somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের আচরণবিধি
সম্প্রতি কিছু সাংসদদের সংসদের বাইরে কয়েকটি বিশৃংখলামূলক আচরণের ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। কক্সবাজারের একজন সাংসদের বিষয়ে জানা যায় যে তিনি অন্য ব্যক্তিদের মারধোর বা অন্যায়ভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়ে হ্যাট্রিক অর্জন করেছেন। অর্থাৎ, পরপর অন্য তিন ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন।

গত ২৯মে তারিখে চট্টগ্রামের আইন-শৃংখলা কমিটির সভায় একজন সাংসদ দিনের বেলায় শহরে ট্রাক বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে যুক্তি দেখাতে গিয়ে বিতর্কে জড়িত হয়ে পড়েন। সংশ্লিষ্ট সাংসদ ইতিপূর্বেও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে এমন আচরণ করেন যা পত্রপত্রিকায় অশোভনীয় আচরণ হিসাবে চিহ্নিত করে ছবিসহ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

প্রত্যক্ষভাবে ঐ আচরণের উল্লেখ না করে চট্টগ্রামের ২৯ মের সভায় ক্ষমতাসীন দলের অন্য একজন সাংসদ সাংসদদের অশোভন আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন যা অন্য সাংসদদের জন্য একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে। তাঁর ভাষায়- ‘রাস্তাঘাটে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা আমাদের জন্য শোভন নয়। এমপিদের আঙ্গুল তুলে কথা বলা উচিত নয়। একে অপরের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক না রাখলে চলবে না। আমরা বিশৃংখলা সৃষ্টি করলে আইন-শৃংখলা ঠিক থাকবে কি করে, কিভাবে? চট্টগ্রাম নগরে দিনে ট্রাক চলবে কি চলবে না সেটা দেখার দায়িত্ব পুলিশের, সবকিছুতে আমাদের মাথা ঘামানো ঠিক নয়। পুলিশ ভুল করলে আমরা সেটা দেখিয়ে দেবো।’

যে সাংসদ এহেন উক্তিটি করেছেন তিনি নি:সন্দেহে অভিনন্দনযোগ্য। তবে প্রশ্ন হচ্ছে এহেন আচরণ এখনও থামেনি কেন? এ প্রশ্নের উত্তর সহজে পাওয়া যাবে না। একটি সহজ উত্তর হচ্ছে প্রতি শ্রেণী পেশার ব্যক্তিবর্গের মধ্যে কিছু ভালো ব্যক্তিও বিদ্যমান। এদের সংখ্যাই বেশি হতে পারে। তবে একজন ব্যক্তি যদি অশোভনীয় আচরণ করেন তার জন্য একই পেশাভুক্ত সকল ব্যক্তি জনসমক্ষে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে থাকেন। এটাই স্বাভাবিক। এজন্য প্রয়োজন ঐ পেশার সকল ব্যক্তি যেন একইভাবে অর্থাৎ সুআচরণ করে- বিশেষ করে সভা-সমিতিতে এবং অন্য ব্যক্তিদের সঙ্গে। জনগণ এটাই প্রত্যাশা করে। এর কোন ব্যতিক্রম হলে একজনের কুআচরণের জন্য পেশারই দুর্নাম হয়। সবাই যাতে জনগণের প্রত্যাশিত সুআচরণ নিশ্চিত করে এ লক্ষ্যে সংবিধান ও আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সংস্থার ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের জন্য আচরণবিধি প্রণীত হয়। আচরণবিধি লংঘন করলে কোন কোন পেশা যেমন সরকারি কর্মজীবীদের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা যায়। এ প্রথা অধস্তন আদালতের বিচারকদের জন্যও প্রযোজ্য। উচ্চ আদালতের বিচারকদের জন্যও পৃথক আচরণবিধি প্রণয়নের বিধান সংবিধানে বলা হয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী উচ্চ আদালতের বিচারকদের জন্য আচরণবিধি (ঈড়ফব ড়ভ ঈড়হফঁপঃ ) করার দায়িত্ব সুপ্রীম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে প্রদান করা হয়েছে। এ বিধান প্রণীত হলেও জনগণ এ সম্বন্ধে অবহিত নয় বলেই ধরে নেয়া যায়। সকল ক্ষেত্রেই আচরণবিধি প্রধানত: অশোভনীয় আচরণের জন্য করা হয়। উচ্চ আদালতের বিচারকদের ক্ষেত্রে এহেন আচরণের দায়ে দায়ী ব্যক্তিদের জন্য শাস্তি কি তা জানা নেই। যে বিষয়টি জানা আছে তা হলো পদত্যাগ। বিচারকরা সাধারণত তাই করেন। সাংসদদের ক্ষেত্রে এ ধরনের নজীর অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে চালু থাকলেও আমাদের দেশে এর কোন উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যাবে না। যে সমস্ত পেশার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আচরণবিধি লংঘনের জন্য কোন শাস্তির বিধান নেই, সে ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বত:প্রণোদিত হয়ে স্বীয় পদ থেকে পদত্যাগ না করলে কি হবে বা হওয়া উচিত তা স্পষ্ট নয়। মনে হয় বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পদধারী ব্যক্তির বিবেক ও বিবেচনার উপর ন্যস্ত। সাম্প্রতিককালে সংসদের অভ্যন্তরে ও বাইরে অনভিপ্রেত বা অশোভনীয় আচরণের জন্য সাংসদদের আচরণবিধি প্রণয়নের উপর সুশীল সমাজের একটি সংস্থা গুরুত্ব আরোপ করেছে। এ সংস্থার মতে সংসদের কার্যপ্রণালীবিধিতে সাংসদদের অভ্যন্তরে আচরণের উপর কিছু শর্ত প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ এ আচরণবিধি সংসদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সংসদের বাইরে সাংসদদের আচরণের উপর কোন বিধিনিষেধই নেই। এজন্য প্রয়োজন এ বিষয়েও আচরণবিধি প্রণয়ন করা। এ মত নি:সন্দেহে গ্রহণযোগ্য। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের জন্য এ বিষয়ে ক্ষেত্রমত সংসদ বা সরকার বা উচ্চ আদালত এ বিষয়ে মনোযোগ দিলে সকল রাষ্ট্রীয় সংস্থার ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। সরকারি কর্মচারি ও কর্মকর্তার ক্ষেত্রে সরকারের অভ্যন্তরীণ কার্যপরিধির বাইরেও কিছু আচরণবিধি প্রযোজ্য। সবক্ষেত্রে কেন এটা করা যাবে না বা করা উচিত হবে না তা বোধগম্য নয়।

উপর্যুক্ত বিষয়ে সংসদের ডেপুটি স্পিকারের প্রকাশিত মত হলো সাংসদরা সংসদের বাইরে প্রচলিত আইন ভঙ্গ করলে আইনানুগ বিচারের ব্যবস্থা করা সমীচীন হবে। এহেন উক্তি সহজে মেনে নেয়া যায় না। প্রচলিত আইন ভঙ্গ করা আর অশোভনীয় আচরণ এক বিষয় নয়। অতীত ও বর্তমানে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের বা অন্য ব্যক্তিদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন এমন অভিযোগও রয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে থানায় অতীতে মামলাও হয়েছে। ফলাফল এখনও অজ্ঞাত। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা শুধু কঠিনই নয়, মামলার সুফল বা সুবিচারও প্রত্যাশা করা যায় না।

এ ছাড়া রয়েছে আরেকটি প্রাসঙ্গিক বিষয়। সরকারি কর্মচারী কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন বা প্রযোজ্য বিধি ভঙ্গের জন্য ফৌজদারি মামলা করা ছাড়াও বিভাগীয় মামলা রুজু করে বিধি মোতাবেক শাস্তি প্রদান করা যায়। তা করাও হয়। সংবিধানে সংসদ ও সাংসদদের ক্ষেত্রে বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি বিধানও বিদ্যমান। সংবিধানে প্রদত্ত দায়মুক্তির বিশাল পরিধি। এ পরিধি এত বিস্তৃত যে, প্রচলিত আইনের হাত লম্বা হলেও সেখানে কিছু করতে পারবে না। সংসদের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্যই এমন বিধান। এ বিষয়টি নিয়ে কোন বিতর্কের সুযোগ নেই। তবে যে প্রশ্নটি মুখ্য তা হচ্ছে সংসদের বাইরে সুআচরণের বিষয়টি। এ সমস্যার সমাধান কি?

দায়মুক্তি সংক্রান্ত বিধানে আরও বলা হয়েছে এ সম্পর্কে সংসদ আইন প্রণয়ন করবে। তবে সে আইন দায়মুক্তির বিষয়টি লংঘন করতে পারবে না। সংসদ কখনও এমন আইন করেছে কিনা তা জানা নেই। যদি না করে থাকে তাহলে এ আইন অবিলম্বে করা প্রয়োজন। একই সাথে এ কথাও বলা প্রয়োজন যে, বর্তমান পরিস্থিতিদৃষ্টে প্রতীয়মান হয় যে, দলমত নির্বিশেষে সকল সাংসদ নির্বাহী ক্ষমতাপ্রয়োগে আগ্রহী। জানা যায় যে, টিআর ও ভিজিএফ-এর খাদ্যশস্য বিতরণের জন্য তাদেরকে বিশেষ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ ক্ষমতা প্রয়োগে তারা যদি প্রচলিত আইন ভঙ্গ না করে রাজনৈতিক কারণে যোগ্য ব্যক্তি বা এলাকাকে বঞ্চিত করেন তার প্রতিকার কি? এ কারণেই সংসদের বাইরে প্রযোজ্য আচরনবিধি প্রণয়ন করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে হয়।

নির্বাচিত হওয়ার পর সাংসদদের সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিতে হয়। শপথে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে এ বিষয়টিও স্পষ্ট যে ”সংসদ-সদস্যরূপে কর্তব্য পালনকে ব্যক্তিগত স্বার্থের দ্বারা প্রভাবিত হতে দিব না।” সাংসদরা এখন সংবিধান প্রদত্ত সংসদের দায়িত্ব ছাড়াও নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগে দৃঢ়বিশ্বাস পোষণ করে যার নজিরও যথেষ্ট রয়েছে। কাজেই এ সমস্ত ক্ষমতা প্রয়োগে তারা যেন কোনক্রমেই শপথ ভঙ্গ না করে তার জন্য প্রয়োজন হবে যথাযথ আচরণবিধি।

এ আচরণবিধি সংসদের অভ্যন্তরের আচরণবিধি থেকে স্বতন্ত্র বা পৃথক হওয়া বাঞ্ছনীয় হবে, কর্মরত সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিরোধ নিয়ে দুর্ব্যবহার করা বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা থেকে বিরত রাখার জন্য এবং অন্যান্য ব্যক্তিদেরও যেন এ ধরনের লাঞ্ছনার শিকার না হতে হয় তার জন্য প্রয়োজন হবে প্রয়োজনীয় শাস্তির ব্যবস্থা, যা সংসদের অভ্যন্তরে আচরণবিধির অনুরূপ বা একটু অধিক মাত্রায়ও হতে পারে। এসব পদক্ষেপের বাইরে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলেরও এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা বাঞ্ছনীয় হবে। কারণ, ক্ষমতাসীন দলের তো কথাই নেই, অন্য কোন রাজনৈতিক দলের নির্ধারিত সাংসদরা এ ধরনের আচরণের মাধ্যমে ঐ দলেরই ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করে।

[লেখক: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা]

লিংকঃ
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28959204 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28959204 2009-06-02 16:12:29
সেনাবাহিনীতে কওমী মাদ্যাসা ছাত্র থাকার প্রমাণ মেলেনি : বিশ্বব্যাংক সেনাবাহিনীতে কওমী মাদ্যাসা ছাত্র থাকার প্রমাণ মেলেনি : বিশ্বব্যাংক

লিংকঃ
Click This Link

যদিও আমাদের জয় ভাতিজা অনেক আগেই বলৈ ছিলেন যে সেনাবাহিনীতে কওমী মাদ্যাসা ছাত্রতে সয়লাব। তারপরও আমি জোর দিয়েই বলবো যে , বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা জঙ্গী সমস্যা হিসেবে যে কোন ভাবেই প্রমান করা হবে এবং তার পরিনতি হয়ত আমাদের ভোগ করতে হবে। কারন আমরা মুসলমান। এটাই আমাদর সবচেয়ে বড় দোষ।

লিংকঃ
Click This Link

আর সরকার আছে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার তালে। সে নিজেও যে বাদ যাবেনা এই সমস্যায় তা সে ভূলৈ গেলেও আমরা ভূলিনি। সবার শুভদোয় ঘটুক সেই কামনায়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28948906 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28948906 2009-05-10 16:44:24
টিপাইমুখ বাঁধ ইস্যুতে সোচ্চার সিলেটবাসী নির্মিত হলে ৪৩ ধরনের বিরূপ প্রভাব পড়বে

।। সাকির আহমদ ও ফখরুল ইসলাম, সিলেট থেকে ।।

টিপাইমুখ বাঁধ নির্মিত হলে বাংলাদেশে পরিবেশ, সামাজিক-অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্য সমস্যাসহ ৪৩ ধরনের বিরূপ প্রভাব পড়বে। এই বাঁধ ইস্যুতে সিলেট বিভাগের সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করেছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, পরিবেশবাদী সংগঠন, সুশীল সমাজ টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। আন্দোলনকারীরা টিপাইমুখ বাঁধের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে দেশে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করে যেভাবে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে বিপর্যস্ত করেছে, অনুরূপভাবে টিপাইমুখ বাঁধ দিয়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে মরুভূমিতে পরিণত করতে চাইছে। তারা দাবি করছেন, সরকারকে জোরালো কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারতকে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ থেকে বিরত রাখার উদ্যোগ নিতে হবে।

টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী গণপার্লামেন্ট, মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ, গোলটেবিল বৈঠক ইত্যাদি প্রায় প্রতিদিনই পালিত হচ্ছে। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, অবিলম্বে ভারত টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধের ঘোষণা না দিলে আরো তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। আন্তর্জাতিক নদী নীতি লঙ্ঘন করে ভারতকে এই বাঁধ নির্মাণ করতে দেয়া হবে না। সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনার মূল নদী বরাকের টিপাইমুখ নামক স্থানে ভারত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। বিভিন্ন সূত্র মতে, ইতিমধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০৮ মিটার উঁচুু এই বাঁধ নির্মাণের সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে ভারত। বাঁধটি বাংলাদেশের জকিগঞ্জ উপজেলার আমলসীদ সীমান্ত থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দূরে নির্মিত হচ্ছে। যে বরাক নদীর উপর বাঁধ নির্মিত হচ্ছে তা জকিগঞ্জ সীমান্তে এসে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।

টিপাইমুখ বাঁধের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নদী নীতি লঙ্ঘন করে ভারত সুরমা, কুশিয়ারা ও মেঘনা নদীর পানি প্রত্যাহার করবে। এই বাঁধ নির্মিত হলে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলাসহ দেশের সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মারাত্মক পরিবেশ ও আর্থিক বিপর্যয় নেমে আসবে। কৃষি, মৎস্য, জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে। বর্ষাকালে প্রবল বন্যা আর শীতকালে পানির জন্য হাহাকার দেখা দিবে। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আকতারুল ইসলাম চৌধুরী গতকাল শুক্রবার ইত্তেফাককে বলেন, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মিত হলে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পরিবেশগত ২৩ ধরনের, সামাজিক-অর্থনৈতিক ১০ ধরনের ও স্বাস্থ্যগত ১০ ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৩ থেকে ৫ কোটি মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাবে, সুরমা, কুশিয়ারা ও মেঘনা নদীতে শুষ্ক মৌসুমে পানি প্রবাহ সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছবে, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে, বেকারত্ব ও দারিদ্র্য বৃদ্ধি পাবে, মাছে-ভাতে বাঙালি এই প্রবাদটির অপমৃত্যু ঘটবে, কৃষি, মৎস্য, শিল্প ও অন্যান্য সেক্টরে বছরে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষতি হবে, জনস্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে, মহামারী আকারে মাছের মড়ক দেখা দেবে, ডায়রিয়া, টাইফয়েডসহ অন্যান্য পানিবাহিত রোগ বৃদ্ধি পাবে।

টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বিশেষ করে সিলেটে অনেকদিন ধরে আন্দোলন চলছে। কিন্তু এসব উপেক্ষা করে ভারত বাঁধ নির্মাণের তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ায় দিন দিন আন্দোলন তীব্র হচ্ছে। নবম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেও টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সংসদে সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনের এমপি আওয়ামী লীগ নেতা হাফিজ আহমদ মজুমদার টিপাইমুখ বাঁধের ক্ষতিকর প্রভাবের কথা উল্লেখ করে এ ব্যাপারে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের দাবি জানান। টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে গত সপ্তাহে সিলেটে সুরমা নদীর তীরে গণপার্লামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। অঙ্গীকার বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত গণপার্লামেন্টে সিলেটের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে এই বাঁধ নির্মাণ প্রতিহত করার আহবান জানান। গণপার্লামেন্টে টিপাইমুখ বাঁধ ইস্যুতে বিল উত্থাপন করেন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাজিয়া চৌধুরী।

টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরে সিলেটে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও কর্মসূচি পালন করছে। জামায়াতে ইসলামী, বাসদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, তালামীয়ে ইসলামীয়ার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার মুক্তমঞ্চের উদ্যোগে টিপাইমুখ বাঁধের প্রভাব নিয়ে এক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকারী শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মোহাম্মদ আকতারুল ইসলাম চৌধুরী ইত্তেফাককে বলেন, বৃহৎ প্রতিবেশী দেশ ভারত ইতিমধ্যে ৩৫টি ট্রান্স বাউন্ডারি (দুই দেশের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত নদী) নদীর উপর ৫০টিরও বেশি বাঁধ নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের সাথে কোন আলাপ-আলোচনা না করেই। একইভাবে তারা ট্রান্স বাউন্ডারি নদী বরাকের টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণ করতে যাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক নদী আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। টিপাইমুখ বাঁধ নির্মিত হলে বাংলাদেশে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসবে।

উৎসর্গ দিগন্তকে এবং যারা ভারতে মোহে ও গুনগানে অন্ধ সেই সব ভারতপ্রেমিদেরকে।

একেই বলে প্রতিবেশী। বাংলাদেশের মরু করণের পথে আর এক ধাপ এগিয়ে ভারত।

লিংকঃ
Click This Link

শিয়ালের কাছে জানতে চাওয়া যে মুরগির খাচার মডেল কেমন হবে। বিডিআর পুনর্গঠনে প্রতিবেশী দেশের সহায়তা নেয়া হবে : স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

লিংকঃ
Click This Link

সিলেটবাসী আপনাদের সাথে পুরা বাংলাদেশের দেশপ্রমি মানুষ আছে এবং থাকবে।
বাংলাদেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে যারা অন্যকে সন্তুষ্ট করতে চাই তারা বাংলাদেশের শত্রু। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28948765 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28948765 2009-05-10 11:14:46
নেপালে সংকটের নেপথ্যে ভারত?
লিংকঃ
Click This Link

আর বাংলাদেশের অবস্থা ঃ

একেই বলে প্রতিবেশী। বাংলাদেশের মরু করণের পথে আর এক ধাপ এগিয়ে ভারত।

লিংকঃ
Click This Link

এখনই সময় সোচ্চার হওয়ার নতুবা ভয়াবহ ভবিষ্যত আমাদের সামনে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28948743 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28948743 2009-05-10 10:36:28
একেই বলে প্রতিবেশী। বাংলাদেশের মরু করণের পথে আর এক ধাপ এগিয়ে ভারত। একেই বলে প্রতিবেশী। বাংলাদেশের মরু করণের পথে আর এক ধাপ এগিয়ে ভারত।


টিপাইমুখি ড্যামের বিষয়টি আন্র্তজাতিক পর্যায়ে তুলতে হবে।

লিংকঃ
Click This Link

আর বেশি দেরী নাই মরুভূমি হতে।
নেপালেও হস্তক্ষেপ চলছে সাথে আমরা ও শিকার।

লিংকঃ
Click This Link

যদিও সরিষার মধ্যৈই ভূত বসে আছে। আর বিশ্ব মুরব্বি আমেরিকা আছে তার ধানদায়।

তাই উচিত আমাদের সমস্যা আমাদের সমাধানের জন্য সব পযায়ে থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা যা পুতুল সরকার দিয়ে কখনও হয়নি হবেও না। তাই আমাদের আরও ভাবতে হবে ও সঠিক সমাধানে পৌছাতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28947516 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28947516 2009-05-07 14:36:06
নেপাল সংকটে উস্কানি দিচ্ছে ভারত
।। ইত্তেফাক ডেস্ক ।।

নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির (মাওবাদী) অভিযোগ-সেনাবাহিনী প্রধানকে রক্ষায় প্রেসিডেন্ট রামবরণ যাদবের অসাংবিধানিক হস্তক্ষেপের নেপথ্যে প্রভাব খাটাচ্ছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। এদিকে সেনা প্রধান রুকমাঙ্গুদ কাতাওয়ালকে বরখাস্ত করা নিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মত বিরোধের জের হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে মাওবাদী নেতা পুষ্প কমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ডের গত সোমবার পদত্যাগের ঘটনায় দেশটিতে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে। সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে কয়েকটি দল। খবর-এপি, এএফপি, আনন্দ বাজার পত্রিকা ও রয়টার্সের।

প্রচণ্ডের দল নেপালের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)-র নেতা বাবুরাম ভট্টরাই অভিযোগ করেছেন, প্রেসিডেন্ট রামবরণ যাদব ভারতের প্রতিনিধি হিসাবে কাজ করছেন। জাতির উদ্দেশ্যে বক্তৃতায় মাওবাদী নেতা প্রচণ্ডও বলেছেন, বিদেশী শক্তির কাছে মাথা নিচু করে ক্ষমতায় থাকার চেয়ে ইস্তফাই শ্রেয়।

প্রচণ্ডের পদত্যাগের পরেই নেপালের রাজনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। মাওবাদীরা যদিও জানিয়েছে, সরকার ছাড়লেও শান্তি ও গণতন্ত্রের পথেই তারা আন্দোলন চালাবে। দলের কেন্দ্রীয় নেতা বাহাদুর রায়ামাঝি বলেছেন, ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ ঘটিয়ে শান্তি প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করার চক্রান্ত চলছে। ‘আদালতে, রাস্তা ও সংসদে’-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তুলবে মাওবাদীরা। কিন্তু তাদের এই শান্তিপ্রিয়তায় ভরসা রাখতে নারাজ রাজনৈতিক মহল। হিংসাত্মক আন্দোলনে নেপাল ফের রক্তাক্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কা করছেন তারা। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি অবশ্য প্রচণ্ডের ইস্তফাকে নেপালের অভ্যন্তরীণ ঘটনা বলে বর্ণনা করেছেন। প্রতিবেশী এই দেশের অশান্তি দেশের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তার ভাষায়, স্বাভাবিকভাবেই ভারত চাইছে রাজনৈতিক শূন্যতা কাটিয়ে যত দ্রুত সম্ভব নেপালে নতুন একটি অর্ন্তবর্তী সরকার ঐকমত্যের ভিত্তিতে দায়িত্ব গ্রহণ করুক।

উল্লেখ্য, নেপালের সেনাবাহিনীতে মাওবাদী জঙ্গিদের নিয়োগের বিষয়টি নিয়েই সংঘাতের সূচনা। শান্তি প্রক্রিয়ার শর্ত মেনে গেরিলারা বহুদিন আগেই অস্ত্র সমর্পণ করে জাতিসংঘের অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু তাদের নিয়োগ নিয়ে সেনারা গড়িমসি করে চলেছে বলে অভিযোগ। নেপালের সেনাবাহিনীতে প্রাক্তন জঙ্গিদের নিয়োগের বিষয়ে ভারতেরও অমত রয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব শিবশঙ্কর মেনন একাধিকবার কাঠমান্ডু সফরের সময় কাজে বিরত থাকার জন্য প্রচন্ডের কাছে আবেদন জানিয়ে যান। কিন্তু প্রচন্ডকে টলানো যায়নি।

এদিকে প্রচন্ডের ইস্তফার পরই ইউএমএল-এর নেতৃত্বে সরকার গঠনের প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। ১১২টি আসন নিয়ে গণপরিষদের দ্বিতীয় বৃহত্তম দল নেপালি কংগ্রেস সরকারের নেতৃত্ব নিতে রাজি না হলেও ইউএমএলকে শর্তাধীন সমর্থনে রাজি হয়েছে। গণপরিষদে ইউএমএল-এর ১০৮টি আসন রয়েছে। কিন্তু মাওবাদীদের বাদ দিয়ে কোনভাবেই সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ৩০১টি আসন তাদের পক্ষে যোগাড় করা সম্ভব নয়। টেলিভিশনে প্রচন্ডের ইস্তফা ঘোষণার পর গতকাল মঙ্গলবার কাঠমন্ডুর রাজপথে মাওবাদীরা বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভকারীরা জানায়, সেনাবাহিনী প্রধান অপসারিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বে না।

মধ্যবামপন্থী ইউএমএল পার্টি প্রধান ঈশ্বর পোখরেল বলেন, নতুন সরকার গঠনে আমরা জাতীয় রাজনৈতিক ঐকমত্য গঠন করবো। তবে পর্যবেক্ষকরা আশংকা করছেন, মাতবাদীদের বাদ দিয়ে নেপালি কংগ্রেস ও ইউএমএল সরকার গঠন কতে চাইলে ক্ষুদ্র জাতিগত দলগুলো ছাড়াও স্বতন্ত্র সদস্যদের সমর্থন পেতে বেগ পেতে হতে পারে। কূটনীতিকরা বলছেন, এতে করে নেপালের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ফের জটিলতার দিকে যেতে পারে। কারণ রাজতন্ত্রের অবসান হলেও দেশটির সংবিধান প্রণীত হয়নি এখনও।


লিংকঃ
Click This Link

প্রতিবেশী তো এমনই হয় কি বলেন ??
আমরাও তার প্রতিবেশী কিনা তাই আমাদেরও একই অবস্থা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28947480 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28947480 2009-05-07 13:07:48
মহানবী (সাঃ) ব্যঙ্গকারী কাটুনিষ্টের গায়ে আগুন না অবিশ্বাসীদের মনে আগুন ? মহানবী (সাঃ) ব্যঙ্গকারী কাটুনিষ্টের গায়ে আগুন না অবিশ্বাসীদের মনে আগুন ?


লিংকঃ
Click This Link

Click This Link


আমার পোষ্টটা ছিল খুবই সাধারন । যাহোক যুগে যুগে সত্য জ্বল জ্বল করবেই অবিশ্বাসীরা তা যতই অপচ্ছন্দ করুক না কেন। সত্যকে অস্বীকার করার কিছু নেই।

আল্লাহতায়ালা ইহাকে নিদর্শন স্বরূপ দেখায়ে থাকেন যাতে মানুষ যাতে করে এ থেকেও মিক্ষা গ্রহন করে। কারন হাশরের ময়দানে যাতে কেউ বলতে না পারে যে তার সামনে কোন আলামত প্রকাশ করা হয় নাই।

তাই আসুন সত্যকে সত্য বলে গ্রহন করি ও সদা সত্য বলি। আর অন্যায় থেকে দূরে থাকি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28947131 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28947131 2009-05-06 17:04:24
শিয়ালের কাছে জানতে চাওয়া যে মুরগির খাচার মডেল কেমন হবে। বিডিআর পুনর্গঠনে প্রতিবেশী দেশের সহায়তা নেয়া হবে : স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিডিআর পুনর্গঠনে প্রতিবেশী দেশগুলোর সহায়তা নেয়া হবে। এছাড়া বিগত দিনে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে চুক্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী একথা জানান। তিনি বলেন, বিডিআর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে, বিডিআরের বর্তমান পরিস্থিতি এবং এর পুনর্গঠন বিষয়ে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মইনুল ইসলাম মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিডিআর পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সূত্র জানায়, মহাপরিচালকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কর্মকর্তাদের কিছু দাবি ও পরামর্শ তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বলেছেন, একবিংশ শতাব্দীতে যাতে আধুনিক সীমান্তরক্ষী বাহিনী গড়ে তোলা যায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বিডিআরকে পুনর্গঠন করে তাদের প্রশিক্ষণসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রতিবেশী দেশগুলোর সহায়তা নেয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, বন্ধুপ্রতিম দেশের সহায়তা নিতে কোন সমস্যা নেই।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলা প্রত্যাহারের আবেদন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মামলাগুলো মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণ করে দায়িত্বপ্রাপ্তরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারে সরকার কোন ধরনের পক্ষপাতিত্ব করবে না। মামলার গুরুত্ব অনুসারে ধরন-প্রকৃতি বিবেচনা করেই তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

Click This Link

এখন কথা হচ্ছেঃ
১. কেন ভারতের কাছ থেকে সাহায্য নিতে হবে এ বিষয়ে ?
২. ভারত বাংলাদেশের বন্ধু যেমন ইসরায়েল ফিলিস্তিনের
Click This Link
৩. এটা কি শিয়ালের কাছে জানতে চাওয়া না যে মুরগির খাচার মডেল কেমন হবে ?
৪. বিডিআর কার থেকে বর্ডার পাহারা দেয় ?
৫. এক কাজ করলেইতো লেকা চুটি যায় বর্ডারটা ভারতের কাছে লিজ বা দেখাশুনার দায়িত্ব দিলেই তো সব সমস্যার সমাধান কি বলেন ?
৬. আর যদি বাংলাদেশকে অঙ্গরাজ্য করা যায় তাহলে তো পোয়াই বারো !!

রাজনীতি ! অনেক হিসাবতো এখনও বাকী ।
বাংলাদেশের স্বার্থ যারা বিকিয়ে দেয় হোক সে স্বরাষ্ট্র বা পররাষ্ট্র বা অন্য কেউ তারা বাংলাদেশের শত্রু।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28947016 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28947016 2009-05-06 11:58:15
এমডি নন বেসরকারি ব্যাংক চালান নেপথ্যের কেউ এমডি নন বেসরকারি ব্যাংক চালান নেপথ্যের কেউ

লিংকঃ
Click This Link

তাইতো বলি বাড়িগাড়ি আসে কোথা থেকে?!

বেসরকারী ব্যাংক নিপাত যাক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28947000 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28947000 2009-05-06 11:20:31
স্বৈরতন্ত্রী পদ্ধতি কায়েমের উদ্যোগ স্বৈরতন্ত্রী পদ্ধতি কায়েমের উদ্যোগঃ

লিংকঃ
Click This Link

এহাই ডিজিটাল বাংলাদেশ ! কি বলেন ?

সামনে আছে শুভদিন ! <img src=" style="border:0;" />

এভাবে আর কত দিন চলবে। সাধারন মানুষত মৃত প্রায়। প্রতিবাদ ছাড়া উপায় নাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28946727 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28946727 2009-05-05 17:00:09
সরকার সংবিধানের মূল নীতি থেকে সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ওবিশ্বাস বাদ দিয়ে ধমনিরপেক্ষতা সংযোজন করতে চায় বাকশালের পথে সরকার

লিংকঃ
Click This Link

সরকার কি নিজেকে গিলে খাচ্ছে ?
কেন এটা করতেই হবে ?
পানি , বিদ্যুতের খবর নাই আর !
কার বাড়ি কার ঘর সরকার আছে এসব নিয়ে

আর বিএসএফ প্রতিদিন বডারে মানুষ মারে ! কি মজা !
আবার জাগবে জনতা ছুড়ে ফেলবে এইসব নরপশুদের যারা শুধু ক্ষমতার জন্যই রাজনীতি করে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28946196 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28946196 2009-05-04 13:51:50
মহানবী(সাঃ)কে ব্যঙ্গকারী কাটুনিষ্ট আগুনে পুড়ে মারা গেছে মহানবী(সাঃ)কে ব্যঙ্গকারী কাটুনিষ্ট আগুনে পুড়ে মারা গেছে

বিশ্বাসীদের জন্য আর একটি জলন্তকারী প্রমান। দেখুন লিংকঃ
Click This Link


যুগে যুগে এভাবেই অবিশ্বাসীরা ধ্বংস হয়ে গেছে।আর সত্য তা জ্বল জ্বল করে আজও সমস্ত বিশ্বের জন্য আলো ছড়াছে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রক্ষা করুক ও হেদায়েত দান করুক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28945892 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28945892 2009-05-03 18:12:39
বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা জঙ্গী সমস্যা !! গরিবের কথা বাসি হইলেই ফলে ! ;( <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা কি ? ;(
লিংকঃ
Click This Link

দেখুন আমাদের স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী সেই কথাটায় বলছেন আমার এই পোষ্টেঃ <img src=" style="border:0;" />
Click This Link

আমার ওই পোষ্টের তখন অনেকেই একমত হননি । আসলে এটা পূর্ব পরিকল্পিত নয় কি !? <img src=" style="border:0;" />

আমার এই পোষ্ট দেবার কারন হচ্ছে ভবিষ্যতে দেখবেন এর পুনরাবৃত্তি হবেই।
যে কোন ভাবে প্রমান করা হবে যে বাংলাদেশ জঙ্গী রাষ্ট্র ও ব্যার্থ রাষ্ট্র।

আসুন সবাই সোচ্চার হয় এই জঘন্য ও দেশ বিরোধী কর্মকান্ড ও রাজনীতি থেকে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28945737 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28945737 2009-05-03 10:46:20
খাদ্যমন্ত্রীকে খাদ্য বাদ দিয়ে অনতিবিলম্বে তেলমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হোক আব্রাহাম লিংকনের মতো একজন মহামানব: খাদমন্ত্রী


লিংকঃ

Click This Link

হাসব না কাদব, ঠিক বুঝতে পারছিনা। কোথায় মুহাম্মদ আলি আর কোথায় জুতার কালি।
১. এতগুলো অফিসার মারা গেল আর উনি বসে বসে কি ছিড়লেন তাতো আমরা সবাই জানি
২. ১/১১ ফমূলা কে তৈরি করেছিল ? কেন তৈরি করেছিল তাও আমরা কম বেশি সবাই জানি
৩.বসুদ্ধরা গ্রুপের সাথে তার দহরম-মহরমের কথা আমরা সবাই জানি

এত কিছুর পরও খাদমন্ত্রী কিভাবে তার জয়গান গায় !? নাকি সরিষার মধ্যেই আসল ভূত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28945397 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28945397 2009-05-02 14:46:18
দয়া করে আমাদের চোর বলবেন না দয়া করে আমাদের চোর বলবেন না


ধন্যবাদ জানায় জনাব মোহাইমেনকে ।

লিংকঃ
Click This Link

এখন কথা হচ্ছেঃ
১. মাইক্রোসফ্টের ব্যাপারটা এমন যে আমি তোমার কাছে শুধু বাড়ি ভাড়া দিয়েছি বাড়ি বিক্রি করেনি। যা কখনই বাস্তব সম্মত নয় ।
২. মাইক্রোসফ্টের এই মনোপলি ব্যাবসা মানবতার জন্য হুমকিস্বরূপ । সকল মনোপলি ব্যবসা বন্ধ হোক
৩. টিফা চুক্তি একটি অবৈধ ও মানবতাবিরোধী চুক্তি ।

টিফা সহ এই ধরনের সকল চুক্তি যা বিশ্বের জন্য হুমকি তার বিরুদ্ধে ধিক্কার জানাই ও বাতিলের দাবী জানায় সকল জনগনের কাছে কোন শাসকের কাছে নয় ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28945381 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28945381 2009-05-02 14:08:59
বর্তমান পৃথিবীতে ক্ষতিকর ও বিপদজ্জনক রাষ্ট্রের তালিকা বর্তমান পৃথিবীতে ক্ষতিকর ও বিপদজ্জনক রাষ্ট্রের তালিকাঃ
১ আমেরিকা
২ ইসরাঈল
৩ রাশিয়া
৪ ভারত
৫ পাকিস্তান

লিংকঃ
Click This Link

এটা প্রগতিশীল ও রিফাত হাসেনের কাছ থেকে চুরি করা আইডিয়া। তারা পাললিক মনের এই লেখা "পাকিস্তান নয় যুক্তরাস্ট্রই পৃথিবীর জন্য হুমকি স্বরূপ" পোষ্টে মন্তব্য করেছে। আমি তাদের সাথে একমত। আপনারাও চাইলে একটি তালিকা দিতে পারেন । মানে একটি জরিপ করতে চাই আর কি । আপনাদের সকলের সহায়তা কাম্য।

ধন্যবাদ প্রগতিশীল ও রিফাত হাসেনেরকে আইডিয়া দেবার জন্য আর ক্ষমা চাইছি না বলে আপনাদের আইডিয়া নিয়ে পোষ্ট দেবার জন্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944604 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944604 2009-04-30 15:30:34
বিএডিসিকে ধ্বংসের পায়তারা বন্ধ হোক বিএডিসিকে ধ্বংসের পায়তারা বন্ধ হোক

লিংকঃ
Click This Link


আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আমাদের দেশীয় সমস্ত কলকারখানা একের পর এক বন্ধ হচ্ছে। শুরু হয়েছে আদমজী থেকে আর বর্তমানে চিনি থেক চাল সবকিছুই একই পথের পথিক কেন ?
বিএডিসি একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশের কৃষিকে উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। অথচ বেশ কয়েক বছর ধরে তাকে বন্ধের পায়তারা চলছে কারন তাতে আমরা আর পরনির্ভরশীল হয়ে পড়ব।তাতে অনেকের লাভ হবে। ব্যবসায়িক বা আরও অনেক দিক থেকে।
বর্তমানে অর্থণৈতিক মন্দায় যেখানে সবকিছু রাষ্ট্রীয় করা হচ্ছে মন্দা মোকাবেলার জন্য আমরা সেখানে তার উল্টো করছি কেন ?

তাই কৃষিমন্ত্রী ওপ্রধানমন্ত্রীর নিকট অনুরোধ দয়া করে বিএডিসিকে ধ্বংস নয় পুনরায় উজ্জিবিত করুন। কৃষকে বাচান। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944564 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944564 2009-04-30 13:36:23
গ্রামীনফোনের কর্মী ছাটায়ঃ মানবিকতার লগ্ঘন
লিংকঃ
Click This Link


একজন কর্মীর ৩ বা ৪ বছর চাকুরী করার পর তার চাকুরীচ্যুতি করা , বিনা কারনে মানবিকতার লঙ্ঘন। এখন তারা মানবতার জীবনযাপন করছে। কোথাও চাকুরীতে গেলে কেই বিশ্বাস করতে পারেনা যে গ্রামীনফোন থেকে চাকুরী চলে যায় বা যেতে পারে! তখন সব দোষ জেন তাদের কারন তাদের যোগ্যতা থাকলে গ্রামীন এটা করবে কেন ? গ্রামীনফোনের একটা ইমেজ আছে না ! গ্রামীনফোন একটা করপোরেট কোম্পানী না!
অথচ যারা ভুক্তভোগী তারা খুব ভাল করেই জানে তাদের কোন দোষ আছে কিনা ! আর যদি অযোগ্যই হয় তবে কেন তাদের নিয়োগ দেয়া হল ?

ধিক্কার গ্রামীনফোনের এই মানবতাবিরোধী কাজকে। তারা বাংলাদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাবে আর এদেশের মানুষ তার কিছুই পাবেনা তা হয়না।

গ্রামীনফোনের এই অনিয়ম অচিরেই দুর হোক। এই অন্যায় সহ্য করা হবে না । সেই সাথে সকল ছাটায়কৃত কর্মীকে যথাশীঘ্রই পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হোক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944555 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944555 2009-04-30 13:16:33
স্লামডগ মিলিওনিয়ার এর অস্কার প্রাপ্তি নাকি বলিউডকে চপেটাঘাত ! তো গল্প শুনেই যেটা মনে হলো যে এটা কি অস্কার পাবার যোগ্য কিনা ?
আমার যেটা মনে হয় বলিউডে এর চেয়ে অনেক ভাল ও গুনগতমান সম্পূন ছবি তৈরি করা হয়েছে যেমন ঃ
১. লগন
২. মোঘলে আযম
৩. দেবদাস ইত্যাদি।

আর অনেক ছবি আছে যা অস্কারের দাবি রাখে বলে মনে হয়। ফলে এটা নিয়ে সন্দেহ হওয়াটা স্বাভাবিক। এই বৈষম্য দুর হোক।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944109 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944109 2009-04-29 15:28:18
সরকারী বা বেসরকারী চাকুরীর ক্ষেত্রে ব্যাংক ড্রাফ্ট বা পে-অডার বন্ধ হোউক বা সর্বনিম্ন করা হোউক সরকারী বা বেসরকারী চাকুরীর ক্ষেত্রে ব্যাংক ড্রাফ্ট বা পে-অডার বন্ধ হোউক বা সর্বনিম্ন করা হোউক

বেকার ছাত্রগুলো চাকুরীর ব্যাংক ড্রাফ্ট বা পে অডার করতে করতে শেষ। অনেকে বহু কষ্ট করে লেখাপড়া শেষ করছে। এখন যে কোন ভাল কোন জায়গায় বা সরকারী যে কোন পোষ্টে আবেদন করতে হলেই দরকার ব্যাংক ড্রাফ্ট বা পে অডার। কেন ?

বিসিএস খেকে শুরু করে সর্বপর্যায়ে এই টাকা দিতে দিতে আমরা আজ ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত, দিশেহারা। একটা সরকারী চাকুরীর ক্ষেত্রে যে পরিমান আবেদন পত্র জমা পরে আর যে পরিমান ব্যাংক ড্রাফ্ট বা পে অডার পাওয়া যায় তাতে যে কয় জন লোক নিয়োগ করা হবে তার চেয়ে অনেক বেশি লোকের বেতন দেওয়া সম্ভব! কি মজার ব্যাপার তাই না !

তারপর তদরিব , ঘুষ এ সবের কথা বা নাই বললাম। সমস্ত ভোগান্তি কিন্তু আমাদের জনগনের।

তাই সরকারের কাছে অনুরোধ থাকেব যত দ্রুত সম্ভব এই ব্যাংক ড্রাফ্ট বা পে অডার বাদ দেওয়া হোক বা সবনিম্ন টাকা নেওয়া হোক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944076 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944076 2009-04-29 14:15:57
লাদেন ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু। লাদেন ইসলামের সবচেয়ে বড় শত্রু।

এই একটা মানুষের ছুতোয় আমেরিকা দুই দুটো দেশকে আক্রমন করেছে।মানে বাঘের নামে হরিন ধরে খাওয়া আর কি !

১. লাদেন কার সৃষ্টি ?
২. কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে ?
৩. এতে লাভাবন কে ?
৪. লাদেন কি ইসলামের বার্তাবাহক কিনা ?
৫. ইসলামে তার মতো করে কাজ করার অনুমতি আছে কি না ?
৬. শরিয়া আইন কিভাবে কাজ করে ?
৭. শরিয়া আইনের প্রতিষ্ঠার হুকুম কে দেবে ?
৮. লাদেন মরলেও জঙ্গী সমষ্যা সমাধান হবে কি ?
৯. ইসলামের বিরুদ্ধেই যুদ্ধই মূলত জঙ্গীবাদ নয় কি ?

আমেরিকা যে কোন ধরনের অকাম বা অপকর্ম করার আগে তারে দিয়ে একটা বানী দেয় আর তা বাস্তবায়ন করে। লাদেন তুই নিপাত যা , ইসলাম রক্ষা পাক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944029 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28944029 2009-04-29 11:37:47
"একুশে টিভির টিরেষ্ট্রিয়াল জালিয়াতি বিশ্বের নজিরবিহীন" আদালতের পর্যবেক্ষণ "একুশে টিভির টিরেষ্ট্রিয়াল জালিয়াতি বিশ্বের নজিরবিহীন" আদালতের পর্যবেক্ষণ

লিংকঃ
Click This Link

জালিয়াতি বন্ধ হোক। মিডিয়ার এই জঘন্য দূনীতি কাম্য নয় ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943684 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943684 2009-04-28 16:49:28
যুগে যুগে স্বাধীনতাবিরোধী
লিংকঃ
Click This Link
অপরাধী সে যেই হোক তার বিচার চাই। হোক নব্য বা পুরাতন রাজাকার বা যুদ্ধাপরাধী বা অন্য কেউ।

আর দেশের স্বার্থ সবার চেয়ে উপরে দেখতে চাই । প্রয়োজনে আবার যুদ্ধ করব দেশের জন্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943662 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943662 2009-04-28 16:11:24
ভয় পেয়েছেন ওবামা! ভয় পেয়েছেন ওবামা!

লিংকঃ
Click This Link

এটা এখন সমস্ত বিশ্বের জন্য হুমকি। তাই আসুন সবাই সতর্ক হই।
যে যে ধরনের তথ্য জানেন দয়া করে হেল্প করেন।
আসুন মানবতার সেবায় আত্ননিয়োগ করি। এবং
এই ভয়াবহ দূযোগ থেকে আল্লাহ আমাদের সবাইকে রক্ষা করুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943497 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943497 2009-04-28 10:07:22
সুদখোর ডক্টরেটরা গ্রামীণ চেক পরে গরিব মানুষের লোক সাজে
শামছুদ্দীন আহমেদ: দীর্ঘ দুই বছর এক মাস পর গতকালই প্রথমবারের মতো দলীয় সভামঞ্চে উঠলেন জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। দীর্ঘদিন পর দলীয় ফোরামে তাকে পেয়ে উৎফুল্ল, আবেগাপ্লুত হলেন জেপি নেতারা। সবাইকে একসঙ্গে দেখে তিনিও আনন্দিত। বক্তব্যে উল্লেখ করলেন ওয়ান ইলেভেনের আগমন, নিজের নির্বাসনের স্মৃতি, দেশে-দেশে সামরিক শাসনের কুফল এবং নির্বাচন, নির্বাচিত সরকার, গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকারের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখার প্রয়োজনীয়তা। বক্তব্যের ফাঁকে ফাঁকে স্বভাবসুলভ রসিকতা করতেও ভোলেননি।

সাবেক এই মন্ত্রী বললেন, প্রায় দুই বছর দেশের বাইরে ছিলাম। এটা শুধু দুঃখজনক নয়, অপমানজনকও ছিল। আমি স্বেচ্ছায় বাইরে গেলাম, না-কি বের করে দেয়া হলো সেটি একটি প্রশ্ন। নির্বাসনে থাকার সময় কখনো মনে হয়েছেÑ দেশ থেকে চলে আসা ঠিক হয়নি। দেশে ফেরার পর যেসব ঘটনা শুনলাম এবং কারাবন্দিদের ওপর যে নির্যাতন ও অমানবিক আচরণ করা হয়েছে, এর একশ ভাগের এক ভাগও যদি সত্যি হয়Ñ তাহলে আবার মনে হয়, যে বা যারা আমাকে দেশ থেকে বের করে দেয়ার নীলনকশা করেছেনÑ তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

তিনি বলেন, পৃথিবীতে অনেক নেতার বিরুদ্ধেই মামলা হয়েছে। তারা বিচারের মুখোমুখিও হয়েছেন। অভিযোগ থাকতেই পারে। তবে একটি অনিয়মকে আরেকটি অনিয়ম দ্বারা শুদ্ধ করা যায় না। এখানেও অনিয়মকে অনিয়ম দ্বারা শুদ্ধ করার চেষ্টা হয়েছে বলেই সমাধান মেলেনি।

গতকাল ধানমণ্ডির ‘জিনডিয়ান’ রেস্টুরেন্টে জেপির কেন্দ্রীয় নির্বাহি কমিটির বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২২ মার্চ বিশেষ পরিস্থিতিতে আকস্মিকভাবে রাজনীতি থেকে অবসর নেন অনোয়ার হোসেন মঞ্জু। প্রায় দুই বছর বিদেশে নির্বাসনে থাকার পর সম্প্রতি দেশে ফেরেন তিনি।

সভা শেষে দণ্ডিত পলাতক ভিআইপিদের নিুআদালতে আত্মসমর্পণের জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জেপি চেয়ারম্যান বলেন, আইন অনুযায়ী যা করার আমি তাই করবো। তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি বাতিল সম্পর্কিত অপর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ফাইস্যা গ্যাছি মাইনক্যা চিপায়। আমরা কি সেদিন সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি চাইনি? জামায়াত কি দাবি করেনি যে এটা তাদের চিন্তার ফসল?’

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, ৯০ দিনকে দুই বছর করাকে রাজনীতিবিদরাই অবৈধ বললেন। তাহলে সেই অবৈধ সরকারের কার্যক্রম বৈধ হয় কীভাবে? কারো কর্তৃত্বই যদি অবৈধ হয় তাহলে তার কার্যক্রম বৈধ হবে কেন? যদি ডকট্রিন অব নেসেসিটি’র কথা বলা হয় তাহলে আমরা তাকে অবৈধ বললাম কেন? যারা ওই কর্তৃত্বের শিকার হয়েছে তাদের এটা মানতে কষ্ট হয়।

জেপি চেয়ারম্যান বলেন, রাজনীতিতে উত্থান, পতন ও সংকট আমরা বারবার দেখেছি। রাজনীতিকরা বারবার অপমানিত, বিপদগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের চরিত্রহরণ করা হয়েছে। কিন্তু ভাত ও ভোটের অধিকার, মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার এবং পছন্দের নেতা-নেত্রী নির্বাচনের অধিকার রক্ষায় মানুষ সবসময় ওই শক্তিকে মিথ্যা প্রমাণিত করেছে। কিছু টাই পরা লোক, যারা ঠিক মতো বাংলাও বলতে পারে না, তারা উড়ে এসে জুড়ে বসে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ব্যাহত করে, মানুষের মৌলিক অধিকার বারবার কেড়ে নেয়। তবে জনগণের অধিকার হরণ করে এখানে কেউ বেশিদিন টিকে থাকতে পারেনি।

তিনি বলেন, দেশি-বিদেশি কিছু মহল তাদের পছন্দের বিষয় চাপিয়ে দিতে চায়। শুধু দুই বছর নয়, এর আগেও যারা উড়ে এসে রাজনীতিবিদদের নসিহত করেছেন, তারা কোত্থেকে কিভাবে আসেন, মানুষ জানে না। মানুষ তাদের চেনেও না। চেনে দাতারা। জরুরি অবস্থার সময় দেখলামÑ সরকার প্রধান কে হবেন? অমুক এনজিও’র নেতা। অমুক ডক্টরেট হবেন। মানুষ যাকে চেনেন না। মানুষ তাকে সুদখোর হিসেবে জানেন। যিনি ৩৭ পার্সেন্ট সুদ নেন। কাপড়-চোপড়ে দেখতে বুদ্ধিজীবীর মতো। গ্রামীণ চেকের কাপড় পরে তারা গরিব মানুষের লোক সাজেন।

সাবেক মন্ত্রী মঞ্জু বলেন, বিশেষ আইন জারি, বিশেষ আদালত তৈরির মাধ্যমে রাজনীতিকদের চরিত্র হরণের ঘটনা এবার নতুন নয়। ’৭৫, ’৭৮ ও ’৮২ সালেও এরকম শক্তি নসিহত করতে আসে। আবারো জঘন্যভাবে রাজনীতিকদের চরিত্র হরণ করা হলো। এসব লৌহমানব ও তথাকথিত মহানায়করা যেসব রাজনীতিককে জেলে ঢুকিয়েছিলেন, যাদেরকে রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করতে চেয়েছেন, শেষ পর্যন্ত সেই রাজনীতিকদেরই হাত-পা ধরে সমঝোতা করেছেন।

তিনি বলেন, আমি সমঝোতায় বিশ্বাস করি না। যুদ্ধেও বিশ্বাস করি না। এমনকি সন্ত্রাসেও বিশ্বাস করি না। কিন্তু যুদ্ধ কিংবা সন্ত্রাস যদি চাপিয়ে দেয়া হয়, যদি মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নেয়া হয় তাহলে এই বয়সেও আপস না করে লড়াই করার দৃঢ় মন-মানসিকতা আমার আছে।

পাকিস্তানের প্রসঙ্গ টেনে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, যারা নানারকম পরিবর্তন ও ভাগ্য উন্নয়নের কথা বলেন; তাদের সেই শাসনের ফল কী বিষময়, ধ্বংসাত্মকÑ তা পাকিস্তানের দিকে তাকালেই বোঝা যায়। পাকিস্তান যতটুকু টিকে আছে সেটুকুও আজ বিপন্ন হওয়ার পথে। এটা রাজনীতিতে একটি বিশেষ শক্তির বারবার অবৈধ হস্তক্ষেপের ফল। দুই-তৃতীয়াংশ সময় ধরে যারা পাকিস্তানকে শাসন করলেন তাদের আজ নাম-গন্ধ নেই। সব দোষ রাজনীতিকদের। কারণ রাজনীতিকরা কোনো চমক দেখাতে পারেন না।

ভারতের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ঠিক মতো নির্বাচন হলে, রাজনীতির ধারাবাহিকতা থাকলে একটি দেশ কী শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে পারে, এর বড় প্রমাণ ভারত। সেখানেও জঙ্গিবাদ, গণতন্ত্রবিরোধী শক্তি আছে। খুনি, বদমায়েশ, চোর, লুটেরারা সেখানেও এমপি নির্বাচিত হয়, তারা সরকার গঠন করে, মন্ত্রীও হয়। তাই বলে তাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কেউ ব্যাহত করতে পারেনি। তাদের নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারে না বলেই দেশটির ভিত এত মজবুত।

মঞ্জু বলেন, আমরা যারা বাংলাদেশ-পাকিস্তানের নাগরিক তারা বিষ্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করিÑ মুম্বাইতে ভয়াবহ বোমা হামলার এক সপ্তাহের মাথায় ৭/৮টি প্রদেশে নির্বাচন হল। সেই ঘটনা এখানে হলে কোন শক্তির আবির্ভাব হতো বলা মুশকিল। তারা এসে আমাদের নসিহত করতো, সংস্কারের ফর্মুলা শেখাতো, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সততার কথা বলতো। আসলে গণতন্ত্র সম্পর্কে ধারণা নেই বলেই তারা উড়ে এসে জুড়ে বসেন। তার মতেÑ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সমস্যা থাকবে, কিন্তু মানুষের অধিকার হরণ করে এর সমাধান সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, জানি আমাদের মাথার ওপর কালো ছায়া, কালো মেঘ সবসময় থাকে। মুরব্বিরা এসে কখন কী বলে সে ভয়ে তটস্থ থাকতে হয়। এরপরও বাংলাদেশ কত ভালো ও সুন্দর দেশ তা নির্বাসনে না থাকলে বুঝতাম না। এখানে সবসময়ই কেবল অভিযোগ। তারপরও আপদে-বিপদে সবাই মিলে-মিশে থাকি। এটাই সুখ।

জেপি চেয়ারম্যান বলেন, কোন জোট বা মহাজোট সরকার গঠন করেছে সেটি আমার কাছে মূখ্য নয়। ১৫ কোটি মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ফিরে পেয়েছে সেটিই মুখ্য। সরকারের কোনো বিভাগ বা পেশীশক্তি যদি অন্যায় করে, থানা যদি মামলা নিতে না চায়, তারপরও আদালতে প্রতিকার চাওয়ার অধিকার মানুষ এখন পেয়েছে। মানুষ তার ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে। নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে। জনগণ যদি মনে করে সরকার পারছে না তাহলে তারাই আবার সরকারকে সরিয়ে দেয়ার অধিকারও ফিরে পেয়েছে।

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু আরো বলেন, বাংলাদেশে এখন কোনো রাজনৈতিক দলই বড় দল নয়। জোট-মহাজোট না করে কেউ এখন আর ক্ষমতায় যেতে পারে না। যদি ক্ষমতা থাকতো তাহলে ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তারা কোন কারণে আমাদের মহাজোটে নিয়েছেন? জেপি এখন মহাজোটে। এর আগে চারদলীয় জোটেও গিয়েছিল। সব সিদ্ধান্তই হয়েছে জেপির প্রেসিডিয়ামে। এই দলে গোপনে বা চিরকুটের মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত হয় না। এইভাবেই দলটির গঠনতন্ত্র রচিত। কাউকে উড়ে এসে জুড়ে বসে এটা চাপিয়ে দিতে হয়নি। সম্পাদনা: জুলফিকার রাসেল

লিংকঃ
Click This Link

সুদখোর কিন্তু নোবেল প্রাইজও পাই!!

আর মজ্ঞুর কথা কি বলব সব শিয়ালের একই রা!
আর আমি শুধু ব্লগেই ব্লগায় <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943305 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943305 2009-04-27 18:43:35
রাজাকার বা ভাদাকার নয় ,আসুন বাংলাদেশী হই। রাজাকার মানে যারা বাংলাদেশে বাস করে পাকিস্থানের দালালি করে তারা।
আর ভাদাকার মানে যারা বাংলাদেশে বাস করে ভারতের দালালি করে তারা।

যারা বলে আমি কোনটিই তারা মূলত দুপক্ষেরই মানে সুবিধাবাদীদের দলে।
আমার অবস্থান হচ্ছে এই যে বাংলাদেশের স্বার্থ খুন্ন করে বা উপিক্ষা করে যে কাজই করা হোক না কেন এবং তা রাজাকার বা ভাদাকার যেই করুক না কেন । সবার আগে বাংলাদেশের স্বার্থ তারপর অন্য কথা। মানে আগে বৃহত্তর স্বার্থে দেশ আগে তারপর দল বা অন্য কিছু।
আশা করি আমরা সবাই সেই পথ অবলম্বন কবর যা দেশের স্বার্থকে অখুন্ন রাখে।

বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আমাদের বাংলাদেশ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943206 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943206 2009-04-27 15:23:04
মসজিদের মাইকে লোডসেডিংয়ের আগাম খবর জানান: প্রধানমন্ত্রী মসজিদের মাইকে লোডসেডিংয়ের আগাম খবর জানান: প্রধানমন্ত্রী

লিংকঃ
Click This Link

এট একটা ভাল পদক্ষেপ যদিও বাস্তবায়ন খুব সোজা নয়। আসুন আমাদের আরও যে সমস্ত সমস্যা আছে সেগুলোও এভাবে মসজিদের মাইকের মাধ্যমে সমাধান করি। মসজিদকে সকল সমস্যা সমাধানের কেন্দ্র বিন্দু বানায়। যেমনঃ
১. পানির জন্য বলতে পারি ভাইসব আগামি ১ দিন পানি থাকবে না !
২. আগামী ২ দিন খাবার থাকবে না ইত্যাদি।


আসুন সবাই সোচ্চার হয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943134 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28943134 2009-04-27 12:45:37
পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিপু মণির মিথ্যাচার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিপু মণির মিথ্যাচার

লিংকঃ
Click This Link

দেখুন ইনি আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী । তার কাজ কর্মে তার সম্বন্ধে যে প্রশ্ন গুলো চলে আসে ঃ
১. পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা তার আছে কি ?
২. মিথ্যাচার কাম্য কি বিশেষ করে এই পর্যায়ের লোকের কাছ থেকে ?
৩. পররাষ্ট্রনীতি না বুঝলে তার উচিত পদত্যাগ করা ।
৪. রাজনীতি আর থিসিস এক নয় সেটা তার মাথায় রাখা উচিত


পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিপু মণির মিথ্যাচার বন্ধ হোউক অবিলম্বে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28942791 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28942791 2009-04-26 14:21:52
তালপট্টির মালিকানা দাবি নিয়ে জাতিসংঘে যাচ্ছে ভারত : বাংলাদেশ যাতে আপত্তি না জানায় তা বোঝাতে ঢাকা সফর করেন শিব শঙ্কর... তালপট্টির মালিকানা দাবি নিয়ে জাতিসংঘে যাচ্ছে ভারত : বাংলাদেশ যাতে আপত্তি না জানায় তা বোঝাতে ঢাকা সফর করেন শিব শঙ্কর মেনন

এটা আমার দেশের আজকের সংবাদ।
প্রশ্ন হচ্ছে সরকার কি নিজেকে গিলে খাচ্ছে ?!।

লিংকঃ
Click This Link

সময় থাকতে মনা সাবধান। কেমনা সময় গেলে সাধন হবে না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28942452 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28942452 2009-04-25 17:49:30
হিযবুত তাহ্‌রীরসহ ১২ সংগঠন কালো তালিকাভুক্তি :স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় থেকে দাবি করা হয়, পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সারাদেশে তৎপরতা চালিয়ে সংগঠনগুলোর কার্যক্রমে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর তাদের কালো তালিকাভু করা হয়। জঙ্গি গোষ্ঠী বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে রাজনৈতিক তপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, এমন খবর পেয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের চিন্হিত করতে উদ্দ্যোগ নেয়া হয় বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় জানায়। পুলিশ ও গোয়ন্দা সংস্থা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে ১২টি সংগঠনকে চিন্হিত করেছে। এগুলোর মধ্যে জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি), হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ, হিযবুত তাহ্‌রীর, ইসলামী সমাজ, ওলামা আজ্ঞুমান আল বাইয়ানাত, হিযবুত তাওহিদ, ইসলামিক ডেমোক্রাটিক পাটি, তৌহিদী জার্গ্রত মুসলিম জনতা, শাহাদাৎ-ই-হিকমা বাংলাদেশ, আবিলা আবিন বাংলাদেশ, আল্লাহর দল। কালো তালিকাভুক্ত এসব সংগঠনের কার্যক্রম মনিটরিং করার জন্য পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সরকারের স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ। তিনি বলেন, সংগঠনগুলোর কোন কোন শাখা থেকে জঙ্গী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। আইনগত ব্যবস্থা পাশাপাশি তাদের পলিটিক্যাল মটিভেশনে আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। প্রকাশ্য রাজনৈতিক তপরতা চালানো হিযবুত তাহ্‌রীরের জঙ্গী সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সম্পর্কে দলটির প্রধান মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, কালো তালিকায় নাম দেখে বিস্মিত হয়েছি। তিনি মনে করেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ভারতীয় সংশ্লিষ্টতা ও সরকারের ভেতরে ভারতীয়দের চিন্হিত করে বক্তব্যরাখার কারণেই প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে আমাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।--- আমার দেশ।

লিংকঃ
Click This Link

সরকারকে যদি বলা হয় যে সব সংগঠনগুলোর কালো তালিকার কারনসহ প্রকাশ করা হোক সরকার তা কখনও পারবে না।
আসলে বাংলাদেশের মূল সমস্যা হচ্ছে জঙ্গী সমস্যা । সরকার তা যে কোন মূল্য প্রমান করতে ব্যাস্ত। কিন্তু সরকারের এটাও ভূলে গেলে চলবে না যে সে নিজেও মুসলিম। ফলে জঙ্গী দমন সঠিক পন্থায় না হলে সে নিজেও জঙ্গীবাদ থেকে রেহায় পাবেনা। তখন সমস্ত লসের ভাগিদার হবে সমস্ত বাংলাদেশের মানুষ। সরকার্ ও বাংলাদেশের মানুষ তা চাই কিনা সবাইকে তা সম্মিলিতভাবে ভেবে দেখেতে হবে । কারন সামনে আমাদের সামনে খুব ভাল সময় অপেক্ষা করছে বলে মনে হয়না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28942392 http://www.somewhereinblog.net/blog/poribattan/28942392 2009-04-25 14:53:18