কি যেন হয়েছে , ঠিক কি তা অনুধাবন পূর্ণতায় পর্যবসিত না হলেও বুঝতে পারি ঠিক ততটুক যতটুক বুঝলে বেঁচে থাকার সাধটা আজও জীবিত রয় তবে বেঁচে থাকার খেলায় অংশগ্রহণ সম্পন্ন হলেও খেলায় টুয়েলভ ম্যান হয়ে ওঠার যন্ত্রনা একদম মন থেকে ঝেড়ে ফেলা যাচ্ছেনা।
আর তাই মাথার ভেতর কবিতা গুলো জন্ম নিচ্ছে আর সূর্যালোর অভাবে অভ্যন্তরেই জীবাশ্ম হয়ে উঠছে , ধীরে ধীরে তাই এক কবিতার খুনী হয়ে উঠছি আইনের আড়ালে। আর গল্প তো এ দেউরী সে দেউরী পেরিয়ে কোথা থেকে কোথায় ছুটছে শেষে দিন রাত শেষ হলে আমাতেই মিশে যাচ্ছে কৃষ্ণ গহ্বরের মতো।
আজকাল মনে হয় আমি কল্প স্রষ্টা হতে আরো অনেকধাপ এগিয়ে নতুন চরিত্রে রূপদান করছি যেখানে আমি নিজে এক বাস্তব ঘটনার স্রষ্টা, কল্প ঘটনা তাই আশেপাশে মাথা কুড়ে মরে যাচ্ছে যথারীতি নিয়মিত।
ব্লগের আসরে সেই যে আমার ঘোড়ার দূরন্ত পণা দৌড়, যেখানে কখনও সবুজ ঘাসে ঘোড়ার পা পড়লেও বালু নদী কিছুই সে এড়ায়নি, সেই সে ব্লগে আজ প্রাণ পাইনা। এ ক্ষেত্রে অবশ্য কেবল আমার কি যেন হয়েছে বললে যে চরম ভুল হবে সেটা সবাই বুঝবে। কারণ এখানেও এক প্রশ্ন , মনে মনে –কি যেন হয়েছে ব্লগের, কি যেন, প্রাণ নেই।
ও সবাই জানে। আমা থেকে বেশী অন্যজনে আরও। যেতে পারিনা তাই ফিরে আসি , পাপে বাধে না তাই পাপ করি যেমন, পূণ্য বুঝিনা তাই পূণ্য হয়ে যায় যেমন।
ইদানীং মন খুলে পাগলামী করতে বেশ লাগে। অন্তত যখন স্মৃতিরা সমৃদ্ধ ভাব জাগায় ভাবনায় আর জাগায় নিরবে উচাটন।
তাই এই ব্লগের পাতাটুকু তে মনবমি চালিয়ে যাই।
আজ আর আমার অত ভাবনা নেই। নেই পাওয়া বা না পাওয়ার নিগুড়তার কষ্ট, কষ্ট আছে তবে তারা অনিকেত নয়। তাদের কিনে দিয়েছি আপন নিবাস। তাই তার গুরু মানে। আর আমি উন্মাদনার চোরাবালির টানে ডুবে যেতে থাকি আপন প্রাণে।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০০৭ রাত ৩:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



