ভিওআইপি ব্যবসার অভিযোগে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে মামলা
২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০১
অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রামীণফোন ও এর সাবেক দুই প্রধান নির্বাহীসহ ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
স্থানীয় ইন্টারনেট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাকসেস টেল এর সঙ্গে 'শাস্তিযোগ্য কর্মকাণ্ডে' জড়িত থাকারও অভিযোগ আনা হয়েছে গ্রামীণফোন ও মালয়েশিয়ার ডিজি টেলিকমিউনিকেশনস এর বিরুদ্ধে।
বিটিআরসি'র আইন ও নিবন্ধন বিভাগের সহকারী পরিচালক জিয়ান শাহ কবির ১৬ জানুয়ারি গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন। থানার উপ পরিদর্শক মঞ্জুর আলী খান রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
থানার আরেক কর্মকর্তা রোববার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মামলার অভিযোগ বিটিআরসি কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।
বিটিআরসির অভিযোগে বলা হয়, গত ৬ ডিসেম্বর সংস্থার একটি দল আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গ্রামীণফোনের কার্যালয়ে অভিযান চালায়। এ সময় দেখা যায়, চারটি 'ই ওয়ান' সংযোগের মাধ্যমে গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস টেল এর নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত। অভিযানকারী দলটি গ্রামীণফোনের কল রেকর্ড ও ই মেইল 'অনুসন্ধান' করেন। এরপর ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা আট দিন গ্রামীণফোনের কার্যালয়ে অনুসন্ধান চালায় দলটি।
অভিযানে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার সঙ্গে গ্রামীণফোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ কার্যক্রমে গ্রামীণফোনের বৈদেশিক সহযোগী হিসেবে মালয়েশিয়ার ডিজি টেলিকমের সংশ্লিষ্টতারও প্রমাণ মিলেছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গ্রামীণফোনের বেশিরভাগ শেয়ারের মালিক নরওয়ের প্রতিষ্ঠান 'টেলিনর' বাংলাদেশে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায় উৎসাহ দিয়েছে বলে অনুমেয়। গ্রামীণফোনের 'মেইল সার্ভার' এ সন্দেহভাজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মেইল খতিয়ে দেখে কল টার্মিনেশনে সংস্থার সম্পৃক্ততাসহ কিছু উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিজস্ব সংশ্লিষ্টতারও আলামত পাওয়া গেছে।
গ্রামীণফোনের ৬২ ভাগ শেয়ারের মালিক টেলিনর মালয়েশিয়াভিত্তিক ডিজি টেলিকমেরও অংশীদার।
অভিযানের সময় গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করেছে বিটিআরসি।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গ্রামীণফোনের হেড অফ রেভিনিউ অ্যাসুরেন্স এসপেন উইগ ০১৭১৩১৩০৪০০ নম্বরের কল রেকর্ড র্যাব সদস্যদের কাছে না দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মৌখিক নির্দেশ দেন। পরে জানা যায় অ্যাকসেস টেল এর কল টার্মিনেশনের কাজে নম্বরটি ব্যবহৃত হতো।
মামলায় গ্রামীণফোন ছাড়াও এর সাবেক প্রধান নির্বাহী এরিক অস ও ওলা রি, সাবেক টেকনিক্যাল ডিরেক্টর থর রান্ডহগ, সাবেক চিফ টেকনিক্যাল অফিসার যোগেশ সঞ্জিব মালিক, সাবেক সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং ডিরেক্টর মেহবুব চৌধুরী, রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর খালিদ হাসান, চিফ টেকনিক্যাল অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম, সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং ডিরেক্টর কাফিল এইচ এস মুঈদ, চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. আরিফ আল ইসলাম ও হেড অফ রেভিনিউ অ্যাসুরেন্স এসপেন উইগ ওয়ারেনডরফকে আসামি করা হয়েছে।
ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন:
অপপ্রচার চলছে তারেকের বিরুদ্ধে আর কালপ্রিট হইলো ইউনুস
লেখক বলেছেন: তাই নাকি??
কেএসআমীন বলেছেন:
এই কামডা তো সব অপারেটররাই বৈধভাবে করতেছে দীর্ঘদিন যাবত। কেউ তো কইলো না যে এইডা অবৈধ। এই কাম যে অবৈধ এইটা কি কোনখানে লেখা আছে?


















