আমার প্রিয় পোস্ট
- দখিনা বারান্দা - এক্স ফাইলস্
- Nothing else matters--Metallica - রাশেদ
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ১৫ (নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়--হেলাল হাফিজ ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ভাগিনা তুমি অনেক অনেক দিন বেঁচে থাকো!!! - সেকেতুরে
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা- ৪ (অন্ধকার--জীবনানন্দ দাশ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- তোমাকে বলবো না, কারণ.... - ৃৃমম
- মজারী ছবি--০১ - আন্ধার রাত
- ও আলোর পথের যাত্রী, জীবনের ধ্রুবতারা..... - ৃৃমম
- আমার ভালবাসা নিলাম হয়েছে (উৎসর্গ বিহংগদাকে) - শতরূপা
- ৩০ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি... - ব্লুজ
- ধন্যবাদ বিহংগ - সারিয়া তাসনিম
- Right here waiting... - ভাবনা
- ......ড: আনোয়ার হোসেন, ঢাকা বিশ্ব: , নজরুল এবং রবীন্দ্রনাথ - সন্ধ্যাপ্রদীপ
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - একটি অহেতুক বিতর্কের জবাব - সু-শান্ত
- সংকল্প - স্বপ্নচারিণী
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা - ফকির ইলিয়াস
- যেভাবে কাটলো ব্লগারদের মিলন মেলা - সুখী মানুষ
- খোদার ওপর খোদকারী - দিগন্ত
- আমেজিং বাট ইউজলেস... - শীখা
- একজন বাবা ; তাঁর ষ্টুপিড ছেলের কাছে - আহমেদ শারফুদ্দীন
- বাঙ্গালির আন্দোলনের স্লোগানমালা: '৫২ থেকে '৭১ (দ্বিতীয় পর্ব--'৬৯-'৭১) - ফারহান দাউদ
- ৭১ এর উদ্বাস্তু : (ফটোব্লগ) - মেহরাব শাহরিয়ার
- সে কোন মানবী! - কালপুরুষ
- আজকের যায়যায়দিনে ব্লগারদের ভার্চুয়াল রাউন্ড টেবিল আলোচনা ছাপা হয়েছে - মাহবুব মোর্শেদ
- স্বার্থপরের পদাবলী - অজানা অচেনা
- লুই কান এবং বাংলাদেশ - তানভীর
- সবার জন্য দরকারী কিছু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা - রন্টি চৌধুরী
- সান্তনা নয় প্রার্থনা ,বলে অস্ফুটে কানে কানে - সিঁদুরে মেঘ
- বাংলাদেশী ‘ডিয়াসপোরা’ ও জাতিসংঘে আমাদের পরিচয় উপস্থাপনা - শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন
- জীবনের প্রয়োজনে জীবন যেখানে পরাজিত।(চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গান : আমার সোনার বাংলা....... - সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন
- ২৬ মার্চ, ১৯৭১ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার একটি প্রমাণ : টেলেক্স প্রিন্ট আউট - অমিত
- ভুলে ভরা ডাইরি - নাদান
- রাম আমার ভাই, রহিমও আমার ভাই। - পাশা
- বৃষ্টির জলে হাত ভিজাই ( তৃতীয় পর্ব ) - ইরতেজা
- দু টাকার গল্প - মাছরাঙ্গা
- গুগল কথন ৫ - কর্মীরা যেখানে রাজা - রাগিব
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ইচ্ছে পাখী - কালপুরুষ
- হতাশাবাদী আর অবিশ্বাসীদের জন্য.... - মানবী
- বৃষ্টির জলে হাত ভিজাই ( প্রথম পর্ব ) - ইরতেজা
- Just to share with you...."" what Does Love mean"" - নতুন
- আমার কালো রঙ কি গৌঢ় হবে ? - কালো
- অমনিবাস : আমার কিছু পংতিমালা - আইরিন সুলতানা
- সাহিত্যে নোবেল মাল্য ডোরিস লেসিংয়ের গলায় - ফয়সল
- এক সানকির ইয়ার - শিলা
- একজন পাকিস্তানির দৃষ্টিতে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু(১) - শওকত হোসেন মাসুম
- সব বাবারা দেখতে এক রকম! - মানবী
- প্রণমী তোমায় - কালপুরুষ
- বউনি - আত্রেয়ী
- মেধাপাচার বনাম মেধাবিকাশ - সন্ধ্যাপ্রদীপ
- প্রিয় বিহংগকে - পুতুল
এ ভালোবাসার কোনো সীমানা নেই/বিহংগ
২৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৯
বাবা,যখন বাড়ী ফিরলেন-
খড়খড়া গ্রীষ্মের ভর দুপুরে
বড় শহর থেকে ডাক্তার দেখিয়ে,
আমরা ছোটরা কিছু বুঝি, কিছু বুঝিনা বাছারা
কী নিদারুন উতকন্টায় ছিলাম।
বাবার কিছুই হয়নিতো,প্রিয় বাবার কিছু হয়নিতো।
আর হঠাত করেই আকাশ এমন ছাইয়ের মতো মেঘলা হলো কেন।
বাবা,উঠোনে পা রাখেন।
আমরা কেউ বাবার হাত,
কেউ বাবার শাদা পান্জাবির আস্তিন জড়িয়ে
বাবাকে চেয়ার বসাই।
আজ থেকে ঠিক দুমাস পরে,
আমার যে বোনটির প্রথম সন্তান হবে,
যে ভালোবেসে তার সহপাঠীকে বিয়ে করেছিলো,
সে আবার চোরারাজনীতির ,চোরাগলির,চোরাবালিতে
ধূম করে একদিন মারা গেলো,
যার বউ হলো বিধবা,আর অনাগত সন্তান হলো পিতাহীন।
সে বাবার জন্য ঠান্ডা লেবু জল নিয়ে আসে।
বাবা,চুমুকেই সব শেষ করে বলেন-আহ!
আমরা সবাই বলি, আহাঃ বাবা কী শিশু!
বাবা, বলেন-তোমরা খামোকা চিন্তা করো।
ডাক্তার বলেছেন-
অতি গরমের চাপে শুধু একটু বায়ুছড়া হয়েছিলো,আর কিছু না।
আমাদের নিশ্চিন্ত করে বাবা মিটিমিটি হাসেন।
বাবার হাসি দেখে ,আমরা আবারো বলি, আহা,বাবা কী শিশু!
আমাদের ছোট শিশু কিন্তু বুড়ো শিশুকে পেয়েছেলো মাত্র চারমাস।
বিদায়ের সব আয়োজন শেষ হয়।
বোনের ছোট বাবুটি বড় হতে থাকে।
আর বোনের মাথায় শুধু চিন্তা পিতাহীন বাবুর বেড়ে ওঠা।
কী হবে?কী হবে?
একদিন রমিজ চাচা বাড়ী আসেন।
যিনি বাবাকে শহরে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছিলেন।
ছোট বাবুকে কোলে তুলে নেন।
আর তার ছোট ব্যাগ থেকে ডাক্তারি কিছু কাগজ ,
আর কিছু ছবি বের করেন।
যে ছবির কিছুই আমরা বুঝিনা,
শুধু দেখি-
কালোর ভিতর আলো লুকানো।
সবাই শুধু চাচার পানে চেয়ে থাকি।
চাচা, বলেন-ভাইজানের প্যানক্রিয়াটিক ক্যানসার হয়েছিলো।
ডাক্তার বলেছিলো-লাখ দশেক টাকা হলে চিকিতসা হতে পারে ।
তারপরেই ভাইজান, আমাকে নিয়ে বাড়ী ফিরেন।
আর শপথ করান,তোমাদের কাউকে কিছু না জানাতে।
চাচা, এবার আর কিছু কাগজ বের করেন।
আমাদের দীর্ঘশ্বাস প্রলম্বিত হয়।
মায়ের চোখে অশ্রুদানা,বোনের মুখে শাদা আঁচল।
বাবার স্নেহ চারপাশে ভাসতে থাকে।
চাচার হাতে ব্যাংক একাউন্টের কিছু কাগজ।
সেখানে আমাদের ছোট বাবুর নাম লিখা।
বাবা ,তার রিটায়মেন্টের পুরো দশলাখ টাকা বাবুর একাউন্টে জমা করে গেছেন।
আমরা বুঝতে পারি, সবাইকে বোকা বানিয়ে বাবা কোথাও মিটিমিটি হাসছেন।
আর বুঝি, ছবির মতো-
শত কালো মানুষের ভীড়ে বাবা আলো হয়ে লুকিয়ে আছেন।
সুতরাং বলেছেন:
আপনার লেখাটি পড়ে বাবার কথা খুব মনে পড়ছে।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
এভাবেই হয়,এভাবেই হয়ে থাকে। বাবারা এমনই হয়ে থাকে।
রাশেদ বলেছেন:
ভাল্লাগছে।
মশিউর রহমান মেহেদী বলেছেন:
সত্যিই অসাধারন লেখা ।
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার লিখেছো। মুগ্ধতা নিয়ে পড়লাম। মনের কোথায় যেন একটু কষ্টের ছোঁয়া রেখে গেল।
না বলা কথা বলেছেন:
প্রত্যেকটা লিখার ভিতরে একটা কইরা থীম দিয়া রাখো,অতি চমতকার।
শেষ পর্যন্ত না পড়লে বুঝবারই পারতামনা।
শেষ বিকেলের মেয়ে বলেছেন:
চমৎকার
কোলাহল বলেছেন:
+
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
বাবা!
ফরহান দাউদ ঠিক বলেছেন, বাবারা এমনি হয়!
বিহংগ, চমতকার লিখেছেন। মন খারাপ করে দিয়েছেন। বাবাদের বটগাছের মত স্নেহ ঘিরে থাকুক আমাদের পরিবারগুলোকে।
নিহন বলেছেন:
জাক্কাচ ।
আমরা বুঝতে পারি, সবাইকে বোকা বানিয়ে বাবা কোথাও মিটিমিটি হাসছেন।
আর বুঝি, ছবির মতো-
কতদিন যে বাবাকে দেখিনা!
দেবদারু বলেছেন:
খুব টাচি একটা কবিতার জন্য অনেক ধন্যবাদ...............




















সত্যিই!!
+