আমার প্রিয় পোস্ট

পথের শেষ নেই, আমার শেষ আছে, তাই এত দ্বন্দ্ব http://pothik.page.tl

একটি গল্প// [রং=#000000]ডেটিং মিস হয়েছিল, কেনো হয়েছিল বলা যাবেনা।[/রং]

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৭:০২

শেয়ার করুন:                   Facebook

[ইটালিক]( উল্লেখ্য , এই গল্পের প্রতিটি চরিত্র ও ঘটনা কাল্পনিক। বাস্তবিক কোন চরিত্র বা ঘটনা বা অবস্থার সাথে এর কোন মিল নাই)[/ইটালিক]

জরিনার সাথে ডেটিং ছিল সাখোয়াতের শনিবার সকালে এগারো ঘটিকায়। আগের দিন রাতেই জিপির দূর্লভ লেট অফার এর বদৌলতে তিরিশ পয়সা মিনিটে কথা বলতে বলতে কখন ভোরে আযান ভেসে এসেছিল শুনতইে পায়নি সাখোয়াত। শুনছিল মোরগার ডাক। তখনই বুঝেছিল ঘুম বাবাজীও রাগ করে পালিয়ে গেছে। জরিনা ঘুমিয়েছিল ঠিকই এবং ঘুমের আগে এগারোটায় লালবাগ কেললার দেরাজের গোড়ায় আসার আলটিমেটাম দিয়ে দিতে ভুলেনাই। সাখোয়াত আর ঘুমায়নি মোটেও। 10টায় বউ বাজারের চিপা হতে বের হয়েছিল তথাকথিত মাঞ্জা মেরে। লাল সূতোর নীল জিন্সে কমপক্ষে তিনটে তালি তো ছিলই। ভাঙাচোরা মুখের মাঝে দুটো চোখে ছিল ঘুমহীনতার ছাপ । যেনো পাড় মাতাল , ঢ়ুলু ঢুলু অথবা রাত ভর কোন পাড়ায় কাটানো মাগীবাজ সন্ত্রাসী যুবক।
পথের মোড়ে সেই সময় অবৈধ উচ্ছেদের কারনে শুর হওয়া উত্তেজক পরিস্থির পাশ দিয়ে যাওয়াটা কপালেই ছিল। লাঠির ডেবে যাওয়া বাড়ি ক'টা খেয়েছিল গোনা যাবেনা তবে লাঠি যে ছিল কমপক্ষে 9টি সে বুঝেছিল নানা মাপের কারনে।
বন্দীশালা হতে ছাড়া পেয়েছিল যখন তখন বেলা গড়িয়ে সাঝের দৌড়াত্ম এল বলে। মোবাইলটি সেই মোড়ে এসে খুঁজেও আর পাওয়া যায়নি। আবর্জনা কি আর আজকাল পথে পড়ে থাকে। সব নিট এন্ড কিলিন। বাধ্য হয়ে দোকান থেকে ফোন না করে উপায় ছিলনা। অন্তর মন্তরের প্রেম জরিনার লগে। কিন্তু জরিনা কথা বলতে রাজি হলোনা। গলা শুনেই রেখে দিেেলা। জরিনা কি করে জানবে তার সোনার ময়না সাখোয়াতের কপালের দোষ যে শুদ্ধ পরিবেশে অশুদ্ধতায় পর্যবসিত হতেই পারে। না সে কল্পনাই করেনি। উপরন্ত বান্ধবী সখিনা বলেছিল সাখোয়াত না ও হইতে পারে তবে তার মতো কাকে সে যেন এক কালা মেয়ের সাথে রমনায় দেখেছিল বসে আছে । নারীর মন খুবই নরম। ওখানে জরুরী বলিয়া কোন অবস্থা নাই। সবকিছুকে স্বাভাবিক দৃষ্টিতে বিচার করে আর ভাবালু হয়। ব্যথিত, বেদনায় আক্রান্ত হয়ে পরে সহজে। একশো পার্সেন্ট নারী জরিনারও তাই হলো।
সাখোয়াত রাত 10টা পর্যন্ত যোগাযোগের শত চেষ্টা করেও দেখা করতে পারলনা। পারলনা কথা বলতে বা বলাতে। অবশেষে একজন এর মাধ্যমে চিঠি লিখে পাঠানোর ব্যবস্থা করল। এমন না যে সেটাই তার প্রথম জরিনার কাছে প্রেম চিঠি লেখা। হাজার বার লিখেছে আগে। কিন্তু আজ ভীষন সমস্যা হচ্ছে। কেনই বা হবেনা। একটু খবর শুনেছে টিভিতে -স্পষ্ট বিধি নিষেধ ..কি কি প্রকাশ করা যাবেনা।

শেষে অনেক কষ্টে নিচের চিঠিটা সে লিখল সে,

"ও আমার লক্ষী পক্ষী সোনা মনিগো,
হাজার হাজার চুমু দিতাছি তোমারে । মাগার ঠোঁটে বেদনা করতাছে , ঠিক মতো দিতে পারতাছি কিনা জানাইও। বেশী খাইছিতো । ঠোট ব্যাথা হইয়া গেছে। আর চুমু একটু সাবধানে লইও। চুমু দেয়ার জন্যে অনুমতি লওয়া লাগবো কিনা কারও জানা নাইক্যা। অনুমতি লইনাই। এইটা সাহসের বাধ ফাটাইয়্যা দিলাম। আমারে তুমি ভুল বুঝতাছ। দেখো তোমারে আমি কত আদর করি। এত ভালা তোমারে কেডায় বাসব কও । কও না জরিনা? তোমার লগে দেখা করার লাইগ্যাই তো ঘর থেকে বার হইছিলাম । কিন্তু পথে ঐ জ...
না কিছু না। ......................................................এখানে অনেক গুলান শূণ্যস্থান। পরে কানে কানে কইমু। না কইমু ই না। কওন যাইব না। কইলেই আবার খাইতে হবে। কওন নিষেধ আচে পুরাপুরি । বুঝতাছ তো।?
আসলে আমি পথ আসিয়া দেখিলাম অনেক মানুষ অনেক মানুষরে মেকাপ করিয়া দিতেছে। আমিও কিছু মেকাপ করিয়া নিলাম। পরে এক বড় রুমে বসিয়া মুখের ব্যায়াম করতাছিলাম। ঐ খানে এত খাইছি যে রাতেও আজ আর ভাত খা তে পারিনাই। পেটে সহ্য হইতাছিলনা। তবে এত কিছুর মধ্যে খালি মনে হইতাছিল , তুমি কত কষ্ট কইরা লাল কেল্লায় দাঁড়াইয়া আছ আর আমি খাইতাছি। আমার সে খাওয়া দেখলে তুমি আরও কষ্ট পাইতা। যাক দেখোনাই যে আমার কপাল। তুমি বুঝতাছ তো আমার কেনো আসা হয়নাইক্যা। সকল রাগ অপ্রকাশিত রাইখ, না হইলে রাগের মাঝে কি কইয়া ফেলবা , দেকা যাইব তোমারেও ঘরে বন্দি হইতে হইবে। আর কি লিখব বুঝতাছিনা। তুমি খালি আমারে ভুল বুইঝনা। আমার লগে আরও অনেকেই ঐ খানে খাইতাছিল। এরপর আমি কল দিলে ফোন ধইরো।

ইতি
তোমার জানের জান
পরানের পরান সাখোয়াত

চিঠি সে জরিনার কাছে পেঁৗছে দিয়েছিল এক শুভাকাঙ্খির মাধ্যমে । কিন্তু জরিনা কি বুঝল আর কি বুঝলনা ভাবতে ভাবতে সে রাতেও সে ঘুমাতে পারলনা একটুও। কেবলই ভাবছিল নারীর মন কি আর এত আইন কানুন বোঝে। প্রেম বোধহয় শেষই হলো অবশেষে।

///

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ছোটগল্পপথ থেকে  বিভাগে ।

 

  • ১৭ টি মন্তব্য
  • ২২৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:০৮
comment by: অতিথি বলেছেন: পথিক ভাই.. এইটা কি জরুরী অবস্থার জরুরী গপপো? :)
২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১১
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি ঐ শাহেনশাহ না
৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১২
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: এই এক সমস্যা আপনাদের ত্রিভুজ ...সব িকছুর মধ্যে খোঁজেন ..
গরপ তো গল্পই তাই না?
৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১৩
comment by: অতিথি বলেছেন: অলমোস্ট ফালতু হইছে পথিক ভাই...
অনেস্ট ওপিনিয়ন দিলাম...
ওপিনিয়ন দেওন যাইবো নাকি হের লইগ্গাও পারমিচন লাগবো...।
৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১৩
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: ঐ দিনই বুঝেছি শাহেনমাহ। প্রশ্নটা করা ঠিক হইনাাই। ঐ শাহেনশাহ আপনি হতেই পারে না। সে এতো বুদ্ধিমান না।
৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: হা হা হা.... পথিক ভাই.. গপপো নিয়া একটু গপপো করলাম. ঐটাল মধ্যে কিছু খুঁইজেন না.. ...

কেমন যাচ্ছে আপনার দিনকাল?.. ঢাকা আসলে ফোন দিবেন...
৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১৫
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: পারমিচোন কি আমি জানিনা।
তবে ওপিনিয়ন অবশ্যই দিবেন।
ওপিনিয়ন ইস ওপিনিয়ন....নেগেটিভ পজিটিভ ইস নট আ মেটার পর মি।
৮. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১৬
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: ঢাকা আসছিলাম তো। বই বাইর হলেই আবার ছুটব।

....বই এর অ্যাড শ্রীঘ্যই দিবি নেটে।
চাইলে মেলায় গিয়ে কিনতে পারবেন।
৯. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: নতুন বই বের করছেন নাকি... গ্রেট! পোষ্টাইয়েন....
১০. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:১৮
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: প্রোফাইলে আছে এইমুহূর্তে , দেখেন নাই?
১১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:২৭
comment by: যীশূ বলেছেন: ভালো হইছে। মজা হইছে।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:২৩

লেখক বলেছেন: সত্যি১

১২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১:২৯
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: যীশূ...ধইন্যবাদ দিবাম .....হাত পাতেন
১৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: জরিনারাও আজকাল টিএন্ডটির তার ধরে দোল খায়?
১৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৩:৫২
comment by: ভাসমান বলেছেন: জটিল হইছে। নিজের গল্প অন্যের নামে চালিয়ে দিলেন?
১৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৮:২৯
comment by: অতিথি বলেছেন: পথিক ভাই, খুব বেশী মারছে?
১৬. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:২১
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: ভাসমানঃ
যাক তাইলে গল্পকার হইতে পারছি মনে হয় কারন গল্প যখন পাঠক সত্য ভাবে তখন গল্পের স্বার্থকতা ফুটে ওঠে।

দ্রোহীঃ
মারছে তো অবশ্যই...তবে মারার চেয়ে না বলতে পারাটাই এখানে মুখ্য

 



 


মামুন ম. আজিজ

একে একে স্বপ্নগুলো সব হেঁটে হেঁটে ঐ চলে যাচ্ছে নরকের মাঝে
আর একা একা স্বর্গের পানে হাঁটছি আর ভাবছি,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৯২৯৯৭