আমার প্রিয় পোস্ট
- বিনামূল্যে ফটোশপ শিখুন(ইহা কোন বিজ্ঞাপনধর্মী পোস্ট নয়)..........

- কূপমন্ডুক
- মুজিব মার্ডারের CIA ডকুমেন্ট নিয়ে প্রথম আলো মিজানের ফাপরবাজী , আওয়ামী বেকুবদের অট্টহাসি এবং যে লজ্জাজনক তথ্যটি প্রথম আলো ছাপালোনা , জানালোনা , ধামাচাপা দিলো - দাসত্ব
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : যার নিরেট দেশপ্রেমের স্বাক্ষী দেয় সিআইএ'র সিক্রেট টেলিগ্রাম ০৩২৫/০৯৫০Z.....এবং অনেক অজানা কথকতা....... - দাসত্ব
- ইন্কলিং অফ অ্যান আইসকোল্ড কন্সপীরেসী : প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানের লাটভাই কে ? - দাসত্ব
- মাননীয় বিরোধীদলীয় নেত্রী দেশের স্বার্থ রক্ষার্থে এইতো চাই। খালেদা জিয়া বলেছেন - বিনা শুল্কে ভারতের কোনো গাড়ি বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে, আমার বুকের ওপর দিয়ে চলতে দেয়া হবে না। - ইউনুস খান
- বাংলাদেশ জিন্দাবাদ শ্লোগান ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ উচ্চারিত হয়েছিলো , রেসকোর্সের ময়দানে , এদেশেরই মানুষের বিজয়তপ্ত আওয়াজে....... - দাসত্ব
- প্রথম আলোর দুই সেয়ানা কথন : মতি - মিজান মানিক জোড় : মীর কাসেম আলী অন স্পট এবং .... - দাসত্ব
- চেম্বার মানেই সরকারপক্ষে স্টে- কি লেখা ছিল রিপোর্টটিতে - গালিব উল্লাহ হাজারী
- কমেডি মুভি প্রেমিকরা এইমুভিগুলো দেখেছেন তো? - বিডি আইডল
- ডিজিটাল বাংলাদেশ না ডিজিটাল কুত্তা মুক্ত বাংলাদেশ চাই সংগ্রহে রাখার মত দলিল - ডিজিটাল ব্লগীয়ষণা
- রহস্য-রোমান্চ মুভি প্রেমিকরা এইমুভিগুলো দেখেছেন তো? - বিডি আইডল
- হরর মুভি প্রেমিকরা এইমুভিগুলো দেখেছেন তো? - বিডি আইডল
- ফেল্লাচি বলেছিলো শেখ মুজিব ভুয়া এবং মেকী - স্পাইডার
- হুমায়ুন আহমেদের ১৪৮ টি বইয়ের বিশাল সমগ্র [রিপোস্ট] লিংকসহ ঠিক করে দিলাম - বখতিয়ার হোসেন
- সেনা অভ্যুত্থান ২০০৭ অনেক না জানা ঘটনা প্রবাহের চাক্ষুস বর্ণনা-২ - বাকরুদ্ব
- DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬ - দাসত্ব
- সচেতনতা মূলক পোষ্টঃ আপনি ব্যান্ডউইথ রপ্তানী কারক দেশ, ইনটারনেট বাংলাদেশে উতলাইয়া পরতাছে !!! - আমি মদন
- !!!!==জামাত কখনই একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ দল না।বরং নিজেদের প্রয়োজনে বারবার আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি তাদেরকে ব্যাবহার করেছে মাত্র==!!!! - হয়রান ভাই
- মুক্ত জিআইএস (G.I.S) এর জগতে স্বাগতম : মুক্ত GIS সফটওয়্যার Q.GIS ( ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্টদের জন্য ) - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- এদের মানুষ, ছাত্রলীগ নাকি কুকুর, কোনটা বলব?? - হাবিবকুল
- জয় বাংলা, জয় বাকশাল...স্বাগতম রক্ষীবাহিনী..... - শ্রীমান
- অফেন্ডিং শেখ মুজিবের কৈফিয়ত : যে কারনে পোস্টটি করা হলো - দাসত্ব
- আমার দেশে যুদ্ধ বেশে - মাহফুজার রহমান
- চট্টগ্রাম সেনা বিদ্রোহের ২৯ বছর পর ফিরে দেখা-পর্ব-২। - ত্রিশোনকু
- অফেন্ডিং শেখ মুজিব-১ : ২৫ মার্চ , ১৯৭১ , টাইম ম্যাগাজিনের অদ্ভুত তথ্য - দাসত্ব
- ই-বুক কালেকশন মাসুদ রানা সিরিজ - নাজির
- ছাত্রলীগের আকাম কালেকশনঃ (মাত্র আগস্ট-২০০৯), ওহ


আমি হতাশ


- হাবিবকুল
- X Facts : মুজিব হত্যাঃ জিয়া , প্রচলিত কিছু বক্তব্য , চেপে রাখা না বলা তথ্য - দাসত্ব
- প্রিয় মানিক, সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাচ্ছে ( চ্যানেল ওয়ান বন্ধের কারণ নিয়ে মিডিয়াকর্মীর খোলা চিঠি) - পৃথু ঘোষ
- AML থেকে AL , অসাম্প্রদায়িকতার কার্টেইন এবং পেছনের কাহিনী - দাসত্ব
- উপনির্বাচনের সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি - মেহরাব শাহরিয়ার
- বাংলাদেশের সমুদ্রসীমাঃ "দিন বদল" না হলেও দিন কিন্তু বয়ে যায় ...... - দিনমজুর
- বাছুর দিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার করা যাবে না - স্পাইডার
- একজন প্রেসিডেন্টের ইমেইল এবং আমাদের নেগেটিভ মনোভাব - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- ভিওআইপি ব্যবসা নয়, রাষ্ট্রের প্রাপ্য ট্যাক্সের টাকা ভাগ বাটোয়ারার কাহিনী - পি মুন্সী
- এ এক অভাবনীয় দৃশ্যে: বিএনপির মতো দলে সেচ্ছাশ্রম!!! - রংধনুর সাত রঙ
- পিয়াল, এভাবে যুদ্ধ হয়না ,যুদ্ধের জন্য প্রয়োজন বোধের বিকাশ !!! - ব্যাপারনা
- সচলায়তনে কমিউনিটি ফ্যাসিজম : ব্লগারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কারণ আছে - ফিউশন ফাইভ
- তারেক ভাই! - বিবর্ণ
- শ্রীমতি গোয়েবলেস, হিরোকে বেশি হিরো বানাতে যাবেন না... হিতে বিপরীত হতে পারে - ধীবর
- মানবাধিকারের তীর্থ ঘুড়ে এসে, নতুন দীক্ষায় আইনমন্ত্রি ! শেষ রক্ষা হবে তো? - ধীবর
চুশীল ভাজাকার চিনবেন যেভাবে
- আমি ছাড়া সবাই ভাল
- স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাদের লেখা ও স্মৃতিচারণ - চিন্তিত দার্শনিক
- সেই সব হতভাগ্য অফিসারেরা..............। - ত্রিশোনকু
- আমাদের দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ভাবতেই শরীল জাকাইয়া উঠলো। (ফুটা ব্লক)



- রিপন উদ্দিন
- অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে, ৭৫ এর চেয়েও ভয়ংকর পরিণতির শিকার হবে আওয়ামী লিগ। (১ম ও ২য় পর্ব এক সাথে) - ধীবর
- ভালো থেকো কল্পনা চাকমা, ভালো থেকো মেজর মহসিন রেজা : একটি বানোয়াট ঘটনাক্রম - ফিউশন ফাইভ
- মতিউর রহমান আপনি প্রথম আলোর মাধ্যমে কি বলতে চাচ্ছেন!! দুই মতিউরের নৈতিক পার্থক্য কোথায়!! - আবু সাঈদ আহমেদ
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১ যাদের বয়স তিনের কমছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব২০ - ত্রিশোনকু
- পার্বত্য চট্টগ্রাম : ওয়েবে আমার বাংলাদেশ যেভাবে ধর্ষিত হচ্ছে প্রতিদিন - ফিউশন ফাইভ
- বাঘাইছড়ি হত্যাযজ্ঞ: পাহাড়ি-বাঙালি দ্বন্দ্ব নাকি শাসক শ্রেণীর ঔপনিবেশিক আধিপত্য? - দিনমজুর
- ১০০ কিংবা ১০০০ লাশের বিনিময়ে হলেও নিরাপদ থাকুক বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চি - ফিউশন ফাইভ
- দেশ কাঁপানো এক দিন। - শতকত
- যৌবনযাত্রা মূলত জামায়াত শিবিরের অঙ্গ সংগঠন।পত্রিকায় লেখা লেখির পর বই মেলার স্টলে কেউ আর যাচ্ছে না! - অবিশ্বাসী
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- জাতীয় রক্ষীবাহিনীর অত্যাচার সীমাহীন হয়ে পড়ে - অর্থহীণ
- বেদনাবহ পলাশীর যে গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস আমাদের অজানা! - ফিউশন ফাইভ
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে সম্প্রতি দেখা অসামান্য ১০টি ছবি (ডাউনলোড লিংকসহ) - ফিউশন ফাইভ
- বেঈমান ঢাবি প্রসাসন ও সরকার কেউ আবু বকরের পরিবারের পাশে দাড়ালো না।


- মৌনোতা
- অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে, ৭৫ এর চেয়েও ভয়ংকর পরিণতির শিকার হবে আওয়ামী লিগ। ১ম পর্ব - ধীবর
- আরেক নতুন কুলাঙ্গারের আবির্ভাব, এ যেন বিপরীত স্রোত (নর্দমার স্রোত) কে ও হার মানায়। এই মন মানসিকতা নিয়ে এরা এখানে থাকে কিভাবে? আফসুস......... - "বৃষ্টির কান্না"
- কিভাবে পোষ্টে কিংবা কমেন্টে বিভিন্ন ছবি, ইউটিউবের ভিডিও এবং ইমোটিকন দিতে হয়?? (একটি সাহায্যমূলক ছোটখাট টেকি পোষ্ট) - নির্ভয় নির্ঝর
- কুকর্ম, ব্যার্থতা, আর দেশ বিরোধি ষড়যন্ত্র ঢাকতেই কি এতো দক্ষযজ্ঞ? - ধীবর
- সাংগঠনিক ব্যর্থতায় রাজনীতি যখন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে পরিণত! - বুড়ো
- মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসাবে ছাত্রলীগকে রক্ষীবাহিনীর আদলে গড়ে তোলা হোক - বাঙ্গাল
- প্রধানমন্ত্রীর ব্যর্থ সফর। জনশক্তি রপ্তানির জন্য কুয়েতের বন্ধ দরোজা খুলে নি। ২০০৯ সালে কুয়েতে গেছেন মাত্র ১০ জন শ্রমিক। - ও.জামান
- হাসিনার ভারত সফর: যৌথ ঘোষণা ও ভারতীয় কূটনীতি - পি মুন্সী
- পাকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে মুজিবের সীমাহীন ডিগবাজী!! বিচার না করেই শেষ পর্যন্ত ছেড়ে দেয়া হয়েছিল ১৯৫ পাকি যুদ্ধাপরাধীকে!! - টিংটিং
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- কলুষিত ছাত্র রাজনীতি!! বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী জঘন্যতম ছাত্র হত্যাকান্ড ও ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটায় মুজিব সমর্থিত ছাত্রলীগ!! (প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ১৮+++) - টিংটিং
- তাহলে প্রধান বিচারপতির এজলাস ভেঙেছিল কারা ? - সুধাসদন
- যুদ্ধাপরাধ কি, কারা যুদ্ধাপরাধী? - আবূসামীহা
- প্রধানমন্ত্রীর সরকার উৎখাততত্ত্ব বিডিআর বিদ্রোহ ও বাস্তবতা - আবুল কালাম
- দি ডেইলী ষ্টারে জেনারেল শফিউল্লাহর সক্ষাতকারের বঙ্গানুবাদ: এবং কিছু প্রশ্ন। - স্তব্ধতা'
- ২৪ বছর ধরে আমি যা ভুল জানতাম..শেখ কামাল কি কারনে মেজর ডালিমের বউকে হাইজ্যাক করেছিল !!!???? - সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার
- বিদেশী পত্র-পত্রিকায় বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান। - চিন্তিত দার্শনিক
- বড়লোকের প্রেম বালির বাঁধ ( ১ম ও ২য় পর্ব এক সাথে) - ধীবর
- আওয়ামী লীগ ও রক্ষী বাহিনীর নির্যাতন : কেউ ভোলে কেউ ভোলে না (পর্ব-১) - সুধাসদন
- মাননীয় প্রধান মন্ত্রীঃ আমাদের দায় ছিল না, নেই - সাপিয়েন্স
- ১৫ই আগষ্টের পট পরিবর্তনের ইতিহাস-৩ (শেষ পর্ব) - চিন্তিত দার্শনিক
- ফাঁসির রিচুয়াল এবং অধরা ডালিম - সুমন রহমান
- শেয়ার করার মত কিছু চমৎকার ছবি :: সব পর্ব একসাথে , পোষ্টটি নিয়মিত আপডেট হবে :: - কুঁড়ের বাদশা
- 3rd পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার- ভিতর-বাহির যেখানে বিন্দু হারিয়ে লুকিয়ে থাকে অদৃশ্য বিন্দুতে... - হিমালয়৭৭৭
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বিশাল বিনিয়োগ নিয়েও আমারব্লগের ত্রাহিদশা, সাইবার অপরাধের অভিযোগ - ফিউশন ফাইভ
সেই সময় বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা সংসদে উপস্থিত ছিলেন কিন্তু ঐ বক্তব্যের বিরোধিতা করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি...
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৭
মার্চের শুরু থেকেই খবর আসতে থাকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে- মানুষ মরছে অনাহারে, না খেয়ে। বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, টাঙ্গাইলে বিরাজ করছে দুর্ভিক্ষ অবস্থা। আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের হতে থাকে স্থানে স্থানে। এ অবস্থায় ভারতীয় দূতাবাসের মুখপাত্রও স্বীকার করেন যে, চোরাচালান হচ্ছে ব্যাপক হারে। তারা বলেন, “সীমান্ত বাণিজ্য চুক্তি হয়ে গেলেই এই চোরাচালান বন্ধ হবে।” এ বক্তব্য দূতাবাস থেকে দেয়া হয় ২৩-৩-১৯৭২ তারিখে। দুর্নীতি ছড়িয়ে পরে দেশের সব জায়গায়, সর্বস্তরে।
১৯৭২ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারী শেখ মুজিব তার সংসদ সদস্যদের প্রতি এক নির্দেশ জারি করে বলেন, “চাকুরি, নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতির জন্য কেউ সুপারিশ করবেন না। প্রশাসনকে চলতে দিন।” ১১ই মার্চ দৈনিক বাংলায় এক খবর বের হয় সিগারেটের পারমিট নিয়ে, “বাংলাদেশ ট্যোবাকো কোম্পানীর ২৫জন ডিষ্ট্রিবিউটর নিয়োগের জন্য কর্তৃপক্ষ তিন হাজার সুপারিশপত্র পেয়েছেন। সুপারিশকারীরা প্রত্যেকেই এমন প্রভাবশালী যে, কোম্পানী কাকে ছেড়ে কাকে ডিলারশীপ দেবেন সে সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তই নিতে পারছেন না।” ৬ই জুন চোরাচালানের স্বর্গ সিলেট থেকে দৈনিক বাংলার প্রতিনিধি খবর পাঠান যে, গ্রেফতারকৃত চোরাচালানীরা প্রভাবশালী ক্ষমতাসীন নেতাদের চাপে ছাড়া পাচ্ছে। একইভাবে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চরম নৈরাজ্য নেমে আসে সরকারের পারমিটবাজী নীতির সূচনায়। সুতার পারমিট যে পাচ্ছে তার তাঁত নেই, কেরসিনের পারমিট যে পেল সে কোন ডিলার নয়। পারমিট দেয়া হল অব্যবসায়ী রাজনৈতিক টাউটবাজদের খুশি করার জন্য। ফলে র্দুভোগ গিয়ে বর্তাল জনগণের উপর। পারমিট হাত বদল প্রথায় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেল কয়েকগুন। কাপড়ের অভাবে মা-বোনেরা দিনের বেলায় ঘর থেকে বেরুতে পারতেন না। মেয়ে-মা একখানি কাপড় গোসল করে পালা বদলিয়ে পরছে। এ সমস্ত খবরও প্রকাশিত হয়েছে দৈনিক পত্রিকায়। ঠিক সেই সময় সরকার টিসিবি’র মাধ্যমে ভারত থেকে আনল ‘সুন্দরী শাড়ী’। যে শাড়ীতে হাঁটু ঢাকে না, পর্দাও হয় না। ভারতীয় দূতাবাস বলল টিসিবি দেখেই এনেছে এই শাড়ী। টিসিবি কোন জবাব দিতে পারল না।
আগষ্ট মাসে দেশে বন্যা শুরু হয়। আসে বিস্তর রিলিফ। রিলিফ নিয়ে লুটপাটের কাহিনী পাওয়া যাবে ১৯৭৪ সালের আগষ্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর, ডিসেম্বর মাসের সংবাদপত্রসমূহে। অবাধ লুটপাট চলে বাশঁ, টিন, খাদ্যসামগ্রী, রিলিফের ঔষধপত্র এবং কম্বল নিয়ে। প্রতিদিনের সংবাদপত্রে ছাপা হয় ক্ষুধাতুর মানুষের ছবি। অন্ন নেই, বস্ত্র নেই, মাথা গোজাঁর ঠাই নেই। কোটি কোটি লোক হয় ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুহারা। ৩রা আগষ্ট ইত্তেফাকে ছাপা হয় এসব ছবি। দৈনিক বাংলায় খবর বের হয়, বমি খাচ্ছে মানুষ। বাংলাদেশ রেডক্রস সর্ম্পকে প্রকাশিত হয় চুরি, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অসংখ্য অভিযোগ। গ্রামে-গঞ্জে রেডক্রস প্রধান গাজী গোলাম মোস্তফার নামে ছড়া বের হয়। আতাউর রহমান খান রেডক্রসের অসাধু তৎপরতার প্রতিবাদ করেন। দুর্নীতির অভিযোগ করেন। ১০ই আগষ্টের ইত্তেফাকে সে বিবৃতি ছাপা হয়। ১৩ তারিখ সংবাদপত্রের রিপোর্টে দেখা যায় যে, সারাদেশের মানুষ কচু-ঘেচু খেয়ে জীবনধারণ করছে। আতাউর রহমান খান অভিযোগ করেন যে, বিরোধী দলীয় সদস্যদের ত্রান সাহায্য সংগ্রহের চেষ্টায় পুলিশ বাধা দিচ্ছে। তাদের গ্রেফতার করছে। জনাব খান ১১ই আগষ্ট কাগজে বিবৃতি দেন যে, দুনিয়ায় এমন কোন নজির নেই যে রেডক্রস সমিতির চেয়ারম্যান কোন দলীয় লোক হয়। তিনি একজন বিচারপতি অথবা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে এ সমিতির দায়িত্ব দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
গ্রাম থেকে, উপদ্রুত এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ শহরে আসতে থাকে। ঢাকা শহরে ১৩৫টি রিলিফ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। ১২ই আগষ্ট যাত্রাবাড়ির রিলিফ ক্যাম্পে আশ্রয় গ্রহণকারীরা বলেন যে, তিনদিনে তাদের জন্য একমুঠো খাবারও বরাদ্দ করা হয়নি। ১৬ই আগষ্ট আইসিআরসির সদস্য মিঃ এলভিন কাজ পরিদর্শনের জন্য আদমজী রিলিফ ক্যাম্পে গেলে লোকেরা কমিটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চুরি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ করে। এলভিন চলে এলে কমিটির চেয়ারম্যান তার গুন্ডা বাহিনী দ্বারা অভিযোগকারীদের উপর হামলা চালায়। এতে ছুরিকাহত দুই ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খাওয়ার অনুপযুক্ত পচাঁ বিস্কুট সরবরাহ করা হয়। তা থেকে ক্যাম্পগুলোতে কলেরা মহামারী আকারে দেখা দেয়। মরতে থাকে মানুষ।
মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলে। সে সময়কার পত্রিকার পাতা উল্টালে গা শিউরে উঠে। মানুষের সৃষ্ট দুর্ভিক্ষ কেড়ে নেয় লাখ লাখ মানুষের প্রাণ। হাজার হাজার চাষী যারা একদা কষে ধরতো লাঙ্গল, মাঠ ভরে তুলত সবুজ শস্যের সমারোহে, তারা ভিক্ষার জন্য শহরের মানুষের কাছে হাত পাতে। ফিরে যায় ভিক্ষা না পেয়ে। তারপর বেওয়ারিশ লাশ হয়ে পড়ে থাকে। আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম প্রতিদিন ঢাকা শহর থেকেই তিরিশ থেকে চল্লিশটি বেওয়ারিশ লাশ দাফন করছিল। সে কাহিনী ও ছবি আছে সেই সময়কার দৈনিক সংবাদপত্রগুলোর পাতায় পাতায়। ঢাকায় প্রতি ঘন্টায় ৩-৪ জন লোক মারা যেতে থাকে অনাহারে। এর এক পর্যায়ে আঞ্জুমানের লাশ দাফনের কথা খবরের কাগজে প্রকাশ করা বন্ধ করে দেয়া হয় সরকারি আদেশে। আগষ্ট থেকে ডিসেম্বর মাস অব্দি প্রতিটি জেলা থেকে খবর আসতে থাকে যে, শত শত লোক অনাহারে মারা যাচ্ছে। ভাত নেই, কাপড় নেই, বাসস্থান নেই। ১০ই সেপ্টেম্বর ইত্তেফাক ছবি ছাপে- মাছ ধরার জাল পরে লজ্জা ঢাকার চেষ্টা করছে গ্রামের কোন কুল বধু। চট পরে ভিক্ষার আশায় সন্তান কোলে ঘুরে ফিরছে অসহায় জননী। গৃহবধুরা ক্ষুধার জালায় হচ্ছে প্রমোদবালা। রিলিফের কেলেঙ্কারীর খবর ছাপা হচ্ছিল খবরের কাগজে। কিন্তু অপরাধী ব্যক্তিদের একজনেরও বিচার হয়েছে এমন কথা শোনা যায়নি কখনো। কেন হয়নি সে খবরও সংবাদপত্রের পাতায় আসেনি। উত্তরাঞ্চলে পানির দামে বিক্রি হতে থাকে জমি। অসংখ্য সম্ভ্রান্ত কৃষক ভিক্ষুকে পরিণত হন। সে সময়ের ২২শে সেপ্টেম্বর বায়তুল মোকাররমে দুই শতাধিক উলঙ্গ, অর্ধউলঙ্গ নারী পুরুষ অন্নবস্ত্রের দাবিতে মিছিল করে। গ্রাম থেকে আসা অসহায় মানুষের আর্তনাদ একটুও কম্পিত করতে পারেনি আওয়ামী লীগের শাসককুলের হৃদয়। আর সেই সময়েই শেখ মুজিবের ৫৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৫৫ পাউন্ড ওজনের কেক কাটেন শেখ মুজিব নিজেই!!!
২৩শে সেপ্টেম্বর সারাদেশে ৪৩০০ লঙ্গরখানা খোলার কথা ঘোষণা করা হয়। সে সমস্ত লঙ্গরখানার ইতিহাস আর এক করুণ কেলেঙ্কারীর ইতিহাস। নওগাঁর আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য ২৪শে সেপ্টেম্বর এক বিবৃতি দিয়ে জানান যে, সারা জেলার মানুষ গত ৩-৪ দিন ধরে না খেয়ে আছে। চালের সের সাত টাকা। তার ক’দিন পরেই ৬ই অক্টেবর ইত্তেফাক খবর দেয় যে, ২১ লাখ টাকার বিদেশী মদ ও সিগারেট আমদানি করা হয়েছে সরকারি টাকায়। ঐ দিনই খাদ্যমন্ত্রী বললেন, “তখন পর্যন্ত অনাহারে কতলোক মরেছে সরকারের তা জানা নেই। প্রকাশিত পত্রিকাগুলোর খবর অতিরঞ্জিত।” তবে তিনি স্বীকার করেন চোরাচালান কিছুটা হয়েছে।
৮ই অক্টোবর অধ্যাপক আবুল ফজলসহ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৪ জন শিক্ষক এক বিবৃতিতে বলেন, “জাতির জীবনে দুর্যোগ মোকাবেলার প্রতি এত অনাসক্তি, এত অবজ্ঞা, এত অদ্ভুত রকম ঔদাসীন্য কখনও দেখা গেছে বলে মনে হয় না। নিজের প্রতি আস্থাহীন জাতি যে কী রকম জড় পদার্থে পরিণত হতে পারে বর্তমান বাংলাদেশ তার জ্বলন্ত উদাহরণ। স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই একাত্মতা, ত্যাগের মহৎ শক্তির সেই প্রচন্ডতা পরবর্তিকালে সিদ্ধান্তহীনতায়, ভুল সিদ্ধান্তে, প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তায় আর গুটিকতক লোকের লাগামহীন দুর্নীতির সয়লাবে সব ধুয়ে গেছে। দেশের নেতৃত্বের প্রতি এই জাতীয় দুর্দিনে আমাদের আকুল প্রার্থনা, জাতি হিসেবে আমাদের শক্তিতে আস্থাবান হওয়ার পরিবেশ ফিরিয়ে দিন।”
৮ই অক্টোবর ১৯৭৪ শ্রমিক লীগের আব্দুল মান্নান এমপি জানান, “লবনের দুঃপ্রাপ্যতা সম্পর্কে সম্ভাব্য সকল প্রকার খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে যে, মজুতদার উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে ২টাকা মন দরে লবন কিনে থাকে। সরকারিভাবে মজুতদারদের জন্য অশোধিত লবনের দাম ১৫ টাকা আর শোধিত লবনের দাম ৫৫ টাকা নির্ধারিত করা হয়েছে।” তিনি আরো বলেন, “অশোধিত লবনের দাম ৪০ টাকা করা হলে বাজারে প্রচুর লবন পাওয়া যাবে। প্রকাশ, এ ব্যাপারে নাকি আমাদের দলীয় কোন কোন সংসদ সদস্য জড়িত রয়েছেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।”
১৩ই অক্টোবর ঢাকার সংবাদপত্র সূত্রে জানা যায় যে, প্রতিদিন গড়ে ৮৪টি বেওয়ারিশ লাশ দাফন হচ্ছে। ২৭শে অক্টোবর খবর আসে জামালপুরে প্রতিদিন অনাহারে শতাধিক লোক মারা যাচ্ছে। সরকার এই মৃত্যুকে পুষ্টিহীনতা বলে অভিহিত করে। অনাহারে মানুষ মরছে সরকার সেটা অস্বীকার করে। ২৫শে অক্টোবর ঢাকার সংবাদপত্রে বের হয় ট্রাক বোঝাই ধানচাল ভারতে পাচাঁর হচ্ছে। দিনাজপুরে চালের সের ৮ টাকা। ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্য মানিকগঞ্জের এক পরিবারের ৭জন আত্মহত্যা করেছে। এসময়ে ২৫শে অক্টোবর আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি জনাব কামরুজ্জামান দাবি করেন, “দেশের প্রচলিত আইনে চোরাচালানীদের দমন করা হচ্ছে না। কয়েক মাস আগে সংসদে চোরাচালানীদের গুলি করে হত্যা করার বিধান পাশ হয়। কিন্তু কাউকে কোন দিন ঐ বিধানে হত্যা করা হয়নি।” একই সঙ্গে কামরুজ্জামান অবশ্য বলেন, “দলের ভেতর থেকে দলের সমালোচনা চলবে না।” তখন থেকে আওয়ামী লীগের ভেতরেও কোন্দল দানা বেঁধে উঠে। সেই ক্রান্তিলগ্নে ২৬শে অক্টোবর ’৭৪ স্বাধীনতা সংগ্রামকালের প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তাজুদ্দিন আহমদ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবের নির্দেশে মন্ত্রীত্ব হারান। জনাব তাজুদ্দিন এক বিবৃতিতে বলেন, “জাতির বৃহত্তর স্বার্থে তিনি কোন বিতর্ক সৃষ্টি করতে চান না।” ঢাকার এবং বিদেশী সাংবাদিকদের মতে স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করায় জনাব তাজুদ্দিন আহমদের যে ইমেজ গড়ে উঠে তা পাকিস্তানে আটক শেখ মুজিবর রহমান সহ্য করতে পারছিলেন না। তাছাড়া মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে আটক শেখ মুজিবের চেয়ে স্বাধীনতার প্রশ্নকে বড় করে দেখার জন্য বেগম মুজিবও তাজুদ্দিনকে সহ্য করতে পারতেন না বলে জানা যায়। তাজুদ্দিন সম্পর্কে সরকার পক্ষ থেকে প্রচার চালানো হয় যে, তিনি অর্থমন্ত্রী থাকাকালে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের পথে চলে যায়। তাজুদ্দিন আহমদ বাকশালের কেন্দ্রিয় কমিটি থেকেও পরবর্তিতে বাদ পড়েন।
২৯শে অক্টোবর সারাদেশে ধর্মঘট নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। একই দিন মজুতদারী আর কালোবাজারীর দায়ে আওয়ামী লীগের আর একজন সংসদ সদস্য গ্রেফতার হন। ৩০ তারিখে লবন মজুতের জন্য আওয়ামী লীগের এমপি ডঃ শামসুদ্দিন আহমদকে গ্রেফতার করা হয়।
এ অবস্থায় মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ ও আইন সাহায্য কমিটির উদ্যোগে ১লা নভেম্বর ১৯৭৪ বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গনে শিক্ষক, আইনজীবি, চিকিৎসক, লেখক, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, চিত্রশিল্পী ও ছাত্রসহ বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত ব্যক্তিরা বাংলাদেশের বর্তমান মন্বন্তর প্রতিরোধের জন্য আন্দোলন গঠনের উদ্দেশ্যে এক বিরাট সমাবেশে যোগদান করেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বুদ্ধিজীবিদের এত বিরাট সমাবেশ ইতিপূর্বে আর অনুষ্ঠিত হয়নি। ‘মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ ও আইন সাহায্য কমিটির’ সভাপতি সিকান্দার আবু জাফরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুই ঘন্টার উপর এ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন এডভোকেট মির্জা গোলাম হাফিজ, ডঃ আহমদ শরীফ, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমেদ, এনায়েত উল্লাহ খান, কামরুন্নাহার লাইলী, নিজামুদ্দিন আহমদ, মহিউদ্দিন আলমগীর, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির মুহাম্মদ জাকারিয়া এবং বদরুদ্দিন উমর। সমাবেশে বিদ্যমান মন্বন্তর পরিস্থিতি ও মৌলিক আধিকার সম্পর্কে ১৭টি প্রস্তাব গৃহিত হয়। সমাবেশের পর বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গন থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহীদ মিনার পর্যন্ত যায় এবং সেখানেই সমাবেশের কর্মসূচী শেষ হয়। সমাবেশে গৃহিত প্রস্তাববলীর বিবরণ
br />
১৯৭৪ সালের ১লা নভেম্বর বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত মন্বন্তরের গৃহিত প্রস্তাবে বলা হয় যে, এই মন্বন্তরের ব্যাপকতা ও ভয়াবহতা ১৯৪৩ সালের মন্বন্তরের ব্যাপকতা ও ভয়াবহতাকেও অতিক্রম করেছে এবং এই মম্বন্তর, বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে সৃষ্টি হয়নি বরং শাসকশ্রেণী ও তাদের সহযোগীদের গণবিরোধী নীতি ও কর্মকান্ডেরই প্রত্যক্ষ পরিণতি। সমাবেশের প্রস্তাবে এই মন্বন্তরকে ‘প্রায় দুর্ভিক্ষাবস্থা’ বলে বর্ণনা না করে একে মন্বন্তর বলে ঘোষণার জোর দাবি জানানো হয়। প্রস্তাবে বৈদেশিক সাহায্যের একটি শ্বেতপত্র ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
সমাবেশের প্রস্তাবে সর্বদলীয় রিলিফ কমিটি গঠনে সরকারের বিরোধিতার নিন্দা করে অবিলম্বে একটি সর্বদলীয় রিলিফ কমিটি গঠন করার দাবি জানানো হয় এবং এ ব্যাপারে বিরোধী দলসমূহের প্রতি উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। এছাড়াও রেশনিং এলাকা সম্প্রসারন ও টেষ্ট রিলিফ চালু করার দাবি জানানো হয়। সমাবেশের প্রস্তাবে লঙ্গরখানার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সেখানে নির্যাতন বন্ধ করার দাবি জানানো হয়। মন্বন্তর প্রতিরোধ আন্দোলন সমাবেশে রেডক্রসের চেয়ারম্যান হিসাবে সুপ্রীম কোর্টের একজন বিচারপতিকে নিয়োগ করার দাবি জানানো হয়। রাজনৈতিক নির্যাতন বন্ধ ও মিথ্যা মামলায় আটক ও বিনা বিচারে আটক রাজনৈতিক বন্দীসহ সকল রাজবন্দীর মুক্তির দাবি জানানো হয়।
পরবর্তিকালে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের সময় আওয়ামী লীগ সরকার ও সরকারি দলের নেতা-সদস্যদের রিলিফ চুরির ও চোরাচালানের বিবরণ দিতে গিয়ে ১৩ই আগষ্ট ১৯৯২ সালে সংসদে বলেছিলেন, “রিলিফ চুরি ও চোরাচালানের মাত্রা এতটা বৃদ্ধি পেয়েছিল আওয়ামী শাসনামলে যে তদানীন্তন রাষ্ট্রপ্রধানকে বলতে হয়েছিল, ‘আমার কম্বলটা কোথায়??’ ”(২১শে আগষ্ট ১৯৯২ বিচিত্রায় প্রকাশিত)।
সেই সময় বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা সংসদে উপস্থিত ছিলেন কিন্তু ঐ বক্তব্যের বিরোধিতা করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। তিক্ত সত্যকে গলঃধরণ করে তাকে নিশ্চুপ হয়ে বসে থাকতে হয়েছিল বাধ্য হয়ে অসহায়ের মত।
তথ্যসূত্রঃ
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন:
খালেদা-হাসিনার মত আমরা আমজনতাও কি অতীতের পেছনেই ছুটতে থাকব? এই দুই ফাজিল নেত্রী তাদের অতীত নিয়ে যত কথা বলে, দেশের ভবিষ্যত নিয়ে কোনদিন কোন কথা বলতে শুনেছেন? দেশের ভবিষ্যতের কথা আমরা তাহলে কবে ভাবব? আসুন না, আমি, আপনি দিয়ে শুরু করি।
লেখক বলেছেন: আপনার কথাটা আসলেই অনেক যৌক্তিক। আমাদের অবশ্যই ভবিষ্যত নিয়েই ভাবা উচিত এবং একসাথে কাজ করা উচিত দেশের জন্যে। আমারো ইচ্ছে উচ্চশিক্ষা শেষ করে দেশের জন্যেই কাজ করা। কিন্তু এইসব বললে আবার 'ছাগু' টাইপের কথা শুনতে হবে। আর আওয়ামী বিরোধী কথা বললে তো কথাই নাই। তাই ইতিহাসে তাদের অগ্রজ দের ভুমিকা কি ছিল তা দেখানো দরকার তারপরও যদি তাদের গলাবাজী কমে।
িসপাহী বলেছেন:
লা জওয়াব।
অলস ছেলে বলেছেন:
জাতীয়তাবাদী ভাই, আপনার কি মনে হয় শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসা অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া এই কাহিনি তেলাওয়াত করে পার পাবেন? বরং উল্টা ঝালাই হয়ে যাবেন। সত্য মিথ্যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যাপার না, ক্ষমতা আর শক্তিই বড় কথা। মাইট ইজ রাইট অর্থ্যাৎ দশে মিলে করি কাজ। খালেদা জিয়া বললেই কি না বললেই কি হাসিনা চুপ করে থাকলেই কি আর না থাকলেই কি, শেখ মুজিবের শাসনামলের অব্স্থা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্থায়ী হয়ে গেছে।
নষ্ট ছেলে বলেছেন:
হুমম......
ও.জামান বলেছেন:
ভাই স্ক্যান করে আপলোড করা যায় না? খুবই ভাল লাগলো সিনিয়রদের কৃতিত্ব নতুন করে দেখার সুযোগ পেয়ে।
ও.জামান বলেছেন:
ভাই স্ক্যান করে আপলোড করা যায় না? খুবই ভাল লাগলো সিনিয়রদের কৃতিত্ব নতুন করে দেখার সুযোগ পেয়ে।
স্তব্ধতা' বলেছেন:
''জনাব খান ১১ই আগষ্ট কাগজে বিবৃতি দেন যে, দুনিয়ায় এমন কোন নজির নেই যে রেডক্রস সমিতির চেয়ারম্যান কোন দলীয় লোক হয়।''.........এই প্রচলন এখনও বিদ্যমান।শেষবার বিডিআরসিএস (বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি) এর সাথে বৈঠক করি কোন একটি বিষয়ে সেটা ২০০৩ সাল এবং তখন চেয়ারম্যান পদটি অলঙ্করণ করে রেখেছিলেন মেজর জেড এ খান (অবঃ) যিনি খালেদা জিয়ার পদলেহন করে বেরাতেন সর্বদা।পরবর্তীতে সংস্কারপন্থীদের সাথে সাথে এখন চিপার মধ্যে আছেন।পদটি এখনও রাজনৈতিক।ইত্তেফাকে জাল পরা এক মহিলার ছবির কথা বলেছেন, ছবিটি দেখেছেন? ভয়াবহ সে ছবি।মহিলার নামটি কিছুতেই মনে পড়ছেনা।মাথায় আসছে কিন্তু মুখে আসছেনা।সম্ভবত উত্তর বঙ্গের গাইবন্ধা অঞ্চলের মহিলা।দেখি কেউ নামটা জানাতে পারেন কি না।নাহলে আমিই জানাবো।ঠিক ঠিক মনে পড়ে যাবে।
সামিউর বলেছেন:
১৯৭৪ এর দুর্ভিক্ষ কিছু ছবি দিতে পারবেন? খুব উপকার হবে। আর পোস্টটা আমার মতে খুব ভালো হইসে যদিও আপনারে - খাইতে হবে। কিন্তু আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ। আমার বাবা যুদ্ধের পরের অনেক ঘটনা আমাকে বলেছে যার সাথে আপনার পোস্টের অনেক মিল আছে।
অলস ছেলে বলেছেন:
বাসন্তী। আম্বুলিগার রা ঐ ছবিকে সাজানো প্রমাণের জন্য বহুত কুতাইছে এবং তেছে
কাকপাখি ২ বলেছেন:
সে সময়ের ২২শে সেপ্টেম্বর বায়তুল মোকাররমে দুই শতাধিক উলঙ্গ, অর্ধউলঙ্গ নারী পুরুষ অন্নবস্ত্রের দাবিতে মিছিল করে। গ্রাম থেকে আসা অসহায় মানুষের আর্তনাদ একটুও কম্পিত করতে পারেনি আওয়ামী লীগের শাসককুলের হৃদয়। আর সেই সময়েই শেখ মুজিবের ৫৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৫৫ পাউন্ড ওজনের কেক কাটেন শেখ মুজিব নিজেই!!!প্লাস
সুবিদ্ বলেছেন:
ধন্যবাদ শেয়ারের জন্য.......যদিও সংকলনটা একপেশে যাতে অন্য সকল কারন পাশ কাটিয়ে শুধু তৎকালিন সরকারের ব্যর্থতাকেই তুলে ধরেছেন, তবুও......কারন বেশ কিছু তথ্য জানা হলো বা ঝালাই হলো স্মৃতি.......@স্তব্ধতাঃ মেয়েটার নাম বাসন্তী.......মজার ব্যাপারটা কি জানেন, অনেক বছর পর ('৯০-পরবর্তী সময়ে) কোন এক পত্রিকা সেই বাসন্তীর নামে ফলোআপ রিপোর্ট করে, যাতে জানা যায়, অভাব এখনো নিত্যসঙ্গি তাদের.......অনেকের মাধ্যমে পত্রিকায় তার ছবি ছাপা হওয়ার ব্যাপারটা সেও জেনেছিল........
মেসি-ডোনা বলেছেন:
ধন্যবাদ এইরকম একটি পোষ্টের জন্য।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















তাইলে ঘটনা এই !!!!! বিচিত্রায় ছাপায়ছিলো!!
একারনেই ৯৬এ ক্ষমতায় গিয়া আবাগীর বেডী প্রথমেই বিচিত্রারে খায়া ফালায়!!!!!