somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি" - রাসেল... এর ব্যবচ্ছেদ

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি না - বলে নিক রাসেল... এর একটা পোষ্ট Click This Link তিন দিন ধরে ঝুলে আছে। বিস্তর কথাবার্তা চলছে ওখানে। মন্তব্য দিতে গিয়ে দেখি, আমি দেরিতে। ভাঙ্গা হাট মনে হচ্ছে। তাই এখানে ঐ মন্তব্য আরও কিছু কথা শেষে সংযোগ করে এখানে দিলাম।
>>>>>>
আমি সরি, রাসেল আপনার ব্লগপোষ্ট পড়ে নিশ্চিত হয়েছি - ল্যাম্পপোষ্ট আপনার ইস্যু না। আপনি টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক। হতেই পারেন কেউ সমর্থক হতে চাইলে তাকে আটকে রাখে কে! তবে বলব আপনি ল্যাম্পপোষ্টের 'আচরণের' সমর্থক কী সমর্থক না এদিক থেকে কথা তোলার আড়াল নেবার দরকার কী? আপনার বিপ্লব ভাবনার দিক থেকে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ বিপ্লবী না হঠকারী এসব কথা তোলারই বা কী প্রয়োজন? আপনার লেখা পোষ্ট আনওয়ান্টেড কনসিভের মত, এই প্রশ্নগুলোর জন্ম দিয়ে ফেলেছে।
আপনি একদিকে টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক অন্যদিকে আপনার আবার নিজস্ব একটা বিপ্লবের আকাঙ্খা ও পদ্ধতি-বিষয়ক ভাবনা আছে। যেখানে দাড়িয়ে আপনি দেখছেন, আপনার মনে হচ্ছে ল্যম্পপোষ্ট হঠকারি। সমস্যা হলো ল্যম্পপোষ্টের তৎপরতা (সে সঠিক-বেঠিক, হঠকারি-বিপ্লবী যাই হোক), এ'আপনাকে যে দুই বিষয়কে (বাঁধের সমর্থক আবার নিজস্ব বিপ্লবীবোধ) নিয়ে আপনি ভালই ছিলেন, ঘর করছিলেন, এ'দুইয়ের কোন বিরোধ আছে বলে আপাত মনে হচ্ছিল না এই শান্তি শান্তি অবস্হায় থাকতে দেয় নি, দিচ্ছে না। দুইয়ের মধ্যে যে আসলে ঠোকাঠুকি ও ভালো বিরোধ-সংঘাত আছে আপনার অবস্হানের সেই আপাত ভারসাম্যে ল্যাম্পপোষ্ট আঘাত করেছে। যে ঠুনকো ভারসাম্য করে সংঘাতকে চাপা দিয়ে রাখতে পেরেছিলেন, টের পাচ্ছিলেন না, দেখা যাচ্ছিল না - ল্যাম্পপোষ্টের তৎপরতার সামাজিক প্রভাব একে উদোম করে সংঘাতটা প্রকাশ করে দিয়েছে। ল্যাম্পপোষ্টের তৎপরতার, ছোট্ট কাজের তাৎপর্য এখানেই। আমাদের প্রায়-নিস্তরঙ্গ সমাজের চিন্তার স্হবিরতার সুযোগ নিয়ে আমরা যার যেমন, করে খাওয়ার জীবন যাপন করছিলাম, বিজনেস এজ ইউজুয়ালে চালিয়ে যেতে পারছিলাম - ল্যাম্পপোষ্টের তৎপরতা নিঃসন্দেহে এদের শান্তি নষ্ট করেছে। আমাদের সমাজ (আপাতত এখানে ব্লগ সমাজ) যেন সমাজের শত্রু-মিত্রের ভেদাভেদের কোন না কোন পক্ষে অবশ্যই অবস্হান নেয়, ভেদ-লাইনের উপর দাড়িয়ে অবস্হান লুকানোর সুযোগ না পায় - আমাদের সবাইকে একাজে বাধ্য করেছে। এখন সিদ্ধান্ত যার যার; কে কোন পক্ষ নেবে। বিচারের ভার নিজের নিজের - স্বার্থ মোতাবেক।
শেখ মুজিবের ছয় দফা আমাদেরকে সমাজের বিভিন্ন কোণায় ধাপে ধাপে এভাবেই পক্ষ নিতে পোলারাইজেশনে বাধ্য করেছিল। যদিও আমাদের বেশির ভাগের কাছেই কাজটা সহজ ছিল না। কারণ এর মাত্র বিশ বছর আগেই আমরা না বুঝেছিলাম - ইসলামের মধ্যস্হতায় আমরা উভয়ে মুসলমান বলে সে বাস্তবতার সুযোগে দুই পাকিস্তান ভুখন্ডের জনগোষ্ঠি একটা এ্যালায়েন্স করে একটা রাষ্ট্র কায়েম করেছিলাম। ফলে আমাদের অনেকের কষ্ট হয়েছিল ছয় দফার দাবির সমর্থক হতে। কারণ যদিও দাবির মধ্যে সরাসরি আলাদা হবার কোন কথা কোথ্থাও নাই। কিন্তু আলাদা হিসাব-কিতাব, আয়-ইনকামে কার কী অবদান সে ভিত্তিতে বরাদ্দ-বাজেটের কথা তোলা হয়েছিল। এমনকি আলাদা কারেন্সি। সবার মনে শঙ্কা জেগেছিল যদি এভাবে বিরোধ মীমাংসায় সফল না হওয়া যায়, ফেল করে - তাহলে কী হবে? এসব চিন্তা করে, বাঙালি মুসলমানের আবার বাঙালি বলে আত্ম-পরিচয়ের পক্ষে দাঁড়াতে, বিকাশ ঘটাতে এটাকে সমাধানের পথ বলে মেনে নিতে বহু কষ্ট হয়েছিল। অনেকের কাছে বিভ্রান্ত মনে হয়েছিল। ঠিক ভাগ চাননি কিন্তু শেখ মুজিবকে নেতা মেনে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের পরের অবস্হা আমাদের শেষ সব্বাইকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছিল। আর নির্ভাগ ফেলে রাখতে, থাকতে দেয়নি। যারা পারেনি এদেরকেই আমরা মুসলিম লীগার বা জামাতে ইসলামি বলে চিনি। ওদেরকেও পক্ষ নিতে হয়েছিল বলে ওরাও সশস্ত্র হয়েই প্রতিরোধে নেমে পরেছিল। কাউকে ছাড়েনি, কারও নিস্তার হয়নি। পক্ষে অথবা বিপক্ষে যেতে হয়েছিল, নিরপেক্ষতার কোন পাটাতন অবশিষ্ট ছিল না। ইতিহাস এভাবেই পথ করে নিয়ে আগায়।
আমার এই ভাগাভাগির কথা আপাতত ব্লগ-জগতকে নিয়েই। রাসেল... যদি ব্লগার না হত হয়ত এতটা গভীরে ভাগাভাগির ভিতরে তাঁর না পড়লেও চলত। তবে এটা মানতে হবে, রাসেল... সেনসেটিভ। তাই সে ল্যাম্পপোষ্টের জ্বরে আক্রান্ত; পক্ষে অথবা বিপক্ষে।

রাসেল... কে আমি টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক - বলেছি। বলেছি এটাই তার বাকি সব অবস্হানের কারণ, অবস্হানের কেন্দ্র, ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ নয়। অনেকে আমার একথা মানতে আপত্তি করতে পারেন।
রাসেল নিজেকে স্পষ্ট করতে পেরেছে, (১৭ নম্বর মন্তব্যে তাঁর জবাব দেখুন) এখানে। বলছেন,
"আমিও একই কথাই বলছি পরিবেশগত প্রভাবের কথা যেভাবে বলা আছে সেখানে তাতে তেমন বড় কোনো আশংকার কথা নেই, বরং আশাবাদের কথা আছে, ব্যারেজ নির্মানের প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে কি না সেটাও বলা নেই, এটাও হাওয়ার উপরে রুটি ভাজার মতো বিষয়"।
উপরে মন্তব্যকারী প্রথম আলো ব্লগের একটা রেফারেন্স দিয়েছিল। খুব শক্ত কোন যুক্তি নয়। তবে রাসেল... যেখানে বারবার তাঁর যুক্তি শানাচ্ছিল এই বলে যে,
"ভারত সিদ্ধান্ত নিয়ে বাস্তবায়ন শুরু করলে এই প্রতিবাদ হয়তো একটা বিষয় হতে পারতো। তবে এখনও কাজ শুরু হয় নি, দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হবে, তথ্য আদানপ্রদান হবে, বিশ্লেষণ হবে, এবং চুক্তিপত্রে দস্তখত হবে। অনেকগুলো পর্যায় এবং পর্যালোচনার প্রয়োজন আছে"
অথবা
"এমন কোনো স্পষ্ট প্রোপোজাল নিয়ে আলোচনা নেই, অনেকগুলো যদি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে, শেষও হয়েছে অনেকগুলো যদি দিয়ে"।
অর্থাৎ - ভারত সিদ্ধান্ত নেয় নি, তথ্য নাই, চুক্তি নাই, স্পষ্ট প্রোপোজাল নাই, বাঁধের কোন কাজ শুরু হয় নাই - (অনেকটাই মন্ত্রী রমেশের কথার মত তবে আরও গুছিয়ে) সব তর্ক-বিতর্ক নাকি "যদি"র উপরে চলছে ইত্যাদি যুক্তির উপর রাসেল... দাড়িয়ে ছড়ি ঘোরাচ্ছিল। কিন্তু মন্তব্যকারি ইনটারনেট ঘেটেই মৌলিক তথ্য দিয়ে প্রমাণ করলো - টেন্ডার হয়ে এই প্রকল্পের কাজও NEEPCO জিতেছে, ফলে প্রকল্প আর কেবল প্রস্তাবের (প্রস্তাব মানে স্পষ্টতই স্পষ্ট প্রোপোজাল) জায়গায় নাই - এবার রাসেল... এক স্টেপ ব্যক ফুটে খেলেছে। বলছে,
"পরিবেশগত প্রভাবের তেমন বড় কোনো আশংকা নাই, বরং আশাবাদের কথা আছে, ব্যারেজ নির্মানের প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে কি না সেটাও বলা নেই, এটাও হাওয়ার উপরে রুটি ভাজার মতো বিষয়"।
এটা নব্বুই এর দশকে বুশের কিয়োটো (বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের দুনিয়া তাতানোর আকামের বিরুদ্ধে ) প্রটোকলে স্বাক্ষর না করার যুক্তির মত। বুশের কাছে আমেরিকান শিল্প ব্যবসায়ীদের দেয়া যুক্তি ছিল আরও বিশ বছর পরে এসব ভাবা যেতে পারে। দুনিয়া তাতছে আর একটু তাতায় নেই - এতে ইউরোপ, চীন জাপানের চেয়ে শিল্পে আমাদের আগিয়ে থাকা নিশ্চিত করে নেই তার পর দেখা যাবে। শিল্প প্লান্টের সাথে পরিবেশ রিসাইক্লিং এর খরচ জুড়ে দিলে আমাদের মুনাফা কমে যাবে। "তার চেয়ে দুনিয়া জাহান্নামে যাক আগে কামায় লই, পরে দেখা যাইব"। আমরা তাই প্রচার হতে দেখেছিলাম, "পরিবেশগত প্রভাবের তেমন বড় কোনো আশংকা নাই, আমেরিকান শিল্পের উন্নতি হবে, কত লোক কাজ পাবে বরং আশাবাদের কথা আছে"। একই রকম আশাবাদ, অবশ্যই। কাজেই আশাবাদ দেখা টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক রাসেল... এটাই ওর অবস্হানের কেন্দ্র, ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ নয় - এর স্বাক্ষর ওর নিজের পোষ্ট।
টিপাইমুখ নিয়ে IUCN এর ডঃ আইনুন নিশাতের একটা সাক্ষাৎকার ছাপা হয়েছিল প্রথম আলো তে। ব্লগে কোথায় এটার রেফারেন্স চোখে পরেনি। বাংলাদেশের পক্ষে অনেক শক্ত টেকনিক্যাল যুক্তিগুলো ওখানে আছে। জানি না রাসেল... দেখেছেন কী না।

অনেক বড় হয়ে গেছে, শেষ করতে হবে। রাসেলের বিপ্লব বা আন্দোলনের প্রতি যে ঝোঁক আপাত আকুলতা আছে, এটাকে গুরুত্ব দিতে রাসেল নিজেই না করেছে। জানাচ্ছে "আমি সে লাইনের মানুষ না"। দেখুন মূল পোষ্টে বলছে,
"বস্তুবাদী দর্শণ এবং রাজনৈতিক মতবাদ নিয়ে আলোচনা করছি না আমি, পার্টি পলিসি কিংবা থিসিস এন্টি থিসিস নিয়ে বিশাল বক্তৃতা দেওয়া সম্ভব না আমার পক্ষে। আমি সে লাইনের মানুষ না। আমার নিজস্ব পরিচিত অতিবিপ্লবীদের দেখে এটা আমার উপলব্ধি বলা যায়"।

"বরং যখন জনগণের সমর্থন থাকতো ভারত যখন শত্রু রাষ্ট্র চিহ্নিত হয়েযেতো সে সময়ে এই আন্দোলনের বিপক্ষে যাওয়ার মতো পত্রিকা পাওয়া যেতো না"।

কাজেই তাঁর বিপ্লবের ভাবনা পথ পদ্ধতি, হঠকারি বলা নিয়ে আর কথা সময় নষ্ট করছি না।
>>>>>>
এটা খুবই দুঃখজনক যে রাসেলের পোষ্ট সবই আছে কিন্তু পিনাকের মন্তব্যের কথা
রাসেলের সবকথা যদি সত্যিও হয়, শিষ্টাচারের সীমা ছারানি পিনাকের বক্তব্য রাসেল আপনার কেমন লেগেছে? সব প্রসঙ্গ থাকলেও এপ্রসঙ্গটা আপনার পোষ্ট নাই কেন?
যে কোন ফরমাল সভাতে ভিন্নমত অবস্হানের লোকজন থাকে, ভিন্নতা প্রকাশও করে। তার ভাষাও আছে। একটা শালীনতা, শিষ্টাচারের কথা সবার মনে থাকে। কারণ সবাই জানে তাঁরা কেউই পালোয়ান নন আর ঐ সভাও বক্সারের রিং নয়।
আবার রাজনৈতিক দলের সভা ভিন্ন। পিনাক ভারতের "ময়দান" এ বক্তৃতা দিতে আসেন নি আর তিনি রাজনৈতিক নেতাও নন। পিনাক মনে করেছেন, বাংলাদেশের সাথে আবার কূটনৈতিক শিষ্টাচার কী?
কোন আত্মমর্যাদা সম্পন্ন নাগরিক পিনাকের বক্তব্য শুনে প্রতিক্রিয়া না হয়ে পারে না। টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক হলেও নয়।
আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর উপস্হিতিতে পিনাক অপমানজনক কথা বললেও অতিথি দূতের সম্মানের কথা ভেবে আমাদের মন্ত্রী দিপুমণি হয়ত ভ্যাবাচেকা খেয়ে কিছুই বলতে পারেনি। অথচ তিনি যে ভ্যাবাচেকা খেয়েছেন এটাই বলতে পারতেন। অন্তত বলতে পারতেন, "আমি বিব্রত"। কুটনীতি মানেই হলো, শক্ত রাষ্ট্র-স্বার্থের কথা ভাষার কারিগরিতে মোলায়েম করে তুলে ধরা। সপ্তাহ দুয়েক পড়ে সেই বোধোদয় হয়ে আর এক মুশিবত খাড়া করলেন তিনি। পাবলিকলি যদি স্বীকার করেন যে পিনাক শিষ্টাচার বজায় রাখেননি তো এই বক্তব্যেরও একটা ফলোআপ পরিণতি আছে। পিনাককে তাহলে "পারসন নন গ্রাটা" হিসাবে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারত সরকারের কাছে চিঠি দিতে হবে। যে দাবী ন্যায্যত পররাষ্ট্র-বিষয়ক সংসদীয় কমিটিতে উঠেছিল। ফলে আবার আর এক মন্ত্রীকে সেয়দ আশরাফকে দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বেঠিক বলতে হলো। ফলাফল দাড়াল, হাটে কেনাবেচার বস্তুর একটা সম্মান আছে, জাতীয় সম্মান এতই সস্তা যে তার চেয়েও নীচে।
টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক হলেও রাসেল অন্তত এই একটা কারণেও পিনাকের বক্তব্যের প্রতিবাদ বা ল্যম্পপোষ্টকে বাহবা দিতে পারেনি।

রাসেল বলছে "দুত অবধ্য "। এর মানে কী পিনাককে কেউ বধ করতে গিয়েছিল নাকি? বড়ই হাস্যকর।
রাসেল আরও বলছে, "পুলিশ লাঠিপেটা করেছে, এবং এটাই স্বাভাবিক রীতি- যেকোনো দুতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করলে সাধারণত রাষ্ট্রীয় পুলিশ শক্ত হাতে বিক্ষোভ দমন করে"। আচ্ছা রাসেল তাহলে কলকাতায় বঙ্গভূমি আন্দোলনকারীদের বাংলাদেশ হাইকমিশন "ঘেরাও" কর্মসূচীতেও ভারতেরও ওদেরকে লাঠিপেটা করা উচিত না? দেখেছেন কখন? আমি বিষ্মিত, সত্যি আপনার যুক্তি অদ্ভুত! অথচ, ওটা র' এর কোচরের আন্দোলন হলেও আমাদের পুলিশের লাঠিপেঠার বিরোধী হওয়া উচিত।
টিপাইমুখ বাঁধের সমর্থক আপনি হতেই পারেন কিন্তু অন্তত পক্ষে নিজের সম্মানের সাথে হন, দেশের কথা নাইবা তুললাম।

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৮
৯৭টি মন্তব্য ৭৭টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×