সাদি তাইফ
নামে এক ব্যক্তি আছে ঢাকা শহরে, যিনি কবিতা লেখা'র মত একটা কর্মসাধনে লিপ্ত থাকে। এবঙ আরো বহুকিছু করে থাকে। কোন এক সাক্ষাতে তার সাথে আমার এক প্রাচীন বন্ধুত্বও গড়ে ওঠে, হয়তো সম্পর্কের সূত্র ধরেই এই লেখাটি ব্লগে প্রকাশ করা জরুরী বলে মনে হল; কেননা কবিতাটিকে আমার কবিতা মনে হয়েছে যা খুব কম চোখে পরে এই সময়ের দিকে তাকালে। এটি আমার একটি ব্লগ সিরিজ শুরু হল যা আমার চোখে পরে মনস্তত্বে আঘাত হানে। ভাবায় ও মাতাল করে তোলে। এরপর একাধারে অন্যান্য তরুণ কবিরা আসবে আমার ভালোলাগায় ...
এবঙ সাদি'র লেখা আমার/আমাদের দীর্ঘদিনের পত্রিকা কালনেত্র-এ অংশগ্রহণের এর মধ্যে দিয়েই ব্যাপ্ত । কালনেত্র প্রকাশনার প্রয়াশে বের হওয়া - লাস্টবেঞ্চ ১১৫ পত্রিকাটিতে এ লেখা ছাপা হয়েছিল, যার সময়কাল ৬ই মে ২০০১ ।
শ্রোতৃমন্ডলী,
আসুন আমরা এটলিস্ট চোখ বুলাই কবিতাটির দিকে...
পাখিশাস্ত্র
গন্তব্য ছিল না কোনো, পৃথিবীতে মেঘ ছিল আর
আমি খুব আস্তে হেঁটে দূরে চলে যেতে চাইছিলাম।
অপরাধবোধে কেঁপে উঠি পাখির খাঁচায়,
পালকে জমেছে মেদ আর ব্যথা, তার শোকে
কাঁদে বুঝি আকাশের মেঘ, কিছু পাখি প্রতিবাদী
নিজেকে জড়িয়ে রাখে নিজেরই ডানায়।
অন্যদরজায় ডাকে প্রিয়ছায়াপথ, মহুয়ার ঘ্রাণ, অচেনা ক্যাম্পাস,
কচিকলাপাতা তার অদ্ভুত সবুজসহ দুলে ওঠে রোদে।
আমি তার পাদদেশে দৃশ্যমুগ্ধ, আরও দেখি
মুকুলিত বৃক্ষ ছুঁয়ে উর্দ্ধবাহু মৃতগাছ এশিয়ার ইকেবানা, জাহানারা আর
প্রীতিলতা মখোমুখি, দুজনে নীরব, শুধু এক জলাধার ব্যবধান।
আমি তাকে পিরামিডের কাহিনি বলি, বলি
মানুষের ইতিহাস, উর্দ্ধমুখী অস্ত্রের কাহিনি।
পরিচিতা পাখি তবু চশমাটি খুলে রাখে দ্যাখার সময়,
ভেতরে ভেতরে পোষে পালকের শোক, পতনের সাধ।
আমি তারে পাখি দিবসের কথা বলি, বলি আকাশ কাঁপিয়ে
একসাথে ফিরে যায় অতিথি পাখিরা, সেইসব চোখে শত শত
মাইলের দৃশ্যচিত্র জমে থাকে, আর আমি
অকারণে আরও আরও ভয় পেতে থাকি, হারাবার।
তবু তার সফেদ পালক ছুঁয়ে কিন্তুহীন উড়ে যাই, ছায়াপথে,
নিত্যরাতে স্বপ্নের ভেতরে।
$ রচনাকাল, স্থান ও সময় জানা যায় নি
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


