শহীদ জিয়াঃ তুমি আমাদের ক্ষমা করে দিও!
হে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান; বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করে যুদ্ধে জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছ। লড়াই করেছ বিরত্বের সাথে। দেশকে করেছে স্বাধীন। শক্রুর কবল থেকে মুক্ত করলে দেশকে। পুনরায় বিপথগামীদের হাতে স্বাধীনতা বিপন্ন হতে দেখে সিপাহী জনতাকে সঙ্গে নিয়ে পুনরায় দেশকে পরাধীনতার কবল থেকে রক্ষা করলে। এক অনিবার্য সময়ে দেশের হাল ধরেছ। পক্ষ বিপক্ষের বেধাবেদ ভুলে গিয়ে সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিতে সকল রাজনৈতিক মতপার্থক্য তুলে দিলে। যুক্তি সম্পন্ন, সাহসী, মানবিক ও বৈজ্ঞানিক কর্মসূচী হাতে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিলে বহুদুর। তোমার শাসনকাল বাংলাদেশের ইতিহাসে লেখা থাকবে স্বর্ণযুগ হিসাবে। বিপথগামীদের বুলেট যদি তোমাকে স্তব্দ করে না দিত তবে আজ আমরা হয়ত তোমাকে পেতাম মাহাথিরের মত আর এই প্রিয় দেশকে পেতাম মালয়েশিয়ার কাতারে। শুধু তাই নয় মধ্যপ্রাচ্য সহ বিশ্বব্যাপী শান্তির জন্য তুমি যে ভুমিকা শুরু করেছ হয়ত আমরা পেতাম শান্তিতে নোবেল বিজয়ী জিয়াকে।
কিন্তু তুমি যেই স্ত্রী, পুত্রদের মায়া মমতা ভালবাসা ছেড়ে দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছ। দেশকে উন্নয়নের জন্য এত কিছু করেছ আজ আমরা তোমার স্ত্রী, পুত্রদের সাথে কি আচরণ করছি তুমি কি জান? তোমার রক্তের ঋন আমরা কিভাবে শোধ করছি তুমি কি দেখতে পাচ্ছ?
তোমার যে সহধর্মীনী দেশকে স্বাধীন করার জন্য তোমাকে সাহস যুগিয়ে যুদ্ধে পাঠিয়ে দিয়ে দুটি বাচ্ছাকে বুকে জড়িয়ে সেই চট্রগ্রাম থেকে একা একা ঢাকা চলে এসেছে। এক ভয়ংকর পরিস্থিতিতে সন্তানদেরকে বুকে জড়িয়ে যেমনি মায়ের মমতা আর বাবার ভালবাসা দিয়েছে তেমনি নিজেও খুঁজে পেয়েছে টিকে থাকার অবলম্বন। দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে যে কিনা আপোষহীন ভাবে দেশের উন্নতি অগ্রগতি আইন শৃংখলা রক্ষায় দৃষ্টান্ত মুলক ভুমিকা রেখেছে। অপারেশন ক্লিন হার্ট এর মাধ্যমে সন্ত্রাসীদেরকে কঠোরভাবে দমন করেছে। এসময় নিজ দলের অপরাধীদেরকেও এতটুকু ছাড় দেয়নি। পরবর্তীতে র্যাব গঠন করেও তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে। কিন্তু দলের অপরাধী চক্রকেও ক্ষমা করেনি। তিনবারের নির্বাচিত সর্বাধিক জনপ্রিয় সেই খালেদা জিয়া আজ কি অবস্থায় আছে তুমি কি জান?
তোমার আদরের সন্তান দুটি আজ কারার অন্তরালে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছে। নির্মমভাবে তাদের উপর চলছে নির্যাতন। তুমি কি জান সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সন্তান হওয়ার পরও প্রথমে তারেককে রাখা হয়েছে একজন সাধারণ বন্ধীর সাথে। নির্যাতন করে তার মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। তাদেরকে বঞ্চিত করা হয়েছে চিকিৎসা থেকে। আজ তারা মৃত প্রায়।
আর তোমার পুত্রবধূ জোবায়দা রহমান। সে যে একজন ভদ্র মহিলা এ ব্যাপারে কারোরই কোন সন্দেহ নেই। অথচ তার সাথে আমরা কি আচরণ করেছি তুমি জানলে ব্যথিত হবে? দেখ আমরা কত ছোট মনের মানুষ শুধু তোমার পরিবারের সদস্য হওয়ায় এই ভদ্র মহিলাকে সেই গাঁয়ে বদলী করা হয়েছে।
একজন রাখাল খুন করেও শুধুই মুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় তাকে ক্ষমা করা হলেও মুক্তিযুদ্ধের এক মহান কান্ডারীর পরিবারের প্রতি যে নির্যাতন চলছে তা ভাষায় প্রকাশ করাও কঠিন। তোমার নাতনীদেরকে মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন করার লক্ষ্যে চলছে আরও কত কী। সাজানো মামলায় বাবাকে ধরে নিল। তারপর স্বাক্ষর করার অপরাধে হাস্যকর গ্যাটকোমামলায় গ্রেফতার করলো তাদের প্রিয় দাদুমনিকে। তারপর বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বন মাকে করলো বদলি, দিল মামলা। নানুকেও বাদ দেয়নি। বলো এই ছোট বাচ্ছাদের কি অপরাধ। কেন তাদেরকে যথাযথ ভাবে গড়ে ওঠার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।
তোমাকে তোমার পরিবারকে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচেছ। কিন্তু তা যে বড়ই কঠিন। কারন এদেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে তুমি যেভাবে স্থান করে নিলে তাতে তোমাকে কোন দিন মুছে ফেলা যাবেনা।
তুমি এই দেশ ও জাতির জন্য এত কিছু করলে অথচ আজ তোমার রেখে যাওয়া বংশধর ও আত্মীয়দের প্রতি আমরা যে অমানবিক আচরণ করছি তা বোধহয় কোন মানুষের পক্ষেই ক্ষমা করা সহজ নয়। তবুও বলছি হে শহীদ জিয়া! তুমি আমাদের ক্ষমা করে দিও।
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।