আমার প্রিয় পোস্ট

সেনাপ্রধান ও বসুদ্ধরা চেয়ারম্যানকে নিয়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রনোদিত

১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩

শেয়ারঃ
0 0 0

শফিকুল ইসলাম জুয়েল,

দৈনিক প্রথম আলো পহেলা বৈশাখ সংখ্যায় প্রধান প্রতিবেদনে ‘দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির উপহার নিয়ে প্রশ্ন’ শিরোনামের অধীনে বেশ কয়েকটি উপ-প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে।

অন্য কেউ নয়, প্রথম আলো আসলে নিজেই এ প্রশ্নটি তুলেছে কিন্তু প্রতিবেদনের ছত্রে ছত্রে রয়েছে ভুল তথ্য, অবুঝের মতো ব্যাখ্যা এবং একপেশে সাংবাদিকতার নমুনা।

তাদের প্রতিবেদনেই আছেÑ একজন সম্মানিত আইনজীবী বলেছেন, দণ্ডের সঙ্গে দানের কোনো সম্পর্ক নেই। এই প্রতিবেদন নিয়ে কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে আলাপকালে তারা মত দেন যে, যদি দণ্ডিত আর অভিযুক্তদের দান আর উপহার সত্যি সত্যি অগ্রহণযোগ্য হয় তাহলে দৈনিক প্রথম আলোর মালিক যেহেতু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ই দুর্নীতিবাজদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন সেই হিসেবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন লেখার জন্য প্রথম আলোর নৈতিক অধিকার কতখানি আছে সে নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

‘সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল বিস্মিত’ উপশিরোনামের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত ব্যক্তিদের বক্তব্যে তাদের উল্লিখিত বিষয়ে অজ্ঞানতার কথা জানা গেলেও নীতিনির্ধারণী মহল বলতে যথাযথ ব্যক্তিবর্গের বিস্মিত হওয়ার কোনো লক্ষণ তাদের প্রকাশিত বক্তব্যে স্পষ্ট হয়নি। প্রতিবেদক যাদের সঙ্গে কথা বলেছেন তারাই কি সরকারের নীতিনির্ধারক?

প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক লিখেছেন, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি পটপরিবর্তনের পর ৩ ফেব্র“য়ারি থেকে যৌথবাহিনী দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু করলে বসুন্ধরার চেয়ারম্যান তার ছেলেসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিদেশে পালিয়ে যান। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান তো দূরের কথা ওয়ান ইলেভেনের পটপরিবর্তনেরও অনেক আগে ২০০৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর বসুন্ধরার চেয়ারম্যান বিদেশে যান। সুতরাং প্রথম আলো বসুন্ধরা চেয়ারম্যানের পালানোর যে তত্ত্ব উপস্থাপন করেছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সেটা বোঝা যায় কর ফাঁকির খুব তুচ্ছ মামলায় বসুন্ধরা চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে যে শাস্তি দেয়া হয়েছে সেটা দেশের জরুরি অবস্থা না থাকলে স্বাভাবিক আইনে এই সাজা হতো কিনা সেটা উল্লেখ না করায়। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলটা কেমন ছিল, কতটা অস্বাভাবিক ও মানবাধিকারহীন ছিল সেটা সকলেই জানেন কিন্তু প্রথম আলো প্রতিবেদক সে ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিশ্চুপ। ঐ সময়ে বসুন্ধরা চেয়ারম্যানের দেশে ফিরে আসার পরিবেশ ছিল কিনা এবং প্রভাবমুক্ত ন্যায়বিচার পাওয়ার পরিবেশ ছিল কিনা এসব কিছুই প্রথম আলো প্রতিবেদক এড়িয়ে গিয়ে তার ‘উদ্দেশ্য’ যে অন্য কিছু সেই সন্দেহের সৃষ্টি করে দিয়েছেন।

অনেকেই মনে করেন, দেশের রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে দুর্নীতির প্রবল প্রবণতা আছে একথা সত্যি হলেও ওয়ান ইলেভেন-উত্তর পরিস্থিতিতে রাজনীতিক ও শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জরুরি আইনের ছত্রছায়ায় গৃহীত নিবর্তনমূলক ব্যবস্থা প্রকৃতপক্ষে গণবিরোধী বলেই সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। বেআইনি পথে আইনের শাসন বা সুশাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা সফল হয়নি।

অনেকেই মনে করেন, সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ বসুন্ধরার চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানকে (শাহ আলম) সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠান করেই তার বা সেনাবাহিনী বা সরকারের অবস্থান পরিবর্তনের সূচনা করেননি বরং এ অবস্থান পরিবর্তন শুরু হয়েছে বিগত নির্বাচনের বহু আগেই। সেই একই সময় তৎকালীন ক্ষমতাসীন মহল ব্যর্থ হয়ে বহুল আলোচিত মাইনাস টু থিওরি পরিত্যাগ করেন এবং তারও কয়েক মাস আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাঝামাঝি সময়েই শীর্ষ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে নেয়া সকল ব্যবস্থাই বিগত সামরিক বাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। সে সময়ে তারা নতুন করে ব্যবসায়ীদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করতে থাকেন এবং ব্যবসায়ীদের নানান সুযোগ-সুবিধাও দেয়া শুরু করেন।

সংশ্লিষ্ট ও অভিজ্ঞমহলের দৃঢ় বিশ্বাস, বসুন্ধরা চেয়ারম্যানের প্রত্যাবর্তন ও সেনাপ্রধান সমেত বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অনুষ্ঠানে যোগদান সেই পরিবর্তিত নীতিরই সর্বশেষ প্রতিচ্ছবি। তাদের মতে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম কৌশল ছিল ভুল এবং পরবর্তী কৌশলটি বলা চলে সঠিক অথবা পূর্বের ভুল শোধরানোর প্রচেষ্টার অন্তর্গত।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন একপেশে। কারণ তারা বসুন্ধরা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলার কথা বলেছেন কিন্তু প্রতিবেদনের কোথাও বসুন্ধরা গ্র“প যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং এ গ্র“পটি যে বাংলাদেশের বৃহত্তম শিল্প পরিবার, তাদের যে জাতীয় অর্থনীতিতে কী কী অবদান এর কিছুই উল্লেখ করেননি। প্রথম আলোর প্রতিবেদন পড়লে মনে হবে, এখনো যেন ওয়ান ইলেভেন-উত্তর সেই শুরুর মাসগুলো চলছে। যেন এই প্রথম আমরা অনুভব করলাম দুর্নীতিবিরোধী অভিযান প্রশ্নবিদ্ধ হলো। প্রথম আলোর প্রতিবেদকের মাথায় বিগত এক বছরের পরিবর্তনের ছিটেফোঁটাও নেই। তার মাথায় নেই যে, মাইনাস টু থিওরি ব্যর্থ হয়েছে, জনগণ এটা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার তা মেনেও নিয়েছে। তারা দেখেও দেখছেন না যে গোটা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সততাই এখন প্রশ্নবিদ্ধ। দুদকের চেয়ারম্যান ব্যর্থতার অভিযোগ মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন। দুদকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এখন জবাবদিহিতার প্রশ্নে প্রাণান্তকর অবস্থা।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে সেই ঔচিত্যবোধের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে যে ওয়ান ইলেভেনের ঔচিত্যবোধ ছিল গুটি কয়েক জনসম্পৃক্ততাহীন তথাকথিত সুশীল সমাজের অন্তর্ভুক্ত নাগরিকের। বাংলাদেশের বৃহত্তর নাগরিক সমাজ যেটা কিছুতেই গ্রহণ করেনি।

আমরা নিশ্চয়ই দুর্নীতিমুক্ত সমাজ চাই। কিন্তু তাই বলে মানুষের নাগরিক ও মৌলিক অধিকার খর্ব করে তথাকথিত দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের আমরা বিপক্ষে। আমরা চাই কেউ উপহার, উপঢৌকন বা উৎকোচ দিয়ে অভিযোগ থেকে রেহাই যেন না পান। আমরা চাই আইন তার নিজস্ব গতিতে চলুক। কিন্তু আমরা দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে ধনিক শ্রেণী-বিদ্বেষী অথবা প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের বিপক্ষে তথাকথিত জনসম্পর্কহীন সুশীল সমাজের অনির্বাচিত সরকার চাপিয়ে দেয়ার সকল প্রয়াসেরও বিরোধিতা করি। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ধনী মানুষেরাই দেশকে এগিয়ে নেয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে।

প্রথম আলোর প্রতিবেদক সম্ভবত উপলব্ধি করেন না যে, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বেশকিছু কার্যক্রমকে সরকারের ধারাবাহিকতার স্বার্থে বৈধতা দেয়া হলেও বিগত সরকারের অনেক পদক্ষেপই শেষ পর্যন্ত বৈধতা পায়নি এবং সর্বোপরি বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ অবৈধ সরকার হিসেবে গণ্য করে।

শিল্প ব্যবসা-বাণিজ্যে বিগত দুবছরাধিক স্থবিরতার পর এখন আবার যখন জোয়ারের সময় এসেছে তখন আমরা যেন ব্যবসায়ী শিল্পপতিদের বিরুদ্ধে অবুঝের মতো অপরিপক্ক হাতে বিরক্তি উদ্রেককারী অপপ্রচার না চালাই।

বসুন্ধরার চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান আগামী তিন বছরে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে জেলা পর্যায় থেকে ফুটবল খেলোয়াড় তৈরির কাজে চার কোটি টাকা দেয়ার চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। একই অনুষ্ঠানে উচ্ছ্বসিত বসুন্ধরা চেয়ারম্যান ২শ কোটি টাকা দামের ২০ বিঘা জমি দুটি ফুটবল খেলার মাঠ ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য উপহার হিসাবে দেয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন। সেনাপ্রধানের উপস্থিতি যদি এই দানের ঘোষণাকে উৎসাহিত করে থাকে তাহলে অনেকে মনে করেন এই পাশাপাশি বসা অত্যন্ত শুভবুদ্ধির পরিচায়ক। সর্বোপরি এ অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন সম্ভবত বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে। আর উদ্যোক্তা ছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। কিংবদন্তিতুল্য ফুটবলার সালাহউদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ফুটবলে যে নবজাগরণ শুরু হয়েছে তাকে কেউ রুখবেন না প্লিজ।

শাহ আলম সাহেব দেশে একটি রিফাইনারি ও স্টিল মিল প্রতিষ্ঠায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের জন্য কাজ করছেন। সৌদি আরব আর ভারতের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এ দুটোয় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ কাজের সুযোগ পাবে। এ সময়ে কেন তার উপর আক্রমণ?

পাদটিকা: আমরা যদি তথাকথিত দুর্নীতিবাজ অথবা দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে পরিচিত কিংবা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের উপহার বা দান অগ্রাহ্য করতে চাই তাহলে ঠাণ্ডা মাথায় সকলকে চিন্তা করতে অনুরোধ করব বাংলাদেশের হাজার হাজার মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ, দাতব্য চিকিৎসালয় প্রভৃতি পরিহার করতে হবেÑ তার হিসাব আমরা করে দেখেছি কি? বাংলাদেশে আসলে সম্পূর্ণ অভিযোগমুক্ত ধনী ও দাতা কে আছেন, আছেন কি একজনও?

দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় ভারতের উলফার অর্থায়ন কিংবা পত্রিকা মালিকের নাম সেসময় দুর্নীতিবাজদের তালিকায় উঠেছিল বলে প্রথম আলো বাংলাদেশের সেরা ও সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক হওয়া সত্ত্বেও কেউ এটাকে সামগ্রিকভাবে সন্দেহের চোখে দেখবে এটা যেমন অনভিপ্রেত তেমনি এদেশের সেরা ও শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্র“প বসুন্ধরার ব্যাপারেও সেই একই বিবেচনা প্রযোজ্য।----- আমাদের সময়

লিংকঃ
Click This Link

আমার বক্তব্যঃ
এটাই প্রথম আলোর কাজ। কিন্তু আমরা দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে ধনিক শ্রেণী-বিদ্বেষী অথবা প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের বিপক্ষে তথাকথিত জনসম্পর্কহীন সুশীল সমাজের অনির্বাচিত সরকার চাপিয়ে দেয়ার সকল প্রয়াসেরও বিরোধিতা করি। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ধনী মানুষেরাই দেশকে এগিয়ে নেয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। ----- মুক্তবাজার অর্থনীতির স্বরূপ আমরা বর্তমানে টের পাচ্ছি !! যারে কয় ১০ম শ্রেনীর ষ্টুডেন্টের সাথে ক্লাস টুর ষ্টুডেন্টের পাল্লা দেয়া আর কি!

দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় ভারতের উলফার অর্থায়ন কিংবা পত্রিকা মালিকের নাম সেসময় দুর্নীতিবাজদের তালিকায় উঠেছিল বলে প্রথম আলো বাংলাদেশের সেরা ও সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক হওয়া সত্ত্বেও কেউ এটাকে সামগ্রিকভাবে সন্দেহের চোখে দেখবে এটা যেমন অনভিপ্রেত তেমনি----- দোষী সে যেই হোক সে অপরাধীই। হোক সে প্রথম আলো।

প্রথম আলো নবীজির ব্যঙ্গ কাটুন ছাপা মানে ইসলাম বিদ্বেষী।
তাই আসুন সোচ্চার হয় প্রথম আলো থেকে। সেই সাথে সোচ্চার হয় সকল দেশী ও বিদেশী ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া থেকে যারা জেনে শুনে সত্য গোপন করে
ধিক্কার মিডিয়ার এই জঘন্য রাজনীতিকে।



 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সেনাপ্রধান ও বসুদ্ধরা চেয়ারম্যানকে নিয়ে প্রথম আলোর প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ;
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯
হমপগ্র বলেছেন: প্রথম আলো কী ঐ ছবিটাও বানাইছে? এ ব্যাপারে কিছু বললেন না?

যখন বসুন্ধরার মালিকের ছেলে সানবীরকে খুনের মামলা থেকে বাচানোর জন্য মামলাটা নিয়ে টানাটানি শুরু হয় বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে, তখন কিন্তু প্রথম আলোই এই খবরগুলো ফলো আপ করেছিল।

সেখানে স্পষ্ট ভাবে একটা জিনিস উঠে এসেছিল যে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রীকে বসুন্ধরার মালিক ২০ কোটি টাকা দিয়েছেন এই মামলা শেষ করার জন্য।

এইধরণের একটা লোকের সাথে একটেবিলে কেমন করে সেনাবাহিনী প্রধান বসলেন? সেটাই আমার প্রশ্ন!
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

লেখক বলেছেন: অপরাধী যেই হোক সে বসুদ্ধরার বা প্রথম আলোর মালিক তাতে কি , তার বড় পরিচয় সে অপরাধী।

২. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯
সেলটিক সাগর বলেছেন: বসুন্ধরা কিরকম টাকা পয়সা দেয় এরকম তেলতেলে রিপোর্টিং এর জন্য?
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: সেটা আমাদের সময়ের শফিকুল ইসলাম জুয়েলকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। আর আমার মতামত নিচে।

৩. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: এটাই প্রথম আলোর কাজ। কিন্তু আমরা দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নামে ধনিক শ্রেণী-বিদ্বেষী অথবা প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রের বিপক্ষে তথাকথিত জনসম্পর্কহীন সুশীল সমাজের অনির্বাচিত সরকার চাপিয়ে দেয়ার সকল প্রয়াসেরও বিরোধিতা করি। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ধনী মানুষেরাই দেশকে এগিয়ে নেয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। ----- মুক্তবাজার অর্থনীতির স্বরূপ আমরা বর্তমানে টের পাচ্ছি !! যারে কয় ১০ম শ্রেনীর ষ্টুডেন্টের সাথে ক্লাস টুর ষ্টুডেন্টের পাল্লা দেয়া আর কি!

দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় ভারতের উলফার অর্থায়ন কিংবা পত্রিকা মালিকের নাম সেসময় দুর্নীতিবাজদের তালিকায় উঠেছিল বলে প্রথম আলো বাংলাদেশের সেরা ও সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক হওয়া সত্ত্বেও কেউ এটাকে সামগ্রিকভাবে সন্দেহের চোখে দেখবে এটা যেমন অনভিপ্রেত তেমনি----- দোষী সে যেই হোক সে অপরাধীই। হোক সে প্রথম আলো।

প্রথম আলো নবীজির ব্যঙ্গ কাটুন ছাপা মানে ইসলাম বিদ্বেষী। তাই আসুন সোচ্চার হয় প্রথম আলো থেকে।
৪. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
সাদা কাগজ বলেছেন: বিরাট জ্ঞানী পুস্ট
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২

লেখক বলেছেন: বিরাট জ্ঞানী পুস্ট

৫. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
সুবিদ্ বলেছেন: বিনিয়োগে কোন সমস্যা নাই........কিন্তু এইটারে বিনিয়োগ না বলে ঘুষ বললে ভালো হয়........
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: খারাপ বলেনি.... একমত

৬. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: যেই বসুন্ধরা স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীরে কিন্যা ফালাইতে পারে, সেই বসুন্ধরা একজন সাংবাদিকরে কিনতে পারব না। জুয়েল ভাই মাল পানি ভালো খাইছে বইলা আমার ধারণা। এত তেল চিটচিটে রিপোর্ট কি আর এমনি এমনি হয় ? কথায় বলে, কাক কাকের মাংস খায় না, সাংবাদিক সাংবাদিকের মাংস খায়।
Click This Link
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: কথায় বলে, কাক কাকের মাংস খায় না, সাংবাদিক সাংবাদিকের মাংস খায়। --জব্বর কথা শুনাইলেন শামীম ভাই ;) ;)

৭. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮
রশিক রশীদ বলেছেন: ভাই আমি প্রথম আলোর পক্ষেও না আবার শাহআলম সাহেবর পেক্ষ্ও না । কিন্তু আপনারে একটা প্রশ্ন জিগাইতে চাই জুয়েল ভাই । আপনে আবার পক্ষ হইলেন কবে । আপনার লেখা পড়লেতো মেন হয় এইটা হয় সেনা বাহিনী প্রধান লিখেছেন অথবা শাহ আলম সাহেব লিখেছেন । ভাই পত্রিকায় লেখার ক্ষেত্রে একটু নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করেন। প্রথম আলোর সমাচলোনা করে আপনিওতো প্রথম আলোর মতই কাজ করলেন।
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: একই প্রশ্ন আমারও ?
দয়া করে জুয়েল ভাই জবাব দিয়েন ;)

৮. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১
তিথী ও টাটা বলেছেন: ০১৭১৩০৬৭৮৮৭ এইটা জুয়েলের ফোন নাম্বার। সে স্বিকার করেছে সে ও তার সম্পাদক টাকা নিয়েছে এই রিপোর্টিং টার জন্য। তাদের যুক্তি হল: শাহ আলম উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আতাত করে দেশে এসেছে তাই সবাই ওর টাকার ভাগ পেয়েছে তাহলে 'আমার দেশ' পত্রিকাটির টাকার ভাগ নিতে অসুবিধা কি?? কেননা ৈদনিক আমার দেশ টাকার জন্য সাংবাদকিদের বেতন দিতে পারে না ঠিক মত। আর তাছাড়া সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান বি.এন.পি র আমলেও তারেক রহমানরে বন্দনা করে অনেক লিখা লিখছিল তখন। তাছাড়া সম্পাদকের অন্য একটা বড় পরিচয় হল তার বাবা একটা কুখ্যাত রাজাকার ছিল কুমিল্লা শহরের বাগিচাগাও এলাকার তাই তার কোন নীতি ৈনতিকতা বোধ নেই।
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: জুয়েল সাহেব আমার দেশ' পত্রিকা নাকি "আমাদের সময়" পত্রিকা কোনটির ??

৯. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২
আই.কিউ. বলেছেন: পয়লা আলুরে মাইনাস
১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ @ আই কিউ কে। একমত আপনার সাথে

১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার সমস্যা ?

১১. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
ঘোর বলেছেন: সেলটিক সাগর বলেছেন: বসুন্ধরা কিরকম টাকা পয়সা দেয় এরকম তেলতেলে রিপোর্টিং এর জন্য?

দারুণ কমেন্ট!
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: দারুন কমেন্ট!!

১২. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫
সমাজ্ঞী বলেছেন: "পরিবর্তনবাংলা" এই হোল আপনার পরিবর্তন।

মইন-শাহ আলমের দুকান কাটা ইমেজ পুনরুদ্ধারের দায় আমাদের সময় পত্রিকা, সম্পাদক নঈমুল ইসলাম খান আর শফিকুল ইসলাম জুয়েল এর ঘাড়ে সব চাপিয়ে বলছেন "জুয়েলকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। আর আমার মতামত নিচে"। ভাল!

আপনার মতামতটা কী জুয়েলদের চেয়ে আলাদা। আমাদের সময় পত্রিকা, সম্পাদক নঈমুল ইসলাম খান আর শফিকুল ইসলাম জুয়েল যে দোষে দোষী, যে পরিকল্পনার অংশ আপনি তার স্যাঙ্গাত। দেখাই যাচ্ছে, আপনি এর বাইরে না।

প্রথম আলোকে আমরা চিনি। ওর আকাম কুকাম বৃত্তি, সুশীল ও দুতাবাসের সঙ্গে বসবাস, ১/১১ এর কারিগর - আমরা সব জানি।

এর মানে কী মইন-শাহ আলমের দুকান কাটা দেশদ্রোহী কাজের সাফাই বা তাদের ইমেজ পুনরুদ্ধারের জন্য প্রথম আলোর সামাজিক বদনামগুলোকে মনে করিয়ে দিতে হবে? "প্রথম আলো নবীজির ব্যঙ্গ কাটুন ছাপা মানে ইসলাম বিদ্বেষী" পাঠককে মনে করিয়ে "তাই আসুন সোচ্চার হয় প্রথম আলো থেকে" বলে উস্কানি মতামত লিখতে হবে? ধিক আপনাকে।
আপনি হয় অত্যন্ত বেকুব, নাদান নয়তো কোন বৈষয়িক সুবিধার কারণে আমাদের সময় পত্রিকা, সম্পাদক নঈমুল ইসলাম খান আর শফিকুল ইসলাম জুয়েল গংয়ের পক্ষ নিয়েছেন, ওকালতি করছেন। কিন্তু বৃথা। কারণ আপনারা মানুষকে বোকা ভেবেছেন।

সন্ধায় বাসায় ফিরে ঠান্ডা হয়ে, বাথরুমে একাকি আয়নার সামনে দাঁড়াবেন। মানে নিজের সামনে নিজে দাঁড়াবেন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করবেন আজকে কাজটা ঠিক করেছেন কী না? কাউকে লাগবে না, সৎ সাহস থাকলে আপনি নিজেই যথেষ্ট।
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: আমার পুরা লেখাটা আবার পড়বার আহব্বান রইল।

"কাউকে লাগবে না, সৎ সাহস থাকলে আপনি নিজেই যথেষ্ট" ---- এটাতো প্রথম আলোর মন্তব্য!! আমি নিজেই যদি যথেষ্ট হয় তবে আর দেশ কেণ ? সমাজ কেন ? রাষ্ট্র কেন ? তাহলে সরকার কেন দরকার ? ভোট কেন দিই ?? বলবেন কি ?

আমার মূল বক্তব্য ছিল মিডিয়ার এই জঘন্য নীতি নিয়ে, আশা করি বুঝেছেন।

১৩. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৭
সরকার সেলিম বলেছেন:
আমি শাহ আলমের পক্ষে না সে যদি দুরনীতি বাজ হয় তার শাস্তি হওয়া উচিত। কিন্তূ প্রথম আলোর প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ইহাতে কোন সন্দেহ নাই।

আর এইটা স্বীকার করতে হবে যে বসুন্ধারা শপিংমল এশিয়াতে সেরা কয়েকটি শপিংমলের একটি যাহা দেশের বাহিরে বাংলাদেশের ভাবমুর্তি উজ্জল করে। দেশের ফুটবালের উন্নয়নের জন্য বসুন্ধারা টাকা দিলে প্রথম আলোর সমস্যটা কোথায়। গত ২ বছর আগে প্রথম আলো একটা প্রজেক্ট হাতে নিয়ে দেশের ১২টা বাজাল। আর যখন ফুটবলের দিকে মানুযের একটু একটু করে আগ্রহ বাড়ছিল, লোকজন ডোনেশন দেয়া শুরু করছিল ঠিক তখনি ফুটবলকে শেয করার জন্য প্রথম আলোর আরেক টি প্রজেক।

গত দিনের এই সম্পের্কের আরেকটা পোষ্ট: Click This Link

যেখানে আমার মন্তব্য ছিল এই রকম:

আসলে প্রথম আলোর জ্বালা টা অন্য জায়গায়। আগে মঈন মিয়া ছিল ট্রানেসকম গ্রুপের লতিফ মিয়া আর মতি মিয়ার লগে, গতকাল মঈন মিয়ারে বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালকের লগে দেখা প্রথম আলো রাগে ফাইটা এই নিউজ টা করল। প্রথম আলো বুকে হাত দিয়া কইতে পারব যে ওগো বাপ লতিফ মিয়া ক্লিন!! প্রথম আলোর বাপের নাম কি দুরনীতি বাজদের শীর্ষ তালিকায় ছিল না? হেইটা একটা ট্রানেসকম গ্রুপের বিজিনিস পলিছি। প্রথম আলোরে সামনে ধইরা বাকসাইটে ট্রানেসকম বিসনিস করে। বসুন্ধরার যদি একখান পত্রিকা থাকত তাহলে দেখতেন খেলা কেমনে জমত। সুনিতা পাল কইছিল যে প্রথম আলোতে নাকি পরেশ বড়ুয়ার ইনভেষ্ট আছে।
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: ধিক্কার মিডিয়ার এই রাজনীতিকে।!!

১৪. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:১৫
হায়াত-মউত বলেছেন: শিরোনাম দেখে যতটা উৎসাহিত হয়েছিলাম শেষের দিকে ততটাই হতাশ হলাম। প্রথম আলোর ইতরামীর বিরুদ্ধে লিখতে গিয়ে ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় দালাল মইন উ আর ভুমিদস্যু বসুন্ধরার সাফাই গেয়ে শেষ করেছেন। এখানেই আপনার/আপনাদের সমস্যা। এক ইডিয়টের বিপক্ষে বলতে গিয়ে আরেক ইডিয়টকে সুযোগ করে দেয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেন না।

তবে আমি মনে করি প্রথম আলো এবং এই সিন্ডিকেটটার (যারা মুলত এই দেশে বিদেশী মিশণ বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে) বিরুদ্ধে ব্যপক জনমত গঠনের কাজ এখনি শুরু করা উচিত। কারন দুঃখজনক হলেো সত্য যে অশিক্ষিত তো বটেই অসংখ্য (তথাকথিত) শিক্ষিত মানুষজনো প্র. আ.র কারসাজি ধরতে ব্যর্থ হন। আর এই সুযোগে একের পর এক অপকর্ম করে পার পেয়ে যাচ্ছে তারা। যেহেতু এরা প্রশাসন সহ সর্বস্তরের আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পর্যন্ত তাদের কলমাস্ত্রের কাছে জিম্মি করে রেখেছে এবং তাই এদের অপকর্ম সবসময় পর্দার আড়ালেই থেকে যাচ্ছে।

একটা ব্যাপার হয়তো খেয়াল করবেন: পিলখানা ঘটনার পর দেশের প্রত্যেক সচেতন মানুষ এ ব্যপারে ইন্ডিয়ার ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত করেছে। কিন্তু প্র. আ. পুরোপুরি নীরব তো বটেই বরং কিভাবে বাংলাদেশের এই ক্রান্তিকালে ইন্ডিয়া বর্ডারে নিজেদের সংযত রেখে ধন্যবাদ পাোয়ার কাজ করেছে সে ব্যাপারে প্রথম পাতায় নিউজ করে। এছাড়া পিলখানা ঘটনা নিয়ে প্রথম কয়েকদিন মাতামাতি করে (গরম খবরে পত্রিকার কাটতি বাড়ে, ব্যবসা ভালো জমে) আস্তে করে চুপ মেরে গেছে। সে সময় এরা নিজেদের ব্যস্ত রেখেছে দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা, বগুড়ার গুলি উদ্ধার ইত্যাদি পুরোনো ইস্যু নিয়ে। এখানে আরো লক্ষনীয় যদিো এর আগে এসব ঘটনায় সরাসরি জঙ্গী দের জড়ানো হয়েছিলো কিন্তু এসময় এই রিপোর্টগুলোতে উলফা, সেভেন সিষ্টারস, ভারতের স্বাধীনতার জন্য হুমকি ইত্যাদি বিষয় প্রাধান্য পেয়েছিল। আশা করি সচেতন পাঠক কিছুটা হলেো বুঝতে পারছেন আমি কি বলতে চাচ্ছি। এরকম হাজারো উদাহরণ টানা সম্ভব কিন্তু আপাতত আর না।
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন: ধিক্কার প্রথম আলোর এই জঘন্য রাজনীতিকে।

১৫. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৮:২১
পারভেজ বলেছেন: বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ দেখা যায় আপাততো টাকা পয়সা দিয়ে লোক কিনছে। এর পর কি আবারও খুনাখুনি শুরু করবে?
এই দেশে সব ই সম্ভব।
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন: সময়ই তা বলে দেবে।

বসুন্ধরা টাকা দিয়ে লোক কেনে ?
আর প্রথম আলো আমাদের ব্রেন ওয়াস করে জঘন্য রাজনীতির মাধ্যমে কারে আপনি ভাল বলবেন ?

১৬. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৯:০১
তিথী ও টাটা বলেছেন: ভাই ব্রেদাররা,আপনারা একটা ভুল করছেন এবং তা হল প্রথম আলোর সমালোচনা করছেন আর একটা খুনিকে বাচানোর জন্য। যদি প্রথম আলো খারাপ হয়ে থাকে তবে তার সমালোচনা করেন,কিন্তু এর সাথে আপনারা আরেক খুনি শাহ আলম এর পক্ষ টেনে আনছেন কেন বুঝলাম না!! আরে ভাই শাহ আলমতো আরো একটা ভয়ংকর খুনি,গরীবের জায়গা নাম মাত্র মুল্যে দখলকারী। প্রথম আলোর সমালোচনা করতে গিয়ে তাকে বাচানোর চেস্টা কেন করছেন??
আর খুনি শাহ আলমের বিরদ্ধে তো শুধু প্রথম আলোই লিখেনি আরো
অন্যা্ন্য পেপার ও লিখেছে।
যেমন যুগান্তর বা ইনকিলাব
প্রথম আলো যদি খারাপ হয় তবে শাহ আলম কি ভালো???
দুইটাই তো খারাপ!!
ইনকিলাবের খবরটি পড়ুন:
http://www.dailyinqilab.com/april16/pdf/n2.pdf

১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৯

লেখক বলেছেন: আমার লেখার সারমর্মঃ

তাই আসুন সোচ্চার হয় প্রথম আলো থেকে। সেই সাথে সোচ্চার হয় সকল দেশী ও বিদেশী ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া থেকে যারা জেনে শুনে সত্য গোপন করে।
ধিক্কার মিডিয়ার এই জঘন্য রাজনীতিকে।

১৭. ১৬ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৯
চল যাইগা বলেছেন: প্রশ্ন:

১| ১৪টি চুরি ও দুর্নীতির মামালার আসামি হাসিনার সাথে মইনেরতো অনেক মিটি; হ্য়, প্রথম আলো কিছু বলে কী?

২| বসুন্ধরার মালিকের আগে আরো কত জন দুর্নীতিবাজ দেশে এসেছে?

৩|বসুন্ধরার মালিক জয়ের একাউন্টে কত কোটি ডলার জমা দিয়ে দেশে আসার পারমিশন পাইছে?

১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন: বসুন্ধরার মালিকই এর উত্তর ভাল বলতে পারবে ।

১৮. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৩৮
রোহান বলেছেন: প্রথম আলোকে আমরা চিনি। ওর আকাম কুকাম বৃত্তি, সুশীল ও দুতাবাসের সঙ্গে বসবাস, ১/১১ এর কারিগর - আমরা সব জানি।

এর মানে কী মইন-শাহ আলমের দুকান কাটা দেশদ্রোহী কাজের সাফাই বা তাদের ইমেজ পুনরুদ্ধারের জন্য প্রথম আলোর সামাজিক বদনামগুলোকে মনে করিয়ে দিতে হবে? "প্রথম আলো নবীজির ব্যঙ্গ কাটুন ছাপা মানে ইসলাম বিদ্বেষী" পাঠককে মনে করিয়ে "তাই আসুন সোচ্চার হয় প্রথম আলো থেকে" বলে উস্কানি মতামত লিখতে হবে? ধিক আপনাকে।
আপনি হয় অত্যন্ত বেকুব, নাদান নয়তো কোন বৈষয়িক সুবিধার কারণে আমাদের সময় পত্রিকা, সম্পাদক নঈমুল ইসলাম খান আর শফিকুল ইসলাম জুয়েল গংয়ের পক্ষ নিয়েছেন, ওকালতি করছেন। কিন্তু বৃথা। কারণ আপনারা মানুষকে বোকা ভেবেছেন।
===========================================

ভাই আপনের মূল উদ্দেশ্য কইলেন "মিডিয়ার এই জঘন্য নীতি"। ভালো কথা, অহন কন দেহি পরথম আলু যদি জঘন্য হয় তাইলে চুরা, খুনি শাহ আলমরে তৈল মাইরা লেখছে যে আমগো সময় -- হেগো নীতি কিরাম জঘন্য??? বসুন্ধরা গ্রুপ হাজার হাজার মাইনসের কর্ম দিতে গিয়া লাখ লাখ মাইনসের কপালে যে বাঁশ মাইরা টেকা কামাইছে তার কি হইবো?

@ সরকার সেলিম ভাই আপনে অন্তত ভালা কামে কমেন্ট করেন, চোরাগো সাপোর্টে আহেন কেন? পরথম আলু খারাপ ভালা কথা তয় রিপোর্ট তো করছে আরেক বড় খারাপের নামে। পাবলিকগো পিছে বাঁশ দিয়া কোটি টাকা কামাইবো আর দুই চাইর লাখ টেকা দান খয়রাত কইরা সেই টেকা হালাল করবো-- এতেই খুশি হইয়া গেলেন??

আরেকখান কথা আমগো দেশ ফরতিকা নাহয় শাহ আলম সাবের থিকা টেকা পয়সা পাইতে পারে, মাগার আম্নেরা ফাও ছাগলের তিন লাম্বার পুলার মত আজাইরা ফাল পারতাছেন কেন চুরাগো পক্ষে??

আরেকখান কথা (এইডাই শেষ) নবীজির ব্যঙ্গ কাটুন ছাপা নিয়া এত ফাল পাড়েন, ঐ কার্টুন পরথম নাকি কিশোরগো কন্ঠ নামের শিবিরের ফরতিকায় ছাপা হইছিলো :-* ইহা অবশ্য দুষ্টু লোকে কয়, তয় দুষ্টু লোকের মুখে যাহা রটে তার কিছুটা সত্য বটে ;) আমনেরা হেই ফরতিকার বিরূদ্ধে একখান চিল্লা ফাল্লা কইরা দেখান দেহি B-)
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনে কিন্তু আবার ভূল করছেন , প্রথম আলো আর শাহ আলম কেউই নিরাপরাধী নয়। আমি তাদের বা যে কোন অপরাধীর বিরুদ্ধে । আর লেখা কিন্তু সেই অপরাধীদের বিপক্ষে হোক সে শাহ আলম বা প্রথম আলো।

১৯. ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১:০১
রোহান বলেছেন: লেখা কিন্তু সেই অপরাধীদের বিপক্ষে হোক সে শাহ আলম বা প্রথম আলো।
==========================================
কিন্তু আপনের লেখা একতরফা হয়ে গেলো না??? খালি প্রথম আলোর দোষ দেখাইলেন ব্যঙ্গ কার্টুন ছাপাইছে, কিশোর কন্ঠের কথা তো বললেন না। প্রথম আলো শাহ আলমের ফটু দিয়া ষড়যন্ত্র করছে বললেন, শাহ আলম যে দেশের সর্বনাশ করে বড়লোক হইছে এই কথা বলার সৎ সাহস নেই কেনো। দান ছত্র গ্রহনে ক্ষতি নাই কিন্তু সেই দান যদি উদ্দেশ্যপ্রনদিত হয় তবে সমস্যা আছে। বসুন্ধরা গ্রুপ তো এক খুনিরে বাঁচাতে গিয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ই কিনে নিয়েছিলো। এখন খেলায় মাঠ দান করে কয়জনের ভিটা বাড়ি দখলে নেয় সেইটাই কথা।

প্রথম আলোর বিরূদ্ধে আছেন ভালো কথা কিন্তু তাদের খারাপ রিপোর্ট নিয়ে কথা বলেন। এক চোর নাহয় আরেক চোরকে চোর দেখালো, কিন্তু তাতে অন্তত একজন চোরের মুখোশ তো খোলা হলো, তাতে জুয়েলদের সাথে সাথে আপনাদেরও গা জ্বলে কেনো?
১৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: কিশোর কন্ঠের রেফারেস্ন দেন ?
কিশোর কন্ঠতো শুধু কিছু শিবির বা জামাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ , আর প্রথম আলো কিন্তু সমস্ত বাংলাদেশে ব্যপি ,তাই তার দায়দায়িত্ব কিন্তু অনেক বেশী।

প্রথম আলোর মূল মিশন কি ?
প্রথমআলো রাজনীতি করে কি ?
প্রথম আলোর রাজনীতি আমরা বুঝি কি ?


প্রথম আলোর ক্রাইম ও ইসলামী রিপোটার একই ব্যক্তি !!

একই ভাবে কিশোর কন্ঠ বা শাহ আলম যেই হোক না কেন ?

পক্ষ ২টি
১.ন্যায় ও সত্যের পক্ষে
২.মিথ্যা ও অন্যায়ে পক্ষে

আমি প্রথমটার পক্ষে। সবাইকেই এর ভিত্তিতে বিচার করা উচিত। এখানে আমার লেখাতেও সেটাই বুঝাতে চেয়েছি।

২০. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
রোহান বলেছেন: ভাইরে খালি কথা ঘুরান কেন। আপনে নিয়ায় ও সইত্যের পথে। তাইলে পরথম আলু যদি মিথ্যা ও অন্যায়ের পক্ষে হয় তাইলে কিশোর কন্ঠ ও শাহআলম ও মিথ্যা ও অন্যায়ের পক্ষে। আমার কতা হাচা হইলে কন সহমত। না মানলে কন মানি না শুধু পরথম আলু খারাপ আর বাকি দুইটা ভালো। এক কথায় উত্তর দেন, ঘুরায়া পেচায়া কইয়েন না।
১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: একমত।

১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও।

২২. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: @রোহান আপনে কিন্তু কিশোর কন্ঠের সেই লিংকটা এখনও দেননি, এতে কিন্তু প্রমানিত হয় কিশোর কন্ঠ নির্দোষ।
২৩. ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫
শুভ্র সকাল বলেছেন: কিশোর কন্ঠের লিংক বলতে কি বুঝাচ্ছেন জানি না। তবে এই লিখাটা (Click This Link) বোধহয় আপনি দেখতে পারেন।

এখানে একটা কথা বলে রাখি যা প্রথম আলো বা আর কেউই এই পর্যন্ত বলেনি। বসুন্ধরা যে রিভারভিউ প্রকল্পে বাফুফের জন্য মাঠ দেয়ার কথা বলছে তা কিন্তু এখনও অবৈধ। রাজউক এর কোন অনুমোদন দেয়নি। আর ঢাকার স্ট্রাকচার প্লানেও জায়গাটি বন্যা প্রবাহ স্থান হিসাবে দেখানো আছে। এখন বিষয় হচ্ছে এই উপহারের মাধ্যমে যদি বসুন্ধরা তাদের অবৈধ কাজের বৈধতা আনার চেষ্টা করে তবে তা হবে সবচেয়ে ক্ষতিকর।
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: একমত। আশা করি সচেতন দেশ বাসী বসুন্ধরার এই ঘৃন অপকর্মৈর বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবে

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৪৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
চারপাশে শুধু পরিবর্তন দেখতে পাই
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ