নিসন্দেহে জিয়ার মাজার, কারন এতোটা ভাবা অনুচিত হবে যে উনি এই দৃশ্য সহ্য করতে পারছেন যে জিয়ার মাজারে বিভিন্ন উপলক্ষ্যে মানুষের ঢল পড়ে কিন্তু তার পিতার মাজারে তা হয় না। তাই গতবারের ব্রীজ সরে নেয়ার যাওয়ার ধারাবাহিকতায় খুব শীঘ্রি হয়তো এ ব্যাপারে মন্ত্রিসভার মিটিং দেখতে পারবো।
আর অপরদিকে বি এন পি বিরোধী দলের রাজনীতিতে শিষ্ঠাচার আনার জন্যে বা জনগনের চাওয়া পূরন করতে গিয়ে 'ধর্মঘট/হরতাল' বা জ্বালাও-পোড়াও কর্মসূচি না দেয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এবং সরকারী দলের কাছে দূর্বল বলে প্রমানিত হবে। এতে সরকারী দলের ব্যক্তিগত এজেন্ডা চরিতার্থে আরো সুবিধা হবে যেমন ZIA র নাম পরিবর্তন করে HASINA রাখা। বি এন পি হয়তো ভুলে গেছে তাদের প্রতিপক্ষ দলের নেত্রীও ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে জাতির কাছে ওয়াদা করেছিল তারা বিরোধী দলে গেলে হরতাল ধরনের কর্মসূচী দিবেনা কিন্তু তারা বিরোধী দলে ১ বছর থাকার আগেই সেইসব কর্মসূচি দিয়েছিল। তাদের সাথে ভদ্র আচরণ করে লাভ নেই যারা নিজেরা ভদ্রতা জানেনা, যারা একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং জনপ্রিয় সাবেক প্রেসিডেন্টের লাশ নিয়ে সংসদে দাঁড়িয়ে কুরূচি পূর্ন কথা বলে। বি এন পি র নেত্রী যখন তাদের কাউন্সিলে নিজের দলের প্রতিষ্টাতার আগে তার বিরোধী দলের মরহুম জাতীয় নেতাকে স্মরন করে সম্মান দেবার চেষ্টা করেন, তখন হয়তো সেটাকে দূর্বলতা মনে করা হয় কারন তারা বিরোধী দলকে সম্মান দেবার মত ভদ্র হতে পারেনি। আর এইজন্যে তাদের ছাত্র সংগঠনের ছেলেপেলেরা সেই অভদ্রতা ধারন করেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্টানে ছাত্র-শিক্ষককে নাজেহাল করে ফেলে।
আসলে কি বি এন পি এই ভদ্র রাজনীতির কোন দাম এই দেশের জনগনের কাছে আছে?? আমার মনে হয় না- কারন তারা কর্ম থেকে কথায় বিশ্বাস করে বেশি এইজন্যেই আওয়ামী লীগের ইশতেহারের ফাকা বুলি তে বিশ্বাস করে ভোট দিয়েছিল ১০ টাকা সের চাল খাবার আসায়। ভাওতাবাজীর দেশে শিষ্টাচার দিয়ে লাভ নেই। আমার এক জুনিয়রের কথা মনে পড়ে গেল- আওয়ামী লীগ দল খারাপ হলেও ইশতেহার টা ভালো দিয়েছে, ভোট দেয়া যায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


