কবিতার ভাংগা-গড়া নিয়ে আমি একটি পোস্ট দিয়েছিলাম।রাশেদ বলেছে-সিরিয়াস পোস্ট।আর মানবী বলেছেন-এখানেও অনেক ভালো কবি রয়েছেন।আর আমার কথা ছিলো-আধুনিক কবিতার সমূদ্রে ডুব দিয়ে এমন একটিও মানিক আমি পাইনি যা আমি আমার হৃদয় অন্দরে লালন করতে পারি।আমি ভুল বলেছি-বিনীত ক্ষমা প্রার্থী।ইউরোপ-আমেরিকার আমরা ৭ ব্লগার বন্ধু মিলে প্রথম ১০০ পাতায় প্রকাশিত আমাদের প্রিয় পংক্তি এখানে পোষট করলাম/এ লাইনগুলো যে শ্রেষ্ট তা বলবোনা , তবে আমাদের প্রিয় , অতি প্রিয়।জানেনতো যারা কবিতা ভালোবাসে তারা ঘৃণা করতে পারেনা।সবার প্রতি শুভেচ্ছা । কবিতা প্রেমী অপ্রেমী সবার প্রতি।
১।আজ সারাটা দিন,মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম
তাই শ্রাবনের সন্ধ্যাটুকু তোমার কাছে চেয়ে নিলাম।-শিউলীমালা।
২।আমার দুঃখে যদি তোমার দুঃখ মিলতে চায়,
তারেও ছেড়ে দাও ,মিলুক এসে এক মোহনায়।-মোহাম্মদ অরুন।
৩।হৃদয়টা আমার শুকিয়ে গেছে প্রেমশুণ্য মঙগায়,
ইচ্ছে হয় দৌড়ে গিয়ে ঝাঁপ দেই গংগায়। -সুধারাম সাধু।
৪।হঠাৎনিরীহ মাটিতে কখন জন্ম নিয়েছে সচেতনতার ধান,
গত অকালের মৃত্যুকে মুছে আবার এসেছে বাংলাদেশের প্রাণ।-জেনারেল।
৫।ধুসর ঘুঘুর সাদা ফোটায় একলা দুপুর কাঁদে,
ঝলমলিয়ে রোদের ছায়া পড়লো রংয়ের ফাঁদে।-আর্টিসম্যান
৬। সব বাড়ি,দোর সব হারিয়ে লোকটা এখন ভাসমান,
তার জীবনে নেই কোন সুখ, দুঃখ মাথা পা সমান।-নিপ।
৭।ঠোঁটের কোণে মৃদু হাসি মেখে ,
সময় নদী আজকে বয়ে যাক,
আজকে না হয় এইটুকুনই থাক।---মানুষ।
৮।দাও তুমুল বিষের বাটি,
দাও বেদনা নিখাঁদ খাঁটি।- রাগ ইমন।
৯।একা আমি অসীম কষ্টে
স্মৃতিগুলো স্মৃতি হবে কবে। সৌপ্তিক।
১০।তাই জন্মগুলো বিরতি নিতে নিতে নাভিশ্বাস
শ্বাসে শ্বাসে ওঠানামা শেষে তুমি আমি অযান্ত্রিক লাশ।-অন্যমনস্ক শরৎ।
১১। আমাদের ভালোবাসা ফুরিয়ে যাবার আগে,
বুক ভরে এসো ভালোবাসি,
আমাদের মধুমাস বিদায় নেয়ার আগে
এসো প্রাণখুলে শেষবার হাসি।-ইলোরা।
১২।আজ জোছনায় চন্দ্রিমার ডাক
বিহবলতায় পূর্ণ আমি মন্ত্রমুগ্ধ নির্বাক। -ফজল।
১৩।ঈশ্বর রচিল বৃক্ষ,বৃক্ষ পাইলো পাতা,
ভালোবাসার দোকান খুলে ,
বছর ধরে করিলাম হালখাতা। -মানচুমাহা ।
১৪। যদি চাঁদ আসে আগের মতো,
যদি বৃষ্টিরা হারিয়ে যায়,
যদি বেদনা কোনো সুখের সুর খুঁজে পায়।-হমপ্রগ।
১৫।দিতে নাহি পারি কিছু,তবু দিতে চাই
ভাবি বসে আনমনে কি দেবো তোমায়।-সালাউদ্দীন মুহাম্মদ সুমন।
১৬।আমার আমিকে তুমি কভু চিনবে না গো,
এতদিনে বুঝি হারিয়েছো চিনবার জো।- জিললু।
১৭।আমি উম্মাতাল বায়ূ , দিকশূন্য বহি
গাঁজার কল্কের ধোঁয়া উড়াই,
তুমি মস্তষ্কের দরজা বন্ধ করে রাখো
আমি তোমার হৃদপিন্ড পোড়াই। - মাছরাংগা।
১৮।তুমি মিশ্রিত লগ্ন মাধুরীর জলে ভেজা কবিতায়
আছো সরোয়ার্দী,শেরেবাংলা,ভাষানীর শেষ ইচ্ছায়।-আলী।
১৯।তোমার বুকের পথ ধরে কতটা হাটলে বলো হৃদয় ছোঁয়া যাবে,
তোমার চোখের গভীরে কতটা দূর গেলে বলো আমার ছায়া দেখা যাবে।-মাহফুজ মেহেদী।
২০।কবিতার মানুষেরা মনের মাঝে দুঃখ বুনে
নিদ্রাহীন রাতে সারারাত আকাশের তারা গুনে।-কমল
২১।যে আশা লুকেয়ে চোখের দৃষ্টিতে তরপায়,
যে ইচ্ছে লুকিয়ে মনের গভীরে সাঁতরায়।-শেখ জলিল।
২২।ইচ্ছে করে তাকিয়ে থাকি তোমার নয়ন পানে,
চাতক থাকায় যেমন করে সূদূর মেঘের পানে।- স্বপ্নীল।
২৩। জীবন কি শুধুই সীমাহীন কান্না,
নাকি নীরবে চেপে রাখা বেদনা?-ত্রিলোরা খান।
২৪। আমি আর দেখতে চাইনা বাগবাগিচা,গৃহস্থালী,
বিকিকিনির পসরা,রংগিন কাঁচ,আর বৌদিতিক সিঁড়ি।-মৃন্ময় আহমেদ,
২৫। বুঝবেনা কেউ কেন যে এমন পাখায় করেছি ভর,
দাঁড়াবার মতো মাটি নেই কোন বসবার মতো ঘর।-শরীফ আব্দুল্লাহ।
২৬। ললনাদের এই হলো রীতি,
কিছু জানতে চাইলেই সম্পর্কের ইতি।- ইনতু
২৭। মনের বাঁধন আলগা করে বাঁধলে আঁচল সাত পাঁকে,
অগ্নিস্বাক্ষী হলো হৃদয় চোখের জলে নেভাই তাকে। - কালপুরুষ
২৮। চাঁদের আলোয় মর্ত্যেলোকে স্নিগ্ধতার পরশ লাগে,
সেই পরশে তরূন মনে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন জাগে।-আহমেদ মুজতবা।
২৯। সত্যি যদি ভালোবাস,
তবে কেন আড়ালে থাক।-ছায়ার আলো।
৩০। মনের ভাবনা ছিলো গহীন অরণ্যে বন্দী,
ঝরণার মতো নেমে এলো তা ,
শব্দ যেন পাথর,নুড়ি,সিক্ত জলগন্ধি
একি পথে মিলনে যা হয় কবিতা।-বিহংগ।
৩১।সে যদি ভালোনাবাসে,
আমি আমরণ অনশনে যাবো- অশ্রু।
৩২। তোমায় রক্ত দিয়ে বাচিঁয়েছি ,মাগো যখন রক্তের জন্য হাহাকার,
হাসপাতালের বেডে শুনেছি তোমার আর্তচীৎকার।-ইকারুস
৩৩। সত্যি মানুষ, সত্যি হাসি, সত্যি কেঁদেই সাড়া
আমার কি আর দরকার আছে টিভির নাটক দেখা। -কৌশিক আহমেদ।(বাদ পড়েছিলো।)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

