somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ভাঙ্গা পায়ে দাঁড়িয়ে আছে বলাকা
ওরে মোল্লার দল, বেহেশত থেকে একখান হুরের ছবি নিয়া টাঙ্গাইয়া দে রাস্তার মোড়ে মোড়ে। আমরা দেইখ্যা দেইখ্যা যৌবন জ্বালা মিটাই।

বিঃদ্রঃ শনিবার রাতে মোল্লার দল ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত বলাকার প্রতিকৃতি ভেঙ্গে ফেলার চেষ্টা করে। ফলশ্রুতিতে ভাঙ্গা পায়ে এখন দাড়িয়ে আছে বলাকা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28876152 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28876152 2008-11-30 09:44:54
শ্যামা মেয়ে ভালো আছিস শ্যামা মেয়ে?

সন্ধ্যার তারারা এখনো কি
আমার কথা বলে তোর কানে কানে?
মাঝরাতে যখন ঝম ঝম করে বৃষ্টি নামে
শ্রাবনের দামাল হাওয়া, সাজানো বাগানের
বৃক্ষ পল্লব এলোমেলো করে ছুটে যায়
তখন কি-
রবী শংকর বেজে উঠে তোর বুকের অতলে?

কৃষ্ণচূড়া বাঁধানো জীবনের সাজানো পথে
এখন কার হাত ধরে হাঁটিস তুই?
কার চোখে খুঁজিস তোকে?

ছেলে মানুষী বায়নাগুলো তুলে নেই কাঁধে।
এখনো ব্রহ্মপুত্রের উপর চাঁদ খেলে
ঢেউ ভাঙ্গে, কাশফুলে ভরে উঠে পাড়।
সন্ধ্যার সোনা রঙ মেখে
এখনো ঘরে ফেরে সুন্দর;
শুধু আমাদের স্বপ্নগুলোই হারিয়ে গেল!

আমিতো চাইনি বিষাদের বালিয়াড়ি
দুচোখ ভরে নুনের জ্বালা!!
অথচ-
আজো আমার দিগন্ত জুড়ে একটাই মুখ
আমার চলার পথে কেবল একটাই ছায়া
সমস্ত চরাচর ব্যাপী কেবল একটাই কণ্ঠস্বর।

ওরে ম্লান মেয়ে-
তুই কেমন করে, কখন
এতটা আপন হলি বুঝতে পারিনি।
আবার কেন হারিয়ে গেলি?
তুই বিহনে কেমন করে বেঁচে থাকি বল?

পাগলী-
তোর আকাশে আজ
রংধনুর সাত রঙের খেলা,
কি করে বুঝবি তুই স্বপ্ন পোড়ার জ্বালা?


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28862521 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28862521 2008-10-31 15:42:10
চাঁদের বুকে দেওয়ানবাগী আর লালন বলে জাত গেল
আরামবাগে দেওয়ানবাগ শরীফের কাছাকাছি ৩টি বড় মসজিদের অবস্থান। টিনএন্ডটি কলোনী মসসিজ, ফকিরাপুল জামে মসজিদ, বাংলাদেশ ব্যাংক কলোনী মসজিদ। তিনটি মসজিদেই মুসল্লীদের সমাগম অনেক বেশি। দেওয়ানবাগ থেকে বয়ানকৃত এলান তিনটি মসজিদের ইমাম সাহেবেদের কানে এসেছে। কিন্তু তারা এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে তার কাছাকাছি হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম। ইসলাম নিয়ে এত বড় একটি অপপ্রচার সম্পর্কে বায়তুল মোকাররমের খতিব সাহেবের কাছ থেকেও কোনো রকম মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অথচ একই দিন বায়তুল মোকাররমের মুসল্লীদের কাছেও এই খবরটি ছিল হটকেকের মতো।

বিমানবন্দর এলাকায় লালন-এর প্রতিকৃতি মোল্লাদের হুমকির মুখে সরকার সরিয়ে ফেলেছে। গত কয়েকদিন এটা নিয়ে মিডিয়াসহ প্রায় সকলেই বেশ হৈচৈ করছে। কিন্তু একটি কথা মোল্লাদের উদ্দেশ্যে বলতে ইচ্ছে করে, লালন থাকলে তোদের জাত যায় আর যখন দেওয়ানবাগীকে চাঁদে দেখা যায় এবং সেটা মাইকে এলান করা হয় তখন তোরা খানকির পোলারা কই থাকিস। পারিস না ইসলাম নিয়ে এই ভন্ডামীর অবসান ঘটাতে। ও, খানকির পোলা বললাম বলে তোরা আবার খুব বেশি ক্ষেপে যাবি। কিন্তু বিশ্বাস কর এই একটি শব্দ ছাড়া তোদেরকে আমি আর কিছু বলতে পারছিনা। ধর্ম নিয়ে খেলিস তোরা তাই তোদের জন্ম নিয়ে আমার সন্দেহ হয়। এবার তোদের মতো শুয়োরের বাচ্চাদের হাত থেকে ইসলামকে রক্ষা করার জন্য হাজারো লালনের প্রতিকৃতি বসবে বাংলার বুকে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28856417 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28856417 2008-10-18 14:59:04
ভালোবাসার জন্য কুত্তার মতো লালায়িত হই!! মাঝে মাঝে মনে হয় নিজেকে কুকুর।
কখনো পা চাটি;
আবার কখনো হাত উঁচু করে
জিভটা বের করে দাড়িয়ে থাকি।
তারপর যখন ভালবাসার বিস্কিট ছুড়ে মারে,
খেতে গিয়ে দেখি
অর্ধেকটা আগেই কে যেন খেয়ে ফেলেছে!
হায়রে ভালোবাসা!!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28854585 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28854585 2008-10-14 14:55:48
মসজিদের ভেতর রাজা কনডম!!!
ঘুম থেকে যখন উঠলাম তখন মসজিদের মাইকে এলান হচ্ছে-জামাতের আর মাত্র ১০ মিনিট বাকি। মুখ ধুয়ে গোসল সেরে খালি পেটেই দৌড়। ততক্ষনে সবাই নামাজে দাঁড়িয়ে গেছে। মসজিদের বারান্দায় আমার ঠাঁই হলো বাচ্চাদের সাথে। অবশ্য মুরব্বি কয়েকজনও আছেন। ওমা, একি দেখি মসজিদের ভেতর! রাজা কনডম! কয়েকজন বাচ্চা ছেলে রাজা কনডম মুখে নিয়ে ফুঁ দিয়ে বেলুন বানাচ্ছে হাওয়ায় উড়াবে বলে। নামাজে দাঁড়িয়ে বারবার মনোযোগ যাচ্ছে কনডমের দিকে। নামাজ শেষ হতেই ধরলাম ছেলেগুলোকে। ''তোমরা এগুলো নিয়ে মসজিদের ভেতর ডুকেছো কেন? জানো এগুলো কি?'' একজন বললো-এগুলো বেলুন। বয়সে একটু বড় আরেকজন বললো-না না, আব্বু বলেছে এগুলোর নাম কনডম। আমিতো আক্কেলগুড়ুম।
ছেলেটিকে আমার জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করেছিল-আব্বু কি বলেছে কনডম দিয়ে কি করে? কিন্তু জানতে চাইনি। পাছে আবার মসজিদের ভেতরই সত্যি কথাটা বলে ফেলে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28850898 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28850898 2008-10-04 16:58:36
প্রেমানুকাব্য মুখ যদি মুখ;
তুমি আমি এক হবো
সুখ আর সুখ।

আমি দেই ভালোবাসা
তুমি ভাবো ছল;
চোখে রাখো চোখ
তবু দ্যাখোনা অতল।

তুমিতো জলকেলি
কোনো ছবি নও;
তবে মৃদু বাতাসেই
কেন এলোমেলো হও?

পিছুটান আছে বাধা
আছে প্রব্লেম;
এরই মাঝে বেঁচে থাক
আমাদের প্রেম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28846515 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28846515 2008-09-22 16:19:06
জয় বাংলা বোলনা আমি শ্রদ্ধায় মাথানত করি;
তুমি যখন জয় কালী মা বলো
আমি তখন শ্রদ্ধায় মাথানত করি;
তুমি যখন জয় যীশু খ্রীষ্ট বলো
তখনও আমি শ্রদ্ধায় মাথানত করি;
কিন্তু তুমি যখন জয় বাংলা বলো
তখন আমি বলি-
হে ধরনী, তুমি দ্বিধা হও
আমি তোমার বুকে লজ্জা নিবারণ করি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28840765 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28840765 2008-09-09 16:00:08
মৌন স্বপ্নের ডানা বৃষ্টি ভেজা পৃথিবী ব্যাখ্যা করে;
আকাশ পৃথিবীতে সন্ধি হয় একাকী।
আকাশ বুঝায় মৌনতায় প্রেমের আবেগ
ছড়িয়ে দেয় বৃষ্টিরূপে পৃথিবীর বুকে,
বৃষ্টি শুকায় জমিনের তৃপ্তিতে।

তবুও অকৃতজ্ঞ জমিন
অনাকাঙ্খিত ভালোবাসা পেয়ে
বৃষ্টি জমিনে, মেঘ আকাশে,
গড়ে তোলে অসম ব্যবধান।

ক্ষনজন্মা বৃষ্টি দ্যাখে আকাশের বিশালতা
কখনো নিরবে,
কখনোবা মেঘের ভেলায় ভেসে;
চকিত চাহনি তার তৃষ্ণিত জমিনের ঠোঁটে
অকৃতজ্ঞ ভালোবাসা;
তবুও পৃথিবী আর জমিন
বৃষ্টি ভেজা মৌন স্বপ্নের ডানায় ভেসে
উড়ে যেতে চায় দুরে-বহুদুরে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28839980 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28839980 2008-09-07 16:25:31
স্বীকারোক্তি মুক্তি দেয় আমায়,
প্রশান্তির শ্বাস ফেলি আমি
মাটির সোঁদা গন্ধে;
মাতৃগর্ভে গুটিয়ে নিজেকে সমর্পন করি
বিধাতার কাছে অসংলগ্নতায়।

আমার ভয় আমাকে সাহসী করে
আমার পাপ আমাকে নিষ্পাপ করে।
অস্থিরতা ছেঁয়ে থাকে সারাক্ষন,
তবুও সময় স্থির
আমার বিষন্নতায় আচ্ছন্ন জগতে;
হোকনা কৃত্রিম তবু একান্তই আমার
বাস্তবতা নয়, স্বপ্নও নয়।

এ যেন সবকিছুর শেষ
যার কোনো শুরু ছিলোনা,
যে শুরুর প্রস্তুতি পর্ব অনন্ত
যে শেষ বারে বারে ফিরে আসে
কাঙ্খিত বিষন্নতার কাছে অকৃত্রিমতায়,
কৃত্রিম ভালোবাসায়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28836739 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28836739 2008-08-30 18:26:09
শেকড় মৃত অস্তিত্বের তাকে থমকে যায় সময়,
ডুকরে কাঁদে অন্ধকারে ধূসর স্বপ্নেরা
নোনা কুয়াশায় অস্পষ্ট সামনের দিনগুলো।

ভীড়ের মাঝে খুঁজি পরিচিত মুখ
কোথায় আটকে থাকে স্মৃতির প্রতারনায়,
ঘুমের ঘোরে প্রতিদিন প্রার্থনা,
সাদাকালো স্বপ্নের আবছা আলোয়
বর্নহীন স্বপ্নগুলো অনেক কাছের মনে হয়।

আমরাতো ভুলে যেতে চাই সবকিছু
তবু কেন আটকে থাকি পিছুটানে?
এ যেন সবশেষে আবারো পেছনে ফেরা
শেকড় ছেঁড়ার কান্না থামবেনা কোনোদিন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28836340 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28836340 2008-08-29 15:47:04
রবী ঠাকুরের ১ম কোবতে!
আমার নুনু ছোট্ট নুনু
দাদুর নুনু মস্ত;
দিদির নুনু চ্যাপ্টা নুনু
মাঝখানে একটা গর্ত।

কবিতাটা (নাকি কোবতে! ওরে বাবা রবি ঠাকুরও তাহলে কোবতে লিখতেন। ভাগ্যিস তিনি শালা নন, আস্ত একজন কবি) তিনি নাকি তার দাদুকে দেখিয়েছিলেনও। কথাটা যদি সত্যি হয় আর রবী ঠাকুর যদি তার প্রতিভা এইভাবে প্রস্ফুটিত করতে পারেন তাহলে বলুনতো তাকে কি পরিমান মাইনাচ দেয়া যায়! আসেন আরেকবার আমরা মাইনাচের খেলায় মেতে উঠি।

এইটা একটা মাইনাচানীয় পোস্ট। ওরে মাইনাচাইলামরে!!!

তোরা দ্যাখ, তোরা দ্যাখ
দ্যাখরে চাহিয়া;
চিকনমিয়া ব্লগায় খালি
মাইনাচাইয়া।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28835958 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28835958 2008-08-28 15:03:29
কষ্ট নাকি ছাই! এ ধরনের একটি মেয়ে এসে
একদিন আমাকে বললো
আমার খুব কষ্ট।

আমি মেয়েটিকে
এক প্যাকেট ভালোবাসা দিলাম।
বললাম,
বাড়ি গিয়ে ভাজা করে খেয়ে নিও।

মেয়েটি খুশী মনে বাড়ি গেল
প্যাকেট খুলে ভালোবাসা ভেজে
মজা করে খেলো।

হঠাৎ সেদিন দেখি!
মেয়েটি পাশের এক দোকানিকে
তার কষ্টের কথা বলছে!
দোকানি ছেলেটি মেয়েটিকে
প্যাকেটভর্তি ভালোবাসা দিচ্ছে
আর মেয়েটিও খুশী মনে বাড়ি ফিরছে।


পুনশ্চ: এটি ছিল ব্লগে প্রথম পোস্ট। হঠাৎ করে পুরনো স্মৃতি আওড়াতে গিয়ে দেখলাম ১২৫তম পোস্ট পার করে ফেলেছি। সময়টাও নেহাতই কম নয়। প্রায় আড়াই বছর। প্রথম লেখাটা রিপোষ্ট করেছি। ও ভালো কথা এই কবিতাটা তাসলিমা নাসরিনের একটি কবিতা পড়ে উদ্বুদ্ধ হয়ে লিখেছিলাম। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28835298 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28835298 2008-08-26 20:19:15
একটি কলম চাই আমি লিখবো-
নিশিথ রাতে একাকী
ভাবনার খিঞ্চি মগজে
উত্তপ্ত কলমের গ্রীবাদেশ;
মনে মনে ভাবি,
কলমটি বিরক্ত বোধ করছে এবার
''প্রতিভা'' বিকাশে বস্তুটির জন্য
দুঃখ হয়।

একটি কলম দেবে?
আমি লিখবো-
যে কলম ক্লান্তি এলে
দীর্ঘশ্বাস ছাড়বে,
বুঝে নেবে লেখক
এখন দুজনারই বিশ্রাম প্রয়োজন।

একটি কলম দেবে?
আমি লিখবো-
প্রিয়া হারানোর বেদনায়
যে প্রেমিক
জলন্ত সিগারেটের ধোঁয়ায়
বিষাক্ত বায়ুর সুখটানে
মিছে স্বপ্নের প্রলোভনে
প্রতারণার আশায় বুকে
বাসা বাধবে।

একটি কলম দেবে?
আমি লিখবো-
বিচারকের জোব্বা গায়ে দিয়ে
দুঃখী মায়ের সন্তানের খুনীকে
আড়াল করে চলে যে কাপুরুষ।
যন্ত্রনার আগুনে
অবারিত অশ্রু ঝরে যে নয়নে;
মা কাঁদে, সন্তান কাঁদে
বোন কাঁদে, স্ত্রী কাঁদে
কান্নার স্রোত বয় যে নদীতে।
বিচারকের কলমে থাকবেনা কোনো কালি।

একটি কলম দেবে?
আমি লিখবো-
প্রগতির কথা, সাম্যের বাণী
বঞ্চিতের কান্নার শব্দ;
বোধের বাক্য হয়ে তৈরি হবে কালি,
সে কালিতে আমি লিখবো
লংঘিত মানবধিকারের কথা;
মিথ্যে নাটকের ইতিহাস
বেহায়া বাক্যের মতো মুছে যাবে
হৃদয় পটভূমি থেকে।

দেবে আমায় একটা কলম
আমি লিখতে চাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28834331 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28834331 2008-08-24 14:42:22
ভেলকি ফাল দিবিনা ফাঁন্দে
তারচে বসে এখন থেকে
দে চেতনায় শান দে।

ভেলকিতে কেউ গা ভাসাসনে
ভেলকি শুধু সুর-যা
এই সুরে কেউ তাল দিবিনা
ভেলকি থেকে দুর-যা।

ভেলকি দেখে খেল বুঝিসনে
চোখ খুলে তোর কান দে
মা-মাটির আজ কঠিন সময়
দেশ বাঁচাতে জান দে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28833308 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28833308 2008-08-21 19:58:39
ওরা মানুষ না পশু!!! বসছে ওরা জোড়ায় জোড়ায়,
যায়না চেনা মানুষ না পশু
ওদের আচরণ চলা ফেরায়।

পশুদের মত কিছু মানে না
সভ্যতা কাকে বলে জানে না,
প্রগতির শ্লোগান, যাহা কিছু করছে
ভাদ্রের কুকুরও হার মেনে যায়।
রমনা পার্কের গাছের গোড়ায়
বসছে ওরা জোড়ায় জোড়ায়।

মান-অভিমান মৃদু গান গায়
পায়রা-পায়রি যেন ললা খায়,
মান-অভিমান মৃদু গান গায়
কবুতর পাখি যেন ললা খায়,
ইবলিস দেখে হেসে বলতে থাকে
আমার প্রয়োজন রইলো কোথায়?
রমনা পার্কের গাছের গোড়ায়
বসছে ওরা জোড়ায় জোড়ায়।

পূণশ্চ: ব্লগে হুজুর সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে এই গানটি উৎসর্গ করা হৈল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28831154 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28831154 2008-08-15 14:33:43
আমার ধর্ম জিজ্ঞাসা : আমি আস্তিক নাকি নাস্তিক? (পর্ব-২) Click This Link
ধর্মের সঙ্গে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সম্পর্ক এবং সংগঠনের সহাবস্থান

ধর্মের রূপ বৈচিত্রের পাশাপাশি প্রায় সব ধর্মের কেন্দ্রেই কতকগুলি স্বকীয় প্রত্যয় বর্তমান এবং প্রত্যেক বিশেষ বিশেষ ধর্মের অনুরাগিরা দাবী করে থাকেন যে, তাদের ধর্মের স্বকীয় প্রত্যয়গুলি অপ্রত্যর্ক, অনপেক্ষ, সর্বজনীন এবং স্বয়ংসিদ্ধ। আমি দেখেছি এই দাবীর সমর্থনে কোনো যুক্তি প্রমান মেলেনা; যখন কেউ কেউ যুক্তি খাড়া করাবার চেষ্টা করেন তখন বিশ্লেষন করলেই চোখে পড়ে তা যুক্তি নয়, যুক্তাভ্যাস মাত্র। তথ্য সংগ্রহ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, আবিস্কার, উদ্ভাবনের সূত্রে আমাদের জ্ঞান গত ৩/৪ হাজার বছরের মধ্যে অনেক পরিবর্তিত এবং পরিস্রুত হয়েছে। কিন্তু এই বিশ্ব জগতের আড়ালে তার স্রষ্টা, শাসক বা নিয়ামক হিসাবে ঈশ্বর, আল্লাহ বা যিহোবা নামে যাকে বিভিন্ন ধর্মে কল্পনা করা হয়েছে তার সম্পর্কে ধর্ম বিশ্বাসীদের প্রধান নির্ভর আপ্তবাক্য। শুধু বিনা বিচারে ঈশ্র, আল্লা বা যিহোবার অস্তিত্ব মেনে নেওয়াই যথেষ্ট নয়; তারি সঙ্গে ধার্মিকেরা দাবী করেন যে বেদ অভ্রান্ত, বা গীতা কৃষ্ণরুপী ঈশ্বরের নিজস্ব বানী, বা যিহোবা মোজেসকে অথবা আল্লাহ মুহাম্ম (সঃ) কে বেছে নিয়েছিলেন তার নির্দেশ প্রচারের জন্য; বা যীশু ঈশ্বরের একমাত্র পুত্র, বা চৈতন্য, রামকৃষ্ণ প্রভৃতি ব্যক্তি এক-একটি আবতার পুরুষ ইত্যাদি, ইত্যাদি। এমনকি ঈশ্বর, আল্লাহ বা যিহোবা জাতীয় কাউকে যিনি আত্মসমর্পনে টানেন নি, সেই বুদ্ধ এমন পূন্যজ্ঞান অর্জন করেছেন বলে দাবী করা হয়ে থাকে যে জ্ঞান প্রশ্নাতীত এবং প্রমানাতীত।

এখন এই ধরনের দাবী মেনে নিলে তারই অনুসিদ্ধান্ত হিসাবে আরো অনেক দাবী স্বীকার করতে হয়। ধর্মের যারা প্রবর্তক এবং প্রচারক প্রমান নিরপেক্ষ প্রাধিকারের সূত্রে অতিপ্রাকৃত যে কোনো ঘটনাই তাদের ক্ষেত্রে সম্ভব। লে ভক্তদের কাছে বুদ্ধ হয়ে উঠেন রহস্যাবৃত এক জাদুকর, মোজেস অনুচরদের নিয়ে হেঁটে সাগর পাড়ি দেন, কৌমার্য অক্ষত রেখেই মেরী জন্ম দেন যীশুকে, মুহাম্মদ (সাঃ) স্বশরীরে বেহেশত ঘুরে আসেন, কৃষ্ণ একই সঙ্গে বহু নারীতে উপগত হন, রামকৃষ্ণ ভক্তকে বিশ্বরূপ দর্শন করান, অরবিন্দ মৃত্যুর পর তার নাভী থেকে অলৌকিক জ্যোতি উৎসারিত হতে থাকে, সাঁইবাবা হাত ঘুরিয়ে আংটি, ঘড়ি জাতীয় নাড়ু দেখান। অতিপ্রাকৃত আর আপ্তবাক্যকে মেনে নিলে তখন আর আভ্যন্তরীন সংগতি কিংবা প্রতিসঙ্গের প্রশ্ন তোলা চলেনা। এটাই ধর্ম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে নাস্তিকের প্রধান দার্শনিক আপত্তি নয়; সম্ভবত তার প্রধান আপত্তি ধর্ম বিশ্বাসে প্রশ্নোর্ধ্বতার দাবী সম্পর্কে। জিজ্ঞাসার সূত্রে বিজ্ঞানের উদ্ভব ও বিকাশ; সেই জিজ্ঞাসাকে ধর্ম বিশ্বাস রুদ্ধ করে বলেই নাস্তিকের বিচারে ধর্ম ক্ষতিকর। প্রকৃত বস্তু বা ঘটনায় অপ্রকৃতের আরোপ বা উৎপ্রেক্ষন ধর্ম মাত্রেরই বৃত্তি। এর ফলে সত্য-অসত্যের ভেদ অস্পষ্ট হয়ে আসে। প্রকল্পের বিচার ও পরীক্ষা নিস্প্রয়োজন হয়ে পড়ে। জ্ঞানের বিকাশ ব্যাহত হয়। অন্তত গোঁড়া নাস্তিকেরা তাই বিশ্বাস করে।

ধর্ম যদি শুধুমাত্র অতিপ্রাকৃত এবং আপ্তবাক্যের প্রশ্নোর্ধ্বতা দাবী করতো তাহলে মানুষের ইতিহাসে তার প্রভাব হয়তো এতটা মারাত্মক হতোনা। দাবীকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য ক্ষমতা প্রয়োজন এবং এই ক্ষমতার অন্যতম প্রধান সূত্র হচ্ছে সংগঠন। কোনো একটি ধর্মের মুল প্রত্যয়গুলি যখন আকার পায় তিনি যখন লোকালয়ে সেই প্রত্যয়গুলি প্রচারে উদ্যোগি হন তখন তার কিছু ভক্ত এবং অনুরাগি জোটে এবং স্বেচ্ছায় বা অনিচ্ছায় তাদের নিয়ে একটি ধর্মীয় সংগঠন গড়ে উঠে। এই সংগঠন নানা ধরণের হতে পারে। সেই ধর্মের প্রভাব ব্যাপক হবে কি হবেনা এবং তা হতে কতটা সময় লাগবে; তার হিসেব নিকেশ করতে গেলেও তথ্য জানা দরকার। কিন্তু মোটামুটি বলাচলে যেসব প্রত্যয়ীরা সম্প্রচারে সম্পূর্ণ বীতস্পৃহ এবং সেকারণে পর্বতে, গহবরে বা অরণ্যে অথবা মরুভুমিতে স্বেচ্ছায় বাস করেন, তাদের ধর্ম ব্যাপক কোনো প্রভাব ফেলতে পারে কিনা সন্দেহ। অন্যদিকে অধিকাংশ প্রভাবশীল ধর্মের প্রচার প্রতিপত্তির ভিত্তি হচ্ছে সংগঠন এবং প্রতিষ্ঠাতা যদি নিজে সংগঠক না হন তাহলে তার অন্তত কয়েকটি তেমন ভক্তের প্রয়োজন ঘটে যারা তাকে ওজস্বী ভাষায় বহুজনের সামনে উপস্থাপিত করবেন এবং যাদের সংগঠনের সামর্থ অসামান্য।

ধর্ম যখনই সংগঠনভিত্তিক হয়ে উঠে তাতে কতগুলি লক্ষন ফুপতে থাকে যাদের কোনো যুক্তিতেই সমর্থন করা কঠিন। যে ব্যীক্তর অভিজ্ঞতা, কল্পনা এবং প্রত্যয় সমষ্টির উপাদানে একটি বিশেষ ধর্ম রচিত হয়েছিল তার প্রাধিকারকে বিচারবোধ করবার প্রয়োজনে তার উপর দেবত্বারোপ অবশ্যম্ভাবী। ধর্মের সঙ্গে দর্শনের এটাই অন্যতম পার্থক্য। বুদ্ধ নিজে নির্বাণের কথা বললেও চেলারা ধর্মের সঙ্গে তার এবং সংঘের শরণ নিয়েছেন। তার জীবনে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সমাবেশ মুখ্যত ভক্তদের প্রয়োজনেই কল্পিত। অপরপক্ষে, সক্রেটিসের ক্ষেত্রে দেবত্বারোপ বা তার জীবনে অতিপ্রাকৃত ঘটনার সমারোহ প্রয়োজন হয়নি। কারণ তিনি কোনো ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা নন এবং প্লোটো তার গুরুর প্রাধিকারের ভিত্তিতে কোনো ধর্মীয় সংগঠন গড়ে তোলার ব্যাপারে উদ্যোগী ছিলেন না। উপমহাদেশে ব্রাহ্মধর্ম যে বিশেষ জন সমর্থন পায়নি তার অন্তত একটি কারণ রামমোহন মহাব্যক্তিত্বসম্পন্ন পুরুষ হয়েও কোনো অতিপ্রাকৃত শক্তি দাবী করেন নি এবং তার প্রতি সুগভীর শ্রদ্ধা ও অনুরাগ সত্ত্বেও তার ভক্তরা কোনো সংগঠন গড়ে তোলায় ব্যতিব্যস্ত ছিলেন না। অন্যদিকে রামকৃষ্ণে দেবত্বারোপ করে বিবেকানন্দ, মুহাম্মদ (সঃ) কে দেবত্বারোপ করে অনেক পীর-আউলিয়া ইতিহাস প্রসিদ্ধ হয়ে গেছেন এবং সংগঠন তৈরি করে বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে দিয়েছেন নিজ নিজ ধর্মের বার্তা। অর্থাৎ ধর্মকে প্রতিষ্ঠিত করতে নিজেরা স্বঘোষিত বিশ্লেষক হিসাবে ধর্মের শাখা প্রশাখা বের করেছেন এবং সেটা ছড়াচ্ছেন বিশ্বব্যাপি; যা মানব কল্যানে হিত নয় বৈপরীত্য ডেকে আনছে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28830800 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28830800 2008-08-14 13:54:40
আমার ধর্ম জিজ্ঞাসা: আমি আস্তিক নাকি নাস্তিক? (পর্ব-১)
ঠিক কখন আস্তিক্য আমার চেতনায় আকার পায় তা বলা শক্ত, তবে স্মৃতির সড়ক ধরে যত পিছনে যাই মনে পড়ে, বাবার শতভাগ আস্তিক্যের কথা। মনে হয় শৈশবের সেই দূরন্তপনা দিনগুলোতে আমার আল্লাহ প্রার্থনা যেটুকু ছিল তা বাবার শাসনের জন্যই। নিয়মিত নামাজ পড়া, রমজানে রোজা রাখা-স্কুলের গৎবাঁধা নিয়মের মতো এটাও ছিল নিত্যদিনকার রুটিন। শৈশব, কৈশোরের গন্ডি পেরিয়ে যৌবনে পদার্পন করেছি। বাবাও গত হয়েছেন অনেক আগে। এখন ভাবনার খিঞ্চি মগজে দোলা দিয়ে যায়। এখন আর ঈশ্বর, দেব-দেবী, আত্মা, প্রেত, পরকাল ইত্যাদির কিংবা মানুষী কল্পনাজাত নয় এমন কোনো অতিপ্রাকৃতের অস্তিত্বের প্রতি ঠিক যেন আস্থা রাখতে পারিনা। এসবে কেন জানি আমার অনীহা। এবং যদিও বহু শুভাকাঙ্খীর মুখে বারবার শুনেছি-বিপদে পড়লে আল্লাহকে গভীরভাবে স্মরণ করলে বিপদ কেটে যায় (নাকি নিজ চেষ্টায় বিপদ থেকে উদ্ধার হয়)। বিপদে পড়ে সালাতুল তাসবীহ নামাজ টানা দু্ই মাস পড়েছিও (এই নামাজ নাকি মৃত্যুর আগে একবার হলেও পড়তে হয় এবং নামাজটি পড়তে এক-একবার দেড় থেকে দুই ঘন্টা সময় লাগে)। এত কিছু করার পরও অদ্যাবধি আমার লোকায়ত প্রতিন্যাসে শৈথিল্য ঘটেনি। আমি যেমন ছিলাম তেমনই রয়ে গেছি। অথচ আমার পরিশ্রম কিংবা চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখছিনা। তাই এখন আর আজ্ঞাবাদের বিদগ্ধ প্রলোভন আমাকে বিন্দুমাত্রও আকৃষ্ট করেনা।

অথচ যে পরিবারে আমি জন্মেছি এবং যে পরিবেশে আমার শৈশব এবং কৈশোর কেটেছে সেখানে ধর্ম বিশ্বাসে অভ্যস্থ হওয়া আমার জন্য খুব স্বাভাবিক ছিল। মা হচ্ছেন পুরো ধার্মিকমনা। ইহকাল এবং পরকালের দাবির মধ্যে সুস্থিতি রচনায় তার আছে সহজ নৈপুণ্য। সংসারকে বশ করেছেন তিনি গৃহস্থালি কাজ এবং সেবার সূত্র: আর আজানের ধ্বণি শোনার সঙ্গে সঙ্গে ওযু করে জায়নামাজে বসে আল্লাহর প্রার্থনায় মগ্ন হওয়ার মধ্যেই জাগতিক সুখ খুঁজে বেড়ানো তার রোজনামচা। আমরা ছয় ভাই-বোন আর আত্মীয় অভ্যাগতদের বিচিত্র দাবি-দাওয়া মিটিয়ে যেটুকু বাড়তি সময় তার মিলত তা ছিল নামাজ, রোজা এবং অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ঠাসা। তবে মা কখনোই আমাদের বাধ্য করেনি এসবের দিকে। শুধু বলতো-''বাবারে নামাজ কলমা পড়, দেখবি একদিন শান্তি মিলবে।'' অপরদিকে বাবা ছিলো কঠোর ধার্মিক। পড়াশোনার ফাঁকে নিয়মিত নামাজ পড়ছি কিনা সেটার খোঁজ নিতে কখনোই ভুলতেন না তিনি।

শৈশবে ধর্ম বিশ্বাসের ভিন্ন রূপগুলি সম্পর্কে তেমন জ্ঞাতও ছিলামনা। যদিও গ্রামের অর্ধেকটাই ছিল হিন্দুদের রাজত্ব তথাপিও দাদী কিংবা মায়ের মুখে আল্লাহ এবং তার নবী, রাসুলদের গুণগান, ধর্মী ঐতিহাসিক ঘটনাবলী-এসব কল্পকাহিনী শুনতে খুবই মজা পেতাম। মূলত তখন থেকেই মনে বেঁধে ছিল ধর্ম চর্চা। শৈশবে আমার আস্তিক্যের পেছনে আরো একটি কারণ আছে। বাবা হচ্ছেন মুন্সী বংশের সন্তান। ধর্ম বিশ্বাস তার মনে বেশি থাকাটাই স্বাভাবিক। বাবার মুখে শুনেছি সুগম্ভীর কণ্ঠে কোরান পাঠ। খোলা বারান্দায় প্রত্যুষের অপসৃয়মান অন্ধকার: বাবার ভাষ্কর লোভন দেহের আর্জবে প্রথম আলোর রেকাঙ্কন: তার বিশুদ্ধ উচ্চারণে কোরানের উদাত্ত তরঙ্গ ধ্বনী। অর্থ না বুঝেও অনুভব করতাম এমন এক উপস্থিতির যা মধূময় এবং অসংকুচিত, প্রোজ্জ্বল, সয়ম্ভর এবং নির্ভীক।

গ্রামীন পরিবেশে বড় হয়েছি। এবং বড় হবার সাথে সাথেই ধর্মের ব্যাপারে আমার মন অনুসদ্ধিৎসু হয়ে উঠে। কারণ পরিবেশের মধ্যে দেখতাম ধর্মের দুই সমান্তরাল ধারা। ভোরে ঘুম থেকে জেগে নামাজ পড়ে কোরান শিখতে মক্তবে না গেলে বাবার হাতে মার খেতে হতো। পিঠের চামড়াকে সুস্থিতি রাখতে কাক ডাকা ভোরে ছুটতাম মক্তবের উদ্দেশ্যে। মক্তব থেকে ফিরে ফের স্কুলে ছুটে চলা। স্কুল থেকে ফিরে কিছুটা বিশ্রাম। খেলাধুলার দিকে ঝোঁক ছিল খুব। পাশের বাড়ি ছিল হিন্দুদের। বন্ধু-বান্ধবও ছিল বেশ কয়েকজন। পুজা-পার্বণে নিমন্ত্রনও পেতাম তাদের কাছ থেকে। বাবার চোখ ফাঁকি দিয়ে তাদের সঙ্গেই চলে যেতাম পুজো দেখতে। বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন সার্বজনীন পূজা-পার্বণের প্রাচুর্য। হিন্দু পড়শীদের মধ্যে অনেকেই আবার ছিলেন মাদুলী-তাবিজের চলন্ত বিজ্ঞাপন। পূজো মন্ডপের সামনে দাঁড়িয়ে পুরোহিতের মুখে শুনেছি শনি, সত্য নারায়ণ এবং লক্ষীর পেঁচালী, গ্রহস্বস্তয়নের মন্ত্র। আমি কেবলই মুগ্ধ হতাম। হিন্দুদের উলু ধ্বণীর মধ্যে শক্তির পরিচয় কতখানি ছিল জানি নি: কিন্তু তাতে যূথচারিতা এবং সংবদনের প্রকাশ ছিল সুস্পষ্ট এটা বুঝতে পারার মত জ্ঞান তখন হয়েছিল। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা আমাদের গ্রামে কখনো হয়নি। বয়স্কদের মুখে শুনেছি গ্রামে ছিল হিন্দু-মুসলমানের বন্ধু ভাবাপন্ন মনের কথা।

অপরপক্ষে পারিবেশিক অন্য ধারাটির সঙ্গে আমার পরিচয় ঘটে নিতান্ত অল্প বয়সে। এটির প্রধান সূত্র ছিল সঙ্গীত। বড় আপু রবীন্দ্র সঙ্গীত শুনতে ভালোবাসতো। আপুর পাশে বসে আমিও ছিলাম তার বিমুগ্ধ শ্রোতা। রবীন্দ্রনাথের গানে পূজা, প্রেম এবং প্রকৃতিকে আলাদা করা যায় বটে, কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এরা পরস্পরে অনুস্যূত। তার গল্প, উপন্যাস, নাটক এমনকি কবিতার সঙ্গে তুলনা করলেই বোঝা যায় রব্যন্দ্রসঙ্গীতে ধর্ম চেতনার অভিস্রবন প্রায় অনবচ্ছিন্ন।ঔপনষদিক ব্রহ্ম থেকে পৌরাণিক শিব, বৈষ্ণবের রাধা কৃষ্ণ থেকে বাউলের মনের মানুষ তার বিভিন্ন গানে পরিস্রুত, কখনো কেলাসিত, কখনো পরস্পরে অভিসারী, কখনোবা পর্যাবৃত। পিতা, প্রভু, সখা, প্রেমিক, কবি, নর্তক, রহস্যময়ী-নানারূপে তার দেবতা তার কল্পনায় প্রত্যক্ষ হয়ে উঠেছিল এবং সুরের পরিণাহে সেইসব রূপ নাস্তিক্যের চেতনাতেও অর্ন্তলিখিত হয়েছে। অর্থাৎ ধর্মের শোভন এবং সহিঞ্চু রূপ রবীন্দ্র রচনায় ফুটে উঠে। অন্যদিকে নজরুল ছিলেন সাম্যবাদী। তার কবিতা ও গানে সাম্যের উদাত্ত আহবান ছিল। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এক সঙ্গে কাজ করার আহবান ছিল। তথাপিও তার রচনায় একটা বিষয় সু-ষ্পষ্ট: সেটা হচ্ছে ধর্ম। ধর্মী গাম্ভীর্যতাকে তিনি কখনো আলাদা করতে পারেননি। হয়তো তিনি আস্তিক ছিলেন বলেই সেটা করার চেষ্টাও করেননি।

ধর্মের প্রতি অনুরাগ দেখিয়ে যৌবনে একটি না একটি ধর্মী বিকল্প অবলম্বন করা আমার জন্য কঠিন নয়। এমনকি-আর দশ জন মুসলমানের মত আমিও বিকল্পবোধকে অগ্রাহ্য করে বিভিন্ন বিশ্বাসের মধ্যে অপাটবমুক্ত বিহারের কৌশল অর্জন করতে পারি। নিজের নির্জ্ঞান নিজে বিশ্লেষন করতে পারি এমন সামর্থ আমার নেই। সুতরাং আমির আস্তিক্যের পেছনে যদি কোনো গূঢ়রহস্য থেকে থাকে তার নির্দেশ আমি দিতে পারবোনা। তবে যতটুকু বুঝতে পারি আমার মধ্যে জিজ্ঞাসাবোধ অত্যন্ত প্রবল এবং ধর্ম বিশ্বাসের প্রতি আমার জিজ্ঞাসার প্রধান কারন সম্ভবত আমার মধ্যে এই বিপ্রতীপ প্রশ্নশীলতার উপস্থিতি। ধর্ম বিশ্বাসে সব প্রশ্নেরই উত্তর মেলে, কিন্তু মাঝে মাঝে আমার মনে হয় সেসব উত্তরের মাঝে না আছে সু-সংগতি, না যায় তাদের মেলানো দৈনন্দিন প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার সঙ্গে। ধর্মীয় উত্তর প্রশ্নোর্ধতা দাবী করে এবং এই দাবীকে মেনে নেয়া আমার কাছে সংগত মনে হয়না।

অবশ্য ধর্মের কোনো সামান্যাভিধান পাওয়া শক্ত এটা আমার নজরে আসে এবং একদিকে এটা নিয়ে ইতিহাস ঘাটা এবং অন্যদিকে পারিপার্শ্বিক আলোচনা থেকে এ তথ্য আরো বেশি স্পষ্ট হয়েছে যে, সমাজ সভ্যতার মতো ধর্মীয় রূপও বিচিত্র। প্রতিটি ধর্মের শাখা প্রশাখাও বহু এবং বিভিন্ন ধর্মী সম্প্রদায়ের মধ্যে মিলের চেয়ে অমিলই বেশি প্রত্যক্ষ। এই বৈচিত্র লক্ষ্য করার পর সম্ভবত বলা চলে যে, অধিকাংশ নারী-পুরুষ যাকে ধর্ম বলে আখ্যা দিয়ে থাকেন তার কয়েকটি সাধারণ লক্ষন আছে। মুলত লক্ষনগুলো স্পষ্ট করা আমার উদ্দেশ্য নয়। তবে কি কারনে মানুষ নাস্তিক হয় তার কিছুটা উল্লেখ করা যুক্তিযুক্ত মনে হয় আমার কাছে। নাস্তিকেরা কি কারনে ধর্ম বিরোধী তার পরবর্তী লেখাগুলোতো তুলে ধরার চেষ্টা করবো। পাশাপাশি এটা আমার জিজ্ঞাসাবোধের আকাঙ্খাও বটে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28830147 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28830147 2008-08-12 17:14:42
আ.রে.খা. আয়নার সামনে দাঁড়ায়, আয়নায় কুত্তার ছবি ভেসে উঠে
আ.রে.খা-র দুঃখের অন্ত নেই। চার পায়ে (২ হাত + ২ পা) ভর দিয়ে সে দোকানে যায়। বড় একখান আয়না নিয়ে আসে বাড়িতে। খুব যত্ন করে আয়নাখান দাঁড় করায় বাড়ির ড্রইংরুমে। আয়নার সামনে দাঁড়ায়। দেখে একখান কুত্তার ছবি। আ.রে.খা. সরে যায়। আয়নার কুত্তাটাও সরে যায়। আ.রে.খা. পেছনে তাকিয়ে দেখে কেউ নাই। আবার আয়নায় তাকায়। আবারো কুত্তার ছবি ভেসে উঠে আয়নায়। ঘেউ ঘেউ করে চিৎকার দিয়ে মাকে ডাকে আ.রে.খা.-''মাগো দেইখ্যা যাও, আমারে কুত্তার লাহান লাগে।'' মা ছুটে আসে। আ.রে.খা.-রে বুকে টেনে নিয়ে বলে-''বাপরে, তুই আমারে ক্ষমা কইরা দে। এক রাইতে ভুল কইরা তোর বাপ মনে কইরা কুত্তার লগে জেনা করছিলাম''। আর শুনতে চায়না আ.রে.খা। মা'র বুক থেকে বের হয়ে ঘেউ ঘেউ করে দৌড়ে চলে বাপের খোঁজে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28829387 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28829387 2008-08-10 17:04:02
আল্লাহ কিংবা দূর্গা নয়, একজন আছেন যিনি সুপার পাওয়ারের অধিকারী আল্লাহ এবং দুর্গার মধ্যে ক্ষমতাগত পার্থক্য কি? এই শিরোনামে Click This Link তাকে অনেকেই সাপোর্ট করেছেন আবার অনেকে করেন নি। মাইনাসের পরিমাণ দেখে অবস্থা কল্পনা করা যায় শুধু। আল্লাহ কিংবা দূর্গা বলে কিছু আছে কি নাই এই নিয়ে তর্কে যাবোনা। শুধু একটি গল্প বলবো। গল্পও নয় সত্যি ঘটনা।

কিছুদিন আগে মতিঝিল একটি দোকানের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছি। সামনেই ছিল ছোট একটি গর্ত যেখানে ময়লা পানি জমে আছে। একটি কুকুর এসে নির্বিঘ্নে সেই ময়লা পানি চুক চুক করে পান করলো। এবং কুকুরটি এই জায়গাটিতেই থাকে। তাৎক্ষনিকভাবে দেখলাম কুকুরটি খুব ভালো আছে। এবং পরেরদিনও অবজার্ভেশন করলাম কুকুরটিকে। এবং তাও দেখলাম সে দিব্যি ভালো আছে। মনে একটি প্রশ্ন জাগলো এই ময়লা নর্দমার পানিটুকু কি কোনো মানুষ পান করতে পারবে? উত্তরটা নিজের কাছ থেকেই পেলাম, পারবেনা। কারন ওই পানি দেখলেই বমি আসে। খেলে পেটের পীড়ার কথা বাদই দিলাম। কিন্তু কুকুরটি দিব্যি সুস্থ আছে সেই পানি পান করে।

এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যে পানি পান করলে মানুষের অবস্থা হবে মৃত্যুর সমান সেখানে কুকুরের কিছুই হলোনা। কেন? মানুষকে কে সৃষ্টি করেছে আর কুকুরকে কে সৃষ্টি করেছে? একই পানি পান করলে দুটি প্রানীর অবস্থা দুই রকম হবে কেন? কার ইশারায় এটা হচ্ছে? এখানে আল্লাহ কিংবা দূর্গার কথা বলছিনা। বলছি একজন সুপার পাওয়ারের কথা। একটা সুপার পাওয়ার অবশ্যই আছে যে এই দুটি প্রানীকে কন্ট্রোল করছেন এবং একই পানি পান করলে দুটি প্রানীর অবস্থা দুই রকম হবে তা সে আগেই থেকেই জানে এবং দুটি প্রানীকে অনুকুল এবং প্রতিকুল পরিবেশে কিভাবে বেঁচে থাকতে হবে তাই শিখিয়ে দিয়েছেন।

আল্লাহ কিংবা দূর্গা নিয়ে বিতর্ক নয়, তর্ক হতে পারে আস্তিকতা এবং নাস্তিকতা নিয়ে। প্রথমেই প্রমান করতে হবে, আসলে সুপার পাওয়ার বলেতে কি কিছু আছে? আমার বিশ্বাস আছে। সেটা আল্লাহ কিংবা ভগবান কিংবা ঈশ্বর যেই হোক। যিনি বিশ্ব ভ্রহ্মান্ড কন্ট্রোল করছেন। তার আনুগত্য প্রকাশ করাটাই হচ্ছে আলোচ্য বিষয়। আল্লাহ কিংবা দূর্গা নয়। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28829122 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28829122 2008-08-09 19:05:40
আঙ্গুল ফুলে বটগাছ!!
বটগাছ হওয়ার গল্পে পরে আসছি। আরে, গল্প বলছি কেন? এটাতো সত্যি ঘটনা। আস্ত একটা বটগাছ! দুর ছাই। বটগাছতো হয়েই আছি। সেটা না হয় পরে বলা যাবে। তার আগে ঘুমের গল্পটাই বলি।

ঘুমের ব্যাপারে আমি আবার একটু বেশি পরহিতকর। আশে পাশের পাড়া-প্রতিবেশিরা সবাই ঠিকমতো ঘুমিয়েছি কিনা তা দেখেই তবে শেষ রাতে আমার ঘুমাতে যাওয়া। কি আর করবো? নিত্যদিনকার অভ্যাস। আফটার অল, পাড়া-প্রতিবেশিদের প্রতি একটা দায়িত্ব আছেনা? ভোরে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছি। নাক ডাকার ব্যাপারে আমি বিশ্বাস করিনা। করবো কিভাবে? আমি কি শুনতে পাই নাকি! তবে রুমমেটরা মাঝে সাজে বলে এই যা। সে যাই হোক। ঘুমের ঘোরে স্বপ্নে দেখি সেল ফোনে হবু বউয়ের সাথে প্রেমালাপ করছি। বাহ্ দারুন তো! ফোনে কথা বলছি অথচ কোনো টাকা পয়সা খরচ হচ্ছেনা। আহা, স্বপ্নে যদি এমনি সবার খোঁজ খবর নেয়া যেত তাহলে প্রতি মাসে ফোন বিলের খরচটা বজেটে থাকতোনা।

স্বপ্নের ফোনালাপ জমে উঠলো। বউ বলে-''এই শোনো, বিয়ের পর আমরা কোনোদিনই ঝগড়া-বিবাদ করবোনা''। আমিও সুবোধ বালকের মতো বলি-''কক্ষনো না। যেদিন তোমার রাগ বেশি থাকবে সেদিন আমি বাসায়ই আসবোনা''। ওমা, একথা বলতেই বউ আমার গেল রেগে। ''কি আমি বুঝি সবসময় রেগে থাকি?'' হায় খোদা, এবার সামাল দিই কিভাবে? বিয়ের আগেই শুরু হলো! ঠিক তখনি পাশে থাকা সেলফোনটা বেজে উঠলো। ভেঙ্গে গেল ঘুম, ভেঙ্গে গেল স্বপ্ন। ও লক্ষী ফোন, তুমি কি ভালো, আমাকে কতবড় বিপদ থেকে বাঁচালে।

ফোনটা হাতে নিয়েই দেখি ওমা, আমার হবু বউ ফোন করেছে। স্বপ্নে উত্তর দিতে পারিনি এজন্যেই বোধ হয় লাইন কেটে দিয়েছিলাম। এবার বাস্তবে তার উত্তর চায়। ভয়ে ভয়ে রিসিভ করে বললাম-''গুড মর্নিং''। বউ আমার রেগে গিয়ে বলে-''কটা বাজে একটু ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখতো''। তাকালাম। হায় খোদা, দশ মিনিট লেট করে গুড মর্নিং বলেছি। বউ রেগে ঢং হয়ে আছে। বললো-''রাতে ফোন করনি কেন?'' বললাম-''মোবাইলে চার্জ ছিলনা। বাসায় বিদ্যুৎও ছিলনা।'' (আসলে মোবাইলে টাকা ছিলনা। সেটাতো আর বলা যাবেনা। তবুও মাঝে সাজে ফ্লেক্সিলোডের আশায় মুখ ফসকে সত্যি কথাটা বের হয়ে যায়)। বলেই বোকা বনে গেলাম। চার্জ না থাকলে এখন কথা বলছি কিভাবে। ওকে বুঝতে না দিয়ে বোকা ভাবটা কাটাতে বললাম-''একটা গল্প বলি শোনো'' ওপাশ থেকে এবার ঝাঁঝালো কণ্ঠ-''রাখ তোমার গল্প। গল্পের গরুটাকে গাছে বেঁধে পিটাবো আমি''। খুশি হয়ে বললাম-'' বটগাছে? কিন্তু গল্পেতো কোনো গরু নাই''। বউ এবার ব্যঙ্গ সুরে বলে-''আমি তাহলে কার সাথে কথা বলছি?'' হায়রে কপাল, আমি কিনা গরু! আমিও ছাড়ার পাত্র নই। মুখ ফসকে বেরিয়ে গেল-''তুমি তাহলে গরুর বউ। শেষ পর্যন্ত মানুষ না পেয়ে....''। বউয়ের মেজাজ এবার সপ্তমে উঠলো-''তুমি আসলেই আস্ত একটা গবেট (GOBET)''-বলেই দিল লাইনটা কেটে।

আমার একখান কপাল বটে! ঘুম থেকে উঠার আগেই ঝগড়া দিয়ে দিন শুরু। তাও আমি আবার GOBET. কি আর করা। মনকে শান্তনা দিলাম এই বলে, দুর GOBET বললেই কি আর কেউ GOBET হয়ে যায়? ভাবলাম বিয়ের পর বউটি আমার কেমন যন্ত্রনা দেবে? সেলফোনের শব্দে আবার ভাবনার রেশে ছেদ পড়লো। এবার এসএমএস। খুলেই দেখি ফ্লেক্সিলোড-৩০০ টাকা! আরে, সাত সকালে কে আবার দাতা হাতেম তাই হয়ে গেল! ওরে তোরা কে কোথায় আছিস, আমার মাথায় পানি ঢাল! সুরেলা শব্দে আবারো বেজে উঠলো সেলফোন। আবার এসএমএস। এবার বউ পাঠিয়েছে। লিখেছে- R u upset? U R A GOBET. G= Good, O- Obedient, B= Brilliant, E= Enargetic & T= Telented. Keep Smilling. GHADA. শেষে পুনশ্চ দিয়ে লিখেছে ৩০০ টাকা। মেসেজ পড়ে লাফ দিয়ে বিছানা ছাড়লাম। আমি সত্যিইতো GOBET. নিজেকে GOBET ভাবতে বেশ ভালোই লাগছে। সাথে ৩০০ টাকার ফ্লেক্সিলোড! গুন গুন করে, দুর রুমে তো কেউ নাই, গলা ছেড়ে গাইলাম-আমি ধন্য হয়েছি ওগো ধন্য/তোমারি প্রেমেরই জন্য/তোমারই পরশে ওগো সোনা বউ/জীবন হলো যে অনন্য। গাইবোনা কেন, এমন মেধাবী আর লক্ষী বউ কজনের হয়!

ফুরফুরে মেজাজে বটগাছের মগঢালে বসে দিলাম বউকে ফোন। ''লক্ষী, আমি আঙ্গুল ফুলে বটগাছ হয়ে গেছি''। বউ আমার কি কয় জানেন?-''তুমি একটা RAMCHAGOL (রামছাগল)''। পাত্তা দিলাম না। বউ একটু রাগলে কিছুই হয়না। তাছাড়া আমিও কি কম জানি? RAMCHAGOL মানেই তো- Romantic, Active, Magnificent, Creative, Handsome, Attractive, Genius, Outstanding & Lovely. In short-RAMCHAGOL. বাহ্ চমৎকার। আমি রামছাগল বটে। বউ বলেছে। মেনে নিতেই হবে।

আচ্ছা, আঙ্গুল ফুলে কি আসমান ছোঁয়া যায়? আমি বটগাছে বসে আছি। নামতে ইচ্ছে করছেনা। কবে যে আসমান ছুঁবো! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28828702 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28828702 2008-08-08 13:40:37
জাত সাংবাদিক আমারে ব্যান করছে। (সাময়িক পোস্ট)
জাত সাংবাদিক (নাকি জাত বেকুব!) ছটিক মিয়াভাই কথা কইতে গেলে গলা টিপ্পা ধরে! আসলেই জাতের লোক তিনি। ওহে জাত ছটিক মিয়া, আমারে ব্যান কইরা ধন্য করছেন নিজেরে। দুই রাকাত নফল নামাজ পইড়া লন এক্ষুনি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28826291 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28826291 2008-08-01 17:22:57
বেঁচে থাকা অবস্থায় তোমাকে না পেলে কবর থেকে চুরি করবো তোমার লাশ সবকিছুই নিলামে উঠেছিল,
বিক্রি হয়েছিল মিলিয়ন ডলারে!
যদি চাইতো তাহলে
হয়তো লাশও উঠতো নিলামে!

আচ্ছা, তোমার লাশ কি নিলামে উঠবেনা?
যদি উঠে তাহলে আমিই কিনবো সে লাশ।
যদি না উঠে-
তাহলে কবর থেকে চুরি করবো তোমার লাশ।
এনে রেখে দেব
লো-হাইট খাটের মতো কোনো ডীপ ফ্রিজে।

প্রতিরাতে ডিনার সেরে
গায়ে সোয়োটার, ওভারকোট জড়িয়ে
আমিও ঢুকে যাবো সেই ফ্রিজে!
তোমার রক্তিম ঠোঁটের ছোঁয়ায়
আমিও হবো হিম শীতল।
তোমার বুকের সুউচ্চ পাহাড়ে
আমি চালাবো ভালোবাসার স্টিম রোলার।

তোমার নাভীর গুহায়
সাতার কাটতে কাটতে আমি
হয়ে যাবো ক্লান্ত।
তারপর-
তোমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমুবো-ততদিন
যতদিন আমিও না হচ্ছি
তোমারই মতো লাশ।

তোমার মোহনায় রাখতে দিও আমার কফিন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28826254 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28826254 2008-08-01 14:44:52
জননন্দিত ব্লগার কৌশিকের সাক্ষাৎকার কৌশিকের সাক্ষাৎকার

বাংলা ব্লগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লগার কৌশিক আহমেদ। ব্যতিক্রমধর্মী লেখার কারনে এরই মধ্যে ব্লগে তার জনপ্রিয়তা আকাশ ছোঁয়া। ভার্চুয়াল সেলিব্রেটি বললে এতটুকু বাড়িয়ে বলা হবেনা। বিতর্কও আছে তাকে নিয়ে। তবে তা নিতান্তই ব্যক্তিকেন্দ্রিক। ভার্চুয়াল জগতে এমন জনপ্রিয়তা বাংলাদেশের অন্য কোনো লেখকেরও নেই। বাংলা ব্লগের এই জনপ্রিয় ব্লগারকে নিয়ে আমাদের এই আলাপচারিতা। আমরা আজকে জানবো, বিতর্ককে পায়ে দলে কিভাবে তিনি তার এই জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন? পাঠকদের যে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্যও আমি কৌশিক আহমেদকে অনুরোধ করছি।

১) ব্লগ জীবনের শুরুর দিকের গল্প বলুন।
২) শুরুতে দেখা যেত আপনি ব্যতিক্রমধর্মী কবিতা লিখতেন। এখন সেরকম কিছু দেখা যাচ্ছেনা কেন?
৩) আপনার কাছে ব্লগের সংজ্ঞা কি?
৪) অনেকে আপনার বিরুদ্ধে অশ্লীল লেখার অভিযোগ করে থাকেন। ব্যাখ্যা করবেন প্লিজ?
৫) আপনার সাম্প্রতিক কিছু আবিস্কার সবাইকে হতবাক করে দিয়েছে। বিস্তারিত জানাবেন?
৬) নোবেল পুরস্কারের জন্য আপনাকে মনোনয়ন দেয়া হলে আপনার অনুভূতি কেমন হবে?
৭) দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী আপনি। কি করতে ইচ্ছে হচ্ছে?
৮) সম্প্রতি আপনি আবিস্কার করেছেন যে পাদ দিয়ে গাড়ি চালানো সম্ভব। কি পরিমান পাদ স্টক করা হলে আগামী ৫০ বছর বাংলাদেশে গাড়ীর জন্য কোনো জ্বালানীর প্রয়োজন হবেনা?
৯) আপনার কলিগের অবস্থা এখন কেমন?
১০) আবাল আর ছাগু এই দুটি সম্প্রদায় আপনার আবিস্কার। এদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য কি?


পুনশ্চ: কৌশিকদার আপত্তির কারনে একটি লাইন সংশোধিত আকারে পড়বেন আপনারা। ‌বাংলা ব্লগের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লগার' এই লাইনটির পরিবর্তে ‌সৌরজগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্লগার' পড়তে হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28823319 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28823319 2008-07-23 13:23:10
নাটকের জন্য অ্যানিমেটর প্রয়োজন (রিপোস্ট) http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28823042 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28823042 2008-07-22 17:53:21 আবালত্ব দেখিয়া আমি হাসিতেছি।
খেক খেক খেক। আমি হাসিতেই আছি। এরপর আরো নতুন আবালরা যুক্ত হইবে। কে জানিবে, ছাগু সম্প্রদায়ও কি হাত গুটাইয়া বসিয়া থাকিবে?

ওহে তোমরা দেখে যাও, আবালদের কুতকুতানি আর ছাগুদের ব্যা ব্যা।

চিকনারে কই, একবার আয়না-খেক খেক খেক। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28822591 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28822591 2008-07-21 14:20:08
কর্পোরেট লেবাস রক্ত চক্ষু আর পিষে যাওয়ার ভয়াল নিশ্বাসে,
9টা-6টা কিংবা তারও অনেক বেশি
ডুবে থাকি প্রতিদিন কর্পোরেট লেবাসে।

হিসেব কষে চলতে হয় সব সময়
সুযোগ বুঝে চালাতে হয় নিয়তির তুলি;
ছোট্ট বাক্সে বন্দি আমাদের এই ছোট্ট পৃথিবী
বইয়ের মাঝে মুখটা গুঁজে শিখি মিছে বুলি।

ঘুরে ফিরে বারবার ফিরে আসি একই পথে
যতই ঘুরি তবুও পড়ে থাকি নীচে;
ঘূর্ণিচক্রে টালমাটাল জীবনের ভাঁজে
হাল আমাদের ধরবে কে আর পিছে।

হাঁটু গেড়ে মাথা নীচু করে বসে থাকি
কর্পোরেট ভাবনায়; ভূল স্বপ্নেরই আশায়,
চোখ বুঝে এগিয়ে যাই সবার মতো করে
চোরাবালির মাঝে; মন তবুও আমাকে ভাসায়।

টেলিভিশন-শত চ্যানেল এইতো অবসর
সস্তা রিক্যাপ আমাদের স্মৃতি জুড়ে থাকে;
একইভাবে, একই ছাঁচে নিজেদের গড়ি
পেছনে তাকাই পরম অবহেলায়, ক্লান্ত রাতের ফাঁকে।

আমার সুখের চাহিদার নেইকো শেষ
অবসন্ন, ক্লান্ত চোখ জুড়ে ঘুম; হিমেল বাতাসে
ঘুমের ঘোরে আবারো স্বপ্ন দেখা, ঘুম ভেঙ্গে
ফের দ্রুত ছুটে চলা কর্পোরেট অফিসে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28821327 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28821327 2008-07-17 16:15:58
প্রসঙ্গ সচলায়তন: সবার প্রতি অনুরোধ
সামহয়্যার ইনকে অনুরোধ, বাজে মন্তব্য মুছে দিতে পারেন কিন্তু শালীন মত প্রকাশের স্বাধীণতাকে গলা টিপে হত্যা করতে পারেন না।

আসুন না আমরা আবারো একটু সহনশীণ হই। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28820961 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28820961 2008-07-16 17:26:55
শাশ্বত চিকিৎসা সহায়তায় এ পর্যন্ত জমা হয়েছে ১২ লাখ টাকা (প্রায়)
গতকাল আমরা ৬ জন ব্লগার (কালপুরুষ, ক্যামেরাম্যান, নেমেসিস, মেজবাহ য়াজাদ, প্রত্যুতপন্নমতিত্ব এবং আমি) শাশ্বত'র বাড়িতে গিয়েছিলাম তাকে দেখতে এবং তার জন্য সামহ্য়্যারইনের ব্লগার বন্ধুরা, আমার ব্লগ এবং দেশ বিদেশের বন্ধুদের থেকে প্রাপ্ত ৫ লাখ টাকা তার হাতে তুলে দেবার জন্য।

ব্লগার বন্ধুদের সংগ্রহ এবং আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তি অনুসারে শাশ্বত'র জন্য এ পর্যন্ত সংগ্রহ (ব্লগার বন্ধু ৫ লাখ + রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সংগ্রহ ৭ লাখ) মোট ১২ লাখ টাকা। এটা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য সুখবর। আমরা আশা করছি এ টাকার পরিমান ভবিষ্যতে আরো বেড়ে যাবে বন্ধুদের মহাত্মতায়।

তবে দৈনিক আমার দেশ-এ প্রকাশিত সংবাদটি নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি রয়েছে। সংবাদটি প্রকাশিত হবার দুদিন পরে লেখার কারন, শাশ্বত'র চিকিৎসার জন্য সাহায্য চেয়ে সামহয়্যারইনের ব্লগার বন্ধুরা ঢাকা, চট্টগ্রাম তথা সারাদেশ থেকে ফান্ড কালেকশন করেছেন এবং আমার ব্লগের বন্ধুরা বিদেশ থেকে যে পরিমান ফান্ড কালেকশন করেছেন তার সাথে সমপরিমান অর্থ তারা অনুদান হিসাবে দিয়েছেন। শাশ্বত'র চিকিৎসা সহায়তায় দেশ-বিদেশের সকল ব্লগার বন্ধু এবং দানবীরদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অবদানের কথা আমরা কৃতজ্ঞচিত্তে স্বরণ করি। তাদেরকে বিনম্র অভিবাদন।

প্রকাশিত সংবাদটি আমার কাছে কিঠুটা হলেও বিভ্রান্তিমুলক মনে হয়েছে। মনে হয়েছে শাশ্বত'র চিকিৎসা কারো ব্যক্তি প্রচারণার একটা অভিনব কৌশলমাত্র। নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করলেই তা স্পষ্ট হবে।
১) দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার সাঁটার কাজ চলছে।
২) ঘরের এক কোনে ব্যানার লেখা হচ্ছে
৩) কম্পিউটারের সামনে বসে গান লেখা হচ্ছে
৪) শাশ্বত চিকিৎসা সহায়তা কমিটির গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুনের বাসায় এ দৃশ্য।

আমার প্রশ্ন: এতদিন তাহলে কি করা হয়েছিল শাশ্বত'র চিকিৎসার ব্যাপারে? মামুন সাহেব তো অনেক আগেই জানতেন এই কথা, তাহলে কেন এত বিলম্ব? খবরে ছাপা হয়েছে ''দেয়ালে দেয়ালে পোষ্টার সাঁটার কাজ চলছে''। অথচ গতকাল আমরা অর্থাৎ নেমেসিস, কালপুরুষ, প্রত্যুতপন্নমতিত্ব এবং আমি রাজশাহী শহর ও বিশ্ববিদ্যালয় হাতড়ে বেড়িয়ে হাতে গোনা মাত্র ৫টি পোষ্টার খুঁজে পেয়েছি। কেন এই মিথ্যা প্রচারনা? নাকি শাশ্বত ইস্যুটা নিজের প্রচারণার জন্য গায়ে তুলে নিয়েছেন তিনি? এটাও কি রাজনীতি? নিজেকে তুলে ধরাই কি মামুন সাহেবের মুল লক্ষ্য?

তবে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে রাবি যদি ৭ লাখ টাকা কালেকশন করে তাহলে আমাদের ৫ লাখ টাকাসহ মোট ১২ লাখ টাকা কালেকশন হয়েছে যা পূর্বেই বলা হয়েছে। মামুন সাহেবের বক্তব্য অনুসারে ২৫ লাখ টাকার মধ্যে আর লাগবে ১৩ লাখ টাকা। যদিও শাশ্বত'র বাবা বলেছেন চিকিৎসার জন্য লাগবে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। খবরে প্রকাশ-প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মিটিং হচ্ছে মামুন সাহেবের বাসয়। তাহলে আমরাও আশাবাদি যদি ৭ লাখ টাকা তুলতে পারে তাহলে ১৩ লাখ টাকাও সংগ্রহ করতে পারবেন মামুন সাহেবরা।

একটি পরমার্শ: (রাবি ছাত্রদের কাছ থেকে প্রাপ্ত) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী আছে। তাদের কাছ থেকে যদি ১০ টাকা করেও চাঁদা তোলা যায় তাহলে শাশ্বত'র চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা জমা হবে ফান্ডে। বিষয়টি মামুন সাহেব কি একবার ভেবে দেখবেন? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28819554 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28819554 2008-07-12 18:48:37
প্রসঙ্গ শাশ্বত: আ. আল-মামুন সাহেবের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত এবং আমাদের নতুন করনীয় (প্রস্তাব) Click This Link

আ. আল-মামুন সাহেব বলেছেন শাশ্বত'র চিকিৎসার জন্য বর্তমানে প্রায় ২৫ লাখ টাকা দরকার যেখানে আগে দরকার ছিল ১৬ লাখ টাকা প্রায়। তাছাড়া তিনি আরো উল্লেখ করেছেন ২৫ লাখ টাকা দিয়ে চিকিৎসা করে এসেও প্রতিমাসে আরো কয়েক হাজার টাকা ওষুধ দরকার হবে আজীবন। তাহলে দাঁড়ালো এই-শাশ্বত'র চিকিৎসা বাবদ দরকার হবে আনলিমিটেড টাকা। যা কোনোদিনই কেউ সংগ্রহ করতে পারবেনা। তাহলে আমাদের মানে ব্লগারদের চেষ্টায় আমার ব্লগসহ প্রবাসী বন্ধু এবং ঢাকার বন্ধুরা যে টাকা সংগ্রহ করেছে তার শাশ্বত'র চিকিৎসার জন্য কিছুই না।

আ. আল-মামুন সাহেব আরো উল্লেখ করেছেন-শাশ্বত চিকিৎসা মুলতুবি রেখে দেশে ফিরে আসছে। তার মানে এভাবে আর তার চিকিৎসা হবেনা। তাহলে আমরা যে টাকা সংগ্রহ করে দিচ্ছি তা কি শুধু দেশের হাতুড়ি চিকিৎসাতে ব্যয় হবে, যেখানে শাশ্বত'র বাঁচার নিশ্চয়তা ০%-ও নেই!

সাহায্যের বেশির ভাগ টাকা সংগ্রহ করে দিয়েছেন ঢাকার ব্লগার বন্ধুরা। রাজশাহী ভার্সিটি কিংবা মামুন সাহেবরা কত টাকা কালেক্ট করেছেন তার কোনো নির্দিষ্ট হিসাব দেননি। তথাপি মামুন সাহেব ঢাকার টাকাগুলো কিভাবে হস্তান্তর করা যায় তার চেষ্টায় লিপ্ত আছেন। তিনি বলেছেন রাশাহীতে প্রেস কনফারেন্স ডেকে টাকাগুলো সাংবাদিকদের সামনে শাশ্বত'র বাবা-মার হাতে তুলে দেয়া হবে। তিনি এই সিদ্ধান্ত কিভাবে দেন? টাকা তুলেছে ঢাকার বন্ধুরা। অফিস ফাঁকি দিয়ে কিংবা নিজের প্রিয়জনকে ফাঁকি দিয়ে কষ্ট করে টাকা সংগ্রহ করেছে। আবার নিজের ঘাটের পয়সা খরচ করে রাজশাহীতে গিয়ে স্থানীয় প্রতিনিধি সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে টাকা তুলে দিতে ব্লগার বন্ধুদের রাজশাহী যাবার আমন্ত্রন জানান তিনি কোন আক্কেলে? আমার প্রশ্ন হচ্ছে তিনি কি ঢাকার কোনো ব্লগারের সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন? নাকি নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছেন?

আমার একটি প্রস্তাব হচ্ছে-প্রেস কনফারেন্স ঢাকায় হবে। এবং সেটা হবে প্রেস ক্লাবে। যেহেতু শাশ্বত'র জন্যই সাহায্য সংগ্রহ করা হয়েছে তাই এগুলো সেই প্রাপ্য। ব্লগার বন্ধুরা আলোচনা করে শাশ্বত'র বাবা-মাকে ঢাকায় এনে ঢাকার সাংবাদিকদের সামনে তাদের হাতে টাকা তুলে দিতে প্রস্তাব রাখছি। সেখানে আ. আল-মামুনকে আমন্ত্রন করা যেতে পারে। মামুন সাহেব একবার এসে দেখে যাকনা কতটা কষ্ট করতে হয়েছে টাকা আদায় করতে। তাছাড়া ঢাকায় প্রেস করফারেন্স করলে মিডিয়ায় এর আউটপুটও বেশি বেশি পাওয়া যাবে।

টাকা দেওয়ার আগে আলোচনার জন্য ব্লগারদের একটি মিটিং জরুরি হয়ে পড়েছে। কেউ কি এতে সাড়া দিবেন? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28816685 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28816685 2008-07-04 12:23:11
ভেজা ঠোঁট ওঠে ভিজিয়া আমৃত্যু ফেরা হবেনা আর।
আজ হতে কাল মৃত্যুর লোবান পুড়ে পুড়ে
বাতাস থেকেও লীন হবে আশিকি শরীর।

ভার্সিটির, রোস্তোরার প্রশ্বাস গুলোও আর
খুঁজবেনা কোনো জনলোক কিংবা ভ্রহ্মচারী;
শুধু এলাজ বিশ্বাসে ছেড়া পংক্তিতে বলি-
তুমি একজন নিঃশ্বাসে বেলুন ভরে নেবে
হাওয়ার নটরাজ লোবানের গন্ধ আকুলিয়া।

দেখে নিও, আমার চলে যাওয়া হলে
আয়নার আঁকশিতে টানবেনা কুয়াশার দু'টি মুখ
ঘর দরোজার পর্দা টেলে আর
লাজ জমিনের পর্দা পিরহান।

তবুও যাবো-ডিঙ্গান হলে
তোমার জন্যেই যাবো
ভার্সিটি, রেস্তোরা-সমুদ্রের জলে
শুধু পাথর সেঁচা বুকের কালো জলে
তুমি ছাড়া কার ঠোঁটে ভিজে ওঠে স্মৃতিদাগ মায়া।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28816134 http://www.somewhereinblog.net/blog/pittyboy13blog/28816134 2008-07-02 18:14:26