে কি হলো।
এক্ষনে আমরা কি তেমনি কোন চক্করে আটকে যাচ্ছি???

নিজের অক্ষমতা আর বৃদ্ধিহীনতা ডাকতে, সাধনার কষ্টে আলস্য বিধায় তাকে গালমন্দ করে এড়িয়ে যেতে চাইছি নাতো???

তাই..খুব সাবধান!!!
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৮

লেখক বলেছেন: কোনটা সত্য, কোরান নাকি বিজ্ঞান? আসলে আপনারা দুটোকে একই পাল্লায় মাপতে চানতো এটাই আপনাদের সমস্যা। কোরান হলো বিশ্বাসের বিষয়। এটাকে আপনি বিশ্বাস করতে পারেন-তা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু বিজ্ঞান পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং যুক্তিতে বিশ্বাস করে। কোরানকে কি কোনো যুক্তি তর্কে দাঁড় করাতে পারবেন? পারবেন, কিন্তু সেটা কল্পনা আর বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে। কোনো কোনো জায়গায় প্রশ্নও করতে পারবেন না। তাহলে ঈমান নষ্ট হবার ভয় থাকবে। বিশ্বাসে মুক্তি মেলে এটা শুধু মনের শান্তনা বৈ আর কিছুই নয়।
ধন্যবাদ আপনাকে।

 



 


কষ্ট বুকে নিয়ে প্রতিনিয়ত আমার পথচলা। তবু্ও বেঁচে থাকি, সুখে থাকি, আমারই জন্য, ভালোবাসার কিছু মানুষের জন্য।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ২২৩০৮