ক য়ে ক টি ক বি তা ।। পর্ব ১
=====================
যিশু মুহাম্মদ / আয়না জীবনের গান
----------------------------------------
তুমি রাজার বাড়ির মেয়ে। অস্তিত্বে কতটুকু মোমের সৌন্দর্য আছে! একদিন সিঁড়ির নিমগ্নে পড়ে থাকা বোকা জুতাগুলোও জেনে যাবে পথের সম্মতি। খোঁপায় ভাঁজ হয়ে থাকা অনুমান কী ঝরে পড়েনি মিহি কুয়াশায়। যদি পাখার চুলচেরাও না বুঝে থাকি তবে পাখিদের পরীক্ষায় নিঃসন্দেহে কাকের মতো অকৃতকার্য রয়ে যাবো। তবু তোমার স্রাবে যে পুঁজ এসে যাবে, তোমার চোখে যে দৃশ্য নিমজ্জন হবে তাতে চিহ্নের মোচড় দেবো।
আতশকাচে দেখা কোনো জলের জীবনে যদি তেলাপিয়া মাছের রঙে ঘুমাই তবে মদ খাওয়া রাতে তোমার নাভির গন্ধে পাওয়া নগরীর দেয়ালের অনুরাগ নেবো। ততদিনে আমার হাত সরে আসুক দিঙমূঢ় জানলার অভিজ্ঞতা থেকে, ক্রূর কোনো আঁচিলের পরিচয় থেকে।
আর এও বলি পাখির ভঙ্গিমায় স্মিতগান গেয়েছিলো যে দায়িত্ব তার খেয়ালি স্মরণে কিছু কবিতা থাকে। তার গর্ভে বেড়ে উঠুক গ্রীবার আলো আর গোড়ালির উপসংহার। তবু আমাকে সামান্য সময় অপচয়ের সুযোগ দিও__ মুদি দোকানির চেয়ারে বসার ভঙ্গিমা শিখতে যতদিন লাগে, কালো পকেটমার ছেলেটির বন্ধু হতে যতদিন লাগে।
আফরোজা সোমা / ঝাঁ ঝাঁ রোদ্দুরে বিষণ্ণ বুল ফাইট
-----------------------------------------------------------
ফুর্তিবাজ স্পেনীয় তরুণ
তুমি জানলে না কতটা বিষণ্ণ
দুপুরের এই ঝাঁ ঝাঁ রোদ্দুর___
ঝরনা তলায় যেখানে মারমা মেয়ে
ভরছে কলস___
সেখানে পাহাড়ের সবুজ মায়ায়
পাখির গানের দিকে তাক করা
সিপাহীর নল___
হ্রদের নীল জলে বাঁকা হয়ে
ফুটে আছে যে রংধনু
তারও মালিকানায় রয়েছে বিরোধ___
বেপথু বাতাস শুধু বেরিকেড বোঝে না
আঁরাকের ঝোঁক ছাড়াই
নলের ফাঁক গলে উঁকি দেয়
তোমার জানালায়___
অভিমান নিও না যুবক,
কানে কানে একবার
তোমাদের বুল ফাইটের ষাঁড়টিকে
জিজ্ঞেস করে দেখো___
অনর্থ বিরোধ বাধিয়ে
রাজারা কেমন আনন্দ পায়___
রুদ্র আরিফ / রোদের রাজপুত্র
---------------------------------
তোমার জানা উচিত, আমি রোদের গল্প ফেরি করি কুয়াশা শহরে। তোমার যতো পয়সা আছে বয়ামে জমানো, তুমি তা মিলিয়ে দিতে পারো সমুদ্রের উঠোনে, আমি ডলফিনের মতো লাফিয়ে পড়ে হাতড়ে নেবো তলা থেকে, ঝিনুকের ঠোঁট থেকে কেড়ে আনবো তাদের, বিনিময়ে তোমার শরীরে ছুড়ে দেবো টাটকা রোদ্দুর ও ঝলমলে সকাল
তুমি চাইলে আমার দিকে ছুঁড়ে দিতে পারো গরম নিঃশ্বাস। আমি ম্যাজিশিয়ানের মতো তাদের নিয়ে খেলা করবো কয়েক মুহূর্ত, ভিক্ষুক সেজে দেখাবো বানরের ঢঙ, তারপর পড়া না-পারা ছোট্ট বালকের মতো বোকা সেজে দাঁড়িয়ে থাকবো তোমার বাগান-শরীরে, সুযোগ পেলেই অবিশ্বাস বেয়ে নেমে যাবো শেকড়ে
মুহূর্তেই তুমি মা হয়ে যাবে আমার
তানিম কবির / বৃত্তার্পিত গান
---------------------------------
আসো আর্তনাদে ভরে তুলি সন্ধ্যার আকাশ।
ভাবো তাদের কথা__ শেষ বিকেলেই যারা গুটিয়ে ফেলেছে সমস্ত বাহির।
ফিরে যাবার কথা ছিল আমারও__ তুমিও আড়চোখে বিলি কেটেছ
বাড়ি ফেরার ধুলোল পথে।
আর এই আগন্তুক শিল্পবোধ
জীবন-বিচ্ছিন্ন প্রেমের তাবু গেঁড়েছে এখানে,
তাবুর নিচে আমাদের স্ববিরোধী দেহগুলো জড়াজড়ি করে আছে নির্দিষ্ট ঘনিষ্টতায়।
অতঃপর গুটিয়ে নেয়া হলে তাবুর ওম, বিব্রত ঘাসে
আমরা বুনতে থাকি জীবনের ভুলগুলো শীতার্ত দীর্ঘশ্বাসে।
শামীম হোসেন / ভূতগ্রহণ
------------------------------
ওই তো পাহাড়ের ঢাল বেয়ে
যারা ড্রাম বাজাতে বাজাতে আসছে
তাদের পেছনেই দেখা গেলো তাকে___
কী রকম চোরাগোপ্তা চুলের বাহারে...
আলিশান ঘোরলাগা মায়াসন্ধ্যায়
পাহাড়ের গুহামুখেও দেখা গেলো তাকে
কী রকম মায়া মায়া চুচড়ক...
মনে হয় হলদে দাঁতের জাদুমন্ত্রে___
অভিজ্ঞ বংশিবাদক।
ওই তো পাহাড়ের ঢাল বেয়ে
যারা ড্রাম বাজাতে বাজাতে আসছে...
নাহ ! তাদের পেছনে আজ দেখা গেলো না তাকে...
মোস্তাফিজ কারিগর / প্রিয় বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত
-----------------------------------------------
প্রিয় বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত,
আপনার লখাইয়ের মত আমিও পাখি জীবন চাই
নারীদেহ কিংবা সমুদ্রের ঢেউ দেখলেই আমার আছরে পড়তে ইচ্ছে করে
শেষদৃশ্য:
ফোঁটা ফোঁটা বেলফুল...
আমজাদ সুজন / আয়না
----------------------------
এপাশে জীবনের হরিণ আর ওপাশে
মৃত্যুর বাঘ, পরস্পরের প্রতিবিম্ব ভেবে
তাকিয়েছে আয়নায়
যেন ভালোবেসে, পরম সন্দেহে
নিশ্চুপ বসে আছে
পরস্পরের ঘাতক!
সুমন সুপান্থ / ডানা
---------------------
বিস্মরণের কালে তুমি ফের গাইলে এই গান! পথে পথে ছিলো যত তৃষিত
ধুলো___তারা সব আজ মেতেছে বহ্নিহরণ উৎসবে! তোমার করুণায়
একদিন ডানা পেয়েছি। শ্বাসের বদলে পারিজাত হাওয়া! সেই মহিয়সী
কথারা আজ সন্তরণের দোকান খুলেছেন। তাতে সাজানো যত
কিচ্ছা, রক্তসংরাগে। আমি কৃষকপুত্র___ বাণিজ্যের সূত্র জানি না!
ভাবি, যদি সেই পূর্ণিমা আবার আসে ইতিহাসের বাঈজীর মতো। যদি
আবার কেউ যায় মৃগয়ায়... হরপ্পার হলুদ হরিণ তখন একাকী!
দ্যাখো, সেই লোভে তোমার দেয়া ডানা খুলে রাখি!
তারিক টুকু / ব্যাধ
---------------------
কত কিছুই না হারিয়ে ফেলি। এই ধরো___ সবুজ বলম, বাইনোকুলার আর শ্বেতাগ্নি টর্চ। রাতে তাই বেরুতে পারি না। যদি কেউ চেপে ধরে, মরীচিকা ডাকে!
কেউ বলে___ ঐ তো তোমার বলম, রাত্রিভর হরিণের পিছু পিছু উড়েছে।
শুনি___ ঐ টর্চই তো প্রভাস্বর, কুয়াশায় জেগে উঠে পৃথিবী দেখায়।
কিন্তু এসব জেনে আমি কী করবো। এরা কি কখনও পশু শিকারের কাজে লাগতে পারে। এরা কি বসন্তে হারিয়ে যেতে শিখেছে, হিম থেকে জন্ম নিতে কিংবা রাত্রি হলে স্মৃতিবিস্মৃতির চক্রে পশুরক্ত কীভাবে একেকটি গাছে জবাফুল হয়ে জমে ওঠে___ পেরেছে কি সেই কথা বুঝে উঠতে!
মাজুল হাসান / বেবি রহমান বলে কোথাও কেউ নেই
-----------------------------------------------------------
বেবি রহমান বলে কোথাও কেউ নেই। নেই কোনো মিথ্যের অপসংলাপ। তবু সত্যি : কেউ কেউ লাল-লাঠি খেলতে গিয়ে সূর্যের গুঁড়ো নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলো। বেতার ভেঙে উছলে উঠেছিলো জলোচ্ছ্বাস। আশ্বিনী ঝড় মাথায় করে কেউ গিয়েছিলো তেঁতুলতলায়। অজগরের ফণায় কেউবা গিয়েছিল খুনিয়াদীঘির পাড়। যে যেখানে যাক, আশলে, আমি চেয়েছিলাম মানুষ আর পঙ্খিরাজ সাপ যাতে হাত ধরাধরি করে বাড়ি ফিরে যায়। চেয়েছি স্বর্গস্মারক নখ___ তাই দিয়ে হামলে পড়েছি সমুদ্রের গতরে। তবু সত্যি, সমুদ্রে মিঠা-মন নেই, মৎস্যকন্যার মতো নেই কোনো জলকুমার। তাই আমাকে ফিরতেই হয় নদীতীরে, জনপদে, চাকায়। তবু গাঙচিল, হায় গাঙচিল... গাঙচিল হয়তো মিথ্যে নয় কখনো!
জুয়েল মোস্তাফিজ / জুয়ার আসরে কোন আঙুলই মিথ্যা নয়
-----------------------------------------------------------------
তোমাদের মত গোছালো মাছের ঘর আমার নেই, পৃথিবীর প্রথম গান যেদিকে বেঁকে গেছে সেই দিকে আমার ভাঙা খাট আর ভাঙা বিছানা। তাই তো পথে পথে মাছওয়ালাদের দেখলেই আমি গোছালো শব্দের অর্থ বুঝি। অন্তত, যে মাছগুলো গান করে সে মাছের সময় বুঝি। বুঝতে বুঝতে মাছওয়ালা বেঁকে যায় ঘন গ্রামের দিকে, আমি বেঁকে যাই বাদুড়খানার দিকে। সাঁঝের বেলা বাদুড়ের ছেলেমেয়েরা মাদুর পেতে বসে, আমি কলাগাছের দিকে চেয়ে থাকি। কলাগাছের দুঃখটা শুনেছিলাম আইনাল হকের কাছে... যাক এসব, অনন্তের পথে তোমার কালো ব্লাউজই উজ্জ্বল... আমি গরিব মানুষ আমার ঘর বারো পথের বারোমাথায়।
মামুন খান / চেয়ার
---------------------
কেউ বইসা পড়তে পারে___ এই ভয়ে
কেউ-ই ছাড়ছেন না চেয়ার
ত্যাগের বেগ নিয়েও প্রকৃত সুখ থেকে তারা
বঞ্চিত আজ এই একমাত্র চেয়ারেরই কারণে
একমাত্র চেয়ারকেই তারা এই জীবনে মেনেছেন সার
তারা পশ্চাৎ দেবেন তবু ছাড়বেন না চেয়ার!
শুভাশিস সিনহা / সব কিছু ভালো লেগে গেল
--------------------------------------------------
আজ সব কিছু ভালো লেগে গেল, সদ্য বেঁচে ওঠা পাতাদের শিরা গুনতে গুনতে এ দুপুর ক্রমশ লাল হয়ে যাবে, আজ সেই পশ্চিমের লাল থেকে নিজের পায়েই আলতা মাখব আমি। সবই তো ভালো লেগে গেল, ধূলির ওপর পড়ে থাকা দু-চারটে খড় ভালো লাগছে। গাভীর ওলানে নিশ্চয় পরম মধুর দুধ অপো করছে দোহনের। পিতামহকে দাওয়া ছেড়ে নামতেই হবে আজ, গোয়ালঘর থেকে মশারা একটু সরে যেও, শুচিশুভ্রধারায় বুড়ো, বয়সী হাতের স্নান দেখব আমি।
সব কিছুই ভালো লেগে গেল আজ, একটি গাছের পেটে কান পেতে শুনি ঢেকুর উঠছে, মনে হচ্ছে গান, শিকড়ে সেতার বেজে উঠল, একটি নদীর স্রোতে পা ভেজালে পলকেই ভিজে গেল চোখ, পা ভিজল না। তবু দুটো চিকন, কান্ত পা ডুবে রইল আশ্চর্য নদীর বুকে, একটি পাখির পালক পড়ে গেল মাঠে, সেদিকেই ছুটে যেতে যেতে মাঠভর্তি অন্ধকারে হারিয়ে গেলাম আমি, তবু আজ আমাকে টেনে তুলো না কেউ, ঘোমটার আড়াল থেকে আঁধাররমণী এক চেয়ে দেখছে ওই
ভালো লেগে গেল তরমুজের ক্ষেতে লাগা নিষ্ঠুর মড়কটাকেও, যেন বাজারে ফলের বাণিজ্য রুখবে সে এবছর, ও-পথের বাঁক, তোমার শরীরের ইতিহাস থেকে মৌনতার গন্ধুটুকু বুক ভরে নেব, হাড়ের ভেতর থেকে অন্য কিছু জেগে উঠছে, রক্তে রক্তে তাও জানি। তবু আজকের মেঘ, আকাশ, তোমাদের ঘরকন্না দেখে দেখে নিজের গার্হস্থ্য ভুলে যাব আমি, আমাকেই ওড়াব শুধু, ওড়াব বাতাস থেকে অন্য হাওয়ায়
ঝগড়াটে মেয়েরা যত, যাদের চিৎকারে রোজ সকাল বিফলে যায়, তাদের একটি শব্দ নেব কানে, অর্থের প্রতীকরসে সেটিকে ভেজাব দিনভর। উঠানের এক কোণে ঝুলে থাকা নারকেলগুলো খুব জোরে যেন কেউ পাড়তে যেও না, ওদের ব্যথার চেয়ে নিজের অসুখও বড় নয় আজ আমার কাছে
কে যেন স্নানের শেষে ভেজা গায়ে ফিরতে এসে আঁচল খসালো মাঝপথে, তার সে লজ্জার প্রেমে পড়ে যাব। ঘরের কর্তাটি শোনো, নিমেষের এই দৈবপরকীয়ার প্রেমে তুমি নিজেই বিভোর হও, ক্রুদ্ধতা বহুদিন তোমাকে অথর্ব রেখেছে। আর শোনো পুকুরের মাছ, তোমরা এখন কোনো দূর জলস্তরে কাটছো সাঁতার, অন্তত আমাকে করো না ভয়, আজ আমি নিরামিষ, আজ আমি তোমাদের ফুলকায় নথ কিনে গেঁথে দেব ভাই
আজ তো দেখছি সবই ভালো লেগে গেল। হাহাকারের শূন্যতায় এক ধূলিঘূর্ণির নাচ দেখে নিজের আঙুলে ভরতের মুদ্রাগুলো নেচে নেচে উঠছে, বর্ষার মতো হৃদয়ে আঘাত করে যে-চোখ, তার পাপড়ি ছুঁতে গিয়ে দুটো আঙুল করুণায় ঝরে পড়ে গেল, আর তুমি সেই দুটোই আঁচলে আনলে বেঁধে, দাঁড়ালে সামনে, নদীপাড় থেকে একটি আগুনের শিখা দেখা যায়, সেদিকেই হেঁটে যেতে যেতে আজ তুমি চুল বেঁধে নিলে,আজ তুমি এ বেলাও সুগন্ধি ছড়ালে বুকে, আমরই একটি আঙুল ধরে তুমি কিংবা আমিই আগুনঠিকানা ধরে যাই, যেতে থাকি
এই যাওয়া ভালো লাগে আজ, ভালো লেগে গেল...
জাকির জাফরান / পায়ে বাঁধা দুটি সর্বনাম
-----------------------------------------------
নিচু এ কৌতুকে আজ মজে গেছে মন
বিস্তৃত অনাগ্রহের প্রতি উড়ে এলো মেঘ
তোমাকে জড়িয়ে ধরে মনে হলো ধান
মনে হলো উৎসব : জন্ম ভেঙে
দূর দূর অন্ধ দ্রাঘিমায়
নিচু কাসে পড়ো ! আহা ! চুলে
এত রৌদ্র-কুমকুম, চোখ যেন সমুদ্রপৃষ্ঠা
টেনে নাও আমাকে তোমার ছত্রে ও ছায়ায়
পায়ে বাঁধা দুটি সর্বনাম, পাখি উড়ে যায়...
অনন্ত সুজন / চিত্র
--------------------
বিকেলকে আমি বাগান মনে করি
ধরা যাক___ হঠাৎ উদিত পথে কারো
পায়ের আওয়াজ চিত্রল রেখা ফেলে
পরিত্যক্ত ধুলোর জ্বালা বাড়িয়ে দেয়
তা থেকে যে আগুন উঠে আসে
তার বিস্তার নিয়ে রচিত হয় বসন্তগান
কেউ কি জানে, এভাবেই এসেছিল ঋতু
এই তথ্য দূর থেকে বিরচিত হলে
হাওয়াকেই নির্ভর জেনে___ চিরকাল
উড়েছে হরিৎ প্রজাপতি।
চন্দন চৌধুরী / ডাকাত
-------------------------
নারে দোস্ত, ডাকাতদলের সাথে আমি নেই
মেয়েদের চোখ টিপুনীতেই কাত হয়ে যাই
তোরা বরং আমাকে ব্যাংকে রেখে
চেক নিয়ে যা;
অন্তত কাগজ হয়েই বেঁচে থাকি কিছুদিন
রিকোয়েস্ট করিস না প্লিজ
জানিস তো, গত বছর গরমে পকেটে ছুরি নিয়েই
শীতের পোশাক পরে হেঁটেছি
ডাকাতি! ফুলের দোহাই দোস্ত
বেঁচে থাকলে দেখা হবে সাত-সমুদ্দুর দূরে
পারিস তো পিস্তলটা রেখে যা,
পাশের বাড়ির মেয়েটার আবার
হাতে নিয়ে পিস্তল দেখার শখ!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


