১০ম পাঠ
যেন এক নির্বিকার ঘড়ির পেন্ডুলাম হয়ে, হায়!
দোল খাই পুর্ণিমার রাতে, জ্বলে নাই জলে তবু আলো।
কি যে এক বিবমিষা ঋদয়ের নির্জনে একা ওঠে কেঁদে,
পুষে রাখা আত্মহননমুখী পাখিটি- কেবলি উড়তে চায়।
মানুষকে বিশ্বাস করে মাঝে-মাঝেই মনে হয়,
পৃথিবীর সবথেকে অবিশ্বস্ত কাজ, করে ফেলেছি আজ!
আপোষের নৈকট্যে থেকেও চতুর হরিণীর মতো তুমি-
চুরি কর স্বপ্ন আর ব্যাধিনীর মতো ছুঁড়ে দাও মৃত্যুসুধা।
হায়রে আমার পথের ধূলা; পদ্মার পাড়ে উড়িয়ে বাতাস
শুনছো কি আজ, কীর্ত্তনখোলা কেমনে তোলে সুর।
পৃথিবীটা এক গোলাকার এ্যাসট্রে; আর আমি নিত্যদিন-
ওই বিষাক্ত এ্যাসট্রেতে ছাইসহ আনুসাঙ্গিক দ্রব্যাদি ফেলি!
আকাশের কনসার্টে নদীদের বোধোদয় ঘটে; আর তাহারা'তো
নিরিবিলি মুক্ত হতে চায় আপনার কাছ থেকে, কবির দৃষ্টি থেকে...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

