মানবজমিন ডেস্ক: বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মইনুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ তার ভূখণ্ডকে ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার হতে দেবে না। বৃহত্তম প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে সকল বিরোধ নিরসন করা হবে। নয়া দিল্লিতে ২৯তম বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিজি বলেন, ভারতের স্বার্থবিরোধী কোন তৎপরতার জন্য বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে না দেয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার তার অঙ্গীকারের কথা ইতিমধ্যে ব্যক্ত করেছে। সম্মেলনে বিডিআর প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মইনুল ইসলাম এবং বিএসএফ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিএসএফ মহাপরিচালক এমএল কুমাওয়াত। বিডিআর ডিজি বলেন, গত ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে বিডিআর বিদ্রোহের সময় ভারত সরকার ও বিএসএফ যে দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে সে জন্য ধন্যবাদ দেয়ার জন্যই তার এই সফর। ভারতের সেই দায়িত্বশীল ভূমিকা এখনও অব্যাহত রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে বিডিআর প্রধান বলেন, বিএসএফ-এর দৃঢ় অবস্থানের কারণে বিপথগামী কোন বিডিআর সদস্য সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে ঢুকতে পারেনি। পরেশ বড়–য়া ও অনুপ চেটিয়ার মতো উলফা নেতাদের কখন ভারতের কাছে হস্তান্তর করা হবেÑএ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন সরকারের বক্তব্য তুলে ধরেন। ওই বক্তব্যে বলা হয়েছিল, নতুন সরকারের জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন। তবে তিনি বলেন, এটা শিগগিরই হবে। বিডিআর বিদ্রোহে পাকিস্তানের আইএসআই সহ বাইরের শক্তি জড়িত কিনাÑ এ সংক্রান্ত প্রশ্নের ব্যাপারে কোন জবাব দিতে মইনুল ইসলাম অস্বীকৃতি জানান। বলেন, এ ব্যাপারে কোন কিছু বলা আগাম হয়ে যাবে। কেননা, বর্তমানে ঘটনা তদন্তে তিনটি কমিটি কাজ করছে। তিনি জানান, বিডিআর তার সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়ায় বিডিআর-এর নতুন নাম দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিএসএফ-এর ডিজি এমএল কুমাওয়াত বিডিআর-এর মর্মান্তিক ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ভারত সরকার ও বিএসএফ বাংলাদেশ সরকার ও বিডিআর-এর প্রতি পূর্ণ সমর্থন প্রকাশ করছে। তিনি এই বাহিনী পুনর্গঠনে প্রয়োজনে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন। বিএসএফ প্রধান বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার করতে সম্মত হয়েছি। উভয় পক্ষ সীমান্তের উভয় তীরে বাস্তবসম্মত ও ইতিবাচক উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধিতে একমত হয়েছে
এখন কথা হচ্ছে ঃ
১. ভারত কি বাংলাদেশের বন্ধু প্রতিম দেশ ?
লিংকঃ Click This Link
২. ভারত কি একবার ও বলেছে যে 'ভারতের মাটিতে বাংলাদেশ বিরোধী কোন কর্মকাণ্ড হতে দেবো না’ ? যদি না বলে তবে কেন আগ বারিয়ে এই বক্তব্য ?
৩. আমরা কি ভারতকে ভয় পাচ্ছি ?
বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে যারা ভারতের দালালি করে তারা বাংলাদেশের শত্রু।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


