আমার প্রিয় পোস্ট

“বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়। বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে। বরং বুদ্ধির নখে শান দাও, প্রতিবাদ করো। অন্তত আর যাই করো, সমস্ত কথায় অনায়াসে সম্মতি দিও না। কেননা, সমস্ত কথা যারা অনায়াসে মেনে নেয়, তারা আর কিছুই করে না, তারা আত্মবিনাশের পথ পরিস্কার

পূনশ্চঃ ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসঙ্গতি ও কিছু কথা - (শেষ পর্ব)

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৮

শেয়ারঃ
0 3 0

হযরত মুহাম্মদ যখন রিবা নিষিদ্ধ করেছিলেন তখন সুদ ছিল মহাজনী প্রথার অঙ্গ । তখনকার সমাজব্যবস্থা ছিল আদি সামন্ততান্ত্রিক । বিশেষ করে আরব ভূখন্ডে কৃষিব্যবস্থা তেমন উন্নত ছিল না , পশুপালন কিছুটা বিকশিত হয়েছিল । সওদাগররা দূর দুরান্ত থেকে বানিজ্য করে অধিকাংশ প্রয়োজনীয় জিনিস আরবে সংগ্রহ করে আনত । তাদের জন্য মহাজনী কারবার কিছুটা প্রয়োজনীয় ছিল । জিনিসপত্র কিনবার জন্য কিছু অর্থ মহাজনের কাছ থকে ধার করে জিনিসপত্র কিনে হাট-বাজারে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ আয় থাকে ঋণ শোধ করার পরেও বণিকদের হাতে পয়সা থাকত । অর্থ ব্যবহারের জন্যই তারা ঋণ দাতা মহাজনকে কিছুটা সুদ প্রদান করতো । এইভাবে বণিক ও মহাজন দুই জনেরই সম্পদ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেত ।

কিন্তু যারা গরীব তারা জীবনধারনের প্রয়োজনে একবার মহাজনের কাছ থেকে ঋণ নিলে আর তা শোধ করতে পারতো না, ঋণ বাড়তেই থাকতো । ক্রমাগত ঋণের জালে আবদ্ধ হয়ে পড়ে, এমনকি অনেক সময় ঋণ শোধ না করতে পেরে তারা মহাজনের গোলামে পরিণত হতো । নবী ছিলেন সমাজের শোষিত ও গরীব মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল । নীচু তলার মানুষের প্রতি এই রহমতের ভাব থেকেই তিনি গরীব মানুষকে ধার দেয়া অর্থের সুদ নিতে নিষেধ করেছেন, এমনকি পারলে ঋণের আসলও ফেরত না নেওয়ার কথা বলেছিলেন । তাছাড়া মহাজন কোনো কাজ না করে, কোনো পরিশ্রম না করে শুধুমাত্র অর্থ খাটিয়ে অর্থ বৃদ্ধি করতো, এই অনুৎপাদক আয়কেও তিনি নিন্দা করেছেন । এই হলো সুদ সম্পর্কে কোরআনীয় আদেশের আর্থ-সামাজিক ও সমকালীন পটভূমি ।

আধুনিক পৃথিবীর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রায় সর্বত্রই পূঁজিবাদী ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে উঠেছে , এই ব্যবস্থায় ব্যাংক শুধু মহাজনকে প্রতিস্থাপিতই করেনি, একটি নতুন অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবেও আবির্ভূত ও বিকশিত হয়েছে । ব্যাংক শুধু অতীতের মহাজনদের মতো ঋণ প্রদানই করে না, ঋণ গ্রহণও করে । নিজের পূঁজির তহবিল দিয়েই শুধু কাজ করে না, অসংখ্য ব্যক্তির গচ্ছিত মূলধনকেও কাজে লাগায় । অতীতের মহাজনী প্রথায় অর্থের লেনদেন থাকলেও তার সাথে উৎপাদন প্রক্রিয়া কোনোভাবেই যুক্ত ছিল না । আর আধুনিক ব্যাংক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অর্থ বিনিয়োগ না করে আয় করতে পারে না , আমানতকারীদের কোনো সুদও দিতে পারে না ।

প্রসঙ্গত একটি কথাও এখানে বলা দরকার । সুদ কী ? সুদের হার কীভাবে নির্ধারিত হয় ? আজ থেকে পাঁচশ কি হাজার বছর আগে, সামন্ততান্ত্রিক অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির কোনো প্রশ্ন ছিল না । তখন তাই টাকার কোনো সময়ভিত্তিক অবমূল্যায়ন(devaluation) হতো না । সুদ ছিল সেখানে প্রকৃতই একটি অতিরিক্ত উপার্জন ।কিন্তু আজকের পূঁজিবাদী অর্থনীতিতে যেহেতু জিনিসপত্রের লাগাতার মূল্যস্ফীতি ঘটে চলে, তার ফলে টাকার ক্রমাগত অবমূল্যায়ন(devaluation) ঘটতে থাকে । ২০০০সালের দিকে ১০০ টাকা দিয়ে বাংলাদেশে যা কেনা যেত , এখন তা কিনতে মনে করেন ১৭২ টাকা লাগে । এখন কোনো ব্যক্তি যদি ৯ বছর আগে তার বাড়িতে ১০০ টাকা জমিয়ে রাখতেন , তাহলে আজ তার পক্ষে সেই টাকায় অনেক কম জিনিস কেনা সম্ভব হতো । কাজেই কোরান-হাদিস মেনে কেউ যদি ২০০০ সালের দিকে ১০০ টাকা তার থেকে ধার নিয়ে আজকে এসে ১০০ টাকাই শোধ করে, তাহলে আসলে ক্ষতি হয়ে যায় । ব্যাংকের সুদের হার টাকার এই অবমূল্যায়নের ক্ষতিপূরণ করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ বৃদ্ধির হারের দিকে লক্ষ্য রেখে আমানতকারীর ক্ষেত্রে তার সামান্য নীচে এবং ঋণ গ্রহীতার ক্ষেত্রে তার সামান্য উপরে নির্ধারণ করে । উপরোক্ত হিসেব ঠিক থাকলে , ব্যাংক হয়তো দেখলো সরল সুদের হার বার্ষিক ১২% হলে টাকার অবমূল্যায়নজনিত ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব হয় । সুতরাং সে আমানতকারীকে হয়তো বার্ষিক ১০ % হারে সুদ দেয় এবং ঋণ গ্রহীতের কাছ থেকে বার্ষিক ১৫% হারে সুদ নেয় । সুদের এই চরিত্রও প্রাচীন খেলাফতের যুগ থেকে সম্পুর্ণ আলাদা হয়ে গেছে ।

কিন্তু এই অবমূল্যায়ন রোধ করার জন্য টাকা ব্যাংকগুলো কোথায় পাবে ? ব্যাংকের নিরাপদ লকারে বা ভল্টে টাকা রেখে দিলে তো আর বাড়বে না । তাকে টাকা কোনো লাভজনক ক্ষেত্রে তো বিনিয়োগ করতেই হবে । তাই আধুনিক ব্যাংকের আয় কোনোভাবেই নবী সমালোচিত অনুৎপাদক প্রক্রিয়ায় উপার্জিত আয় নয় । তাছাড়া পূঁজিবাদের বিকাশের মধ্যে দিয়ে একচেটিয়া পূঁজির প্রক্রিয়ায় ব্যাংক পূঁজি ও শিল্প পূঁজির মিলন হয়েছে, ফলে লগ্নী পূঁজির বিকাশ ঘটেছে । একই মালিক শিল্প ও ব্যাংকের মালিক ও পরিচালক হওয়ার ফলে অর্থনীতির দু'টি ক্ষেত্রেই তাদের ভূমিকা অনেক বেড়ে গেছে । ব্যাংকের কাজেও অসংখ্য বৈচিত্র্য ও জটিলতা দেখা দিয়েছে । নবীর যুগের সাথে এইসব ব্যাপারে আধুনিক যুগের যে বিরাট পার্থক্যরেখা বিদ্যমান তা অনেকেই মনে রাখেন না । আর মনে রাখেন না বলেই স্বীয় বক্তব্যের সমর্থনে অনেক আজগুবি উদাহরন দিতেও তাদের বাধে না ।

বাস্তবে সত্তর দশকের গোড়ায় তৃতীয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদীয়মান পূঁজিপতিরা স্বদেশের ব্যাংক ব্যবস্থাকে অর্থনীতির তৃণমূলে বিস্তৃত করার যে পরিলক্পনা ও কর্মসূচী গ্রহন করে তার জন্য তারা নানা উৎস থেকে পূঁজি সংগ্রহ ও বিনিয়োগ করতে শুরু করে । এরই সুযোগ নিয়ে হয়তো, পেট্রোডলারের স্পর্শপুষ্ট হয়ে কিছু কিছু বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন 'পরহেজগার' ও ধনবান ব্যক্তি ইসলামী ব্যাংক স্থাপন করে ফেলেন । অন্যান্য ব্যাংকের সাথে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকার প্রয়োজনে ইসলামের ঝান্ডা, কোনআনের আয়াত, সাধারন মুসলমানদের ধর্মবিশ্বাসকে তাঁরা বাড়তি হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগিয়ে থাকেন । এই হলো ইসলামী ব্যাংক স্থাপন ও বিকাশের বাস্তব ও আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট । ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংক যেমনই হোক, এর 'ইসলামী' লেবেলটি একটি চরম প্রতারনার দৃষ্টান্ত ।

আগের পর্বটি এখানে -
ইসলামী ব্যাংক : তত্ত্ব ও প্রয়োগের মধ্যে অসঙ্গতি ও কিছু কাজের কথা - ১
তার আগের পর্ব -
ইসলামী ব্যাংকের আয় : কতোটা সুদবিহীন আসলে ?
তার আগের পর্ব -
ইসলামী ব্যাংকের কর্মনীতি : বিশেষত্বটা কোথায় ?
তার আগের পর্ব -
ইসলামী ব্যাংকিং : গড়ে ওঠার ইতিহাস ও কিছু কথা

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলামী ব্যাংকিংইসলামী ব্যাংককর্মনীতি ;
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩০
মনজুরুল হক বলেছেন:

সম্ভব হলে এই সিরিজের সবগুলি লেখা একসাথে একটি পোস্টে দিন। সো-কেসে রাখতে সুবিধা হতো।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: আরো কিছু টুকরো কথা রয়ে গেছে । সেগুলো সহ সব মিলিয়ে একটা নতুন পোস্ট দিয়ে দেব । ধন্যবাদ মনজুরুল ভাই ।

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: নতুন আর পোস্টে গেলাম না । বাকি লিংকগুলো এখানেই দিয়ে দিলাম । টুকরো কথাগুলো অন্য কোথাও বলবো ।

১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সত্যান্বেষী।

৩. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
লংকার রাজা বলেছেন: ভাল লিখেছেন।আমার বেশি পড়াশুনা নেই এ ব্যপারে,আপনি কোন বই সাজেস্ট করতে পারেন?
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: বাজারে ইসলামী ব্যাংকিং ও ইসলামী অর্থনীতি সমালোচনা নিয়ে কোনো ভালো বই-ই আমি খুঁজে পাই নি । সম্ভবত এ বিষয়ে আমাদের দেশে তেমন প্রকাশনাই নেই । তবে সিরিজের ব্যাপক অংশ প্রকাশে আমাকে বাসদের একটি প্রকাশনা 'ইসলামী অর্থনীতি ও ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা' অনেক সাহায্য করেছে । তাদেরকে ধন্যবাদ । লেখার অনেক অংশই সেই বই থেকে ধার করেছি । তবে সহায়ক হিসেবে আপনি আরো তিনটি বই দেখতে পারেন । -
১. Islam & Capital - M. Rodinson.
২. The Historical Role Of Islam - M. N. Roy
৩. The Origin & Growth Of Islam - Asghar Ali Engineer.
ধন্যবাদ আপনাকে ।

৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
আলোর মিছিল বলেছেন: ঘুম আসতেছে ব্যপক।সকালে পড়ব ইনশাল্লাহ।প্রিয়তে রেখে দিলাম।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: পড়ে কমেন্ট দিয়েন । থ্যাংকস ।

৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
সহমত।

ইসলামে সুদকে হারাম করেছে আর মুনাফাকে হালাল করেছে। কিন্তু একজন ব্যবসায়ী কত% মুনাফা করতে পারবে তা জানার জন্য কত মওলানা, তাবলিগের লোকদের পিছনে ছুটেছি!!!!!! শেষ পর্যন্ত যুক্তি সংগত উত্তর দিতে না পেরে তারা আমার কাছ থেকে পালিয়ে বেড়িয়েছে, কখনও কখনও উত্তম মাধ্যম দেওয়ারও চেষ্টা করেছে।

ধন্যবাদ।।।।।।।।।।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: দাদা , আপনাকে আমি আরো আগেই আশা করেছিলাম । অবশ্যই এই লেখার সাথে থাকবেন ।

৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
অন্যরকম বলেছেন: "নীচু তলার মানুষের প্রতি এই রহমতের ভাব থেকেই তিনি (নবী) গরীব মানুষকে ধার দেয়া অর্থের সুদ নিতে নিষেধ করেছেন, এমনকি পারলে ঋণের আসলও ফেরত না নেওয়ার কথা বলেছিলেন ।"
আপনার এই বক্তব্য কি নিজের না অন্য কোথাও পেয়েছেন? এই বক্তব্যের তো রেফারেন্স লাগবে, কারণ আসল ফেরত না দেওয়ার কোন কথা তো আমি কোথাও পাই নাই বা শুনি নাই!

অবমূল্যায়ন (devaluation) সংক্রান্ত যেই তথ্য দিয়েছেন, যেমন ১০০ টাকা ১০ বছর পর তার পূর্ব মূল্য হারিয়ে ৫০ টাকায় নেমে যেতে পারে এবং এর ফলে কেউ ট্রেডিমনাল ব্যাংকে এই টাকা রেখে ইন্টারেস্ট পেলে (অবমূল্যায়ন রোধের জন্য) সেটা সুদ বা হারাম হবে কিনা,..... এই দিকটা আগে কখনও আমি চিন্তা করে দেখি নাই.... এই ব্যাপারটি নিয়ে মনে হয় আরও কিছু পড়াশুনা (নিজেকে) এবং এই সেক্টরে পন্ডিত ব্যাক্তিদের মতামতও জেনে নিতে হবে!

আর তখনকার সমাজে অবমূল্যায়ন ছিল না... এই তথ্যটাও মনে হয় কিছুটা গরমিল হবে। অবমূল্যায়ন এখনকার মত এত ব্যাপক না হলেও, কিছূটা তো অবশ্যই ছিল!

+
৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৮
অন্যরকম বলেছেন: @ নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা, এদেশের তবলীগের লোকজনের লেখাপড়া খুবই কম.... ফাজায়েল আমল আর জিকির এই দুই বইয়ের মাঝেই তাদের জ্ঞ্যান সীমাবদ্ধ..... কাজেই তাদের কাছ থেকে উত্তর আশা করা উচিৎই না!

সম্ভব হলে নিজেই কিছু বই পত্র ঘেটে পড়াশোনা করে নিয়েন!
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন ।

নিজেরাই বোঝে না অন্যরে বোঝায়,
সব লোকেরে ভুল বুঝাইয়া কাটমোল্লারা খায় .....

৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৪
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:

@ অন্যরকম
তাহলে আপনিই একটু কষ্ট করে বলুন.............
৯. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৮
মনজুরুল হক বলেছেন:

ঠিক আছে, তাহলে এটিকেই প্রিয়তে নিলাম। আমি অনেক আগে এই বিষয়ে লিখতে চাইছিলাম। পরে আর হয়ে ওঠেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে ইসলামী ব্যাংকের একটা কনফ্লিক্ট আছে। জানিনা সেটা আপনার কোন পর্বে এসেছে কি-না?

আর একটা মজার ব্যাপার সৌদি আরবে ইসলামী ব্যাংকের কোন শাখা নেই! বা সৌদি কোন ব্যাংক ডাইরেক্ট "ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী পরিচালিত" বলে শুনিনি!
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: আপনে সিরিজের মাঝে একটা গঠনমূলক সমালোচনা করলে লেখাগুলো আরো তথ্যসমৃদ্ধ ও শক্তিশালী হতে পারতো । এইখানে অবশ্যই করবেন ।

১০. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৪
অন্যরকম বলেছেন: কত % মুনাফা করতে পারবে???

সেইটার কোন লিমিটেশন আছে কিনা আমার জানা নাই!!!! :| @ ন.প.অ.য
১১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৯
সত্যান্বেষী বলেছেন: ব্লগে ইসলামী ব্যাঙ্কের ভন্ডামী নিয়ে ইদানীং কয়েকটা পোষ্ট আসছে। আমার কালেকশনে বিষয়টি নিয়ে একটি চমৎকার পুস্তিকা রয়েছে। ভাবছি কয়েকটা পর্বে বইটিকে ব্লগারদের সামনে নিয়ে আসব।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: খুবই ভালো কথা । অবশ্যই এই বিষয়ে আপনার পোস্ট চাই । তবে শুধু ইসলামী ব্যাংক না, অন্যান্য ব্যাংকগুলো ধরে ধরেও সমালোচনাটিকে সামনে আনা দরকার যে তারাও ভিন্ন কিছু করছে না । আশা করছি সে বিষয়গুলো নিয়ে, এবং আমি যে পয়েন্টগুলো এনেছি, এর বাইরেও আরো নতুন নতুন পয়েন্ট আপনার লেখায় যুক্ত হবে ।

১২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৩
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
অন্যরকম^^^
আমি যতটুকু জেনেছি ওভাবে নির্ধারণ কারা নাই। তাই ব্যবসায়ীরা লুট করলেও ইসলামে সেটা জায়েজ হিসাবে চিহ্নত করা যায়।
১৩. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩১
অন্যরকম বলেছেন: ব্যবসায়ীদের লুট করার একমাত্র পদ্ধতি হচ্ছে যখন তারা পন্য অনেকদিন ধরে মজুত করে রাখতে পারবে। এটা ছাড়া মুক্তবাজার অর্থনীতিতে অন্য কোন উপায়ে পন্যের দাম বাড়ানোর কোন উপায় নাই! (আমার জানা মতে)

ইসলামে মজুতদারী সরাসরি নিষিদ্ধ করা হইছে! এইটার বিরুদ্ধে কোরআন শরীফে আয়াতও আছে।

আর কোন পন্য সর্বোচ্চ কতদিন মজুত রাখা যাবে সেটা ফিকাহবিদরা বলেছেন, আপাতত আমার জানা নেই! @ নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
১৪. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩২
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
সমস্যা টা হচ্ছে আপনাকে চিনতে পারলাম না। আগে একজনকে ভেবে ছিলাম আজ আবার দাদা বলাতে গুলিয়ে গেল। আচ্ছা একটা মেইল পাঠায়েন তো............
১৫. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৫
অন্যরকম বলেছেন: @ সত্যান্বেষী, অবশ্যই পোস্ট চাই! তবে লেখকের এই পোস্ট কিন্তু ইসলামী ব্যাংকিং নিয়ে.... শুধুই আইবিবিএল নিয়ে নয়! আর ভন্ডামী কম বেশী অনেক ব্যাংকেই হয়। অনেক সময় সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষও জানে না যে কি পরিমাণ দুর্নীতি ব্রাঞ্চে হয়ে থাকে!
১৬. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪১
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:

@ অন্যরকম
তাহলে ইসলাম শব্দটা ব্যবহারের দরকার কি?
১৭. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৮
অন্যরকম বলেছেন: কোন জায়গায়? @ নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
১৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৫
রাফাত সাদাত বলেছেন: দারুন লেখা। সরাসরি প্রিয়তে এবং সেইসাথে প্লাস!
২১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:২৩
সমুদ্রের তীরে বলেছেন: শিরোনামের সাথেতো লেখার কোন মিল পাচ্ছিনা।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: এইটা একটা সিরিজ লেখা । আপনি আগের লেখাগুলো পড়ে দেখলে মিল পেতে পারেন ।

২২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ইসলামী অর্থব্যবস্থায় অর্থ কেবলমাত্র পণ্য বিনিময়ের মাধ্যম; অর্থ নিজে কখনোই পণ্য হিসেবে গণ্য হবে না।
আজকের ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যাংকসমূহে অর্থকেও পণ্য বলে গণ্য করা হয়।
২৩. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০৭
মাহমুদ রহমান বলেছেন: পোস্টে ইসলামী ব্যাংকের তত্ত্ব ও প্রয়োগের অসংগতিগুলো খুঁজছি। ধরতে পারছি না কেন? পড়লাম তো কয়েকবার!
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: মাহমুদ রহমান সাহেব, আপনি কি আদৌ ধরতে পারবেন ?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২২৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
“বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়।
বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে।
বরং বুদ্ধির নখে শান দাও, প্রতিবাদ করো।
অন্তত আর যাই করো,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই